ক্যাটাগরি খবর

  • ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা সমূলে উৎপাটন না করে ঘরে ফিরতে পারিনা:  নাহিদ ইসলাম

    ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা সমূলে উৎপাটন না করে ঘরে ফিরতে পারিনা: নাহিদ ইসলাম

    নিউজ ডেস্ক:

    আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আন্দোলনে এক দফা ঘোষণার বর্ষপূর্তির দিনে সেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করে দেশে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা সমূলে উৎপাটনের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। গত বছর ওই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদই শেখ হাসিনার সরকার পতনের এক দফা ঘোষণা করেছিলেন।

    ৩ আগষ্ট রোববার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশে দাঁড়িয়ে নাহিদ ইসলাম অভ্যুত্থানের পরে তরুণদের নেতৃত্বাধীন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গড়ে তোলার পেছনে যে আকাঙ্ক্ষা কাজ করেছে, সেটি তুলে ধরেছেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমাদের এক দফা দাবি ছিল, আমরা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ করে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত করতে চাই। কেবল এক ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা হটিয়ে, আরেক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা উত্থানের সম্ভাবনা জিইয়ে রেখে আমরা নিশ্চিন্তে ঘরে ফিরতে পারি নাই। বরং রাষ্ট্র ও সমাজে দীর্ঘদিন জেঁকে বসা এই ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা সমূলে উটপাটনে আপনাদের তীব্র আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে আমরা আপনাদের ছাত্র–শ্রমিক–জনতা ও রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠন করেছি।’

    সমাবেশ থেকে ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ শিরোনামে ২৪ দফা ঘোষণা করেন নাহিদ ইসলাম। এতে সংবিধান সংশোধনসহ রাষ্ট্র ও জনগণের উন্নতির লক্ষ্যে বিভিন্ন দাবি, এনসিপির ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণ–অভ্যুত্থানের এক বছর পরে বাংলাদেশে এই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমরা আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের দ্বিতীয় রিপাবলিকের ২৪ দফা ইশতিহার ঘোষণা করছি।’

    জাতীয় নাগরিক পার্টির এই ২৪ দফার মধ্যে রয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি ও বিচার; নতুন সংবিধান ও সেকেন্ড রিপাবলিক; গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার; ন্যায়ভিত্তিক বিচারব্যবস্থা ও আইন সংস্কার; সেবামুখী প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন; ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকার; টেকসই উন্নয়নের জন্য শিক্ষানীতি; সর্বজনীন স্বাস্থ্য; ধর্ম, সম্প্রদায় ও জাতিসত্তার মর্যাদা; কল্যাণমুখী অর্থনীতি; জনবান্ধব পুলিশ; নারীর নিরাপত্তা, অধিকার ও ক্ষমতায়ন; গবেষণা, উদ্ভাবন ও তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লব; তারুণ্য ও কর্মসংস্থান; বহুমুখী বাণিজ্য ও শিল্পায়ন নীতি; টেকসই কৃষি ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব; স্বাধীন গণমাধ্যম ও শক্তিশালী নাগরিক সমাজ; শ্রমিক-কৃষকের অধিকার; জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা, নগরায়ণ, পরিবহন ও আবাসন পরিকল্পনা; জলবায়ু সহনশীলতা ও নদী-সমুদ্র রক্ষা; প্রবাসী বাংলাদেশির মর্যাদা ও অধিকার; বাংলাদেশপন্থী পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশল।

    সমাবেশে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা বলেন, ‘আমাদের রাজনীতি হলো সমস্যা সমাধানের রাজনীতি। আমরা দেশব্যাপী ঘুরে মানুষের সকল সমস্যা শুনেছি। মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করব।’

    তাসনিম জারা আরও বলেন, ‘আমরা এমন রাজনীতি করব, যাতে দেশের প্রতিটা মানুষ যেন স্বাচ্ছন্দ্যে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে পারে। সকল দলমতের মানুষ রাজনীতি করতে পারে, সেই ব্যবস্থা করব। এমন রাজনীতি করব, যাতে প্রবাসী ভাইয়েরা ভোট দিতে পারেন। যাতে সকল নাগরিকের অধিকার থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এমন স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলব, যাতে দেশের সকল নাগরিকের স্বাস্থ্যের তথ্য ডেটাবেজ থাকবে। এতে অপ্রয়োজনীয় টেস্ট করা ও ভুল চিকিৎসা দেওয়া বন্ধ হবে। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসাকে শক্তিশালী করব। যাতে মানুষ প্রতিটি এলাকায় মানসম্মত চিকিৎসা পায়।’

    এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাহাত্তরের সংবিধান একটা দলের ছিল, যে সংবিধান আরেকটা দেশ থেকে পাস হয়ে এসেছে। এই মুজিববাদী সংবিধান আর বাংলাদেশে থাকতে দিতে পারি না। আমরা আজ এই মঞ্চে মুজিববাদী সংবিধান ভেঙেচুরে শেষ করে দিয়ে নতুন সংবিধান চাইতে এসেছি।’

    সারজিস আরও বলেন, ‘এক বছর আগে এই শহীদ মিনারে যারা ছিল, তাদের অনেকে আজ শহীদ। তাদের পরিবার এখানে আছেন। আমরা এই শহীদ ভাইদের হত্যার বিচার চাইতে এসেছি। আমরা এই সরকারের কাছে মৌলিক সংস্কারের নিশ্চয়তা চেয়েছি। আমরা শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন চাইতে এসেছি। আমরা আহত যোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিতে এখানে এসেছি।’

  • মুজিববাদী সংবিধান রাখতে চাইনা: সারজিস আলম

    মুজিববাদী সংবিধান রাখতে চাইনা: সারজিস আলম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাহাত্তরের সংবিধান একটা দলের ছিল। যে সংবিধান আরেকটা দেশ থেকে পাস হয়ে এসেছে। এই মুজিববাদী সংবিধান আর বাংলাদেশে থাকতে দিতে পারি না। আমরা আজ এই মঞ্চে মুজিববাদী সংবিধান ভেঙে চুরে শেষ করে দিয়ে নতুন সংবিধান চাইতে এসেছি।

    রোববার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় নাগরিক পার্টির সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

    তিনি বলেন, ২৩ বছরে পাকিস্তান শাসনে ছিলাম, অধিকার পাইনি। ৫৪ বছরেও দেশেও অধিকার পাইনি। আজ থেকে এক বছর আগে আমরা এই শহীদ মিনার ছিলাম। এদিন হাসিনার পতনের ডাক এসেছিল। এক বছর হয়ে গেছে আজও আমাদের অধিকার পাইনি। আমরা আর হতাশার কথা শুনতে চাই না।

    সারজিস আলম বলেন, এক বছর আগে এই শহীদ মিনারে যারা ছিল, তাদের অনেকে আজ শহীদ। তাদের পরিবার এখানে আছে। আমরা এই শহীদ ভাইদের হত্যার বিচার চাইতে এসেছি। আমরা এই সরকারের কাছে মৌলিক সংস্কারের নিশ্চয়তা চেয়েছি। শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন ও আহত যোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে এখানে এসেছি।

    এনসিপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমাদের লড়াই ২৪ এর নয়। বিডিআর হত্যাকাণ্ড যারা ঘটিয়েছে, ১৩ সালে শাপলা চত্বরে যারা নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তাদের বিচার চাইতে এসেছি। এই বাংলাদেশে যেমন জঙ্গিবাদ মেনে নেব না, তেমনি জঙ্গি নাটকও মেনে নেব না। এই বাংলাদেশে সিভিল সোসাইটি নামে সব দালালকে আর মেনে নেব না।

  • তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষে চাইলেন তারেক রহমান

    তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষে চাইলেন তারেক রহমান

    নিউজ ডেস্ক:

    আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তরুণ প্রজন্মের কাছে তাদের প্রথম ভোট ধানের শীষে চাইলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তরুণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের জন্য হোক।’

    রোববার (৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে ছাত্র সমাবেশে তার এই চাওয়া সারা দেশে তরুণ ভোটারদের কাছে ছড়িয়ে দিতে উপস্থিত ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রতি এই আহ্বান জানান তারেক রহমান। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সমাবেশ করেছে ছাত্রদল।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশের ১৩ কোটি ভোটারের মধ্যে গত দেড় দশকে প্রায় ৪ কোটি নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে। তোমরা ভোটার হলেও ফ্যাসিবাদ চক্র তোমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তোমাদের হারানো ভোটের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিরাট সুযোগ তৈরি হয়েছে।  স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য  তারণ্যের সমর্থন ও সহযোগিতা চাইলেন তিনি।

    তিনি বলেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ সারা দেশের শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের কাছে এই আহ্বান ছড়িয়ে দিতে হেব।

    এ সময় সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরাও তারেক রহমানের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলেন, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট, ধানের শীষের জন্য হোক।’

     

  • চুয়াডাঙ্গার ভৈরব নদের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গার ভৈরব নদের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

     

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মুক্তারপুর গ্রামে ভৈরব নদে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর ১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত শিশুরা হলো মুক্তারপুর গ্রামের জুয়েল হোসেনের ছেলে জুনায়েদ (৬) এবং একই গ্রামের সজীবের ছেলে রিমন (৭)।

    স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, এদিন দুপুরে জুনায়েদ ও রিমন ভৈরব নদে গোসল করতে নামে, গোসলের স্থানে পাট জাগ দেওয়া ছিল। শিশুরা পাট জাগের ওপর খেলা করার সময় তারা দুজনেই পানিতে তলিয়ে যায়। তাদের সঙ্গে থাকা অন্য শিশুরা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন পানিতে নেমে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

    জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন হোসেন বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই গ্রামবাসী মরদেহ দুটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।  শিশুদের পরিবারের পক্ষ থেকে দাফনের অনুমতি চেয়ে আবেদনের প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

  • গুচ্ছের ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত ভর্তি শুরু আজ

    গুচ্ছের ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত ভর্তি শুরু আজ

     

    গুচ্ছভুক্ত ১৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে চূড়ান্ত ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আজ রোববার, যা চলবে ৭ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যেই নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আর ১১ আগস্ট থেকে সারাদেশের সব গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হবে।

    ভর্তি সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীরা তাদের স্টুডেন্ট প্যানেলে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে চূড়ান্ত ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। যদি কোনো শিক্ষার্থী তার মূল নম্বরপত্র অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিয়ে থাকে, তবে তা নিজ দায়িত্বে সংগ্রহ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তিকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমার বাইরে কোনো ভর্তি কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে।

    এতে আরও বলা হয়েছে, গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হবে ১১ আগস্ট থেকে। এছাড়া, ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত ১৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মাত্র সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন।

    এর আগে কেবলমাত্র ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থী গুচ্ছভুক্ত স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত যোগ্যতা অনুসারে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করতে পেরেছেন। ভর্তি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই তারা ভর্তির জন্য বিবেচিত হয়েছেন। প্রত্যেক শিক্ষার্থীই তার এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার শাখা (বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য) অনুযায়ী একটি মাত্র ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পেরেছেন।

  • স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

    চলমান এইচএসসি ও সমমান স্থগিত পরীক্ষাগুলোর পরিবর্তিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের মোট চারদিনের স্থগিত পরীক্ষার এ সূচি প্রকাশ করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী- ২২শে জুলাইয়ের পরীক্ষা ১৭ই আগস্ট এবং ২৪শে জুলাইয়ের পরীক্ষা ১৯শে আগস্ট নেয়া হবে। এছাড়া বন্যা পরিস্থিতির কারণে গত ১০ই জুলাই কুমিল্লা বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষাগুলো ১২ই আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৭ই জুলাই গোপালগঞ্জ জেলায় স্থগিত পরীক্ষা ১৪ই আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ২১শে আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩রা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।

     

  • ১২ দিন পর রোববার খুলছে মাইলস্টোন কলেজ

    ১২ দিন পর রোববার খুলছে মাইলস্টোন কলেজ

    ভয়াবহ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনার ১২ দিন পর অবশেষে রোববার খুলছে রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গত ২১ জুলাই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর থেকেই বন্ধ ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। গত ২৭ জুলাই খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও শোক ও শিক্ষার্থীদের মানসিক সহায়তার জন্য ছুটি আরও বাড়ানো হয়। তবে, প্রথম দিন কোনো নিয়মিত ক্লাস বা পরীক্ষা হবে না। নিহতদের স্মরণে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

    মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ বুলবুল জানান, রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্মরণসভাটি অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করা হবে। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক দিক বিবেচনা করে আরও কিছু কর্মসূচি পালিত হবে।

    গত ২১ জুলাই একটি যুদ্ধবিমান কলেজের একটি ভবনের ওপর বিধ্বস্ত হলে বহু শিক্ষার্থী ও শিক্ষক হতাহত হন। এই শোকাবহ ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতার কথা বিবেচনা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মানসিক সহায়তার জন্য বিশেষ কাউন্সেলিং সেশনেরও আয়োজন করা হয়েছে।

    স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সুস্থতার কথা বিবেচনা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মানসিক সহায়তার জন্য বিশেষ কাউন্সেলিং সেশনেরও আয়োজন করা হয়েছে।

     

  • বিদেশর ব্যাপারে দালালের  হাতে টাকা দিয়ে প্রতারিত হবেন না-চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাষক

    বিদেশর ব্যাপারে দালালের  হাতে টাকা দিয়ে প্রতারিত হবেন না-চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাষক

     

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
    বিদেশ যাওয়ার আগে কোনভাবেই দালালের  হাতে  টাকা দেবেন না। সরকারী অফিসে যোগাযোগ করবেন।  প্রশিক্ষন নিবেন। নিজেকে দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তোলবেন ।তারপর বিদেশ যাবেন।  দক্ষ কর্মী বিদেশে গেলে বেশী বেতনে চাকরী করেন। দেশ ও পরিবারের সুনাম বয়ে আনেন।

    শনিবার  (২ আগস্ট) সকালে জেলার সাহিত্যমঞ্চে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে রেমিট্যান্স যোদ্ধা দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম  এসব কথা বলেন।

    আলোচনা সভায় তিনি আরো বলেন, অদক্ষ কর্মী বিদেশে গেলে কাজ পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। এক সময় সে পরিবার ও দেশের জন্য দৃর্নাম বয়ে আনে। তাই আপনার  কোনভাবেই দালারের মাধ্যমে প্রতারিত হবেন না। সরকারীভাবে বিদেশ যাবেন।

    জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার গোলাম মওলা  বলেন, জেলার সার্বিক আেইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন  ভালো আছে। আপনারা যে কোন সমস্যায় নিজেরা আইন  হাতে  নিবেন না। পুলিশের সহযোগিতা করবেন এবং পুলিশকে সহযোগিতা করবেন।

    সভায় রেমিট্যান্স যোদ্ধা আমেরিকা প্রবাসী আনসার আলী ও জর্ডান প্রবাসী পারভীন আক্তারকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এসময় উপজেলার বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ  আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। #এআর2

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

    নিউজ ডেস্ক:

    ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’ বৈষম্যমূলক, এমন অভিযোগ সঠিক নয়। কারণ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা, বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী সকল শিশুর জন্যই উন্মুক্ত বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র ইনফরমেশন অফিসার আব্দুল্লাহ শিবলী সাদিক সাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়। এতে বলা হয়, সম্প্রতি ‘বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন ঐক্য পরিষদ’ কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত বক্তব্যের প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’ প্রসঙ্গে উত্থাপিত এই বক্তব্যের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান স্পষ্ট করার জন্যই এ বিবৃতি।

    এতে আরও বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এরই একটি, শুধুমাত্র ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’। বাংলাদেশের শিক্ষা জরিপগুলিতে দেখা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বেশিরভাগ শিক্ষার্থী নিম্নবিত্ত পরিবারের। পক্ষান্তরে, কিন্ডারগার্টেনে অধ্যয়নরত বেশিরভাগ শিক্ষার্থী তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছল পরিবারের। ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’ এই নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর সন্তানদের শিক্ষার ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখতে একটি আর্থিক প্রণোদনা হিসেবে কাজ করবে

    মন্ত্রণালয় বলছে, কিন্ডারগার্টেনসমূহ তাদের এসোসিয়েশনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় শুধুমাত্র কিন্ডারগার্টেনসমূহের শিক্ষার্থীদের জন্য ২য় থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ‘কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন বৃত্তি পরীক্ষা’ চালু রেখেছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা সে বৃত্তি পরীক্ষাতে অংশগ্রহণ করতে পারে না। এজন্য সেসব শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পক্ষ থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তি পরীক্ষা চালু করার দাবি উত্থাপিত হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭(ক) অনুচ্ছেদ এবং বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন, ১৯৯০ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী সকল শিশুর অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে কোন ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ’ নীতি কার্যকর নেই। যারা নিজেদের সন্তানদের বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে পড়ান, তারা স্বেচ্ছায় তা করেন। এসব বিবেচনায় ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৃত্তি পরীক্ষা’ বৈষম্যমূলক, এমন অভিযোগ সঠিক নয়। কারণ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা, বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী সকল শিশুর জন্যই উন্মুক্ত।

  • আগুনে পোড়া রোগীর এতো রক্ত লাগে কেন?

    আগুনে পোড়া রোগীর এতো রক্ত লাগে কেন?

    লাইফস্টাইল ডেস্ক:

    স্বাস্থ্য আগুনে পোড়া রোগীদের চিকিৎসায় প্রায়শই প্রচুর পরিমাণে রক্তের প্রয়োজন হয়, যা অনেক সময় রোগীর পরিবার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। কেন আগুনে পোড়া রোগীদের এত বেশি রক্তের প্রয়োজন হয়, এই বিষয়টি জানতে অনেকেরই বেশ কৌতুহল রয়েছে। চলুন জেনে নেই এ বিষয়ে বিস্তারিত।

    আগুনে পোড়া আঘাত একটি অত্যন্ত গুরুতর অবস্থা, যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর ফলে শরীরে জটিল শারীরিক পরিবর্তন ঘটে, যার অন্যতম প্রধান পরিণতি হলো প্রচুর পরিমাণে রক্ত ও তরল পদার্থের ক্ষয়।

    রক্তের প্রয়োজনীয়তার মূল কারণসমূহ—

    প্লাজমা ও তরল ক্ষয়: আগুনে পোড়ার কারণে ত্বকের রক্তনালীগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ছিদ্রযুক্ত হয়ে পড়ে। এর ফলে রক্তরস (প্লাজমা) দ্রুত শরীরের কোষের বাইরে বেরিয়ে আসে এবং আক্রান্ত স্থানে জমা হয়। এই তরল ক্ষয়ের পরিমাণ এতটাই বেশি হতে পারে যে, তা রক্তনালীতে রক্তের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়, যা হাইপোভলেমিয়া (Hypovolemia) নামে পরিচিত। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে প্রচুর পরিমাণে ফ্লুইড (যেমন স্যালাইন) এবং প্লাজমা বা রক্তের প্রয়োজন হয়।

    রক্তকণিকার ক্ষতি: উচ্চ তাপমাত্রার কারণে রক্তকণিকা, বিশেষ করে লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cells), সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। লোহিত রক্তকণিকা অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এদের ক্ষতি হলে শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়, যা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যকারিতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে। এক্ষেত্রে তাজা রক্ত বা প্যাকড রেড ব্লাড সেল দেওয়ার প্রয়োজন হয়।

    সংক্রমণ এবং টিস্যু নেক্রোসিস: আগুনে পোড়ার পর ত্বক তার সুরক্ষা প্রাচীর হারিয়ে ফেলে, ফলে শরীর জীবাণু দ্বারা সহজে আক্রান্ত হয়। গুরুতর সংক্রমণে শরীর দ্রুত রক্ত তৈরি করতে পারে না এবং বিদ্যমান রক্তকণিকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া, পোড়া টিস্যু মরে গেলে (নেক্রোসিস) শরীর সেই মৃত টিস্যু অপসারণের জন্য রক্ত ব্যবহার করে, যা রক্তের চাহিদা আরও বাড়িয়ে তোলে।

    অস্ত্রোপচার ও ড্রেসিং: আগুনে পোড়া রোগীদের প্রায়শই একাধিকবার অস্ত্রোপচার করাতে হয়, যেমন – ডেব্রাইডমেন্ট (মৃত টিস্যু অপসারণ) এবং স্কিন গ্রাফটিং (ত্বক প্রতিস্থাপন)। প্রতিটি অস্ত্রোপচারেই রক্তক্ষয় হয়। তাছাড়া, নিয়মিত ড্রেসিং পরিবর্তনের সময়ও কিছুটা রক্তক্ষরণ হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে রক্তের চাহিদা বাড়ায়।

    রক্তাল্পতা (Anemia): দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ, পুষ্টির অভাব এবং বারবার রক্তক্ষরণের কারণে আগুনে পোড়া রোগীরা রক্তাল্পতায় ভুগতে পারে। রক্তাল্পতা মোকাবিলায় নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়।

    চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় রক্তের ভূমিকা:

    আগুনে পোড়া রোগীর স্থিতিশীলতা এবং জীবন রক্ষায় রক্তের ভূমিকা অপরিসীম। রক্ত ও তরল পদার্থের সঠিক এবং সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে শক, কিডনি ফেইলিওর এবং অন্যান্য গুরুতর জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়। চিকিৎসকরা রোগীর পোড়ার মাত্রা, শরীরের মোট পোড়া পৃষ্ঠের শতাংশ (Total Body Surface Area – TBSA), বয়স এবং অন্যান্য শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে রক্তের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করেন।

    এ কারণে, আগুনে পোড়া রোগীদের চিকিৎসায় রক্তদান কর্মসূচির গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রক্তদানে উৎসাহিত করা এই গুরুতর রোগীদের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।