ক্যাটাগরি জাতীয় সংবাদ

  • বিএনপি ক্ষমতার যাওয়ার জন্য অস্থির নয়: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি ক্ষমতার যাওয়ার জন্য অস্থির নয়: মির্জা ফখরুল

    নিউজ ডেস্ক:

     

    বিএনপি ক্ষমতার যাওয়ার জন্য অস্থির নয় উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের মালিকানা তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হলে অনেক সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১২টি মৌলিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে। বাকীগুলো ঐকমত্যের দিকে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে না, তা বাদ দিয়ে শুধু মৌলিক বিষয়গুলোই সংস্কার করা উচিত।

    গণতন্ত্রে সীমা থাকা উচিত জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রে কাঁদা ছোড়াছুড়ি হলেও সেখানে সীমা থাকা উচিত। এমনটা না হলে ভবিষ্যতে তিক্ততা তৈরি হবে।

    এ সময় জুলাই-আগস্টে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা মনে রেখে সবাইকে দেশ গঠনে ঐকবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

  • জুলাই সনদের দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

    জুলাই সনদের দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

    নিউজ ডেস্ক

    জুলাই সনদের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন জুলাই যোদ্ধারা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।

    অবরোধের ফলে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থান রয়েছেন। এর আগে সকাল থেকে শাহবাগে জড়ো হয় তারা।

    এদিকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা শেষ করে জুলাই সনদ চূড়ান্ত করতে চায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। তবে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের আলোচনা এখনো শেষ হয়নি।

    জুলাই জাতীয় সনদের খসড়া নিয়ে আপত্তির কথা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলগুলো বলছে, জুলাই সনদকে একটি আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে তা বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিতে হবে। না হলে পুরো সংস্কারপ্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে। তবে এ খসড়ার সঙ্গে মোটামুটি একমত বিএনপি।

  • ডেঙ্গুতে  চলতি বছরে ৮১ মৃত্যুর অর্ধেকই জুলাইয়ে

    ডেঙ্গুতে চলতি বছরে ৮১ মৃত্যুর অর্ধেকই জুলাইয়ে

     

    ডেস্ক নিউজ:

    এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেড়েই চলছে। এই ঊর্ধ্বমুখী ধারায় মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দুজনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা ছিলেন।

    এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে ৮১ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেকই (৩৯ জন) মারা গেছেন জুলাইয়ের ৩০ দিনে।

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৮৬ জন রোগী। নতুন আক্রান্তদের নিয়ে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭০২ জন।

    ৩০ জুলাই বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর তথ্য দেয়। কিন্তু ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েও অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হন না।

    অনেকে চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে যান। ফলে বিভিন্ন ল্যাবরেটরি বা ক্লিনিকে পরীক্ষা করে যাদের ডেঙ্গু পজেটিভ শনাক্ত হচ্ছে, সেই তথ্য দিতে পারছে না সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ। এ কারণে দেশে ঠিক কত মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন সেই তথ্য জানা যায় না।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৯ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচজন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৫ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন রয়েছেন। এ সময় ৩৭৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

    চলতি বছরে এ যাবৎ মোট ১৯ হাজার ৩২৯ রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। ৩০ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ৫৮ দশমিক সাত শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক তিন শতাংশ নারী রয়েছেন।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এ যাবৎ ডেঙ্গুতে মোট ৮১ জন মারা গেছেন।

    ডেঙ্গু ভাইরাস সংক্রমণের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশে এক বছরে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ২০২৩ সালে।

    এর পরের বছর ২০২৪ সালে ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং আগের বছরগুলোর মধ্যে ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২ জন, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯ জন, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ জন এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

    গত বছরের জানুয়ারি থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ৬ হাজার ১৪৪ জন এবং মারা যায় ৫৬ জন। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার একই সময়ে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে ২৩৭ শতাংশ বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া গত বছরের তুলনায় এবার একই সময়ে ৪৪ শতাংশের বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা যুগান্তরকে বলেছেন, বৃষ্টি-পরবর্তী জমে থাকা পানি এবং বাড়তি তাপমাত্রা মশার বংশবৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে, যা ডেঙ্গুর বিস্তার বাড়িয়ে তুলছে। তাই শুধু সরকারি ব্যবস্থার ওপর না ভরসা করে, ব্যক্তিপর্যায়ে সচেতনতা বজায় রাখা জরুরি।

  • জামায়াত আমিরের হার্টে একাধিক ব্লক! দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

    জামায়াত আমিরের হার্টে একাধিক ব্লক! দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

      নিউজ ডেস্ক:

    বাংলাদশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের হার্টে একাধিক ব্লক ধরা পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে তার বাইপাস সার্জারীর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। জামায়াত আমিরের পিএস মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গত ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় দুইবার মঞ্চে পড়ে গিয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। পরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইবনে সিনা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ওইদিন রাতেই বাসায় ফেরেন তিনি।

    নজরুল ইসলাম জানান, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে বুধবার সকাল ১১ টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন জামায়াত আমির। সেখানে বিকাল চারটার দিকে  এনজিওগ্রাম করা হয়। কার্ডিওলজিস্ট ডা. মমিনুজ্জামানের অধীনে সম্পন্ন হওয়া এনজিওগ্রামে হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা বাইপাস সার্জারির পরামর্শ দিয়েছেন। সেই প্রস্তুতি চলছে।

    জানা গেছে, জামায়াত আমিরের হার্টে ব্লক ধরা পড়ার খবরে তার পরিবার ও দলীয় নেতাদের মাঝে উদ্বেগ দেখা দেয়। তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্যও পরামর্শ দেয়া হয় দলের পক্ষ থেকে। তবে জামায়াত আমির দেশেই চিকিৎসার নেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। দ্রুত সুস্থতায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং তার পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    বিডি/বিএ

  • চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে ৫৫ লাখ টাকার  চোরাচালান জব্দ

    চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে ৫৫ লাখ টাকার চোরাচালান জব্দ

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

    চুয়াডাঙ্গা বিজিবি-৬ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা গত ২৩ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী চলমান মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৫৫ লাখ ২৪ হাজার ৩’শ ৫৪ টাকার মাদক ও চোরাচালানপণ্য জব্দ করেছে। এগুলো মধ্যে ভারতীয় রূপো, মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য চোরাচালানপণ্য রয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক হায়দার আলী জানান,  বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ১০ দশমিক ৮৩৪ কেজি ভারতীয় দানাদার রূপো, ১৪৪ বোতল বিদেশী মদ, ১৪ কেজি গাঁজা, ৩৮ বোতল ফেন্সিডিল, ২০ গ্রাম হেরোইন, ৪৪টি ভায়াগ্রা ট্যাবলেট, ১০০টি চায়না দুয়ারী জাল, ২৯ পিস শাড়ী, ১৩টি থ্রিপিস, ২০ কেজি ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ, ২’শ টি পাতার বিড়ি,  ১’শ ২৭টি কসমেটিকস সামগ্রী, ২টি মোবাইলফোনসহ অন্যান্য চোরাচালানপণ্য।

    এসকল অভিযানের সময় দুইজন চোরাকারবারীকে আটক করেন তারা।  আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর এবং আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

    তিনি আরো বলেন,চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় মাদক ও চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ পয়েন্টগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে।

  • ‘মাদকাসক্ত’ ছেলেকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ বাবা-মার

    ‘মাদকাসক্ত’ ছেলেকে হত্যা করে থানায় আত্মসমর্পণ বাবা-মার

    নিউজ ডেস্ক:

    বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় হাসান গাজী (২০) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে তার বাবা মা। এ ঘটনার পর ওই যুবকের মা-বাবা থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভরপাশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত হাসান গাজী (২০) বাকেরগঞ্জর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভরপাশা এলাকার বাসিন্দা জাফর গাজী (৪৮) ও নাজমা বেগম (৪০) দম্পতির একমাত্র ছেলে।  জানা যায়, জাফর ও নাজমার দুই মেয়ে, এক ছেলে। মেয়েদের বিয়ে হয়েছে। ছেলে হাসান অনেক দিন ধরেই মাদকাসক্ত ছিলেন। নেশার টাকার জন্য মা–বাবাকে প্রায়ই মারধর করত হাসান।

    প্রতিবেশীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে ৫ হাজার টাকার জন্য ঘরে ভাঙচুর শুরু করে হাসান। এ সময় বাধা দিলে বাবা জাফর গাজীকেও মারধর শুরু করে সে। এসময় জাফর গাজীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন স্ত্রী নাজমা। তাঁকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে মা-বাবা মিলে ছেলেকে একটি পাইপ দিয়ে মারধর করেন। এতে ঘটনাস্থলেই ছেলে হাসান মারা যান। পরে অসহায় স্বামী-স্ত্রী দুজন থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।

    বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে জাফর গাজী ও তাঁর স্ত্রী নাজমা বেগম থানায় এসে জানান, তাঁরা ছেলেকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিহত হাসানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

  • সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ৭ দিনের রিমান্ডে

    সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ৭ দিনের রিমান্ডে

    নিউজ ডেস্ক:

    রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এই আদেশ দেন।

    রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা ওই মামলায় এই আদেশ দেন আদালত।

    এর আগে এই মামলায় তার ১০ দিন রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। তবে শুনানিতে খায়রুল হকের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

    এর আগে গত ২৪ জুলাই সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। পরের বছরের ১৭ মে তিনি অবসরে যান।

    উল্লেখ্য আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে খায়রুল হক ছিলেন আইন কমিশনের চেয়ারম্যান। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটলে ১৩ আগস্ট তিনি আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বিচারাঙ্গনে তুমুলভাবে আলোচিত-সমালোচিত এই বিচারপতির বেশ কয়েকটি রায় চরম বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল। তিনি নিজে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নানাভাবে সুবিধাপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাকে প্রধান বিচারপতি করা হয়েছিল কয়েকজন জ্যেষ্ঠ বিচারপতিকে ডিঙিয়ে। প্রধান বিচারপতি থাকাকালে ত্রাণ তহবিলের টাকা গ্রহণ করে নিজের চিকিৎসা করে সমালোচিত হয়েছিলেন। অবসর গ্রহণ করার কয়েকদিন আগে তিনি ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করেন। এতে দেশে রাজনৈতিক সংঘাতের পথ উন্মুক্ত হয়। পাশাপাশি শেখ হাসিনার ভোট ডাকাতির চূড়ান্ত সুযোগ তৈরি হয়।

  • চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট- ইসি

    চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট- ইসি

     

    নিউজ ডেস্ক:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ৩১শে আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ এ কথা জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, আগামী ১০ই আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।  এরপর যাচাই বাছাই শেষে ৩১শে আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

    এর আগে গত ২১শে জুলাই ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ চলতি মাসেই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন।

    এছাড়া ভোটারের তালিকায় এবার ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

  • জনবল সংকটে ১৬ বারের দেশসেরা চৌগাছা মডেল হাসপাতাল

    জনবল সংকটে ১৬ বারের দেশসেরা চৌগাছা মডেল হাসপাতাল

    নিউজ ডেস্ক:
    চিকিৎসাসেবায় ১৬ বার দেশসেরা পুরস্কার পাওয়া যশোরের চৌগাছা মডেল হাসপাতালে জনবল সংকটে ধুকছে সেবা কার্যক্রম। বর্তমানে ২’শ ১০ টি পদের বিপরীতে শূণ্য রয়েছে প্রায় ১’শ টি পদ। চৌগাছা হাসপাতালে নারী, পুরুষ ও শিশু দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৫’শ থেকে ৬’শ রোগী উপস্থিত হয়। জনবল সংকটে ব্যহত হচ্ছে রোগীদের সেবা কার্যক্রম। যার ফলে মানসম্মত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রোগীরা।
    হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট পদের সংখ্যা রয়েছে ২’শ ১০ টি। এর মধ্যে শূণ্য রয়েছে ১’শ টি পদ।

    এর মধ্যে চিকিৎসকের পদ রয়েছে ৩২টি। খাতা কলমে কর্মরত দেখানো হচ্ছে ১২ জন চিকিৎসককে। কিন্তু এই ১২ জনের ৩ জন দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছে। সংযুক্তিতে রয়েছেন আরও ২ জন চিকিৎসক। প্রশিক্ষণে রয়েছে ১ জন। বাকি ৬ জনের ২ জন প্রশাসনিক পদে কর্মরত। বাকি ৪ জন মেডিকেল অফিসারের মধ্যে ১ জন নাইট ডিউটি করতে হয়। নাইট ডিউটি করলে পরের দিন সেই চিকিৎসকের ডে অফ থাকে। বর্হিঃ বিভাগে রোগী দেখেন মাত্র ৩ জন চিকিৎসক। বর্তমানে মাত্র ৩ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে চলছে দেশসেরা এই মডেল হাসপাতালের বর্হিঃ বিভাগের চিকিৎসা সেবা।
    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানুল মিজান রুমি বলেন, মেডিকেল অফিসার মৃদুল কান্তি ২০১৪ সাল থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এছাড়া ২০২২ সাল থেকে মেডিকেল অফিসার সায়মা নাহিদ শান্তা এবং (অর্থপেডিক) গোলাম রসুল কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তিনি বলেন, তারা কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও তাদেরকে বছরের পর বছর চৌগাছায় পদায়ন দেখানো হচ্ছে। তাদের নাম কর্তন না পর্যন্ত এই পদে নতুন চিকিৎসক পদায়ন করা সম্ভব না। স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চ পর্যায়ে বার বার চিঠি দিয়েও অনুপস্থিত থাকা চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা।
    মেডিকেল অফিসার ফারিয়া ইয়াসমিন ও শিশু কনসাল্টটেন্ট আব্দুস সামাদ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রেষনে রয়েছেন।

    শিশু বিশেষজ্ঞ ডা.আব্দুস সামাদ, মেডিকেল অফিসার রবিউল ইসলাম, ফারিয়া ইয়াসমিন আগে থেকেই যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রেষনে রয়েছেন।
    পক্ষান্তরে হাসপাতালে খাতা-কলমে অত্যন্ত জরুরি অ্যানেসথেসিয়া শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার থাকলেও বাস্তবে তারা নেই। এছাড়া ২০ জন চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে।
    এদিকে হাসপাতালটিতে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে ১’শ শয্যার কার্যক্রমের জন্য বিল্ডিং নির্মান কাজ শেষ হলেও সেবার জন্য হস্তান্তর করা হচ্ছে না।
    প্রধান সহকারী, ক্যাশিয়ার, অফিস সহকারী, এমএলএসএস, ওয়ার্ড বয় এবং আয়াসহ এসব তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদগুলোর মধ্যে ৬৩টি রয়েছে শূন্য। যেকারনে বর্তমানে জোড়াতালি দিয়ে চলছে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম।

    হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, বিগত দিনে চৌগাছা মডেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সাবেক চিকিৎসক ইমদাদুল হকের চেষ্টায় অন্তঃসত্তাদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করেন। মা ও প্রসূতিসেবায় অবদান রাখার ফলে ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত এটি উপজেলা পর্যায়ে একটানা দেশসেরা হাসপাতাল হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ২০১৮ সালেও হাসপাতালটি অর্জন করে জাতীয় পুরস্কার। ২০২০ সালে স্বাস্থ্যসেবায় সারাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করে পায় ‘হেল্থ মিনিস্টার ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড’। সর্বশেষ চৌগাছা মডেল হাসপাতাল ২০২২-২৩ অর্থ বছরে দেশ সেরার প্রথম পুরস্কার পায়।
    চৌগাছা উপজেলার কয়ারপাড়া আবু কালাম বুড়িন্দিয়া এলাকার সখি খাতুন সহ অনেকেই জানান, এখানে জরুরি মুহূর্তে সেবা পাওয়া কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুপুর আড়াইটার পর অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে সামান্য সমস্যায় রোগীদের ছুটতে হচ্ছে যশোর জেনারেল হাসপাতালসহ বেসরকারি বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। দেশসেরা হাসপাতালে আগের মতো চিকিৎসাসেবা নেই বলে তারা মন্তব্য করেন।
    হাসপাতালের স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসানুল মিজান রুমি বলেন ‘লোকবলের শূণ্যতা পুরনের জন্য অনলাইনে সফট কপি এবং হার্ডকপি উভয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, মোট লোকবল ২১০ জন। এরমধ্যে কর্মরত রয়েছেন ১২০ জন, ফাঁকা রয়েছে ৯০ জন।’

    জানতে চাইলে যশোরের সিভিল সার্জন বলেন, চৌগাছার বিষয়টি আমার নজরে আছে। চেষ্টা চলছে লোকবল বাড়ানোর জন্য।

  • হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্ট; নিজ দেশের মুসলিমদের জোর করে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্ট; নিজ দেশের মুসলিমদের জোর করে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে ভারত

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
    ভারত সরকার অবৈধভাবে নিজ দেশের মুসলিমদের জোর করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে। ভারতজুড়ে হাজার হাজার মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করছে পুলিশ। তাদের অনেকেই বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর ভারতীয় নাগরিক। এদেরকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই জোর করে সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পুশ ইন করছে মোদি সরকার। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বরাত দিয়ে শুক্রবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
    সংবাদমাধ্যমটি জানায়, হিউম্যান রাইটস এক দীর্ঘ প্রতিবেদনে ভারত সরকারের প্রতি আহ্ববান জানিয়েছে, যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া এভাবে বেআইনিভাবি লোকজনকে অন্য দেশে ঠেলে দেয়া অবশ্যই বন্ধ করতে হবে সরকারকে।
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অধিকার গোষ্ঠীটি অভিযোগ করেছে, নরেন্দ্র মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী সরকার পূর্বাঞ্চলীয় দুটি রাজ্যে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক লাভের জন্য পশ্চিমবঙ্গ এবং আসাম থেকে বাংলাভাষী মুসলমানদের লক্ষ্যবস্তু করছে।
    বাংলাদেশী সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বরাত দিয়ে মানবাধিকার গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, ভারত ৭ মে থেকে ১৫ জুনের মধ্যে ১ হাজার ৫’শ জনেরও বেশি মুসলিম পুরুষ, নারী এবং শিশুকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করেছে। তবে নয়াদিল্লি প্রতিবেশী দেশে পুশ-ইন করা মানুষের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।
    মে মাসে জম্মু ও কাশ্মীরে ২৬ জন সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হওয়ার পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজ্যগুলোকে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা ঘোষণা করেছে।
    সমালোচকরা বলেছেন, উত্তর প্রদেশ, ওড়িশা, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা এবং দিল্লি – এই সব রাজ্যগুলোতে ক্ষমতাসীন দল মোদির বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম থেকে যাওয়া বেশিরভাগ বাংলাভাষী অভিবাসী শ্রমিকদের আটক করেছে। বাংলা ভারতের ২২টি সরকারি ভাষার মধ্যে একটি।
    হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক এলেন পিয়ারসন বলেছেন, “ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি বাঙালি মুসলিম, যাদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিকরাও রয়েছেন, নির্বিচারে দেশ থেকে বহিষ্কার করে বৈষম্যকে আরো বাড়িয়ে তুলছে। সরকার হাজার হাজার দুর্বল মানুষকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে- স্পষ্টতই অননুমোদিত অভিবাসীদের অনুসরণ করে। তাদের কর্মকান্ড মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৃহত্তর বৈষম্যমূলক নীতির প্রতিফলন ঘটায়।”
    ৫১ বছর বয়সী এক ভারতীয় মুসলিম শ্রমিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে জানিয়েছেন, মধ্যরাতের পর ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাকে ধাক্কা দিয়ে পার করে দেওয়ার পর তিনি ‘লাশের মতো বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিলেন।’
    তিনি বলেন, “আমি সীমান্ত অতিক্রম করতে অস্বীকৃতি জানালে বিএসএফ অফিসার আমাকে মারধর করেন এবং চারবার ফাঁকা গুলি ছোড়েন’’।
    হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, অভিবাসী শ্রমিকটিকে দুই সপ্তাহ পরে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।
    পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল জানিয়েছে, মোদি সরকারের মাধ্যমে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠানো কয়েক ডজন বাসিন্দাকে তারা ফিরিয়ে এনেছে।
    বাংলাদেশে পুশ-ইন করা ব্যক্তিদের মধ্যে কমপক্ষে ৩০০ জন আসামের বাসিন্দা। সেখানে ২০১৯ সালে বিতর্কিত নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রায় ২০ লাখ লোককে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
    পশ্চিমবঙ্গের ৩৪ বছর বয়সী একজন অভিবাসী শ্রমিক নাজিমুদ্দিন শেখকে মুম্বাইতে আটক করা হয়েছিল। জুন মাসে তার বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ‘তার পরিচয়পত্র ছিঁড়ে ফেলে।’ পরে তাকে বাংলাদেশে জোর করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
    নাজিমুদ্দিন শেখ হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে জানান, যখন তিনি এবং তার সহকর্মীরা নিজেদের ভারতীয় দাবি করে প্রতিবাদ করেছিলেন, তখন বিএসএফ তাদের কথা শোনেনি।
    এই ভারতীয় নাগরিক বলেন, “আমরা বারবার কথা বললে তারা আমাদের মারধর করতো। তারা আমার পিঠে এবং হাতে লাঠি দিয়ে আঘাত করেছিল। তারা পেটানোর পর আমাদেরকে বাংলাদেশি বলে স্বীকার করতে বলেছিল।”
    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতাসীন দলকে এই দমন-পীডন বন্ধের আহ্ববান জানিয়ে বলেছেন, “বাংলা বলা কি অপরাধ?”
    মোদির উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনার লজ্জা হওয়া উচিত যে এর মাধ্যমে আপনি বাংলাভাষী সবাইকে বাংলাদেশি বলে দেখাচ্ছেন।”