ক্যাটাগরি ছবি

  • মাগুরায় ভূমিকম্প আতঙ্কে অসুস্থ শতাধিক পোশাক শ্রমিক

    মাগুরায় ভূমিকম্প আতঙ্কে অসুস্থ শতাধিক পোশাক শ্রমিক

    ডেস্ক নিউজঃ

    মাগুরায় ভূমিকম্পে আতঙ্কিত হয়ে প্রায় শতাধিক নারী-পুরুষ পোশাক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) ভূমিকম্পে শ্রীপুর উপজেলার আমতৈল গ্রামে অবস্থিত স্টাইল স্মিথ স্যান অ্যাপারেলস লিমিটেড গার্মেন্টসে এ ঘটনা ঘটে।

    ভূমিকম্প হলে গার্মেন্টস কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রাণভয়ে গার্মেন্টের দ্বিতীয় তলায় কাজ করা কর্মীরা ভবন থেকে নেমে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন।এ সময় অনেক নারী কর্মীর মাথা ঘোরা ও বমি হলে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। দ্রুত তাদেরকে গার্মেন্ট থেকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে অসুস্থ রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।অসুস্থদের মধ্যে ২০ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অসুস্থ ২৮ কর্মীকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. মামুনুর রশীদ বলেন, শ্রীপুরের ওই গার্মেন্টে ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে জ্ঞান হারিয়ে এই অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছে। তারা সবাই এখন সুস্থ।

    তবু পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। মাগুরা শ্রীপুর উপজেলা ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা সামসুর রহমান বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ৫ দশমিক ৫ মাত্রায় ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খবর পেয়ে আমরা গার্মেন্ট কর্মীদের উদ্ধারে যেই। সেখানে আতঙ্কিত হয়ে অনেক শ্রমিক অসুস্থ হন। পরে স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে শ্রীপুর ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও  মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপতালে নিয়ে যান।

    এম কে

  • বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা

    বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা

    ডেস্ক নিউজ

    বড় ভূমিকম্পের আগাম বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পূরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও ভূমিকম্প গবেষক মেহেদি আহমেদ আনসারী। তিনি বলেছেন, ‘বড় ভূমিকম্প আসার আগে ছোট ছোট ভূমিকম্প হয়। এটি তার আগাম বার্তা।’

    শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিবিসি বাংলাকে তিনি এসব কথা বলেন

    মেহেদি আহমেদ আনসারী বলেন, ‘সাধারণত একশ থেকে দেড়শ বছর পরপর একটি অঞ্চলে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হওয়ার শঙ্কা থাকে। বাংলাদেশ ও এর আশপাশের কাছাকাছি এলাকায় গত দেড়শ বছরে একটি বড় ও প্রায় পাঁচটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের আশপাশে সবশেষ বড় ভূমিকম্প সংগঠিত হয়েছিল প্রায় একশ বছর আগে। তাই আরেকটি বড় ভূমিকম্প কাছাকাছি সময়ে হতে পারে এমন শঙ্কা রয়েছে।’

    সচেতনার বিষয়ে তুলে ধরে মেহেদি আহমেদ আনসারী বলছেন, ‘বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন তৈরি করলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে, এটিই স্বাভাবিক। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরগুলোতে অপরিকল্পিতভাবে যে ভবনগুলো গড়ে তোলা হচ্ছে, তাতে ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা বেড়েই চলেছে।’

    এদিকে রাজধানীতে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার আকস্মিক একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় দুর্ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসন থেকে জরুরি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে।

    শুক্রবার সকালে এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৭ জন নিহত এবং ২ শতাধিক আহত হওয়ার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া নগরীর বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরপরই দুর্ঘটনা সম্পর্কিত সার্বিক তথ্য আদান-প্রদানের জন্য জরুরি এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের পরপরই ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জরুরি ভিত্তিতে একটি ‘নিয়ন্ত্রণ কক্ষ’ বা কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

    ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে, দুর্ঘটনা সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য আদান-প্রদান ও জরুরি প্রয়োজনে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য সর্বসাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

    নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরগুলো

    মোবাইল : ০১৭০০-৭১৬৬৭৮
    ফোন : ০২-৪১০৫১০৬৫

    বি/এ

  • খালেদা জিয়া ও ড. ইউনূসের কুশল বিনিময়

    খালেদা জিয়া ও ড. ইউনূসের কুশল বিনিময়

    ডেস্ক নিউজ :

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা সেনানিবাসে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। এসময় তাকে অভ্যর্থনা জানান সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ জামান ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

    অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার বসার ব্যবস্থা হয়েছিল প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের পাশের আসনে। ড. ইউনূস এবং খালেদা জিয়াকে এ সময় হাসিমুখে কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়।

    শুক্রবার বিকেল ৪টায় গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে সেনানিবাসের উদ্দেশ্যে রওনা হন খালেদা জিয়া। তার সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন তার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি, খালেদা জিয়ার প্রয়াত ভাই সাঈদ ইসকান্দারের স্ত্রী নাসরিন ইসকান্দার।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহরের সঙ্গে ছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার, এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়া ও ড. ইউনূসের কুশল বিনিময়
    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা সেনানিবাসে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। এসময় তাকে অভ্যর্থনা জানান সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ জামান ও বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

    অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার বসার ব্যবস্থা হয়েছিল প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের পাশের আসনে। ড. ইউনূস এবং খালেদা জিয়াকে এ সময় হাসিমুখে কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়।

    শুক্রবার বিকেল ৪টায় গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে সেনানিবাসের উদ্দেশ্যে রওনা হন খালেদা জিয়া। তার সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন তার ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথি, খালেদা জিয়ার প্রয়াত ভাই সাঈদ ইসকান্দারের স্ত্রী নাসরিন ইসকান্দার।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়িবহরের সঙ্গে ছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদার, এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সেনাকুঞ্চের এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

    ছয় বছর পর গতবছর এই সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানেই প্রকাশ্যে দেখা দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া।

    নানা ধরনের অসুস্থতার কারণে এখন তিনি রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচিতে অংশ নেন না। গত এক বছরের মধ্যে কেবল একবারই তাকে প্রকাম্যে দেখা গিয়েছিল। গত ৮ অক্টোবর রাতে তিনি তার স্বামী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করতে শেরেবাংলা নগরে গিয়েছিলেন।

    বি/এ

  • ভূমিকম্প : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থী আহত

    ভূমিকম্প : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ শিক্ষার্থী আহত

    ডেস্কে নিউজ

    দেশে আজ সকালে ভূমিকম্পের সময় সারাদেশের মতো আতঙ্ক দেখা দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও। বিভিন্ন হল থেকে লাফ দিয়ে ও হুড়োহুড়িতে অন্তত ১০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    আহতদের মধ্যে চারজনের পা ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে।

    বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে সূর্যসেন হল, সুফিয়া কামাল হল ও শামসুন্নাহার হলে দেয়ালে ফাটল দেখা দেয়। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল থেকে একদল শিক্ষার্থী বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ তলা বিশিষ্ট স্বাধীনতা টাওয়ার ভবনের সামনে গিয়ে নিরাপদ হলের দাবিতে স্লোগান দেন। ভিসি, প্রক্টর ও কোষাধ্যক্ষ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

    উল্লেখ্য, আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর ও আন্তর্জাতিক ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাগুলো।
    বি/এ

  • ভূমিকম্পে প্রাণ গেল মেডিকেল শিক্ষার্থী রাফিউলের

    ভূমিকম্পে প্রাণ গেল মেডিকেল শিক্ষার্থী রাফিউলের

    ডেস্ক নিউজ :

    মায়ের সঙ্গে বাজারে গিয়ে ভূমিকম্পে প্রাণ গেল মেডিকেল শিক্ষার্থী রাফিউলের
    রাজধানীতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ভবন ধসে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ৫২তম ব্যাচের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম মারা গেছেন। তার মা আহত অবস্থায় মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

    শুক্রবার রাজধানীর পুরান ঢাকার কসাইটুলিতে সকালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

    জানা গেছে, রাফিউল ইসলাম মেডিকেল কলেজের পাশে কসাইটুলীতে পরিবারসহ বসবাস করতেন। ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ পাঁচতলা একটি ভবনের রেলিং ধসে পড়ে। এ সময় মায়ের সঙ্গে বাজার করছিলেন রাফিউল। ভবনের একটি ইট তার মাথায় পড়লে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। দুর্ঘটনায় এই মেডিকেল শিক্ষার্থীসহ মোট তিনজন মারা গেছেন। তবে বাকি দুইজনের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

    স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ করে ৫ তলা বিল্ডিংয়ের রেলিং ধ্বসে পরে ৩ জন পথচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। নিহতরা সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হয়েছে।

    এর আগে শুক্রবার সকালে ১০টা ৩৮ মিনিটে ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে রাজধানীসহ সারাদেশ। চলে কয়েক সেকেন্ড পর্যন্ত।

    মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিস) তথ্য মতে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৫। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী।

    বি/এ

  • ভূমিকম্পে ৬ জনের মৃত্যু, আহত দুই শতাধিক

    ভূমিকম্পে ৬ জনের মৃত্যু, আহত দুই শতাধিক

    ডেস্ক নিউজ :

    ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন জেলায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তিনজন রাজধানীর বংশালে ভবনের রেলিং ধসে নিহত হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দেয়াল ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নরসিংদীতে দুজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মোহাম্মদ মঈনুল আহসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ভয়াবহ ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দুই শতাধিক মানুষ আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহত চিকিৎসাধীনদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর। হতাহতদের চিকিৎসায় দেশের সব হাসপাতালে জরুরি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

    নারায়ণগঞ্জে শিশুর মৃত্যু

    নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে ফাতেমা (১) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় শিশুটির মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগম আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

    ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে ফাতেমা নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় তার মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমকে স্থানীয় প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    নরসিংদীতে শিশু ও বৃদ্ধ নিহত

    নরসিংদীতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মাটির ঘরের দেয়াল চাপায় কাজম আলী (৭৫) নামে বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।
    নিহত কাজম আলী নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। এ ছাড়া নরসিংদীর গাবতলীতে বাসার দেয়াল চাপা পড়ে ওমর (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টার শোক

    ভূমিকম্পে দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘরবাড়ি ধসে এবং অন্যান্য দুর্ঘটনায় হতাহতের খবরে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দেন।
    বি/এ

  • ঢাকার ভুমিকম্পে এটম বোমার মতো আঘাত করেছে

    ঢাকার ভুমিকম্পে এটম বোমার মতো আঘাত করেছে

    ডেস্ক নিউজ :

    দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী।

    এটি গত ৩০ বছরের মধ্যে দেশে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন ভূমিকম্প গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবায়েত কবির।

    তিনি বলেন, এক ভয়াবহ হিরোসিমা, নাগাসাকিতে ফেলা একটি বোমা যে শক্তি রিলিজ করে, আজকের ভূমিকম্প সেই মাত্রার শক্তি রিলিজ করেছে।

    আজকের ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৪ জন নিহতের তথ্য পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৩ জন ঢাকায়। আর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দেয়াল ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষ আহতের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্টসংখ্যা জানা যায়নি। এদিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

    শুক্রবার দুপুরে এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে অবিলম্বে মাঠ পর্যায়ে নেমে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টার বার্তায় আরো বলা হয়েছে, জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

    বি/এ

  • বছরের শুরুতেই পাঠ্যবই দিতে চায় এনসিটিবি

    বছরের শুরুতেই পাঠ্যবই দিতে চায় এনসিটিবি

    ডেস্ক নিউজ:

    সব ধরনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দিতে চায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি। এ লক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় কাজ করছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বৃহস্পতিবার সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস. এম. আসাদুজ্জামানের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে নির্দিষ্ট সময়ে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানোর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে। পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও বিতরণের প্রতিটি পর্যায়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে এনসিটিবি নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মুদ্রণ ও বাঁধাই করে শিক্ষার্থীদের নিকট বিতরণ নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এনসিটিবি কাজ করছে। পাঠ্যপুস্তকের গুণগত মান নিশ্চিতে এনসিটিবি’র নিজস্ব পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ইন্সপেকশন ফার্ম এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিশেষ মনিটরিং টিম মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করছে এবং প্রেস মালিকগণের সাথে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে।

    এতে বলা হয়, শিক্ষাবর্ষের শুরুতে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে সম্প্রতি এনসিটিবির অডিটোরিয়ামে শিক্ষা উপদেষ্টা মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিকগণের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় সম্মানিত মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকরা কতিপয় সমস্যার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে সেগুলো সমাধান এবং প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করা হলে পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ, বাঁধাই ও সরবরাহ আরও গতিশীল হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সাথে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান মালিকদের মতবিনিময় সভায় আলোচিত সমস্যাগুলো নিরসনের উদ্দেশ্যে গত মঙ্গলবার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিভাগীয় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের এক হাজারেরও বেশি কর্মকর্তার সাথে শিক্ষা উপদেষ্টা ভার্চুয়ালি সভার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদেরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সরকারি-বেসরকারি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ নেন।

    সভায় বিগত মতবিনিময় সভায় আলোচিত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের গৃহীত উদ্যোগ ও অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এরই মধ্যে সরবরাহকৃত পাঠ্যপুস্তকের বিল দ্রুত পরিশোধের বিষয়ে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান স্বত্বাধিকারীদেরকে আশ্বস্ত করা হয়। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বই পরিবহন ও সংরক্ষণে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং এ উদ্যোগে স্থানীয় প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করা, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও মাঠ পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক গ্রহণের ব্যবস্থা করা, মাঠ পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক প্রেরণের পূর্বে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের বই গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণকে অবহিত ক

    প্রয়োজনীয় স্থানসংকুলানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান স্বত্বাধিকারীরাও শিক্ষাবর্ষের শুরুতে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। সব অংশীজনের সমন্বিত সহযোগিতায় নির্ধারিত সময়ে দেশের সকল শিক্ষার্থীর হাতে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলেও আশ প্রকাশ করেছে এনসিটিবি।
    সুত্র: কালবেলা
    বি/এ

  • মুজিবনগরে  বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    মুজিবনগরে বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক নিউজঃ

    মেহেরপুরের মুজিবনগরে গুডনেইবারস বাংলাদেশ মেহেরপুর সিডিপির উদ্যোগে মেহেরপুর সিডিপি বল্লভপুর প্রজেক্ট অফিস প্রাঙ্গণে বিশেষ স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানের সিডিপি ম্যানেজার বিপুল রেমার সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গাইনাকোলজিস্ট ডা: সিনথিয়া আফরিন সিমি এবং খাদ্য ও পুষ্টিবিদ ফজলে রাব্বি।হেলথ অফিসার আহসানুল হক সঞ্চালনায় ক্যাম্পেইনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সিডিপির সিনিয়র এডমিন অফিসার উত্তম কুমার রায় এবং মেডিকেল অফিসার মেহেদী হাসান (সুইট)।ক্যাম্পেইনের মূল কার্যক্রম মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা, পুষ্টিকর খাবারের উপকারিতা ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।ক্যাম্পেইনে স্বল্পমূল্যে গাইনি রোগী দেখা এবং অপুষ্ট শিশুদের জন্য ডায়েট চার্ট প্রদান করা হয়ে।এছাড়াও কমিউনিটির জন্য ৩০% ছাড়ে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পুষ্টি প্যাকেজ সরবরাহ করা হয়ে।গুডনেইবারস বাংলাদেশ জানায়, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে কমিউনিটির মধ্যে সুলভ সেবা, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পুষ্টি জ্ঞান সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

    এম কে

  • চৌগাছায় ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    চৌগাছায় ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের একটি আমবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরহেদটি চন্দ্রপাড়া গ্রামের আব্দুল হক ভূঁইয়ার ছেলে শহিদ ভূঁইয়ার বলে শনাক্ত করে স্বজনরা। তিনি একজন ক্ষুদ্র ব্যবাসয়ী ছিলেন।

    ঘটনারদিন বিকেলে পথচারীরা আমবাগানে একটি গাছের ডালে মৃত দেহ ঝুলে থাকতে দেখে প্রথমে স্থানীয়দের খবর দেয়। পরে চৌগাছা থানা পুলিশের খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

    মৃত শহিদের স্বজনরা জানান, শহিদ ভূঁইয়া দীর্ঘদিন লিভারজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। ছেলে বিদেশ পাঠাতে গিয়ে ধারদেনায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। এসব নিয়ে পারিবারিক অশান্তির কারণে তিনি মানসিকভাবে অস্থির ছিলেন। এসব কারণেই তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।

    চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
    বি/এ