ক্যাটাগরি ন্যায়বিচার

  • শালিখায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ

    শালিখায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ

    বিডিনিউজ ডেস্ক:

    মাগুরার শালিখায় গোপনে ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস বলে বাজারে বিক্রি করছে এমন অভিযোগ উঠেছে।

    স্থানীয়রা জানায়, মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার শতপাড়া গ্রামের মাংস বিক্রেতা হিরন বিশ্বাস রবিবার ভোর রাতে নিজ বাড়ির পিছনে চিত্রা নদীর তীরে নির্জন জায়গায় একটি ঘোড়া জবাই করেন। এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হিরণ বিশ্বাস পালিয়ে যায়। এ সময় তারা জবাইকৃত ঘোড়াটি পড়ে থাকতে দেখে হাজরাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সংবাদ দেন।

    মাংস বিক্রেতা হিরণ বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে এভাবে গরুর নাম করে বাজারে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করে মানুষকে ঠকিয়ে আসছিলেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।

    শালিখার হাজরাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি সুলতান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জবাইকৃত একটি ঘোড়া পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে পুলিশ পৌঁছবার আগেই বিক্রেতা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি৷

  • সুদানে রাস্তায় শত শত লাশ, দাফন করার কেউ নেই

    সুদানে রাস্তায় শত শত লাশ, দাফন করার কেউ নেই

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

     

    সুদানের উত্তর দারফুর রাজ্যের রাজধানী এল-ফাশের শহরে ভয়াবহ সহিংসতার পর রাস্তায় পড়ে আছে শত শত লাশ। কবর দেওয়ার মতো কেউ নেই।

    শহরটি গত সপ্তাহে দখল করে নেয় আধা-সামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। এ সময় তারা কমপক্ষে ১,৫০০ মানুষকে হত্যা করে। শুধু একটি হাসপাতালে নিহত হয় প্রায় ৪৬০ জন।

    জাতিসংঘ জানিয়েছে, শহরটিতে আটকে থাকা সাধারণ মানুষ মারাত্মক বিপদের মধ্যে আছে। অনেকেই নিহত হয়েছেন, আহতরা খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছেন। শহর থেকে প্রায় ৩৬ হাজার মানুষ ৭০ কিলোমিটার দূরের তাভিলা শহরে পালিয়ে গেছেন, যেখানে ইতোমধ্যে ৬ লাখ ৫০ হাজারের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।

    হায়াত নামে এক নারী জানান, সাতজন আরএসএফ সদস্য তাদের বাড়িতে ঢুকে লুটপাট চালায় এবং তার ১৬ বছর বয়সি ছেলেকে তার সামনেই হত্যা করে। তিনি বলেন, ‘আমরা রাস্তায় অসংখ্য লাশ পড়ে থাকতে দেখেছি, আহতদের কেউ উদ্ধার করতে পারেনি।’

    আরেকজন বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি হুসেইন বলেন, এল-ফাশেরের পরিস্থিতি ভয়াবহ। মৃতদেহগুলো রাস্তায় পড়ে আছে, তাদের কবর দেওয়ার মতো কেউ নেই। অন্যদিকে, তাভিলা শরণার্থী শিবিরে কর্মরত নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল জানায়, পালিয়ে আসা মানুষের সংখ্যা এখনো অনেক কম। তারা আশঙ্কা করছেন, যারা রওনা দিয়েছিল, তাদের অনেকেই পথেই মারা গেছে।

    জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানিয়েছেন, দারফুরে ত্রাণ কার্যক্রম জোরদারের জন্য সেন্ট্রাল ইমার্জেন্সি রেসপন্স ফান্ড থেকে ২০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা অনুমোদন করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, ৪৫০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তাদের মধ্যে রোগী, স্বাস্থ্যকর্মী ও বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।

    সুদান বিশেষজ্ঞ শায়না লুইস বলেন, দারফুরে এ হত্যাযজ্ঞ অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই গণহত্যার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছিলাম, কিন্তু তেমন সাড়া পাওয়া যায়নি।

    লুইস আরও জানান, মহাকাশ থেকে পাওয়া স্যাটেলাইট চিত্রেও রক্তাক্ত দৃশ্য দেখা যাচ্ছে—বিশাল এলাকায় লালচে রঙে ঢেকে আছে মাটি এবং মৃতদেহের মতো ছায়া ফুটে উঠছে।

    সহিংসতায় জর্জরিত এল-ফাশের শহরে এখনো খাদ্য, পানি ও ওষুধের চরম সংকট। মানবিক সংগঠনগুলো বলছে, এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়।

    সূত্র : আল জাজিরা

  • ফুলতলায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা

    ফুলতলায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    খুলনার ফুলতলায় আছিয়া বেগম নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক যুবককে আটক করেছে পু‌লিশ।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার দামোদর ইউনিয়নের হ্যাচারিপাড়ার এক‌টি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আছিয়া বেগম একই এলাকার শহীদ মোড়লের স্ত্রী।

    আটক যুবক নড়াইল সদর থানা এলাকার বা‌সিন্দা রেজা কাজীর ছেলে হোসেন কাজী।

    ফুলতলা থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    তিনি আরও বলেন, আটক যুবককে নিহতের বা‌ড়ির ছা‌দের এক‌টি পা‌নির ট্যাংকের ভেতর থেকে আটক করা হয়।

  • দাকোপে সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন

    দাকোপে সার বিক্রেতাদের মানববন্ধন

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    বর্তমান সরকারের সার নীতিমালা খুচরা সার বিক্রেতা আইডি কার্ডধারীদের অন্তর্ভূক্ত করার দাবিতে খুলনার দাকোপে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    মানববন্ধন শেষে কৃষি মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমত হোসেন ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

    খুচরা সার বিক্রেতা এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কেএসবিএবি) দাকোপ উপজেলা শাখা এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় দাকোপ উপজেলা সদর চালনা ডাক বাংলার মোড়ে সংগঠনের দাকোপ উপজেলা আহবায়ক সুকৃতি রায়ের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব হযরত আলী সানার পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন যুগ্ম আহবায়ক হায়দুল সানা, অর্থ সম্পাদক তাপস রায়, গাউসুল শেখ, আব্দুল হাই, অশোক মন্ডল, তুষার দাস, সজল সাহা, সুদীপ্ত গাইন, গৌরাঙ্গ ঘরামী, হায়দার গাজি, আনোয়ারুল গাজি, দীনবন্ধু মন্ডল প্রমুখ।

     

  • বাঘারপাড়ায় দাদার বিরুদ্ধ নাতনি ধর্ষণের অভিযোগ

    বাঘারপাড়ায় দাদার বিরুদ্ধ নাতনি ধর্ষণের অভিযোগ

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    যশোরে খেলনা কিনে দেয়ার কথা বলে ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে রমজান কাজী (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি নির্যাতনের শিকার ওই শিশুটিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বাঘারপাড়া উপজেলার বারবাগ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    আটক রমজান কাজী ওই গ্রামের মৃত শাহাদৎ কাজীর ছেলে। অভিযুক্ত সম্পর্কে ভুক্তভোগীর আপন দাদা।

    নির্যাতিত শিশুটির মা জানান, তার স্বামী পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং তারা নড়াইল শহরে বসবাস করেন। অক্টোবর মাসের প্রথম দিকে তার শ্বশুর রমজান কাজী নড়াইলে বেড়াতে আসেন। ফেরার সময় তিনি মেয়েকে সঙ্গে করে নিয়ে যান। ১৫ দিন পর, ৩০ অক্টোবর সকালে মেয়েকে নিতে যশোরে আসি।

    তিনি আরও বলেন, এ সময় মেয়ে জানায় দুই দিন আগে তার দাদা খেলনা কিনে দেয়ার কথা বলে তাকে ধর্ষণ করেছে। মেয়ে ওই বাড়ি থেকে তাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে বলে। এরপর মেয়েকে নিয়ে নড়াইলে ফিরে যাই এবং স্বামীকে বিষয়টি জানাই। পরে রাত ১০টার দিকে বাঘারপাড়া থানায় গিয়ে অভিযোগ দিয়েছি।

    বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়ে রাতেই অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে রমজান কাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর রাত ১টার দিকে নির্যাতিত শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     

  • বেনাপোলে ধানের গোলাঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, আটক ১

    বেনাপোলে ধানের গোলাঘর থেকে পিস্তল উদ্ধার, আটক ১

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধানের গোলাঘর থেকে একটি পিস্তলসহ আতাউর রহমান (৩৭) নামে এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
    মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে দৌলতপুর গ্রামের উত্তরপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
    আটক আতাউর রহমান বেনাপোল পোর্ট থানার দৌলতপুর গ্রামের সোলাইমান হোসেনের ছেলে।
    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীন দৌলতপুর বিওপির সদস্যরা উত্তরপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় ধান রাখার একটি গোলাঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি পিস্তলসহ আতাউর রহমানকে আটক করা হয়।
    খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল খুরশিদ আনোয়ার বলেন, “আটকের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।”
  • ঝিকরগাছায় নাতজামাইয়ের হাতে নানা খুন

    ঝিকরগাছায় নাতজামাইয়ের হাতে নানা খুন

     

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    যশোরের ঝিকরগাছায় নাতজামাইয়ের হাতে নানা শ্বশুর খুন হয়েছেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের ধারনা।

    নিহতের নাম মহিউদ্দিন (৭০) উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের নীলকণ্ঠনগর গ্রামের বাসিন্দা।

    এ ঘটনায় উভয় পক্ষের আরও চারজন আহত হয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত মহিউদ্দিনের নাতনীর সঙ্গে যশোরের পাগলাদাহ গ্রামের মোনতাজের ছেলে তবিবরের বিয়ে হয় তিন বছর আগে। পরে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। রবিবার রাত ৯টার দিকে তবিবর তার ৫-৬ সহযোগী নিয়ে মহিউদ্দিনের বাড়িতে এসে সাবেক স্ত্রীকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় মহিউদ্দিন ও পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে তবিবর ও তার দল চাকু দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।
    এতে মহিউদ্দিন, তার স্ত্রী তাজুমা বেগম (৬০) ও আত্মীয় আমিনুর রহমান (৩০) গুরুতর আহত হন। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে হামলাকারীদের প্রতিরোধ করলে তবিবরের সঙ্গে থাকা দুইজন আহম্মদ আলী (২৬) ও মোহন (৩০) গণপিটুনিতে আহত হন।

    আহতদের প্রথমে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে মহিউদ্দিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় যশোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে নড়াইলে তার মৃত্যু হয়।
    ঝিকরগাছা থানার ওসি নুর মোহাম্মদ গাজী ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করেছেন।

  • আগ্নেয়াস্ত্র-ওয়াকিটকিসহ চার যুবক গ্রেফতার

    আগ্নেয়াস্ত্র-ওয়াকিটকিসহ চার যুবক গ্রেফতার

    বিডি নিউজ ডেস্ক

    যশোরের ঝিকরগাছায় দেশীয় অস্ত্র, ওয়াকিটকি, ধারালো অস্ত্র, খেলনা পিস্তল, পাঁচটি মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন সরঞ্জামসহ চার জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে ঝিকরগাছা উপজেলার কাউরিয়া গ্রামের আওলিয়াপাড়ার সোহাগের হাঁসের খামারে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এদিকে, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মূল অভিযুক্ত সোহাগসহ আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য।

    ঝিকরগাছা থানার ওসি নূর মোহাম্মদ গাজী জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি ও ডিবি পুলিশের এসআই আবু হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সোহাগের খামার থেকে ইউনুস আলী (৩০), মাহবুব (৩৫), শিমুল হোসেন (৩৮) ও হাসিব হোসেন (২৫) নামে চার যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

    অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, খেলনা পিস্তল, ওয়াকিটকি, ধারালো অস্ত্র, পাঁচটি মোটরসাইকেল, রিফ্লেক্টিভ জ্যাকেট, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, হাসুয়া, হাত করাত, বিদেশি মদ, ওয়্যারলেস সেট, স্বর্ণ মাপার মিটার, হাতুড়ি, ছুরি, চাকু, সিসি ক্যামেরা, মুখোশ ও টর্চলাইট উদ্ধার করা হয়।  এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও সরঞ্জামসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায় দীর্ঘদিন ধরে জড়িত থাকতে পারে।

    সুত্র: যুগান্তর

  • ভুলভাবে রায় বাস্তবায়ন, খোলা আকাশের নিচে ৩ পরিবার

    ভুলভাবে রায় বাস্তবায়ন, খোলা আকাশের নিচে ৩ পরিবার

    নীলফামারীতে সহায়-সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে ৩ সপ্তাহ ধরে মানবেতর জীবন-যাপন করছে ৩টি পরিবার।

    এ অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে ১১ অক্টোবর জেলা সদর উপজেলার চাপড়া সরমজানী ইউনিয়নের বাবরীঝাড় এলাকায়।

    দেন আদালত। এরই প্রেক্ষিতে ডিক্রিদার পক্ষে সিভিল কোর্ট কমিশনার অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলাম শাহের উপস্থিতিতে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত নাজির মেহেদী পারভেজকে দখল প্রদানের নির্দেশ দেন আদালত।

    আদালতের নির্দেশে ওই উচ্ছেদ অভিযানে দায়িত্বরত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নালিশী জমির পাশাপাশি নালিশীর বাইরের ভূমির গাছপালাসহ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযোগ তুলছেন ভুক্তভোগীরা।

    বিবাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বাবুল হোসেন জানান, বাদী পক্ষ লুৎফর রহমান গং নীলফামারী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অন্য ১৬/১৫ নম্বর মামলা করেন। উক্ত মামলায় নালিশী জমি ছিল চার শতাংশ এবং বাদী পক্ষের মোকদ্দমায় বিবাদীর তিনটি টিনের চালাঘর উচ্ছেদের নিমিত্তেই এই মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত বাদীপক্ষকে চার শতাংশের মধ্যে টিনের চালাঘর অপসারণের রায় ডিক্রি প্রদান করেন। এতে বিবাদীপক্ষ সংক্ষুব্ধ হয়ে জেলা জজ আদালতে অন্য আপীল ৯৫/২৪ দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটি অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত-১ এ বিচারাধীন রয়েছে।

    বাদীপক্ষ অন্য ডিং ১৬/১৫ নম্বর মামলার রায় ডিক্রি প্রাপ্ত হয়ে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অন্য ডিং-০৫/২৪ মামলা করেন। যা বিবাদীপক্ষ অবগত ছিল না এবং অন্য ডিং-০৫/২৪ মামলা পরিচালনা সংক্রান্তে বিবাদী পক্ষ আদালত থেকে কোনো প্রকার নোটিশ প্রাপ্ত হননি। বিবাদী পক্ষ অন্য ডিং-০৫/২৪ মামলার দখলি পরোয়ানার বিষয়বস্তু জানতে পেরে মামলার কার্যক্রম স্থগিতের নিমিত্তে অন্য ৯৫/২৪ নম্বর মামলায় দরখাস্ত আনয়ন করলে, আদালত ২৩ সেপ্টেম্বর/২৫ শুনানির জন্য ধার্য করেন। কিন্তু বাদীপক্ষ স্থগিতের দরখাস্তের বিষয় জানতে পেরে নালিশী ভূমি দখলে নেয়ার পাঁয়তারা করে। এরই প্রেক্ষিতে গত ১১ সেপ্টম্বর/২৫ আদালত হতে দেনদার পক্ষের নালিশীয় চার শতাংশ জমির উপর চারটি টিনের চালাঘর উচ্ছেদের নির্দেশ থাকলেও, নালিশীয় চার শতাংশের অভ্যন্তরে ওই ৩টি টিনের চালাঘরসহ আরও বেনালিশীয় আটটি টিনের চালাঘর ভেঙ্গে ফেলা হয় এবং নালিশের বাইরের ভূমির গাছপালাও কেটে ফেলা হয়। এতে বিবাদীপক্ষের প্রায় ২৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়। আদালতের নির্দেশে ডিক্রিদার পক্ষে চার শতাংশ জমির উপর স্থাপনা উচ্ছেদের সময় জমি পরিমাপ করে বাদীপক্ষকে বুঝিয়ে দেয়া উচিত ছিল। কিন্তু বলাই বাহুল্য, যারা অপসারণের দায়িত্বে ছিল আদালতের আদেশ আইনানুগভাবে পালন না করায় চরমভাবে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বিবাদীপক্ষ। তারা বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

    সরেজমিনে দেখা যায়, আদালতের আদেশ ভুলভাবে বাস্তবায়নে সহায়-সম্বল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে পলিথিনের ছাউনি দিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করলেও, আদালতের প্রতি ন্যায় বিচারে যথেষ্ট আশাবাদী তারা।

  • যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে মামার বদলে ভাগনে !

    যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে মামার বদলে ভাগনে !

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    যশোরে ‘আয়নাবাজি’ সিনেমার মতো মামার পক্ষে আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে গেছেন ভাগনে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ঘটনা ঘটেছে। কারা অভ্যন্তরে আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাইকালে এটি ধরা পড়ে। পরে কারাগারে যাওয়া আসামিও বিষয়টি স্বীকার করেন।

    কারাগারে যাওয়া আসামি মো. শামীম আহম্মেদ (২৭) যশোর সদর উপজেলা ভেকুটিয়া গ্রামের জামশেদ আলীর ছেলে। শামীম তার আপন ছোট মামা হাসানের পক্ষে প্রক্সি দিতে কারাগারে গেছেন। হাসান বড় ভেকুটিয়া গ্রামের মন্টুর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার আবিদ আহম্মেদ।
    যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা গেছে, যশোর সদর উপজেলা বড় ভেকুটিয়া গ্রামের হাসানের বিরুদ্ধে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মামলা দায়ের হয়। কোতোয়ালি থানার মামলা নং-২৪, তারিখ-০৯.১১.২০২৪, জি, আর-৯৩১/২৪ ধারা-৪৪৮/৩২৩/ ৩৫৪/৩৮৪/৩৮৫/৩৮৬/৫০৬ দ. বি.। এই মামলায় আসামি হাসানের বিরুদ্ধে ৩/৪ বার আদালতে হাজিরাও দেন হাসানের ভাগনে শামীম। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) শামীম আদালতে হাজিরা দিতে গেলে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। ফলে আসামি হাসানের পরিবর্তে কারাগারে প্রেরণ করা হয় শামীমকে।

    এদিকে, শামীম কারাগারে যাওয়ার পর আদালত হতে প্রাপ্ত তথ্য এবং আসামির নাম, পিতার নাম, ঠিকানা যাচাইয়ের সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথাবার্তা অসংলগ্ন হওয়ায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। ফলে কারাগারের চৎরংড়হ ও সিস্টেমের মাধ্যমে তার ফিঙ্গার প্রিন্টে (এন আইডি নং-১৯৫৫১৪৭৪৪০) প্রকৃত নাম মো. শামীম আহম্মেদ সনাক্ত হয়।

    কারা সূত্র আরও জানিয়েছে, আসামি হাসানের পরিবর্তে কারাগারে যাওয়া শামীম জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে হাসান তার আপন ছোট মামা। মামার পরিবর্তে সে ৩/৪ বার আদালতে হাজিরাও দিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে আদালতে প্রেরণ করেছে। এখন আদালতের নির্দেশে শামীমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং মূল আসামি হাসানের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।