ক্যাটাগরি খুলনা বিভাগ

  • সবুজের বুকে সোনালী স্বপ্ন বুনছে চৌগাছা ধান চাষীরা

    সবুজের বুকে সোনালী স্বপ্ন বুনছে চৌগাছা ধান চাষীরা

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    ফসলের মাঠজুড়ে বাতাসে দুলছে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন । এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সুবাস পাচ্ছেন কৃষকরা। যশোরের চৌগাছা উপজেলার কৃষক পরিবারে এখন পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ। মাঠে মাঠে আনন্দে মাতুয়ারা সোনালী ধানের শীষ। প্রতিটি শীষে যেন কৃষকের জীবনের স্বপ্ন ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। অন্যদিকে সঠিক সময়ে বোরো ধান ঘরে তুলতে পারা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন উপজেলার চাষীরা। প্রচন্ড তাপদাহে শ্রমিক সংকটের আশঙ্কা করছেন তারা। তার পরেও মাঠে মাঠে ধান কাটার উৎসবের আমেজ। কৃষাণ-কৃষাণীরা মনে বইছে আনন্দের বন্যা।

    উপজেলা জুড়ে ধানের বাম্পার ফলনে বাধ-ভাঙ্গা আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেছে কৃষকের মন। দিগন্তজুড়া সোনালী ফসলের মনোরম দৃশ্য এখন গোটা উপজেলা জুড়ে। কোনো এলাকায় দু’একজন চাষী ধান কাটলেও এক সপ্তাহ পরে শুরু হবে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। ফসল কাটার মহোৎসবে ব্যস্ততম সময় কাটাবেন এখানকার কৃষকরা।

    প্রচন্ড তাপদাহে খুব সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে সোনালী স্বপ্ন ঘরে তোলা সংগ্রাম। উপজেলার পাশাপোল গ্রামের মমিনুর রহমান, রাকৃষ্ণপুর গ্রামের নুরুজ্জামান, কয়ারপাড়া গ্রামের আবু কালাম জানান , তারা তিন বিঘা করে বোরো ধান চাষ করেছেন। যে খরচ হয়েছে তাতে কম পক্ষে ১৭’শ টাক মন দরে ধান বিক্রি করতে পারলে তাদের জন্য ভালো হবে।
    কৃষকরা জানান, এবছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে ধান কাটা শুরু হবে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও শ্রমিক সংকটের আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।

    উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে এ বছর বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৮ হাজার ২০০ হেক্টর। চাষ হয়েছে ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে। যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৯ হাজার ২০০ টন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাব্বির হোসাইন বলেন, এবছরে ধানের আবহাওয়া ভালো। তাপে ধানের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। ইতোমধ্যে দু’একজন কৃষকরা ধান কাটতে শুরু করেছেন। উপজেলা অধিদফতরের পক্ষ থেকে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন দিয়ে রোবধান কাটা শুরু করা হবে। এতে শ্রমিক সংকট অনেকটা কমে আসবে। তা ছাড়া যেসব ক্ষেতে ধান নুয়ে পড়েছে সেসব ক্ষেতের ধান দ্রæত কাটার জন্য আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি।

  • চৌগাছা মডেল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আট মাস পরেও নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি

    চৌগাছা মডেল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আট মাস পরেও নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি

     

    চৌগাছা  প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় মডেল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আট মাস পার হলেও এখনো নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়নি। গত বছরের ১১ জুলাই তৎকালীন অন্তবর্তীকালিন সরকারের স্বরাষ্ট্র সচিব এবং বর্তমান সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়,চৌগাছা শহরে একটি মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য ২০২৩ সালের ৩১ আগষ্ট দরপত্র আহবান করে গণপূর্ত অধিদপ্তর। নির্মাণের জন্য ডিপিপি মুল্য দেওয়া হয় ১৪ কোটি ৯৯ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা। যশোর উপশহরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসআই একেজে পিসি ১৪ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে কাজটি সম্পন্ন করার জন্য ১৩ কোটি ৯৭ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকায় চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তি অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২০২৬ সালের ৩০ জুন তারিখের মধ্যে কাজটি সম্পূর্ণরুপে শেষ করে দিবে। কিন্তু চৌগাছা উপজেলা প্রশাশন ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশন দীর্ঘদিনেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে মসজিদ নির্মাণের জায়গা হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হয়। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, মসজিদ নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণে শুরু থেকেই নানা জটিলতায় পড়ে উপজেলা প্রশাসন। পরে এলাকাবাসীর জোর দাবির মুখে চৌগাছা শহরের প্রাণকেন্দ্রে সরকারি শাহাদৎ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমিতে (বর্তমান কাঁচাবাজারের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে) মসজিদ নির্মাণের জন্য ২৮ হাজার ৬’শ ৮৫ বর্গফুট জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। মসজিদের জায়গা নির্ধারণের সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ, সেক্রেটারী অধ্যাপক নুরুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারী মাস্টার কামাল আহমেদসহ উপজেলার প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় সকল পর্যায়ের গন্যমাণ্যদের নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
    মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জাঁকজমকপূর্ন ভাবে এই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। কিন্তু ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ৮ মাস পার হলে গেলেও অদৃশ্য কারনে এখন পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি।
    নির্ধারিত স্থানের দক্ষিণ ও পশ্চিম সাইডের রাস্তার পাশে ১০ ফুট জায়গা খালি রেখেই মসজিদ নির্মান কাজের স্কেচ তৈরি করা হয়। স্কুলের অব্যবহারিত বিশাল ফাকা জায়গা পড়ে থাকায় ভবিষ্যতে রাস্তা প্রশস্ততার বিয়টি আমলে নিয়ে রাস্তার পাশে জায়গা ফাঁকা রাখা হয়। রাস্তার পাশে কিছুটা জায়গা ফাঁকা থাকলে নামাজের সময় শহরে যানজটও হবেনা ।
    নির্ধারিত স্থানে মসজিদ নির্মাণের জন্য স্কুলে প্রবেশ মুখের সড়কের পাশের কিছু দোকান উচ্ছেদের প্রয়োজন দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের সিদ্ধান্তও নেয়া হয়। উপজেলা প্রশাসন মহেশপুর সড়ক ও স্কুলের প্রবেশ পথসংলগ্ন দোকানগুলো উচ্ছেদের পরিকল্পনা গ্রহণ করে এবং সেই অনুযায়ী মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
    স্কুলটির একাধিক শিক্ষক জানিয়েছেন স্কুলের জায়গার অভাব নেই। ক্ষমতার পালাবদলে নামমাত্র ভাড়া দিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালীরা স্কুলের সিংহভাগ জায়গা ভোগ দখল করছে। তারা বলেন, মসজিদটি দক্ষিণ-পশ্চিম রাস্তার পাশে ১০ ফুট জায়গা ফাঁকা রেখে নির্মাণ করলে ভালো হবে। তাতে স্কুলেরও কোনো সমস্যা হবেনা। বরং স্কুলে প্রবেশের রাস্তাটি প্রশস্ত হওয়া খুবই জরুরী। কারণ পরীক্ষার সময় এই রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়। রাস্তাটি প্রশস্ত হলে শিক্ষার্থীরা নির্বিগ্নে যাতায়াত করতে পারবে। কিন্তু কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী তাদের দখলীকৃত জায়গা না ছেড়ে নানা টালবাহানা করার কারণে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করা যাচ্ছেনা। অনেকে বলছে একজন রাজনৈতিক নেতা ঐসকল ব্যবসায়িদেরকে জায়গা না ছাড়তে ইন্ধন দিচ্ছেন।
    প্রেসক্লাব চৌগাছার সভাপতি আবু জাফরসহ বেশকয়েকজন জানিয়েছেন, রাস্তার পাশে দোকানঘর রেখে নির্মান কাজ মোটেও উচিৎ হবেনা। দোকানগুলো উঠিয়ে রাস্তার পাশে কিছুটা জায়গা ফাকা রেখে নির্মাণ কাজ শুরু করলে খুবই ভালো হবে।

    তবে অভিযোগ উঠেছে, বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দলের এক নেতার অপতৎপরতার কারণে দোকান উচ্ছেদ কার্যক্রম থেমে আছে। ওই নেতা মোটা অংকের অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে দোকানগুলো না সরিয়েই মসজিদ নির্মাণ কাজ শুরু করার জন্য জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    স্থানীয়দের মতে, দোকানগুলো অপসারণ না করে নির্মাণ কাজ শুরু করলে মসজিদের সৌন্দর্য ও পরিকল্পনা ব্যহত হবে। তারা নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশের রাস্তার পাশ ঘেঁষে নির্মাণ কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু করার চেষ্টা চলছে।

    এদিকে, সকল জটিলতা দ্রুত নিরসন করে মসজিদের নির্মাণ কাজ শিগগিরই শুরু করার জন্য উপজেলাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন।

    বি/ এ

  • চৌগাছায় হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

    চৌগাছায় হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় আনিচুর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামী আব্দুল হাদিকে (৪৫)গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে তাকে উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রাম থেকে আটক করা হয় ।

    হাদি জগন্নাথপুর গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আনিচুর রহমানকে হাদি ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা কুপিয়ে হত্যা করে। এঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে চৌগাছা থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২১ তারিখ ৩০/১০/২০২৪ ।

    দীর্ঘ তদন্ত শেষে চৌগাছা থানার এসআই সলিমুল হক আদালতে ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন এবং ৫ জনকে খালাস দেওয়ার আবেদন করেন । চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন জগন্নাথপুর গ্রামের আব্দুল হাদি , ওহিদুল ইসলাম,লেন্টু মিয়া,আমিন উদ্দিন ,কুরবান আলী ও হুজাইফা ইসলাম। আসামিদের মধ্যে সবাই আদালত থেকে জামিন নিলেও হাদি পলাতক থেকে যায় । শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে আটক করে ।

    মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সলিমুল হক হাদিকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ,আসামিকে আদালতে পাঠালে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

    বি/ এ

  • হঠাৎ ঝড়ে লন্ডভন্ড যশোরের বিভিন্ন গ্রাম, নিহত ২

    হঠাৎ ঝড়ে লন্ডভন্ড যশোরের বিভিন্ন গ্রাম, নিহত ২

    ডেস্ক নিউজ

    টানা দাবদাহে পুড়তে থাকা যশোরে হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখি ঝড়। এতে বিভিন্ন গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। টানা আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় চলা এই ঝড়ে আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন। পাশাপাশি নিহত হয়েছেন এক কৃষক।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরের পর আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে এসব গ্রামের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

    হাসপাতাল, পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে যশোরের তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। তবে বৃহস্পতিবার দুপুরের পর আকাশ কালোমেঘে গুমোট আকার ধারণ করে। কিছু সময়ের মধ্যেই শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড় ও বজ্রপাত। বৃহস্পতিবার দুপুরে মনিরামপুর উপজেলার শাহাপুর গ্রামে বাড়ি থেকে মাঠে যাচ্ছিলেন লুৎফর রহমান সরদার। এসময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। বজ্রপাতে চৌগাছার আন্দুলিয়া গ্রামের কৃষক আবু তাহেরের মৃত্যু হয়।

    একইভাবে উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের পারখাজুরা এলাকায় কালবৈশাখি ঝড় তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে। ওই এলাকাসহ ঝাঁপা, হরিহরনগর, রাজগঞ্জ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধে হয়ে পড়েছে।

    অন্যদিকে, কেশবপুরে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে বিদ্যুতের খুঁটিরও ওপর পড়েছে। ঝড়ে আহত হয়ে ৯ জন কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। যাদের মধ্যে ২ জনকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে।

    উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, ঝড়ে প্রায় ১৫০ বিঘা জমির ধান হেলে পড়েছে এবং আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

    উপজেলার মূলগ্রাম দারুল উলুম আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন জানান, এ ধরনের ঝড় অনেকদিন দেখা যায়নি। আমাদের মাদ্রাসার ছাদের উপর গাছ পড়ে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। একইসঙ্গে এলাকার কৃষকদের ধান, আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ নেই।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ফসলের ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে। বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে পড়ায় কৃষকদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত ৯ জন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা শঙ্কামুক্ত।

    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোশাররফ হোসেন জানান, ঝড়বৃষ্টিতে যশোরে তেমন ক্ষতি হয়নি। কিছু কিছু জায়গায় বোরো ধান হেলে পড়েছে; সেগুলোতে তেমন ক্ষতির আশঙ্কা দেখছি না। যশোরে ১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই বৃষ্টি ধানের জন্য আশীর্বাদ। তারপরও কোথাও ক্ষয়ক্ষতি হলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ জেনারেল ম্যানেজার হাদিউজ্জামান বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে মনিরামপুর ও কেশবপুরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৬টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙ্গে গেছে। অসংখ্য জায়গায় তারের উপর গাছ পড়ে আছে। আমাদের কর্মীরা রাতেও কাজ করছে। তবে সব জায়গায় বিদ্যুৎ লাইন সচল করা সম্ভব হবে না।

    জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা শেখ আব্দুল কাদের বলেন, বিভিন্ন জায়গায় ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে। বজ্রপাতে মনিরামপুরে একজন মারা যাওয়ার খবর আছে। কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে; সেটা নিরূপণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • মহেশপুরে বজ্রপাতে নারীর মৃত্যু

    মহেশপুরে বজ্রপাতে নারীর মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    ঝিনাইদহের মহেশপুরের বাথানগাছি গ্রামে বাড়ির পেছনে কাজ করার সময় বজ্রপাতে রোজিনা খাতুন (৩৫) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বাথানগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রোজিনা খাতুন গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

    স্বজনরা জানান, দুপুরে নিজের বাড়ির রান্নাঘরের পাশে কাজ করছিলেন রোজিনা খাতুন। এ সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতের ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পর সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মহেশপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি জিডি করা হয়েছে।

    বি / এ

     

  • শিবিরের দুই নেতাকে গুলি, ২০ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের আদেশ

    শিবিরের দুই নেতাকে গুলি, ২০ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের আদেশ

    ডেস্ক নিউজ:

    যশোরের চৌগাছায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই নেতার পায়ে গুলির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২০শে এপ্রিল দিন রেখেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেয়। বেঞ্চের অপর সদস্য হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ।

    আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য ২০ এপ্রিল দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

    এ মামলায় যশোরের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমানসহ আটজন আসামি। এর মধ্যে তিনজন গ্রেফতার আছেন। তারা হলেন- চৌগাছা থানার তৎকালীন এসআই আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল হক।

    পলাতকরা হলেন- যশোরের তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও এসআই মাজেদুল।

    প্রসিকিউশন জানায়, ২০১৬ সালে যশোরের চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিনের পায়ে গুলি করা হয়। পরে গুলি করা ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। বালু ঢোকানোর কারণে তাদের পায়ে পচন ধরে। একপর্যায়ে তাদের পা কেটে ফেলতে হয়।

    বি/ এ

  • চৌগাছায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

    চৌগাছায় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

    চৌগাছা প্রতিনিধি:
    যশোরের চৌগাছায় বজ্রপাতে আবু তাহের (৪২) নামে একজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার আন্দুলিয়া গ্রামের মাঠের একটি ধানক্ষেত থেকে তার ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত আবু তাহের আন্দুলিয়া গ্রামের  আবুল খায়েরের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    নিহতের চাচা ও মাদ্রাসা শিক্ষক বিল্লাল হুসাইন জানান, দুপুরে ঝড়-বৃষ্টির পর তাহের ধানক্ষেত দেখতে বাড়ি থেকে বের হন। কিছুক্ষণ পর আবারও বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হলে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে সন্ধ্যায় ধানক্ষেতের আইল থেকে তার ঝলসানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    সুখপুকুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হবিবুর রহমান হবি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • চৌগাছায় পরিত্যক্ত মর্টারশেল উদ্ধার

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    • উদ্ধার হওয়া মর্টারশেলটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শত্রুদের ব্যবহার করা একটি শক্তিশালী মর্টারশেল। তবে বহুকাল মাটির মধ্যে থাকায় সেটি জং ধরে নষ্ট হয়ে গেছে।’

      যশোরের চৌগাছায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি পরিত্যক্ত মর্টারশেল উদ্ধার করেছে চৌগাছা থানা পুলিশ।

      ধবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের কপোতাক্ষ ব্রিজঘাট এলাকা থেকে থেকে পরিত্যক্ত মর্টারশেলটি উদ্ধার করা হয়
    • পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রচণ্ড গরমে কয়েকজন ব্রিজের নিচে গাছের ছায়ায় বসেছিলেন। এ সময় লোহার একটি বস্তু তাদের চোখে পড়ে। পরে তারা সেটি মাটির ভেতর থেকে বের করেন। বস্তুটি মর্টারশেল বুঝতে পেরে তারা থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মর্টারশেলটি উদ্ধার করে এবং নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।

      স্থানীয় ব্যবসায়ী কান্ত সরকার বলেন, ‘আমি ব্রিজঘাট এলাকায় পারবাজারে মাটির হাঁড়ি-পাতিল বিক্রি করি। দুপুরের দিকে আমরা কয়েকজন বসে কথা বলছিলাম। হঠাৎ লোহার এই জিনিসটি আমাদের চোখে পড়ে। আমরা সেটি মাটির ভেতর থেকে বের করি। পুলিশ খবর পেয়ে সেটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।’

    • উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রুহুল আমিন বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া মর্টারশেলটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শত্রুদের ব্যবহার করা একটি শক্তিশালী মর্টারশেল। তবে বহুকাল মাটির মধ্যে থাকায় সেটি জং ধরে নষ্ট হয়ে গেছে।’

      চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আমিন শিকদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ সেটি উদ্ধার করেছে। এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শত্রুদের ব্যবহার করা একটি শক্তিশালী মর্টারশেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মাটির ভেতরে থাকায় সেটি নষ্ট হয়ে গেছে।

    • এ/ আর

  • চৌগাছায় নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি

    1. বিডি ডেস্ক নিউজ

    যশোরের চৌগাছায় ব্যবসায়ীরা ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন। ভোক্তা ও সাধারণ পর্যায়ে যার মূল্য দাঁড়ায় দুই হাজার ১০০ থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা।

    যশোরের চৌগাছায় ব্যবসায়ীরা ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন। ভোক্তা ও সাধারণ পর্যায়ে যার মূল্য দাঁড়ায় দুই হাজার ১০০ থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা।

    এক হাজার ৩৪১ টাকার সিলিন্ডার বেড়ে এক হাজার ৭২৮ টাকা হয়েছে এবং বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ২০০ টাকায়। উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ছোট-বড় ৩০টি হাট-বাজারে নির্ধারিত নতুন দামের চেয়েও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

    ক্রেতাদের অভিযোগ, এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বেশি দামে বিক্রি করছেন স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ীরা।

    রোববার (১২ এপ্রিল) উপজেলার সলুয়া, সিংহঝুলী, পাশাপোল, ধুলিয়ানী, চৌগাছা, পাতিবিলিা, হাকিমপুর, নারায়নপুর, পুড়াপাড়া, মাশিলা ও চাদপাড়া বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে জানা গেছে, অতি সম্প্রতি ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় এক হাজার ৭২৮ টাকা। গত মাসে এর দাম ছিল এক হাজার ৩৪১ টাকা। তার মানে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছিল ৩৮৭ টাকা। অর্থাৎ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৭২৮ টাকায় বিক্রির কথা ছিল।

    Oil & Gas

    তবে ভোক্তা ও খুচরা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সিলিন্ডারের কৃত্রিম সঙ্কটের অজুহাতে বেশি দাম রাখা হচ্ছে। এতে প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম সর্বোচ্চ ৮১৩ টাকা পর্যন্ত বেশি রাখা হচ্ছে।

    রোববার বিকেলে উপজেলার চৌগাছা বাজারে খুচরা এক বিক্রেতা বলেন, ‘ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। আমি প্রতি সিলিন্ডারে ৫০ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করছি।’

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরো এক খুচরা ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগে ডিলাররা ১০ থেকে ১২টি করে সিলিন্ডার দিতেন। এখন তিন থেকে চারটি সিলিন্ডার দেন। দাম সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি নেন। আমরা খুচরা ব্যবসায়ী অল্প লাভে ব্যবসা করি।’

    বাংলাদেশ ভ্রমণ গাইড

    চৌগাছা বাজারের আম্রকানন পাড়ার বাসিন্দা সাংবাদিক এম এ মান্নান বলেন, ‘ক্রেতাদের জিম্মি করে অবৈধভাবে এই গ্যাসের দাম বেশি নিচ্ছেন স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ীরা।’

    যশোর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান বলেন, ‘ভোক্তাদের একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

    চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, ‘যেকোনো ধরনের মজুতদারি ও কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। কেউ যদি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    এ/ আর

  • চৌগাছায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত

    ডেস্ক নিউজঃ

    চৌগাছা(যশোর) প্রতিনিধিঃ যশোরের চৌগাছায় আন্তর্জাতিক বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস/২০২৬ পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এ উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে ‘স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ’–এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিবসটি পালিত হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুঃ আহসানুল মিজান রুমি। আয়োজিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন আর এম ও ডাঃ সুরাইয়া পারভিন, শিশু কনসাল্টটেন্ট ডাঃ সুমাইয়া জেসমিন, ডেন্টাল কনসাল্টটেন্ট ডাঃ তানজিম সাবিহা, পরিসংখ্যানবিদ শহিদুল ইসলাম, নাসিং সুপারভাইজার ঝুমুর হালদার, মফিজুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ,প্রেসক্লাব চৌগাছার সাংবাদিক বৃন্দ।

    ১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ। একই বছরের জুন ও জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন। সেই সঙ্গে গৃহীত হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন। ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় এই আইন। একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসাবে নির্ধারিত হয় দিনটি।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৪৮ সালের ৭ই এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়, আর সেই দিনটিকেই স্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হয়।দিবসটি ঘিরে প্রতিবছর সংস্থাটি এমন একটি স্বাস্থ্য ইস্যু বেছে নেয়, যা বিশেষ করে সারা পৃথিবীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এ দিন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয় দিবসটি।

    এম কে

    ০১৭১৩৯১৮৬৫৯