ক্যাটাগরি খবর

  • বান্দরবানে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

    বান্দরবানে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে রাতের আঁধারে ঘরে প্রবেশ করে এক বিধবা মহিলাকে শ্লীলতাহানি অভিযোগে রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।গতকাল বুধবার (১০ নভেম্বর) রাতে প্রায় সাড়ে ৯টা দিকে ৩ নং আলেক্ষ্যং ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড নাতিং ঝিরি পূর্ণবাসন পাড়া এ ঘটনা ঘটে। আটক রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা ওয়াগয় পাড়া বাসিন্দার কালা পেদা তঞ্চঙ্গ্যা ছেলে।
    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তিন মাস আগে ভিকটিমের স্বামী অস্বাভাবিকভাবে মারা যান। পরে নাতিং ঝিরি পূর্ণবাসন পাড়ায় শ্বাশুড়ি ও দু’সন্তানকে নিয়ে থাকেন ওই মহিলা। সেই সুযোগে রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা রাতের আঁধারে ওই বিধবা মহিলাকে শ্লীলতাহানি করতে যায়। এসময় ভিকটিমের চিৎকারের শব্দ শুনে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে অভিযুক্তকে ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে পুলিশে খবর দিয়ে রোয়াংছড়ি থানায় পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।

    রোয়াংছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুভ্র মুকুল ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত রুপম কান্তি তঞ্চঙ্গ্যার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের দায়ে মামলা করে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    এম কে

  • বান্দরবানের রুমায় জঙ্গলে মিলল বম যুবকের লাশ

    বান্দরবানের রুমায় জঙ্গলে মিলল বম যুবকের লাশ

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের ময়ূরপাড়া এলাকার জঙ্গল থেকে লালরাম সাং বম (৩৫) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার বিকেলে উদ্ধার করা লাশটি আজ মঙ্গলবার ময়নাতদন্ত শেষে বম সোশ্যাল কাউন্সিলের (বিএমসি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে ময়ূরপাড়ার উত্তর-পশ্চিম দিকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের জঙ্গলে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, তিন থেকে চার দিন আগে তাঁকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। লাশে পচন ধরেছে।স্থানীয় বম জনগোষ্ঠীর লোকজন লাশটি লালরাম সাং বমের বলে শনাক্ত করেন। তাঁর বাড়ি রেমাক্রিপ্রাংসা ইউনিয়নের কেওক্রাডং পাহাড় পেরিয়ে মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা চুংসংপাড়ায়। চুংসংপাড়া থেকে ময়ূরপাড়ার দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। স্থানীয় লোকজন জানান, লালরাম সাং বম ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন।বান্দরবানের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, লাশের মাথা ও ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এসব আঘাতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দ্দী বলেন, স্থানীয় লোকজনের সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় গলিত লাশটি উদ্ধার করে। শনাক্তের পর চুংসংপাড়ায় তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ওই এলাকায় মুঠোফোন নেটওয়ার্ক না থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি। পরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশটি বম সোশ্যাল কাউন্সিলের নেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কে বা কারা এবং কেন তাঁকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি।

    এম কে

  • ফেনীতে বিভাগীয় ইজতেমায় জুমার নামাজে মুসল্লির ঢল

    ফেনীতে বিভাগীয় ইজতেমায় জুমার নামাজে মুসল্লির ঢল

    ডেস্ক নিউজঃ

    ফেনীতে বিভাগীয় ইজতেমায় একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করলেন হাজারো মুসল্লি। নামাজ শেষে মোনাজাতে মুসলিম উম্মার শান্তি, সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়।

    শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের বিরিঞ্চি ব্রিকফিল্ড সংলগ্ন মাঠে বৃহৎ এ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হ‌য় ইজতেমার কার্যক্রম।‌আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগমের সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগত মুসল্লিদের জন্য রাণীরহাট এলাকায় মাঠজুড়ে শামিয়ানা টাঙানো, পানির লাইন ও বিদ্যুৎ সংযোগ, সাইকেল গ্যারেজসহ বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বিশাল আয়তনের এ মাঠে দূর-দূরান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা শামিয়ানার নিচে অবস্থান নিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলা ছাড়াও ভারত, মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মেহমানরা এতে অংশ নেন।জেলার সর্ববৃহৎ এ জুমার নামাজে ইমামতি করেন তাবলিগ জামাতের কাকরাইল মসজিদের ইমাম মাওলানা আনাস বিন মোজাম্মেল।এর আগে সকালে বয়ান করেন মাওলানা সাদ অনুসারীদের আমির, তাবলিগ জামাতের আহলে শুরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরুব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম।মাওলানা নুর উদ্দিন নামের তাবলিগ জামাতের এক মুরুব্বি বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলা, বিভিন্ন দেশের মেহমান ছাড়াও শুক্রবার স্থানীয়ভাবে ইজতেমায় মুসল্লিদের ঢল নামে। বিশেষ করে বিশাল ময়দানে একত্রে জুমার নামাজ আদায়ে মুসল্লিরা একত্রিত হন। মাঠে পৌরসভার সহযোগিতায় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের সেবায় দুই শতাধিকের বেশি স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছেন। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ বিভাগীয় ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

    এমে কে

  • বান্দরবানে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কায় নিহত ২

    বান্দরবানে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কায় নিহত ২

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানে মোটরসাইকেলে বাসের ধাক্কায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন। বৃহস্পতিবার  বিকেলে বাইতুল ইজ্জত এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন, বান্দরবান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নাজমুল (৩০), যিনি মফিজুর রহমানের ছেলে ও পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের মাছ ব্যবসায়ী তৌহিদ (২৫)। তারা দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। অপর আরোহী কাদেরকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে কেরানিহাট আশশেফা হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে চট্টগ্রামে রেফার্ড করেন।দুর্ঘটনার বিষয়ে কেরানিহাট আশশেফা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. ইব্রাহিম  বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে মোটরসাইকেলের তিন আরোহীকে নিয়ে আসেন। তাদের দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা গিয়েছেন, অপর একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রামে রেফার্ড করা হয়েছে।

    এম কে

  • থানচি সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    থানচি সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নের দুর্গম বুলুপাড়ায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) কর্তৃক নির্মিত বিদ্যালয়টি উদ্বোধন করেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী।উদ্বোধন শেষে তিনি বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে বই, খাতা, কলম, পেনসিল, রাবারসহ শিক্ষা সহায়ক উপকরণ এবং চকলেট-বিস্কুট তুলে দেন।অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মেহেদী বলেন, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দুর্গম পার্বত্য সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী আলীকদম ব্যাটালিয়ন সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি নৃ-গোষ্ঠী ও পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। ‘অপারেশন উত্তরণ।’ কর্মসূচির আওতায় এই ব্যাটালিয়ন চিকিৎসাসেবা, খাদ্য ও পোশাক বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদান, অগ্নিকাণ্ড ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়তাসহ নানা মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে, যা পাহাড়ে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে ভূমিকা রাখছে।তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুরা যাতে শিক্ষার আলো পায়— সেই লক্ষ্যেই বুলুপাড়ায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও আমাদের মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই বিদ্যালয়টি বুলুপাড়া এলাকার তিনটি পাড়ার প্রায় ৫০টি পরিবারের ৭০-৮০ জন শিক্ষাবঞ্চিত শিশুকে শিক্ষার সুযোগ এনে দেবে। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে থাকা এসব শিশুর জন্য বিদ্যালয়টি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এ উদ্যোগকে ‘মহতী ও সময়োপযোগী’ উল্লেখ করে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, কারবারি ও হেডম্যানরা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের ভাষ্যে— দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বিজিবি শুধু একটি নিরাপত্তা বাহিনী নয়, বরং মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নির্ভরযোগ্য অংশীদার।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিজিবির বিভিন্ন পদবির সদস্য, স্থানীয় কারবারি, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম কে

  • ফেনীতে রূপালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও!

    ফেনীতে রূপালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও!

    ডেস্ক নিউজঃ

    ফেনীর সোনাগাজীতে রূপালী ব্যাংকের একই পরিবারের তিন গ্রাহকের হিসাব থেকে তাঁদের অজান্তে ১৯ লাখ ৩৩ হাজার টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই টাকা ভিন্ন কয়েকটি ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়। রূপালী ব্যাংকের সোনাগাজীর আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখা থেকে এই টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনার দুই সপ্তাহের বেশি সময় পার হলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রাহককে টাকা ফেরত দিতে পারেনি। ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা ব্যাংকের ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রূপালী ব্যাংকের সোনাগাজীর আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখার গ্রাহক আবুল বশরের হিসাব থেকে ৩৩ হাজার টাকা, তাঁর বড় ছেলে মনসুর আলমের হিসাব থেকে ১৮ লাখ ৫ হাজার টাকা ও ছোট ছেলে ইফতেখার আলমের হিসাব থেকে ৯৫ হাজার টাকা ইসলামী ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকের কয়েকটি শাখার বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তর (ট্রান্সফার) করা হয়।ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক আবুল বশর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার চার ছেলে মালয়েশিয়াপ্রবাসী। আমার একটি ও আমার দুই ছেলের আরও দুটি অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে তিনটি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরানোর ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের যোগসাজশ থাকতে পারে। ব্যাংক ম্যানেজার আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছেন, লুট হওয়া ছয় লাখ টাকা ফেরত আনা হয়েছে, যা আদৌ সত্য নয়। আমাকে বিগত এক মাস টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে হয়রানি করা হচ্ছে।’রূপালী ব্যাংক আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখার ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) দিদারুল আলম বলেন, ‘তিনটি অ্যাকাউন্ট থেকে ট্রান্সফার হওয়া টাকাগুলো অ্যাপসের মাধ্যমে ট্রান্সফার করা হয়েছে। অ্যাপসের লেনদেন হেড অফিস সরাসরি তদারকি করে। এই লেনদেনে আমি বা আমার শাখার কারও দায় নেই। বিষয়টি তদন্তের পর্যায়ে আছে। আমরা থানা-পুলিশকেও এ বিষয়ে সহযোগিতা করছি।’ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকেরা সোনাগাজী মডেল থানায় গতকাল রাতে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানান। তবে আজ বুধবার দুপুরে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, তাঁরা কোনো জিডি পাননি। তবে প্রতিবেদকের হাতে থাকা জিডির কপিতে সোনাগাজী মডেল থানার ডিউটি অফিসার পদুমুত্তর বড়ুয়ার স্বাক্ষর রয়েছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল আলম বলেন, রূপালী ব্যাংক আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখায় গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক থানায় অভিযোগ দিতে এসেছিলেন। তাঁকে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি জমা দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এম কে

  • মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

    মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বাইশারী শাহ নুরুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার সুপার নুরুল হাকিমের (৫৬) বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধনে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে অভিযুক্ত সুপার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাইশারী বাজার থেকে মাদ্রাসার দিকে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি মিছিলে হামলা চালানো হয়। এতে ৪-৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।এই ঘটনায় গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) আহত এক শিক্ষার্থীর মা রাবেয়া আক্তার বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদ্রাসার নবম ও দশম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রীকে সুপার নুরুল হাকিম বিভিন্ন অজুহাতে শরীরে স্পর্শ করতেন। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীরা বাসায় এসে অভিভাবকদের জানালে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির কাছে অভিযোগ করা হয়, তবে সেখানে সন্তোষজনক বিচার পাওয়া যায়নি। এরই ধারাবাহিকতায় মানববন্ধনে যাওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে।বাদী রাবেয়া আক্তার বলেন, আমরা ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমার সন্তান ছেলে, তাই যৌন হয়রানির বিষয়টি সরাসরি জানি না। তবে হামলার বিচার চাই।তবে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার নুরুল হাকিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বয়স প্রায় ৬০। ৩০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে কখনো এমন অভিযোগ ওঠেনি। এই প্রতিষ্ঠানে ২৫ বছর ধরে সেবা দিয়ে তিলে তিলে এটিকে বড় করেছি। এখন একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র করছে।এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহাবুব উল ইলাহিকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।তদন্ত কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির কিছু ছাত্রী হাতে মেহেদি দিয়ে আসলে সুপার তাদের হাত ধরে শাসন করতেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে যৌন হয়রানির অভিযোগের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন জানান, হামলার ঘটনায় একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা এখনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি। হামলার বিষয়টিও আলাদাভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

    এম কে

  • বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দাগনভূঞায় বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দাগনভূঞায় বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    ডেস্ক নিউজঃ

    ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে দাগনভূঞার জায়লস্কর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গন ও আশপাশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করে জায়লস্কর ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। শুক্রবার সকালে ফেনী জেলা ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক ও ৮নং জায়লষ্কর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক এমদাদ হোসেন মিলনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জায়লস্কর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বাবুল মেম্বার, কামরুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন কিরন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহেদ, জেলা ছাত্রদলের সদস্য শরিফুল ইসলাম শরিফ, ইউনিয়ন যুবদল সম্মেলন কমিটির সদ্য সাবেক সদস্য মো: হাসান, অনিক, মামুন, এমাম, জুয়েল, অন্তর, খুরশিদ,হান্নানসহ বিএনপি অঙ্গ সংগঠন নেতৃবৃন্দ।এমদাদ হোসেন মিলন বলেন, ফেনী-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আকবর হোসেন এর নির্দেশনায় বিপ্লব দিবসে আমাদের এই কার্যক্রম। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন মাটি ও মানুষের নেতা তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এটি করেছি।তাছাড়া এখন দাগনভূঞায় ডেঙ্গু উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে তাই ময়লা আবর্জনা মুক্ত রাখতে এটি ভূমিকা রাখবে।

    এম কে

  • সোনাগাজীতে শিশুর হাতে বন্দুক—ফেসবুকে ছবি

    সোনাগাজীতে শিশুর হাতে বন্দুক—ফেসবুকে ছবি

    ডেস্ক নিউজ

    ফেনীর সোনাগাজীতে এক শিশুর হাতে বন্দুক নিয়ে নাড়াচাড়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধমে ছড়িয়ে পড়েছে। শিশুটির সৌদিপ্রবাসী মামা তাঁর ফেসবুক আইডিতে বন্দুক হাতে ভাগনের ছবি পোস্ট করেন। তিনি ক্যাপশনে লেখেন—‘এটা আমার বড় বাগিনা (ভাগনে), ওর হাতে…এ বয়সে খেলনার পিস্তল থাকার কথা, আর অথচ ওর হাতে এখন অরজিনিয়াল পিস্তল’।

    সামাজিক মাধ্যমে বন্দুক হাতে শিশুর ছবি প্রকাশ হলে শুরু হয় তোলপাড়। কয়েক ঘণ্টা পর ফেসবুকের ওই পোস্ট আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে অনেকে ছবি ও স্ক্রিনশট রেখে দেন।

    ঘটনা জানতে শিশুর বাবাকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান তার নানার বাড়ি থাকতে কে বা কারা তার হাতে বন্দুক দিয়ে ছবি ধারণ করলেও সেটি জানা ছিল না। তার মামা পোস্ট করার পর বিষয়টি জানতে পারি। আমার শ্যালকের কাছে ফোন করলেও সে ধরেনি।’

    শিশুটির বাবা আরও বলেন, ‘আমার সন্তানের হাতে বন্দুক তুলে দিয়ে সেটি ফেসবুকে প্রচার করে তার স্বাভাবিক জীবন হুমকির মধ্যে ফেলেছে।’

  • সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন, সর্বস্ব হারাল শতাধিক গ্রাহক

    সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন, সর্বস্ব হারাল শতাধিক গ্রাহক

    ডেস্ক নিউজ

    ফেনীর ছাগলনাইয়ায় সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অন্তত শতাধিক মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঋণ বিতরণের কথা থাকলেও দুপুর গড়াতেই এনজিওটির কর্মীদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে উপস্থিত অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’। তবে এ ধরনের কোনো সংস্থার বৈধ অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি সাধারণ মানুষের হাতে যে সঞ্চয় বইগুলো দিয়েছেন তাতে প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা রয়েছে প্রধান কার্যালয় ঢাকার ডি-ব্লক মিরপুর-২, ১২১৬ ।

    ভুক্তভোগীরা জানান, গত দুই দিন ধরে একদল লোক এনজিও পরিচয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে সদস্য সংগ্রহ করছিল। মাত্র ২০০ টাকার বিনিময়ে, পাশাপাশি ১১ হাজার টাকা জমা দিলে ১ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছিল। শর্ত ছিল এই ঋণ দুই বছরের মধ্যে সহজ কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে।

    ভুক্তভোগী পৌরসভার বাঁশপাড়া গ্রামের রত্না বেগম বলেন, ১৬ লাখ টাকা ঋণ দেবে বলে ৫৩ হাজার টাকা নিয়ে যায় আমার কাছ থেকে। রাধানগর ইউনিয়নের মো. টিপু বলেন, আমার কাছ থেকে ২২ হাজার, জেসমিন জাহানের থেকে ২২ হাজার, হিছাছরার আনজুম আরার ৬০ হাজার টাকাসহ আরও শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা নিয়ে থানা পাড়া সামছুল হক ম্যানশনে তাদের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল ৪টার সময় শতাধিক জনকে ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গিয়ে দেখি অফিস তালাবদ্ধ, কেউ নেই।

    একই এলাকার সুমন বলেন, এ প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে আমি এখন দিশাহারা। এদিকে গ্রাহকরা এনজিওটির ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলোতে একাধিকবার ফোন দিলেও সব নম্বরই বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে ভুক্তভোগীদের পক্ষে আনজুম আরা বেগম বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

    ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল বাশার বলেন, ভুয়া এনজিও খুলে অনেক মানুষ থেকে টাকা হাতে নিয়েছে বলে এক ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।