ক্যাটাগরি খবর

  • জামায়াতের আমির ছেলেদের সরিয়ে দিয়ে মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তুলছেন

    জামায়াতের আমির ছেলেদের সরিয়ে দিয়ে মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তুলছেন

    লালমনিরহাট-১ আসনে হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমিরের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। বিশেষ করে জামায়াত আমিরের নারী কর্মীদের সঙ্গে সেলফি তোলা এবং তাদের ‘বন্ধু’ সম্বোধন করার বিষয়টিকে তিনি ইসলামের আদর্শ পরিপন্থি ও ইমান বিধ্বংসী বলে আখ্যা দিয়েছেন।

    ডেস্ক নিউজঃ

    বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ইসলাম নারীদের সর্বোচ্চ সম্মান ও পর্দার বিধান দিয়েছে। আল্লাহ নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কিন্তু আমরা দেখছি, জামায়াতের আমির ছেলেদের সরিয়ে দিয়ে মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তুলছেন। তিনি মুরব্বি মানুষ হয়ে বেপর্দা মেয়েদের বলছেন— ‘ছেলে বন্ধুরা সরে যাও, মেয়ে বন্ধুরা আসো’।

    চরমোনাই পীর বলেন, এই আদর্শ থেকে বিচ্যুত হলে ইমান থাকবে না, এমন আচরণ নিয়ে কখনো আল্লাহর দ্বীন কায়েম করা সম্ভব নয়। ইসলামী আন্দোলনের ৩৮ বছরের ইতিহাসে কোনো নেতা পরনারীর সাথে এমন সেলফি তোলেননি।

    তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর আমরা ইসলামী দলগুলোর সাথে ঐক্যবদ্ধ হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু জামায়াতের নেতৃত্বে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়িত হবে না। জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আমেরিকা দূতাবাসে গিয়ে আমাদের জঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে আওয়ামী লীগ বা বিএনপিও আমাদের জঙ্গি বলেনি, কিন্তু তারা ভারতের লক্ষ্য হাসিল করতে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। এমনকি তারা এমন প্রার্থী দিয়েছে যিনি নিজেই বলছেন জামায়াত কোনো ইসলামী দল নয়।

    এলাকার উন্নয়ন ও মিথ্যাচারের জবাব দিতে হাতপাখা মার্কায় ভোট চেয়ে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, করোনাকালে যখন স্বজনরা মরদেহ ফেলে পালিয়েছিল, তখন হাতপাখার কর্মীরাই দাফন-কাফনের কাজ করেছে। ৫ আগস্টের পর সংখ্যালঘুদের জানমাল রক্ষায় আমরা পাহারাদারের ভূমিকা পালন করেছি। যাদের পা থেকে মাথা অবধি মিথ্যায় ভরা, তারা ইসলাম কায়েম করতে পারবে না। তাই এলাকার শান্তি ফেরাতে হাতপাখাকে বিজয়ী করুন।

    জনসভায় উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    এম কে

  • নলিতাবাড়িতে বাজি জেতা মহিষ ফেরত দিলেন বিএনপি সমর্থক

    নলিতাবাড়িতে বাজি জেতা মহিষ ফেরত দিলেন বিএনপি সমর্থক

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে কলসপাড় ইউনিয়নের উত্তর নাকশী গ্রামে ঘটে যাওয়া ব্যতিক্রমী ‘মহিষ বাজি’ এবার পেল এক মানবিক পরিণতি। মানবিক বিবেচনায় বাজিতে জেতা মহিষটি শেষ পর্যন্ত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সমর্থক মো. আব্দুল মান্নান।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নিশ্চিত করেন কলসপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদুল মজিদ। মহিষের মালিকের কষ্ট দেখে হৃদয়ে আঘাত অনুভূত হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

    নির্বাচনের আগে উত্তর নাকশী গ্রামের আব্দুল মান্নান ও বালুঘাটা গ্রামের আমির হোসেনের মধ্যে অভিনব এক বাজি ধরা হয়। শর্ত ছিল দাঁড়িপাল্লা প্রতীক জয়ী হলে আব্দুল মান্নান দেবেন ৬টি মহিষ, আর ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হলে আমির হোসেন দেবেন ১টি মহিষ।

    ভোট গণনা শেষে বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ী হওয়ায় বাজিতে পরাজিত হন আমির হোসেন। পূর্বনির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী শুক্রবার দুপুরে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে মহিষটি বুঝে নেন আব্দুল মান্নান। মহিষ নিয়ে বিজয় মিছিলের আদলে গ্রামে প্রবেশ করলে এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার কৌতূহলী ভিড় জমে সেই দৃশ্য দেখতে। তবে আনন্দের সেই মুহূর্ত বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

    স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মহিষটি ছিল আমির হোসেনের পরিবারের অন্যতম আয়ের উৎস। মহিষ হারানোর পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরিবারের আর্থিক কষ্ট ও জীবিকার অনিশ্চয়তার বিষয়টি সামনে আসতেই বদলে যায় পরিস্থিতি।

    এলাকাবাসী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আব্দুল মান্নান ও আমির হোসেন সম্পর্কে ওরা আত্মীয়, নির্বাচনের আগে তারা মহিষ নিয়ে বাজি ধরেছিল। আমির হোসেন বাজিতে হেরে যাওয়ার পর আব্দুল মান্নান বিএনপির সমর্থক লোকজন নিয়ে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে মহিষটি নিয়ে আসেন এরপর তিনি মানবিক বিবেচনা করে ফেরত দিয়ে দেন। এতে করে আমরা এলাকাবাসী ব্যাপক খুশি হয়েছি।

    আব্দুল মান্নান বলেন, বাজি ছিল নিছক আনন্দের জন্য, কিন্তু কারও জীবিকা বিপন্ন হোক তা তিনি চান না। এরপর গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মহিষটি আমির হোসেনের হাতে ফিরিয়ে দেন তিনি। তার এই সিদ্ধান্তে উপস্থিত সবাই সাধুবাদ জানান।

    আমির হোসেন বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা দুজন মাঠে মহিষ চড়াইতে গিয়ে কথার এক পর্যায়ে বাজি ধরি। নির্বাচনের পর বাজিতে আমি হেরে গেলে আমার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তাকে একটি মহিষ দিয়ে দেই। পরবর্তীতে উনি আমার প্রতি দয়া ও অনুগ্রহ করে, উনার মনোবল বড় বিদায় আমার প্রতি খুব ভালোবেসে মহিষটি ফেরত দেন, এতে করে আমি তার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।

    উল্লেখ্য, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক উত্তাপের মাঝেও এমন মানবিকতার দৃষ্টান্ত এলাকাবাসীর কাছে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে। আনন্দের বাজি শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবতার অনন্য উদাহরণ।

  • মুক্তাগাছায় তুচ্ছ ঘটনায় তুমুল সংঘর্ষ

    মুক্তাগাছায় তুচ্ছ ঘটনায় তুমুল সংঘর্ষ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা সদরে যানজট নিয়ে ট্রলি ও ভ্যানচালকের মধ্যে কথাকাটাকাটির জেরে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আটানি বাজার ছোট মসজিদ মোড় ও আশপাশের এলাকায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আটানি বাজার এলাকায় যানজট নিয়ে তারাটি ইউনিয়নের একটি ট্রলি ও পাড়াটঙ্গী এলাকার একটি ভ্যানের চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। স্থানীয় দোকানি সোহেল বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলে এক পর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় সোহেল ও তার ভাইয়ের দুটি দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়।

    এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে তারাটি ও পাড়াটঙ্গী এলাকার দুই শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে আটানি বাজার ছোট মসজিদ মোড়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় রাস্তার দুপাশের অন্তত ১০/১২টি দোকান ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মুক্তাগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ইট-পাটকেলের আঘাতে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হন।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাত সাড়ে ৮টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ, ডিবি পুলিশ, ২ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং র‌্যাব-১৪ সাঁজোয়া যান নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সংঘর্ষ ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। পরে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তারাটি ও পাড়াটঙ্গী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনায় কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। কারও ইন্ধন পাওয়া গেলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

  • ফুলপুরে ২৪ হাজার লিটার প্রেট্রোল ও ডিজেল জব্দ

    ফুলপুরে ২৪ হাজার লিটার প্রেট্রোল ও ডিজেল জব্দ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ময়মনসিংহের ফুলপুরে অভিযান চালিয়ে বিপুল পেট্রোল ও ডিজেল জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া ইসলাম এ অভিযান পরিচালনা করেন।

    অভিযানে ১৯ হাজার ৫শ লিটার ডিজেল ও ৪ হাজার ৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়েছে। এসব তেল লাইসেন্স ব্যতীত অতিরিক্ত মূল্যে খুচরা বিক্রি করার সত্যতা পাওয়ায় পপি ট্রেডার্সের মালিক হাবিবুর রহমানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    জব্দ করা পেট্রোল সরকার নির্ধারিত মূল্যে সরকার নির্ধারিত পরিমাণ অনুযায়ী বিক্রির জন্য নির্দেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেল সংকট চলছে। এ অবস্থায় ওই ব্যবসায়ী পেট্রোল অবৈধভাবে মজুদ করে লাইসেন্স ব্যতীত অতিরিক্ত দামে খুচরা বিক্রি করে আসছিলেন।

    ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম সীমা বলেন, প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে যেন কেউ ফায়দা নিতে না পারে সেজন্য সব এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • হালুয়াঘাটে সুপারি চুরির অভিযোগে শিশুকে পিটিয়ে হত্যা!

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে সুপারি চুরির অভিযোগে ইমন নামের ৯ বছরের এক শিশুকে ঘরে আটকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার স্বদেশী ইউনিয়নের বাউসা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত ইমন (৯) বাউসা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে। অভিযোক্ত ব্যক্তির নাম আতাহার আলী (৩২)। তিনি নিহত শিশু ইমনের প্রতিবেশী।

    স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিন আগে শিশু ইমনের বিরুদ্ধে সুপারি চুরির অভিযোগ তুলে আতাহার আলী। পরে সালিশ বসে তাকে জরিমানা করা হয়। আজ সন্ধায় ইমনকে আতাহার ঘরে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে৷ পরে স্থানীয়রা জানতে পারলে পালিয়ে যায় আতাহার। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

    স্থানীয় এক নারী জানান, সামান্য সুপারি চুরিকে কেন্দ্র করে ইমনকে ঘরে আটকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা সঠিক বিচার চাই।

  • ফুলবাড়িয়ায় আল আমিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬০ বছরপূর্তি

    ফুলবাড়িয়ায় আল আমিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬০ বছরপূর্তি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আল আমিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬০ বছরপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে প্রথম পুনর্মিলনী আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২৩ মার্চ) শিবগঞ্জ হাট কালির বাজারের বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত পুনর্মিলনী বাস্তবায়ন পরিষদের আয়োজনে এতে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ অন্যরা অংশগ্রহণ করেন।

    বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও এডহক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ফুলবাড়িয়া আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন।

    এর আগে পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মহিমা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ম্যানেজিং পার্টনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদসহ অন্যরা।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবাইদ ফেরদৌস, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অতিরিক্ত কমিশনার রিজভী আহমেদ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লাইলী আক্তার, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বাদশা, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ডা. আব্দুর রাজ্জাক, ফুলবাড়ীয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম, প্রাক্তন শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান ও গোলাম মোস্তফাসহ অন্যান্যরা। মানপত্র পাঠ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল ফারুক।

    অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এটিএন বাংলা টেলিভিশনের উপস্থাপক মারিয়া শিমু, প্রাক্তন ছাত্র সরকারি কর্মকর্তা শফিক, তাসলিমা ফেরদৌসী শিমু এবং মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।

    অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এছাড়াও প্রধান অতিথিসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করে পুনর্মিলনী বাস্তবায়ন পরিষদ।

  • প্রটোকল ভেঙে মরদেহ দাফন, প্রশংসায় ভাসছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    প্রটোকল ভেঙে মরদেহ দাফন, প্রশংসায় ভাসছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ভেঙে নান্দাইল উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

    শুক্রবার (২৭ মার্চ) উপজেলার ১২ নং জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে দুটি উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন শেষে উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন তিনি। ফেরার পথে হঠাৎ তার নজরে আসে সড়কের পাশেই একটি কবরস্থানে এক ব্যক্তির মরদেহ দাফন করা হচ্ছে। বিষয়টি দেখার সাথে সাথেই তিনি তার গাড়ি বহর থামিয়ে মানবিক কাজে অংশ নেন।

    প্রত্যক্ষদর্শী নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. এনামুল কাদির জানান, ‘সরকারি প্রটোকল উপেক্ষা করে গাড়ি থেকে নেমে সোজা কবরস্থানে চলে যান তিনি। কোনো দ্বিধা বা সংকোচ না করে তিনি নিজেই কবরে নেমে পড়েন এবং মরদেহ খাটিয়া থেকে নামিয়ে কবরে শায়িত করার কাজে সরাসরি শরিক হন। একজন মন্ত্রীকে এভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দাফন কাজে অংশ নিতে দেখে আমরা অভিভূত হই।’

    উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লিটন বলেন, ‘একজন প্রতিমন্ত্রী এভাবে সাধারণ মানুষের লাশের খাটিয়া ধরবেন এবং কবরে নেমে দাফন করবেন, এটা কল্পনাও করা যায় না। তার এই সাদামাটা জীবন আর মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা আমাদের মুগ্ধ করেছে।’

    জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ‘পদের অহংকার ভুলে মাটির মানুষের কাছে ফিরে আসার এই দৃশ্য বর্তমান সময়ে এক বিরল দৃষ্টান্ত। একজন জনপ্রতিনিধির এমন মানবিক আচরণ সমাজের অন্যদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।’

    দাফন শেষে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় উপস্থিত সবার সাথে মোনাজাতে অংশ নেন তিনি । এরপর তিনি পুনরায় তার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিক কাজের ছবি ও সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসছেন।

  • ধোবাউড়ায় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় নেতার বাড়িতে আগুন

    ধোবাউড়ায় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় নেতার বাড়িতে আগুন

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির এক নেতার বাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত তিনটার পর উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের ডোমগাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ওই নেতা। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।

    জানা গেছে, জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহ ওই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আলি হোসেনের ছেলে। তার গ্রামের বাড়িতে বাবা-মা, স্ত্রী, দুই সন্তান ও বড় ভাই জয়নাল আবেদীন বসবাস করেন।

    মো. সাইফুল্লাহ অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে দুর্বৃত্তরা তার বাড়ির একটি রান্নাঘরে আগুন দেয় এবং বসতঘরে কুপিয়ে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘‘অনেক দিন ধরেই ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমাকে নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে সেই হুমকির মাত্রা আরও বেড়েছিল। আগুন দেওয়ার ঘটনার পরও আমাকে হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে মেসেজ দিয়ে বলা হয়েছে— ‘তোর বাড়িতে আগুন দিলাম, ভাগ্যিস তুই নাই। তোর ছেলে-মেয়ে বেঁচে গেল।’ এ ঘটনায় আমি আইনি পদক্ষেপ নেব।”

    এর আগে গত ১০ মার্চ নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কিছু মেসেজের স্ক্রিনশট প্রকাশ করে সাইফুল্লাহ অভিযোগ করেন, ‘দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নম্বর থেকে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ওই পোস্টে তিনি পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথাও উল্লেখ করেন।’

    এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে শুক্রবার সকালে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের জেলা শাখার সাবেক সদস্যসচিব আলী হোসেন এবং জাতীয় বিপ্লবী মঞ্চের কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াসসহ পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

    ধোবাউড়া থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আগুনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে একটি লাকড়ির ঘরে আগুনের চিহ্ন এবং বসতঘরের টিনের বেড়ায় তিনটি কোপের দাগ দেখা গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

  • জলমহাল নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ

    জলমহাল নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহাল নিয়ে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তিতুমীর হোসেন সোহেলসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

    মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নের লাউড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। হামলায় আহতরা হলেন— উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তিতুমীর হোসেন সোহেল (৩৫), তাকবীর (২৮), মীর রাফি (২৩) ও রিমন (৩৫)।

    ‎স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিল মাকসা নামক একটি জলমহালের দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে টানাপোড়ন চলছিল। জলমহালের মালিকানা ছিল উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহীন ও ছাত্রদল নেতা তিতুমীরসহ কয়েকজনের। অন্যদিকে বিএনপি সভাপতি সাঈদ আহমেদের নেতৃত্বে মঙ্গলবার বিকেলে তার লোকজন বিল মাকসা নদীর মাছ লুট করে একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার দিয়ে বিক্রি করতে নিয়ে যায়। এ সময় মাছ উদ্ধারের জন্য উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তিতুমীর হোসেন সোহেলসহ কয়েকজন মাছ বহনকারী ট্রলারটি আটক করে। ট্রলার আটকের খবর পেয়ে বিএনপি সভাপতি সাঈদ আহমেদ মুঠোফোনে তার সমর্থক বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীদের মুঠোফোনে বিষয়টি জানায়।

    পরে বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মুর্শেদী কামাল, সাবেক ইউপি সদস্য রাশেদ মিয়া এবং আক্কাস আলী আকাশসহ ৪০-৫০ জনের একটি দল দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক তিতুমীর হোসেন সোহেলের উপর হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার সঙ্গে থাকা তিনজনকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। আহতদের আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ‎

    পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় গুরুতর আহতদের কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    আহতদের অভিযোগ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে এ ন্যক্কারজনক হামলা চালায়। গত ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এই বিএনপি সভাপতি সাঈদ আহমেদ ও তার সহযোগী আকসার মিয়াসহ তার লোকজন বিভিন্ন সময়ে উপজেলার বিভিন্ন জলমহাল, বালুমহাল বেআইনিভাবে দখলসহ চাঁদাবাজি মামলা বাণিজ্য করে আসছে। এসবের প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা, হামলা দিয়ে সাধারণ মানুষদের হয়রানি করে বলেও অভিযোগ তাদের।

    ‎আহত ছাত্রদল আহ্বায়ক তিতুমীর হোসেন সোহেল বলেন, বিল মাকসা জলমহাল দখল নিয়ে আমাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বেই এই হামলা হয়েছে। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

    উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহীন অভিযোগ করে বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে সাঈদ এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। তার বাহিনী দিয়েই ছাত্রদল আহ্বায়কসহ কয়েকজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

    উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদ সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম শাহিনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শহিদুল হকসহ দুজনের ওপর হামলা করে তাদের নৌকার মাছ নিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রদল নেতা তিতুমীর হোসেন সোহেলের সঙ্গে নোয়াগাঁও-নজিরপুর এলাকার গ্রামবাসীর ঝামেলা হয়। এ ঘটনায় আমাকে অযথা জড়ানো হচ্ছে।

    ‎অষ্টগ্রাম থানার ওসি সোহেব খান বলেন, ঘটনার বিষয়ে এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

  • মাসজুড়ে ১০টাকা কেজিতে গরুর দুধ পেলো করিমগঞ্জবাসী

    মাসজুড়ে ১০টাকা কেজিতে গরুর দুধ পেলো করিমগঞ্জবাসী

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    রমজান মাস জুড়ে নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যের মাঝে কিশোরগঞ্জে নামমাত্র টাকায় দুধ বিক্রি করে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে জে সি এগ্রো ফার্ম। গত পাঁচ বছর ধরে সিয়াম সাধনার এ পবিত্র মাসে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি, যা জেলাজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।

    জানা যায়, নিম্নআয়ের মানুষের কথা চিন্তা করে পুরো রমজান মাসজুড়ে মাত্র ১০ টাকা কেজি দরে দুধ বিক্রি করে মানবিকতার নজির স্থাপন করেছে করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর রৌহা গ্রামে অবস্থিত এই অ্যাগ্রো ফার্মটি। এই খামারে বর্তমানে মোটাতাজাকরণসহ প্রায় ২৫০টি গরু রয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি দুধেল গাভী থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০০ কেজি দুধ উৎপাদিত হচ্ছে।

    খামার কর্তৃপক্ষ জানায়, রমজানের প্রথম দিন থেকেই প্রতিদিন বেলা ১১টায় দুধ বিক্রি শুরু হয়। যাতে বেশি মানুষ উপকৃত হতে পারে, সেজন্য একজন সর্বোচ্চ এক কেজি করে দুধ কিনতে পারছেন। প্রতিদিন গড়ে ৯০-১০০ নিম্নআয়ের মানুষ এ সুবিধা পাচ্ছেন। স্থানীয় এলাকা ছাড়াও আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ এসে দুধ সংগ্রহ করছেন।

    বর্তমানে বাজারে প্রতি লিটার দুধ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই তুলনায় ১০ টাকায় দুধ পাওয়া অনেক পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।

    নিয়ামতপুর গ্রামের কামাল উদ্দিন বলেন, রমজানে খরচ অনেক বেড়ে যায়। বাজারের দামে দুধ কিনে খাওয়া সম্ভব হয় না। জে সি ফার্ম ১০ টাকায় দুধ দিয়েছেন, তাই অন্তত সেহরিতে পরিবারের জন্য দুধ নিতে পেরেছি।

    এ বিষয়ে জে সি এগ্রো ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসাইন মোহাম্মদ রিয়াদ বলেন, রোজার মাসে দুধের চাহিদা বাড়ে, কিন্তু অনেকেই উচ্চ দামে কিনতে পারেন না। তাদের কথা চিন্তা করেই নামমাত্র ১০ টাকা দরে দুধ বিক্রি করেছি।

    তিনি জানান, পুরো মাসে প্রায় দুই টন দুধ ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে প্রতিদিন গড়ে ৯০ থেকে ১০০ জনের বেশি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।

    স্থানীয়দের মতে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে এমন মানবিক উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, বরং সমাজে সহমর্মিতার বার্তাও পৌঁছে দিচ্ছে। রমজানের চেতনায় গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।