ক্যাটাগরি ছবি

  • নীলফামারীর সৈয়দপুরে যৌতুকের দাবিতে পিটিয়ে হত্যা মামলার ৩ এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার

    নীলফামারীর সৈয়দপুরে যৌতুকের দাবিতে পিটিয়ে হত্যা মামলার ৩ এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ আমার অহংকার’—এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, যৌতুকসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও গুরুতর অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে র‌্যাব সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

    বাদীর দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম মোছাঃ শিমু আক্তার (৩১)-এর সঙ্গে ১নং এজাহারনামীয় আসামি মোঃ রায়হান রিতু (৩০)-এর প্রায় ১৩ বছর আগে, ২০১৩ সালে ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহের পর থেকেই আসামি রায়হান রিতু যৌতুকের দাবিতে ভিকটিমের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। ভিকটিমের পরিবার যৌতুক দিতে অপারগ হওয়ায় নির্যাতনের মাত্রা ক্রমেই বৃদ্ধি পায়।

    এরই ধারাবাহিকতায়, গত ০৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৮:০০ ঘটিকায় আসামির নিজ বাড়িতে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে অন্যান্য আসামিদের সহায়তায় মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আসামিরা জোরপূর্বক ভিকটিমের মুখে বিষ প্রয়োগ করে এবং তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত ০৮:৪৫ ঘটিকায় ভিকটিম মৃত্যুবরণ করেন।

    ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১১(ক)/৩০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১২)।

    মর্মান্তিক এ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র‌্যাব-১৩ আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে এবং অভিযান ত্বরান্বিত করে।

    এরই ধারাবাহিকতায়, র‌্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দুপুর ০২:৩০ ঘটিকায় নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানাধীন ধলাগাছ মতির মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ১নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ রায়হান রিতু (৩০), পিতা—মৃত মোর্শেদ; ৩নং আসামি মোঃ জসিম (৩২), পিতা—মোঃ সেলিম; এবং ৪নং আসামি মোঃ জিতু (৩৪), পিতা—মৃত মোর্শেদুল হক; সর্ব সাং—সৈয়দপুর, জেলা—নীলফামারী—এই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানা যায়।

    গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‌্যাব জানায়, যৌতুক, হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে তাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    এম কে

  • প্রতিকূল আবহাওয়ায় লিচু চাষির সেই আশায় গুঁড়েবালি

    প্রতিকূল আবহাওয়ায় লিচু চাষির সেই আশায় গুঁড়েবালি

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের হাকিমপুরের হিলিতে এবারে লিচুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিলেও প্রতিকূল আবহাওয়ায় লিচু চাষির সেই আশায় গুঁড়েবালি অবস্থা। মুকুল আসার সময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায় অনেক গাছের মুকুল ঝড়ে পড়েছে। যেগুলো আটকিয়েছিল তীব্র গরমের প্রভাবে গাছ থেকে ঝরে পড়ছে অপরিণত লিচুর গুটি। এতে করে লিচু বাগান মালিকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে। চাষিদের এ থেকে পরিত্রাণে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে দাবি স্থানীয় কৃষি বিভাগের।

    লিচুর জন্য বিখ্যাত জেলা দিনাজপুর জেলা শহরসহ পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলায় প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে লিচু উৎপাদিত হয় যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়। বছরের শুরুতে হিলির বিভিন্ন লিচু বাগানে গাছে প্রচুর লিচুর মুকুল এসেছিল। এতে করে আশায় বুক বাঁধছিলেন লিচুচাষিরা। কিন্তু এ বছর লিচুর গাছে মুকুল আসার সময় হঠাৎ করে বৃষ্টির ফলে অনেক মুকুল ঝড়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে গত কয়েকদিন ধরে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে ফলে বিভিন্ন লিচু বাগানে গাছ থেকে লিচুর গুটি ঝড়ে পড়ছে। চাষিরা সাধ্যমতো পানি সেচ ও ওষুধ স্প্রে করেও এই ঝরে পড়া রোধ করতে পারছেন না। আবহাওয়ার বিরূপ আচরণ বজায় থাকলে লিচুর কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন লিচুচাষিরা। ফলে এবারে লিচু চাষে লোকশান গুনতে হবে দাবি তাদের।

    জালালপুর গ্রামের লিচুচাষি আসলাম হোসেন বলেন, বাগানে এবারে লিচু গাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ মুকুল আসছিল। কিন্তু আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব মুকুল যেসময়ে গাছে আসছে ঠিক সেসময়ে হঠাৎ করে বৃষ্টির কারণে আমাদের গাছে বেশীরভাগ মুকুল ঝরে যায়। আর যেটুকু গাছে মুকুল টিকেছিল বর্তমানে গুটি পর্যায়ে আসছিল কিন্তু গত কয়েকদিনের গরমে গাছ থেকে সেসব লিচুর গুটি ঝরে পড়ছে। কীটনাশক পানি স্প্রে করেও কোনোভাবেই লিচুর গুটি রোধ রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে করে আমাদের যে খরচ সেই টাকাই উঠবে না।

    শ্রমিক ইয়াকুব বলেন, আমি এই লিচু বাগান দেখাশুনা করি কীটনাশক স্প্রে পানি ছিটানো থেকে সবকিছু আমি করে থাকি। অন্যান্যবার যেভাবে গাছে লিচু ধরে সেই হিসেবে এবারে গাছে তেমন লিচু নেই। যার কারণে এবারে মহাজনের লিচু চাষ করে লোকশান গুনতে হচ্ছে। যখন মুকুল বের হবে সেসময়ে বৃষ্টির কারণে মুকুল কম হয়েছে। আবার এখন গাছে যেগুলো লিচুর গুটি হয়েছে কিন্তু কয়েকদিন ধরে তীব্র গরমের কারণে সেই গুটি ছড়ে পড়ছে।

    এম কে

  • কাউনিয়ায় তিস্তার চরে মিষ্টি কুমড়ার ভালো ফলনে চাষীরা খুশি

    কাউনিয়ায় তিস্তার চরে মিষ্টি কুমড়ার ভালো ফলনে চাষীরা খুশি

    ডেস্ক নিউজঃ

    কাউনিয়ার তিস্তা নদীর বালুচরে এবার মিষ্টি কুমড়ার ভালো ফলন হয়েছে। তিস্তা চরের মিষ্টি কুমড়ার স্বাদ বেশি হওয়ায়  রাজধানী ঢাকার কাওরান বাজার দখল করেছে সেই সাথে খুলনা,যশোর,কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ,গাজীপুর সহ দেশের বিভিন্ন জেলায়  তিস্তা চরের মিষ্টি কুমড়া বাজারজাত করা হচ্ছে। খেতেই কুমড়ার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ১৬ টাকায়। প্রতিটি কুমড়া ওজন ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়।
    সরজমিনে কাউনিয়া উপজেলার তিস্তার চর তালুক শাহাবাজ, চরগনাই, নিজপাড়া, চর ঢুষমারা,পাঞ্জরভাঙ্গা চরে গিয়ে দেখা যায়  সারি সারি কুমড়া খেতে লাল হলুদ  রঙ ধারন করে অপরুপ শোভা ছড়াচ্ছে। যে দিকে চোখ যায় শুধু মিষ্টি কুমড়ার খেত।

    নিজপাড়া  গ্রামের কুমড়া চাষী হাফিজুর রহমান জানান তিনি ১হেক্টর জমিতে ৬ শ’ কুমড়ার চারা রোপণ করে ছিলেন। ভালো ফলন ভাল দাম পেয়ে তিনি বেশ খুশি। খেতেই ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা ১২ টাকা কেজি দরে কুমড়া ক্রয় করে ট্রাক যোগে ঢাকার কাওরানবাজার নিয়ে যাচ্ছে।
    তালুক শাহবাজ গ্রামের কুমড়া চাষী মনিরুল ইসলাম বলেন তিনি দেড় একর জমিতে ব্যাংকক-০১ ব্লাকস্টোন জাতের কুমড়া চাষ করে আশাতীত ফলন পেয়েছে। দাম ও ফলন ভাল পেয়ে তিনিও বেশ খুশি।

    একই চরের কৃষক তুহিন মিয়া বলেন  বর্ষায় নদীর দু’কূল উপচিয়ে বন্যায় প্লাবিত হয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। একই সঙ্গে ভাঙনের মুখে পড়ে বিলীন হয় ফসলি জমি বসতভিটাসহ নানা প্রতিষ্ঠান স্থাপনা। বর্ষা বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে ধু-ধু বালুচরে পরিণত হয় তিস্তা নদী। তিস্তার ধু-ধু বালুচরে ফসল ফলানো বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার হলেও পেটে দু’মুঠো ডাল ভাত জোগাতে আমরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে বালুচরে কুমড়া চাষ করে থাকি । চরাঞ্চলের বালুতে মিষ্টি কুমড়ার চাষাবাদে খরচ কম এবং ফলন বেশি হওয়ায় এই ফসলে বেশি আগ্রহী ওঠেছেন চাষিরা।

    উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার ১৭টি চরে  ১১৫ হেক্টর জমিতে কুমড়া চাষ হয়েছে।  উপজেলার নদীভাঙা ৪টি ইউনিয়নের ১৭ চরে  ২৭৬ জন প্রান্তিক চাষি  ১১৫ হেক্টর বালুচরের জমিতে  মিষ্টি কুমড়ার চাষ করেছে। ব্যাংকক-০১ ব্যাংকক-০২,ব্লাকস্টোন,

    বারি মিষ্টি কুমড়া,বেতব্রি,সবুজ বাংলা, পাথর কুচি,দেবগ্রী ,বদ্দবাটি,পাতায়া-০১,
    ওয়ান্তর গোল্ড, থাই কুমড়া, স্মল সুইট জাতের কুমড়া চাষ করা হয়েছে তিস্তার বালুচরে। ১ হেক্টর জমিতে কুমড়ার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৪ মেট্রিকটন,প্রতি ১ হেক্টর  জমিতে খরচ ধরা হয়েছে ১লাখ ৪০ হাজার টাকা,বিক্রি হবে ৪ লাখ  ৮ হাজার টাকা অর্থাৎ প্রতি ১ হেক্টর জমিতে কৃষকের লাভ হবে ২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। চলতি মৌসুমে কাউনিয়ার তিস্তার চরের কুমড়া বিক্রি হবে প্রায় ৪ কোটি টাকা।

    অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাসের   মধ্যে মিষ্টি কুমড়া রোপণ করে তা এপ্রিলের শেষে খেত থেকে তোলা শুরু হয়েছে। চাষিরা তাদের লাল হলুদ বর্ণ ধারণ করা পাকা মিষ্টি কুমড়া খেত থেকে  তুলে বিক্রির জন্য খেতের কোণায়, নদী পাড়ে স্তূপ করে রেখেছে। ফড়িয়া ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা থেকে এসে দরদাম করে ট্রাকযোগে তা নিয়ে যাচ্ছে।

    নিজপাড়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন প্রনোদনার মাধ্যমে কৃষকদের সার,বীজ,সেক্সফেরোমেন ট্রাপ প্রদান করা হয় এবং নিয়মিত তদারকি ও পরামর্শ প্রদান করায় কুমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। সেই  সাথে কুমড়ার বাজার মূল্য বেশি হওয়ায় তারা লাভবান হয়েছে।
    কাউনিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আকতার  জানান, তিস্তার বালু চর এলাকায় মিষ্টি কুমড়া চাষে উপকরণ সহায়তা প্রদান শীর্ষকপ্রকল্পের আওতায় ২৭৬ জন চাষি ১১৫  হেক্টর জমিতে কুমড়া চাষ করেছে। তাদের প্রশিক্ষণ, বীজ, রাসায়নিক সার প্রদানসহ পোকামাকড় দমনে নানা উপকরণ সহায়তা করা হয়েছে। এ উপজেলায় দিন দিন কুমড়া চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কুমড়া চাষ  করে চাষীরা লাভবান হচ্ছে।

    এম কে

  • তিস্তার চরে শিলাবৃষ্টিতে মরিচ-পেঁয়াজসহ ফসলের ক্ষতি

    তিস্তার চরে শিলাবৃষ্টিতে মরিচ-পেঁয়াজসহ ফসলের ক্ষতি

    ডেস্ক নিউজঃ

    কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তিস্তার চরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে মরিচসহ বিভিন্ন ফসলের বাম্পার ফলন হলেও শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির কারণে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র বলছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে চরাঞ্চলের ৫৬৩ জন কৃষকের প্রায় দুই কোটি টাকার ফসল বিনষ্ট হয়েছে। ফলে তিস্তার চরাঞ্চলের কৃষকদের মুখে এখন হতাশা কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মধ্যে রয়েছে ভুট্টা, চিনা, শাকসবজি, মরিচ, পেঁয়াজ ও কালোজিরা। এর মধ্যে মরিচ ও পেঁয়াজ চাষিরাই সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতির পাশাপাশি বাজারে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

    উপজেলাটির ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের তিস্তা চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, মাইলের পর মাইল সবুজ ফসলের সমারোহ। বাদাম, চিনা, তিল, তিশি, পেঁয়াজ ও মরিচ ক্ষেতে ভরে আছে চরের বুক। তবে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র। উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৮১৫ হেক্টর জমিতে মরিচ ও পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অনেক কৃষক ভালো দাম পেয়েছিলেন।

    তবে অতিবৃষ্টির আশঙ্কায় একযোগে অপরিপক্ব মরিচ বাজারে তোলায় হঠাৎ দরপতন ঘটে।রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফন্নাহার সাথী বলেন, তিস্তার চরে মরিচসহ অন্যান্য ফসলের ফলন ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে কিছু ক্ষতি হলেও কৃষকরা তাদের পরিশ্রম দিয়ে তা পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করছি।

    কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লহ আল মামুন বলেন, চলতি মৌসুমে তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে ৮ হাজার ৫২৮ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ফসলের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে শিলাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টিতে ৫১৭ দশমিক ৫ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ২৯৬ হেক্টরের ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট। এতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ৩ হাজার ২২ দশমিক ৮২ টন ফসল কম হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এম কে

  • ঘোড়াঘাটে সাধনা ফিলিং স্টেশনে বিশ হাজার টাকা জরিমানা

    ঘোড়াঘাটে সাধনা ফিলিং স্টেশনে বিশ হাজার টাকা জরিমানা

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে এক ফিলিং স্টেশন ম্যানেজারকে জরিমানা করা হয়েছে।

    বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে ঘোড়াঘাট উপজেলার সাধনা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯-এর ৪০ ও ৪৫ ধারায় তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ রুবানা তানজিন।অভিযানে সহযোগিতা করেন ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের এসআই মোঃ নজরুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

    জানা যায়, ফিলিং স্টেশনে তেল বিক্রির ক্ষেত্রে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত ফুয়েল কার্ড ব্যতীত তেল বিক্রির কারণে বিশৃঙ্খলার অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা আদায় করা হয়।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন জানায়, অব্যবস্থাপনার কারণে এবং পাম্পের শৃঙ্খলা ফেরাতে আমরা ফুয়েল কার্ডের ব্যবস্থা করেছি। আজ ফুয়েল কার্ড ছাড়া তেল বিক্রির কারণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। পাম্প ম্যানেজার ফুয়েল কার্ড ছাড়া প্রায় ১৫’ শ থেকে ২ হাজার লিটার তেল বিক্রি করছে। ফলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে এই কারণে আমরা ভোক্তা অধিকার আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা্রেে আদায় করেছি।

    এম কে

  • তনু হত্যার ১০ বছর পর সাবেক সেনা সদস্য গ্রেফতার, তিনদিনের রিমান্ড

    তনু হত্যার ১০ বছর পর সাবেক সেনা সদস্য গ্রেফতার, তিনদিনের রিমান্ড

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করে পিবিআই। বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে তোলা হয়।

    বহুল আলোচিত কুমিল্লার সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার দীর্ঘ ১০ বছর পর প্রথমবারের মতো সন্দেহভাজন এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম হাফিজুর রহমান। তিনি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার। গ্রেফতারের পর আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে সেনাবাহিনীর সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করে পিবিআই। বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে তোলা হয়।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকার পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করাতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি সোহাগী জাহান তনু। পরে বহু খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তার লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। শুরুতে থানা-পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনো রহস্য বের করতে পারেনি। সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করে সিআইডি। গত প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

    এ /আর

  • ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদান অব্যাহত, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে : মন্ত্রী

    ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদান অব্যাহত, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে : মন্ত্রী

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় চর্চা নির্বিঘ্ন রাখতে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকার এসব অনুদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং মসজিদভিত্তিক ধর্মীয় সেবাদানকারীদের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

    আজ বুধবার সংসদে টাঙ্গাইল-৭ আসনের সরকারি দলের সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, দেশের মসজিদসমূহে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের যথাক্রমে পাঁচ হাজার, তিন হাজার ও দুই হাজার টাকা করে মাসিক সম্মানী প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি চলতি অর্থবছরে মসজিদ, মাদরাসা, ঈদগাহ, কবরস্থান, হিন্দু মন্দির, শ্মশান, বৌদ্ধ মন্দির ও শ্মশান, খ্রিস্টান গির্জা ও সেমিট্রিসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

    মন্ত্রী জানান, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে বর্তমান অর্থবছরে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে চার কোটি ৫০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হবে। এছাড়া বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রতিবছর বৌদ্ধ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে দেশের বৌদ্ধ বিহার ও উপাসনালয়ে বিশেষ অনুদান বিতরণ করা হয়। এ অনুদান প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বরাদ্দের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। একই সাথে ট্রাস্টের নিজস্ব তহবিল থেকেও বিহার, উপাসনালয় ও শ্মশানের সংস্কার ও মেরামতে সহায়তা দেয়া হয়।

    তিনি জানান, খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমেও দেশের চার্চ, গির্জা, উপাসনালয় ও তীর্থস্থানগুলোতে প্রতিবছর উৎসবভিত্তিক অনুদান দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বিশেষ বরাদ্দের ভিত্তিতে এ অনুদান বিতরণ করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি ট্রাস্টের নিজস্ব তহবিল থেকে চার্চ, গির্জা, উপাসনালয় ও কবরস্থানের সংস্কার ও মেরামতের জন্যও অনুদান প্রদান করা হচ্ছে।

    মন্ত্রী বলেন, সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় চর্চা নির্বিঘ্ন রাখতে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকার এসব অনুদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    এ/আর

  • আইন প্রয়োগহীনতার কারণে দেশে অপরাধ বেড়েই চলছে,মাওলানা ইউনুস আহমদ

    আইন প্রয়োগহীনতার কারণে দেশে অপরাধ বেড়েই চলছে,মাওলানা ইউনুস আহমদ

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    অধ্যক্ষ ই্উনুস আহমদ বলেন, বিদ্যমান আইন ও বিচারব্যবস্থার আমূল সংস্কার দরকার। অপরাধীর দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে আরো দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।

    দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির তথ্য উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ বলেছেন, গত তিন মাসে সারাদেশে ৮৫৪টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। গড়ে প্রতিমাসে খুনের ঘটনা ২৮৪টি এবং প্রতিদিন ৯টার বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে। গণঅভ্যুত্থানের পরের বছর ২০২৫ সালে এবং তার আগের বছরও তুলনামূলক কম খুন হয়েছে। চলতি বছরের তিন মাসে ডাকাতি হয়েছে ১৩৩টি, ছিনতাই ৪৩৯টি ও চুরির ঘটনা ২ হাজার ৩১৮টি। নারী ও শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৩ হাজার ৯৪৭টি। তিন মাসে পুলিশের ওপরে হামলার ঘটনা ঘটেছে ১৪৭ বার। এই মাত্রার অপরাধ আসলেই উদ্বেগজনক। এই তিন মাসের দেড়মাস নির্বাচিত সরকারের অধীনে দেশ পরিচালিত হয়েছে। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরে আশা করা হয়েছিলো, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। কিন্তু আশাব্যাঞ্জক কিছু চোখে পড়ছে না। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারাদেশে বিভিন্ন থানা ও পুলিশের স্থাপনা থেকে পাঁচ হাজার ৭৬৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ছয় লাখ ৫২ হাজার আট রাউন্ড গুলি লুট হয়েছে। এখন পর্যন্ত এক হাজার ৩২৩টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। গুলি উদ্ধার হয়নি দুই লাখ ৫৭ হাজার ১৪৪ রাউন্ড। এসব অস্ত্র অপরাধে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সার্বিকভাবে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। জনমনে আশঙ্কা বিরাজ করছে।

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, আইনের দুর্বলতা অপরাধ প্রবণতার পেছনে প্রধান কারণ । অপরাধ যত বড়ই হোক না কেন, ছয় মাসের মধ্যে জামিনে বের হওয়া যায়। আর কোনো অপরাধীর চূড়ান্ত বিচার এবং তা কার্যকর করার হার এতো কম যে, শাস্তির ভয় অপরাধীদের মনে স্থানই পায় না। ফলে অপরাধ করতে অপরাধীরা দ্বিতীয়বার ভাবছে না। এর সাথে রয়েছে আইনের প্রয়োগহীনতা। অপরাধীদের পাকড়াও করতে প্রশাসনের অনীহা, পাকড়াও করলেও নানাভাবে মামলার ইজহার দুর্বল দেখানো, সাক্ষী উপস্থাপন না করা ইত্যাদি কারণে অপরাধীদের প্রকৃত বিচার হয়-ই না। ফলে দেশে খুন, গুম, ছিনতাই, ডাকাতি বেড়েই চলছে।

    অধ্যক্ষ ই্উনুস আহমদ বলেন, বিদ্যমান আইন ও বিচারব্যবস্থার আমূল সংস্কার দরকার। অপরাধীর দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে আরো দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।

    এ/ আর

  • চৌগাছায় অবৈধভাবে বালু উত্তলন করায় ৫০ হাজার টাক জরিমানা

    চৌগাছায় অবৈধভাবে বালু উত্তলন করায় ৫০ হাজার টাক জরিমানা

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছার নিয়ামতপুর গ্রামের খালের পাড় থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে নিয়ামতপুর গ্রামের মৃত চকম আলীর ছেলে দুলাল হোসেন (৩৯) কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    (২২ এপ্রিল) বুধবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম এ সাজা দেন।

    জানাযায়, নিয়ামতপুর গ্রামের মাঠের ফসলি জমি থেকে একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তলন করে বিক্রি করে আসছিল। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম অভিযান চালায়। এসময় অবৈধভাবে বালু উত্তলন করারা অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বালু ব্যবসায়ী দুলাল হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদায় করেন। একইসাথে উত্তলন করা বালু জব্দ করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম ঘটনার সত্যত্যা নিশ্চিত করে বলেন, প্রশাসনের এধরণের অবযান অব্যহত থাকবে।

    বি / এ

  • চৌগাছায় কাঁঠালের মধ্যে মাদক!

    চৌগাছায় কাঁঠালের মধ্যে মাদক!

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় কাঁঠালের মধ্যে ৪০ বোতল ভারতীয় উইনসেরেক্স সিরাপ (একজাতীয় মাদক দ্রব্য) পাচার করার সময় পাচারকারী আব্দুর রাজ্জাক (৫৫) কে আটক করেছে চৌগাছা থানার পুলিশ। বুধবার সকালে চৌগাছা সরকারি কলেজ এলাকার চৌগাছা ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

    আটকৃত আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার সিংহঝুলি গ্রামের মৃত ওমর আলী খাঁর ছেলে।

    থানাসুত্রে জানাযায়, গোপন সংবাদ পেয়ে চৌগাছা থানার এস.আই ইমরান হোসেন রাজুর নেতেৃত্বে পুলিশের একটি দল চৌগাছা ফিলিং স্টেশনের সামনে অবস্থান করছিল। এসময় কাঁঠালের খোসার ভিতরে অভিনব কায়দায় পলিথিনে জড়ানো অবস্থায় মাদক যশোরের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এস সময় তাকে চ্যালেঞ্জ করে অবৈধ ভারতীয়  মাদক ৪০ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপ উদ্ধার করে। এবং পাচারকারী আব্দুর রাজ্জাককেও গ্রেফতার করে পুলিশ।

    চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মাদক পাচার আইনে মামলা দিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    বি / এ