ক্যাটাগরি শিরোনাম

  • কুরুকপাতা বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধন উপলক্ষে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

    কুরুকপাতা বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধন উপলক্ষে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক নিউজঃ

    আলীকদমের দুর্গম এলাকায় কুরুকপাতা বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট/২০২৫-এর ফাইনাল খেলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আলীকদম সেনা জোনের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এ টুর্নামেন্টে বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৪টি দল অংশগ্রহণ করে।

    শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    রোমাঞ্চকর ফাইনাল খেলায় কুরুকপাড়া যুব একাদশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে এবং কালিয়ারছড়া একাদশ রানার্সআপ হিসেবে নির্বাচিত হয়। ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেনদনপাড়া আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ মুরতাসিম ফুয়াদ।

    আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫ হাজার টাকা ও একটি ফুটবল এবং রানার্সআপ দলকে ৩ হাজার টাকা ও একটি ফুটবল পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়। টুর্নামেন্টটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে স্থানীয় জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল।

    এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকায় সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও জোরদার হবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

    এম কে

     

  • অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    ডেস্ক নিউজঃ

    পরিবেশ সংরক্ষণ ও পাহাড় ধস প্রতিরোধে আলীকদম উপজেলায় অবৈধ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সেনাজোন ও উপজেলা প্রশাসন। এ অভিযানে পাহাড় কাটার দায়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন জোন সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে পাহাড়তলী পাড়া এলাকায় ক্যাপ্টেন মো. হিরবল উম্মা হামিমের নেতৃত্বে রাত ১২টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মমনজুর আলম নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

    এই সময় স্কেভেটর দিয়ে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪(ঙ) ধারায় দুইজনকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া পাহাড় কাটায় ব্যবহৃত তিনটি ছোট ট্রাক ও একটি স্কেভেটরের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে প্রতিটি যানবাহনের জন্য ১ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

    অভিযুক্ত ব্যক্তি ও আটক যানবাহনগুলো আলীকদম থানা পুলিশের সহায়তায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে যানবাহনগুলো জব্দ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

    আলীকদম জোন কমান্ডার জানান, পাহাড়ের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। সেনা জোন ও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্থানীয় জনগণ ও বিভিন্ন মহল সাধুবাদ জানিয়েছে।

    এম কে

  • নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রায় ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

    নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রায় ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সীমান্ত নাফনদী ঘেঁষা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন, মাদক প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে দীর্ঘদিন ধরে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে ব্যাটালিয়ন সদরের একটি বিশেষ টহলদল বড় জামছড়ি এলাকার পাহাড়ি পথ থেকে মালিকবিহীন পড়ে থাকা ৯ হাজার ৮৫০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ২৯ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, টহলদল সীমান্তবর্তী বড় জামছড়ি এলাকায় সন্দেহজনক নড়াচড়া লক্ষ্য করে অভিযান চালায়। টহলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারীরা ইয়াবার ব্যাগটি ফেলে পাহাড়ি ঝোপঝাড়ের ভেতর পালিয়ে যায়। পরে এলাকাটি তল্লাশি করে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস কে এম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আমাদের টহলদল নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া প্রণয়নের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

    এম কে

     

  • বান্দরবানে ৯৫ শতাংশ হোটেল আগাম বুকড

    বান্দরবানে ৯৫ শতাংশ হোটেল আগাম বুকড

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের প্রায় ৯৫ শতাংশ হোটেলের আগাম বুকিং হয়ে গেছে। ১৬-২৫ ডিসেম্বর জেলায় ব্যাপক পর্যটক সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জেলা সদরের হোটেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

    পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, বছরজুড়ে কম-বেশি প্রকৃতিপ্রেমী ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা ভিড় জমান পাহাড়কন্যা খ্যাত এ অপরূপা বান্দরবানে। বিশেষ ছুটির দিন ও শীত মৌসুমে তা বাড়ে কয়েকগুণ। অদ্ভুত কারণে গত কয়েক বছর জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণে পর্যটক সমাগম কমে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে সব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণে কোনো প্রকার বিধিনিষেধ না থাকায় জেলায় পর্যটকের সমাগম বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ভ্রমণে এসে আবাসন নিশ্চিত করতে ১৬-২৫ ডিসেম্বরের জন্য ৯৫ শতাংশ আগাম হোটেল বুকড করে নিয়েছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।হোটেল গ্র্যান্ড ভ্যালির ম্যানেজার আক্কাছ উদ্দিন বলেন, ‘হোটেলে ৪৫টি কক্ষ রয়েছে। এরমধ্যে আগামী ১৬-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত কক্ষগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।’হোটেল হিল্টনের ম্যানেজার তপন বড়ুয়া বলেন, ‘তাদের হোটেলেও ওই দিনগুলোতে প্রায় ৮০ শতাংশ বুকিং হয়ে গেছে।’হিলভিউ হোটেলের ম্যানেজার মাসুদ পারভেজ বলেন, ‘বর্তমানেও তাদের হোটেলের ৪০ শতাংশ কক্ষে পর্যটক রয়েছে। তবে ১৬-২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।’হোটেল গার্ডেন সিটির মালিক মো. জাফর বলেন, চলতি মাসজুড়ে তাদের হোটেলে ভাল পর্যটকের সাড়া পেয়েছিলেন। মাসের আগামী দিনগুলোতেও গড়ে ৭০-৮০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং নিয়ে রেখেছে ভ্রমণ প্রত্যাশীরা।বান্দরবান হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন বলেন, চলতি ডিসেম্বরে পর্যটন খাত নতুন করে গতি পেয়েছে। তিনি আশা করছেন, আগাম বুকিংয়ের এ প্রবণতা স্থানীয় পর্যটন ও আবাসন খাতের পূর্বের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    এম কে

  • জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে : সরওয়ার ছিদ্দিকী

    জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে : সরওয়ার ছিদ্দিকী

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ড. ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে। ঘুষের কারণে নাগরিকরা কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পায় না। আমরা মাদকমুক্ত ও ন্যায় ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করব।

    তিনি বলেন, ইসলামী রাষ্ট্রে ভিন্ন ধর্মের মানুষ আমানত। ইসলামী রাষ্ট্রে সকল নাগরিক সমান সুযোগ পাবেন।

    সম্প্রতি লাকসাম পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব লাকসাম এলাকায় আয়োজিত উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

    সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেন, আমি নির্বাচিত হলে চুরি করব না, সম্পদের ন্যায্য বণ্টন করা হবে। পুরো সিস্টেম ঢেলে সাজাব। অনেকে ভুল ফতোয়া দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। এদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

    পূর্ব লাকসাম মৈশান বাড়ি ইউনিট জামায়াত ইসলামীর আমির মু. জাকির হোসেন আজমের সভাপতিত্বে ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড নায়েবে আমির আলম আদম সফিউল্লাহর পরিচালনায় উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা-৯ আসনের নির্বাচন পরিচালক ও লাকসাম পৌরসভা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী ও সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা শহিদ উল্যাহ।

    এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ড আমির মু. আব্দুল জলিল, মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারী, মাওলানা বিল্লাল হোসেন মালেকী, অধ্যাপক জাকির হোসেন, পূর্ব লাকসাম কালীবাড়ি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুপন সাহা, লাকসাম কেন্দ্রীয় মহাশশ্মানের সভাপতি দীপংকর সাহা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ মো. জামাল উদ্দিন ছিদ্দিকী ও সৈয়দ মো. ফরিদ উদ্দিন ছিদ্দিকী।

    এআর/এনই

  • ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ নাঙ্গলকোটের দশ বছরের শিশু মুনতাসির

    ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ নাঙ্গলকোটের দশ বছরের শিশু মুনতাসির

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে আবদুল্লাহ আল মুনতাসির নামে দশ বছর বয়সী এক শিশু। এ বয়সে অনেকেরই ত্রিশ পারা কোরআন মুখস্থ করা অসম্ভব হলেও মুনতাসিরের পক্ষে তা সম্ভব হয়েছে।

    এতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে ফুলের মালা ও পাগড়ি পরিয়ে দেয়। এছাড়াও তার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদকে পুরস্কৃত করা হয়।

    শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পিপড্ডা গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী মুহাম্মদ খুরশীদ আলমের ছেলে। খুরশীদ আলমের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে মুনতাসির সবার ছোট।

    দেড় বছর আগে নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা শুরু করে মুনতাসির। ৭৫ জনের মধ্যে নাজেরা শেষ করে ১১ মাসে পুরো ৩০ পারা কোরআন শরিফ মুখস্থ করে হাফেজ হয় সে।

    শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির জানায়, বিশ্ব বিখ্যাত আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করা, মা-বাবা ও প্রিয় শিক্ষকদের নাম যেন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া যায় এটা এখন তার স্বপ্ন। সবার কাছে দোয়া চায় এই শিশু হাফেজ।

    হাফেজ মুনতাসিরের মা কামরুজ্জাহান রুমি জানান, তার ছোট সন্তান আবদুল্লাহ আল মুনতাসির মাত্র ১১ মাসে ৩০ পারা কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে। ভবিষ্যতে তার স্বপ্ন সন্তানকে অনেক বড় আলেম বানানোর। তাই দেশবাসীসহ সবার কাছে দোয়া চান মা।

    চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদ কালবেলাকে বলেন, আবদুল্লাহ আল মুনতাসির কোরআনে হাফেজ হওয়ার পেছনে তার অনেক চেষ্টা ও মেহনত থাকায় হাফেজ হওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে শিক্ষকদেরও মেহনত রয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কবুল করায় ১১ মাসে হাফেজ হতে পেরেছে মুনতাসির। সূত্রঃকালবেলা

    এআর/এনই

  • ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : ড. খন্দকার মোশাররফ

    ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : ড. খন্দকার মোশাররফ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও কুমিল্লা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বহু কেন্দ্রে শতভাগ ভোট নৌকার পক্ষে পড়েছে, যা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমাকে ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় নিয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ‎

    গত শনিবার ‎আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার মেঘনায় গণমিছিল শেষে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    উপজেলার রাধানগর থেকে শুরু হয়ে গণমিছিলটি উপজেলার বাস কাউন্টার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মানিকারচর লাল মিয়া সরকার লতিফ মুন্সী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গণমিছিল শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

    এ সময় তিনি বলেন, মেঘনায় দীর্ঘদিন পর এলাম। এর আগে এখান থেকে আমি নির্বাচন করেছি। আমি ও এমকে আনোয়ার সাহেব মিলে এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন করেছি।

    তিনি আরও বলেন, যেসব এসপি-ডিসি এসব কাজে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে এখন ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। বিগত নির্বাচনগুলোতে দিনের ভোট রাতে হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন এবং ধানের শীর্ষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

    সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। গণমিছিলে সভাপতিত্ব করেন মেঘনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক রমিজ উদ্দিন লন্ডনি এবং সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক এমএম মিজানুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী দিলারা শিরিন, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সরকার, সাবেক যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান চেয়ারম্যানসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

    এআর/নিই

  • মনোহরগঞ্জে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিপাকে খামারিরা

    মনোহরগঞ্জে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিপাকে খামারিরা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় বছরে একবার বোরো ধানের চাষ হয়। গবাদি পশু পালনে গেরস্ত থেকে খামারি সবাইকে ধানের খড়, কুঁড়া ও ভুসির উপর নির্ভর করতে হয়। বছরে একবার বোরো ধানের চাষাবাদ হওয়ায় বছরের মাঝামাঝি সময়ে দেখা দেয় খাদ্য সংকট।

    অনেক সময় খামারিরা এক এলাকায় থেকে অন্য এলাকায় গিয়ে গোখাদ্য সংগ্রহ করেন। বেশি দামে কিনে আনেন ধানের খড় ও কুঁড়া। ফলে বিপাকে পড়ে অনেক খামারি গরু-ছাগল কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন।

    হাসানাবাদ ইউনিয়নের খামারি মো. পারবেজ চোধুরী বলেন, আমার খামারে প্রায় ৩০টি গরু ছিল। খাদ্যের সংকটের কারণে অনেকগুলো গরু কম দামে বিক্রি করে দিয়েছি। এখন খামারে মাত্র সাতটি ষাঁড় গরু আছে।

    খিলা ইউনিয়ন দাড়াচৌঁ গ্রামের গরু খামারি রফিকুজ্জামান হিরন বলেন, আমি গরুর ফার্ম করব বলে নতুন ঘর নির্মাণ করেছি। কয়েকটি ষাঁড় গরুও কিনেছি। খাদ্যের সংকটের কারণে খামারটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। গ্রামের মানুষ যারা গরু পালন করেন, তারা গরুকে সাধারণত ধানের খড়, খৈল, কুঁড়া, ভুসি খাওয়ায়। আমাদের এলাকায় বছরে একবার বোরো ধানের আবাদ হয়। ফলে গরু খাবারের সংকটে পড়েন অনেকে। ফিড ও খৈলের দাম বেশি হওয়ায় খামার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানুষ বছরে একবার বন্যার কবলে পড়েন। ফলে অনেক খামারি খাদ্যের সংকটে পড়ে। উঁচু জমিতে ঘাস চাষ ও খাস জমি দেখে একটি গোচরণ ভূমি তৈরি করলে খাদ্য সংকট কমে যেতে পারে।

    এআর/নিই

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডারের গ্রিল ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডারের গ্রিল ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপদ পারাপারে প্রতিটি স্টেশন এলাকা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ফুট ওভারব্রিজ। কিন্তু অধিকাংশ ফুট ওভারব্রিজই ফাঁকা পড়ে আছে। পথচারীরা ওই ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার করছে দেশের লাইফ লাইন-খ্যাত ব্যস্ততম মহাসড়কটি।

    শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিতসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ মহাসড়কে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করছে না। মৃত্যুঝুঁকি জেনেও মহাসড়কের মাঝ দিয়েই এক পাশ থেকে অন্য পাশে যান পথচারীরা। এতে প্রায়ই ঘটছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। কেউ বা চিরতরে হচ্ছেন পঙ্গু।

    পথচারীদের ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে বাধ্য করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ নিচু বিভাজনের ওপর কোথাও এক থেকে দুইশ মিটারজুড়ে লোহার গ্রিল দিয়েছে। কিন্তু স্থানীয়রা রাতের অন্ধকারে ওই গ্রিল ভেঙে যাতায়াতের পথ নিশ্চিত করে। আর অসচেতন পথচারী দিন-রাত ওই ভাঙা গ্রিল দিয়েই মহাসড়ক পারাপার হন।

    কুমিল্লা সড়ক বিভাগ বলছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের ১০৫ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন ব্যস্ত এলাকায় ৫৪টি ফুট ওভারব্রিজ রয়েছে। প্রতিটি ব্রিজ নির্মাণে সরকারের কোটি কোটি খরচ হয়েছে। কিন্তু মানুষ সেসব ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে চলাচল করছে মহাসড়কে।

    হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে, গত ৯ মাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪৬৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নিহত হয়েছেন ২৮৪ জন। পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন ৫০৯ জন। রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেছে অনেকের।

    সরেজমিন দেখা গেছে, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাসস্টেশনে রয়েছে একটি ফুট ওভারব্রিজ। কোটি টাকা ব্যয়ে ফুট ওভারব্রিজটি নির্মাণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু এই ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে একজনকেও পারাপার হতে দেখা যায়নি। ফুট ওভারব্রিজটি মাত্র ১০০ ফুটের মধ্যে নিচু বিভাজন ও বিভাজনের কাটা অংশ থাকায় সব বয়সের নারী-পুরুষ ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হচ্ছেন।

    চান্দিনা-বাগুর বাসস্টেশনটি জেলার অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। চান্দিনা-দেবিদ্বার, বরুড়া উপজেলার এবং বুড়িচং উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা ওই স্টেশনটি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। স্টেশনে থাকা ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ উভয় পাশে অন্তত ২০০ মিটার লোহার উঁচু গ্রিল স্থাপন করে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে ওই গ্রিল ভেঙে ফেলে স্থানীয়রা। আর ওই ভাঙা অংশেই প্রতিদিন যাতায়াত করছে হাজার হাজার পথচারী। ফলে ওই স্টেশনটিতে যানজট নিত্যসঙ্গী। এ ছাড়া মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ, কুটুম্বপুর, গোবিন্দপুর, নিমসার অংশের ফুট ওভারব্রিজগুলো ব্যবহারই হচ্ছে না।

    গত ১৯ নভেম্বর মহাসড়কের কুটুম্বপুর স্ট্যান্ডে ফুট ওভারব্রিজ থাকা সত্ত্বেও নিচ দিয়ে পারাপারের সময় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় ডাম্প ট্রাকচালকের মৃত্যু হয়। মাধাইয়া বাসস্ট্যান্ড ও চান্দিনা বাসস্ট্যান্ডে কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। অথচ পাশেই ফুট ওভারব্রিজ।

    জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়ে সড়ক পারাপার করা এসব মানুষের কেউ অসুস্থতার অজুহাতে, কেউ সময় বাঁচাতে, কেউ আবার অভ্যাস থেকেই দ্রুতগতির গাড়ির সামনেই সড়ক পার হতে দেখা গেছে।

    ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, মহাসড়কে রাস্তা পারাপারে মানুষের সচেতন হতে হবে। এর বিকল্প কিছু নেই। পুলিশের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, আমরা সেটাকে ব্যবহার করে মানুষকে ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে পারাপারে উদ্বুদ্ধ করছি। কিন্তু পথ যারা ব্যবহার করেন, প্রত্যেককে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

    সড়ক ও জনপথ বিভাগের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা ফুট ওভারব্রিজ তৈরি করে দিয়েছি। সড়কে চলাচলকারী সবার উচিত নিজ দায়িত্বে এটাকে ব্যবহার করা। মানুষকে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে সচেতন করতে আমরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। আমরা মহাসড়কের মাঝখানে লোহার রড দিয়ে ঘেরাও করে দিই, মানুষ সেসব রড ভেঙে রাস্তার মাঝ দিয়ে চলাচল করে। আমরা আমাদের পক্ষে যেটা করণীয় সেটা করে যাচ্ছি, মানুষকে সচেতন হতে হবে। সূত্রঃ কালবেলা

    এআর/এনই

  • মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে : ড. মোবারক

    মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে : ড. মোবারক

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কুমিল্লা-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ড. মোবারক হোসাইন বলেছেন, মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে। আর সে লক্ষ্যে আমাদের প্রতি মানুষের যে আস্থা, যে ভালোবাসা তা চোখে পড়ার মতো।

    গত রোববার বিকেলে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদরে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    মোবারক হোসাইন বলেন, আমরা সমাজকে মাদকমুক্ত সমাজে পরিণত করতে চাই। মানুষ মনে করছেন সমাজ থেকে যদি মাদক নির্মূল করতে হয় তাহলে জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প কেউ নেই। আগামী দিনে নৈতিক শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে জ্বালাতে হলে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার বিকল্প নেই।

    তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জরিপে আসছে জামায়াতে ইসলামী আগামী দিনে ২০০ আসনের বেশি পেয়ে ক্ষমতায় আসবে। আজকে পথে প্রান্তরে যেখানেই আমরা যাই সেখানেই মানুষ দল বেঁধে ছুটে আসেন। যে জায়গাগুলোতে আমরা চিন্তাও করতাম না, সেসব জায়গাগুলোতে আজকে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসছেন। আমাদের সাধুবাদ জানাচ্ছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

    ছাত্রশিবিরের সাবেক এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যেভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমাদের স্বাগত জানাচ্ছেন, তা আমাদের অনেক বড় প্রাপ্তি। তারা মনে করছেন আগামী দিনে সমাজকে পরিবর্তন করতে গেলে দাঁড়িপাল্লার কোন বিকল্প নেই। মানুষের এই যে আবেগ-অনুভূতি তাতে মনে হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী এখন কোনো একক সংগঠন নয়, পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখা মানুষের সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

    মোবারক বলেন, আজকে এই দেশের ইতিহাসে ইসলামী দলগুলো একই জায়গায়, একই বাক্সে পরিণত হওয়ায় বাংলাদেশে একটি নজির স্থাপন হয়েছে। বিভিন্ন লক্ষণ ও বিভিন্ন অবস্থান থেকে মানুষ এখন ধরে নিয়েছে ইসলামের নব সূর্যোদয় হয়ে গেছে।

    নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে ও সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাঈন উদ্দিন সাঈদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের নির্বাচনী পরিচালক অধ্যাপক আলমগীর সরকার, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মিজানুর রহমান আতিকী।

    এ সময় কুমিল্লা উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, বুড়িচং উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল আলম, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আনিছুর রহমানসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এআর/নিই