ক্যাটাগরি উচ্চ শিক্ষা
-

রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন
বিডিনিউজ ডেক্সরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ৩০ অক্টোবর ২০২৫:রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সায়মা হোসেনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি আজ তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করেছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক হিসাবে রয়েছেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা. ফরিদ উদ্দীন খান। কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়নযোগ্য কয়েকটি সুপারিশ প্রদান করেছে।ঐ ঘটনা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কেউ যদি অতিরিক্ত কোনো তথ্য বা মতামত জানাতে চান তবে তা দ্রুত কমিটিকে জানাতে আহ্বান জানানো যাচ্ছে। -

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি
বিডি নিউজ ডেস্ক:
খুলনার পাইকগাছায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন একটি ভাস্কর্য অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। পাইকগাছা–কয়রার তৌহিদী জনতার ব্যানারে এই মানববন্ধন করা হয়।
আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদরে এই মানববন্ধন হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নির্মাণাধীন ভাস্কর্যটি ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তাঁরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এ দেশে ভাস্কর্যের রাজনীতির অবসান ঘটেছে। এখন থেকে আর কোনো ভাস্কর্যের রাজনীতি এই দেশে স্থান পাবে না।
বক্তারা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভাস্কর্য অপসারণের দাবি জানিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপসারণ না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার বিকল্প থাকবে না। তখন সব দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আবদুল আজিজ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন হাফেজ মাওলানা আবদুর রব, মুফতি ওয়াইস কুরনী, মাওলানা মনিরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা শামসুদ্দিন, মাওলানা রইসুল ইসলাম, মাওলানা সাঈদুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, আসাদুল্লাহ, আতাউল গণি, ইলিয়াস আমিন, ফরহাদ হুসাইন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, পাইকগাছা–কয়রা সড়কের পাশে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের অংশ হিসেবে একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করা হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর আলোচনা করে নির্মাণকাজ স্থগিত রাখে। বর্তমানে ভাস্কর্যটি পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
-

জবি ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রী আটক
বিডি নিউজ ডেস্ক
পুরান ঢাকার আরমানিটোলাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রদলের নেতা জুবায়েদ আহমেদকে হত্যার ঘটনায় তার ছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত ছাত্রীর নাম বর্ষা আক্তার। তাকে বাসায় গিয়ে পড়াতেন জুবায়েদ।
রোববার রাত ১১টা ২০ মিনিটের বর্ষাকে তার নিজ বাসা রাজধানীর বংশালে নূর বক্স রোডে রৌশান ভিলা থেকে আটক করা হয়। এছাড়া বাড়ির বাকি সদস্যদেরও কড়া নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ।
নিহত জুবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য ছিলেন এবং কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
টিউশনি করতে যাওয়ার পথে খুন হওয়া জুবায়েদের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর মিডফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছেন, হত্যায় সন্দেহভাজনদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। অতি দ্রুত খুনিদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।
-

আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার
বিডি নিউজ ডেস্ক :
পুরান ঢাকার আরমানিটোলার পানির পাম্প গলিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৫ তম ব্যাচের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য জুবায়েদ হোসাইনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যার দিকে টিউশনিতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা লাশটি দেখে পুলিশকে খবর দেন।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, জুবায়েদ হোসাইন ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। ওইখানে তার টিউশনের বাসা ছিল। এখনো মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা তদন্ত করছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ঘটনা শোনামাত্রই আমি সেখানে গিয়েছি। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি। তারা সেটি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন
-

সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ
বিডি নিউজ ডেস্ক:
সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৬৬৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৮ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯৬ জন। শতকরা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭০।
কলেজের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ ২০১২ সাল থেকে টানা তিন বছর ঢাকা বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। ২০১৫ সাল থেকে বোর্ড কর্তৃক সেরাদের তালিকায় না হলেও নিজেদের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখেছে।
এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৬৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৫ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৬৯৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ১৪১ জন অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৮০ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ জন। ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ১৮৩ জন অংশ নিয়ে জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪৩ জন, অকৃতকার্য হয়েছেন ২ জন। মানবিক শাখা থেকে ৩৩৪ জন অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭৩ জন।
কলেজের অধ্যক্ষ হেরেম উল্লাহ আহসান বলেন, ‘আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। আমাদের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লার সরাসরি নির্দেশনায় নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ ক্লাস, হোম ভিজিট, টিউটেরিয়াল, মাসিক পরীক্ষা, গাইড টিচারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানসহ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে কখনো এমন ফলাফল হয়নি। এবারের ঘাটতিগুলোয় গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে পূর্বের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ফিরব ইনশা আল্লাহ।’
-

ময়মন সিংহের ১৫ কলেজে শতভাগ ফেল!
বিডি নিউজ ডেস্ক:
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এটি গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবার জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। বোর্ডে শতভাগ পাশ করেছে ৩ টি কলেজে। কেউ পাশ করেনি ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এবার এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ৩০৬টি প্রতিষ্ঠানের ৭৯ হাজার ২৩৭ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন। এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাস করেছেন ৩৯ হাজার ৯৬ জন। পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৮৪ শিক্ষার্থী। শাখাভিত্তিক পাসের হার সবচেয়ে কম ব্যবসায় শিক্ষা শাখায়।
শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ, জেলার ঈশ্বরগঞ্জের চরজিথর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলার আবদুল জব্বার রাবেয়া খাতুন গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ।
১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেননি। এর মধ্যে ময়মনসিংহের ৭টি, জামালপুরের ২টি, শেরপুরের ২টি ও নেত্রকোনার ৪টি কলেজ আছে। এই ১৫টি কলেজ থেকে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন ১৩২ জন। এর মধ্যে ১০ জনের বেশি পরীক্ষার্থী ছিল চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। বাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষার্থী ২ থেকে ৯–এর ঘরে ছিল।
এবার জিপি এ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬৪৮ জন। এ বছর পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪।
-

জাবি শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌসের জানাজা অনুষ্ঠিত
নিউজ ডেস্ক:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুমা কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জাকসু নির্বাচনে ভোটগণনা কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে তার মৃত্যু হয়।
জানাজায় বিশ্বিবদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান, দর্শন বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও তার সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্যানেলের ভিপি প্রার্থীদের অংশ নিতে দেখা যায়।
এর আগে, এদিন সাড়ে ৯টায় জান্নাতুল মৃত্যুবরণ করেন বলে নিশ্চিত করেছে জাকসু নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।
জানা গেছে, দায়িত্বরত অবস্থায় বুকে ব্যথা অনুভব করলে সঙ্গে সঙ্গে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় জান্নাতুল ফেরদৌসকে। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জাবির চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন ।
এ বিষয়ে চারুকলা বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক শামীম রেজা বলেন, ভোটগণনা অবস্থায় অসুস্থতা অনুভব করলে অ্যাম্বুলেন্স যোগে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সহকর্মীর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত।
-

জাকসুর ফলাফল ঘোষণার দাবি সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের
নিউজ ডেস্ক:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ফলাফল আজকের মধ্যে ঘোষণা করা না হলে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেছেন সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মাজহারুল ইসলাম।
শুক্রবার বিকাল পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাকসু নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের নিচে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, ভোট গ্রহণের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত ফলাফল ঘোষণা করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। কেবলমাত্র ২১টি হলের হল সংসদের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। আমরা জানি কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদে এর দ্বিগুণ সংখ্যক প্রার্থী রয়েছে। তাই ফলাফল ঘোষণা একটু অনিশ্চয়তার মধ্যে চলে গিয়েছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের একটি গ্রুপ এখনো নির্বাচন বানচালে সচেষ্ট রয়েছে। তারা নির্বাচনের জন্য বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র লিপ্ত রয়েছে। আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই যদি আজকের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা না করা হয় তাহলে আমরা কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হব।
ছাত্রদল ও বাগছাস মিলে অটোমেটিক মেশিনে ভোট গণনাকে বন্ধ করেছে একটি ঠুনকো অজুহাতে। তারা ওইমার মেশিনে ভোট গণনা কোম্পানিকে জামায়াতি প্রতিষ্ঠান ট্যাগ দিয়ে ভোট গণনাকে কষ্টকর করে তুলেছে। অথচ গতকাল আমরা তথ্য প্রমাণ সহ হাজির করেছি প্রতিষ্ঠানটি বিএনপিপন্থিদের। তারপরেও অযৌক্তিক ভাবে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা হচ্ছে। শিক্ষক শিক্ষার্থী অসহনীয় কষ্ট হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে জাকসুর ফলাফল ঘোষণা চাই।
-

ছাত্রদলকে মির্জা গালিবের পরামর্শ
নিউজ ডেস্ক
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন বর্জন করছে ছাত্রদল। বর্জন না করেও ভিন্ন কিছু করা যেত বলে মনে করেন ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। তিনি বলেন, তিনি যদি দলটির পরামর্শক হতেন, তাহলে পরাজয় নিশ্চিত হলেও তাদেরকে সারা দিন হাসিমুখে পিআর ক্যাম্পেইন করে যেতে বলতেন।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে মওলানা ভাসানী হলের অতিথি কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী। এর আগে সকাল থেকে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।
এর আগে মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৮টি পদের মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদসহ ২৩টি পদ জিতেছে তারা।
ভিপি পদে সাদিক কায়েম পেয়েছেন মোট ১৪ হাজার ৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের মো. আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন এবং উমামা ফাতেমা যথাক্রমে ৩ হাজার ৮৮৪ এবং ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট পেয়েছেন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ডাকসু নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ফেসবুকে পোস্ট করেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, পরিকল্পিত কারচুপির এ ফলাফল দুপুরের পরপরই অনুমান করেছি। নিজেদের মতো করে সংখ্যা বসিয়ে নিন। এ পরিকল্পিত প্রহসন প্রত্যাখ্যান করলাম।
ছাত্রদল জাকসু নির্বাচন বর্জনের পর আজ বিকালে পোস্ট দেন মির্জা গালিব। তিনি লেখেন, আমি যদি ছাত্রদলের অ্যাডভাইজার হতাম, তাহলে বলতাম পরাজয় নিশ্চিত হলেও সারাদিন হাসিমুখে পিআর ক্যাম্পেইন করে যেতে। যাতে করে ফলাফলের পর মানুষের মনে দুঃখ লাগে, আহারে ছেলেগুলো কত কষ্ট করল, কিন্তু জিততে পারল না। ওই খারাপ লাগার অনুভূতিটুকু পরের নির্বাচনে কাজে লাগত।
-

জাকসু নির্বাচনের ফল ঘোষণার সময় জানাল নির্বাচন কমিশন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ চলে সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ শেষে ২১টি হল থেকে ব্যালট বাক্সগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে নেওয়া হয়েছে।এখন চলছে গণনা।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোট গণনার জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে দায়িত্বে রয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী কর্মকর্তারা। নির্বাচনের ফলাফল প্রাথমিকভাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঘোষণা করা হতে পারে। ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে। ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত দের হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
এবারের জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৯১৯। ছাত্রদের হলের মধ্যে আল বেরুনী হলে ভোটার ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হলে ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হলে ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হলে ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হলে ৫১৪ জন, ১০ নম্বর ছাত্র হলে ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হলে ৬৫০ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে ৩৫০ জন, ২১ নম্বর ছাত্র হলে ৭৩৫ জন, জাতীয় কবি নজরুল হলে ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হলে ৯৪৭ জন ভোটার রয়েছেন।
ছাত্রীদের হলের মধ্যে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলে ২৭৯ জন, জাহানারা ইমাম হলে ৩৬৭ জন, প্রীতিলতা হলে ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়া হলে ৪০৩ জন, সুফিয়া কামাল হলে ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর ছাত্রী হলে ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর ছাত্রী হলে ৫৭১ জন, রোকেয়া হলে ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেছা হলে ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি হলে ৯৮৩ জন ভোটার রয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৭৮ প্রার্থী। নির্বাচনে বামপন্থি, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্র শিক্ষার্থীদের সমর্থিত ৮টি প্যানেল অংশগ্রহণ করে। তবে, কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল।
বৃহস্পতিবার বিকালে মওলানা ভাসানী হলের গেস্ট রুমে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন ছাত্রদল সমর্থিত জিএস প্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী। পরবর্তীতে সম্প্রীতির ঐক্য, সংশপ্তক পর্ষদ ও স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদও ভোট বয়কটের ঘোষণা দেয়। ৫ স্বতন্ত্র প্রার্থীও এক পর্যায়ে ভোট বর্জন করে।