ক্যাটাগরি খবর

  • জনস্রোতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে: নাহিদ

    জনস্রোতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে: নাহিদ

    নিউজ ডেস্ক

     

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের পদযাত্রায় জনস্রোত নেমে এসেছে। সে জনস্রোতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, দেশের পথে-প্রান্তরে মাসব্যাপী জুলাই পদযাত্রা করেছি। আমাদের বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়া হয়েছে, হামলা হয়েছে। তবুও আমরা থেমে যাইনি। এ জনস্রোত থামানো যাইনি। পদযাত্রা থামানো যাইনি। ইনশাল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশে আগামীর ঢাকায় এনসিপির সমর্থকদের জনস্রোত থামানো যাবে না।

    বুধবার (৩০ জুলাই) রাত ১০টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইলে দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রায় যোগ দিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা সারাদেশে আমাদের ভাইদের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছিল। শেখ হাসিনাকে দশবার ফাঁসিতে ঝোলালেও তার অপরাধ কমবে না। দেশের মানুষ কোনো দিন তাকে ক্ষমা করবে না। কোনো দিন ক্ষমা করবে না আওয়ামী লীগকে। কোনো ধরনের রিফাইন আওয়ামী লীগকে কোনো দিন ক্ষমা করবে না।

    নাহিদ বলেন, এই সাভার ও আশুলিয়ার বাইপাইল পয়েন্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় আমাদের ছাত্র-জনতা ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিল। সাভার ও আশুলিয়া গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনের হটস্পট ছিল।

  • দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া না থাকলে তিক্ততা বাড়বে- মির্জা ফখরুল

    দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া না থাকলে তিক্ততা বাড়বে- মির্জা ফখরুল

     

    নিউজ ডেস্ক:

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক একটা বোঝাপড়া না থাকলে তিক্ততা সৃষ্টি হবে। এজন্য দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়ার প্রয়োজন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে জতীয় প্রেস্কলাবে ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, গণতন্ত্রে কাঁদা ছড়াছড়ি হবে। অনেক কথা আসবে। কিন্তু এটার একটা সীমা থাকা দরকার। তা না হলে একটা তিক্ততা সৃষ্টি হবে। যে তিক্ততা ভবিষ্যতের রাজনীতি আরো কলুষিত করবে। আমি আশা করব, আমরা আগামী দিনে একটা সুন্দর বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আমরা নির্বাচনের মধ্যেমে জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকারে যাবো। জনগণের কাছে ওয়াদাবদ্ধ কাজগুলো করার চেষ্টা করবো। তারপর আবার জনগণের কাছে ফিরে যাবো, যদি তারা আমাদের গ্রহণ করেন আমরা আসব না হলে আসবো না। সবাইকে মতামতকে প্রকাশ করার সুযোগ দিতে হবে, সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে, একজন সাধারণ মানুষ যেন তার নায্য বিচার পায়।

    বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমরা প্রকৃতপক্ষে গোলামি থেকে মুক্তি পেয়েছি। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ গোলামী থেকে। এরপর পাকিস্তানি গোলামী শুরু হয়। তারপরে আবার দেশে প্রভুদের গোলামী শুরু হয়। এই গোলামতেই আছি আমরা। গোলামদের কিন্তু একটা সংকীর্ণ মন তৈরি হয়। কিছুতেই খুব বেশি বড় করে দেখার সুযোগ হয় না। আমি মনে করি, আমাদের বড় করে দেখার চেষ্টা করা উচিত। আমরা মুক্ত সমাজ চাই। আমরা একটা মুক্ত রাষ্ট্র নির্মাণ করতে চাই।

    অন্তর্বর্তী সরকার গত এক বছরেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদের তালিকা তৈরি করতে না পারার সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে যারা আছেন তারা এক বছরেও কি এদের খুঁজে পেলেন না? যারা এই দেশকে পরিবর্তনের জন্য প্রাণ দিলো।

    গণঅভ্যুত্থানে আহত সাভারের একটি শিশুর কৃত্রিম মাথা লাগানোর বিষয় উল্লেখ করে কান্না জড়িত কণ্ঠে মহাসচিব বলেন, কালকে ৭ বছরে একটি শিশু এসে হঠাৎ করে আমাকে জড়িয়ে ধরেছে। শিশুটি বলেছে আমার মাথায় খুলিটা নেই, খুলিটা প্লাস্টিকের। প্লাস্টিক দিয়ে আর্টিফিশিয়াল খুলি তৈরি করে লাগিয়ে দিয়েছে এর চেয়ে বড় ত্যাগ আর কি হতে পারে?

    রাষ্ট্র সংস্কারে একটি মৌলিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হওয়াকে ‘ইতিবাচক’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক বিষয়গুলো সমাধান করে দ্রুত নির্বাচনের একটা মোটামুটি ধারণা পাওয়া গেছে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে আমাদের মধ্যেকার দ্বিধা কাটিয়ে একটা জায়গায় পৌঁছাতে পারবো।

    বিগত ১৫ বছরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হওয়ায় মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবির, যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান, সংগ্রাম সম্পাদক আবুল আসাদকে সম্মান দেয়া হয়। এদের মধ্যে মতিউর রহমান ও মাহমুদুর রহমানের হাতে ক্রেট তুলে দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ভুইয়াসহ কমিটির সদস্যরা। বাকিরা বিদেশে এবং অসুস্থ থাকায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেনি।

     

  • বিএনপি ক্ষমতার যাওয়ার জন্য অস্থির নয়: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি ক্ষমতার যাওয়ার জন্য অস্থির নয়: মির্জা ফখরুল

    নিউজ ডেস্ক:

     

    বিএনপি ক্ষমতার যাওয়ার জন্য অস্থির নয় উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জনগণের মালিকানা তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হলে অনেক সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১২টি মৌলিক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে। বাকীগুলো ঐকমত্যের দিকে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে না, তা বাদ দিয়ে শুধু মৌলিক বিষয়গুলোই সংস্কার করা উচিত।

    গণতন্ত্রে সীমা থাকা উচিত জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রে কাঁদা ছোড়াছুড়ি হলেও সেখানে সীমা থাকা উচিত। এমনটা না হলে ভবিষ্যতে তিক্ততা তৈরি হবে।

    এ সময় জুলাই-আগস্টে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা মনে রেখে সবাইকে দেশ গঠনে ঐকবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

  • যশোরে জুলাই বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী, তরুণ্যের চোখে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

    যশোরে জুলাই বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী, তরুণ্যের চোখে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

    যশোর প্রতিনিধি
    যশোর সংস্কৃতি কেন্দ্রের আয়োজনে স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের প্রথমবার্ষিকী।

    রবিবার (২৭ জুলাই) বিকাল শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আয়োজনে ছিল ইতিহাসের পুনর্পাঠ, শহীদদের স্মরণ এবং ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের ডাক।

    ‘জুলাই বিপ্লব: তরুণ্যের ভাবনা ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন যশোরের জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ের রক্তাক্ত
    ইতিহাস আমাদের জন্য শুধুমাত্র শোক নয়, এটি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে স্বৈরাচার পতনের বার্তা। এই দিনে যারা শহীদ হয়েছেন, তারা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়ের জন্য জীবন দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের আলোকে আমাদের আগামীর পথ রচনা করতে হবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক গোলাম রসুল। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব ছিল ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের ফল। সেই ঐক্যই পতিত স্বৈরাচার সরকারকে চরম চাপে ফেলে দিয়েছিল। কিন্তু আবারও দেশে সেই ফ্যাসিবাদের দোসরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে ঘাপটি মেরে থেকে একই চিত্র ফিরে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। এদের থেকে সাবধান হতে হবে। আওয়ামী লীগের স্বৈরাচারী শাসনামলে বিরোধীদল তথা জামায়াত-শিবির ও বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, গুম ও মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছিলÑযা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাকর অধ্যায়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি ছাত্র জনতা ঐক্যবদ্ধ না থাকে, তাহলে ফের সেই অন্ধকার যুগ ফিরে আসতে পারে। আজ যারা সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করছে, ধর্ম-বর্ণ-পেশা-রাজনীতির নামে সংঘাত ছড়াচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। ঘাপটি মেরে বসে থাকা স্বৈরাচারীদের ভুলে গেলে চলবে না। যারা শহীদ হয়েছেন, যারা রক্ত দিয়ে আন্দোলনকে রাঙিয়ে দিয়েছেন তাদের আত্মত্যাগকে মনে না রাখলে জাতি অকৃতজ্ঞের কাতারে পড়বে।
    অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন শহীদ আব্দুল্লাহর গর্বিত পিতা আব্দুল জব্বার। তিনি কণ্ঠ ভার করে বলেন, আমার ছেলে জীবনের বিনিময়ে জাতিকে কিছু দিতে চেয়েছিল। আজ আমি গর্বিত যে তার সেই আত্মদান বৃথা যায়নি। কিন্তু আমি চাই, শহীদদের নাম যেন শুধু ব্যানারে না থাকে, তাদের আদর্শ যেন বাস্তবে রূপ নেয়।
    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আছাদুজ্জামান, ন্যাশনাল ডক্টরস ফ্রন্ট-এর সভাপতি ডা. শরফুজ্জামান রঞ্জ, ছাত্র প্রতিনিধি সামিউল আলম শিমুল প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক এবং সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক আবুল হাশিম রেজা।
    আলোচনার পরপরই এক আবেগঘন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় শহীদদের স্মরণে গান, আবৃত্তি ও নাট্যাংশ পরিবেশিত হয়। পুরো মিলনায়তন উপস্থিতি সকলে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    ডিবি/ এআর

  • মিয়ানমারের জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার, ডিসেম্বরে নির্বাচনের প্রস্তুতি

    মিয়ানমারের জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার, ডিসেম্বরে নির্বাচনের প্রস্তুতি

     

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক

    জুররি অবস্থা তুলে নিয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। সেইসঙ্গে আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক বাহিনী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সান সু চির বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে। যার ফলে বহুমুখী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এই গৃহযুদ্ধ হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

    সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো একটি ভয়েস বার্তায় জান্তার মুখপাত্র জাও মিন তুন বলেছেন, ‘বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আজ জরুরি অবস্থা বাতিল করা হয়েছে। ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

    বিশ্লেষকরা ভবিষ্যদ্বাণী করছেন যে নির্বাচনের পর জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং প্রেসিডেন্ট অথবা সশস্ত্র বাহিনী প্রধানের ভূমিকা বজায় রাখবেন। যার ফলে কার্যত শাসক হিসেবে তার মেয়াদ বাড়বে।

    বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র দ্য গ্লোবাল নিউ লাইট অব মায়ানমারে প্রকাশিত এক বক্তব্যে মিন অং হ্লাইং বলেন, ‘আমরা এরইমধ্যে প্রথম অধ্যায়টি অতিক্রম করেছি। এখন, আমরা দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করছি।’

    প্রকাশিত বক্তব্যের আরেক অংশে বলা হয়েছে, ‘আসন্ন নির্বাচন আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। সকল যোগ্য ভোটারকে তাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।’

    তবে অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক আইনপ্রণেতাসহ বিরোধী দলগুলো এই নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করার কথা জানিয়েছে। যা জুনে জাতিসংঘের একজন বিশেষজ্ঞ সামরিক বাহিনীর অব্যাহত শাসনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য এই নির্বাচনকে একটি জালিয়াতি বলে উল্লেখ করেছেন।

    বিডি/বিএ

     

  • জুলাই সনদের দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

    জুলাই সনদের দাবিতে শাহবাগে অবরোধ

    নিউজ ডেস্ক

    জুলাই সনদের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন জুলাই যোদ্ধারা। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।

    অবরোধের ফলে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থান রয়েছেন। এর আগে সকাল থেকে শাহবাগে জড়ো হয় তারা।

    এদিকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা শেষ করে জুলাই সনদ চূড়ান্ত করতে চায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। তবে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের আলোচনা এখনো শেষ হয়নি।

    জুলাই জাতীয় সনদের খসড়া নিয়ে আপত্তির কথা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলগুলো বলছে, জুলাই সনদকে একটি আইনি কাঠামোর মধ্যে এনে তা বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিতে হবে। না হলে পুরো সংস্কারপ্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে। তবে এ খসড়ার সঙ্গে মোটামুটি একমত বিএনপি।

  • গাজায় ত্রান শিবিরে ইসরাইলি হামলায় ৭১ জন নিহত

    গাজায় ত্রান শিবিরে ইসরাইলি হামলায় ৭১ জন নিহত

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক

    যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক চাপ সত্ত্বেও গাজায় অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে ত্রাণ আনতে গিয়ে ইসরাইলি হামলায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন। বুধবার ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ৭১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

    গাজার চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, হাসপাতালগুলোতে দুর্ভিক্ষ ও অপুষ্টিজনিত কারণে মারা গেছে আরো সাতজন।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার উত্তর গাজায় প্রবেশকারী ত্রাণ ট্রাকগুলো জিকিম ক্রসিং পয়েন্টের দিকে যাওয়ার সময় ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৫১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৬৪৮ জনের বেশি মানুষ।

    নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্স জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের কাছে তথাকথিত মোরাগ করিডোরের কাছে সাহায্যের জন্য আসা আরো ২০ জন নিহত হয়েছেন।

    গত মে মাসের শেষের দিকে অভিযান শুরু করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল সমর্থিত জিএইচএফ পরিচালিত ত্রাণ বিতরণ স্থান পরিণত হয়েছে মৃত্যু ফাঁদে। জিএইচএফ কেন্দ্রে ইসরাইলি হামলায় এ পর্যন্ত এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

    পর্যাপ্ত সাহায্য প্রদানে ব্যর্থতার জন্য এবং এর সাহায্য বিতরণ স্থান এবং এর আশেপাশে ভয়াবহ নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য জাতিসংঘ এবং অন্যান্য মানবিক সংস্থাগুলি জিএইচএফ-এর তীব্র সমালোচনা করেছে।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অপুষ্টিতে ৮৯ জন শিশুসহ ১৫৪ জন মারা গেছেন। যার বেশিরভাগই মারা গেছেন সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে।

    ক্রমবর্ধমান চাহিদা সত্ত্বেও, গাজায় যে পরিমাণ ত্রাণ ইসরাইল ঢুকতে দিচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

    জাতিসংঘ বলছে, মৌলিক মানবিক চাহিদা মেটাতে গাজায় প্রতিদিন কমপক্ষে ৫০০ থেকে ৬০০ ট্রাক ত্রাণ প্রয়োজন। গত চার দিনে মাত্র ২৬৯টি ট্রাক ত্রাণ নিয়ে গাজা ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে।

  • ডেঙ্গুতে  চলতি বছরে ৮১ মৃত্যুর অর্ধেকই জুলাইয়ে

    ডেঙ্গুতে চলতি বছরে ৮১ মৃত্যুর অর্ধেকই জুলাইয়ে

     

    ডেস্ক নিউজ:

    এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেড়েই চলছে। এই ঊর্ধ্বমুখী ধারায় মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দুজনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা ছিলেন।

    এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে ৮১ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেকই (৩৯ জন) মারা গেছেন জুলাইয়ের ৩০ দিনে।

    এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৮৬ জন রোগী। নতুন আক্রান্তদের নিয়ে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭০২ জন।

    ৩০ জুলাই বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর তথ্য দেয়। কিন্তু ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েও অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হন না।

    অনেকে চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে যান। ফলে বিভিন্ন ল্যাবরেটরি বা ক্লিনিকে পরীক্ষা করে যাদের ডেঙ্গু পজেটিভ শনাক্ত হচ্ছে, সেই তথ্য দিতে পারছে না সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ। এ কারণে দেশে ঠিক কত মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন সেই তথ্য জানা যায় না।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৯ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) পাঁচজন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৫ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন রয়েছেন। এ সময় ৩৭৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

    চলতি বছরে এ যাবৎ মোট ১৯ হাজার ৩২৯ রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। ৩০ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ৫৮ দশমিক সাত শতাংশ পুরুষ এবং ৪১ দশমিক তিন শতাংশ নারী রয়েছেন।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে এ যাবৎ ডেঙ্গুতে মোট ৮১ জন মারা গেছেন।

    ডেঙ্গু ভাইরাস সংক্রমণের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশে এক বছরে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ২০২৩ সালে।

    এর পরের বছর ২০২৪ সালে ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং আগের বছরগুলোর মধ্যে ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২ জন, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯ জন, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ জন এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

    গত বছরের জানুয়ারি থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ৬ হাজার ১৪৪ জন এবং মারা যায় ৫৬ জন। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার একই সময়ে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে ২৩৭ শতাংশ বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া গত বছরের তুলনায় এবার একই সময়ে ৪৪ শতাংশের বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা যুগান্তরকে বলেছেন, বৃষ্টি-পরবর্তী জমে থাকা পানি এবং বাড়তি তাপমাত্রা মশার বংশবৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে, যা ডেঙ্গুর বিস্তার বাড়িয়ে তুলছে। তাই শুধু সরকারি ব্যবস্থার ওপর না ভরসা করে, ব্যক্তিপর্যায়ে সচেতনতা বজায় রাখা জরুরি।

  • জামায়াত আমিরের হার্টে একাধিক ব্লক! দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

    জামায়াত আমিরের হার্টে একাধিক ব্লক! দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা

      নিউজ ডেস্ক:

    বাংলাদশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের হার্টে একাধিক ব্লক ধরা পড়েছে। জরুরি ভিত্তিতে তার বাইপাস সার্জারীর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। জামায়াত আমিরের পিএস মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গত ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় দুইবার মঞ্চে পড়ে গিয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। পরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইবনে সিনা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ওইদিন রাতেই বাসায় ফেরেন তিনি।

    নজরুল ইসলাম জানান, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে বুধবার সকাল ১১ টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন জামায়াত আমির। সেখানে বিকাল চারটার দিকে  এনজিওগ্রাম করা হয়। কার্ডিওলজিস্ট ডা. মমিনুজ্জামানের অধীনে সম্পন্ন হওয়া এনজিওগ্রামে হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা বাইপাস সার্জারির পরামর্শ দিয়েছেন। সেই প্রস্তুতি চলছে।

    জানা গেছে, জামায়াত আমিরের হার্টে ব্লক ধরা পড়ার খবরে তার পরিবার ও দলীয় নেতাদের মাঝে উদ্বেগ দেখা দেয়। তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্যও পরামর্শ দেয়া হয় দলের পক্ষ থেকে। তবে জামায়াত আমির দেশেই চিকিৎসার নেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। দ্রুত সুস্থতায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং তার পরিবার দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    বিডি/বিএ

  • চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে ৫৫ লাখ টাকার  চোরাচালান জব্দ

    চুয়াডাঙ্গায় বিজিবির অভিযানে ৫৫ লাখ টাকার চোরাচালান জব্দ

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

    চুয়াডাঙ্গা বিজিবি-৬ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা গত ২৩ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী চলমান মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৫৫ লাখ ২৪ হাজার ৩’শ ৫৪ টাকার মাদক ও চোরাচালানপণ্য জব্দ করেছে। এগুলো মধ্যে ভারতীয় রূপো, মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য চোরাচালানপণ্য রয়েছে।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক হায়দার আলী জানান,  বুধবার (৩০ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ১০ দশমিক ৮৩৪ কেজি ভারতীয় দানাদার রূপো, ১৪৪ বোতল বিদেশী মদ, ১৪ কেজি গাঁজা, ৩৮ বোতল ফেন্সিডিল, ২০ গ্রাম হেরোইন, ৪৪টি ভায়াগ্রা ট্যাবলেট, ১০০টি চায়না দুয়ারী জাল, ২৯ পিস শাড়ী, ১৩টি থ্রিপিস, ২০ কেজি ভারতীয় পেঁয়াজের বীজ, ২’শ টি পাতার বিড়ি,  ১’শ ২৭টি কসমেটিকস সামগ্রী, ২টি মোবাইলফোনসহ অন্যান্য চোরাচালানপণ্য।

    এসকল অভিযানের সময় দুইজন চোরাকারবারীকে আটক করেন তারা।  আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর এবং আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

    তিনি আরো বলেন,চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় মাদক ও চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ পয়েন্টগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে।