ক্যাটাগরি শিক্ষা মন্ত্রনালয়

  • প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন : তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন : তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    শুক্রবার (১ মে) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবকে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। ঘটনাটির পেছনে কোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ঘটনাটি দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন মন্ত্রী।

    এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহিনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।

    বি/ এ

  • দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি

    দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুরে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ তুলা গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও বীজ বর্ধন খামারটি একসময় ছিল সম্ভাবনার প্রতীক। তবে বর্তমানে জনবল সংকট, অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘদিনের অবহেলায় খামারটির কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশাল এই খামারের অব্যবহৃত জায়গা কাজে লাগিয়ে এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।
    এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দাবি তুলেছেন সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ। তিনি খামারটির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে বলেন, এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করলে অব্যবহৃত সম্পদ কাজে লাগানো সম্ভব হবে এবং দেশের কৃষি শিক্ষায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
    ১৯৮০ সালের ১৯ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান র খামারটির উদ্বোধন করেন। বাংলাদেশ সরকার ও তৎকালীন ইউরোপীয় অর্থনৈতিক স¤প্রদায়ের (ইইসি) আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত এই খামারটির মোট আয়তন ৬৩ দশমিক ৭০ হেক্টর (প্রায় ১৫৭ একর)। এর মধ্যে গবেষণা, বীজ উৎপাদন, বিভিন্ন ফসল চাষ, বাগান, পুকুর, রাস্তা ও অবকাঠামোসহ নানা কাজে জমি ব্যবহার করা হলেও প্রায় ১৪ দশমিক ৭২ হেক্টর জমি বর্তমানে অব্যবহৃত পড়ে রয়েছে।
    খামারটিতে প্রজনন, কৃষিত্বত্ত¡, কীটতত্ব, মৃত্তিকা ও রোগতত্ব এই পাঁচটি ডিসিপ্লিনের আওতায় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। পাশাপাশি রয়েছে আবাসিক সুবিধাসহ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে একসঙ্গে প্রায় ১২০ জনকে থাকা-খাওয়া ও প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করেই সহজেই একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব।
    খামারের পাশেই অবস্থিত চৌগাছার মর্জেদ বাওড়, যা মৎস্য গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এছাড়া খামারের পতিত জমিতে গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি বিষয়ক গবেষণাও চালানো যেতে পারে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।
    চৌগাছার সিনিয়র সাংবাদিক রহিদুল খান বলেন, যশোর একটি উন্মুক্ত কৃষি উৎপাদন এলাকা, যেখানে সারা বছর বিভিন্ন প্রজাতির ফসল উৎপাদন সম্ভব। প্রাকৃতিক দুর্যোগ তুলনামূলক কম হওয়ায় কৃষি গবেষণা ও শিক্ষার জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান। তার মতে, জগদীশপুর তুলা খামারেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে সরকারের ব্যয় কম হবে এবং বিদ্যমান অবকাঠামো সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করা যাবে।
    খামারের ব্যবস্থাপক কর্টন এগ্রোনোমিস্ট যোবায়ের ইসলাম তালকদার বলেন, এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ হবে।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসাব্বিন হুসাইনও একই মত পোষণ করে জানান, যশোর অঞ্চলের মাটি সব ধরনের ফসল উৎপাদনের উপযোগী হওয়ায় এই এলাকায় কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার বিস্তর সম্ভাবনা রয়েছে।

  • এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর খবর গুজব শিক্ষামন্ত্রী

    এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর খবর গুজব শিক্ষামন্ত্রী

    ডেস্ক নিউজ : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে অনেক খবর ছড়ানো হচ্ছে। বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    মঙ্গলবার ( ৭ এপ্রিল) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষ্যে বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ ভয়ে এমন গুজব ছড়াচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই রুটিন আগের সরকার নির্ধারণ করেছে এবং প্রশ্নপত্রও ইতোমধ্যে মুদ্রণ সম্পন্ন হয়েছে।

    তিনি বলেন, শিক্ষকদের সাত হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বিগত সরকার। এই বিশাল অঙ্কের টাকা আসতে সামনের বাজেট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

    ‎এহছানুল হক মিলন বলেন, বিগত দিনে বিএনপি সরকার এনটিআরসি গঠন করেছিল। কিন্তু বিগত সরকার এটিকে দুর্নীতির আখড়া করে রেখেছিল। বর্তমানে এনটিআরসির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হবে।

    আর আই খান

     

  • তজুমদ্দিনে ক ভবন উদ্বোধন

    তজুমদ্দিনে ক ভবন উদ্বোধন

    ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় শম্ভু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উর্ধমুখি একাডেমিক ভবনের  উদ্বোধন করা হয়েছে।

    শনিবার দুপুরে উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নে ভবনটির উদ্বোধন করা হয়। এসময় তিনি বিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারও উদ্বোধন করেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধান অতিথি হিসেবে ভবনটি উদ্বোধন করেন।

    এসময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামালউদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্যরা  উপস্থিত ছিলেন।
    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘সেসিপ’ প্রকল্পের আওতায় একতলা ভবনটির উপর দ্বিতীয় ও তৃতীয়তলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।

  • রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    রাঙ্গামাটিতে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ

    হরতালের কারণে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের পর কোটাবিরোধী ঐক্য জোট তাদের ডাকা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুর ২টার পর জোট এই ঘোষণা দেয়।

    সংগঠনের অন্যতম নেতা নুরুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। আমাদের ছয় দফা দাবির বিষয়ে জেলা পরিষদ শনিবারের মধ্যে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আমরা আশা করছি। তাই দুপুর ২টা থেকে হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছি।

    জানা গেছে, হরতালকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগামীকালের (শুক্রবার) নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা পরিষদ। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো একই পরীক্ষা স্থগিত হলো। এর আগে ২০২২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালের ২১ মে এবং ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।

    বুধবার দুপুরে কোটাবিরোধী ঐক্যজোট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ৩৬ ঘণ্টার হরতালের ডাক দিলে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হরতালের সমর্থনে শহরের বিভিন্ন স্থানে পিকেটিং করে সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দুপুর ১টায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার নিরাপত্তা বিবেচনায় পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেন।

    কাজল তালুকদার বলেন, পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে আসা-যাওয়া ও সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই আগামীকালের পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অপরদিকে কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের নেতারা অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটা নীতিমালা অনুসরণ করার পরিবর্তে জেলা পরিষদ ৭০ শতাংশ পাহাড়ি ও ৩০ শতাংশ বাঙালি কোটা মেনে নিয়োগ দিতে চাইছে, যা তারা ‘চরম বৈষম্য’ বলে দাবি করেন। পরীক্ষা স্থগিতের পর আলোচনার ভিত্তিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানায় সংগঠনটি।
  • বছরের শুরুতেই পাঠ্যবই দিতে চায় এনসিটিবি

    বছরের শুরুতেই পাঠ্যবই দিতে চায় এনসিটিবি

    ডেস্ক নিউজ:

    সব ধরনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে চায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি। এ লক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বৃহস্পতিবার সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুজ্জামানের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নির্দিষ্ট সময়ে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানোর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে। পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও বিতরণের প্রতিটি পর্যায়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে এনসিটিবি নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মুদ্রণ ও বাঁধাই করে শিক্ষার্থীদের নিকট বিতরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এনসিটিবি কাজ করছে। পাঠ্যপুস্তকের গুণগত মান নিশ্চিতে এনসিটিবি’র নিজস্ব পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিশেষ মনিটরিং টিম মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করছে এবং প্রেস মালিকগণের সাথে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে।

    এতে বলা হয়, শিক্ষাবর্ষের শুরুতে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে সম্প্রতি এনসিটিবির অডিটোরিয়ামে শিক্ষা উপদেষ্টা মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকগণের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় সম্মানিত মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকরা কতিপয় সমস্যার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে সেগুলো সমাধান এবং প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা হলে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহ আরও গতিশীল হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সাথে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকদের মতবিনিময় সভায় আলোচিত সমস্যাগুলো নিরসনের উদ্দেশ্যে গত মঙ্গলবার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিভাগীয় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এক হাজারেরও বেশি কর্মকর্তার সাথে শিক্ষা উপদেষ্টা ভার্চুয়ালি সভার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সরকারি-বেসরকারি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ নেন।

    সভায় বিগত মতবিনিময় সভায় আলোচিত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের গৃহীত উদ্যোগ ও অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এরই মধ্যে সরবরাহকৃত পাঠ্যপুস্তকের বিল দ্রুত পরিশোধের বিষয়ে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান স্বত্বাধিকারীদেরকে আশ্বস্ত করা হয়। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বই পরিবহন ও সংরক্ষণে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং এ উদ্যোগে স্থানীয় প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করা, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও মাঠ পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক গ্রহণের ব্যবস্থা করা, মাঠ পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক প্রেরণের পূর্বে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের বই গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণকে অবহিত ক

    প্রয়োজনীয় স্থানসংকুলানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান স্বত্বাধিকারীরাও শিক্ষাবর্ষের শুরুতে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। সব অংশীজনের সমন্বিত সহযোগিতায় নির্ধারিত সময়ে দেশের সকল শিক্ষার্থীর হাতে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলেও আশ প্রকাশ করেছে এনসিটিবি।
    সুত্র: কালবেলা
    বি/এ

  • ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর

    ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের জন্য সুখবর

    ডেস্ক নিউজ:

    ৬ষ্ঠ নিয়োগ সুপারিশে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও প্রতিষ্ঠানের ভুল চাহিদা ও কারিগরি জটিলতার কারণে যোগদান করতে পারেননি কিছু সংখ্যক প্রার্থী। এই প্রার্থীদের একটি অংশ দ্রুত অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে প্রতিস্থাপনের দাবি জানিয়েছিলেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবার প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে এনটিআরসিএ। বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির আগেই এদের প্রতিস্থাপন করা হবে।

    সূত্র জানায়, ভুল চাহিদায় ৪০০টির বেশি আবেদন জমা পড়লেও প্রতিস্থাপনের জন্য ৩২০টি আবেদন চূড়ান্ত বাছাই করা হয়েছে। এই প্রার্থীদের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির আগেই প্রতিস্থাপন করা হবে।

    এর আগে বিষয়ে এনটিআরসিএর একজন কর্মকর্তা বলেন, ভুল চাহিদায় যারা সুপারিশ পেয়েছেন তাদের আবেদন জমা পড়েছে। তাদেরকে কীভাবে প্রতিস্থাপন করা যায় সে বিষয়ে এনটিআরসিএ কাজ করে যাচ্ছে।

    অপরদিকে প্রার্থীরা দাবি জানিয়ে আসছিলেন, তারা ৬ষ্ঠ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও প্রতিষ্ঠানের ভুল চাহিদা, প্যাটার্নজনিত সমস্যা, নন-এমপিও পদে বা বিষয়ভিত্তিক অসামঞ্জস্যের কারণে যোগদান করতে পারেননি। ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে ভুগছেন।

    এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বরাবর দেয়া এক স্মারকলিপিতে তারা বলেছিলেন হয়, ৬ষ্ঠ নিয়োগ সপারিশ বিজ্ঞপ্তি-সুপারিশকৃত বিষয়ে কোনো শূন্যপদ নেই বা ২০২৬-২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে পদশূন্য হবে, আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জনবল কাঠামো বা আমাদের সুপারিশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে পারিনি। আমাদের মধ্যে কেউ এমন প্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে যেখানে প্যাটার্ন জনিত সমস্যার কারণে যোগদান করতে পারিনি, কেউ আবার নন এমপিও পদে, আবার কেউ জেনারেল থেকে টেকনিক্যাল এ সপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি।প্রার্থীদের অন্যান্য দাবিগুলো ছিলো: ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত সবাইকে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিস্থাপনের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের নভেম্বরের মধ্যেই প্রতিস্থাপন নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। নতুন যে প্রতিষ্ঠানে প্রতিস্থাপন করা হবে সেসব প্রতিষ্ঠানের শূন্যপদগুলো যথপোযুক্ত যাচাই বাছাই করে নির্ভুল পদে সুপারিশ করার অনুরোধ করছি। আমাদের নিজ উপজেলায়-জেলায় প্রতিস্থাপন করার অনুরোধ করছি।
    বি/এ

  • প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু

    প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে আবেদন শুরু

    শিক্ষা ডেস্ক:
    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাপে যাদের ছয় বিভাগ থেকে বেছে নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের জন্য ১০ হাজার ২১৯টি সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন, যা চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এজন্য ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে টেলিটকের ওয়েবসাইটে (http://dpe.teletalk.com.bd)। সেখানে থাকা নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    সহকারী শিক্ষকের এসব পদে বেতন হবে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের ত্রয়োদশ গ্রেডে। এসব পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪ স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ২৫ ও ৫ স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ৮) স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।

    তবে শিক্ষা জীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।

  • দীর্ঘ আন্দোলনে বিজয় বেসরকারি শিক্ষকরা

    দীর্ঘ আন্দোলনে বিজয় বেসরকারি শিক্ষকরা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বৈশ্বিক মানদণ্ডে বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধায় অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষক সমাজ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। সরকারি শিক্ষকদের তুলনায় দীর্ঘদিন ধরে তারা বৈষম্যের শিকার। ২০১৫ সালের অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলের পর সেই বৈষম্য আরও প্রকট হয়ে ওঠে। এরপর শিক্ষকরা চার দফায় আন্দোলনে নামলেও প্রতিবারই রাজনৈতিক রং লাগার কারণে দাবিগুলো পূরণ হয়নি।

    তবে টানা দেড় দশকের লড়াইয়ের পর প্রথমবারের মতো আংশিক সাফল্যের মুখ দেখেছেন তারা। তাদের ভাষ্য, এটি শুধু বেতন-ভাতার সাফল্য নয়, বরং শিক্ষক মর্যাদা পুনরুদ্ধারের প্রাথমিক বিজয়। তাদের পরবর্তী লক্ষ্য জাতীয়করণের আন্দোলন।

    শিক্ষক নেতাদের মতে, আগের সব আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ ছিল সরকারপন্থি শিক্ষকদের বিরোধিতা। কখনো ভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাপ লাগিয়ে আন্দোলন ভিন্ন খাতে নেওয়া হয়। এবারও একটি রাজনৈতিক দলের শিক্ষক সংগঠন বিরোধিতা করলেও আন্দোলনে রাজনৈতিক রং লাগেনি, ফলে সাফল্য এসেছে।

    তারা জানান, আন্দোলনের শুরু থেকেই জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, ডাকসুর সাবেক ভিপি, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল একাত্মতা প্রকাশ করে। শেষদিকে বিএনপির প্রকাশ্য সমর্থনে সরকার চাপের মুখে পড়ে এবং শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া ভাতা দুই ধাপে ১৫ শতাংশে উন্নীত করে।

    শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষা জাতীয়করণের জন্য প্রথম বড় আন্দোলন শুরু হয় ২০১৩ সালে। তখন শিক্ষকরা ঢাকায় টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তবে সরকার পতনের আন্দোলন হিসেবে প্রচার করে পুলিশ লাঠিচার্জ করে আন্দোলনটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে টানা ১১ দিন অবস্থান ধর্মঘট চালিয়েও একই পরিণতি হয়।

    ২০২৩ সালের জুলাইয়ে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘস্থায়ী শিক্ষক আন্দোলন হয়। বাংলাদেশ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) ও অন্যান্য সংগঠনের আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে টানা ১৭ দিন চলা এই আন্দোলনের সময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি নানা মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে শিক্ষক নেতা কাওসার আলীকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তুলে নিয়ে যান। পরে শিক্ষক সমাজের চাপে তাকে ফেরত দেওয়া হলেও, পরবর্তী সময়ে তার এমপিও স্থগিত করা হয় এবং তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

    এ প্রসঙ্গে কাওসার আলী বলেন, ‘আমাদের সেই আন্দোলনেরই ফসল এবার পেয়েছেন শিক্ষকরা। তখন আমাকে যে পরিমাণ হয়রানি করা হয়েছে, তা বলে শেষ করা যাবে না। সরকারের চেয়ে বেশি দোষী ছিলেন সরকারপন্থি শিক্ষকরা। তাদের বিরোধিতার কারণেই আগের বড় বড় আন্দোলন সফল হয়নি।’

    চলমান আন্দোলনে ১১ দিন কর্মসূচি পালনের পর সরকার বাড়ি ভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার ঘোষণা দেয়। আন্দোলনের শুরু থেকেই একটি বড় রাজনৈতিক দলের শিক্ষক সংগঠন এর বিরোধিতা করে। তারা আন্দোলনকারীদের আওয়ামী লীগ ও জামায়াতপন্থি হিসেবে আখ্যা দেয়। ১৬ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে সেলিম ভূঁইয়া বলেন, ‘রাজপথে যারা কর্মসূচি পালন করছেন তারা শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছেন। তাদের নেতা একজন আওয়ামী দোসর, তার প্রমাণ রয়েছে।’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘আন্দোলনকারীরা আওয়ামী লীগের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে।’

    বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি আন্দোলনের বিরোধিতা করিনি। আমরা বলেছি, ১৫ শতাংশ নয়, আমরা জাতীয়করণের পক্ষে। যারা খুচরা দাবি নিয়ে আন্দোলন করছেন তারা আওয়ামী লীগ-জামায়াতের হয়ে মাঠে নেমেছেন।’ তবে তার এমন বক্তব্যের পর অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী তাকে দল থেকে অব্যাহতির দাবি জানান।

    আন্দোলনের সার্বিক দিক নিয়ে দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘সরকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আমাদের পাশে ছিল, তাই আমরা সফল হয়েছি। বিএনপিপন্থি শিক্ষক সংগঠনগুলোর বিরোধিতা দুঃখজনক। অতীতেও তাদের বিরোধিতার কারণে অনেক আন্দোলন সফলতার দ্বারপ্রান্তে গিয়েও ব্যর্থ হয়েছে।’

    টানা আন্দোলনের মুখে সরকার বাড়ি ভাড়া ভাতা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সুবিধাটি দুই ধাপে কার্যকর হবে। শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার ও আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের পর অর্থ মন্ত্রণালয় ছয় শর্তে সম্মতিপত্র জারি করে।

    সম্মতিপত্র অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের ৭.৫ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। দ্বিতীয় ধাপে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আরও ৭.৫ শতাংশ বাড়িয়ে মোট ১৫ শতাংশ করা হবে। সরকারের এমন ঘোষণায় শিক্ষকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং আন্দোলন স্থগিত করে শ্রেণিকক্ষে ফেরার ঘোষণা দেন শিক্ষক নেতা দেলোয়ার হোসেন আজিজী।

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘তাদের দাবি যৌক্তিক হলেও দেশের অর্থনীতি এখনই ২০ শতাংশ ভাড়া ভাতা দেওয়ার অবস্থায় নেই। তাই সরকার বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ তিনি সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষকরা নবউদ্যমে শিক্ষাদানে ফিরে যাবেন।

    শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি শিক্ষা খাতের জন্য ঐতিহাসিক অর্জন। শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য পাওনা পেয়েছেন। আমরা জানি, তারা আরও বেশি পাওয়ার যোগ্য।’ তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা ও অন্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

  • আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন ৬ শিক্ষক

    আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন ৬ শিক্ষক

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়াসহ তিন দাবিতে অনশন করছেন এমপিওভুক্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। অনশনে এরইমধ্যে ছয়জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আদনান হাবিবুর রহমান এ তথ্য জানান। এরআগে, সোমবার চারজনের অসুস্থ হওয়ার খবর জানান এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সভাপতি এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসাইন আজিজী।

    ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, ১৫০০ টাকা মেডিকেল ভাতা এবং কর্মচারীদের জন্য ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতার প্রজ্ঞাপনের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন শিক্ষকরা। টানা কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার শিক্ষা ভবন অভিমুখে শিক্ষকরা থালা-বাটি নিয়ে ভুখা মিছিল করেন।

    অন্যদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয় এই সম্মতি দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।

    এদিকে, দাবি আদায়ে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মুখে কালো কাপড় বেঁধে শিক্ষকরা শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন বলে সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ঘোষণা দেওয়া হয়।