ক্যাটাগরি জাতীয় সংবাদ

  • বগুড়ায় সারজিসের সভাস্থল চত্বরে ককটেল হামলা

    বগুড়ায় সারজিসের সভাস্থল চত্বরে ককটেল হামলা

    বিডিনিউজ ডেস্ক :

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের সভাস্থল চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে সারজিস আলম বগুড়ায় এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধন করেন। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন এনসিপি নেতৃবৃন্দ ও জেলা পুলিশ।

    সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে বগুড়া শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের কিছু পরেই বিকাল সাড়ে ৪টায় পুলিশি পাহারায় সারজিস আলম পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে এনসিপির কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতৃবৃন্দ।

    বগুড়া জেলা এনসিপি নেতা সৈকত হাসান বলেন, সারজিস আলম বগুড়া জেলার কার্যালয় উদ্বোধন শেষে জেলা পরিষদ হলরুমে সমন্বয় সভায় অংশ নিয়েছিলেন। সভা চলাকালীন সময়ে জেলা পরিষদ চত্বরে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। অপর একটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করেছে। এতে করে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলে।

    জেলা পরিষদ থেকে যাওয়ার পূর্বে সারজিস আলম গণমাধ্যমকর্মীদের আক্ষেপ করে বলেন, পুলিশের ভূমিকা আরো দায়িত্বশীল হওয়ার দরকার ছিল। রক্তের উপর দাঁড়িয়ে আমরা যাদেরকে অন্তবর্তী সরকারে বসিয়েছি তারা আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নমনীয়ভাবে দেশ চালাচ্ছে এতে জুলাই স্পিড থেকে অনেক দূরে।তিনি বলেন বিমানবন্দরসহ বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

    এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বাসির জানান, পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এই ঘটনার সাথে যারাই জড়িত থাকুক তাদেরকে অতিদ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    আরমানিটোলা থেকে জাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

    বিডি নিউজ ডেস্ক :

    পুরান ঢাকার আরমানিটোলার পানির পাম্প গলিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৫ তম ব্যাচের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য জুবায়েদ হোসাইনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    রোববার সন্ধ্যার দিকে টিউশনিতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা লাশটি দেখে পুলিশকে খবর দেন।

    মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, জুবায়েদ হোসাইন ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। ওইখানে তার টিউশনের বাসা ছিল। এখনো মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আমরা তদন্ত করছি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, ঘটনা শোনামাত্রই আমি সেখানে গিয়েছি। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি। তারা সেটি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছেন

  • চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি পুশব্যাক

    চৌগাছা সীমান্ত দিয়ে নারী-শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি পুশব্যাক

     

    চৌগাছা  প্রতিনিধি:

    যশোরের চৌগাছা উপজেলার মাশিলা সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ নয় বাংলাদেশিকে পুশব্যাক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে ভারতের বয়রা বিএসএফ ও বাংলাদেশের মাশিলা বিজিবি ক্যাম্পের মধ্যে পতাকা বৈঠকের পর তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

    পুশব্যাক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ফুড়িয়াখালি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক খান (৪৭), তার স্ত্রী খাজিদা আক্তার (৩৫) ও ছেলে মাস্টার আব্দুল্লাহ খান (৮), সিলেট সদর উপজেলার ইয়াসমিন খাতুন (৩০), গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার রাজিয়া বেগম (৩০), ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কাজল লিপি (৪৫), দিনাজপুরের বিরল উপজেলার লিটন খান (২৪), বোচাগঞ্জ উপজেলার সুনিল টুডু (২৬) ও জাহাঙ্গীর হোসেন (২২)।

    ৪৯ মাশিলা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফরিদ উদ্দিন বলেন, ভারতের বহেরা সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ বিকেলে নয়জন বাংলাদেশিকে হস্তান্তর করে। পরে তাদের চৌগাছা থানা হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

    পুশব্যাক হওয়া আব্দুর রাজ্জাক খান জানান, তারা কেউ ভারতের গোয়ায়, কেউ হরিয়ানায় ও কেউ উত্তরখণ্ডে কাজ করতেন। সেখান থেকে বিএসএফ তাদের আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায় এবং পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়।

    চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, সন্ধ্যায় নয়জন বাংলাদেশিকে পুশব্যাকের মাধ্যমে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • পদ্মায় ইলিশ ধরায় ৯ জে‌লে গ্রেপ্তার

    পদ্মায় ইলিশ ধরায় ৯ জে‌লে গ্রেপ্তার

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ৯ জেলেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

    মঙ্গলবার (০৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    এ সময় পদ্মা নদীর কলাবাগান এলাকা থেকে ৬ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও আনুমানিক ১০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়। পরে ইলিশ স্থানীয় দৌলতদিয়া খানকা শরিফের এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় পদ্মা নদীতে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছি। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ জেলেকে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন মতে ২টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আদালত পাঠানো হয়েছে। সেই সাথে উদ্ধাকৃত জালগুলো আলামত হিসেবে রাখা হয়েছে।

     

  • নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও পদ্মার চরে ইলিশের বাজার

    নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও পদ্মার চরে ইলিশের বাজার

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলমান থাকলেও ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মা নদীর চরে বসছে ইলিশের অস্থায়ী বাজার। নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে প্রশাসনের দুর্বলতা ও নজরদারির অভাবে প্রতিদিনই এ বাজার থেকে পাচার হচ্ছে বিপুল মা ইলিশ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের মুন্সীরচরের মোল্লা কান্দিঘাট এলাকায় প্রতিদিন ভোর ও সন্ধ্যায় বসছে এ অবৈধ মাছের হাট। বাজারটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী বলে পরিচিত আক্কাস ও কুদ্দুস নামের দুই ব্যক্তি।

    জেলেরা নিষিদ্ধ সময়ে মাছ শিকার করে তা এই বাজারে এনে বিক্রি করেন, এবং পরে চোরাই পথে ইলিশ সরবরাহ করা হয় জেলার বিভিন্ন স্থানে, এমনকি পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর জেলার শিবচরের কাজীরসুরা চর এলাকাতেও।

    অভিযুক্ত কুদ্দুসের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ক্রেতা পরিচয়ে আক্কাসের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করে সাংবাদিক। সাংবাদিককে জানান জানান, ১০-২০ কেজি ইলিশ দেওয়া যাবে। মাছ নিতে চাইলে মোল্লাকান্দি ঘাটে আসতে হবে। প্রশাসনিক তৎপরতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই এলাকায় প্রশাসন আসে না। এখান থেকে মাছ নিতে কোনো ঝুঁকি নেই।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই নিষেধাজ্ঞার সময় এ ধরনের অবৈধ বাজার বসে আসছে। প্রতিদিন ভোর ও সন্ধ্যায় এই বাজারে চলে ইলিশ বেচাকেনা। বাইক ও নৌকায় করে গোপনে এসব মাছ পাচার করা হচ্ছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

    এ প্রসঙ্গে সদরপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় নৌযানও নেই। উপরন্তু, অঞ্চলটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া সেখানে কার্যকর অভিযান চালানো সম্ভব নয়। আমরা শিগগির প্রশাসনের সহায়তায় অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

     

  • সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

    সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রকাশিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেওয়া ১ হাজার ৬৬৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৮ জন। তাঁদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬৯৬ জন। শতকরা পাসের হার ৯৯ দশমিক ৭০।

    কলেজের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ ২০১২ সাল থেকে টানা তিন বছর ঢাকা বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। ২০১৫ সাল থেকে বোর্ড কর্তৃক সেরাদের তালিকায় না হলেও নিজেদের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখেছে।

    এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৬৬৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ৫ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৬৯৬ জন। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১ হাজার ১৪১ জন অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৮০ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ জন। ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ১৮৩ জন অংশ নিয়ে জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪৩ জন, অকৃতকার্য হয়েছেন ২ জন। মানবিক শাখা থেকে ৩৩৪ জন অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭৩ জন।

    কলেজের অধ্যক্ষ হেরেম উল্লাহ আহসান বলেন, ‘আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। আমাদের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লার সরাসরি নির্দেশনায় নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ ক্লাস, হোম ভিজিট, টিউটেরিয়াল, মাসিক পরীক্ষা, গাইড টিচারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানসহ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে কখনো এমন ফলাফল হয়নি। এবারের ঘাটতিগুলোয় গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে পূর্বের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ফিরব ইনশা আল্লাহ।’

  • আলীকদমে মাইন বিস্ফোরণ

    আলীকদমে মাইন বিস্ফোরণ

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা সীমান্তের শূন্যরেখায় মাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি আহত এবং মিয়ানমারের এক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় পোয়ামুহুরী সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হটাওমগপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    আহত বাংলাদেশি যুবকের নাম ম্যাংসার মোরং (৩০)। তিনি আলীকদমের কুরুকপাতা ইউপির গর্জনপাড়া এলাকার শাংওয়ান মোরংয়ের ছেলে। অপরদিকে নিহত মিয়ানমারের নাগরিকের নাম মেনথ্যাং (৪০)। তিনি দেশটির নতুন পাড়া এলাকার তাংলাইয়ের ছেলে বলে জানা যায়।

    স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, জুম খেত দেখতে যাওয়ার সময় আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা স্থল মাইন বিস্ফোরণের কবলে পড়েন তারা। এতে ঘটনাস্থলে থেকে আহত অবস্থায় বাংলাদেশি যুবক ম্যাংসার মোরং ফিরতে পারলেও ঘটনাস্থলেই নিহত হন মিয়ানমারের নাগরিক মেনথ্যাং। ঘটনাটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে হটাওমগপাড়া এলাকায় ঘটেছে।

    কুরুকপাতা ইউপি চেয়ারম্যান ক্রাতপুং ম্রো জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকায় হওয়ায় সেখানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

  • খাগড়াছড়িতে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ২

    খাগড়াছড়িতে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ২

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    খাগড়াছড়িতে যাত্রীবাহী বাস উল্টে গিয়ে দুইজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৩ জন। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাকা-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক সড়কের সাপমারা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, বাসটির সুপারভাইজার চৌধুরীপাড়া এলাকার বিন্দু চাকমার ছে‌লে অ‌নিল চাকমা (৩২) ও দী‌ঘিনালা কোবাখালী মুস‌লিমপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল ক‌রিমের ছেলে আবদুর রাজ্জাক সওদাগর (৭২) ।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালের দিকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী শান্তি পরিবহনের একটি বাস সাপমারা এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ চেকপোস্টর পর পাহাড় নামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৭ জনকে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে পাঠায়।সহকারী পুলিশ সুপার কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে তাদের মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান আছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে হেফাজতে আনা হয়েছে।

  • কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কেন্দ্র

    কক্সবাজার হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কেন্দ্র

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    কক্সবাজারের উন্নয়ন কেবল জাতীয় ইস্যু নয়, এটি এখন বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিতের অংশ, বঙ্গোপসাগরের অর্থনীতি ও আঞ্চলিক রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

    কক্সবাজারের পর্যটন, নিরাপত্তা, পরিবেশ, শিক্ষা ও অবকাঠামো—এই পাঁচ স্তম্ভেই টেকসই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল।

    আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ‘কক্সবাজারের উন্নয়নযাত্রার জোয়ার ভাটা: সমস্যা, সম্ভাবনা ও বৈশ্বিক পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এই অভিমত তুলে ধরেন।

    কক্সবাজার কমিউনিটি অ্যালায়েন্স (সিসিএডি) এ সংলাপের আয়োজন করে। রাজনীতিক, অর্থনীতিবিদ, প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মানবাধিকারকর্মীরা সংলাপে অংশ নেন।

    বক্তারা বলেন, কক্সবাজার এখন একটি গ্লোবাল হাব। এটি এখন আন্তর্জাতিক ব্যবসা, পর্যটন, নীল অর্থনীতি ও ভূরাজনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু। কক্সবাজারের উন্নয়ন এখন আর সম্ভাবনার প্রশ্ন নয়; বরং কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

    আলোচনায় অংশ নেন কক্সবাজার-২ (পেকুয়া-কুতুবদিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, কক্সবাজার-৩ (সদর, রামু) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির নির্বাহী সদস্য মো. সহিদুজ্জামান, কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম, এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয়ক এম এম সুজা উদ্দিন প্রমুখ।

    হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, রাষ্ট্রকে দেওয়ার মতো কক্সবাজারের অনেক কিছু আছে—অসীম প্রাকৃতিক সম্পদ, সমুদ্র অর্থনীতি ও সম্ভাবনাময় মানুষ। এই উন্নয়নকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে এনে জনগণ ও স্থানীয় নেতৃত্বের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে।

    রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, আগামীর কক্সবাজার হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির মূল কেন্দ্র হবে কক্সবাজার। কক্সবাজারের খনিজ নিয়ে প্রযুক্তিবান্ধব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

  • চাদপুর কিশোর গ্যাংসহ ১২ জন আটক

    চাদপুর কিশোর গ্যাংসহ ১২ জন আটক

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে যৌথবাহিনী পরিচালিত বিশেষ অভিযানে সাত কিশোর গ্যাং সদস্যসহ ১২ জনকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। বৃহস্পতিবার সকালে এক প্রেস রিলিজে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে আর্মি ক্যাম্প।

    বুধবার রাতে হাজীগঞ্জ পৌরসভার টোরাগড় হামিদিয়া জুট মিল এলাকার চিহ্নিত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য রবিউল আহম্মেদ, মাঈনুদ্দিন খান, বিল্লাল কাজী, কাজী পলাশ, হৃদয় হোসেন, শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

    এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪টি ছুরি, ১টি চায়নিজ কুড়াল ও তিনটি স্থানীয়ভাবে তৈরি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হাজীগঞ্জ থানায় পাঠানো হয়।

    পৃথক অভিযানে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিত্যক্ত ভবনে মাদক সেবনকালে তিনজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন, হিরণ, রাশেদ ও  শফিউল আলম। এছাড়া টোরাগড় এলাকা থেকে ২০ পিস ইয়াবাসহ শামীম হোসেন ও ৫০ পিস ইয়াবাসহ পলি বেগমকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হাজীগঞ্জ থানায় পাঠানো হয়।

    হাজীগঞ্জ থানা ওসি মহিউদ্দিন ফারুক  বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করে চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হবে।