ক্যাটাগরি খবর

  • বাংলাদেশি অভিনেত্রী শান্তা পাল কলকাতায় গ্রেপ্তার

    বাংলাদেশি অভিনেত্রী শান্তা পাল কলকাতায় গ্রেপ্তার

    নিউজ ডেস্ক:

    কলকাতার পার্ক স্ট্রিট থানার পুলিশ যাদবপুর থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশি মডেল ও অভিনেত্রী শান্তা পালকে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ভারতের ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড

    কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান রূপেশ কুমার জানিয়েছেন, গত ২৮ জুলাই বিক্রমগড়ে একটি ফ্ল্যাট থেকে শান্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলছে—কীভাবে তিনি ভারতীয় পরিচয়পত্রগুলো পেয়েছেন।

    জানা গেছে, অ্যাপ-ক্যাবের ব্যবসার আড়ালে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন শান্তা। ২০২৩ সাল থেকে যাদবপুরের বিজয়গড়ে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি। তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঠিকানা ব্যবহার করতেন তিনি।

    সম্প্রতি তিনি ঠাকুরপুকুর থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন, যেখানে আবারও ভিন্ন একটি ঠিকানা ব্যবহার করা হয়। শান্তা বাংলাদেশের দুটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের মডেল ছিলেন এবং একাধিক বিউটি কনটেস্টে অংশ নেন।

    তার বিরুদ্ধে সন্দেহ বাড়ে গ্রেপ্তারের পরই, এক ব্যক্তির নামে এতগুলো ঠিকানা কীভাবে থাকতে পারে, তা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। পরে তাঁর কাছ থেকে একাধিক বাংলাদেশি পাসপোর্ট, মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং একটি বিমান সংস্থার আইডি কার্ডও উদ্ধার হয়েছে।

    তদন্ত আরও এগিয়ে নিতে পুলিশ জানতে চাইছে—তিনি কী নথি দেখিয়ে আধার ও ভোটার কার্ড পেয়েছেন। সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। খাদ্য দপ্তরে পাঠানো হয়েছে রেশন কার্ড সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের জন্য।

    শান্তা পালের বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছিল ‘ব্যাচেলর ইন ট্রিপ’ নামের ছবিতে। তিনি কাজ করেছেন একটি তামিল চলচ্চিত্র ‘ইয়েরালাভা’-তেও, যেটির পরিচালক ছিলেন বিশ্বনাথ রাও। এছাড়া বাংলাদেশের একাধিক প্রজেক্টেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

     

  • চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক আটক 

    চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র ও গুলিসহ যুবক আটক 

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় যৌথ অভিযানে  অস্ত্র ও গুলিসহ সাইদুর রহমান (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ভোর সাড়ে ৪টায় দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ গেটের পাশে তার ইলেট্রনিক্সের দোকান থেকে ১টি বিদেশী পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন ও ১৫ রাউন্ড গুলিসহ যৌথবাহিনী তাকে আটক করে । সাইদুর রহমান শহরের ব্রীজ পাড়ার মরহুম কিয়াম উদ্দীন ওরফে ঘ্যানার ছেলে।

    দামুড়হুদা মডেল থানার এস আই হিমেল রানা জানান, সেনাবাহিনী ও দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ ভোর সাড়ে ৪টার সময় সাইদুর রহমানের নিজ বাড়ী থেকে আটক করে। পরে তার স্বীকারোক্তিতে উপজেলা পরিষদ গেটের পাশে তার ইলেট্রনিক্সের দোকান থেকে ১টি বিদেশী পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ১৫ রাউন্ড গুলি ও ২টি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।

    এ ব্যাপারে এসআই হিমেল বাদী হয়ে সাইদুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে একটি মামলা করেছেন।

     

    বিডি/ এআর-2

  • যেসব বিবেচনায় নির্ধারণ করা হবে নতুন বেতন কাঠামো

    যেসব বিবেচনায় নির্ধারণ করা হবে নতুন বেতন কাঠামো

    নিউজ ডেস্ক:

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে ‘জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫’ গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। পে কমিশন গঠন করে গতকাল রবিবার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের সভাপতি করা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে কমিশনকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

    সুপারিশ প্রণয়নকালে কমিশন নিম্নোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনা করবেন। (ক) পিতা-মাতাসহ অনূর্ধ্ব ছয়জনের একটি পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয়। (খ) অনূর্ধ্ব দুই সন্তানের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়। (গ) দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সরকারের সম্পদ পরিস্থিতি, প্রশাসনিক ও নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য সম্পদের প্রয়োজনীয়তা।

    (ঘ) সংশ্লিষ্ট সংস্থা/প্রতিষ্ঠানসমূহের আয়-ব্যয়ের অবস্থা। (ঙ) দারিদ্র্য নিরসনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সম্পদ জোগান ও সমন্বয়ে অনির্ভরতা অর্জনের উপায়। জনপ্রশাসনে মেধাবী ও দক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ। এবং কর্মকর্তা কর্মচারীগণের দক্ষতা ও কর্মোদ্যোগ বৃদ্ধি করে সেবার মান উন্নয়ন।

    যেভাবে কাজ করবে কমিশন

    প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় এ কমিশন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি মজুরিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বর্ণিত (শ্রমিক ব্যতীত) বিদ্যমান বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনাপূর্বক কমিশন নিম্নবর্ণিত বিষয়ে সুপারিশমালা প্রণয়ন করবে।

    ক) কমিশন কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য একটি সময়োপযোগী ও যথোপযুক্ত বেতন কাঠামো নির্ধারণ।
    খ) বিশেষায়িত চাকরিধারীদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ করবে।
    গ) বেতন-ভাতার ওপর আরোপযোগ্য কর (আয়কর) জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্তৃক সরাসরি পরিশোধ করার ক্ষেত্রে বেতন কাঠামো স্থিরিকরণে কাজ করবে।
    ঘ) বেতন-বহির্ভূত অন্যান্য সুবিধা, যেমন- বাড়িভাড়া/চিকিৎসা/যাতায়াত/আপ্যায়ন/প্রেষণ কার্যভার।

    মহার্ঘ, উৎসব এবং বিনোদন ইত্যাদি ভাতা নিরূপণ করবে।
    ঙ) মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন সমন্বয়ের পদ্ধতি নিরূপণ করবে।
    চ) যথোপযুক্ত সময়োপযোগী পেনশনসহ অবসর সুবিধাদি নির্ধারণ করবে।
    ছ) কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের কাজের মান নিরূপণ করবে (নিরূপণ মূল্যায়নপূর্বক বেতন-ভাতা কাঠামোয় প্রতিফলন। এর রেশন সুবিধা যৌক্তিকীকরণ)।
    জ) সরাসরি সেবা (টেলিফোন, গাড়ি, মোবাইল ফোন ইত্যাদি) সংক্রান্ত প্রাধিকারসমূহ আর্থিক সুবিধায় নগদায়ন করবে।
    ঝ) উচ্চতর গ্রেড ও ইনক্রিমেন্ট প্রাপ্তিতে বেতনক্রম নিরীক্ষাক্রমে কোনো অসংগতি পরিলক্ষিত হলে তা দূরীকরণের সুপারিশ প্রণয়ন করবে।

  • তিন বাহিনী প্রধান, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের ডিজি নিয়োগ রাষ্ট্রপতির অধীন

    তিন বাহিনী প্রধান, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের ডিজি নিয়োগ রাষ্ট্রপতির অধীন

    নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইমস ডট কম

    তিন বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার (এনএসআই) মহাপরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা সরাসরি রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এ প্রস্তাবের ওপর বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা হয়।

    এর আগে বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্ব নিয়ে একটি ধারণাপত্র তাঁরা রাজনৈতিক দলগুলোকে দিয়েছেন।

    বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কেবল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে ঐকমত্য কমিশন আরও কিছু নিয়োগে রাষ্ট্রপতির স্বাধীন ক্ষমতার বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে।

    তিন বাহিনীর প্রধান ও দুই গোয়েন্দাপ্রধান নিয়োগের ক্ষমতার বিষয়টির পাশাপাশি আরও ৯টি নিয়োগের ক্ষমতা সরাসরি রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ঐকমত্য কমিশন। অ্যাটর্নি জেনারেল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, আইন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ও সদস্য, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য এবং বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও সদস্য।

    ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেন, এসব প্রস্তাব রাজনৈতিক দলগুলোর বিবেচনার জন্য দেওয়া হয়েছে।

    বিডি/আরআই

  • দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ১৫ বাংলাদেশীকে হস্তান্তর বিএসএফের

    দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ১৫ বাংলাদেশীকে হস্তান্তর বিএসএফের

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

     

    চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা আইসিপি দিয়ে ১৫ বাংলাদেশী নাগরিককে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত থেকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকে এ হস্তান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক ১৫ বাংলাদেশীকে ভারতের ৩২ বিএসএফ দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে আজ ফেরত দেয়। পতাকা বৈঠক শেষে ভারতের হেফাজত থেকে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক নাজমুল হাসান বলেন, বিএসএফ কর্তৃক ফেরত দেয়া বাংলাদেশীরা ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের নারনাউল জেলখানায় বন্দী ছিলেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে দর্শনা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে দর্শনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) শহীদ তিতুমীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • ডা. শফিকুর রহমানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

    ডা. শফিকুর রহমানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা

    নিউজ ডেস্ক:

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন দলের নায়েবে আমির সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান।

    বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বুধবার অসুস্থ হয়ে রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছিলেন। এই মুহূর্তে দেশ ও জাতির সার্বিক পরিস্থিতিতে তার অবদান খুবই প্রয়োজন।

    তিনি আরো বলেন, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করার জন্য আমরা দেশের সকল নাগরিক, সংগঠনের সর্বস্তরের জনশক্তি এবং দেশে-বিদেশে অবস্থানরত শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি মহান রবের নিকট কায়মনোবাক্যে দোয়া করার আহ্বান জানাচ্ছি।

    আল্লাহ তাআলা যেন জামায়াত আমিরকে দ্রুত সুস্থতার নিয়ামত দান করে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার তাওফিক দান করেন, আমীন।

  • জামায়াত আমিরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস

    জামায়াত আমিরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন ড. ইউনূস

    নিউজ ডেস্ক:

     

    হার্টে একাধিক ব্লক ধরাপড়ার পর বাইপাস সার্জারির জন্য বুধবার থেকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার তার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার খোঁজ নিয়েছেন অর্ন্তরবর্তীকাইলক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহামম্দ ইউনূস।

    জামায়াত আমিরের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে অ্যাডমিনের পক্ষ থেকে পোস্ট করা ওই স্ট্যাটাসে বলা হয়, বাইপাস সার্জারির জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পেয়ে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করে জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার সামগ্রিক খোঁজখবর নিয়েছেন। তিনি জামায়াতের আমিরের আশু রোগমুক্তি কামনা করেছেন। এজন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ প্রধান উপদেষ্টাকে উত্তম জাযা দান করুন।

  • পদত্যাগ করেছেন লিথুয়ানিয়ার প্রধানমন্ত্রী

    পদত্যাগ করেছেন লিথুয়ানিয়ার প্রধানমন্ত্রী

    নিউজ ডেস্ক:

    আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন লিথুয়ানিয়ার প্রধানমন্ত্রী গিনতাউতাস পালুকাস। দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের মাঝে এমন সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে পালুকাসের পদত্যাগের বিষয়ে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট গিতানাস নৌসেদা। খবর আলজাজিরা

    সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির এক বিবৃতিতে নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পালুকাস।গত বছর অক্টোবরে তিন দলীয় সংসদীয় জোট গঠনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। পালুকাসের পদত্যাগের মাধ্যমে গোটা সরকার ব্যবস্থার পতন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার মন্ত্রীসভাও পদত্যাগ করতে পারে। অন্যদিকে নতুন জোট সরকার গঠনের বিষয়ে দ্রুত আলোচনা শুরু হবে বলেও আশা করা হচ্ছে। পালুকাস তার বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কেলেঙ্কারির সম্মুখীন হয়েছেন। এর মধ্যে কয়েকটি বাণিজ্য চুক্তি কমপক্ষে এক দশক আগে করা হয়েছে।

    ২০১২ সালে রাজধানী ভিলনিউসের ইঁদুর নিধন পরিষেবার জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া ভুলভাবে পরিচালনার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর থেকে পালুকাস কেলেঙ্কারির মুখোমুখি হয়েছেন। সেখানে তার বিরুদ্ধে ১৬ হাজার ৫০০ ইউরোর জরিমানার কিছু অংশ পরিশোধ না করার অভিযোগ করা হয়েছে। পালুকাস ওই সময় ভিলনিয়াসের পৌর প্রশাসনের পরিচালক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দর দেয়া কোম্পানিকে অবৈধভাবে সুযোগ সুবিধা দেয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। তবে তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত জেলে যেতে হয়নি। লিথুয়ানিয়ার দুর্নীতিবিরোধী ও আইন প্রণোয়নকারী সংস্থাও পালুকাসের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে নিজের বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পালুকাস। তিনি এগুলোকে বিরোধী দলের কারসাজি হিসেবে অভিযোগ করেছেন।

  • ১০০ আসনের একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে: ঐকমত্য কমিশন

    ১০০ আসনের একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে: ঐকমত্য কমিশন

    নিউজ ডেস্ক:

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ১০০ আসনের একটি উচ্চকক্ষ গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে। যেখানে সদস্যরা নিম্নকক্ষে প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের শতাংশ অনুযায়ী সংখ্যাগত প্রতিনিধিত্ব (প্রোপরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে মনোনীত হবেন।

    বৃহস্পতিবার সকালে সংলাপের ২৩তম দিনে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও দলগুলোর মধ্যে ঐক্যমত্য না হওয়ায় এবং ভিন্নমত থাকায়, বিষয়টি কমিশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছিল। সেই দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে কমিশন এ সিদ্ধান্ত জানায়।

    কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চকক্ষের নিজস্ব কোনো আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে না। তবে অর্থবিল ব্যতীত অন্য সব বিল নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ উভয় কক্ষে উপস্থাপন করতে হবে। উচ্চকক্ষ কোনো বিল স্থায়ীভাবে আটকে রাখতে পারবে না। এক মাসের বেশি বিল আটকে রাখলে সেটিকে উচ্চকক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বলে গণ্য করা হবে।

    নিম্নকক্ষ কর্তৃক প্রস্তাবিত বিলসমূহ পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করবে উচ্চকক্ষ এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তা অনুমোদন অথবা প্রত্যাখ্যান করতে হবে।

    যদি উচ্চকক্ষ কোনো বিল অনুমোদন করে, তবে উভয় কক্ষে পাস হওয়া বিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে।

    আর যদি উচ্চকক্ষ কোনো বিল প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে তা সংশোধনের সুপারিশসহ নিম্নকক্ষে পুনর্বিবেচনার জন্য পাঠানো হবে। নিম্নকক্ষ সেই সংশোধনসমূহ আংশিক বা পূর্ণভাবে গ্রহণ কিংবা প্রত্যাখ্যান করতে পারবে।

    তবে বিএনপি এবং তাদের মিত্র—জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, ১২ দলীয় জোট, এনডিএম ও এলডিপি—দাবি জানিয়েছে যে, উচ্চকক্ষে আসন বরাদ্দ নিম্নকক্ষে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে দিতে হবে। তারা উচ্চকক্ষের এখতিয়ার নিয়েও আপত্তি তুলেছে।

    অন্যদিকে, সিপিবি-বাসদ, এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম উচ্চকক্ষ গঠনের বিরোধিতা করেছে। তারা বলছে, দেশের বর্তমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় উচ্চকক্ষের কোনো প্রয়োজন নেই।

  • ঢাকা দখলের চেষ্টায়  আ.লীগ

    ঢাকা দখলের চেষ্টায় আ.লীগ

    নিউজ ডেস্ক:

     

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর থেকেই দেশে চলছিল একের পর এক ষড়যন্ত্র। নানামুখী অপতৎপরতার মাধ্যমে নতুন সরকারকে ব্যর্থ করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল পরাজিত শক্তি। সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এবার রাজধানী ঢাকা দখলের চেষ্টা করছেন আওয়ামী লীগ। এই পরিকল্পনাকে সামনে রেখে বেশকিছু নেতাকর্মী রীতিমতো গেরিলা প্রশিক্ষণও নিয়েছেন।

    প্রশিক্ষণ নেওয়া গেরিলা বাহিনীর প্রধান উদ্দেশ্য দেশের মধ্যে বড় ধরনের অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা এবং হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর ঢাকা দখলে নেওয়া। এজন্য মাস্টারপ্ল্যানের অংশ হিসাবে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে কোর গ্রুপের একটি বড় অংশ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ শেষ করেছে।

    সম্প্রতি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া এ চক্রের কয়েকজন সদস্যের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর এমন অনেক তথ্য বেরিয়ে আসছে। সরকারের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    সূত্র জানায়, অবাক হওয়ার বিষয় হলো—যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছে তাদের একটি অংশ অবসরে যাওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি। যারা এখন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া প্রশিক্ষণ নিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বেশকিছু নেতাকর্মীও। প্রশিক্ষণ হয়েছে দিল্লি, কলকাতা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা এবং গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

    চূড়ান্ত সফলতা অর্জনের আগ পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে আওয়ামী লীগের। এরই অংশ হিসাবে ৮ জুলাই রাজধানীর একটি কনভেনশন হলে ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ওই প্রশিক্ষণ চলাকালে কনভেনশন সেন্টারে দেওয়া হয় সরকারবিরোধী নানা স্লোগান।

    সূত্র জানায়, কনভেনশন হলে প্রশিক্ষণের তথ্য পেয়ে ১৩ জুলাই রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালায় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন ইউনিট। ওই অভিযানে গ্রেফতার করা হয় দুজনকে। এরা হলেন-সোহেল রানা (৪৮) ও শামীমা নাসরিন শম্পা (৪৬)। সোহেল রানার বাবার নাম আব্দুস সোবহান গোলন্দাজ। বাড়ি বরগুনার তালতলী থানার মৌপাড়া গ্রামে। রাজধানীর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে ১৮ নম্বর রোডে তার বাসা। গ্রেফতারকৃত শম্পার স্বামী আহাদুজ্জামান একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার বড়াশুর গ্রামে। বাবার বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার বাজরা গ্রামে।প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কী ধরনের আলোচনা হয়েছে-জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃতরা এ বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তারা জানিয়েছে, ঢাকা দখল করাই ছিল তাদের প্রধান টার্গেট। এজন্য তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন। পরিকল্পনা মোতাবেক শেখ হাসিনার নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশ থেকে তালিকাভুক্ত হাজার হাজার নেতাকর্মী একযোগে ঢাকা চলে আসবেন। সবাই সমবেত হবেন রাজধানীর শাহবাগে। শাহবাগ মোড় দখল করে জনমনে আতঙ্ক তৈরিসহ জনগণকে জানান দেওয়া হবে যে-আওয়ামী লীগের কয়েক লাখ লোক ঢাকা দখলে নিয়ে ফেলেছে। প্রশাসনও তাদের সঙ্গে আছে। তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রভাব পড়বে সারা দেশে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আওয়ামী অধ্যুষিত কয়েকটি জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনও মাঠে নামার সাহস দেখাবে।

    এমন পরিস্থিতিতে বড় ধরনের সংঘাত ও অরাজক পরিস্থিতি বেগবান করার সব প্রস্তুতি আগে থেকে ছক করা থাকবে। এভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সক্ষম হলে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসাবে শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দ্রুত ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ওই সময় পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট বুঝে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) কামরুল হাসান বলেন, ‘এটি একটি অনেক বড় কর্মযজ্ঞ। তদন্তের স্বার্থেই এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। একটু গুছিয়ে নিই। পরে বলব।’ তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় শুধু ডিবি নয়, আরও কয়েকটি সংস্থা কাজ করছে।’

    অপর একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় আওয়ামী লীগ তার স্ট্র্যাটেজি পরিবর্তন করেছে। তবে আওয়ামী লীগের এহেন রাষ্ট্রবিরোধী ও সরকারকে ফেলে দেওয়ার নানামুখী চক্রান্তের বিষয় সরকার জানার পর জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারসহ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশি কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। প্রথমত, পুরো বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশ্বস্ত টিম দিয়ে ফেস করা। দ্বিতীয়ত, জড়িতদের কেউ যাতে পালিযেতে না পারে সেজন্য পুরো চক্রকে গ্রেফতার না করা পর্যন্ত বিষয়টি গোপন রাখা।

    এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ‘দেশে কোনো নাশকতার শঙ্কা নেই। নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের হুমকিও নেই। সবকিছু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশের নিরাপত্তা বজায় রাখার লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ইস্যু করা চিঠিতে ২৯ জুলাই হতে ৮ আগস্ট পর্যন্ত ১১ দিনের বিশেষ অভিযান প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা পুরো বাংলাদেশের অভিযান নয়, ডিএমপি তাদের মতো করে অভিযান চালাচ্ছে।’