ক্যাটাগরি অর্থ ও বাণিজ্য

  • নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সুখবর

    নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সুখবর

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেছেন, ‘আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে সব সচিব সভায় উপস্থিত হননি।’

    সোমবার নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করে পে কমিশন। বিকাল ৩টায় জাতীয় বেতন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    সুপারিশ কবে হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আলোচনা শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে পারব বলে আশা করছি।

    গত ২৭ জুলাই জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সময়োপযোগী ও যথোপযুক্ত বেতন কাঠামো নির্ধারণের জন্য বেতন কমিশন গঠন করে সরকার।

    রোববার (২৩ নভেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির বলেন, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়া সম্ভব। এ সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী ৫ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও অর্থলয়ী প্রতিষ্ঠান, সরকারি মঞ্জুরিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনার ভিত্তিতে নতুন সুপারিশ তৈরি করা হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫-এর সভাপতি জাকির আহমেদ খান।

    বাদিউল কবির বলেন, নতুন পে স্কেলের জন্য অপেক্ষা করছে কর্মচারীরা। কমিশন ইচ্ছে করলে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সুপারিশ জমা করতে পারবেন। অন্ততপক্ষে সারসংক্ষেপ হলেও বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে জমা দেওয়া উচিত। অন্যথায় কর্মচারীরা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।

    কর্মচারীরা এখন একজোট হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তারা যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা কমিশনকে সময় দিচ্ছি, অবশ্যই এই সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে এমন কর্মসূচি দেওয়া হবে কমিশন তখন এক বছরের কাজ এক সপ্তাহে করতে বাধ্য হবে।

    এই সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী ৫ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

    জানা গেছে, নতুন পে স্কেল প্রণয়নে গঠিত পে কমিশন চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দিতে পারে। কমিশন ইতিমধ্যে সুপারিশ তৈরির ৫০ শতাংশের মতো কাজ শেষ করেছে। আগামী সপ্তাহে সচিবদের মতামত গ্রহণ করা হবে। এর পর কমিশন রিপোর্ট চূড়ান্তকরণের দিকে এগোবে।

    বি/এ

  • চট্টগ্রামে কম্বলের গোডাউনে আগুন ৩ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

    চট্টগ্রামে কম্বলের গোডাউনে আগুন ৩ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

    ডেস্ক নিউজঃ

    চট্টগ্রাম নগরের কদমতলী এলাকার একটি পাঁচতলা বাণিজ্যিক ভবনের চতুর্থ তলায় কম্বল ও শীতবস্ত্রের গুদামে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরপর ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালায়। ৩ ঘণ্টার চেষ্টায়, বিকেল চারটার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    ঘটনাস্থলের সামনে কথা হয় নিচতলার দোকানকর্মী জামাল উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, দুপুর দেড়টার দিকে হঠাৎ উপরের দিক থেকে ধোঁয়া নামতে দেখি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চারতলার জানালায় আগুনের লেলিহান শিখা। তখন সবাই দৌড়ে নিচে নেমে আসে।খবর পেয়ে প্রথমে নন্দনকানন স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরে আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়। আগুন নেভাতে অংশ নেন ফায়ার সার্ভিসের ৬০ জনের বেশি কর্মী।চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, দাহ্য কাপড় ও কেমিক্যাল থাকায় আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়েছে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা করে আমাদের আটটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। উপপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ধারণা করছি, ক্ষয়ক্ষতি অনেক বেশি হবে। তবে তদন্ত শেষে আমরা সঠিক কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারব।

    এম কে

  • বালুর ট্রাকে লুকানো ছিল ৫ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য

    বালুর ট্রাকে লুকানো ছিল ৫ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য

    ডেস্ক নিউজঃ

    হবিগঞ্জে বালু ও পাথরের ভেতরে লুকিয়ে ৫টি ট্রাকে করে আনা হচ্ছিল সাড়ে ৫ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য। পাচারের সময় এসব পণ্য আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    শুক্রবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে হবিগঞ্জ বিজিবি কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির ৫৫ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিলুর রহমান।এ সময় তিনি জানান, শনিবার থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত জেলার চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫টি বালু ভর্তি ও পাথরবোঝাই ট্রাক আটক করে ভারতীয় জিরা, শাড়ি, কসমেটিক্সসহ প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য আটক করা হয়। এ সময় চোরাকারবারিরা অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।তিনি আরও জানান, চলতি মাসে বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৯ কোটি টাকার ভারতীয় চোরাই পণ্য আটক করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন অভিযানে আটক করা হয়েছে ৩৭ জনকে।তিনি আরও জানান, উন্নত প্রযুক্তি ডিভাইস ব্যবহার করে বিজিবি পাচারকারীদের শনাক্ত করে এসব পণ্য আটক করেছে। আটক পণ্যগুলো কাস্টম অফিসে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

    বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

    এম কে

  • ভূমিকম্প: টঙ্গীতে দুই শতাধিক পোশাক শ্রমিক আহত

    ভূমিকম্প: টঙ্গীতে দুই শতাধিক পোশাক শ্রমিক আহত

    ডেস্ক নিউজ

    গাজীপুরের টঙ্গী বিসিক এলাকায় ফ্যাশন পালস লিমিটেড পোশাক কারখানায় ভূমিকম্প আতঙ্কে অন্তত দুই শতাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৯ মিনিটের দিকে হঠাৎ ভূমিকম্প শুরু হয়। এ সময় ওই কারখানার শ্রমিকরা হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    কারখানার শ্রমিকরা জানান, কারখানার নয়তলা ভবনটিতে প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক কাজ করছিলেন। সকাল ১০টা ৩৯ মিনিটে ভূমিকম্প শুরু হলে শ্রমিকরা হুড়োহুড়ি করে নিচে নামতে শুরু করেন। এ সময় আরমান (১৭), খোকন (১৭), শারমিন (২৪), আমেনা (৩০), জহুরা (৩২), কৃষ্ণা (৩৩), জান্নাত (১৮), রাণী (৩৫), আকাশ (১৫), কল্পনা (৩৯), সাবিনা (৩০), সীমা (৪০), রহিমাসহ (২৫) অন্তত ২০০ শ্রমিক আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত শারমিনকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কারখানার কেউ গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি।

    টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইশরাত জাহান এ্যানী ও ডা. তারেকুর রহমান বলেন, শ্রমিকরা হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে আহত হয়েছেন।

    টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে তাড়াহুড়া করে নামতে গিয়ে ওই কারখানার শ্রমিকরা আহত হয়েছেন। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

    বি/এ

  • পে-স্কেল নিয়ে কমিশনের নতুন পদক্ষেপ

    পে-স্কেল নিয়ে কমিশনের নতুন পদক্ষেপ

    ডেস্ক নিউজ:

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে আগামী সোমবার (২৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে বৈঠকে বসবে জাতীয় বেতন কমিশন।

    জাতীয় বেতন কমিশনের সভাপতি জাকির আহমেদ খান এতে সভাপতিত্ব করবেন। পে কমিশনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বর্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, সরকারি মঞ্জুরিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিদ্যমান বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনাপূর্বক সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় বেতন কমিশনের সঙ্গে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবদের সভা অনুষ্ঠিত হবে।

    এর আগে ১ থেকে ১৫ অক্টোবর সাধারণ নাগরিক, সরকারি চাকরিজীবী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং অ্যাসোসিয়েশন বা সমিতি এই চার শ্রেণিতে প্রশ্নমালার মাধ্যমে কমিশন অনলাইনে সর্বসাধারণের মতামত সংগ্রহ করেছে।

    গত ২৭ জুলাই গঠন করা হয় জাতীয় বেতন কমিশন। যারা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে চায় আগামী ডিসেম্বরে।

    এদিকে পে কমিশনের জন্য আলাদা কমিশন কাজ করছে জানিয়ে সম্প্রতি অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনটি রিপোর্ট পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই-বাছাই করে তারপরই কমিশন দিতে হবে। বর্তমান সরকার একটি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করবে, আর পরবর্তী সরকার সেটি বাস্তবায়ন করবে।
    বি/এ

  • আবারো বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২০৯৫২০ টাকা

    আবারো বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২০৯৫২০ টাকা

    ডেস্ক নিউজ,

    স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    টানা দু’ দফা কমার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে দু’ হাজার ৬১২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ নয় হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

    বুধবার (১৮ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দর

    স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে

    প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ নয় হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ
    প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ নয় হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ |সংগৃহীত

    টানা দু’ দফা কমার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারো বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে দু’ হাজার ৬১২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ নয় হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

    বুধবার (১৮ নভেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

    page-top-ad

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে দু’ লাখ নয় হাজার ৫২০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দু’ লাখ তিন টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৭১ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৪২ হাজার ৫৯২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরো জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সাথে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ছয় শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    এর আগে, সবশেষ গত ১৮ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে এক হাজার ৩৬৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দু’ লাখ ৬ হাজার ৯০৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

    এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৯৭ হাজার ৪৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি এক লাখ ৬৯ হাজার ২৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক লাখ ৪০ হাজার ৭৬১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ১৯ নভেম্বর থেকে।

    এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৭৯ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৫৪ বার, আর কমেছে মাত্র ২৫ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

    স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে চার হাজার ২৪৬ টাকায়।

    এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি চার হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি তিন হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে দু’ হাজার ৬০১ টাকায়।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত নয়বার সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। এর মধ্যে বেড়েছে ছয়বার, আর কমেছে মাত্র তিনবার। আর গত বছর সমন্বয় করা হয়েছিল তিনবার।

    এ/ আর ১৯ নভেম্বর

  • দেশের অর্থনীতিতে বড় চ্যালেঞ্জ

    দেশের অর্থনীতিতে বড় চ্যালেঞ্জ

    অর্থনীতি ডেস্ক:

    সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সংস্কার কার্যক্রমে অগ্রগতি সত্ত্বেও বাংলাদেশ এখনো তিনটি বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি—দুর্বল রাজস্ব, ঝুঁকিপূর্ণ আর্থিক খাত ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এমন মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

    চলমান ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় পঞ্চম পর্যালোচনা শেষে সংস্থাটির ঢাকা সফররত প্রতিনিধিদল এই মূল্যায়ন প্রকাশ করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ক্রিস পাপাজর্জিও। ২৯ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত তারা সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও অর্থনৈতিক নীতি–নির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    আইএমএফ জানায়, বাংলাদেশের রাজস্ব কাঠামো দুর্বল হওয়ায় অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতের মূলধন ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতিও স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধির পথে বড় বাধা। সংস্থাটির মতে, টেকসই আর্থিক ভারসাম্য রক্ষা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সাহসী ও কার্যকর নীতিমালা এখন অত্যন্ত প্রয়োজন। নীতি প্রণয়নে বিলম্ব বা দুর্বলতা দেখা দিলে অর্থনীতি আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, রাজস্ব প্রশাসনের সংস্কার ও আর্থিক খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। একটি সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে রাজস্ব আয় বাড়বে এবং সামষ্টিক স্থিতিশীলতা দৃঢ় হবে।

    আইএমএফের মূল্যায়নে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৭ শতাংশে নেমেছে, যা গত বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটার ফল। অন্যদিকে, টানা কয়েক মাসের প্রচেষ্টায় মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্ক থেকে ৮ শতাংশে নেমে এসেছে।

    সংস্থাটি আশা করছে, কর সংস্কার ও আর্থিক খাতের পুনর্গঠন কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে ২০২৫–২৬ এবং ২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি গড়ে প্রায় ৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। তবে ২০২৬–২৭ অর্থবছরে তা সাড়ে ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

    আইএমএফ আরও বলেছে, মধ্য মেয়াদে প্রবৃদ্ধির গতি বাড়াতে শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা, যুব বেকারত্ব হ্রাস এবং অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণে জোর দিতে হবে। এসব সংস্কার কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই হবে বলে সংস্থাটির অভিমত।
    সুত্র: আমার দেশ
    বি/এ

  • পেঁয়াজের কেজিতে কমলো ২০ টাকা

    পেঁয়াজের কেজিতে কমলো ২০ টাকা

    ডেস্ক নিউজ:

    বাজারে সিন্ডিকেট চক্র কারসাজি করে পেঁয়াজের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর পর গতকাল কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। আগের কয়েকদিন এলাকাভেদে সর্বোচ্চ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ রোববার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে দাম কমেছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

    ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগের কয়েকদিন বাজার ঊর্ধ্বমুখি থাকার পর ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির গুজব ছড়ানোর পর শনিবার থেকে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

    রোববার বিকালে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে এমন খবরে দাম পড়ে গেছে। বেশ কয়েকদিন ঊর্ধ্বমুখি থাকার পর রোববার আড়ত থেকেই কমে কিনেছি; তাই আমরাও ১০ থেকে ২০ টাকা কমে বিক্রি করছি। গতকাল কারওয়ানবাজারে ১০০ থেকে ১১০টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে স্থনীয় বাজারে দাম কমার প্রভাব এখনো পড়তে দেখা যায়নি। দু-এক দিনের মধ্যে দাম আরো কমতে পারে বলে জানান বিক্রেতারা। শান্তিনগর, নয়াবাজার, হাতিরপুল ও পলাশীসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজারেও আগের কয়েকদিনের তুলনায় গতকাল কমে বেচাকেনার খবর পারওয়া গেছে।

    এদিকে রোববার বিকেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পেঁয়াজের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজের দাম কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না কমলে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। কোনো সংকট নেই-যথেষ্ট মজুত রয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসবে। ফলে আগামী চার পাঁচ দিনের মধ্যে বাজার স্বাভাবিক না হলে আমরা আমদানির অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেব।

    তিনি বলেন, ইতোমধ্যে পেঁয়াজ আমদানির জন্য ২ হাজার ৮০০ টি আবেদন পড়েছে। আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যে বাজারের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে না আসলে আমদানি অনুমোদন ইস্যু করা হবে।

    এ সময় হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়া সম্পর্কে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, একাধিক কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। মৌসুমের শেষ, হঠাৎ করে ভারী বৃষ্টি, পেঁয়াজ সংরক্ষণের সময় শুকিয়ে যাওয়ার পরে ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ। হঠাৎ করেই পেঁয়াজের দাম বেড়েছে, আমরা বাজারের নজর রাখছি। দেশে যথেষ্ট পেঁয়াজের মজুত রয়েছে।

    পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি মজুতদার বা সিন্ডিকেটের কারণে হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, আমার কাছে মজুমদারি বা সিন্ডিকেটের খবর নেই। সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। আশা করি দ্রুত সংকট কেটে যাবে। তিনি আরও বলেন, সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য পেঁয়াজ মজুত করা হচ্ছে বলে আমাদের কাছে খবর রয়েছে।

    পেঁয়াজ আমদানির জন্য যত আবেদন পড়েছে, তার ১০ শতাংশ যদি অনুমোদন দেওয়া হয় তাহলে বাজারে পেঁয়াজে সয়লাব হয়ে যাবে। কৃষক ক্ষতির মুখে পড়বেন। এজন্য আমরা সামগ্রিক বিবেচনায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

    এ প্রসঙ্গে রোববার রাতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক (মনিটরিং ও বাস্তবায়ন) ড. মোঃ জামাল উদ্দীন বলেন, এ মুহূর্তে দেশে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই। এখনো কৃষকের হাতে ৩ লাখ মেট্রিকটন পেঁয়াজ রয়েছে। বাজারেও সরবরাহও স্বাভাবিক। কিন্তু অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে আমদানির পায়তারা করছে। এরই মধ্যে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে, ২/৩দিনের মধ্যে আরো কমে আসবে।

    ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশের বিষয়ে ড. জামাল বলেন, তারা আমদানিকারকদের দ্বারা মোটিভেটেড হয়ে এ ধরনের সুপারিশ করে থাকতে পারে। বাস্তবে দেশে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই। পেঁয়াজ আমদানির আইপি (ইমপোর্ট পারমিট) না দেওয়ায় তারা কৃষি সচিবের বিরুদ্ধে রিট করেও আদালত থেকে পেঁয়াজ আমদানির পায়নি। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে আইপি নেয়র চেষ্টা করা হচ্ছে।

    এদিকে বাজারে হঠাৎ পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধিতে সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর পেঁয়াজ আমদানির জন্য সরকারকে সুপারিশ করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)। ট্যারিফ কমিশন বলছে, কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম সর্বোচ্চ ১১০ টাকা ওঠায় দ্রুত আমদানির অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। পেঁয়াজ আমদানির এ সুপারিশ গত বৃহস্পতিবার বাণিজ্যসচিব ও কৃষিসচিবের কাছে সংস্থাটি পাঠানোর পর রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পেঁয়াজের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা ।

    এ প্রসঙ্গে রোববার কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘বাজারের কারসাজি বন্ধ না করে এ মুহূর্তে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হলে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। দেশে ভালো উৎপাদন হলেও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে আমদানির পাঁয়তারা করা হচ্ছে।

  • অর্থ উপদেষ্টা নতুন পে কমিশনের সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সরকার

    অর্থ উপদেষ্টা নতুন পে কমিশনের সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সরকার

    সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে কমিশনের সিদ্ধান্ত আগামী সরকার নেবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

    রোববার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক এবং অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সালেহউদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন।

    মন্ত্রিপরিষদ ভবনে একাধিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘পে কমিশনের বিষয়ে আমরা এখন কিছু বলতে পারছি না। বিষয়টি আগামী সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি, প্রাথমিক কাজগুলো শুরু হয়েছে। পরবর্তী সরকার চাইলে এটি বাস্তবায়ন করতে পারবে।’

    গত ২৪ জুলাই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো নির্ধারণের জন্য পে কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনের প্রধান সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান। এই কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

    কমিশনটি সরকারি, অর্ধ-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় বেতনস্কেলের আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প সংস্থার কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা মূল্যায়ন করবে।

    বর্তমানে ২০১৫ সালের পে স্কেল অনুসারে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেতন-ভাতা পান। বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আছেন প্রায় ১৫ লাখ।

    দুই বছরের বেশি সময় ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজমান। এতে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে নতুন বেতনকাঠামো নির্ধারণে নতুন পে কমিশন গঠন করা হয়।

  • অনিশ্চয়তার বেড়াজালে পে স্কেল

    অনিশ্চয়তার বেড়াজালে পে স্কেল

    ডেস্ক নিউজ :

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নতুন পে স্কেল ঘোষণার জন্য জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করেছে। তবে এ সরকার পে স্কেলের সিদ্ধান্ত দিতে পারবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, নতুন পে স্কেলের সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সরকার।

    রোববার (৯ নভেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক এবং অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    জানা গেছে, ইতোমধ্যে বেতন কমিশন বিভিন্ন সুপারিশও গঠন করেছে। তবে পে স্কেল নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার সিদ্ধান্ত নেবে না। নির্বাচিত সরকারের জন্য ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে পে স্কেলের সিদ্ধান্ত।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, একটা কমিটি করেছি ট্যাক্সের ব্যাপারে কিছু ইকোনমিস্ট নিয়ে। তারা ইন্ডিপেন্ডেন্ট, কিছু রিকমেন্ডেশন দেবে। একটা পে কমিশনের ব্যাপার আছে। সেটা আমরা এখন কিছু বলতে পারি না। ওটা দেখা যাক কতদূর যায়। আগামী সরকার হয়তো সেটা এসে করতে পারে। আমরা যেহেতু ইনিশিয়েট করে ফেলেছি। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ইতিমধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নির্বাচনি প্রার্থী ঘোষণা শুরু করেছে। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারই পে স্কেল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

    জাতীয় বেতন কমিশন আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দিতে চাইছে। একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করবে নির্বাচিত সরকার।
    বি/এ