ক্যাটাগরি ছবি

  • উজানের পানিতে পীরগঞ্জে ডুবছে বোরো ধান, স্লুইসগেট খোলার দাবি কৃষকদের

    উজানের পানিতে পীরগঞ্জে ডুবছে বোরো ধান, স্লুইসগেট খোলার দাবি কৃষকদের

    ডেস্ক নিউজঃ

    হঠাৎ বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকেরা। বিশেষ করে মদনখালী ও কুমেদপুর ইউনিয়নের বারুদহ এলাকায় কয়েক হাজার বিঘা জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে।

    সরেজমিন দেখা গেছে, কয়েক দিন ধরে পানি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় পাকা ও আধা পাকা ধান দ্রুত কেটে ঘরে তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকেরা। অনেকেই বাধ্য হয়ে কাঁচা ধান কেটে নিচ্ছেন, যাতে সম্পূর্ণ ক্ষতির হাত থেকে অন্তত কিছুটা রক্ষা পাওয়া যায়।

    উপজেলার বগের বাড়ি গ্রামের কৃষক আবুল খায়ের বলেন, ‘দিন দিন পানি বাড়তেই আছে। আমরা বাধ্য হয়ে কাঁচা ধান কাটছি, না হলে সব পানির নিচে চলে যাবে।’

    একই এলাকার খয়ের বাড়ি গ্রামের তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এভাবে পানি বাড়তে থাকলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যাবে। আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি।’

    খয়ের বাড়ি গ্রামের আতিয়ার রহমান বলেন, ‘পীরগঞ্জের স্লুইসগেটের জলকপাট বন্ধ থাকায় পানি নামতে পারছে না। আমাদের ধান পুরো পানির নিচে চলে গেছে। দ্রুত গেট খুলে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’

    এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুমন আহমেদ বলেন, উজানের পানি বৃদ্ধি ও বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • রংপুরে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২ জনের

    রংপুরে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ২ জনের

    রংপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।  শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে মিঠাপুকুর উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের সখিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন- ওই এলাকার মৎসজীবী মিলন মিয়া (৩৫) ও কৃষক তালেব উদ্দিন (৪৫)।

    স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, সকালে ওই এলাকায় বৃষ্টি হয়। এ সময় ওই এলাকার ছোট শালমারা বিলে মাছ ধরছিলেন মৎসজীবীরা। তা দেখতে সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় শিশুসহ ১৫-২০ জন।  একজন আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন। এর মধ্যে বৃষ্টির সময় বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন শিশুসহ অন্তত ১১ জন আহত হন।

    তাদেরকে মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মৎসজীবী মিলন মিয়া ও কৃষক তালেব উদ্দিন। কৃষক তালেব ঘটনার সময় আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন।

    মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে যখন আনা হয় তখনই আমরা দুইজনকে মৃত অবস্থায় পাই। আহতদের মধ্যে তিনজন শিশু আছেন। যাদের বয়স ৭ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।

    মিঠাপুকুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থলে যাই। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরাও যায়। এ ঘটনায় দুইজন মারা গেছে। আহতদের মিঠাপুকুর ও রংপুরে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। ওই এলাকার সব মানুষ শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে।

    এম কে

  • তেলের অজুহাতে বেরোবিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

    তেলের অজুহাতে বেরোবিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

    জীবনের চেয়ে কি তেলের দাম বেশি? বুকভরা হতাশা আর ক্ষোভ নিয়ে এভাবেই বলছিলেন ‎বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান সিয়াম। দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের অজুহাতে গত তিনদিন থেকে বন্ধ রয়েছে বেরোবির জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবা।

    ডেস্ক নিউজঃ

    বেরোবি পরিবহন পুলের চরম অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কেউ অসুস্থ হলে জরুরি অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা না পাওয়া, নির্ধারিত স্টপেজে বা নির্ধারিত স্থানে বাস না থামা, এমনকি টাকার বিনিময়ে যাত্রী তোলা নামায় শিক্ষার্থীদের সময় নষ্ট করার ঘটনাসহ বিভিন্ন অভিযোগ করছে শিক্ষার্থীরা।

    মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাতে ওই শিক্ষার্থী বলেন, বেরোবি প্রশাসনের চরম অব্যবস্থাপনা আর অমানবিকতার এক নগ্ন বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। একজন মুমূর্ষু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য কল দিলে জানানো হয়, অ্যাম্বুলেন্সে তেল নেই। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সেবার এই যদি হয় অবস্থা, তবে প্রশাসনের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা কি অন্যায্য। শিক্ষার্থীদের জীবনের চেয়ে কি তেলের দাম বেশি।

    ‎অ্যাম্বুলেন্স সেবা না পাওয়া মার্কেটিং বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী শাফায়েত শুভ বলেন, এটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চরম উদাসীনতা। অ্যাম্বুলেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ গাড়িতে যদি তেল না থাকে, এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না। বাসগুলো ঠিকই চলছে, প্রশাসনের অন্যান্য গাড়িও চলছে, তাহলে অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে এই অজুহাত কেন? এটা প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন থেকে যাবে।

    ‎বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, আমিও এর আগে একদিন জরুরি সেবা অ্যাম্বুলেন্স এর জন্য কল দিয়েছিলাম। কিন্তু ঠিক একই (তেল না থাকা) অজুহাত পেয়েছিলাম।

    এ বিষয়ে বেরোবি ‎মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক ডাক্তার এ.এম.এম শাহরিয়ার কবির বলেন, গাড়িকে চলন্ত রাখার সম্পূর্ণ দায়িত্ব পরিবহন পুলের। আমাদের দায়িত্ব পরিচালনা করা। আমার কাছে ফোন আসছে তো আমার কাজ গাড়িটা তাদের দেয়া। অনেক সময় আমরা অ্যাম্বুলেন্স ছাড়াও সার্ভিস দিয়েছি। তেলের জন্য তারা তিনদিন থেকে চেষ্টা করেছে। যে পাম্প থেকে তেল নেওয়া হয়। সেখানেও তিনদিন যাবৎ তেল নেই।

    পরিবহন পুলের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা বলেন, অ্যাম্বুলেন্স কে ব্যবহার করবে, না করবে তা সম্পূর্ণভাবে মেডিকেল সেন্টারের দায়িত্ব। আমাদের নীতিমালায় অ্যাম্বুলেন্স সেবা মেডিকেল সেন্টারের অধীনেই রয়েছে। বাইরের যাত্রী তোলার বিষয়ে একটি ভিডিও আমার নজরে এসেছে। এ বিষয়ে আমি ডিপো ম্যানেজারকে চিঠি দিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট চালককে আজই সাময়িক বরখাস্ত করা হবে। এছাড়া গাড়িগুলো নির্ধারিত স্থানেই থামে বলে জানান তিনি।

    এম কে

  • উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ

    উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    উপজেলা পরিষদগুলোতে এখন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিশেষ ‘পরিদর্শন কক্ষ’ প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে থেকে ফ্লোর নিয়ে এমপিদের সুসংবাদ দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রীর পরামর্শক্রমে ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত সরকারি আদেশ বা জিও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) বরাবর জারি করা হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন বা পুরাতন ভবনে যেখানে যে অবস্থা আছে, সেখানেই এটাচ বাথরুম ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ সংসদ সদস্যদের বসার জন্য একটি কক্ষ রেডি করে দেওয়া হবে। বিধিমালা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের নামে সরাসরি কক্ষ বরাদ্দের সুযোগ না থাকায় এই কক্ষটির নাম হবে ‘পরিদর্শন কক্ষ’। এখানে বসে এমপিরা তাদের প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা-সাক্ষাৎ ও সময় ব্যয় করার সুযোগ পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, কোনো সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকায় যদি একাধিক উপজেলা থাকে, তবে প্রতিটি উপজেলাতেই তার জন্য এমন অফিস বা পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা থাকবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সব সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।

    আজ থেকেই জিও জারি হওয়ায় সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কক্ষটি প্রস্তুত করে নেওয়ার জন্য জানান

    এ/আর

  • জিও জারি  উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ আমার দেশ অনলাইন

    জিও জারি উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ আমার দেশ অনলাইন

    উপজেলা পরিষদগুলোতে এখন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিশেষ ‘পরিদর্শন কক্ষ’ প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে থেকে ফ্লোর নিয়ে এমপিদের সুসংবাদ দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    > জাতীয়

    জিও জারি

    উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ

    আমার দেশ অনলাইন

    উপজেলা পরিষদে এমপিরা পাচ্ছেন অফিস কক্ষ
    ছবি: সংগৃহীত

    উপজেলা পরিষদগুলোতে এখন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত বিশেষ ‘পরিদর্শন কক্ষ’ প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের কাছে থেকে ফ্লোর নিয়ে এমপিদের সুসংবাদ দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    বিজ্ঞাপন

    তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রীর পরামর্শক্রমে ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত সরকারি আদেশ বা জিও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) বরাবর জারি করা হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পরিষদের নতুন বা পুরাতন ভবনে যেখানে যে অবস্থা আছে, সেখানেই এটাচ বাথরুম ও প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ সংসদ সদস্যদের বসার জন্য একটি কক্ষ রেডি করে দেওয়া হবে। বিধিমালা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের নামে সরাসরি কক্ষ বরাদ্দের সুযোগ না থাকায় এই কক্ষটির নাম হবে ‘পরিদর্শন কক্ষ’। এখানে বসে এমপিরা তাদের প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা-সাক্ষাৎ ও সময় ব্যয় করার সুযোগ পাবেন।

    তিনি আরও বলেন, কোনো সংসদ সদস্যের নির্বাচনী এলাকায় যদি একাধিক উপজেলা থাকে, তবে প্রতিটি উপজেলাতেই তার জন্য এমন অফিস বা পরিদর্শন কক্ষের ব্যবস্থা থাকবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সব সংসদ সদস্যদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।

    আজ থেকেই জিও জারি হওয়ায় সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকার ইউএনওদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কক্ষটি প্রস্তুত করে নেওয়ার জন্য জানান

  • চৌগাছায় ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    চৌগাছায় ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ, ১০ হাজার টাকা জরিমানা

    ডেস্ক নিউজ

    জব্দকৃত তেল চৌগাছার বিশ্বাস ফিলিং স্টেশনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    যশোরের চৌগাছায় অবৈধ ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বিশ্বাস ফিলিং স্টেশনের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পৌর শহরের চানপুর মোড় থেকে এ তেল জব্দ করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ইসলাম।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, একটি ভ্যান চৌগাছা থেকে শার্শা উপজেলার সাড়াতলা বাজারের একটি মুদি দোকানে অবৈধভাবে ২০০ লিটার ডিজেল নিয়ে যাচ্ছিল। স্থানীয়রা বুঝতে পেরে পৌর শহরের চানপুর মোড়ে ভ্যানটি আটকে দেয়। খবর পেয়ে চৌগাছার ইউএনও ফারজানা ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে তিনি এজেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জব্দকৃত তেল চৌগাছার বিশ্বাস ফিলিং স্টেশনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত দেন তিনি।

    এসময় চৌগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার মোশাব্বির হুসাইন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এজেন্টকে জরিমানা করা হয়েছে। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা ও স্বচ্ছ ডিজেল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দ ডিজেল চৌগাছার বিশ্বাস ফিলিং স্টেশনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে।’

    এ/ আর

  • চৌগাছায় ৭ আসামি গ্রেফতার

    চৌগাছায় ৭ আসামি গ্রেফতার

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    চৌগাছায় বিশেষ অভিযানে ৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব আসামিদের আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন, উপজেলার দিঘড়ী গ্রামের মোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে মামুন হোসেন (২৫), পুড়াপাড়ার খালপাড়া গ্রামের লুনু মিয়ার ছেলে আক্তার হোসেন (৪৪), মাসিলা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৩), বল্লভপুর গ্রামের শাহাজান আলীর ছেলে আমিন তরফদার (২৩), মাধবপুর গ্রামের ইমান আলীর ছেলে মিল্টন হোসেন (৩০), লষ্করপুর গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে ইকবাল রহমান (২৮), ঝিনাইকুন্ড গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে ছাব্বির হোসেন সজিব (২০)।

    চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ আটকের সত্যতা নিশ্চি করে বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীদের’কে বিধি মোতাবেক পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    বি/ এ

     

  • চৌগাছায় ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ

    চৌগাছায় ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ

    চৌগাছা (যশোর) প্রিতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় অবৈধভাবে পাচারের সময় ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ডিজেল পাচারের অপরাধে বিশ্বাস ফিলিং স্টেশনের মালিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পৌর শহরের চানপুর মোড় থেকে এ তেল জব্দ করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ইসলাম।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, একটি ভ্যান চৌগাছা থেকে শার্শা উপজেলার দিকে অবৈধভাবে ২০০ লিটার ডিজেল নিয়ে যাচ্ছিল। স্থানীয়রা বুঝতে পেরে পৌর শহরের চানপুর মোড়ে ভ্যানটি আটকে দেয়। খবর পেয়ে চৌগাছার ইউএনও ফারজানা ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে তিনি এজেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জব্দকৃত ডিজেল চৌগাছার বিশ্বাস ফিলিং স্টেশনে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার সিদ্ধান্ত দেন তিনি।

    এসময় চৌগাছা উপজেলা কৃষি অফিসার মোশাব্বির হুসাইন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

    উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    বি/ এ

  • সিরিজে সমতা ফেরালো টাইগাররা

    সিরিজে সমতা ফেরালো টাইগাররা

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    এবার আর ভুল করলো না বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে সুযোগ দেয়নি টাইগাররা। দারুণ জয়ে সিরিজে ফেরালো সমতা। শেষ ম্যাচটা তাই রূপ নিলো অলিখিত ফাইনালে।

    সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে অবিশ্বাস্যভাবে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আজ সোমবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগাররা।

    মিরপুরে তুলে নিয়েছে ৬ উইকেটের জয়।

    এদিন আগে ব্যাট করে সুবিধা করতে পারেনি কিউইরা, নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। জবাবে ৩৫.৩ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

    বলের হিসাবে (৮৭ বল হাতে রেখে) ওয়ানডেতে এটি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বড় জয়। ২০২৩ সালে নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০৯ বল হাতে রেখে জেতে তারা।

    রান তাড়ায় শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ১৯৯ রানের সহজ লক্ষ্যটাও কঠিন হয়ে ওঠে ২১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে। প্রথম ওভারেই নাথান স্মিথ ফেরান সাইফ হাসানকে (৮)।

    সাইফের বিদায়ের পর তিনে আসেন সৌম্য সরকার। ৪ ম্যাচ পর একাদশে সুযোগ পেয়ে সদ্ব্যবহার করতে পারেননি তিনি। ১১ বলে ৮ রানে থামেন তিনি। চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।

    সেই চাপ বড় হতে দেননি তানজিদ তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত মিলে। উল্টো কিউই বোলারদের ওপর চাপ ঘুরিয়ে দেন দ্রুত গতিতে রান উঠিয়ে। জুটিতে দুজনে যোগ করেন ১১০ বলে ১২০ রান।

    দুর্দান্ত এক ফিফটি তুলে ফেরেন তামিম। মাত্র ৩৩ বলে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটি তুলে নিয়ে থামেন ১০ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৮ বলে ৭৬ রান করে। তবে ততক্ষণে দল পেয়ে গেছে জয়ের পথ।

    তামিম আউট হলেও সেই পথ ধরে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান শান্ত। ধীর ব্যাটিংয়ে তিনিও তুলে নেন ফিফটি। ওয়ানডেতে ১৩ ইনিংস পর পঞ্চাশে পৌঁছালেন তিনি।

    তবে ফিফটি তুলে নিয়েই ক্রিজের পাশে শুয়ে পড়েন তিনি। বোঝা যাচ্ছিলো পায়ে চোট পেয়েছেন শান্ত। শেষ পর্যন্ত তিনি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন ৭১ বলে ৫০ রান নিয়ে।

    এরপর অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ (২৫ বলে ৮) এবং তাওহিদ হৃদয় (৩১ বলে ৩০) অপরাজিত থেকে জেতান দলকে। ষষ্ঠ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটি দলকে পৌঁছে দেয় জয়ের বন্দরে।

    এর আগে শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা মিলে চেপে ধরেন আগে ব্যাট করা নিউজিল্যান্ডকে। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৮ রান তুলতে পারে তারা। দুইটি উইকেটই নেন নাহিদ রানা।

    ৮ম ওভার বল হাতে এসেই ভাঙেন উদ্বোধনী জুটি। হেনরি নিকোলসকে (২৬ বলে ১৩) এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তিনি। পরের ওভারে তার শিকার উইল ইয়ং (৭ বলে ২)।

    এই ধাক্কা সামলে নেয়ার চেষ্টা করেন টম লাথাম ও নিক কেলি। তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়, লাথামকে ফেরান সৌম্য সরকার। ৩৫ বলে ১৪ রান করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন কিউই অধিনায়ক।

    পঞ্চাশ পেরোতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলা নিউজিল্যান্ডের হাল ধরার চেষ্টা করেন নিক কেলি ও মোহাম্মদ আব্বাস। ৬৬ বলে ৫৬ রানের জুটিও গড়ে তুলেন তারা।

    তবে ভয়ঙ্কর হওয়ার আগে সেই জুটি ভাঙেন নাহিদ রানা। মোহাম্মদ আব্বাসকে (৩৪ বলে ১৯) ফেরান তিনি। ২৯ ওভারে ১০৮ রানে ৪ উইকেট হারায় কিউইরা। ততক্ষণে অবশ্য পঞ্চাশ পেরিয়ে গেছেন কেলি।

    এরপর কেলিকে আর সমর্থন দিতে পারেননি কেউ। কেলি আউট হন দলকে ১৪৫ রানে রেখে ১০২ বলে ৮৩ করে। শরিফুলের শিকার হন তিনি। ৭ রান যোগ হতেই ক্লার্কসনকে (৬) ফেরান রিশাদ।

    আর আগের ম্যাচের নায়ক ডিন ফক্সক্রফট ৩৫ বলে ১৫ রান নিয়ে নাহিদের চতুর্থ শিকার হন। ৪৫.৩ ওভারে জেডেন লেনক্সকে বোল্ড করে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন নাহিদ।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে শেষ দিকে ব্লেয়ার টিকনার ১২ রান করেন। ১৮ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন নাথান স্মিথ। রানা ৩২ রানে ৫ উইকেট নিয়ে হন ম্যাচসেরা। সমান ৩২ রানে ২ উইকেট নেন শরিফুল।

  • সংরক্ষিত আসনের ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ

    সংরক্ষিত আসনের ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ

    ডেস্ক নিউজ:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জোটের পক্ষ থেকে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী থেকে ৮ জন এবং অন্যান্য শরিক দল ও বিশেষ ক্যাটাগরি থেকে ৫ জন মনোনয়ন পেয়েছেন।

    মনোনীত প্রার্থীরা হলেন- জামায়াত ইসলাম থেকে নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মারদিয়া মমতাজ, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা সিদ্দিকা, সাজেদা সামাদ ও সামসুন নাহার; জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি থেকে মনিরা শারমিন ও মাহমুদা আলম মিতু; জাগপার চেয়ারম্যান তাসমিয়া প্রধান; বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য মাহবুবা হাকিম এবং জুলাই শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম।

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য মোট ৭৭টি আসনে বিজয়ী হয়। সংসদীয় বিধান অনুযায়ী, এ আসনের ওপর ভিত্তি করে জোটটি সংরক্ষিত নারী আসনে ১৩টি আসন লাভ করছে। অপরদিকে, মোট ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৩৬টি আসন পেয়েছে বিএনপি।