ক্যাটাগরি খবর

  • অভয়নগরে ফেনসিডিলসহ নারী আটক

    অভয়নগরে ফেনসিডিলসহ নারী আটক

    ডেস্ক নিউজ

    যশোরের অভয়নগর উপজেলায় সেনা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
    আটককৃতের নাম তরি বেগম ওরফে নাজমা বেগম (৩৫)। তিনি ওই এলাকার হাবিবুর শেখের স্ত্রী। অভিযান শেষে সেনা ও পুলিশ সদস্যরা তাকে ফেনসিডিলসহ অভয়নগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
    অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম রবিউল ইসলাম জানান, “বাঘুটিয়ার বিভাগদী এলাকা থেকে নাজমা বেগম নামে এক নারীকে ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

  • জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে : সরওয়ার ছিদ্দিকী

    জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে : সরওয়ার ছিদ্দিকী

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ড. ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে। ঘুষের কারণে নাগরিকরা কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পায় না। আমরা মাদকমুক্ত ও ন্যায় ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করব।

    তিনি বলেন, ইসলামী রাষ্ট্রে ভিন্ন ধর্মের মানুষ আমানত। ইসলামী রাষ্ট্রে সকল নাগরিক সমান সুযোগ পাবেন।

    সম্প্রতি লাকসাম পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব লাকসাম এলাকায় আয়োজিত উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

    সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেন, আমি নির্বাচিত হলে চুরি করব না, সম্পদের ন্যায্য বণ্টন করা হবে। পুরো সিস্টেম ঢেলে সাজাব। অনেকে ভুল ফতোয়া দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। এদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

    পূর্ব লাকসাম মৈশান বাড়ি ইউনিট জামায়াত ইসলামীর আমির মু. জাকির হোসেন আজমের সভাপতিত্বে ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড নায়েবে আমির আলম আদম সফিউল্লাহর পরিচালনায় উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা-৯ আসনের নির্বাচন পরিচালক ও লাকসাম পৌরসভা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী ও সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা শহিদ উল্যাহ।

    এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ড আমির মু. আব্দুল জলিল, মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারী, মাওলানা বিল্লাল হোসেন মালেকী, অধ্যাপক জাকির হোসেন, পূর্ব লাকসাম কালীবাড়ি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুপন সাহা, লাকসাম কেন্দ্রীয় মহাশশ্মানের সভাপতি দীপংকর সাহা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ মো. জামাল উদ্দিন ছিদ্দিকী ও সৈয়দ মো. ফরিদ উদ্দিন ছিদ্দিকী।

    এআর/এনই

  • ঔষধি গুণের ফাঁদ!  বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি!

    ঔষধি গুণের ফাঁদ! বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি!

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সর্বশেষ গত শনিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে শামীম হোসেন (২৮) নামের এক ব্যক্তি উপজেলার আড্ডা বাজারে শিয়ালের মাংস বিক্রি করেন। এ সময় বিক্রেতারা শিয়ালের মাংসের নানা উপকারিতার কথা উল্লেখ করে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেন।

    মাংস বিক্রেতা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজঘাট ব্রিজ সংলগ্ন আড্ডা বাজারে শিয়ালটি জবাই করে নিজেরাই। জবাই করার পর এই বাজারে নিয়ে এলে ২ কেজির মতো বিক্রি করতে পারেন। বাকি মাংস পাশের বাগমারা বাজারে নিয়ে যান।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাংস ক্রয় করা ব্যক্তিরা জানান, মাংস বিক্রেতারা বলেছিলেন বাত-ব্যথা কিংবা কঠিন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে শিয়ালের মাংস রান্না করে খাওয়ার বিকল্প নেই। এ সব ক্ষেত্রে শিয়ালের মাংসই অব্যর্থ ওষুধ। তাদের এসব কথা বিশ্বাস করে মাংস ক্রয় করেন তারা।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে প্রায়ই শিয়ালের মাংস বিক্রি করা হয়। বিক্রেতা নির্দিষ্ট থাকে না। একেক সময় একেকজন এসে বিক্রি করছে।

    আড্ডা ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন বাদল বলেন, ইউপি অফিস বাজারের সঙ্গেই। কিন্তু কখনোই আমার চোখে পড়েনি শিয়ালের মাংস বিক্রি করছে। আমার কাছে কেউ কোনো দিন অভিযোগ করেনি।

    এআর/এনই

  • ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ নাঙ্গলকোটের দশ বছরের শিশু মুনতাসির

    ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ নাঙ্গলকোটের দশ বছরের শিশু মুনতাসির

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে আবদুল্লাহ আল মুনতাসির নামে দশ বছর বয়সী এক শিশু। এ বয়সে অনেকেরই ত্রিশ পারা কোরআন মুখস্থ করা অসম্ভব হলেও মুনতাসিরের পক্ষে তা সম্ভব হয়েছে।

    এতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে ফুলের মালা ও পাগড়ি পরিয়ে দেয়। এছাড়াও তার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদকে পুরস্কৃত করা হয়।

    শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পিপড্ডা গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী মুহাম্মদ খুরশীদ আলমের ছেলে। খুরশীদ আলমের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে মুনতাসির সবার ছোট।

    দেড় বছর আগে নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা শুরু করে মুনতাসির। ৭৫ জনের মধ্যে নাজেরা শেষ করে ১১ মাসে পুরো ৩০ পারা কোরআন শরিফ মুখস্থ করে হাফেজ হয় সে।

    শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির জানায়, বিশ্ব বিখ্যাত আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করা, মা-বাবা ও প্রিয় শিক্ষকদের নাম যেন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া যায় এটা এখন তার স্বপ্ন। সবার কাছে দোয়া চায় এই শিশু হাফেজ।

    হাফেজ মুনতাসিরের মা কামরুজ্জাহান রুমি জানান, তার ছোট সন্তান আবদুল্লাহ আল মুনতাসির মাত্র ১১ মাসে ৩০ পারা কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে। ভবিষ্যতে তার স্বপ্ন সন্তানকে অনেক বড় আলেম বানানোর। তাই দেশবাসীসহ সবার কাছে দোয়া চান মা।

    চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদ কালবেলাকে বলেন, আবদুল্লাহ আল মুনতাসির কোরআনে হাফেজ হওয়ার পেছনে তার অনেক চেষ্টা ও মেহনত থাকায় হাফেজ হওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে শিক্ষকদেরও মেহনত রয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কবুল করায় ১১ মাসে হাফেজ হতে পেরেছে মুনতাসির। সূত্রঃকালবেলা

    এআর/এনই

  • ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : ড. খন্দকার মোশাররফ

    ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : ড. খন্দকার মোশাররফ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও কুমিল্লা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বহু কেন্দ্রে শতভাগ ভোট নৌকার পক্ষে পড়েছে, যা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমাকে ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় নিয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ‎

    গত শনিবার ‎আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার মেঘনায় গণমিছিল শেষে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    উপজেলার রাধানগর থেকে শুরু হয়ে গণমিছিলটি উপজেলার বাস কাউন্টার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মানিকারচর লাল মিয়া সরকার লতিফ মুন্সী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গণমিছিল শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

    এ সময় তিনি বলেন, মেঘনায় দীর্ঘদিন পর এলাম। এর আগে এখান থেকে আমি নির্বাচন করেছি। আমি ও এমকে আনোয়ার সাহেব মিলে এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন করেছি।

    তিনি আরও বলেন, যেসব এসপি-ডিসি এসব কাজে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে এখন ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। বিগত নির্বাচনগুলোতে দিনের ভোট রাতে হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন এবং ধানের শীর্ষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

    সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। গণমিছিলে সভাপতিত্ব করেন মেঘনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক রমিজ উদ্দিন লন্ডনি এবং সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক এমএম মিজানুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী দিলারা শিরিন, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সরকার, সাবেক যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান চেয়ারম্যানসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

    এআর/নিই

  • ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, ভোগান্তিতে তিতাসের ৪০ গ্রামের মানুষ

    ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, ভোগান্তিতে তিতাসের ৪০ গ্রামের মানুষ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার তিতাস উপজেলার আসমানিয়া বাজারে গোমতী নদীর ওপর নির্মাণাধীন পাকা সেতুর পাশে বিকল্প সেতুটি বন্যায় ভেঙে যায়। ভেঙে পড়ার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও পুনর্নির্মাণ হয়নি বিকল্প সেতু। এতে ভোগান্তি নিয়ে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় পারাপার হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীসহ দুই পাড়ের ৪০ গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ।

    সরেজমিনে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির রায়পুর বাসস্ট্যান্ড থেকে তিতাসের বাতাকান্দি বাজার পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার সড়কের আসমানিয়া বাজার এলাকায় গোমতী নদীর ওপর ১০ কোটি ৭৭ লাখ ২৪ হাজার ৬৯৯ টাকা ব্যয়ে ৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতুর নির্মাণকাজ চলছে।

    নদীর দুই পাড়ের মানুষের চলাচলের জন্য নির্মাণাধীন সেতুর পাশেই ৮০ মিটারের একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। যা গত বছরের ২৯ মে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ভেঙে যায়। পরে বাল্কহেডের মালিকদের সহযোগিতায় পুনরায় অস্থায়ী সেতুটি নির্মাণ করা হয়। বন্যার পানির প্রবল স্রোতে গত বছরের ২১ আগস্ট কাঠের ওই সেতুটি দ্বিতীয়বারের মতো ভেঙে যায়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীসহ নদীর দুই পাড়ের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তারা আপাতত ইঞ্জিনচালিত নৌকায় (ট্রলারে) নদী পারাপার হচ্ছেন।

    স্থানীয়রা জানান, গোমতী নদীর দক্ষিণ-পূর্বপাশে উপজেলার অন্যতম বৃহত্তর আসমানিয়া বাজার অবস্থিত। প্রতিদিন উত্তর-পশ্চিম পাড়ের গ্রামের লোকজন ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজে আসমানিয়া বাজারে যাতায়াত করে। দক্ষিণ-পূর্ব পাড়ের গ্রামের লোকজন আসমানিয়া বাজার হয়ে উপজেলা সদরে আসা-যাওয়া করে। এছাড়াও আশপাশের কয়েক উপজেলার মানুষের যাতায়াত রয়েছে আসমানিয়া বাজারে।

    এআর/নিই

  • হাঁস-মুরগির ঘর বানিয়ে স্বাবলম্বী কুমিল্লা সদর দক্ষিণের সাইফুল

    হাঁস-মুরগির ঘর বানিয়ে স্বাবলম্বী কুমিল্লা সদর দক্ষিণের সাইফুল

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বাহারি রঙের ঢেউটিন ও কাঠ দিয়ে দৃষ্টিনন্দন হাঁস-মুরগির ঘর তৈরি করে দারিদ্র্যকে জয় করেছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার পুরাতন চৌয়ারা বাজার এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম। জমিজমা তেমন একটা না থাকলেও সাইফুলের অদম্য চেষ্টায় হাঁস-মুরগির ঘর তৈরির মাধ্যমে অভাব থেকে মুক্তি মিলেছে।

    স্বচ্ছলতা এসেছে ৭ সদস্যের পরিবারে। সাইফুলের সফলতা দেখে পুরাতন চৌয়ারা বাজার এলাকায় বেশ কিছু নারী-পুরুষ কর্মসংস্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন বাহারি রঙের দৃষ্টিনন্দন হাঁস-মুরগির ঘর তৈরির কাজ।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রঙিন ঢেউটিন এবং কাঠ দিয়ে হাঁস-মুরগির ঘর তৈরি করছেন সাইফুল ইসলাম। তাকে সহাযোগিতা করেন তার দুই ছেলে সাকিব ও রাকিব।

    কাজ করার ফাঁকে সাইফুল ইসলাম জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এক সময় একাই কাজ করতে হতো। এখন ব্যবসার পরিধি বেড়ে যাওয়ায় আমাকে সহাযোগিতা করে দুই ছেলে। চাহিদা থাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে হাঁস-মুরগির ঘর নিতে আসেন ক্রেতারা। প্রতিটি খাঁচা আকারভেদে ৫-৮ হাজার টাকায় বিক্রি করি। প্রতিটি ঘরে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা লাভ হয়। এসব খাঁচা বিক্রি করে যা আয় হয় তাই দিয়ে চলে আমার সংসার।

    সাইফুলের বড় ছেলে সাকিব বলেন, গ্রামে হাঁস-মুরগি পালন করতে হলে এসব ঘর লাগে। প্রত্যেক পরিবারে এসব ঘর থাকে। বর্তমানে চাহিদাও ভালো। আমাদের দেখাদেখি আশপাশের অনেকে এ কাজ শুরু করছেন।

    সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তানজিলা ফেরদৌসী বলেন, হাঁস-মুরগি পালনের জন্য এসব আয়তাকার ঘর সবচেয়ে ভালো। কারণ এগুলো পরিবেশবান্ধব। হাঁস-মুরগির ঘর পূর্ব পশ্চিমে লম্বালম্বি এবং দক্ষিণমুখী হলে ভালো হয় ।তবে গ্রামগঞ্জে গ্যাবল টাইপ বা দোচালা ঘর এবং শেড টাইপ বা একচালা ঘর এ দুধরনের হাঁস-মুরগির ঘর বেশি দেখা যায়। এ ধরনের ঘরের সুবিধা হচ্ছে যেকোনো প্রয়োজনে স্থানান্তর করা যায়।

    কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবাইয়া খানম কালবেলাকে বলেন, উপজেলার এসব উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদেরকে সবধরনের সহযোগিতা করা হবে। তারা যদি একটি সমিতি গঠন করে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তাহলে সেই সমিতিকে নিবন্ধনের বিষয়ে সহযোগিতা করা হবে। সমিতির নিবন্ধন হলে প্রতিবছর একটি আর্থিক অনুদান পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

    এআর/এনই
  • মনোহরগঞ্জে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিপাকে খামারিরা

    মনোহরগঞ্জে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিপাকে খামারিরা

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় বছরে একবার বোরো ধানের চাষ হয়। গবাদি পশু পালনে গেরস্ত থেকে খামারি সবাইকে ধানের খড়, কুঁড়া ও ভুসির উপর নির্ভর করতে হয়। বছরে একবার বোরো ধানের চাষাবাদ হওয়ায় বছরের মাঝামাঝি সময়ে দেখা দেয় খাদ্য সংকট।

    অনেক সময় খামারিরা এক এলাকায় থেকে অন্য এলাকায় গিয়ে গোখাদ্য সংগ্রহ করেন। বেশি দামে কিনে আনেন ধানের খড় ও কুঁড়া। ফলে বিপাকে পড়ে অনেক খামারি গরু-ছাগল কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন।

    হাসানাবাদ ইউনিয়নের খামারি মো. পারবেজ চোধুরী বলেন, আমার খামারে প্রায় ৩০টি গরু ছিল। খাদ্যের সংকটের কারণে অনেকগুলো গরু কম দামে বিক্রি করে দিয়েছি। এখন খামারে মাত্র সাতটি ষাঁড় গরু আছে।

    খিলা ইউনিয়ন দাড়াচৌঁ গ্রামের গরু খামারি রফিকুজ্জামান হিরন বলেন, আমি গরুর ফার্ম করব বলে নতুন ঘর নির্মাণ করেছি। কয়েকটি ষাঁড় গরুও কিনেছি। খাদ্যের সংকটের কারণে খামারটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। গ্রামের মানুষ যারা গরু পালন করেন, তারা গরুকে সাধারণত ধানের খড়, খৈল, কুঁড়া, ভুসি খাওয়ায়। আমাদের এলাকায় বছরে একবার বোরো ধানের আবাদ হয়। ফলে গরু খাবারের সংকটে পড়েন অনেকে। ফিড ও খৈলের দাম বেশি হওয়ায় খামার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানুষ বছরে একবার বন্যার কবলে পড়েন। ফলে অনেক খামারি খাদ্যের সংকটে পড়ে। উঁচু জমিতে ঘাস চাষ ও খাস জমি দেখে একটি গোচরণ ভূমি তৈরি করলে খাদ্য সংকট কমে যেতে পারে।

    এআর/নিই

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডারের গ্রিল ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডারের গ্রিল ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপদ পারাপারে প্রতিটি স্টেশন এলাকা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ফুট ওভারব্রিজ। কিন্তু অধিকাংশ ফুট ওভারব্রিজই ফাঁকা পড়ে আছে। পথচারীরা ওই ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার করছে দেশের লাইফ লাইন-খ্যাত ব্যস্ততম মহাসড়কটি।

    শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিতসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ মহাসড়কে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করছে না। মৃত্যুঝুঁকি জেনেও মহাসড়কের মাঝ দিয়েই এক পাশ থেকে অন্য পাশে যান পথচারীরা। এতে প্রায়ই ঘটছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। কেউ বা চিরতরে হচ্ছেন পঙ্গু।

    পথচারীদের ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে বাধ্য করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ নিচু বিভাজনের ওপর কোথাও এক থেকে দুইশ মিটারজুড়ে লোহার গ্রিল দিয়েছে। কিন্তু স্থানীয়রা রাতের অন্ধকারে ওই গ্রিল ভেঙে যাতায়াতের পথ নিশ্চিত করে। আর অসচেতন পথচারী দিন-রাত ওই ভাঙা গ্রিল দিয়েই মহাসড়ক পারাপার হন।

    কুমিল্লা সড়ক বিভাগ বলছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের ১০৫ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন ব্যস্ত এলাকায় ৫৪টি ফুট ওভারব্রিজ রয়েছে। প্রতিটি ব্রিজ নির্মাণে সরকারের কোটি কোটি খরচ হয়েছে। কিন্তু মানুষ সেসব ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে চলাচল করছে মহাসড়কে।

    হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে, গত ৯ মাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪৬৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নিহত হয়েছেন ২৮৪ জন। পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন ৫০৯ জন। রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেছে অনেকের।

    সরেজমিন দেখা গেছে, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাসস্টেশনে রয়েছে একটি ফুট ওভারব্রিজ। কোটি টাকা ব্যয়ে ফুট ওভারব্রিজটি নির্মাণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু এই ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে একজনকেও পারাপার হতে দেখা যায়নি। ফুট ওভারব্রিজটি মাত্র ১০০ ফুটের মধ্যে নিচু বিভাজন ও বিভাজনের কাটা অংশ থাকায় সব বয়সের নারী-পুরুষ ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হচ্ছেন।

    চান্দিনা-বাগুর বাসস্টেশনটি জেলার অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। চান্দিনা-দেবিদ্বার, বরুড়া উপজেলার এবং বুড়িচং উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা ওই স্টেশনটি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। স্টেশনে থাকা ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ উভয় পাশে অন্তত ২০০ মিটার লোহার উঁচু গ্রিল স্থাপন করে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে ওই গ্রিল ভেঙে ফেলে স্থানীয়রা। আর ওই ভাঙা অংশেই প্রতিদিন যাতায়াত করছে হাজার হাজার পথচারী। ফলে ওই স্টেশনটিতে যানজট নিত্যসঙ্গী। এ ছাড়া মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ, কুটুম্বপুর, গোবিন্দপুর, নিমসার অংশের ফুট ওভারব্রিজগুলো ব্যবহারই হচ্ছে না।

    গত ১৯ নভেম্বর মহাসড়কের কুটুম্বপুর স্ট্যান্ডে ফুট ওভারব্রিজ থাকা সত্ত্বেও নিচ দিয়ে পারাপারের সময় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় ডাম্প ট্রাকচালকের মৃত্যু হয়। মাধাইয়া বাসস্ট্যান্ড ও চান্দিনা বাসস্ট্যান্ডে কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। অথচ পাশেই ফুট ওভারব্রিজ।

    জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়ে সড়ক পারাপার করা এসব মানুষের কেউ অসুস্থতার অজুহাতে, কেউ সময় বাঁচাতে, কেউ আবার অভ্যাস থেকেই দ্রুতগতির গাড়ির সামনেই সড়ক পার হতে দেখা গেছে।

    ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, মহাসড়কে রাস্তা পারাপারে মানুষের সচেতন হতে হবে। এর বিকল্প কিছু নেই। পুলিশের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, আমরা সেটাকে ব্যবহার করে মানুষকে ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে পারাপারে উদ্বুদ্ধ করছি। কিন্তু পথ যারা ব্যবহার করেন, প্রত্যেককে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

    সড়ক ও জনপথ বিভাগের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা ফুট ওভারব্রিজ তৈরি করে দিয়েছি। সড়কে চলাচলকারী সবার উচিত নিজ দায়িত্বে এটাকে ব্যবহার করা। মানুষকে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে সচেতন করতে আমরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। আমরা মহাসড়কের মাঝখানে লোহার রড দিয়ে ঘেরাও করে দিই, মানুষ সেসব রড ভেঙে রাস্তার মাঝ দিয়ে চলাচল করে। আমরা আমাদের পক্ষে যেটা করণীয় সেটা করে যাচ্ছি, মানুষকে সচেতন হতে হবে। সূত্রঃ কালবেলা

    এআর/এনই

  • প্রাইভেটকার চাপায় প্রাণ গেছে সাবেক ইউপি সদস্যের

    প্রাইভেটকার চাপায় প্রাণ গেছে সাবেক ইউপি সদস্যের

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার বুড়িচংয়ে প্রাইভেটকারচাপায় আব্দুল ওহাব নামের সাবেক এক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। গত সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাবিলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত আব্দুল ওহাব (৬০) উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ছমির উদ্দিনের ছেলে। তিনি মোকাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ছিলেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে উল্টো পথে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন আব্দুল ওহাব। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি প্রাইভেটকার মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কাবিলা ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি ইকবাল বাহার বলেন, দুর্ঘটনার পর প্রাইভেটকারটি পালিয়ে গেছে। যানবাহনটি শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করছে।