ক্যাটাগরি উচ্চ শিক্ষা

  • কারিমার মেডিকেল জয়

    কারিমার মেডিকেল জয়

    হতদরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী কারিমা খাতুন। এবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় (এমবিবিএস) বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। হতদরিদ্র বাবার একমাত্র মেয়ে কারিমার এমন সাফল্যে খুশির জোয়ারে ভাসছে এলাকাবাসী।

    কারিমা রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের আব্দুল করিম মন্ডলের মেয়ে। ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় ৭৮ নম্বর নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এর আগে ২০২১ সালে দুর্গাপুর উপজেলার বেলঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০২৩ সালে রাজশাহী শাহ মখদুম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। এসএসসি ও এইচএসসি দুই পরীক্ষাতেই জিপিএ- ৫ পান তিনি।

    কারিমার বাবা আব্দুল করিম মন্ডল বলেন, আমার দুটি সন্তান এক মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলেটি শারীরিক প্রতিবন্ধী। সে হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারে না। ছেলেটিও এইচএসসি পাস করেছে। আমি একজন দরিদ্র মানুষ, দিন এনে দিন খাই। পরের জমিতে কামলা দিই। খুব কষ্ট করে আমার সংসার চালাতে হয়। তারপরও আমার দুই সন্তানকে লেখাপড়া করাতে কমতি রাখিনি।

    করিম মন্ডল আরও বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানি এবং আমার সন্তানদের শিক্ষকদের কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমার মেয়েটা অনেক কষ্ট করে এ পর্যন্ত এসেছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। মেয়ে যেন বড় ডাক্তার হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।

    কারিমা খাতুন বলেন, বাবা পেশায় দিনমজুর হলেও কখনো লজ্জাবোধ করি না। নিজেকে ছোট ভাবি না। কারণ বাবা সৎভাবে কাজ করে টাকা উপার্জন করে। আমরা দুই ভাই-বোন। আমি ছোট ভাই বড়। ভাই ডিএমডি রোগে আক্রান্ত, হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারে না। এই রোগের চিকিৎসা এখনো আসেনি। তারপরও ভাই লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন।

    কারিমা বলেন, আমি একজন ভালো ডাক্তার হতে চাই। সবার পাশে থাকতে চাই। বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। প্রতিবন্ধী ভাইয়ের চিকিৎসা করাতে চাই।

    নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজাদ রেজাইল করিম বলেন, কারিমা মেডিকেলে চান্স পাওয়ার কারণে আমরা অনেক খুশি। সে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে। তার বাবা একজন দিনমজুর। মানুষের কাজ করে তার বাবা সংসার চালান এবং ছেলে মেয়েকে লেখাপড়া করান। আমরা এলাকাবাসী হিসেবে দোয়া করি কারিমা যেন বড় ডাক্তার হতে পারে এবং এলাকাবাসীসহ দেশবাসীর সেবা করতে পারে।

    বি/এ

  • ভূমিকম্প : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থী আহত

    ভূমিকম্প : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থী আহত

    ডেস্কে নিউজ

    দেশে আজ সকালে ভূমিকম্পের সময় সারাদেশের মতো আতঙ্ক দেখা দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও। বিভিন্ন হল থেকে লাফ দিয়ে ও হুড়োহুড়িতে অন্তত ১০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    আহতদের মধ্যে চারজনের পা ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে।

    বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে সূর্যসেন হল, সুফিয়া কামাল হল ও শামসুন্নাহার হলে দেয়ালে ফাটল দেখা দেয়। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল থেকে একদল শিক্ষার্থী বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ তলা বিশিষ্ট স্বাধীনতা টাওয়ার ভবনের সামনে গিয়ে নিরাপদ হলের দাবিতে স্লোগান দেন। ভিসি, প্রক্টর ও কোষাধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

    উল্লেখ্য, আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ও আন্তর্জাতিক ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাগুলো।
    বি/এ

  • রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু কাল

    রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু কাল

    ডেস্ক নিউজ:

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন আগামীকাল (২০ নভেম্বর) বেলা ১২টা থেকে শুরু হবে। যা চলবে ৭ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মো. ছাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আগামীকাল থেকে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হবে।

    ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জানা গেছে, এ বছর ১৬ জানুয়ারি ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিট, ১৭ জানুয়ারি ‘এ’ (মানবিক) ইউনিট ও ২৪ জানুয়ারি ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১১টা থেকে ১২টা ও বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত দুই শিফটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর ও বরিশাল অঞ্চলে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

    আরও জানা যায়, ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটে আছে কলা, আইন, সামাজিক বিজ্ঞান ও চারুকলা অনুষদ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট। ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটে আছে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ ও ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট এবং ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিটে আছে বিজ্ঞান, কৃষি, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, ভূ-বিজ্ঞান, ফিশারিজ এবং ভেটেরিনারি এ অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদ।

    ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা অনুযায়ী তিন ইউনিটেই আবেদন করতে পারবে। ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থী যে ইউনিটেই আবেদন করুক না কেন সে যে শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে সেই শাখার জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এইচএসসি বা সমমান, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, বিএফএ (প্রাক), বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় এইচএসসি ভোকেশনাল এবং A লেভেল সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে।

    আবেদনের যোগ্যতা বিষয়ে বলা হয়েছে, ভর্তির জন্য মানবিক ও বাণিজ্য শাখা থেকে উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় পৃথকভাবে চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ মোট জিপিএ ৭.০০ এবং বিজ্ঞান শাখায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ সহ মোট জিপিএ ৮.০০ থাকতে হবে। ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পাস শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত জিপিএ ৫.০০ স্কেলে নির্ধারিত হবে। জিসিই O লেভেল পরীক্ষায় ৫টি বিষয়ে এবং A লেভেল পরীক্ষায় অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। উভয় লেভেলে মোট ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টি বিষয়ে কমপক্ষে Bও ৩টি বিষয়ে কমপক্ষে C গ্রেড পেতে হবে। ইংরেজি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে ইচ্ছুক প্রার্থীকে চূড়ান্ত আবেদন-কালে অবশ্যই ইংরেজি প্রশ্নপত্রের জন্য অতিরিক্ত ফরম পূরণ করতে হবে। এছাড়া ইউনিট/বিভাগ/ইনস্টিটিউট কর্তৃক আরোপিত শর্তও প্রযোজ্য হবে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ-সাপেক্ষে আবেদনকারী সকল শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

    আবেদন ফি নিয়ে বলা হয়েছে, ‘এ’ (মানবিক) ইউনিটের আবেদন ফি ১,৩২০ টাকা, ‘বি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের আবেদন ফি ১,১০০ টাকা ও ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের আবেদন ফি ১,৩২০ টাকা। সকল ফি ১০% সার্ভিস চার্জসহ।

    MCQ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের এক ঘন্টাব্যাপী ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় প্রতি ইউনিটে ৮০টি প্রশ্ন থাকবে। প্রতি চারটি ভুলের জন্য এক নম্বর কাটা যাবে। ভর্তি পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৪০। অনলাইনে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী কোটায় (মুক্তিযোদ্ধার পুত্র/কন্যা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী, খেলোয়াড় ও বিকেএসপি) ভর্তিচ্ছু প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে।

    ভর্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও প্রযোজ্য শর্ত পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট http://admission.ru.ac.bd থেকে জানা যাবে।
    সূত্র: আমার দেশ
    বি/এ

  • প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে ৬ লাখ আবেদন

    প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে ৬ লাখ আবেদন

     

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় সোয়া ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ধাপে ছয় বিভাগের আবেদন চলছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত এতে আবেদন করেছেন ছয় লাখ চাকরিপ্রার্থী।স্কুল সাপ্লাই

     

    এদিকে, অনলাইনে সহকারী শিক্ষক পদে আবেদনপ্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে আগামীকাল শুক্রবার (২১ নভেম্বর)। এরপর আর আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র।

     

     

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য থাকা ১০ হাজার ২১৯টি পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। শূন্য এসব পদের বিপরীতে গত ৮ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত এসব পদে সফলভাবে আবেদন ও ফি জমা দিয়েছেন প্রায় ৫ লাখ ৭৬ হাজার প্রার্থী।

     

    আগামীকাল শুক্রবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চাকরিপ্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এরপর পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত তাদের ফি পরিশোধের সময় থাকবে। আবেদনের আরও একদিন সময় থাকায় এবং অনেকে ফি জমা দেওয়ার অপেক্ষায় থাকায় আবেদনকারীর এ সংখ্যা আরও এক লাখ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

     

    জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গবেষণা কর্মকর্তা এসএম মাহবুব আলম বলেন, ৫ লাখ ৭৬ হাজারের মতো প্রার্থী আবেদন করে ফি জমা দিয়েছেন। অনেকে এমন আছেন, যারা আবেদন করেছেন কিন্তু এখনো ফি জমা দেননি। সেক্ষেত্রে ধারণা করা হচ্ছে আরও প্রায় এক লাখ আবেদন বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে মোট আবেদন পৌনে ৭ লাখ অথবা সাড়ে ৭ লাখ হতে পারে।

     

    গত ৫ নভেম্বর প্রথম ধাপের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রথম ধাপের বিভাগগুলো হলো রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর। এরপর ১২ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ দুই বিভাগে শূন্যপদ রয়েছে ৪ হাজার ১৬৬টি।

  • নির্বাচিত সরকারকে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে

    নির্বাচিত সরকারকে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে

    ডেস্ক নিউজ:

    জাতীয় নির্বাচনপরবর্তী সরকারকে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি মনে করি, আমাদের বিপ্লব গত বছর শেষ হয়ে গেছে, তাহলে ভুল করছি। এটি চলমান আছে। এ বিপ্লব ততদিন চলমান থাকবে, যতদিন না জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বাস্তবায়ন হবে।’

    বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সিনেট ভবনে ‘বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানের সফলতা ও ব্যর্থতা : ৭ নভেম্বর থেকে ৫ আগস্ট’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদ নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সময়মতো হতে হবে। ভোট সময়মতো না হলে যে অস্থিরতা তৈরি হবে, সেটাকে দিল্লি কাজে লাগাবে। এজন্য নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হতে হবে।

    ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে শঙ্কা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, শুদ্ধি অভিযান না চালানোয় প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দৃশ্যমান। আওয়ামী দোসরদের তৎপরতার কারণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট শঙ্কা আছে। এর একটি বড় কারণ হলো, জুলাই বিপ্লবকে অনেকেই বিপ্লব বলতে চাই না। এমনকি বর্তমান সরকারও বিপ্লবকে বিপ্লব বলতে দ্বিধাবোধ করে। তা না হলে তারা বিপ্লবী সরকার ঘোষণা করত। এ সরকার বিপ্লবকে ধারণ করতে পারেনি বলেই শুদ্ধি অভিযান চালাতে পারেনি।

    জুলাই বিপ্লবীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে আমার দেশ সম্পাদক বলেন, ‘গুলি খেতে যাওয়ার সময় কেউ মন্ত্রী হতে চাইনি। আমাদের তরুণ প্রজন্ম আবু সাঈদ হতে চেয়েছে বলেই বিপ্লব সফল হয়েছে। যারা এ বিপ্লব করেছে তারাই বাংলাদেশকে সঠিক পথে আনতে পারবে। তোমরা ঐক্যবদ্ধ থাকো। তোমরা যতদিন ঐক্যবদ্ধ থাকবে বাংলাদেশ পথ হারাবে না। বাংলাদেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহা. মাঈন উদ্দীন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান, অধ্যাপক ইমেরিটাস ড. আজহারুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদ প্রমুখ।

    আর আই খান

  • আজ শেষ হচ্ছে ঢাবির ভর্তির সময়; নতুন নির্দেশনা

    আজ শেষ হচ্ছে ঢাবির ভর্তির সময়; নতুন নির্দেশনা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার আবেদনের সময় আজ বুধবার (১৯ নভেম্বর) শেষ হচ্ছে। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণ ফলাফলে জিপিএ পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বার্থে তিনদিন সময় বাড়ানোর পর আজ মধ্যরাত পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। আবেদনের পর ফি রশিদ বুঝে নেওয়ার জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ভর্তি কমিটি।

    ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব শিক্ষার্থীকে আবেদনকৃত ইউনিট-এর আবেদন ফি প্রাপ্তি রশিদ বুঝে পেয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত হতে অনুরোধ করা হচ্ছে। আবেদনের নির্দিষ্ট সময় শেষ হওয়ার পর, আর কোনোভাবেই পেমেন্ট করার সুযোগ থাকবে না।

    এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে সময় বৃদ্ধির তথ্য জানানো হয়। ভর্তি পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন গত ২৯ অক্টোবর দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়। রবিবার (১৬ নভেম্বর) রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

    ওয়েবসাইটের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৬ নভেম্বর উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এ অবস্থায়, ফলাফল পরিবর্তনের ফলে নতুনভাবে আবেদনের যোগ্যতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা যেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের সুযোগ হতে বঞ্চিত না হয়, সেই প্রেক্ষিতে ভর্তিসংক্রান্ত অন্যান্য সকল তারিখ অপরিবর্তিত রেখে অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা তিন দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    আগামী ১৯ নভেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত করা হয়েছে ভর্তিচ্ছুরা আবেদন করতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে পাঁচটি ইউনিটের মাধ্যমে ‘আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম’-এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিটগুলো হচ্ছে ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’ ‘চারুকলাভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি অনুযায়ী কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৩ ডিসেম্বর, বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ২০ ডিসেম্বর, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৬ ডিসেম্বর, চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান ও অঙ্কন) ২৯ নভেম্বর এবং আইবিএ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

    বি/এ

  • গঠিত হচ্ছে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’

    গঠিত হচ্ছে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’

    ডেস্ক নিউজ:

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিলসহ রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, মানসম্মত শিক্ষা, সময়মতো পরীক্ষা গ্রহণ, দ্রুত ফল প্রকাশ ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেওয়া এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।  ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন ও পাঠদানের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের অপারেশন ম্যানুয়েলও অনুমোদন করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে আগামী ২৩ নভেম্বর ক্লাস শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া প্রণয়ন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়। খসড়া অধ্যাদেশটি গত ২৪ সেপ্টেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সুধীজনের কাছ থেকে পাঁচ হাজারেরও বেশি মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত প্রতিটি মতামত আইনগত ও বাস্তবতার নিরীখে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং খসড়াটি পুনর্মূল্যায়ন ও পরিমার্জন কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রণালয় বিশ্বাস করে, এই বিধিবদ্ধ পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য ও সমন্বিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অধ্যাদেশ চূড়ান্তকরণসহ সামগ্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগলেও, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয় সে বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সচেতন। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যাবলী পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে একজন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রণালয় এই কার্যক্রমকে দেশের উচ্চ শিক্ষার মানোন্নয়নের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করছে এবং সকল অংশীজনের ন্যায্য স্বার্থ রক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে। মন্ত্রণালয় ব্যক্তিগত ধারণা বা গুজবের ভিত্তিতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

    খান

  • খুনি হাসিনার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: সাদিক কায়েম

    খুনি হাসিনার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: সাদিক কায়েম

    ডেস্ক নিউজ:

    ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেছেন, সমগ্র দেশের মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রান উইথ জবি শিবির’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

    সাদিক কায়েম বলেন, খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসররা বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ খুনি হাসিনা ও তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঠিকানা হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো গুপ্ত অবস্থায় আছে, সবাইকে শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করব। খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বাংলাদেশ থেকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ একটি জঙ্গি সংগঠন—এদের প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    জকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জকসুর তারিখ পেছানোর জন্য ওপর থেকে কারও ‘ওহী নাজিল’ হয়েছে বলে মনে হয়। কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাই—আপনারা পক্ষপাতিত্ব করবেন না। আমরা চাই না শিক্ষক বনাম ছাত্র পরিস্থিতি তৈরি হোক।

    শরীরচর্চা প্রসঙ্গে কায়েম বলেন, আজকের ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচিতে আমি শিক্ষার্থীদের উৎসবমুখর পরিবেশ দেখেছি। তরুণ প্রজন্ম যদি দেশের জন্য কিছু করতে চায়, তবে তাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্রশিবির এমন সৃজনশীল ও ইতিবাচক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, যা ফ্যাসিস্ট আমলে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

    দৌড় কর্মসূচিতে অংশ নেয় দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী

    ‘চলো একসাথে হাঁটি, একসাথে দেশ গড়ি’ স্লোগানকে ধারণ করে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে কোর্ট এলাকা, রায় সাহেববাজার মোড়, ধোলাইখাল ঘুরে ধূপখোলা মাঠে গিয়ে এটি শেষ হয়।

    শাখা সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করে।

    শিবিরের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিগবাতুল্লাহ সিগবা বলেন, বাংলাদেশ এখন এক গভীর সংকটের মধ্যে আছে। এই সময়ে তরুণ প্রজন্মই পারে দেশকে রক্ষা করতে। আমাদের তরুণরা যদি সচেতন ও ফিট থাকে, তবে কোনো ফ্যাসিবাদী বা বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তি বাংলাদেশে মাথা তুলতে পারবে না।

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আমাদের এ কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ‘চলো একসাথে হাঁটি, একসাথে দেশ গড়ি’। শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ না থাকলে দেশগঠন সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ দেখে আমরা অনুপ্রাণিত হয়েছি।

    কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সিফাত বলেন, সকাল সকাল ক্যাম্পাসে গিয়ে এমন পরিবেশ পাব ভাবিনি। অসাধারণ লেগেছে! ধন্যবাদ ছাত্রশিবির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে।

    শিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মোহতাসিম বিল্লাহ শাহিদী বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শরীরচর্চার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। আজকের কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে বোঝা যায়, তারা শারীরিকভাবে ফিট থাকতে চায়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই—শরীরচর্চার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো দ্রুত গড়ে তোলা হোক।

    সাদিক কায়েম বলেন, খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসররা বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছে। আগামীর বাংলাদেশ খুনি হাসিনা ও তার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঠিকানা হবে না। ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো গুপ্ত অবস্থায় আছে, সবাইকে শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের ধরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করব। খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বাংলাদেশ থেকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ একটি জঙ্গি সংগঠন—এদের প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    জকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জকসুর তারিখ পেছানোর জন্য ওপর থেকে কারও ‘ওহী নাজিল’ হয়েছে বলে মনে হয়। কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানাই—আপনারা পক্ষপাতিত্ব করবেন না। আমরা চাই না শিক্ষক বনাম ছাত্র পরিস্থিতি তৈরি হোক।

    শরীরচর্চা প্রসঙ্গে কায়েম বলেন, আজকের ‘রান উইথ শিবির’ কর্মসূচিতে আমি শিক্ষার্থীদের উৎসবমুখর পরিবেশ দেখেছি। তরুণ প্রজন্ম যদি দেশের জন্য কিছু করতে চায়, তবে তাদের শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ছাত্রশিবির এমন সৃজনশীল ও ইতিবাচক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে, যা ফ্যাসিস্ট আমলে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জবি শিবিরের সাবেক সভাপতি মাকসুদুর রহমান, আসাদুল ইসলাম, শাখা সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল আলিম আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাহেদ, ও অফিস সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।

    বি/এ

  • আসন কমলো সরকারি মেডিকেল কলেজে

    আসন কমলো সরকারি মেডিকেল কলেজে

    ডেস্ক নিউজ :

    দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ৩৫৫টি আসন কমানো হয়েছে। তবে তিনটি কলেজে ৭৫টি আসন বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে চূড়ান্তভাবে আসন কমেছে ২৮০ এবং সরকারি মেডিকেল কলেজে মোট আসন নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১০০টি।

    সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের (চিকিৎসা শিক্ষা-১) সিনিয়র সহকারী সচিব সঞ্জীব দাশ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর আসন পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের পর মোট আসন সংখ্যা নির্ধারণ হয়েছে ৫ হাজার ১০০টি। আসন কমানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনটি কলেজে কিছুটা আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে, ফলে মোট আসন কমেছে ২৮০টি।

    পুনর্বিন্যাসে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, সিলেট এমএজি ওসমানী, বরিশাল শের-ই-বাংলা, ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে ২৫টি করে আসন কমানো হয়েছে। এছাড়া শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে ২৩০ থেকে কমিয়ে ২২৫টি আসন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের আসন কমিয়ে ৫০ করা হয়েছে। নেত্রকোনা, নীলফামারী, নওগাঁ, মাগুরা ও চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের আসনও ২৫ করে কমিয়ে ৫০ করা হয়েছে। অন্যদিকে তিনটি কলেজে আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ এবং টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে ২৫ করে বাড়িয়ে ১২৫ এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ২৫ বাড়িয়ে ১০০ আসন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অন্যান্য সরকারি মেডিকেল কলেজের আসন অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। কুমিল্লা, খুলনা, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান, ফরিদপুর ও দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে ২০০টি করে আসন রয়েছে। পাবনা, নোয়াখালী, কক্সবাজার, যশোর, সাতক্ষীরা, কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া, জামালপুর এবং মুগদা মেডিকেল কলেজে ১০০টি করে আসন। গোপালগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজে ১২৫টি করে এবং সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে ৭৫টি আসন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বি/এ

  • ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছাত্র নেতা!

    ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছাত্র নেতা!

    ডেস্ক নিউজ:

     

    জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) ছাত্রী হলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পুরুষ সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ায় ক্যাম্পাসে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় এমন সিদ্ধান্তে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

    বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে একটি সাংগঠনিক নোটিশ প্রকাশ করেন। এতে ছাত্র ও ছাত্রী হলের সাংগঠনিক কার্যক্রম তদারকির জন্য কয়েকজন নেতার নাম ঘোষণা করা হয়।

    নোটিশে দেখা যায়, ছাত্র হলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যুগ্ম আহ্বায়ক আমির হামজা, সদস্য মোহাম্মদ আমানউল্লাহ ও রবিউল ইসলাম রিমনকে। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে ছাত্রী হলের কমিটি।ছাত্রী হলের দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে—যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইকরাম হোসেন, সদস্য সাদ ইবনে ওয়াহিদ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আদিবা হক মিলাকে। এই তালিকায় দুজন পুরুষ সদস্যের নাম থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—‘ছাত্রী হলের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ছেলেদের সম্পৃক্ততা কতটা যৌক্তিক?’

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্রী বলেন, ‘আমরা হলে রাজনৈতিক কার্যক্রম চাই না। তাছাড়া ছাত্রী হলের দায়িত্বে ছাত্রদের রাখা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।’

    বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের সাংগঠনিক ঘোষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার পরিপন্থি এবং প্রশাসনের পূর্বঘোষণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. নুর হোসেন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে স্পষ্টভাবে জানানো হয়— ক্যাম্পাস এলাকায় কোনো ধরনের রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ, প্রচার বা সংগঠন পরিচালনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম, লোগো ও প্রতীক রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

    সুত্র: আমার দেশ

    বি/এ