ক্যাটাগরি অর্থ ও বাণিজ্য

  • ডিম-পেঁয়াজ-কাঁচামরিচ আমদানির বিষয়ে সরকারের  সিদ্ধান্ত

    ডিম-পেঁয়াজ-কাঁচামরিচ আমদানির বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত

    নিউজ ডেস্ক

    এক ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা ছাড়ালেই আমদানির অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি শুল্ক–কর ছাড় দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন আজ বৃহস্পতিবার এই সুপারিশ করে বাণিজ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বাজারে ডজনপ্রতি ডিমের দাম ছিল ১৪০ টাকার আশপাশে। কিছুদিন আগে ডিমের দাম ১৫০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

    শুধু ডিম নয়, পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৯০ টাকা পেরোলে আমদানির অনুমতিসহ শুল্ক–কর ছাড় দেওয়ার সুপারিশ করেছে ট্যারিফ কমিশন। বর্তমানে রাজধানীর বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

    ট্যারিফ কমিশন বলছে, স্থানীয়ভাবে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার ৭০০ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। আমদানি উন্মুক্ত করায় পেঁয়াজের মূল্য ও সরবরাহ স্থিতিশীল হয়েছে।

    এদিকে কিছুদিন ধরে কাঁচামরিচের দাম বাড়তি। বর্তমানে বাজারে ২২০ থেকে ২৬০ টাকার মধ্যে এক কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে। ট্যারিফ কমিশন কাঁচামরিচের বাজারদর ও সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমদানিতে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করার সুপারিশ করেছে। এ ছাড়া কাঁচামরিচ আমদানির সময় শুল্কায়নযোগ্য মূল্যের পরিবর্তে প্রকৃত বিনিময়মূল্য শুল্কায়নের সুপারিশও করা হয়েছে।

    এদিকে সবজির বাজার স্থিতিশীল রাখতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছে ট্যারিফ কমিশন। সংস্থাটি বলেছে, সবজির উৎপাদন মূল্য থেকে খুচরা মূল্য পর্যন্ত সরবরাহ শৃঙ্খল তদারকি জোরদার করতে হবে।

  • ভারত সীমান্তে ৩ স্থলবন্দর বন্ধ, ১টির কার্যক্রম স্থগিত

    ভারত সীমান্তে ৩ স্থলবন্দর বন্ধ, ১টির কার্যক্রম স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ

    বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের তিনটি স্থলবন্দরকে বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। অপর একটি স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে স্থলবন্দর সংক্রান্ত এসব সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বন্ধ করে দেওয়া স্থলবন্দর তিনটি হচ্ছে – নীলফামারীর চিলাহাটি, চুয়াডাঙ্গার দৌলতগঞ্জ এবং রাঙামাটির তেগামুখ স্থলবন্দর। এছাড়া, হবিগঞ্জের বাল্লা স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখা হচ্ছে।

    ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলাম জানান, স্থলবন্দরগুলো নিয়ে একটি ক্যাবিনেট কমিটি কাজ করেছে।

    ‘অনেক স্থলবন্দর আছে, সেখানে কোনো কাজ হয় না, অবকাঠামো নেই,’ উল্লেখ করে আলম বলেন, ‘যেগুলোতে আসলে কোনো কাজই হচ্ছে না।’

    তিনি বলেন, ‘কর্মকর্তাদের পদায়ন করতে হয়, পরিচালনায় অনেক অর্থব্যয় করতে হয়। কিন্তু কোনো কাজে আসে না। সেসব স্থলবন্দরই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’

  • বেড়েছে স্বর্ণের দাম

    বেড়েছে স্বর্ণের দাম

    নিউজ ডেস্ক

    দেশের বাজারে এক মাস পর আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৫০ টাকা, যা আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে। এর আগে এই দাম ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ টাকা।

    মঙ্গলবার বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দামে পরিবর্তন আসায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৫১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪১ হাজার ২৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এরআগে গত ২৪ জুলাই ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৬ হাজার ১২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    স্বর্ণের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটে প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ৫৭৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম দুই হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম দুই হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এক হাজার ৫৮৬ টাকা।

  • বন্দরে পণ্য হাতে পেতে অপেক্ষা কমছে

    বন্দরে পণ্য হাতে পেতে অপেক্ষা কমছে

    জেটিতে জাহাজ ভেড়ানোর জন্য সপ্তাহখানেক অপেক্ষায় থাকা যেন নিয়মে দাঁড়িয়েছিল চট্টগ্রাম বন্দরে। তাতে জাহাজ আসার পরও পণ্য হাতে পেতে ব্যবসায়ীদের অপেক্ষা করতে হতো। গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই অপেক্ষার সময় এখন কমতে শুরু করেছে।

    গত মঙ্গলবার বন্দরের জেনারেল কার্গো বার্থ বা জিসিবে ক্রেনযুক্ত যে দুটি কনটেইনার জাহাজ ভিড়েছে, সেগুলো বন্দর জলসীমায় আসার দুই-এক দিন পরই জেটিতে ভেড়ানো হয়েছে। তবে ক্রেনবিহীন জাহাজের অপেক্ষার সময় এখন ৭ থেকে ১০ দিনের বদলে ৪ দিনে নেমে এসেছে। আবার জেটিতে ভেড়ানোর জন্য সাগরে অপেক্ষমাণ জাহাজের সংখ্যা ১৪–১৫ থেকে ৬–এ নেমেছে।

    রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানার কাঁচামাল আমদানি হয় কনটেইনারে। ফলে পণ্য হাতে পেতে দেরি হলে এসব কারখানার পণ্য উৎপাদনে বাড়তি সময় লাগে। আবার রপ্তানির পুরোটাই পরিবহন করা হয় কনটেইনারে। প্রায় ছয় মাস ধরে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করলেও এখন পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় কিছুটা স্বস্তিতে আছেন উদ্যোক্তারা।

  • ৫ আগস্ট বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও পোশাক কারখানা

    ৫ আগস্ট বন্ধ থাকবে ব্যাংক ও পোশাক কারখানা

    নিউজ ডেস্ক:

    সারা দেশে আগামী মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ব্যাংক বন্ধ থাকবে। দিনটি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে সরকার ঘোষিত ছুটির দিন হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অব সাইট সুপারভিশন থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

    বাংলাদেশ সরকার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গত ২ জুলাই জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সে উপলক্ষে দেশের সব অফিস-আদালতের মতোই তপশিলি ব্যাংকগুলোকেও ছুটির আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট সরকারি ছুটির দিন হিসেবে দেশের সব তপশিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। অতএব, সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ব্যাপারে আগেভাগে প্রস্তুতি নিতে এবং আর্থিক লেনদেন পরিকল্পনা করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের ইতিহাসে ৫ আগস্ট ২০২৪ একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দীর্ঘদিনের দমনপীড়ন, ভোট কারচুপি, লুটপাট ও স্বৈরতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে আওয়ামী লীগ অবশেষে ক্ষমতা হারিয়েছে। শেখ হাসিনা, যিনি একযুগ ধরে রাষ্ট্রক্ষমতা আঁকড়ে ধরে ছিলেন, শেষ পর্যন্ত পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। জনগণের বিজয় হয়েছে, আর বাংলাদেশের গণতন্ত্র ফিরে আসার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

    এদিকে শনিবার (২ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ জানায় ৫ আগস্ট সব পোশাক কারখানা ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে এ ছুটির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

     

  • বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    নিউজ ডেস্ক:

    ল্যস্ফীতি মোকাবিলায় বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭ দশমিক ২০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর আগামী বছরের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে ৮ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে এই ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।

    ‎গত অর্থবছরের মে মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। অথচ পুরো ২০২৪-২৫ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রাই ছিল ৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

    ‎মুদ্রানীতি বিবরণী অনুযায়ী, ডিসম্বর পর্যন্ত সরকারি খাতে ঋণের আনুমানিক প্রবৃদ্ধি হবে ২০ দশমিক ৪ শতাংশ। আর জুনে তা হবে ১৮ দশমিক ১ শতাংশ।

    এদিকে মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহারে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামলে নীতি সুদহার কমানো হবে বলে মুদ্রানীতিতে ঘোষণা দেওয়া হয়।

    গভর্নর বলেন, মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমছে। তবে এটা আরো কমাতে হবে। আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য নামলেই নীতি সুদহারে হাত দেওয়া হবে।

  • আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    আখ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দর্শনায় চাষী সম্মেলন

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

    রোপন ও মাড়াই মৌসুমে আখ চাষ বৃদ্ধি এবং গুণগত মানসম্পন্ন আখ সরবরাহের লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আখ চাষীদের নিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনা কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর কৃষি বিভাগের আয়োজনে বুধবার (৩০ জুলাই) কেরুজ ট্রেনিং কমপ্লেক্সে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাব্বিক হাসানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বর্ক্তৃতা করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ড.আব্দুল আলীম খান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের প্রধান (ট্যাকনিক্যাল সার্ভিস) ড. জেবুন নাহার ফেরদৌস ও প্রধান ইক্ষু ক্রয় সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দীন।
    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আখ চাষী শামীম হাসান, আজিজুল হক ডাবলু, আবজালুর রহমান ধীরু, আব্দুল বারী, মোর্শেদুর রহমান, লিংকন ও সোহেল রানা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড.আব্দুল আলীম খান বলেন,“কারখানা চালু রাখতে হলে আখের প্রয়োজন হবে। আখ চাষ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে চাষীদের যে যৌক্তিক দাবী আছে তা আমরা পুরণ করার চেষ্টা করবো। আমরা এখন পর্যন্ত ভাল মানের আখের বীজ উৎপাদন করতে পারছিনা। বীজের মান ভাল অবস্থায় আনার চেষ্টা চলছে। কেরুর উৎপাদিত পণ্য যদি আমারা সামনে আনতে না পারি তাহলে আমরা পিছিয়ে পড়ব। এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নয়া বন্দোবস্তের মধ্যে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে”।

    এছাড়া সম্মেলনে কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কৃষি) আশরাফুল আলম ভুঁইয়া, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সম্প্রসারণ) মাহবুবুর রহমান ও (বীজ পরিদর্শক) দেলোয়ার হোসেন এবং খামার ব্যবস্থাপক সুমন কুমার সাহা এবং সকল সাব জোন প্রধানগণসহ প্রায় দেড় শতাধিক চাষী উপস্থিত ছিলেন।

    বিডি/বিএ

     

  • চৌগাছা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে  জামায়াতের অনুদান 

    চৌগাছা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে  জামায়াতের অনুদান 

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছা প্রেসক্লাবের সংস্কার ও  উন্নয়নের জন্য নগদ অর্থ  প্রদান করেছে উপজেলা জামায়াত। এ উপলক্ষে ক্লাবের অস্থায়ী অফিসে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

    সভায় প্রেসক্লাব চৌগাছার সভাপতি অধ্যক্ষ আবু জাফরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও গোলাম মোরশেদ।

    প্রেসক্লাব চৌগাছার সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান এর পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন,  উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও নুরুজ্জামান,  সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ, বায়তুল মাল সম্পাদক মাষ্টার ইমদাদুল হক, উপজেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য সামছুর রহমান, প্রেসক্লাব চৌগাছার সিনিয়র সহ সভাপতি রহিদুল ইসলাম খান প্রমুখ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক এম এ রহিম, আসাদুজ্জামান মুক্ত, বাবুল আক্তার,  শফিকুল ইসলাম,  রায়হান হোসেন,  কালিমুল্লাহ সিদ্দিকী,  শ্যামল কুমার দত্ত, আবু হানিফ, আব্দুল মান্নান, আজম আশরাফুল,  ফয়সাল হোসেন মাও : ফখরুল ইসলামসহ প্রেসক্লাব চৌগাছার সদস্যরা। আলোচনা শেষে জামায়াত নেতৃবৃন্দ প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের হাতে চৌগাছার নেতৃবৃন্দের হাতে নগদ ২০ হাজার টাকা তুলে দেন।

  • সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেছনে রেখে পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, পাকিস্তান শুধু ভারতের কোনো সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানতে ব্যর্থই হয়নি, যদি তাদের মাটি থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে থাকে, তাহলে তাদের নিশ্চিহ্ন করা হবে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশে এটিই ছিল নরেন্দ্র মোদির প্রথম ভাষণ। তিনি চার দিনের অভিযানে নয়টি ‘সন্ত্রাসী ঘাঁটি’ ধ্বংস এবং পাকিস্তানের আটটি সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানায় সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    প্রায় ২৭ মিনিট দীর্ঘ ওই ভাষণে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আপনারা যা করেছেন, তা অভূতপূর্ব, অকল্পনীয় ও বিস্ময়কর।’ তাঁর এই বক্তব্যে কার্যত সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া মোদির ভাষণের বার্তাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

    তবে মোদির এই ভাষণের তাৎপর্য অনেক। ভাষণটি পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে দেওয়া হয়। এটি পাকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ–ব্যবস্থাসহ ঘাঁটিটি ধ্বংস করেছে। ভারত এসব দাবি সরাসরি উড়িয়ে দেয়।

    নরেন্দ্র মোদি বলেন, অপারেশন সিঁদুর এখন পাকিস্তানের জন্য একটি স্পষ্ট ‘লক্ষ্মণরেখা (চূড়ান্তসীমা)’ টেনে দিয়েছে। পূর্বঘোষণা ছাড়াই মঙ্গলবার ভোরে তিনি বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান এবং ইউনিফর্মে থাকা বিমানবাহিনীর সেনাদের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সেনারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন।

    সেনাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর নরেন্দ্র মোদি ভাষণ দেন। এ সময় পেছনে দৃশ্যমান ছিল এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা আর তাঁর মাথায় ছিল ‘ত্রিশূল’ চিহ্ন–সংবলিত দেশটির বিমান বাহিনীর ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের টুপি।

    সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রতি সম্মান জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকরা এখন বুঝে গেছে, ভারতের দিকে দৃষ্টি দেওয়া মানেই তাদের নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।’

    উল্লেখ্য, আদমপুর ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানঘাঁটি। এখানে রাফাল ও মিগ-২৯ স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে। ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে এই বিমানঘাঁটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেছনে রেখে পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, পাকিস্তান শুধু ভারতের কোনো সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানতে ব্যর্থই হয়নি, যদি তাদের মাটি থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে থাকে, তাহলে তাদের নিশ্চিহ্ন করা হবে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশে এটিই ছিল নরেন্দ্র মোদির প্রথম ভাষণ। তিনি চার দিনের অভিযানে নয়টি ‘সন্ত্রাসী ঘাঁটি’ ধ্বংস এবং পাকিস্তানের আটটি সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানায় সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    প্রায় ২৭ মিনিট দীর্ঘ ওই ভাষণে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আপনারা যা করেছেন, তা অভূতপূর্ব, অকল্পনীয় ও বিস্ময়কর।’ তাঁর এই বক্তব্যে কার্যত সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া মোদির ভাষণের বার্তাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

    তবে মোদির এই ভাষণের তাৎপর্য অনেক। ভাষণটি পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে দেওয়া হয়। এটি পাকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ–ব্যবস্থাসহ ঘাঁটিটি ধ্বংস করেছে। ভারত এসব দাবি সরাসরি উড়িয়ে দেয়।

    নরেন্দ্র মোদি বলেন, অপারেশন সিঁদুর এখন পাকিস্তানের জন্য একটি স্পষ্ট ‘লক্ষ্মণরেখা (চূড়ান্তসীমা)’ টেনে দিয়েছে। পূর্বঘোষণা ছাড়াই মঙ্গলবার ভোরে তিনি বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান এবং ইউনিফর্মে থাকা বিমানবাহিনীর সেনাদের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সেনারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন।

    সেনাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর নরেন্দ্র মোদি ভাষণ দেন। এ সময় পেছনে দৃশ্যমান ছিল এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা আর তাঁর মাথায় ছিল ‘ত্রিশূল’ চিহ্ন–সংবলিত দেশটির বিমান বাহিনীর ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের টুপি।

    সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রতি সম্মান জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকরা এখন বুঝে গেছে, ভারতের দিকে দৃষ্টি দেওয়া মানেই তাদের নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।’

    উল্লেখ্য, আদমপুর ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানঘাঁটি। এখানে রাফাল ও মিগ-২৯ স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে। ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে এই বিমানঘাঁটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।