ক্যাটাগরি খুলনা বিভাগ

  • জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    জুলাই অভ্যাত্থান স্মরনে চৌগাছায় জামায়াতের গণসমাবেশ

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সোমবার বিকেলে শহরের প্রেসক্লাব চত্ত¡রে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. গোলাম মোরশেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত মনোনীত চৌগাছা-ঝিকরগাছা আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।
    উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাও. নুরুজ্জামানের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাও নুরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা আমীর হাফেজ আমিন উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা আমির মুফতি আনিছুর রহমান, সেক্রেটারি মুফতি শিহাব উদ্দিন, পৌর জামায়াতের আমির মাও আব্দুল খালেক, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন, রহিদুল ইসলাম খান, জগদিসপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুর রহমান, ফুলসারা ইউনিয়নের সভাপতি মাও. শরিফুল ইসলাম, সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল আলিম, পাশাপোল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাও. আব্দুল কাদের, হাকিমপুর ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, স্বরুপদাহ ইউনিয়নের সভাপতি মাও. আবু বক্কর সিদ্দিক, ইসলামী ছাত্র শিবিরের উপজেলা সভাপতি হাফেজ আবু সাঈদ প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের ৭০ শতাংশই ছিলেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তবু জাতির জন্য জীবন দিতে তাঁরা দ্বিধাবোধ করেননি। এখন তাঁদের পরিবারের দায়িত্ব দেশবাসীকে বিশেষ করে সরকারকে নিতে হবে। তিনি বলেন, শহীদ পরিবারের সদস্যরা কারও কাছে ভিক্ষা চান না। তাঁরা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে চান।
    তিনি আরো বলেন, আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেছি। চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির একশ শয্যা কার্যক্রম আগামি এক মাসের মধ্যে চালু হবে।
    রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, কারো পিছনে না লেগে চৌগাছা- ঝিকরগাছা উন্নয়নে ভোটের আগে ও পরে সকলেই এক সাথে কাজ করতে হবে।
    সমাবেশ শেষে প্রেসক্লাব চত্ত¡র থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

     

  • পালাতক থেকেও চাকরিতে বহাল চৌগাছা হাসপাতালের চিকিৎসক মৃদুল কান্তি !

    পালাতক থেকেও চাকরিতে বহাল চৌগাছা হাসপাতালের চিকিৎসক মৃদুল কান্তি !

     

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি :
    যশোরের চৌগাছা উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক মৃদুল কান্তি দশ বছর পালাতক থাকলেও খাতা-কলমে বহাল তবিয়তে আছেন। এছাড়া আরো দুই চিকিৎসক দীর্ঘদিন যাবৎ কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। পদ শুণ্য না হওয়ায় চিকিৎসক পদায়ন করছেনা কর্তৃপক্ষ। যারফলে চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে ।

    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়, উপজেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মৃদুল কান্তি কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে ২০১৪ সালের পর আর কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। একইভাবে মেডিকেল অফিসার সাইমা নাহিদ শান্তা ২০২১ সাল থেকে এবং মেডিকেল অফিসার গোলাম রসুল ২০১৯ সাল থেকে অনুপস্থিত রয়েছেন।

    এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বার বার অবহিত করলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। যে কারনে পদও শুণ্য হয়নি। অপরদিকে চিকিৎসক পদায়ন না করায় ব্যহত হচ্ছে চিকিৎসা কার্যক্রম। তিনজন চিকিৎসক না থাকায় রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত চিকিৎসকরা।
    হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট চিকিৎসকের পদ রয়েছে ৩২টি। খাতাকলমে কর্মরত দেখানো হচ্ছে ১৭ জন চিকিৎসককে। কিন্তু এই ১৭ জনের ৩ জন দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সংযুক্তিতে রয়েছেন আরও চার জন চিকিৎসক। এছাড়া মেডিকেল ছুটি ও ট্রেনিংএ আছেন আরো দুই জন। বাকি ৮ জনের ২ জন প্রশাসনিক পদে কর্মরত। বর্তমানে মাত্র ৬ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে দেশ সেরা এই মডেল হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম।
    একটি সুত্র জানিয়েছে যে সকল চিকিৎসকরা চৌগাছা হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। রোগীর অতিরিক্ত চাপের কারনে তারাও বদলি নিতে চেষ্টা করছেন।
    বুধবার হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় বর্হির বিভাগের সামনে রোগীদের দীর্ঘ লাইন রয়েছে। এব্যাপারে জানতে চাইলে, বর্হির বিভাগের চিকিৎসক সাইদুর রহমান ইমন বলেন,এ হাসপাতালে রোগীর ভিড় নিত্তনৈমিত্তিক ব্যাপার। প্রতিদিনই এখানে ২৪ ঘন্টা রোগীর ভিড় থাকে। সে তুলনায় চিকিৎসক সংখ্যা কম রয়েছে।
    একটি বিশ্বস্ত সুত্র জানিয়েছে অনুপস্থিত চিকিৎসকরা বিদেশে অবস্থান করছেন। তারা আর কর্মস্থলে ফিরে আসবেননা।
    জানতে চাইলে চৌগাছা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানুল মিজান রুমি বলেন, ‘আমি অল্প কিছুদিন আগে এই হাসপাতালে যোগদান করেছি। অল্প সময়ের মধ্যে অনুপস্থিত তিনজনের বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করা যায় সমস্যার সমাধান হবে।

  • চুয়াডাঙ্গার ভৈরব নদের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গার ভৈরব নদের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

     

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামে ভৈরব নদে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর ১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত শিশুরা হলো মুক্তারপুর গ্রামের জুয়েল হোসেনের ছেলে জুনায়েদ (৬) এবং একই গ্রামের সজীবের ছেলে রিমন (৭)।

    স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, এদিন দুপুরে জুনায়েদ ও রিমন ভৈরব নদে গোসল করতে নামে, গোসলের স্থানে পাট জাগ দেওয়া ছিল। শিশুরা পাট জাগের ওপর খেলা করার সময় তারা দুজনেই পানিতে তলিয়ে যায়। তাদের সঙ্গে থাকা অন্য শিশুরা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন পানিতে নেমে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

    জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন হোসেন বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই গ্রামবাসী মরদেহ দুটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।  শিশুদের পরিবারের পক্ষ থেকে দাফনের অনুমতি চেয়ে আবেদনের প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

  • মাহিয়া তাসনিমের পরিবারের পাশে বিমান বাহিনী

    মাহিয়া তাসনিমের পরিবারের পাশে বিমান বাহিনী

    মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মাহিয়া তাসনিমের নানার বাড়ি মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরের জয়পুর গ্রামে গিয়ে শোকার্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন বিমান বাহিনী। ১ আগষ্ট শুক্রবার তাসনিমের পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ শেষে দুপুরে সমাধিতে শ্রদ্ধাজ্ঞলি জ্ঞাপন করেন বিমান বাহিনীর সদস্যরা।
    বিমান বাহিনী প্রধানের প্রতিনিধি হিসেবে উইং কমান্ডার রেহানা ও স্কোয়াড্রন লিডার ইকতিয়ার হোসেনসহ অন্যান্য সদস্যরা তাসনিমের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
    মাইলস্টোন স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী চুয়াডাঙ্গার প্রয়াত প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীর মেয়ে তাসনিম অগ্নিদদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ জুলাই মৃত্যুবরণ করে। তার নানার বাড়ি মুজিবনগরের জয়পুর গ্রামে দাফন করা হয়।
    মাহিয়া তাসনিমের নানা নজরুল ইসলাম বলেন, বিমান বাহিনীর একটি দল আমাদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেছে। পরবর্তীতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে তারা।
    মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পলাশ মন্ডল বলেন, তাসনিমের পরিবারের সহযোগিতার জন্য সর্বদা পাশে থাকবে উপজেলা প্রশাসন।
    বিডি/বিএ
  • দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ১৫ বাংলাদেশীকে হস্তান্তর বিএসএফের

    দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ১৫ বাংলাদেশীকে হস্তান্তর বিএসএফের

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

     

    চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা আইসিপি দিয়ে ১৫ বাংলাদেশী নাগরিককে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত থেকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকে এ হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ১৫ বাংলাদেশীকে ভারতের ৩২ বিএসএফ দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে আজ ফেরত দেয়। পতাকা বৈঠক শেষে ভারতের হেফাজত থেকে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক নাজমুল হাসান বলেন, বিএসএফ কর্তৃক ফেরত দেয়া বাংলাদেশীরা ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের নারনাউল জেলখানায় বন্দী ছিলেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে দর্শনা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) শহীদ তিতুমীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • যশোরে জুলাই বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী, তরুণ্যের চোখে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

    যশোরে জুলাই বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী, তরুণ্যের চোখে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

    যশোর প্রতিনিধি
    যশোর সংস্কৃতি কেন্দ্রের আয়োজনে স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের প্রথমবার্ষিকী।

    রবিবার (২৭ জুলাই) বিকাল শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আয়োজনে ছিল ইতিহাসের পুনর্পাঠ, শহীদদের স্মরণ এবং ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের ডাক।

    ‘জুলাই বিপ্লব: তরুণ্যের ভাবনা ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ের রক্তাক্ত
    ইতিহাস আমাদের জন্য শুধুমাত্র শোক নয়, এটি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে স্বৈরাচার পতনের বার্তা। এই দিনে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের জন্য জীবন দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের আলোকে আমাদের আগামীর পথ রচনা করতে হবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক গোলাম রসুল। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব ছিল ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের ফল। সেই ঐক্যই পতিত স্বৈরাচার সরকারকে চরম চাপে ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু আবারও দেশে সেই ফ্যাসিবাদের দোসরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে ঘাপটি মেরে থেকে একই চিত্র ফিরে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। এদের থেকে সাবধান হতে হবে। আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী শাসনামলে বিরোধীদল তথা জামায়াত-শিবির ও বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, গুম ও মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছিলÑযা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাকর অধ্যায়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি ছাত্র জনতা ঐক্যবদ্ধ না থাকে, তাহলে ফের সেই অন্ধকার যুগ ফিরে আসতে পারে। আজ যারা সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করছে, ধর্ম-বর্ণ-পেশা-রাজনীতির নামে সংঘাত ছড়াচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। ঘাপটি মেরে বসে থাকা স্বৈরাচারীদের ভুলে গেলে চলবে না। যারা শহীদ হয়েছেন, যারা রক্ত দিয়ে আন্দোলনকে রাঙিয়ে দিয়েছেন তাদের আত্মত্যাগকে মনে না রাখলে জাতি অকৃতজ্ঞের কাতারে পড়বে।
    অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন শহীদ আব্দুল্লাহর গর্বিত পিতা আব্দুল জব্বার। তিনি কণ্ঠ ভার করে বলেন, আমার ছেলে জীবনের বিনিময়ে জাতিকে কিছু দিতে চেয়েছিল। আজ আমি গর্বিত যে তার সেই আত্মদান বৃথা যায়নি। কিন্তু আমি চাই, শহীদদের নাম যেন শুধু ব্যানারে না থাকে, তাদের আদর্শ যেন বাস্তবে রূপ নেয়।
    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আছাদুজ্জামান, ন্যাশনাল ডক্টরস ফ্রন্ট-এর সভাপতি ডা. শরফুজ্জামান রঞ্জ, ছাত্র প্রতিনিধি সামিউল আলম শিমুল প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক এবং সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক আবুল হাশিম রেজা।
    আলোচনার পরপরই এক আবেগঘন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় শহীদদের স্মরণে গান, আবৃত্তি ও নাট্যাংশ পরিবেশিত হয়। পুরো মিলনায়তন উপস্থিতি সকলে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    ডিবি/ এআর

  • চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে ৫৫ লাখ টাকার  চোরাচালান জব্দ

    চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে ৫৫ লাখ টাকার চোরাচালান জব্দ

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

    চুয়াডাঙ্গা বিজিবি-৬ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা গত ২৩ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী চলমান মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৫৫ লাখ ২৪ হাজার ৩’শ ৫৪ টাকার মাদক ও চোরাচালানপণ্য জব্দ করেছে। এগুলো মধ্যে ভারতীয় রূপো, মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য চোরাচালানপণ্য রয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক হায়দার আলী জানান,  বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ১০ দশমিক ৮৩৪ কেজি ভারতীয় দানাদার রূপো, ১৪৪ বোতল বিদেশী মদ, ১৪ কেজি গাঁজা, ৩৮ বোতল ফেন্সিডিল, ২০ গ্রাম হেরোইন, ৪৪টি ভায়াগ্রা ট্যাবলেট, ১০০টি চায়না দুয়ারী জাল, ২৯ পিস শাড়ী, ১৩টি থ্রিপিস, ২০ কেজি ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ, ২’শ টি পাতার বিড়ি,  ১’শ ২৭টি কসমেটিকস সামগ্রী, ২টি মোবাইলফোনসহ অন্যান্য চোরাচালানপণ্য।

    এসকল অভিযানের সময় দুইজন চোরাকারবারীকে আটক করেন তারা।  আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর এবং আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

    তিনি আরো বলেন,চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় মাদক ও চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ পয়েন্টগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে।

  • চৌগাছায় জামায়াতের মেয়র ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

    চৌগাছায় জামায়াতের মেয়র ও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

    চৌগাছা প্রতিনিধি :

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার চৌগাছা পৌরসভা ও দশটি ইউনিয়ন পরিষদের জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে । কেন্দ্র ও জেলা সংগঠনের অনুমোদনের পর বুধবার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ।

    যাদেরকে প্রার্থী করা হয়েছে তারা হলেন, চৌগাছা পৌরসভার মেয়র পদে সাবেক প্যানেল মেয়র ও উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার কামাল আহমেদ। ফুলসারা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা শরিফুল ইসলাম কে। পাশাপোল ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে ঐ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কাদেরকে। সিংহঝুলি ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খান কে। ধুলিয়ানী ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামানকে। জগদীশপুর ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে ঐ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রহমানকে। পাতিবিলা ইউনিয়নে প্রার্থী করা হয়েছে উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুল ইসলাম কে। হাকিমপুর ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা আমিন উদ্দিন খানকে। স্বরুপদাহ ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা গিয়াস উদ্দিনকে। নারায়ণপুর ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি তুহিনুর রহমানকে এবং সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আব্দুল আলিম কে।

    কেবলমাত্র চৌগাছা ইউনিয়নে প্রার্থী হিসেবে কারো নাম ঘোষণা করা হয়নি।

    প্রার্থী ঘোষণার ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ বলেন, আগামী স্থানীয় নির্বাচনে আমরা সকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই। একটা ইউনিয়ন বাদে বাকি ১০ টা ইউনিয়ন ও চৌগাছা পৌরসভার মেয়র পদে আমরা প্রার্থী ঘোষণা করেছি। পরবর্তীতে চৌগাছা ইউনিয়নসহ সকল ইউনিয়নের মেম্মার প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করা হবে।

    এদিকে প্রার্থীদের নাম ঘোষণার সাথে সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন করে উদ্দীপনা জেগে উঠেছে বলে জামায়াতের একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।

    বিডি/বিএ

  • চৌগাছায় পিকআপের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু

    চৌগাছায় পিকআপের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু

    চৌগাছা প্রতিনিধি:
    যশোরের চৌগাছায় বিচালি বোঝাই একটি ট্রলিতে পিকআপভ্যানের ধাক্কায় হাসান আলী (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত হাসান ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার দত্তনগর গ্রামের শান্তি মিয়ার ছেলে। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় চৌগাছা-মহেশপুর সড়কের টেঙ্গুরপুর মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    নিহতের চাচাতো ভাই আশরাফুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসান একটি বিচালি বোঝাই ট্রলিতে ড্রাইভারের পাশে বসে মহেশপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। তারা টেঙ্গুরপুর মোড়ে পৌঁছালে অন্য একটি পিকআপ ( কুষ্টিয়া ড-১১-০২৮৮) ট্রলিটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ড্রাইভারের পাশ থেকে পড়ে গিয়ে হাসান মারাত্মকভাবে আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
    চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রকিবুল ইসলাম জানান, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই হাসানের মৃত্যু হয়।
    চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপটি জব্দ করা হয়েছে এবং চালক নওয়াপাড়া প্রেমবাগ এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে রিয়াদ হোসেন (২৬) কে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
  • জনবল সংকটে ১৬ বারের দেশসেরা চৌগাছা মডেল হাসপাতাল

    জনবল সংকটে ১৬ বারের দেশসেরা চৌগাছা মডেল হাসপাতাল

    নিউজ ডেস্ক:
    চিকিৎসাসেবায় ১৬ বার দেশসেরা পুরস্কার পাওয়া যশোরের চৌগাছা মডেল হাসপাতালে জনবল সংকটে ধুকছে সেবা কার্যক্রম। বর্তমানে ২’শ ১০ টি পদের বিপরীতে শূণ্য রয়েছে প্রায় ১’শ টি পদ। চৌগাছা হাসপাতালে নারী, পুরুষ ও শিশু দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৫’শ থেকে ৬’শ রোগী উপস্থিত হয়। জনবল সংকটে ব্যহত হচ্ছে রোগীদের সেবা কার্যক্রম। যার ফলে মানসম্মত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা।
    হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট পদের সংখ্যা রয়েছে ২’শ ১০ টি। এর মধ্যে শূণ্য রয়েছে ১’শ টি পদ।

    এর মধ্যে চিকিৎসকের পদ রয়েছে ৩২টি। খাতা কলমে কর্মরত দেখানো হচ্ছে ১২ জন চিকিৎসককে। কিন্তু এই ১২ জনের ৩ জন দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছে। সংযুক্তিতে রয়েছেন আরও ২ জন চিকিৎসক। প্রশিক্ষণে রয়েছে ১ জন। বাকি ৬ জনের ২ জন প্রশাসনিক পদে কর্মরত। বাকি ৪ জন মেডিকেল অফিসারের মধ্যে ১ জন নাইট ডিউটি করতে হয়। নাইট ডিউটি করলে পরের দিন সেই চিকিৎসকের ডে অফ থাকে। বর্হিঃ বিভাগে রোগী দেখেন মাত্র ৩ জন চিকিৎসক। বর্তমানে মাত্র ৩ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে চলছে দেশসেরা এই মডেল হাসপাতালের বর্হিঃ বিভাগের চিকিৎসা সেবা।
    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানুল মিজান রুমি বলেন, মেডিকেল অফিসার মৃদুল কান্তি ২০১৪ সাল থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এছাড়া ২০২২ সাল থেকে মেডিকেল অফিসার সায়মা নাহিদ শান্তা এবং (অর্থপেডিক) গোলাম রসুল কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তিনি বলেন, তারা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও তাদেরকে বছরের পর বছর চৌগাছায় পদায়ন দেখানো হচ্ছে। তাদের নাম কর্তন না পর্যন্ত এই পদে নতুন চিকিৎসক পদায়ন করা সম্ভব না। স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চ পর্যায়ে বার বার চিঠি দিয়েও অনুপস্থিত থাকা চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা।
    মেডিকেল অফিসার ফারিয়া ইয়াসমিন ও শিশু কনসাল্টটেন্ট আব্দুস সামাদ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রেষনে রয়েছেন।

    শিশু বিশেষজ্ঞ ডা.আব্দুস সামাদ, মেডিকেল অফিসার রবিউল ইসলাম, ফারিয়া ইয়াসমিন আগে থেকেই যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রেষনে রয়েছেন।
    পক্ষান্তরে হাসপাতালে খাতা-কলমে অত্যন্ত জরুরি অ্যানেসথেসিয়া শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার থাকলেও বাস্তবে তারা নেই। এছাড়া ২০ জন চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে।
    এদিকে হাসপাতালটিতে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে ১’শ শয্যার কার্যক্রমের জন্য বিল্ডিং নির্মান কাজ শেষ হলেও সেবার জন্য হস্তান্তর করা হচ্ছে না।
    প্রধান সহকারী, ক্যাশিয়ার, অফিস সহকারী, এমএলএসএস, ওয়ার্ড বয় এবং আয়াসহ এসব তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদগুলোর মধ্যে ৬৩টি রয়েছে শূন্য। যেকারনে বর্তমানে জোড়াতালি দিয়ে চলছে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম।

    হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, বিগত দিনে চৌগাছা মডেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সাবেক চিকিৎসক ইমদাদুল হকের চেষ্টায় অন্তঃসত্তাদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করেন। মা ও প্রসূতিসেবায় অবদান রাখার ফলে ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এটি উপজেলা পর্যায়ে একটানা দেশসেরা হাসপাতাল হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ২০১৮ সালেও হাসপাতালটি অর্জন করে জাতীয় পুরস্কার। ২০২০ সালে স্বাস্থ্যসেবায় সারাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করে পায় ‘হেল্থ মিনিস্টার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড’। সর্বশেষ চৌগাছা মডেল হাসপাতাল ২০২২-২৩ অর্থ বছরে দেশ সেরার প্রথম পুরস্কার পায়।
    চৌগাছা উপজেলার কয়ারপাড়া আবু কালাম বুড়িন্দিয়া এলাকার সখি খাতুন সহ অনেকেই জানান, এখানে জরুরি মুহূর্তে সেবা পাওয়া কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুপুর আড়াইটার পর অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে সামান্য সমস্যায় রোগীদের ছুটতে হচ্ছে যশোর জেনারেল হাসপাতালসহ বেসরকারি বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। দেশসেরা হাসপাতালে আগের মতো চিকিৎসাসেবা নেই বলে তারা মন্তব্য করেন।
    হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানুল মিজান রুমি বলেন ‘লোকবলের শূণ্যতা পুরনের জন্য অনলাইনে সফট কপি এবং হার্ডকপি উভয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, মোট লোকবল ২১০ জন। এরমধ্যে কর্মরত রয়েছেন ১২০ জন, ফাঁকা রয়েছে ৯০ জন।’

    জানতে চাইলে যশোরের সিভিল সার্জন বলেন, চৌগাছার বিষয়টি আমার নজরে আছে। চেষ্টা চলছে লোকবল বাড়ানোর জন্য।