ক্যাটাগরি খবর

  • থানায় অভিযোগের পর ব্যবসায়ীর বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ

    থানায় অভিযোগের পর ব্যবসায়ীর বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ

    ডেস্ক নিউজ:

    নড়াইল সদর উপজেলায় চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়েরের পরের দিনই আসাদুল খন্দকার নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। যদিও বিস্ফোরণে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তবে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে ব্যবসায়ীর পরিবার।

    বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সদরের আগদিয়া গ্রামের ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নড়াইল সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জামিল কবির ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ব্যবসায়ী আসাদুলের মুঠোফোনে অপরিচিত এক নম্বর থেকে ফোন করে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। দ্বিতীয় দফায় ঘণ্টা খানেক পর আবারও ফোন করে চাঁদা না দিলে বোমা মারার হুমকি দেওয়া হয়। পরের দিন (২৮ অক্টোবর) সদর থানায় ভুক্তভোগী একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগের পরদিন বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিস্ফোরণ ঘটানোর পর হুমকি দাতারা পুনরায় আসাদুলকে ফোন করে নিশ্চিত করেন, তারা কথা রেখেছেন। ওই কল রেকর্ডে হুমকিদাতাকে বলতে শোনা যায়, ‘আসাদুল, তুই বলছিলি যা পারি করতে। দেখছিস পারি কি না? ফোন নম্বর নিয়ে যা পারিস কর’।

    ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আসাদুল খন্দকার বলেন, আমার ছেলে-মেয়ের তথ্য দিয়ে আমাকে মুঠোফোনে দুই দফায় হুমকি দেওয়া হয়। ৬ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে বোমা মারার হুমকিও দেয় তারা। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) হুমকিদাতাদের মোবাইল নম্বর নিয়ে সদর থানায় ঘুরে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে না পেরে অভিযোগ দিয়ে আসি। অভিযোগ দিয়ে আসার পর, পুলিশ আমার খোঁজ না নিলেও সন্ত্রাসীরা ঠিকই বোমা মেরে গেছে।নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, কে বা কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তদন্ত করে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সুত্র: প্রথম আলো

  • নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৭

    নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৭

    ডেস্ক নিউজ:

    নড়াইলের লোহাগড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের বড়দিয়া-মঙ্গলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    আহতরা হলেন, প্রিন্স শেখ (২৬), বিপুল মোল্যা (৪০), রানা মোল্যা (৩০), রাসেল মোল্যা (৩০), রাফিন (১৬), সৌরভ মোল্যা (১৪) ও মিল্টন মোল্যা (৩০)।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয় বিপুল মোল্যা ও মিল্টন মোল্যার মধ্যে ধান মাড়াই করা ধুলোবালি ঘরের মধ্যে প্রবেশ করা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়। পরে এ ঘটনা নিয়ে নওশের মোল্যা সমর্থিত বিপুল মোল্যা ও মজিবর মেম্বারের সমর্থিত মিল্টন মোল্যার মধ্যে দেশীয় অস্ত্র, টেঁটা (কোচ) ও ছুরি নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় সংঘর্ষে বিপুল মোল্যা মুখে টেঁটাবিদ্ধ হন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকার পরিবেশ বর্তমানে শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

  • গাংনী সমবায় দিবস পালন

    গাংনী সমবায় দিবস পালন

    ডেস্ক নিউজ:

    “সাম্য ও সমতায় দেশ গড়বে সমবায়” প্রতিপাদ্যে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় পালন করা হয়েছে ৫৪ তম জাতীয় সমবায় দিবস।

    এ উপলক্ষে  শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় গাংনী উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ কের একটি র‌্যালী।

    পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা সমবায় অফিসার আবু হাসেমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসেন।

    বিশেষ অতিথি মেহেরপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম সোনা। এসময় অন্যেদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন, চাঁদপুর সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম, গাংনী উপজেলা বিএনপির সংগঠনিক সম্পাদক আব্দাল হক, ডিজিটাল বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি তোফায়েল হোসেন প্রমুখ।গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।

  • কুষ্টিয়ার দৌলতপুর: পদ্মার দুর্গম চরে সক্রিয় ডজনখানেক বাহিনী

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুর: পদ্মার দুর্গম চরে সক্রিয় ডজনখানেক বাহিনী

    • চরে সক্রিয় কাকন, মণ্ডল, টুকু, সাইদ, লালচাঁদ, রাখি, কাইগি, রাজ্জাক ও বাহান্ন বাহিনী
    • জমি দখল, ফসল কেটে নেওয়া, চাঁদাবাজি, বালু উত্তোলন, মাদক ও অস্ত্র পাচারে জড়িত এসব বাহিনী
    • অনেকে বংশপরম্পরায় ধরেছেন বাহিনীর হাল। পুলিশের অভিযান শুরু। প্রথম দিনে গ্রেপ্তার নেই

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীর দুর্গম চরাঞ্চল এবং ভারত সীমান্তঘেঁষা অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি পদ্মার চরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ এবং ঘণ্টাব্যাপী গোলাগুলিতে তিনজন নিহতের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। খোঁজ নিয়ে জানা যাচ্ছে, শুধু কাকন কিংবা মণ্ডল বাহিনী নয়; টুকু, সাইদ, লালচাঁদ, রাখি, কাইগি, রাজ্জাক ও বাহান্ন বাহিনীও সক্রিয় এই চরাঞ্চলে।

    রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব বাহিনী জমি দখল, ফসল কেটে নেওয়া, চাঁদাবাজি, বালু উত্তোলন, মাদক, অস্ত্র পাচারসহ নানা অপরাধে জড়িত। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বাহিনী পদ্মার এমন দুর্গম চরে ‘সাম্রাজ্য’ গড়ে তুলেছে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রবেশ সীমিত। রাজশাহী, নাটোর ও পাবনা জেলার দুর্গম চরাঞ্চলজুড়ে তাদের বিস্তার।

    সম্প্রতি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পদ্মা নদীর দুর্গম চরে কাকন বাহিনী ও মণ্ডল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের তিনজন নিহত হন। এরপর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় করা মামলায় ‘কাকন বাহিনীর’ প্রধান কাকনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা পুলিশের একাধিক ইউনিট শতাধিক সদস্য নিয়ে পদ্মার চরে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে। তবে প্রথম দিনের অভিযানে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দৌলতপুরের পদ্মা চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে ডজনখানেক সন্ত্রাসী গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। তবে ২০ বছর আগে দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর উত্থান ঘটেছিল বিস্তৃত পদ্মার দুর্গম এই চরাঞ্চলে। তাদের ভাগ না দিয়ে কেউ চরের ফসল ঘরে তুলতে পারত না। এ নিয়ে দ্বন্দ্বে তাদের হাতে ওই সময় ৪১ জন খুন হয় বলে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। তখন চরের মাটিতে পা দিতে গা ছমছম করত। দুই বাহিনীর নাম ছিল ‘পান্না বাহিনী’ ও ‘লালচাঁদ বাহিনী’। পান্নার ওস্তাদ ছিলেন এই কাকন। সূত্র জানায়, এ বছরের জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ‘কাকন বাহিনী’র বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী, বাঘা, লালপুর ও দৌলতপুর থানায় মোট ছয়টি মামলা হয়েছে। বাহিনীর প্রধান কাকন পাবনার ঈশ্বরদী কলেজ রোডের বাসিন্দা হলেও তাঁর পৈতৃক নিবাস কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় গ্রামে।

    ১৯৯৪ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি চাকরি করলেও ২০০৫ সালে পান্না নিহত হওয়ার পর ২০০৭ সালে সৌদি আরব থেকে ফিরে এসে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় বালুমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণ শুরু করেন। এর পর থেকে তিনি নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করেন। বর্তমানে তাঁর বাহিনীতে প্রায় ৪০ জন সদস্য রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

    গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নইম উদ্দিন সেন্টুকে নিজ কার্যালয়ে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আলোচনায় আসে টুকু বাহিনী। বাহিনীর প্রধান তরিকুল ইসলাম ওরফে টুকু ফিলিপনগর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর দলের সদস্য ২০ জনের বেশি। হত্যাকাণ্ডের পর টুকুসহ বেশ কয়েকজন সহযোগীর নামে মামলা হয়, যদিও আটকের পরে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান।

    চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি রাতে মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর মণ্ডলপাড়া এলাকায় রাজু আহমেদ (১৮) নামের এক যুবককে গুলি চালিয়ে হত্যা করে সাইদ বাহিনী। বাহিনীর প্রধান আবু সাঈদ মণ্ডল (৩৫) মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর দক্ষিণ ভাঙ্গাপাড়া এলাকার ভাদু মণ্ডলের ছেলে। তাঁর বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় ৯টির বেশি মামলা রয়েছে।

    ২০০৯ সালে লালচাঁদ বাহিনীর প্রধান লালচাঁদ নিহত হওয়ার পর তাঁর ভাই সুখচাঁদ দায়িত্ব নেন। তাঁরা ফিলিপনগর এলাকার বাসিন্দা।

    বাহিনীতে লালচাঁদের ছেলে রুবেলসহ একাধিক সদস্য সক্রিয় রয়েছেন। এ বাহিনীর বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে।

    দৌলতপুর থানায় আলোচনায় থাকা আরেক বাহিনী ‘রাখি বাহিনী’র প্রধান রাকিবুল ইসলাম রাখি। তাঁর বিরুদ্ধে সাতটি মামলা রয়েছে। তাঁর বাড়ি ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড়ে। এ ছাড়া রয়েছে কাইগি বাহিনী, রাজ্জাক বাহিনী ও বাহান্ন বাহিনী।

    একাধিক গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ৫ আগস্টের পর দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে বিপুল অস্ত্র দেশে ঢোকার তথ্য রয়েছে। জানা গেছে, তিন চালানে মোট প্রায় ২ হাজার আগ্নেয়াস্ত্র এসেছে দেশে।

    দুর্গম চরে অভিযান

    গত বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ ১২০ জন সদস্য নিয়ে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তবে পুলিশ এই অভিযানে চরবাসী খুবই খুশি। এতে জনমনে স্বস্তি ফিরবে বলে তাঁরা আশা করছেন সেখানকার বাসিন্দারা।

    গতকাল শুক্রবার সকালে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফয়সাল মাহমুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই অভিযান রাতেও চলবে। অভিযান শেষ হবে না। এটা যে শুধু আসামি ধরা, তা নয়। মানুষকে আশ্বস্ত করা হচ্ছে, সন্ত্রাসীদের আশ্রয় এই চরগুলোতে আর হবে না।’ সূত্রঃ আজকের পত্রিকা

    বিডিটাইমস/এআর/নিই/

  • সাতক্ষীরার টালি যাচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায়

    সাতক্ষীরার টালি যাচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায়

    ডেস্ক নিউজ:

    কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বলেছেন- ‘মধুর চেয়ে আছে মধুর, সে এই আমার দেশের মাটি, আমার দেশের পথের ধূলা, খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি।’ আর জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন- ‘ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি, আমার দেশের মাটি।’ সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মুরারিকাটি গ্রামের মাটি যেন কবিদের সেই কথার দৃষ্টান্ত। কারণ এই গ্রামের মাটিতে তৈরি দৃষ্টিনন্দন টালি যাচ্ছে ইউরোপ আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

    জানা গেছে, মুরারীকাটি গ্রামের মৃৎশিল্পীরা তাদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় এসব টাইলস তৈরি করেন। একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এখনও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি এই পালপাড়ায়। আগের মতোই মাটি সংগ্রহ করে বছরের পর বছর উঁচু স্তূপ করে রাখতে হয়। তারপর সেখান থেকে মাটি কেটে কুমাররা পায়ের মাধ্যমে কাদা তৈরি করেন মণ্ড বা খামির। মাটি তৈরির পর শিল্পী তার নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ও খাঁচে ফেলে তৈরি করেন বিভিন্ন ধরনের টাইলস। সেগুলো রোদে শুকিয়ে তারপর রঙ ধরানো হয়। রঙ লাগানোর কাজ শেষ হলে রোদে শুকিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে আগুনে পোড়ানোর জন্য সাজানো হয় এই টাইলস।

    ব্যবসায়ীরা জানান, ২০০২ সালের পর এই টাইলস তৈরি শুরু হয়। সে সময়ে ৪১টি কারখানা থাকলেও এখন টিকে আছে মাত্র ১৩টি কারখানা। সেখান থেকে উৎপাদিত টালি বছরে ১০ থেকে ১২ কোটি মতো টালি ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হয়। দেশে আসে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার মতো বৈদেশিক মুদ্রা। মুরারিকাটিতে মাটিতে তৈরি উৎপাদিত টালির মধ্যে ফেক্স এ্যাংগুলার, হেড ড্রাগুলার, স্কাটিং, স্টেম্প, স্কয়ার, রুপ, ব্রিকস্ ও ফ্লোর টালি রফতানি হচ্ছে। রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান জেকে ইন্টাররন্যাশনাল, নিকিতা ইন্টারন্যাশনাল, মা-কটোস্ ইন্টারন্যাশনালসহ ১০ থেকে ১২টি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মুরারিকাটিতে উৎপাদিত টালি ইউরোপ-আমেরিকায় রফতানি করছে। সংশ্লিষ্টরা জানান,  আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের রফতানিতে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারে মুরারিকাটির টালি।

    টালি কারখানার শ্রমিক রুস্তম শেখ বলেন, আমাদের এই মাটি মাঠের মিষ্টি মাটি। মহাজন এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে এই মাটি কিনে আনে। বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এই মাটি দিয়ে টালি তৈরি করা হয়।

    শ্রমিক মো. আব্দুর রশিদ বলেন, মুরালিকাটির মাটি মিষ্টি মাটি। এই মাটি সোনার চাইতে খাঁটি। এ কারণে এই মাটিটা বিদেশে রফতানি হয়। মাটি দিয়ে তৈরির এসব কারখানায় আমরা পাঁচ থেকে ছয়টি কর্মজীবী মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

    প্র-এসও অর্গানিক টাইলস কোম্পানির মালিক কামাল হোসেন ভুট্টু বলেন, যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন তারা এই সিন্ডিকেট তৈরি করে। সিন্ডিকেটের কারণেই আমরা যারা দীর্ঘদিন ব্যবসা পরিচালনা করছি আমাদের কোনো পরিবর্তন নেই। তিনি সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টালি আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান ‘জে কে ইন্টারন্যাশনাল’ এর সিইও জাকির হোসেন বলেন, সাতক্ষীরা কলারোয়ার মুরালিকাটির মাটি বেলে হওয়ার কারণে এই মাটি দিয়ে টালি সুন্দরভাবে উৎপাদন হয়। যেটা বিশ্বমানের টালি হয়ে ওঠে। এই মাটিটা পোড়ানোর পরে যে সৌন্দর্য্যতা হয় সেটি পৃথিবীর সব থেকে বেশি সুন্দর টালি হয়ে ওঠে। যার জন্য এই টালি দিয়ে আমরা গোটা দুনিয়ার মার্কেট দখল করতে পেরেছি। যারা একবার কলারোয়ার মাটির তৈরি টালি ব্যবহার করেছে তারা পৃথিবীর অন্য কোনো মাটির তৈরি টালি ব্যবহার করবে না।

    তিনি বলেন, আমরা এই টালি বিশ্ববাজারে রফতানি করে থাকি। বিশেষ করে এটার বড় বাজার ইটালিতে। যার জন্য এই কলারোয়াকে ইটালির শহর বলা হয়ে থাকে। এছাড়া, আরব আমিরাত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, তুর্কি ও ব্রিটেনের লন্ডনে আমরা রফতানি করে থাকি।

    বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) সাতক্ষীরার উপ-ব্যবস্থাপক গৌরব দাস বলেন, কলারোয়ার মুরালিকাটির টালি খুব সম্ভাবনাময় একটি শিল্প। আমাদের পক্ষ থেকে এই শিল্প এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের আর্থিক এবং কারিগরি সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।

  • নির্বাচন ঠেকানোর পাঁয়তারা করে লাভ হবে না : জুয়েল

    নির্বাচন ঠেকানোর পাঁয়তারা করে লাভ হবে না : জুয়েল

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ও ঢাকা উত্তর মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েল বলেছেন, জনগণের ভোটই নির্ধারণ করবে দেশের নেতৃত্ব। নির্বাচন ঠেকানোর চেষ্টা বা বানচালের পাঁয়তারা করে কোনো লাভ হবে না।

    তিনি বলেন, নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে, আর জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করবেন।

    শনিবার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়া বাজার ও শেহালা এলাকায় বিএনপির দুটি আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধনের পর টানা দুটি উঠান বৈঠকে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন শরিফ উদ্দিন জুয়েল। এ সময় তিনি স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনগণের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    শরিফ উদ্দিন জুয়েল বলেন, জনগণ এখন অনেক সচেতন। তারা জানে, অরাজকতা বা ষড়যন্ত্র করে কোনো রাজনৈতিক দল টিকে থাকতে পারে না। দেশের মানুষ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায়। তারা গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চায়। তিনি আরও বলেন, যারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতে চাচ্ছে, তারা আসলে জনগণকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

    বৈঠকে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের একটি দফা ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ করেন। পাশাপাশি ৩১ দফা সুফল সাধারণ মানুষের মধ্যে তুলে ধরে তিনি ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, শরিফ উদ্দিন জুয়েল দীর্ঘদিন ধরে দৌলতপুরের মানুষের পাশে আছেন। তিনি যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের বিশ্বাস, আসন্ন নির্বাচনে তিনি দৌলতপুরবাসীর আস্থা অর্জন করবেন।

    উঠান বৈঠক শেষে শরিফ উদ্দিন জুয়েল এলাকাবাসীর খোঁজখবর নেন ও তাদের বিভিন্ন সমস্যা শোনেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, বিএনপি থেকে যদি মনোনয়ন পাই, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে দৌলতপুরকে একটি আধুনিক, শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন।

    স্থানীয় তরুণরা বলেন, শরিফ উদ্দিন জুয়েলের মতো নেতৃত্বই দেশের প্রয়োজন যিনি রাজনীতিকে জনগণের সেবার হাতিয়ার হিসেবে দেখেন এবং মাঠপর্যায়ে মানুষের সঙ্গে কাজ করতে জানেন।

    বৈঠকে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা আসন্ন নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

    বিডিটাইমস/এআর/নিই/

  • শতবর্ষী পোস্ট অফিসে তালা, অবশেষে উন্মুক্ত

    শতবর্ষী পোস্ট অফিসে তালা, অবশেষে উন্মুক্ত

    ডেস্ক নিউজ:

    সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত শতবর্ষী এক পোস্ট অফিসকে নিজের সম্পত্তি দাবি করে তালা ঝুলিয়ে দেন এক ব্যক্তি। এ সময় তিনি দরজায় ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডও লাগিয়ে দেন। পরে প্রশাসন ও স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে অবশেষে তালা খুলে পুনরায় উন্মুক্ত করা হয় পোস্ট অফিসটি।

    সোমবার  আশাশুনি উপজেলার চাম্পাফুল স্কুলগেট সংলগ্ন শোভনালী পোস্ট অফিসে এ ঘটনা ঘটে।

    পোস্ট অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত পোস্টমাস্টার মো. খাদেমুল ইসলাম বলেন, সোমবার সকালে চাম্পাফুল গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে আহসানুল্লাহ মীম কয়েকজনকে নিয়ে এসে দাবি করেন, পোস্ট অফিসের ভবনটি তাদের জায়গায় নির্মিত। এরপর দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন এবং নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেন।

    তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।

    জানা গেছে, মঙ্গলবার  আশাশুনি উপজেলা এসিল্যান্ড অফিসের সার্ভেয়ার, পুলিশ, শোভনালী ভূমি অফিসের নায়েবসহ স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জায়গা মাপা হয়।

    সার্ভেয়ার অমল কুমার জানান, পোস্ট অফিসটি ২০৬ ও ২১০ দাগের জমিতে অবস্থিত এর মধ্যে ২১০ দাগ সরকারি রাস্তার জমি হলেও ২০৬ দাগ ব্যক্তিমালিকানাধীন। তবে খতিয়ান যাচাই না করে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। পরে এসিল্যান্ড কার্যালয়ে ডেকে পাঠানো হলে আহসানুল্লাহ মীম নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং পোস্ট অফিসের দরজার তালা খুলে দেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা কামাল সরদার বলেন, আমার জন্মের আগ থেকেই এই পোস্ট অফিস এখানে রয়েছে। হঠাৎ করে কেউ এসে তালা ঝুলিয়ে দিল, এটা মেনে নেওয়া যায় না।

    আরেক স্থানীয় খায়রুল ইসলাম বলেন, পোস্ট অফিস বন্ধ থাকায় দুদিন ধরে লোকজন বিপাকে পড়েছেন। অনেকের গুরুত্বপূর্ণ চিঠি ও পরীক্ষার কাগজপত্র আটকে গেছে।

    আশাশুনি উপজেলা পোস্টমাস্টার মীর আহছানুজ্জামান বলেন, পোস্ট অফিস সরকারি সম্পত্তি। এভাবে তালা ঝুলিয়ে দেওয়াটা দুঃখজনক। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

    আশাশুনি থানার ওসি সামছুল আরেফিন বলেন, এটি জমিসংক্রান্ত বিষয় হওয়ায় আমরা এসিল্যান্ডকে জানিয়েছি। তবে ভবিষ্যতে এমন দুঃসাহস কেউ দেখালে কঠোর আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল আহমেদ বলেন, জমির মালিকানা নিয়ে কিছু জটিলতা আছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তৎকালীন মালিক হেমনাথ মজুমদার পোস্ট অফিসের জায়গাটি লিখে দিলেও সেটি রেজিস্ট্রেশন করা হয়নি। বিষয়টি বিস্তারিত যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, যতদিন পর্যন্ত জমির মালিকানা পরিষ্কার না হবে, ততদিন কেউ পোস্ট অফিসের কার্যক্রমে বাধা দিতে পারবে না। বিষয়টি পোস্টমাস্টার জেনারেলকেও জানানো হবে।

  • কুষ্টিয়ায় রেলসেতুর নিচে নারীর লাশ, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

    কুষ্টিয়ায় রেলসেতুর নিচে নারীর লাশ, ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

    ডেস্ক নিউজ

    কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে রেলসেতুর নিচ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর মাথায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে। পুলিশ ও তাঁর স্বজনদের ধারণা, ধর্ষণের পর ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে।

    শনিবার (১নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন রেলসেতুর নিচ থেকে ৫২ বছর বয়সী ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    পরে তাঁর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত নারী উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর স্বামী ও সন্তান রয়েছে।

    জানা গেছে, এদিন ৬টার দিকে রেলসেতুর নিচে এক নারীর রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে খবর পেয়ে ওই নারীর ছেলে এসে তাঁর লাশ শনাক্ত করে। বেলা ১১টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

    নিহত নারীর ছেলে বলেন, ‘মা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। কয়েক দিন আগে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি। গত শুক্রবার সকালে গোয়ালন্দ রেলস্টেশনে মাকে দেখা গিয়েছিল বলে জানা গেছে। এরপর সেখানে গিয়ে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে লাশের সন্ধান পেয়ে কুমারখালী এসে মাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে বলে পুলিশের সন্দেহ। সে জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’

    কুমারখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রশিদ বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করা নারীর মাথায় আঘাতের ক্ষত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণের পর তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে এ বিষয়ে এখনো মামলা হয়নি।’ সূত্রঃ দৈনিক আজকের পত্রিকা

    বিডি/ এআর/ নিইআর/

  • চৌগাছায় জিআই পণ্য খেজুরগুড় সংগ্রহে গাছ কাটা’র উদ্বোধন 

    চৌগাছায় জিআই পণ্য খেজুরগুড় সংগ্রহে গাছ কাটা’র উদ্বোধন 

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের জিআই পণ্য খেজুর গুড়ের রস সংগ্রহের জন্য গাছ কা’টার (গাছ তোলা ও চাচ দেয়া) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
    রোববার (২নভেম্বর) বেলা পৌনে ১২টায় চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুরে গাছ তোলা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনুর আক্তার।
    এসময় এসিল্যান্ড প্রকৌশলী তাসমিন জাহান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও হাকিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, প্রেসক্লাব চৌগাছার সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন, প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা আনোযারুল ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা তাসলিমা জেবিন, সমাজসেবা কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আঞ্জুমান আরা মাহমুদা, সমবায় কর্মকর্তা ওয়াহিদুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামসুন্নাহার, খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    হায়াতপুর গ্রামের গাছি আব্দুর রহমান গাজী গাছ তোলা ও চাচ দেয়া কাজ করেন। তার সাথে গাছি কামাল হোসেনসহ কয়েকজন গাছি ও স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
    ২০২২ সালে চৌগাছার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্তমান যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানার উদ্যোগে যশোরের ঐতিহ্যবাহী খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য সংরক্ষণে খেজুরগুড়ের মেলা, গাছিদের প্রশিক্ষণ, গাছি সমাবেশ, গাছিদের সমবায় সমিতি গঠন, খেজুর গাছ রোপণ ও সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। একই বছর যশোরের বিখ্যাত খেজুর গুড়কে জিআই পণ্যের স্বীকৃতির আবেদন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইরুফা সুলতানা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে খেজুরগুড়কে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দেয় সরকার। সে বছর থেকে প্রতি বছর ১লা মাঘ থেকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে খাটি খেজুর গুড়ের মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এবারও মেলা যথা সময়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে উপজেলা প্রশসন সূত্রে জানা গেছে।
    বিডিটাইমস/এআর/নিইআর/
  • শালিখায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ

    শালিখায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির অভিযোগ

    বিডিনিউজ ডেস্ক:

    মাগুরার শালিখায় গোপনে ঘোড়া জবাই করে গরুর মাংস বলে বাজারে বিক্রি করছে এমন অভিযোগ উঠেছে।

    স্থানীয়রা জানায়, মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার শতপাড়া গ্রামের মাংস বিক্রেতা হিরন বিশ্বাস রবিবার ভোর রাতে নিজ বাড়ির পিছনে চিত্রা নদীর তীরে নির্জন জায়গায় একটি ঘোড়া জবাই করেন। এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে হিরণ বিশ্বাস পালিয়ে যায়। এ সময় তারা জবাইকৃত ঘোড়াটি পড়ে থাকতে দেখে হাজরাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে সংবাদ দেন।

    মাংস বিক্রেতা হিরণ বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে এভাবে গরুর নাম করে বাজারে ঘোড়ার মাংস বিক্রি করে মানুষকে ঠকিয়ে আসছিলেন বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।

    শালিখার হাজরাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি সুলতান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জবাইকৃত একটি ঘোড়া পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে পুলিশ পৌঁছবার আগেই বিক্রেতা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি৷