ক্যাটাগরি খবর

  • সাবেক সংসদ সদস্য রুবিনা আক্তার ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের পৃথক মামলা

    সাবেক সংসদ সদস্য রুবিনা আক্তার ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের পৃথক মামলা

    জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তার মীরার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই অভিযোগে তাঁর স্বামী মো. মোশারফ হোসাইন সরদারের বিরুদ্ধেও পৃথক মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের উপপরিচালক রেজাউল করিম বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন।

    রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সৈয়দা রুবিনা আক্তার মীরা নিজের নামে ১ কোটি ৫৭ লাখ ১৮ হাজার ৪৪ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করেছেন, যার বৈধ কোনো উৎস তিনি দেখাতে পারেননি। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তাঁর নামে থাকা ১০টি ব্যাংক হিসাবে ১৩৯ কোটি ৩৫ লাখ ৮২ হাজার ৯৬৪ টাকা জমা এবং ১৩৯ কোটি ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৬৬৮ টাকা উত্তোলন করেছেন তিনি। এতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৭৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

    দুদক জানায়, এসব লেনদেন সন্দেহজনক এবং তা মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে।

    একই ধরনের অভিযোগে সৈয়দা রুবিনা আক্তারের স্বামী মো. মোশারফ হোসাইন সরদারের বিরুদ্ধেও একটি মামলা হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তিনি নিজের নামে ১ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৫০৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁর নামে থাকা তিনটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ১৮৪ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ৪০৪ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে ১৮২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬৮ টাকা। এ হিসাবে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৬৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

    এ মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন। মো. মোশারফ হোসাইন সরদারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, স্ত্রী রুবিনা আক্তারের সহায়তায় তিনি এসব করেছেন।

  • চুয়াডাঙ্গায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ২১টি স্বর্ণের বারসহ একজন আটক

    চুয়াডাঙ্গায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ২১টি স্বর্ণের বারসহ একজন আটক

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
    ভারতে পাচারের আগেই চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ টাকা মূল্যের ২ কেজি ৪৪৯ গ্রাম ওজনের ২১টি অবৈধ স্বর্ণের বারসহ এক চোরাকারবারীকে আটক করেছে বিজিবি।
    বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত পৌঁনে ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক হায়দার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যে জানতে পারেন যে, চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাকারবারীরা ভারতে স্বর্ণ পাচার করবে।
    সংবাদের ভিত্তিতে অধিনায়কের দিকনির্দেশনায় তারই নেতৃত্বে বিজিবির একটি সশস্ত্র দল সীমান্ত পিলার নম্বর ৭৫/৩-এস হতে আনুমানিক ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দর্শনা পৌর এলাকার ইশ্বরচন্দ্রপুর রাস্তার ওপর এ্যাম্বুশ করে। এদিন আনুমানিক বেলা ১২ টা ২০ মিনিটে বিজিবি’র দলটি একটি মোটরসাইকেলযোগে ২জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সীমান্তের দিকে যেতে দেখে। ওই সময় তাদের থামার সংকেত দিলে মোটরসাইকেল আরোহীদের ১জন মোটরসাইকেল চালিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও অন্যজন নেমে পাশের একটি ছোট পুকুরে ঝাঁপ দেয়। পরবর্তীতে টহলদল পানিতে নেমে জেলার জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের আনার আলীর ছেলে আবদিন মিয়াকে আটক করে। আটকের সময় সে তার হেফাজতে থাকা ১টি প্যাকেট সদৃশ বস্তু পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। বিজিবি তার দেহ তল্লাশীর সময় অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ১টি প্যাকেট উদ্ধার করে। পরবর্তীতে বিজিবি দলের সদস্যগণ পুকুর থেকে চোরাকারবারীর ফেলে দেওয়া অপর প্যাকেটটিও উদ্ধার করে। উদ্ধারকরা ২টি প্যাকেট হতে ২১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আটক ব্যক্তির ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন সেট এবং নগদ ২০২ টাকা জব্দ করা হয়। উদ্ধারকরা স্বর্ণের বারগুলোর ওজন ২ কেজি ৪৪৯ গ্রাম। উদ্ধার করা স্বর্ণের তালিকা মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ টাকা।
    ঘটনার ব্যাপারে নায়েক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় মামলা করে আটক ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করেছে। উদ্ধারকরা স্বর্ণের বারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
    বিডি/ এআর
  • লোহাগড়ায় দুর্নীতি বিরোধী শপথ শিক্ষার্থীদের

    লোহাগড়ায় দুর্নীতি বিরোধী শপথ শিক্ষার্থীদের

    নড়াইল প্রতিনিধি

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের হাফেজ আব্দুল করিম একাডেমির শিক্ষার্থীরা দুর্নীতি বিরোধী শপথ গ্রহণ করেছে।

    ‘নিজেরা দুর্নীতি করব না, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিব না’-এই স্লোগানে বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে বিদ্যালয়ের চার শতাধিক শিক্ষার্থীর শপথ অনুষ্ঠিত হয়।

    শপথ বাক্য পাঠ করান লোহাগড়া উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির (দুপ্রক) নির্বাহী সদস্য শারমিন ইসলাম। লোহাগড়া উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও দুর্নীতি দমন কমিশনের দেয়া শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন-দুদকের যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন দুপ্রক লোহাগড়া উপজেলা কমিটির নির্বাহী সদস্য কোহিনুর পারভিন।

    এছাড়া বক্তব্য দেন-লোহাগড়া উপজেলা কৃষি অফিসার ফারজানা আক্তার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অহিদুজ্জামান, দুপ্রক লোহাগড়া উপজেলা কমিটির সাবেক সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম ও সাবেক সহ-সভাপতি শেখ কবির হোসেনসহ অনেকে।

    বিডি/ এআর

  • নড়াইলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে আ’লীগের মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল 

    নড়াইলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে আ’লীগের মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল 

    নড়াইল প্রতিনিধি

    নড়াইলের কালিয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা ইউসুফ, পৌর কৃষকদলের আহবায়ক গোলাম রসুল মান্দার, পৌর ছাত্রদল নেতা মিকাইল শেখসহ দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত চাঁদাবাজির মামলা দায়েরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল এবং সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    কালিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে বুধবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় কালিয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    এর আগে ছোটকালিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ নেতাকর্মীরা। কালিয়া পৌর শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম লিকুর ভাবী রহিমা খানম বাদি গত ৫ আগস্ট কালিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। আওয়ামী লীগের দখলকৃত দোকান বুঝে নেয়ায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এ ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ বিএনপি নেতারা।

    কালিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরদার আনোয়ার হোসেনসহ ভুক্তভোগীরা বলেন, কালিয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা ইউসুফের ফুপাতো ভাই সরফরাজ আহম্মেদ বাদশা ২০১৫ সালে জেলা পরিষদ থেকে তার বাড়ির সামনের জায়গা বন্দোবস্ত নেন। সরকারি নিয়মে বন্দোবস্ত আনার পর উপজেলা শ্রমিকলীগ নেতা আকিজ শেখ ও তার ভাই পৌর শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম লিকু নিজেদের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন সময়ে ওই জায়গাটি দখল করে পাকাঘর নির্মাণ করেন। এরপর আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিএনপি নেতা সেলিম রেজা ইউসুফের ফুপাতো ভাই সরফরাজ আহম্মেদ বাদশা জেলা পরিষদ থেকে বন্দোবস্তকৃত জায়গাটি বুঝে নেয়ার পর প্রায় এক বছর পরে এসে তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চাঁদাবাজি মামলা দেয়া হয়েছে।

    এ মামলা দায়েরের তীব্র প্র্রতিবাদসহ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন-কালিয়া পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, কালিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া মিঠু, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক ইকরাম রেজা, জেলা কৃষকদলের সাবেক সভাপতি এম রেজাউল ইসলাম, জেলা শ্রমিকদলের সিনিয়র যুগ্মআহবায়ক মোল্যা বখতিয়ার হোসেন, পৌর বিএনপির সহসভাপতি শফিকুর রহমান, সালামাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খান খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহিনুল আলম, বড়নাল-ইলিয়াসাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খায়রুজ্জামান, যুবদল নেতা গোলাম মশরুর পল্টু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাহিনুল ইসলাম মাহি, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জুয়েল সরদার, কালিয়া পৌর যুবদলের যুগ্মআহবায়ক গোবিন্দ বর্মণ, তাঁতীদলের উপজেলা সভাপতি সরদার তৌহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা ওয়ালিউল্লাহ জনি, বিএনপি নেতা কুদ্দুস বিশ্বাসসহ অনেকে।

    কালিয়া থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বিডি/ এআর

  • সাবেক ভিসি নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহ গ্রেফতার

    সাবেক ভিসি নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহ গ্রেফতার

     

    নিউজ ডেস্ক:

    বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য (ভিসি) নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) চাহিদাপত্রের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

    বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।

    তিনি বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে দুদক কর্তৃক তদন্তাধীন একটি মামলায় দুদকের রিকোজিশন ছিলো। সেটির ভিত্তিতে গোয়েন্দা কার্যক্রমে পরিচালনার মাধ্যমে মোহাম্মদপুরে নিজ বাসা থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ভিসি নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুদকের কাছে তাকে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

  • গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইগ্রেশনের সুযোগ

    গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইগ্রেশনের সুযোগ

    নিউজ ডেস্ক:

    ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত ১৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম আজ বৃহস্পতিবার শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আবারও মাইগ্রেশনের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। আগামী রোববার (১০ আগস্ট) গুচ্ছের উপাচার্যদের সভায় এ বিষয়টি চূড়ান্ত করা হতে পারে।

    এ তথ্য জানান গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির আহবায়ক এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ।

    তিনি বলেন, আমাদের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো আসন ফাঁকা রয়েছে। যদিও ফাঁকা আসনের সংখ্যা কম, তবুও আমরা আরেকটি মাইগ্রেশন দেওয়ার বিষয়ে ভাবছি। আগামী ১০ আগস্ট গুচ্ছের কোর কমিটির সভা রয়েয়েছ। ওই সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ আরও বলেন, মাইগ্রেশন চললেও আগামী ১১ আগস্ট থেকে গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস শুরু হবে। ক্লাস শুরুর তারিখে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। মাইগ্রেশন এবং ক্লাস একই সাথে চলবে।

    গুচ্ছভুক্ত ১৯ বিশ্ববিদ্যালয় হলো- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

  • মাদরাসায় ফিরছে মেধাবৃত্তি

    মাদরাসায় ফিরছে মেধাবৃত্তি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর এবার দেশের সব ইবতেদায়ী মাদরাসাতেও পঞ্চম শ্রেণিতে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন মাদরাসাগুলোর পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য এই পরীক্ষা আগামী ডিসেম্বর মাসে আয়োজনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী।

    বুধবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে জানানো হয়েছে, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের ইবতেদায়ি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২১, ২২, ২৩, ২৪ ও ২৮ ডিসেম্বর। পরীক্ষাগুলো নেওয়া হবে পাঁচটি বিষয়ের ওপর— কুরআন মাজিদ ও আকাইদ-ফিকহ, আরবি (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র), বাংলা, ইংরেজি এবং গণিত ও বিজ্ঞান। এর মধ্যে কুরআর মাজিদ ও আকাইদ-ফিকহ, আরবি প্রথম ও দ্বিতীয় এবং গণিত ও বিজ্ঞান সম্মিলিতভাবে হবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য বরাদ্দ নম্বর ১০০। সব মিলিয়ে মোট নম্বর ৫০০।

    তবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে কেবল বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের কোডভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা ও সংযুক্ত ইবতেদায়ি শাখাসমূহের শিক্ষার্থীরা। মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

    এ বিষয়ে বিস্তারিত সিলেবাস ও মানবণ্টন বোর্ড থেকে শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।

    এর আগে, গত ১৭ জুলাই সরাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে জানানো হয়েছে। চলতি বছরের শেষে অর্থ্যাৎ ডিসেম্বর মাসেই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে।

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ১৬ বছর পর পুনরায় চালু হওয়া এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে নির্ধারিত হারে বৃত্তি সুবিধা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার পাবে। এর আগে, ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের ‘প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা’ (পিইসি) শুরুর পর থেকে আলোচিত এই বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ ছিল।

    বিডি/বিএ

  • প্রবাসীদের ভোটগ্রহণে পোস্টাল ব্যালটেই আস্থা ইসির

    প্রবাসীদের ভোটগ্রহণে পোস্টাল ব্যালটেই আস্থা ইসির

     

    প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটগ্রহণের জন্য পোস্টাল ব্যালটেই আস্থা রাখল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে করতে ডাক বিভাগ ১৯২টি দেশকে টার্গেট করে যোগাযোগ স্থাপনে কাজ করছে। এক্ষেত্রে বিশ্ব ডাক ইউনিয়নের (ইউপিইউ) পলিসি ও নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ভোটদান কার্যক্রমটি সহজতর করার জন্য ডাক বিভাগকে সর্বোচ্চ ২৮ দিন এবং সর্বনিম্ন আটদিন সময় ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে খরচ ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রমের জন্য ৪৮ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পাঠানো হয়েছিল পরিকল্পনা কমিশনে। কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে প্রস্তাবনাটি ইসিতে ফেরত পাঠানো হয়। সেগুলো ঠিক করে প্রস্তাবটি পুনরায় কমিশনে পাঠানো হবে। সারাবিশ্বে এক কোটি ৩০ লাখ বাংলাদেশির মধ্যে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ইসির টার্গেট ৫০ লাখ প্রবাসীর অনলাইন নিবন্ধন সম্পন্ন করা।

    ইসি ও ডাক বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ‘ইউপিইউ’ জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যা বিশ্বব্যাপী ডাক ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কাজ করে। সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা ১৯২টি।

    এদিকে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটগ্রহণের প্রকল্প শেষ হবে ২০২৭ সালের জুনে। সরকারি অর্থায়নে এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ভোটিং কার্যক্রম সম্পন্নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বাইরে ডাক বিভাগের খরচ।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডাক বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ডাক বিভাগের সঙ্গে ১৯২ দেশের সম্পর্ক রয়েছে। কমিশন আমাদের বরাদ্দ দেয়নি। আমরা কাজ করছি। আমাদের দূরত্ব বিচনা করে সর্বোচ্চ ২৮ দিন এবং সর্বনিম্ন আটদিন সময় টার্গেট দেওয়া হয়েছে।

  • শিশুর শরীরে ক্ষতিকর সিসা; পদেক্ষপ জরুরী

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    দেশের ৩৬ মিলিয়ন বা ৩ কোটি ৬০ লাখ শিশু সিসার ক্ষতিকর বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত। যার মধ্যে পাঁচ বছরের কম বয়সী অন্তত ২ কোটি শিশু সিসার ক্ষতিকর প্রভাবে বেড়ে উঠেছে দুর্বল মেধা নিয়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সিসার কোনো গ্রহণযোগ্য মাত্রা নেই, যদিও বাংলাদেশের শিশুদের শরীরে সিসার গড় পরিমাণ ৬৮ মাইক্রোগ্রাম। এমনকি দেশে প্রতি বছর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪ জনের মৃত্যু হয়, তার পেছনেও সিসার পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র (আইসিডিডিআর,বি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে সিসা দূষণ প্রতিরোধ: অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

    এ সময় জানানো হয়, সিসা বিষাক্ত ভারী ধাতু, যা নীরবে লাখ লাখ মানুষের বিশেষ করে শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে চলেছে। রক্তের মধ্যে সিসার কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) শিশুদের রক্তে প্রতি লিটারে ৩৫ মাইক্রোগ্রামের বেশি সিসার উপস্থিতি উদ্বেগজনক বলে মনে করে।

    ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে সিসা দূষণে আক্রান্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানে চতুর্থ। যেখানে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ শিশু রক্তে উচ্চমাত্রার সিসা নিয়ে জীবনধারণ করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাজধানী ঢাকার বস্তি এলাকায় দুই বছরের কম বয়সী ৮৭ শতাংশ শিশুর রক্তে প্রতি লিটারে সিসার মাত্রা ৫০ মাইক্রোগ্রামের বেশি ছিল, যা তাদের শারীরিক বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতার প্রধান কারণ।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে আইসিডিডিআর,বির হেলথ সিস্টেমস অ্যান্ড পপুলেশন স্টাডিজ ডিভিশনের সিনিয়র ডিরেক্টর ড. সারাহ স্যালওয়ে বলেন, ‘সিসা দূষণ বাংলাদেশের একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা, যা প্রায়ই আমাদের নজর এড়িয়ে যায়। বিশেষ করে দূষণ সৃষ্টিকারী শিল্পের আশপাশের শিশুরা এর সবচেয়ে বড় শিকার।’

    সিসা শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে বলে জানান স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক এবং আইসিডিডিআর,বির সাবেক পরিচালক অধ্যাপক স্টিভ লুবি। তিনি বলেন, ‘এর ফলে বুদ্ধিমত্তা ও শেখার ক্ষমতা কমে যায়, যা পরবর্তী প্রজন্মের ওপর স্থায়ী প্রভাব ফেলে। আমরা নিঃশ্বাসে যে বাতাস নিই, যে খাবার খাই, দূষিত মাটি বা ধূলিকণা স্পর্শ করি এবং এমনকি গর্ভাবস্থায় মায়ের প্লাসেন্টা (গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীরে তৈরি হওয়া একটি বিশেষ অঙ্গ, যা মা ও ভ্রূণের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে) থেকেও সিসা আমাদের শরীরে প্রবেশ করে।’

    আইসিডিডিআর,বির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ডা. মো. মাহবুবুর রহমান গত ১০ বছরের সিসা-সম্পর্কিত গবেষণার ফল তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সিসা দূষণের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে সিসা ও ব্যাটারি-সম্পর্কিত শিল্পকারখানা, সিসাযুক্ত রং এবং প্রসাধনী ও রান্নার পাত্রের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। হলুদে ভেজাল (লেড ক্রোমেট দিয়ে পালিশ করা) প্রতিরোধে বেশ সফলতা এসেছে। স্ট্যানফোর্ড ও আইসিডিডিআর,বির একটি দল অন্তঃসত্ত্বা নারীদের রক্তে সিসা দূষণের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে হলুদকে চিহ্নিত করার পর বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আইন প্রয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে ২০১৯ সালে যেখানে ৪৭ শতাংশ হলুদের নমুনায় সিসা পাওয়া যেত, তা কমে ২০২১ সালে শূন্যের কাছাকাছি চলে আসে। আইসিডিডিআর,বির সহকারী গবেষক ডা. জেসমিন সুলতানা ২০২২-২৪ সালের মধ্যে ঢাকায় পরিচালিত গবেষণার প্রাথমিক ফল তুলে ধরেন। এই গবেষণায় ২ থেকে ৪ বছর বয়সী ৫০০ জন শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রতিটি শিশুর রক্তেই সিসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে (মধ্যমমাত্রা: ৬৭ মাইক্রোগ্রাম/লিটার) এবং ৯৮ শতাংশ শিশুর রক্তে সিডিসির উদ্বেগজনক মাত্রা ৩৫ মাইক্রোগ্রাম/লিটার-এর চেয়ে বেশি সিসা ছিল। এই গবেষণায় চিহ্নিত সিসা-নির্ভর শিল্প স্থাপনার ১ কিলোমিটারের মধ্যে বসবাসকারী শিশুদের রক্তে সিসার মাত্রা ছিল ৫ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে বসবাসকারী শিশুদের তুলনায় ৪৩ শতাংশ বেশি। অন্য উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে ঘরের ভেতরে ধূমপান, দূষিত ধূলিকণা, সিসাযুক্ত প্রসাধন সামগ্রী ও রান্নার পাত্র।

    আইসিডিডিআর,বির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ বলেন, ‘সিসার বিষক্রিয়া নীরবে আমাদের শিশুদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা কেড়ে নিচ্ছে। এটি তাদের মস্তিষ্কের পরিপূর্ণ বিকাশ ব্যাহত করে ও দেহে পুষ্টির ঘাটতি তৈরি করে। তাই আমাদের এখনই এই সিসা নিঃসরণকারী ক্ষতিকর উৎসগুলো বন্ধ করতে হবে, যাতে প্রতিটি শিশু সুস্থ ও বুদ্ধিমান হয়ে বেড়ে উঠতে পারে।’

    আলোচনা সভায় বিশেষজ্ঞরা সিসা-নির্ভর শিল্প স্থাপনা যেমন—সিসা-এসিড ব্যাটারি বানানো বা রিসাইক্লিং করার কারখানা বা স্থাপনা, অথবা যেসব কারখানা বা স্থাপনায় সিসা গলানো বা পোড়ানো হয়, এগুলোর বিরুদ্ধে দ্রত ব্যবস্থা নেওয়ার তাগাদা দেন।

  • ইসিকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের চিঠি

    ইসিকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের চিঠি

    নিউজ ডেস্ক:

    আগামী বছর তথা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রোজা শুরুর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। এর মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো।

    ৬ আগষ্ট বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর প্রেরিত এক পত্রে উল্লিখিত সময়ে প্রত্যাশিত মানের অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া।

    ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া তার ভাষণে আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে রোজা শুরুর আগে নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেয়ার কথা বলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ এই চিঠি পাঠালো প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

    জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণের উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে অবিলম্বে এক্ষেত্রে সকল প্রস্তুতি ও প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজন শুরুর কথা বলেছেন। বিগত পনের বছরে নাগরিকদের ভোট দিতে না পারার প্রেক্ষাপটে আগামী নির্বাচন যেন মহা-আনন্দের ভোট উৎসবের দিন হিসেবে স্মরণীয় হয় তেমন আয়োজনের উপর প্রধান উপদেষ্টা জোর দিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে নির্বাচন আনন্দ-উৎসবে, শান্তি-শৃঙ্খলায়, ভোটার উপস্থিতিতে, সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতায় অবিস্মরণীয় হয়ে উঠার যে প্রত্যাশা করেছেন তা উল্লেখ করা হয়। নির্বাচন আয়োজনে যথোপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারের গুরুত্বারোপের পাশাপাশি একটি প্রত্যাশিত সুষ্ঠু, অবাধ, শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রত্যয়ের কথাও নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়।