ক্যাটাগরি শিক্ষা মন্ত্রনালয়

  • শিক্ষাই হবে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের সেতুবন্ধন: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষাই হবে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের সেতুবন্ধন: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাই হবে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের সেতুবন্ধন। বাংলাদেশে শিক্ষাখাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক অগ্রনী ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে চায়না–বাংলাদেশ রাউন্ড টেবিল অন গভর্ন্যান্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ বৈঠকে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার শিক্ষাসহ সব খাতের উন্নয়নে চীনসহ বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্কোন্নয়নে জোর দিচ্ছে। এছাড়া, দেশের জিডিপি’র ৫ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা করছে,যা কার্যকারিতা বিবেচনায় বিনিয়োগ করা হবে। দেশের বর্তমান প্রজন্মকে দক্ষ ও বৈশ্বিক মানের মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে চীনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা ও কারিগরি খাতে সহযোগিতা আরও জোর দিতে চায় সরকার।’

    ই দেশের সুসম্পর্ক উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এসম্পর্ক নির্মাণে জোর দিয়েছিলেন। এ সম্পর্ক আগামীর প্রত্যাশিত বাংলাদেশ নির্মাণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।’

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সরকারের সঙ্গে বহুমাত্রিক সম্পর্ক উন্নয়নের আশা প্রকাশ করেন। বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থায় দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং যেকোন পরিস্থিতিতে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, সিসিএস একাডেমিক বোর্ড চেয়ারম্যান চেন ডংশিয়াও, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মহাপরিচালক আ স ম রিদওয়ানুর রহমান সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।

    বি/ এ

  • প্রাথমিকের অর্ন্তভুক্তি হচ্ছে ইবতেদায়ি মাদরাসা: গণশিক্ষা মন্ত্রী

    প্রাথমিকের অর্ন্তভুক্তি হচ্ছে ইবতেদায়ি মাদরাসা: গণশিক্ষা মন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

     

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আগামী দিনগুলোতে ইবতেদায়ি মাদরাসা প্রাথমিকের আওতায় নিয়ে আসা হবে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীতে ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ এক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, তবে এই মুহূর্তেই আমরা এই কার্যক্রমটি শুরু করছি না কারণ হলো আমাদের নিজেদেরও গোছানোর আছে। গত কয়েক বছরে শিক্ষাব্যবস্থাকে ভঙ্গুর করে দেওয়া হয়েছে। তাই অনেক মেরামতের কাজ আছে। এই মেরামতের কাজগুলো হাতে নেওয়ার অগে আরও বড় বড় দায়িত্ব হাতে নেওয়া খুব মুশকিল।

    তিনি আরও বলেন, তাই আমরা আগে একটা একটা করে মেরামতের চেষ্টা করছি। তবে এটুকু নিশ্চিত করছি আগামী দিনগুলোতে আন্ডার টেন ইয়ার ওল্ড সব এডুকেশন আমরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনব মানে সিমিলার কারিকুলাম স্ট্যান্ডার্ড, সিমিলার স্ট্যান্ডার্ডে নিয়ে আসার কাজ করছি এবং আগামীতে এটা হবে ইনশাআল্লাহ।

    বি/ এ

  • ভূয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

    ভূয়া শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বহু বছর ধরে জাল সনদে শিক্ষকতা করে আসা শিক্ষকদের রাষ্ট্রীয় কোষাগারের নেয়া টাকা ফেরত ও আইনি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।   ৪৮৭ জাল সনদধারী শিক্ষকের কাছে প্রাথমিকভাবে তাদের লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে। কেনো এসব জাল শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না তার জবাব আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

    বুধবার এ সংক্রান্ত পৃথক চিঠি মাধ্যমিক ও শিক্ষার সব আঞ্চলিক উপপরিচালক ও সংশ্লিষ্টদের পাঠানোর হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা হতে ৪৭১ জন জাল, ভুয়া সনদধারী শিক্ষকের তালিকাসহ একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এর জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৫’ অনুসারে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো ৪৭১ (মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ এবং কারিগরি পর্যায়ের ৫ জন) জন জাল, ভুয়া সনদধারী তালিকাভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে অবহিত করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হেয়েছে।

    বি/ এ

  • ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

    ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

     

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক হাই কোর্টে আটকে আছে, ওদেরকে ‘প্রমোশন’ দিতে পারছি না। আবার ৩২ হাজার নিতে (নতুন নিয়োগ দিতে) পারছি না। এদিকে ৭৭ হাজার শিক্ষক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে নিতে হবে। কাজ চলছে।

    সোমবার (৪ মে) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন,

    তিনি আরো বলেন, আদালতে (শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাত নিয়ে) প্রায় ১৩ হাজার মামলা আটকে আছে। এই মামলার জট কীভাবে খুলব? মানে কী করা যাবে বলেন? কিছুটা সময় দেন।

    ১৮০ দিনের মধ্যে শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হয়ে যাবে আশা প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, টাইম ফ্রেইম হচ্ছে ১৮০ দিনের ভেতরে। সবগুলো দেখবেন যে শুরু হয়ে গিয়েছে। এই শুরু হওয়াটাই হচ্ছে আমাদের প্রথম ধাপ।

    গাছ একবার লাগালে ফল দিতেই থাকবে। আমরা চাচ্ছি যে শুরুতে যেন আমাদের গতিটা বেশি থাকে। আমাদের কর্ম পরিসর যেন অনেক ব্যাপক থাকে। শুরুটা যদি ভালো হয়, তারপর আমরা আস্তে আস্তে শেষের দিকে চাপমুক্ত থাকব।

    বি/ এ

  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পাচ্ছেন ২৮৯৭ শিক্ষার্থী

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পাচ্ছেন ২৮৯৭ শিক্ষার্থী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ৮৩৭ কলেজের ২ হাজার ৮৯৭ শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য মনোনীত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার (৪ মে) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ফেসবুক পোস্টে আরো জানানো হয়, গত ২৭ জানুয়ারি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

    তথ্য অনুযায়ী, ২ হাজার ৬৩৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থী, ১৪৩ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী, ৩ জন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত পরিবারের শিক্ষার্থী ও ১৫ জন অন্যান্য আবেদনকৃত শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তির জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

    বি/ এ

  • শিক্ষার আধুনিকায়নে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’

    শিক্ষার আধুনিকায়নে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’

    শিক্ষা ডেস্ক:

    মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও বৈশ্বিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে দেশের নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত একটি প্রকল্পের অধীনে নির্বাচিত ১৫০টি সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩০০টি নতুন ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বিদ্যামান ৩০০টি ক্লাসরুমের মৌলিক সংস্কার, রেকর্ডিং রুম, মিটিং রুম এবং একটি কেন্দ্রীয় ডাটা সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি) কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি চীন সরকারের আর্থিক অনুদান ও কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়ন করা হবে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ক্লাউড প্রযুক্তিনির্ভর নতুন এ প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা। প্রকল্পের কার্যক্রম আগামী ২০২৬-২৭ অর্থ বছর থেকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রাথমিক ধাপগুলো দ্রুততার সাথে শেষ করার কাজ চলমান রয়েছে।

    এ বিষয়ে মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল  বলেন, ‘দেশের মাধ্যমিক শিক্ষার আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চীন সরকার ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় চীনা অনুদানে নির্বাচিত সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ স্থাপন করতে একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা
    হয়েছে। নির্বাচিত স্কুলের ক্লাসরুমে আধুনিক, সমৃদ্ধ ও বিশ্বমানের সব ধরনের সুবিধা থাকবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী অর্থবছর থেকে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করার চিন্তা রয়েছে।’

    মাউশির প্রকল্প প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়েছে, প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি বিদ্যালয়ে দুটি করে ‘ইন্টারেক্টিভ এডুকেশন প্যানেল’ (আইইপি) সরবরাহ করা হবে। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে এই ক্লাসরুমগুলোতে থাকবে স্বয়ংক্রিয় রেকর্ডিং ব্যবস্থা। এর ফলে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পাঠদান ভিডিও আকারে সংরক্ষিত হবে; ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা তা দেখার সুযোগ পাবে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা কিউআর কোড স্ক্যান করে মুহূর্তেই ক্লাসের নোট ও কোর্সওয়্যার সংগ্রহ করতে পারবে।

    দেশের শিক্ষা খাতের ডিজিটাল বিভাজন কমিয়ে ও শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন মাউশির পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ড. মীর জাহীদা নাজনীন।

    তিনি  বলেন, ‘চীন সরকারের অনুদানে প্রস্তাবিত ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে একটি অত্যাধুনিক ডাটা সেন্টার স্থাপন করা হবে। ডাটা সেন্টারের জায়গা নির্ধারণের বিষয়ে আমরা বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলকে (বিসিসি) পত্র দিয়েছি।’

    তিনি আরও জানান, ডাটা সেন্টারের জন্য জায়গা চূড়ান্ত হলে চীন সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া যাবে। প্রকল্পটি ‘সবুজ পাতায়’ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আমরা পরিকল্পনা কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছি। আশা করছি, ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই এই প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কাজ শুরু করা যাবে।

    প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুযায়ী, প্রকল্পের অধীনে নির্বাচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩০০টি মাল্টিমিডিয়া স্মার্ট ক্লাসরুম ছাড়াও ১০টি আধুনিক রেকর্ডিং স্টুডিও এবং ৩০টি সরকারি শিক্ষা দপ্তরের জন্য বিশেষ মিটিং রুম স্থাপন করা হবে। মাউশি প্রাঙ্গণে একটি অত্যাধুনিক নেটওয়ার্কিং ও ক্লাউড বেইজড ডাটা সেন্টার স্থাপন করা হবে, যা সারা দেশের স্মার্ট শিক্ষাদান কার্যক্রমকে কেন্দ্রীয়ভাবে সংযুক্ত করবে।

    প্রকল্পের সর্বশেষ অগ্রগতি বিষয়ে মাউশি অধিদপ্তরের গবেষণা ও উদ্ভাবন শাখার গবেষণা কর্মকর্তা মো. সিফাতুল ইসলাম  বলেন, ‘প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয় শেষে এখন চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে। এরপর টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল বা টিএপিপি তৈরির কাজ শুরু করা হবে। এটি বাংলাদেশ সরকার এবং চীনা পক্ষ যৌথভাবে প্রণয়ন করবে।’

    সিফাতুল ইসলাম আরও জানান, টিএপিপি প্রণয়নের পর তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাই শেষে পরিকল্পনা কমিশনে যাবে। সেখানে পিইসি (প্রজেক্ট ইভালুয়েশন কমিটি) সভায় অনুমোদিত হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু করবে।

    এর আগে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য চীন সরকার একটি বিশেষজ্ঞ ফার্ম নিয়োগ করেছে। আর এ বিষয়ে সার্বিক তদারকি করে বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)। এ ছাড়াও মাউশি থেকে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই তদারকির জন্য একজন কন্টাক্ট পারসন মনোনীত করা হয়েছিল। একই সঙ্গে অধিদপ্তরের ইএমআইএস সেলের সাথে চীনা পর্যবেক্ষক দলের প্রাথমিক কারিগরি আলোচনা সম্পন্ন হয়।

    এদিকে, এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত ১৬ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রস্তাবিত ‘এক শ্রেণিকক্ষ, এক স্মার্ট বোর্ড এবং এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ শীর্ষক কার্যক্রম বাস্তবায়নে অনাপত্তি দেওয়া হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে বগুড়ার বেতগাড়ী মীর শাহ আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং চাঁদপুরের ওবায়দুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে হুয়াওয়ের একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি চাঁদপুর সফর করেছেন বলে জানিয়েছেন গবেষণা কর্মকর্তা মো. সিফাতুল ইসলাম।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (পরিকল্পনা) তানজিনা শাহরীন বলেন, ‘আগামী অর্থবছর অর্থাৎ জুলাই থেকেই এই প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করতে চাই। সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে।’
    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এআই ও ক্লাউড প্রযুক্তির এই সংযোজন প্রচলিত মুখস্থ নির্ভর শিক্ষার বদলে শিক্ষার্থীদের বিশ্লেষণধর্মী ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান আহরণে উৎসাহিত করবে, যা ‘আগামী বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

    বি/ এ

  • এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়।

    রুটিন অনুযায়ী, ২ জুলাই সকাল ১০টায় ‘বাংলা প্রথম পত্র’ (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে। আর শেষ হবে ৮ আগস্ট ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে।এবারের পরীক্ষা নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে।

    আবার দ্বিতীয় শিফটে বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল, রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।এদিকে ব্যবহারিক বিষয় সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।

  • আলিম পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

    আলিম পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক

    চলতি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। ২ জুলাই এ পরীক্ষা শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টায় শেষ হবে।

    শনিবার মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়।

    প্রথম দিনে কুরআন মাজিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর লিখিত পরীক্ষার শেষ দিন ৮ আগস্ট উচচ্তর গণিত ২য়পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ৯ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর বোর্ডে পাঠাতে হবে।

    পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশাবলিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট, ব্যবহারিক বিষয় সম্বলিত পরী

    ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) অংশের জন্য সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) অংশের জন্য সময় ২ ঘন্টা ৩৫ মিনিট। পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় পর্যন্ত চলবে। এমসিকিউ এবং সিকিউ উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোন বিরতি থাকবে না।

    পরীক্ষা কক্ষে প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র বিতরণ: সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ৯টায় অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ। সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ। সকাল সাড়ে ১০টায় বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ (২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ১০.২৫ মিনিট এবং ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় সাড়ে ১০টা)।

    পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ মাদরাসা প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কমপক্ষে ৭ দিন আগে সংগ্রহ করবেন। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত মূল উত্তরপত্র এবং এমসিকিউ ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোলনম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয়কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে কালো কালির বলপয়েন্ট কলম দিয়ে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনোভাবেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোন প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

    ব্যবহারিক সম্বলিত বিষয়ে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লিখিত বিষয়, বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা স্ব-স্ব কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। তবে কেন্দ্রস্থিত মাদরাসায় বিজ্ঞান বিভাগ না থাকলে বিজ্ঞান বিভাগ আছে এমন নিকটস্থ মাদরাসায় ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর (Non-Programmable) ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

    ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে ও ব্যবহার করতে পারবেন না। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যোগাযোগের প্রয়োজনে সাধারণ (নন-এনড্রয়েড) মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। তত্ত্বীয়/সৃজনশীল/বহুনির্বাচনি, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় একই স্বাক্ষরলিপি ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষার্থীর স্বাক্ষরলিপি পরীক্ষায় তার উপস্থিতির নির্ভরযোগ্য দলিল হিসাবে বিবেচিত হবে। মুজাব্বিদ মাহির বিভাগের কিরআতে তারতিল (বিষয় কোড-২৩৪) ও কিরআতে হাদর (বিষয় কোড-২৩৫) এর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বোর্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তরপত্র পুন:নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

  • প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন, গ্রেফতার ৩

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন, গ্রেফতার ৩

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়ে পুলিশ বলছে, স্টোর রুমে রাখা ল্যাপটপসহ মালামালের ক্ষতি করতে ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে’ আগুন দেওয়া হয়েছিল।

    আসমাউল ইসলাম নামে একজন পুরুষ পরিচ্ছন্নতাকর্মী বোরকা পরে সেখানে আগুন দেয়। ওই আগুন দিতে তার সঙ্গে ৫ লাখ টাকার চুক্তির তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ।

    শনিবার (২ মে) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসে পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মো. মোস্তাক সরকার এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতারসহ এসব তথ্য দেন।

    গ্রেফতার আসমাউল মাস্টাররোলে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে অধিদপ্তরে কাজ করতেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার বাকি দুজন হলেন- স্টোর ইনচার্জ জিনাত আলী বিশ্বাস ও মাস্টাররোলে স্টোর কিপার হিসেবে কর্মরত হুয়ামুন কবীর খান।

    গতকাল শুক্রবার ভোরে অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে আগুন লাগে। সেখানে ৭৩৫টি ল্যাপটপ ছিল, যেগুলো মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য রাখা হয়েছিল।

    সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ বলছে, আগুনে ১৪০টি ল্যাপটপ পুরোপুরি পুড়ে যায়। ২৯টির বেশির ভাগ অংশ এবং ৩৩টি ল্যাপটপ আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। আর ৪৫০টি ল্যাপটপ অক্ষত ছিল।

    হিসাব অনুযায়ী বাকি ৮৩টি ল্যাপটপের ‘হদিস মেলেনি’ বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    সংবাদ সম্মেলনে উপকমিশনার মোস্তাক বলেন, ‘আগুন দেওয়া’ আসমাউলের সঙ্গে সেখানে কর্মরত আরো দুইজনসহ অন্তত তিনজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।

    “স্টোররুমে রক্ষিত ল্যাপটপ ও মালামালের ক্ষতি করতে আগুন দেওয়া হয়েছিল। আগুনে প্রায় ২-৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।”

    ঘটনার পরপরই কাজ শুরুর ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে চিহ্নিত করে পুলিশ।

    মোস্তাক সরকার বলেন, “চিহ্নিত করার পর আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখি, আসলে সে প্রকৃত জড়িত কি না। নিশ্চিত হওয়ার পরে তাকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হয়।”

    এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আসমাউল তার সঙ্গে জড়িতদের আরো তিনজনের বিষয়ে তথ্য দেয়- যাদের মধ্যে দুইজনকে গ্রেফতারের কথা বলেন তিনি।

    “যে তথ্য পেয়েছি, হৃদয় নামে আরেকজন শনাক্ত হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের কার্যক্রম চলমান আছে।”

    পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, “আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। মূল যে মোটিভ এবং পরিকল্পনায় তাদের বাইরে আর কেউ আছে কি না সেগুলো বের করতে কাজ করছি। তাদেরকে হেফাজতে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করব, আশা করি মূল মোটিভ উদ্ধার করতে সক্ষম হব।”

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “তারা কিছু জিনিস বলেছে, এটা আরও যাচাই করতে হবে। অনেকগুলো বিষয় সামনে আছে। এটা একটা সরকারি ভবন, মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য ল্যাপটপগুলো রাখা ছিল, এই সময়ে কেন আগুন দেওয়া হল।

    “যে আগুন দিয়েছে সে ওখানেই চাকরি করে। অন্যান্য যারা আছে, তাদের উদ্দেশ্য কী? জানতে পেরেছি, যে আগুন দিয়েছে তাকে আর্থিক প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল। ৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল এ কাজটা করে দেওয়ার জন্য। এরমধ্যে নগদ ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে সে বিভিন্ন জিনিস কিনেছে। এ তথ্যগুলো আছে, জিনিসগুলো উদ্ধারসহ অন্যান্য কাজগুলো করতে একটু সময় লাগবে।”

    তার ভাষ্য, “যেহেতু তদন্ত চলমান, সবগুলো বিষয় খোলাসা করে বলা যাবে না। তাতে তদন্তকাজ বাধাগ্রস্থ হতে পারে।”

    ৮৩টি ল্যাপটপের হদিস না মিললেও সিসিটিভি ভিডিয়োতে সেখান থেকে কোনোকিছু সরানোর প্রমাণ পায়নি পুলিশ।

    কার সঙ্গে ৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আপাতত জানতে পেরেছি এ বিষয়ে তাদের নিজেদের মধ্যেই কথাবার্তা হয়েছে।

    বি / এ

  • তরুণ প্রজন্মই নতুন বিশ্ব দেখাবে; শিক্ষামন্ত্রী

    তরুণ প্রজন্মই নতুন বিশ্ব দেখাবে; শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমরা চাই বছরজুড়ে আমাদের ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা ও পড়ালেখায় ব্যস্ত থাকুক। এর ফলে তাদের মেধা ও মননের সংস্কার হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নতুন জাতি হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে আমাদেরকে তুলে ধরবে এই বিশ্বাস আমাদের রয়েছে।

    শনিবার (২ মে) বিকেলে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নতুন কুঁড়ির মাধ্যমে এভাবে সারা দেশে অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন। সেখান থেকে অনেক প্রতিভা বের হয়ে আসছিল। তারই জ্যেষ্ঠপুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে মেধাবীদের খুঁজে বের করছেন। বিশ্বের খেলাধুলার ন্যায্য হিস্যা আমরা পাইনি। সে জায়গায় যেন আগামী দিনে আমাদের হিস্যা বুঝে পাই, আমাদের সন্তানেরা যাতে বিশ্বের মানের খেলাধুলায় অংশ নিতে পারে, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে তিনি এই অনুষ্ঠান শুরু করেছেন।তিনি বলেন, আমরা দেখেছি বিগত দিনে সামাজিকভাবে আমাদের তরুণ প্রজন্মের অবক্ষয় ঘটেছিল। তারা মাদকাসক্ত হয়েছিল। ফ্যাসিস্ট সরকার এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন আনন্দের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা

    অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) নাজমুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান ও চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মমিনুল হক।

    বক্তব্য শেষে মন্ত্রী বেলুন উড়িয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বি / এ