ক্যাটাগরি শিরোনাম

  • জনপ্রশাসনের ৯ সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর

    জনপ্রশাসনের ৯ সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

     

    সরকার জনস্বার্থে নয়জন সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে। সোমবার রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা হলো। তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুবিধা পাবেন।

    অবসরপ্রাপ্ত সচিবরা হলেন—

    ১. মো. মনজুর হোসেন (৫৪৯০), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ২. মো. মশিউর রহমান, এনডিসি (৫৫৬৮), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৩. মো. সামসুল আরেফিন (৫৭৭৩), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৪. মো. মিজানুর রহমান, এনডিসি (৫৯২৪), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৫. মো. আজিজুর রহমান (৫৯২৯), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৬. মো. নূরুল আলম (৫৯৯৪), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৭. ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ (৬০৬৫), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৮. ড. এ কে এম মতিউর রহমান (৭৬৩১), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    ৯. শফিউল আজিম (৬৩৬৫), বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    সুত্র: যুগান্তর

  • শাহবাগসহ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষকদের

    শাহবাগসহ সারা দেশে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষকদের

    স্টাফ রিপোর্টার

    বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধিসহ নানা দাবি আদায়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় মাথায় কালো কাপড় বেঁধে শাহবাগে অবস্থান করে মৌন মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা। জেলা সদর ও উপজেলা সদরে শিক্ষকরাও এই কর্মসূচি পালন করবেন।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ থেকে সকল শিক্ষককে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

    বক্তারা জানান, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির ৩ দফা দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে ফেরত যাবেন না তারা।

    এর আগে রোববার (১৯ অক্টোবর) অষ্টম দিনের কর্মসূচি হিসেবে শিক্ষা ভবন অভিমুখে শিক্ষকদের ভুখা মিছিল কর্মসূচিটি পুলিশি বাধার মুখোমুখি পড়লে শিক্ষক নেতাদের পক্ষ থেকে আমরণ অনশন ও সর্বাত্মক কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়।

    এদিন সকালে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের ৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়ায় সম্মতি দেয় অর্থ বিভাগ। কিন্তু সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

    বাড়ি ভাড়া ২০ শতাংশ, মেডিকেল ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা ও উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষকরা।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা প্রশিক্ষণ থেকে সকল শিক্ষককে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।

  • আ. লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল

    আ. লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল

    শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পালের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় জামিনে মুক্ত আসামি চন্দন কুমার পালের পক্ষে করা আবেদন শুনানি না করায় তা নামঞ্জুরক্রমে এ আদেশ দেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া।

    এসময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন দায়রা আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। তাকে সহায়তা করেন স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আশরাফুন্নাহার রুবী ও কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।

    জামিন বাতিল ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান।

    এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন পালের জামিন ইস্যুতে বিচারক ও পিপির অপসারণসহ ৮ দফা দাবিতে এদিন সকাল থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং হতাহত পরিবারের সদস্যরা আদালত চত্বর ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনসহ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

    এসময় জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মাহামুদুল হাসান রাকিব, এনসিপি নেতা রাশেদুল হাসান দেওয়ান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা শাহনূর রহমান সায়েম, মোর্শেদ জিতুসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন কুমার পাল সম্প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হতাহতের ৬ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে এবং সর্বশেষ আরো একটি মামলায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর জেলা দায়রা আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়ে পরদিন জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। আজ ২০ অক্টোবর ছিল সেই মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখ।

    আওয়ামী লীগ নেতা চন্দন কুমার পালের মুক্তির খবর জানাজানি হলে জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। গুঞ্জন ওঠে, তিনি জামিনে মুক্তির পর দেশত্যাগ করেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন-পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের পর গত ৬ অক্টোবর সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা আদালত, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রধান গেটে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করেন।

    • পরবর্তী সময় ওই দিন বিকেলে চন্দন কুমার পালের দেশত্যাগের আশঙ্কায় তার পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পিপি বিশেষ আবেদন করেন। সেই বিষয়ে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে চন্দন কুমার পালের পাসপোর্ট জব্দ ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
  • বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনায় সদস্যের তদন্ত কমিটি; সন্দেহে নাশকতা

    বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনায় সদস্যের তদন্ত কমিটি; সন্দেহে নাশকতা

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে পুড়ে গেছে কোটি কোটি টাকার আমদানি পণ্য। এ সময় ১৩টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম, সিলেট ও ভারতের কলকাতায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়। আগুন নেভাতে মোতায়েন করা হয় ফায়ার সার্ভিসের ৩৭ ইউনিট। গতকাল শনিবার রাত ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হয়। ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা দেশবিরোধী নাশকতার অংশ বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পেয়েছে নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। সরকার বলছে, নাশকতার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চিফ (ফ্লাইট সেফটি)। এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি থাকবেন সদস্য হিসেবে।

    কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেফটি অ্যান্ড কোয়ালিটি), চিফ ইঞ্জিনিয়ার (কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স), উপ-মহাব্যবস্থাপক (সিকিউরিটি), উপ-মহাব্যবস্থাপক (কার্গো-রপ্তানি) এবং উপ-ব্যবস্থাপক (ইন্স্যুরেন্স)।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিটি অগ্নিকাণ্ডের কারণ চিহ্নিত করা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ, দায়-দায়িত্ব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরি করবে।কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২৮ ইউনিট

    শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২৮ ইউনিট

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এই আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সেনা ও নৌবাহিনীসহ  ফায়ার সার্ভিসের ২৮ টি ইউনিট।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে আকস্মিকভাবে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের মুখপাত্র মো. মাসুদুল হাসান মাসুদ জানান, কার্গো ভিলেজের পাশে একটি অংশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীসহ বিমানবন্দের দায়িত্বরতরা কাজ করছে।

    শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই বিমানবন্দর ফায়ার সেকশন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফায়ার ইউনিট এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সম্মিলিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কার্যক্রম শুরু করে।

    বিমানবন্দরের সব ফ্লাইট অপারেশন বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে সবাইকে নিরাপদ এবং সচেতন থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • জুলাই সনদ স্বাক্ষর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মির্জা ফখরুল

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মির্জা ফখরুল

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার যে কমিশনগুলো গঠন করেছিলেন সেগুলো প্রায় দীর্ঘ ৮ মাস পরিশ্রম করে আজকে এই সনদ (জুলাই সনদ) স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

    তিনি এজন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, রাজনৈতিক দল এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদসহ সব দলের সদস্যদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যা বলল জামায়াত

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যা বলল জামায়াত

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    জুলাই সনদ স্বাক্ষরের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এর আইনি ভিত্তি এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, আজকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে আমরা সনদে একমত হয়েছি, তবে এর আইনি ভিত্তি এখনো বাকি রয়েছে। সরকারের উচিত তা দ্রুত নিশ্চিত করা।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

    এদিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পাঁচদিন অব্যাহতভাবে আমরা আলোচনা করেছি। সমাপনী সেশনে ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ সাহেব কনক্লুশান দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেছেন, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার ওপর একটা সুপারিশমালা তৈরি হবে, সেটার খসড়া আমরাও পাবো, সরকারের কাছেও যাবে। কিন্তু আমরা উনাদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও পাইনি। আজকেও কথা বলেছি, সেই জায়গা থেকে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াটা জাতির কাছে অস্পষ্ট রয়ে গেল।’

    ‘আমরা বলেছি আইনি ভিত্তি দিতে হবে। আইনি ভিত্তি যদি না দেন তাহলে এই সনদটা, বিপ্লবের স্পিরিট, ঐকমত্যে পৌঁছানোর জন্য যে সংস্কার সেই উদ্দেশ্যটা ব্যবহত হবে এবং অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। এজন্য আমরা আইনি ভিত্তির জন্য আগেও বলেছি, একটা আদেশ জারি করতে হবে এবং গণভোটের মাধ্যমে এটা টেকসই করতে হবে’-যোগ করেন আযাদ।

    ডা. তাহেরও আইনগত স্বীকৃতির ওপর জোর দিয়ে যোগ করেন, সনদে স্বাক্ষর করা হলেও আইনগত স্বীকৃতি না থাকায় এর কার্যকরী প্রয়োগ এখনো সম্পন্ন হয়নি। দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মিটিংয়ে যে নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারিত হয়েছে, সেটি যেন সরকার দ্রুত বাস্তবায়ন করে।
    জামায়াতের এ নেতা সতর্ক করে বলেন, যদি সরকার ডিলে করে বা এমন কিছু চিন্তা করে, তাহলে সেটা আবার জুলাইয়ের সাথে জাতীয় গাদ্দারি হিসেবে বিবেচিত হবে এবং নতুন রাজনৈতিক জটিলতা সৃষ্টি করবে।

  • কী আছে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায়?

    কী আছে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায়?

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    বহুল আকাঙ্ক্ষিত জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা স্বাক্ষর করেছেন।

    শুক্রবার বিকালে  এ স্বাক্ষর গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায় কী আছে তা  পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:

    জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা

    গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীগণ এই মর্মে অঙ্গীকার ও ঘোষণা করছি যে-

    ১।  জনগণের অধিকার ফিরে পাওয়া এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের জীবন ও রক্তদান এবং অগণিত মানুষের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি ও ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত সুযোগ এবং তৎপ্রেক্ষিতে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রণীত ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করব।

    ২।  যেহেতু জনগণ এই রাষ্ট্রের মালিক, তাদের অভিপ্রায়ই সর্বোচ্চ আইন এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত জনগণের অভিপ্রায় প্রতিফলিত হয় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে সেহেতু রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহ সম্মিলিতভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে জনগণের অভিপ্রায়ের সুস্পষ্ট অভিব্যক্তি হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ গ্রহণ করেছি বিধায় এ সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে সংবিধানে তফশিল হিসেবে বা যথোপযুক্তভাবে সংযুক্ত করব।

    ৩।  জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এর বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করব না, উপরন্তু উক্ত সনদ বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করব।

    ৪।  গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের দীর্ঘ ১৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম এবং বিশেষত ২০২৪ সালের অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক তথা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করব।

    ৫।  গণঅভ্যুত্থানপূর্ব বাংলাদেশে ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানকালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারকে এবং জুলাই আহতদের রাষ্ট্রীয় বীর, আহত জুলাই বীর যোদ্ধাদের যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান যেমন মাসিক ভাতা, সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং শহীদ পরিবার ও আহত বীর যোদ্ধাদের আইনগত দায়মুক্তি, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো।

    ৬।  জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ বাংলাদেশের সামগ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা তথা সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়ে যেসব সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান এবং বিদ্যমান আইনগুলোর প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন বা নতুন আইন প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন বা বিদ্যমান বিধি ও প্রবিধির পরিবর্তন বা সংশোধন করব।

    ৭।  জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এর ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত যেসব সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য সেগুলো কোনো ধরনের কালক্ষেপণ না করেই দ্রুততম সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে।

  • ১০ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না

    ১০ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও দেশের  রাজনৈতিক দলের নেতারা শুক্রবার বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর করেছেন। যা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা ও  সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

    তবে বহুল আলোচিত এই জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী- বাংলাদেশে একজন ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এজন্য সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে বলেও জাতীয় সনদে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী পদে ১০ বছরের বেশি নয় সিদ্ধান্তে বিএনপি ও জামায়াতসহ মোট ৩৩টি রাজনৈতিক দল একমত পোষণ করে।

  • জুলাই সনদে জরুরি সংশোধন হয়েছে: আলী রীয়াজ

    জুলাই সনদে জরুরি সংশোধন হয়েছে: আলী রীয়াজ

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে এবং  রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ এর অঙ্গীকারনামার ৫নং দফার পরিবর্তন করা হয়েছে৷

    জুলাই বীর যোদ্ধাদের দাবির প্রতিফলন ঘটিয়ে প্রয়োজনীয় জরুরি সংশোধন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি৷ শুক্রবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আন্দোলনরত জুলাই বীর যোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।

    এ সময় অধ্যাপক আলী রীয়াজ অঙ্গীকারনামার ৫নং দফার সংশোধিত ভাষ্যটি পাঠ করেন।

    এতে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানপূর্ব বাংলাদেশে ১৬ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান কালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত সব হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারকে এবং জুলাই আহতদের রাষ্ট্রীয় বীর, আহত জুলাই বীর যোদ্ধাদের যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান যেমন মাসিক ভাতা, সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন ব্যবস্থা এবং শহীদ পরিবার ও আহত বীর যোদ্ধাদের আইনগত দায়মুক্তি, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো।

    কমিশনের সহসভাপতি জানান, কমিশন এই অঙ্গীকারনামা বাস্তবায়নের ব্যাপারে সরকারকে সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্টভাবে উপস্থাপন করবে। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দল এবং ঐকমত্য কমিশনের কোনো মতপার্থক্য নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি৷

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং ঐকমত্য গঠন প্রক্রিয়ায় যুক্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।