ক্যাটাগরি শিরোনাম

  • ঝুঁকিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

    ঝুঁকিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

    ডেস্ক নিউজঃ

    ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ জলবায়ু পরিবর্তন ও অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে দ্রুত ক্ষয়ের মুখে পড়েছে। মসজিদের দেয়াল, গম্বুজ, স্তম্ভ ও বিশেষ করে মিহরাবে ফাটল, চুন খসে পড়া এবং সাদা লবণের স্তর স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। নিচ থেকে উঠে আসা নোনা পানি ইটের ভেতরে লবণ ক্রিস্টাল তৈরি করে স্থাপনার মূল গঠন দুর্বল করে দিচ্ছে।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি এবং আইকমসের যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে—তাপমাত্রা বৃদ্ধি, শিল্প দূষণ, বর্ষাকালের আর্দ্রতা এবং ভূগর্ভস্থ লবণাক্ততা ক্ষয়কে আরও ত্বরান্বিত করছে।ঐতিহাসিক স্থাপনাটির জরুরি সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সাবেক ডিজি ড. মো. শফিকুল আলমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। তদন্তে দেখা গেছে, মিহরাব যেকোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। পাথর খণ্ড যুক্ত রাখতে ব্যবহৃত লোহার ক্ল্যাম্পে জং ধরায় ভার বহনক্ষমতাও কমে গেছে।আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন বলেন, ইউনেস্কোর সহায়তায় মসজিদের পূর্ণ ক্ষয়-মানচিত্র তৈরি করা হবে এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করে দ্রুত সংরক্ষণ-কাজ শুরু করা হবে। ইউনেস্কো ঢাকার পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সাময়িক সংরক্ষণ কাজেরও সুপারিশ করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ষাটগম্বুজ মসজিদকে ‘বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্য’ ঘোষণা করার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—যা দেশের জন্য বড় ধাক্কা হবে।

    এম কে

  • পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান -সিইসির

    পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান -সিইসির

    ডেস্ক নিউজঃ

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক সংস্থাকে সহযোগী হিসেবে চায় কমিশন। পর্যবেক্ষক সংস্থার দায়িত্ব নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা। নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে দেশি ৮১টি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।

    সিইসি বলেন, ইসির এজেন্ডা একটাই জাতিকে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়া। পর্যবেক্ষক সংস্থার দায়িত্ব ভোটের অনিয়ম তুলে ধরা। রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া নয়।তিনি আরও বলেন, আমরা জাতিকে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চাই। অতীতের ভুল-ভ্রান্তি ভুলে, সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সুখবর

    নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সুখবর

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেছেন, ‘আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে সব সচিব সভায় উপস্থিত হননি।’

    সোমবার নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করে পে কমিশন। বিকাল ৩টায় জাতীয় বেতন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    সুপারিশ কবে হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আলোচনা শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে পারব বলে আশা করছি।

    গত ২৭ জুলাই জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সময়োপযোগী ও যথোপযুক্ত বেতন কাঠামো নির্ধারণের জন্য বেতন কমিশন গঠন করে সরকার।

    রোববার (২৩ নভেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির বলেন, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়া সম্ভব। এ সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী ৫ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও অর্থলয়ী প্রতিষ্ঠান, সরকারি মঞ্জুরিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনার ভিত্তিতে নতুন সুপারিশ তৈরি করা হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫-এর সভাপতি জাকির আহমেদ খান।

    বাদিউল কবির বলেন, নতুন পে স্কেলের জন্য অপেক্ষা করছে কর্মচারীরা। কমিশন ইচ্ছে করলে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সুপারিশ জমা করতে পারবেন। অন্ততপক্ষে সারসংক্ষেপ হলেও বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে জমা দেওয়া উচিত। অন্যথায় কর্মচারীরা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।

    কর্মচারীরা এখন একজোট হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তারা যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা কমিশনকে সময় দিচ্ছি, অবশ্যই এই সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে এমন কর্মসূচি দেওয়া হবে কমিশন তখন এক বছরের কাজ এক সপ্তাহে করতে বাধ্য হবে।

    এই সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী ৫ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

    জানা গেছে, নতুন পে স্কেল প্রণয়নে গঠিত পে কমিশন চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দিতে পারে। কমিশন ইতিমধ্যে সুপারিশ তৈরির ৫০ শতাংশের মতো কাজ শেষ করেছে। আগামী সপ্তাহে সচিবদের মতামত গ্রহণ করা হবে। এর পর কমিশন রিপোর্ট চূড়ান্তকরণের দিকে এগোবে।

    বি/এ

  • ৪১% রোগীর শরীরে কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক

    ৪১% রোগীর শরীরে কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    দেশের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রোগীদের ৪১ শতাংশের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হয়নি বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

    সোমবার আইইডিসিআর আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ন্যাশনাল এএমআর সার্ভেলেন্স রিপোর্ট-২০২৫’ প্রকাশ করে।

    এ প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অপপ্রয়োগ, অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ও জীবাণুর শক্তিশালী হয়ে ওঠার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ কার্যকারিতা হারাচ্ছে। দিন দিন বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স—যেখানে জীবাণু কোনো অ্যান্টিবায়োটিকেই সাড়া দেয় না।

    প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের ৯৬ হাজার ৪৭৭ রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পাঁচটি আইসিইউতে ৭১ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা যাচাই করে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    প্রতিবেদন অনুসারে, সব নমুনার ৭ শতাংশে প্যান-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (পিডিআর) জীবাণু পাওয়া গেছে। আইসিইউতে এই হার ৪১ শতাংশ। মাল্টি-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (এমডিআর) জীবাণু সব নমুনার ৪৬ শতাংশ হলেও আইসিইউতে তা ৮৯ শতাংশ।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) শ্রেণি বিভাগ অনুযায়ী, ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বেড়ে ৭৭ শতাংশ থেকে দাঁড়িয়েছে ৯০ দশমিক ৯ শতাংশে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ছিল সেফট্রিয়াক্সোন (৩৩ শতাংশ) ও মেরোপেনেম (১৬ শতাংশ)।

    প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ভাইরোলজি) অধ্যাপক জাকির হোসেন হাবিব।

    এ সময় তাহমিনা শিরিন বলেন, ‘ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। জনগণের সচেতনতা জরুরি। কোনো ব্যক্তি নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না। অনেক রোগী দোকানের কর্মী বা অবৈধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক নেন, যা রেজিস্ট্যান্সের প্রধান কারণ। মানুষ প্রায়শই ফার্মেসি বা হাতুড়ে ডাক্তারের কাছ থেকে অ্যান্টিবায়োটিক নেন, চিকিৎসা পরামর্শ ছাড়াই এবং এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আমি সবাইকে জোর দিয়ে বলছি, নিবন্ধিত নয় এমন কারও পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।’

    জাকির হোসেন হাবিব বলেন, যথেচ্ছভাবে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াই জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াচ্ছে। এই এএমআর এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় সংকট।

    সবাইকে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্ক হতে আহ্বান জানিয়ে হাবিব বলেন, সেভ অ্যান্টিবায়োটিক, সেভ ইয়োরসেলফ।

    জরিপ অনুযায়ী, দেশে ব্যবহৃত মোট অ্যান্টিবায়োটিকের ৫৭ শতাংশ ব্যবহৃত হয় ঢাকায়। চিকিৎসা সুবিধা, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় রাজধানীতে এই হার তুলনামূলক বেশি। এরপর রয়েছে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট। ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনে (ইউটিআই) আক্রান্ত রোগীদের মধ্যেও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের উচ্চ প্রবণতা দেখা গেছে।

    সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১০টি অ্যান্টিবায়োটিক হলো সেফট্রিয়াক্সোন, সেফিক্সিম, মেরোপেনেম, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, আজিথ্রোমাইসিন, অ্যামোক্সিসিলিন, মেট্রোনিডাজল, ক্লক্সাসিলিন, পিপেরাসিলিন-ট্যাজোব্যাকটাম ও ভ্যানকোমাইসিন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহার ভবিষ্যতে পরিস্থিতিকে আরও সংকটজনক করবে।

    সুত্র: আমার  দেশ

    বি/এ

  • সাংবাদিকদের কলম থামানো আইনের অবসান দরকার

    সাংবাদিকদের কলম থামানো আইনের অবসান দরকার

    ডেস্ক নিউজঃ

    অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, যে আইন কন্ঠরোধ করে সাংবাদিকদের কলম থামিয়ে দেয়, সে আইনের অবসান দরকার। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব মামলা বাতিল করা হতে পারে। সোমবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, শুধু আইন বাতিল করলেই চলবে না, আগামী নতুন সরকারকে নিবর্তনমূলক আচরণ থেকেও সরে আসতে হবে। আসাদুজ্জামান বলেন, আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল করে সবার সঙ্গে আলোচনা করে যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আওয়ামী লীগ সরকার করেছিল, সেটা ছিল সবার সঙ্গে প্রতারণা।

    আর আই খান

  • হাসিনা-কামালকে ফেরাতে ফের দিল্লিকে চিঠি ঢাকার

    হাসিনা-কামালকে ফেরাতে ফের দিল্লিকে চিঠি ঢাকার

    বিডি টাইমসঃ

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ফের ভারতের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। রোববার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) দিল্লির বাংলাদেশ মিশন থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    ভারতে আশ্রিত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে এর আগেও চিঠি দিয়েছিল সরকার। সে বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, হাসিনাকে ফেরাতে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, সেই চিঠির জবাব এখনো আসেনি। তবে এখন তো পরিস্থিতি ভিন্ন রকম। এখন শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের চুক্তিও আছে। তাকে ফেরত আনতে অফিসিয়ালি আবার চিঠি দিলাম।

    উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল ভারতে পালিয়ে যান। তাদের বিরুদ্ধে জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গত ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের পরপরই শেখ হাসিনা ও কামালকে হস্তান্তরের জন্য দিল্লির প্রতি আহ্বান জানায় ঢাকা।

    এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা ভারতের অবশ্য পালনীয় দায়িত্বও বটে।

    আর আই খান

  • ভূমিকম্প মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

    ভূমিকম্প মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

    বিডিনিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্প নিয়ে সারাদেশে মানুষের আতঙ্কের মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে এবং আগামীকাল সোমবার নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর সেটি গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়ে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে।
    রোববার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক এক গণমাধ্যমকে বলেন, এখন যে সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রয়েছে, এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল নিম্নচাপে রূপ নেবে। এর প্রভাবে মাসের শেষ দিকে সারাদেশে বৃষ্টিও হতে পারে।
    সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি কোথায় আঘাত হানবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে এটি ভারতের ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা আমাদের চট্টগ্রাম দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশ দুদেশের ওপরই প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গভীর নিম্নচাপ হলে আরও নিশ্চিত করে বলা যাবে।
    আবহাওয়া নিয়ে গবেষণা করা মোস্তফা কামাল পলাশ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। লঘুচাপটি পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ ও সর্বশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সর্বশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলের মধ্যবর্তী যেকোনো স্থানের ওপর দিয়ে উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
    সম্ভাব্য এ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ৩০ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে
    M
  • আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল

    আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল

    ডেস্ক নিউজঃ

    ২০২৫-২৬ কর বছরে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় এক মাস বাড়িয়ে আগামী ৩১ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

    আজ রবিবার (২৩ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।এনবিআর জানায়, ই-রিটার্ন সিস্টেম ব্যবহার করে আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের মধ্যে করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য বিনীত অনুরোধ করছে এনবিআর।এখন পর্যন্ত প্রায় ১৮ লাখের অধিক ব্যক্তি করদাতা এ বছর অনলাইনে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে এনবিআর।এতে আরো বলা হয়েছে, ‘ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে কোন করদাতা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলে অসমর্থ হলে ১৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের নিকট সুনির্দিষ্ট যৌক্তিকতাসহ আবেদন করা যাবে মর্মে আরো একটি আদেশ জারী করা হয়েছে’।এ বছর ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা, শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন করদাতা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি কর্তৃক রিটার্ন দাখিল এবং বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশী নাগরিকগণ ব্যতীত সকল ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    এম কে

  • নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে: জামায়াত আমির

    নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে: জামায়াত আমির

    ডেস্ক নিউজঃ

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে।

    শনিবার (২২ নভেম্বর) বেলা ১১টায় ঝালকাঠির নেছারাবাদ মাদ্রাসা ময়দানে মুছলিহিনের জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, বিগত দিনের মতো যদি কেউ ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং বা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে, তবে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

    জামায়াতের আমির আরও বলেন, সব জুলুম, ফ্যাসিবাদ ও জাতিকে বিভক্ত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে। কারো রক্তচক্ষু তোয়াক্কা না করেই ইসলামের পক্ষে সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    সম্মেলনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

    তিনি বলেন, ইসলামী দলগুলো এক হতে পারলে এবং আগামী নির্বাচনে সম্মিলিতভাবে ভোটের বাক্স দিলে পারলে দেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে।

    এছাড়া বক্তব্য দেন— খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিদ আজাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামালসহ আরও অনেকে।

    বক্তারা বলেন,  ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করা সম্ভব। একই সঙ্গে তারা দাবি করেন, দেশ কোন পথে এগোবে, সেটি নির্ধারণ করবে জনগণ এবং ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী শক্তিগুলো।

    নেছারাবাদী হুজুর মুছলিহিনের আমির মাওলানা খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।

    আর আই খান

     

  • রাজধানীতে ফের ভূমিকম্প আতঙ্কে জনজীবন

    রাজধানীতে ফের ভূমিকম্প আতঙ্কে জনজীবন

    বিডিনিউজ ডেক্স : রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর) দিনের দ্বিতীয়বারের মতো বিকেল ৬টা ৬ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে এই কম্পন অনুভূত হয়।

    প্রাথমিকভাবে ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) এ তথ্য জানালেও এর মাত্রা ও উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে তাৎক্ষণিক বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।এদিন এটি দ্বিতীয়বারের মতো কম্পন। এর আগে, আজ সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটেও একবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। সেবার রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩.৩, এবং উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর পলাশ উপজেলা।
    শুক্রবার (২১ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা একটি অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল। রিখটার স্কেলে ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী। এই শক্তিশালী কম্পনে সারা দেশে অন্তত ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়, যা জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।