ক্যাটাগরি অর্থ ও বাণিজ্য

  • কুতুবদিয়ায় জেলা পরিষদের জায়গায় আ.লীগ নেতার দোকান

    কুতুবদিয়ায় জেলা পরিষদের জায়গায় আ.লীগ নেতার দোকান

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় কৈয়ারবিল ইউনিয়নের বিন্দাপাড়া কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় জেলা পরিষদের কোটি টাকা মূল্যের জায়গা জবরদখল করে দোকান নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে কুতবদিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আহমদ উল্লাহ এবং তার ছেলে আজিজুল হক সাগরের বিরুদ্ধে।

    আ. লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ সরকারি সম্পত্তি জবর দখল করেন তারা। পরে ওই জায়গায় দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দেন। এ কারণে গত ১৮ বছর ধরে ওই সরকারি সম্পত্তি থেকে রাজস্ব আদায় করতে পারেননি কক্সবাজার জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ।

    ইতোমধ্যে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ জায়গা জবরদখল ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার তাগাদা দিলেও উল্টো জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন তারা।

    কক্সবাজার জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং মৌজার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের বি.এস ৮ নম্বর খতিয়ানের বি.এস ৭১১০,৭২১১,৭২১২ এবং ৭২১৪ দাগাদিতে কক্সবাজার জেলা পরিষদের মালিকানাধীন ৩ একর ৮০ শতক জায়গা রয়েছে। সম্পূর্ণ জায়গা থেকে কিছু অংশ জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ইজারা দিয়ে সরকারি কোষাগারে রাজস্ব জমা দেওয়া হয়েছে।

    অধিকাংশ জায়গা গত ১৮ বছর দখলে রেখেছেন কুতুবদিয়া উপজেলা আ. লীগের সাবেক সভাপতি আহমদ উল্লাহ। বর্তমানে ওই জায়গা দেখাশোনা করছেন তার ছেলে আজিজুল হক সাগর।

    সরজমিনে দেখা যায়, কুতুবদিয়া উপজেলা থেকে চার কিলোমিটার দূরে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের বিন্দাপাড়া কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন সড়কের পাশে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন জায়গায় টিনসেটের ছয়টি পাকা দেয়ালের দোকান নির্মাণ করেছেন। দোকানগুলো মোটা অংকের সেলামী নিয়ে ভাড়া দিয়েছেন। তাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে ভাড়া আদায় করেন আহমদ উল্লাহর ছেলে আজিজুল হক সাগর। এছাড়া জবরদখলকৃত জায়গার পেছনে রয়েছে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বড় একটি পুকুর। ওই পুকুরটিও তাদের দখল করে রেখেছেন তারা।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি জায়গা ক্ষমতার জোরে জবর দখল করে রেখেছেন উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি আহমদ উল্লাহ এবং তার ছেলে আজিজুল হক সাগর। আ. লীগ সরকার পতনের পর পুকুরটি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ইজারা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও তাদের ক্ষমতার প্রভাবে ইজারাদার ওই পুকুরে মাছ চাষ করতে পারছেন না। ইজারাদারকেও তারা মারধরের হুমকি প্রদান করেন।

    কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল মারুফ যুগান্তরকে বলেন, জেলা পরিষদের এ জায়গা জবরদখল মুক্ত করতে আমরা ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। আশা করি দ্রুত সময়ে জেলা প্রশাসন ও কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ জায়গা উচ্ছেদপূর্বক জবরদখল মুক্ত করা হবে।

    এআর/নিই
  • ঔষধি গুণের ফাঁদ!  বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি!

    ঔষধি গুণের ফাঁদ! বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি!

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সর্বশেষ গত শনিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে শামীম হোসেন (২৮) নামের এক ব্যক্তি উপজেলার আড্ডা বাজারে শিয়ালের মাংস বিক্রি করেন। এ সময় বিক্রেতারা শিয়ালের মাংসের নানা উপকারিতার কথা উল্লেখ করে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেন।

    মাংস বিক্রেতা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজঘাট ব্রিজ সংলগ্ন আড্ডা বাজারে শিয়ালটি জবাই করে নিজেরাই। জবাই করার পর এই বাজারে নিয়ে এলে ২ কেজির মতো বিক্রি করতে পারেন। বাকি মাংস পাশের বাগমারা বাজারে নিয়ে যান।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাংস ক্রয় করা ব্যক্তিরা জানান, মাংস বিক্রেতারা বলেছিলেন বাত-ব্যথা কিংবা কঠিন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে শিয়ালের মাংস রান্না করে খাওয়ার বিকল্প নেই। এ সব ক্ষেত্রে শিয়ালের মাংসই অব্যর্থ ওষুধ। তাদের এসব কথা বিশ্বাস করে মাংস ক্রয় করেন তারা।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে প্রায়ই শিয়ালের মাংস বিক্রি করা হয়। বিক্রেতা নির্দিষ্ট থাকে না। একেক সময় একেকজন এসে বিক্রি করছে।

    আড্ডা ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন বাদল বলেন, ইউপি অফিস বাজারের সঙ্গেই। কিন্তু কখনোই আমার চোখে পড়েনি শিয়ালের মাংস বিক্রি করছে। আমার কাছে কেউ কোনো দিন অভিযোগ করেনি।

    এআর/এনই

  • ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, ভোগান্তিতে তিতাসের ৪০ গ্রামের মানুষ

    ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, ভোগান্তিতে তিতাসের ৪০ গ্রামের মানুষ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার তিতাস উপজেলার আসমানিয়া বাজারে গোমতী নদীর ওপর নির্মাণাধীন পাকা সেতুর পাশে বিকল্প সেতুটি বন্যায় ভেঙে যায়। ভেঙে পড়ার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও পুনর্নির্মাণ হয়নি বিকল্প সেতু। এতে ভোগান্তি নিয়ে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় পারাপার হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীসহ দুই পাড়ের ৪০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ।

    সরেজমিনে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির রায়পুর বাসস্ট্যান্ড থেকে তিতাসের বাতাকান্দি বাজার পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার সড়কের আসমানিয়া বাজার এলাকায় গোমতী নদীর ওপর ১০ কোটি ৭৭ লাখ ২৪ হাজার ৬৯৯ টাকা ব্যয়ে ৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতুর নির্মাণকাজ চলছে।

    নদীর দুই পাড়ের মানুষের চলাচলের জন্য নির্মাণাধীন সেতুর পাশেই ৮০ মিটারের একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। যা গত বছরের ২৯ মে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ভেঙে যায়। পরে বাল্কহেডের মালিকদের সহযোগিতায় পুনরায় অস্থায়ী সেতুটি নির্মাণ করা হয়। বন্যার পানির প্রবল স্রোতে গত বছরের ২১ আগস্ট কাঠের ওই সেতুটি দ্বিতীয়বারের মতো ভেঙে যায়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীসহ নদীর দুই পাড়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তারা আপাতত ইঞ্জিনচালিত নৌকায় (ট্রলারে) নদী পারাপার হচ্ছেন।

    স্থানীয়রা জানান, গোমতী নদীর দক্ষিণ-পূর্বপাশে উপজেলার অন্যতম বৃহত্তর আসমানিয়া বাজার অবস্থিত। প্রতিদিন উত্তর-পশ্চিম পাড়ের গ্রামের লোকজন ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজে আসমানিয়া বাজারে যাতায়াত করে। দক্ষিণ-পূর্ব পাড়ের গ্রামের লোকজন আসমানিয়া বাজার হয়ে উপজেলা সদরে আসা-যাওয়া করে। এছাড়াও আশপাশের কয়েক উপজেলার মানুষের যাতায়াত রয়েছে আসমানিয়া বাজারে।

    এআর/নিই

  • হাঁস-মুরগির ঘর বানিয়ে স্বাবলম্বী কুমিল্লা সদর দক্ষিণের সাইফুল

    হাঁস-মুরগির ঘর বানিয়ে স্বাবলম্বী কুমিল্লা সদর দক্ষিণের সাইফুল

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বাহারি রঙের ঢেউটিন ও কাঠ দিয়ে দৃষ্টিনন্দন হাঁস-মুরগির ঘর তৈরি করে দারিদ্র্যকে জয় করেছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পুরাতন চৌয়ারা বাজার এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম। জমিজমা তেমন একটা না থাকলেও সাইফুলের অদম্য চেষ্টায় হাঁস-মুরগির ঘর তৈরির মাধ্যমে অভাব থেকে মুক্তি মিলেছে।

    স্বচ্ছলতা এসেছে ৭ সদস্যের পরিবারে। সাইফুলের সফলতা দেখে পুরাতন চৌয়ারা বাজার এলাকায় বেশ কিছু নারী-পুরুষ কর্মসংস্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন বাহারি রঙের দৃষ্টিনন্দন হাঁস-মুরগির ঘর তৈরির কাজ।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রঙিন ঢেউটিন এবং কাঠ দিয়ে হাঁস-মুরগির ঘর তৈরি করছেন সাইফুল ইসলাম। তাকে সহাযোগিতা করেন তার দুই ছেলে সাকিব ও রাকিব।

    কাজ করার ফাঁকে সাইফুল ইসলাম জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এক সময় একাই কাজ করতে হতো। এখন ব্যবসার পরিধি বেড়ে যাওয়ায় আমাকে সহাযোগিতা করে দুই ছেলে। চাহিদা থাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে হাঁস-মুরগির ঘর নিতে আসেন ক্রেতারা। প্রতিটি খাঁচা আকারভেদে ৫-৮ হাজার টাকায় বিক্রি করি। প্রতিটি ঘরে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা লাভ হয়। এসব খাঁচা বিক্রি করে যা আয় হয় তাই দিয়ে চলে আমার সংসার।

    সাইফুলের বড় ছেলে সাকিব বলেন, গ্রামে হাঁস-মুরগি পালন করতে হলে এসব ঘর লাগে। প্রত্যেক পরিবারে এসব ঘর থাকে। বর্তমানে চাহিদাও ভালো। আমাদের দেখাদেখি আশপাশের অনেকে এ কাজ শুরু করছেন।

    সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তানজিলা ফেরদৌসী বলেন, হাঁস-মুরগি পালনের জন্য এসব আয়তাকার ঘর সবচেয়ে ভালো। কারণ এগুলো পরিবেশবান্ধব। হাঁস-মুরগির ঘর পূর্ব পশ্চিমে লম্বালম্বি এবং দক্ষিণমুখী হলে ভালো হয় ।তবে গ্রামগঞ্জে গ্যাবল টাইপ বা দোচালা ঘর এবং শেড টাইপ বা একচালা ঘর এ দুধরনের হাঁস-মুরগির ঘর বেশি দেখা যায়। এ ধরনের ঘরের সুবিধা হচ্ছে যেকোনো প্রয়োজনে স্থানান্তর করা যায়।

    কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবাইয়া খানম কালবেলাকে বলেন, উপজেলার এসব উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদেরকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে। তারা যদি একটি সমিতি গঠন করে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তাহলে সেই সমিতিকে নিবন্ধনের বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে। সমিতির নিবন্ধন হলে প্রতিবছর একটি আর্থিক অনুদান পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

    এআর/এনই
  • মনোহরগঞ্জে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিপাকে খামারিরা

    মনোহরগঞ্জে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিপাকে খামারিরা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় বছরে একবার বোরো ধানের চাষ হয়। গবাদি পশু পালনে গেরস্ত থেকে খামারি সবাইকে ধানের খড়, কুঁড়া ও ভুসির উপর নির্ভর করতে হয়। বছরে একবার বোরো ধানের চাষাবাদ হওয়ায় বছরের মাঝামাঝি সময়ে দেখা দেয় খাদ্য সংকট।

    অনেক সময় খামারিরা এক এলাকায় থেকে অন্য এলাকায় গিয়ে গোখাদ্য সংগ্রহ করেন। বেশি দামে কিনে আনেন ধানের খড় ও কুঁড়া। ফলে বিপাকে পড়ে অনেক খামারি গরু-ছাগল কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন।

    হাসানাবাদ ইউনিয়নের খামারি মো. পারবেজ চোধুরী বলেন, আমার খামারে প্রায় ৩০টি গরু ছিল। খাদ্যের সংকটের কারণে অনেকগুলো গরু কম দামে বিক্রি করে দিয়েছি। এখন খামারে মাত্র সাতটি ষাঁড় গরু আছে।

    খিলা ইউনিয়ন দাড়াচৌঁ গ্রামের গরু খামারি রফিকুজ্জামান হিরন বলেন, আমি গরুর ফার্ম করব বলে নতুন ঘর নির্মাণ করেছি। কয়েকটি ষাঁড় গরুও কিনেছি। খাদ্যের সংকটের কারণে খামারটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। গ্রামের মানুষ যারা গরু পালন করেন, তারা গরুকে সাধারণত ধানের খড়, খৈল, কুঁড়া, ভুসি খাওয়ায়। আমাদের এলাকায় বছরে একবার বোরো ধানের আবাদ হয়। ফলে গরু খাবারের সংকটে পড়েন অনেকে। ফিড ও খৈলের দাম বেশি হওয়ায় খামার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানুষ বছরে একবার বন্যার কবলে পড়েন। ফলে অনেক খামারি খাদ্যের সংকটে পড়ে। উঁচু জমিতে ঘাস চাষ ও খাস জমি দেখে একটি গোচরণ ভূমি তৈরি করলে খাদ্য সংকট কমে যেতে পারে।

    এআর/নিই

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডারের গ্রিল ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডারের গ্রিল ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপদ পারাপারে প্রতিটি স্টেশন এলাকা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ফুট ওভারব্রিজ। কিন্তু অধিকাংশ ফুট ওভারব্রিজই ফাঁকা পড়ে আছে। পথচারীরা ওই ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার করছে দেশের লাইফ লাইন-খ্যাত ব্যস্ততম মহাসড়কটি।

    শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিতসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ মহাসড়কে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করছে না। মৃত্যুঝুঁকি জেনেও মহাসড়কের মাঝ দিয়েই এক পাশ থেকে অন্য পাশে যান পথচারীরা। এতে প্রায়ই ঘটছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। কেউ বা চিরতরে হচ্ছেন পঙ্গু।

    পথচারীদের ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে বাধ্য করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ নিচু বিভাজনের ওপর কোথাও এক থেকে দুইশ মিটারজুড়ে লোহার গ্রিল দিয়েছে। কিন্তু স্থানীয়রা রাতের অন্ধকারে ওই গ্রিল ভেঙে যাতায়াতের পথ নিশ্চিত করে। আর অসচেতন পথচারী দিন-রাত ওই ভাঙা গ্রিল দিয়েই মহাসড়ক পারাপার হন।

    কুমিল্লা সড়ক বিভাগ বলছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের ১০৫ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন ব্যস্ত এলাকায় ৫৪টি ফুট ওভারব্রিজ রয়েছে। প্রতিটি ব্রিজ নির্মাণে সরকারের কোটি কোটি খরচ হয়েছে। কিন্তু মানুষ সেসব ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে চলাচল করছে মহাসড়কে।

    হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে, গত ৯ মাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪৬৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নিহত হয়েছেন ২৮৪ জন। পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন ৫০৯ জন। রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেছে অনেকের।

    সরেজমিন দেখা গেছে, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাসস্টেশনে রয়েছে একটি ফুট ওভারব্রিজ। কোটি টাকা ব্যয়ে ফুট ওভারব্রিজটি নির্মাণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু এই ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে একজনকেও পারাপার হতে দেখা যায়নি। ফুট ওভারব্রিজটি মাত্র ১০০ ফুটের মধ্যে নিচু বিভাজন ও বিভাজনের কাটা অংশ থাকায় সব বয়সের নারী-পুরুষ ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হচ্ছেন।

    চান্দিনা-বাগুর বাসস্টেশনটি জেলার অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। চান্দিনা-দেবিদ্বার, বরুড়া উপজেলার এবং বুড়িচং উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা ওই স্টেশনটি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। স্টেশনে থাকা ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ উভয় পাশে অন্তত ২০০ মিটার লোহার উঁচু গ্রিল স্থাপন করে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে ওই গ্রিল ভেঙে ফেলে স্থানীয়রা। আর ওই ভাঙা অংশেই প্রতিদিন যাতায়াত করছে হাজার হাজার পথচারী। ফলে ওই স্টেশনটিতে যানজট নিত্যসঙ্গী। এ ছাড়া মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ, কুটুম্বপুর, গোবিন্দপুর, নিমসার অংশের ফুট ওভারব্রিজগুলো ব্যবহারই হচ্ছে না।

    গত ১৯ নভেম্বর মহাসড়কের কুটুম্বপুর স্ট্যান্ডে ফুট ওভারব্রিজ থাকা সত্ত্বেও নিচ দিয়ে পারাপারের সময় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় ডাম্প ট্রাকচালকের মৃত্যু হয়। মাধাইয়া বাসস্ট্যান্ড ও চান্দিনা বাসস্ট্যান্ডে কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। অথচ পাশেই ফুট ওভারব্রিজ।

    জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়ে সড়ক পারাপার করা এসব মানুষের কেউ অসুস্থতার অজুহাতে, কেউ সময় বাঁচাতে, কেউ আবার অভ্যাস থেকেই দ্রুতগতির গাড়ির সামনেই সড়ক পার হতে দেখা গেছে।

    ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, মহাসড়কে রাস্তা পারাপারে মানুষের সচেতন হতে হবে। এর বিকল্প কিছু নেই। পুলিশের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, আমরা সেটাকে ব্যবহার করে মানুষকে ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে পারাপারে উদ্বুদ্ধ করছি। কিন্তু পথ যারা ব্যবহার করেন, প্রত্যেককে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

    সড়ক ও জনপথ বিভাগের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা ফুট ওভারব্রিজ তৈরি করে দিয়েছি। সড়কে চলাচলকারী সবার উচিত নিজ দায়িত্বে এটাকে ব্যবহার করা। মানুষকে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে সচেতন করতে আমরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। আমরা মহাসড়কের মাঝখানে লোহার রড দিয়ে ঘেরাও করে দিই, মানুষ সেসব রড ভেঙে রাস্তার মাঝ দিয়ে চলাচল করে। আমরা আমাদের পক্ষে যেটা করণীয় সেটা করে যাচ্ছি, মানুষকে সচেতন হতে হবে। সূত্রঃ কালবেলা

    এআর/এনই

  • দাউদকান্দিতে বাঁশের খুঁটি দিয়ে সেতু রক্ষার চেষ্টা, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

    দাউদকান্দিতে বাঁশের খুঁটি দিয়ে সেতু রক্ষার চেষ্টা, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গোলাপের চর গ্রামের একমাত্র সেতুটি ৩০ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকার পর বর্তমানে চরম নাজুক দশায় পৌঁছেছে।

    স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তৈরি করা ৩০ ফুট দীর্ঘ সেতুটির পিলার থেকে মাটি সরে যাওয়া এবং দেবে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা বাঁশের খুঁটি দিয়ে কোনোমতে যান চলাচল সচল রেখেছেন। মেরামত বা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ না নেওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে প্রায় ১২ হাজার মানুষ। যারা প্রতিদিনই এই পথ ব্যবহার করে।

    কুমিল্লার দাউদকান্দি সদর উত্তর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাপের চর গ্রামের সেতুটি স্থানীয় বাসিন্দাদের উপজেলা সদরে যাতায়াতের প্রধান পথ। শুধু গোলাপের চর নয়, পার্শ্ববর্তী মেঘনা উপজেলার কয়েকটি গ্রামের মানুষও এই সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩০ বছর আগে স্থানীয় সরকারের আওতায় (এলজিইডি) ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থের সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে এর নিচের অংশ দেবে যাওয়ায় এবং পিলারের মাটি সরে যাওয়ায় সেতুটি নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।

    প্রতিদিন ১০-১২ হাজার মানুষ এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করে। এর মধ্যে বেশির ভাগ অটোরিকশা ও মোটরচালিত যানবাহনে চলাচল করে।

    স্থানীয় অটোচালক রবিউল হোসেন জানান, ব্রিজের পিলারের মাটি সরে যাওয়ায় ও নিচের পিলার দেবে যাওয়ায় ব্রিজটি নড়বড় করছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের খুঁটি দিয়েছি। ব্রিজের কাছে এলে যাত্রীদের হেঁটে পার হতে হয়।’

    স্থানীয় ইউপি সদস্য লিটন সরকার বলেন, ‘সেতুটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এটি আমাদের উপজেলায় যাতায়াতের প্রধান পথ।’

    এ বিষয়ে দাউদকান্দি সদর উত্তর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাজমুল হক সরকার বলেন, ‘গোলাপের চর ব্রিজ আমাদের ইউনিয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। আমি মানুষের ভোগান্তি বুঝি, আমি নিজেও ভুক্তভোগী। ব্রিজটি পরিদর্শন করে সংস্কারের জন্য ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একাধিকবার উপজেলা প্রকৌশল বিভাগে চিঠি দিয়েছি। আমরা চাই দীর্ঘস্থায়ী সমাধান। শুধু মেরামত নয়, নতুন করে একটি ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’

    দাউদকান্দি উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল হাসান জানান, সেতুটি নির্মাণের জন্য অধিদপ্তরের কাছে নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

    এআর/নিই

  • দেবিদ্বারে হাসনাত আবদুল্লাহর ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষিত সেই সড়ক সংস্কার শুরু

    দেবিদ্বারে হাসনাত আবদুল্লাহর ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষিত সেই সড়ক সংস্কার শুরু

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    সংস্কারের দাবিতে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর ব্লকেড কর্মসূচি দেয়া সেই কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দেবিদ্বার অংশে অবশেষে সংস্কার কাজ শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।

    ভাঙা সড়কটি সংস্কারের দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন।

    ওই সময় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসানের সঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহর মোবাইল ফোনের কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। তাতে হাসনাত হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন- ২০ অক্টোবরের মধ্যে রাস্তার কাজ শুরু না হলে পরদিন দুপুর ২টার পর থেকে ওই রাস্তা দিয়ে একটি গাড়িও চলতে দেওয়া হবে না, প্রয়োজনে সেখানে ধান-মাছ চাষ হবে।

    অডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই কুমিল্লা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা দেবিদ্বারের ভাঙা সড়ক পরিদর্শনে এসে দ্রুত সড়ক সংস্কারে আশ্বাস দিলে ওই কর্মসূচি স্থগিত করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

    কুমিল্লা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, দেবিদ্বার অংশের ফুলগাছতলা থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত ২৫২ মিটার সড়ক ২৪ ফুট করে মোট ৪৮ ফুট প্রশস্ত করা হবে। নির্মাণ কাজের সময় চার মাস ধরা হয়েছে।

     

    এআর/নিই

  • লালমাইয়ে ১৯ বছর ধরে এক সেতুর অপেক্ষায় ২০ হাজার মানুষ

    লালমাইয়ে ১৯ বছর ধরে এক সেতুর অপেক্ষায় ২০ হাজার মানুষ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ও বাকই উত্তর ইউনিয়নের অন্তত সাত গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছেন। বর্ষা এলে এ সাঁকোই হয়ে ওঠে ডাকাতিয়া নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা।

    জানা গেছে, আলীশ্বর ও ভাবকপাড়া নামক স্থানে নদীর ওপর কোনো সেতু না থাকায় আলীশ্বর, নুরপুর, কসরাইশ, ভাবকপাড়া, শিকারিপাড়া, গছকড়া ও পাড়া ভাবকপাড়া গ্রামের মানুষ বাধ্য হয়ে নিজেরাই প্রতিবছর বাঁশ সংগ্রহ করে সাঁকোটি সংস্কার করে আসছেন।

    স্থানীয়রা জানান, নদীর পূর্ব পাশে রয়েছে আলীশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আলীশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়, দ্বীনিয়া মাদ্রাসা ও আলীশ্বর বাজার। প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ এই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করেন। বিশেষ করে বয়স্ক, নারী ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এই পথচলা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।

    স্থানীয় কৃষক মকবুল মিয়া বলেন, গত বছর মাঠ থেকে খড় নিয়ে ফেরার পথে বাঁশের ফাঁকে পা আটকে পড়ে যাই, পরে লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন জানান, বছরের পর বছর ধরে ব্রিজ হবে শুনছি, কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি।

    বাকই উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, এই গ্রামের হাজারো মানুষ প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়ে। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই— একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের মাধ্যমে এই জনদুর্ভোগ দূর করা হোক।

    লালমাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি ড. শাহজাহান মজুমদার বলেন, একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে শুধু মানুষের দুর্ভোগই কমবে না, এলাকার শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সার্বিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।

    লালমাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিমাদ্রী খীসা বলেন, জনসাধারণের যাতায়াত সহজ করতে সংশ্লিষ্ট স্থানে সেতু নির্মাণের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। সূত্রঃ কালবেলা

    এআর/নিই

  • বাংলাদেশ থেকে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট যাবে পাকিস্তানে

    বাংলাদেশ থেকে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট যাবে পাকিস্তানে

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের করাচিতে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।গতকাল বুধবার পাকিস্তানের ফরেন সার্ভিসেস একাডেমিতে বক্তব্য দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। ইকবাল হোসেন খান বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট শুরু করছি। আমাদের জাতীয় বিমান সংস্থা করাচিতে তিনটি সাপ্তাহিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে।’ফ্লাইটের রুট ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় উড়োজাহাজ যেমন বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারে, তেমনি বিমানের ফ্লাইটও ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহার করে চলবে।’ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারে পাকিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তানি বিমান সংস্থাগুলোর ঢাকা রুটে শিগগির ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা কম।পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে হাইকমিশনার বলেন, ‘পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বাড়ানোর সুযোগ আছে। কিন্তু সরাসরি প্রবেশাধিকার না থাকায় বাণিজ্য সীমিত। অতীতে রেলপথে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্য হতো। কিন্তু বর্তমানে পাকিস্তানের খেজুর দুবাই হয়ে আঞ্চলিক বাজারে পৌঁছায়।

    এম কে