ক্যাটাগরি ছবি

  • শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২৮ ইউনিট

    শাহজালাল বিমানবন্দরে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২৮ ইউনিট

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এই আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সেনা ও নৌবাহিনীসহ  ফায়ার সার্ভিসের ২৮ টি ইউনিট।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে আকস্মিকভাবে এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের মুখপাত্র মো. মাসুদুল হাসান মাসুদ জানান, কার্গো ভিলেজের পাশে একটি অংশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীসহ বিমানবন্দের দায়িত্বরতরা কাজ করছে।

    শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই বিমানবন্দর ফায়ার সেকশন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ফায়ার ইউনিট এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সম্মিলিতভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কার্যক্রম শুরু করে।

    বিমানবন্দরের সব ফ্লাইট অপারেশন বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে সবাইকে নিরাপদ এবং সচেতন থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • জুলাই সনদ এখনো পরিবর্তনের সুযোগ আছে

    জুলাই সনদ এখনো পরিবর্তনের সুযোগ আছে

    বিডি নিউজ

    অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই সনদ নিয়ে তর্ক না করাই শ্রেয়, পরিবর্তনের সুযোগ আছে। বানচাল হলে দেশ পিছিয়ে পড়বে।

    শনিবার সকালে ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, সনদ বাস্তবায়নে দেরি হলেও জুলাই হত্যার বিচার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই এগিয়ে যাবে। বিচারকার্য কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত হবে না।

  • ময়মন সিংহের ১৫ কলেজে শতভাগ ফেল!

    ময়মন সিংহের ১৫ কলেজে শতভাগ ফেল!

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এটি গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এবার জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। বোর্ডে শতভাগ পাশ করেছে ৩ টি কলেজে। কেউ পাশ করেনি  ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

    ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. শহীদুল্লাহ।

    প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এবার এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ৩০৬টি প্রতিষ্ঠানের ৭৯ হাজার ২৩৭ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন। এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাস করেছেন ৩৯ হাজার ৯৬ জন। পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৮৪ শিক্ষার্থী। শাখাভিত্তিক পাসের হার সবচেয়ে কম ব্যবসায় শিক্ষা শাখায়।

    শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ, জেলার ঈশ্বরগঞ্জের চরজিথর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরি উপজেলার আবদুল জব্বার রাবেয়া খাতুন গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ।

    ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেননি। এর মধ্যে ময়মনসিংহের ৭টি, জামালপুরের ২টি, শেরপুরের ২টি ও নেত্রকোনার ৪টি কলেজ আছে। এই ১৫টি কলেজ থেকে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন ১৩২ জন। এর মধ্যে ১০ জনের বেশি পরীক্ষার্থী ছিল চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। বাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষার্থী ২ থেকে ৯–এর ঘরে ছিল।

    এবার  জিপি এ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬৪৮ জন।  এ বছর পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৪।

     

  • কুমিল্লায় ১০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু

    কুমিল্লায় ১০০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    কুমিল্লা নগরের বিষ্ণুপুর মুন্সেফ কোয়ার্টার এলাকায় চালু হয়েছে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট ‘খায়রুন্নেসা-ইব্রাহিম জেনারেল হাসপাতাল’। বিশেষায়িত এই হাসপাতালে উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা পাবেন ডায়াবেটিক রোগীরা। পাশাপাশি সব রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা ও অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক সেবাও মিলবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

    শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অর্ন্তবর্তী সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি। উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেন, এই হাসপাতাল কুমিল্লার স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত সৃষ্টি করবে। ঢাকায় গিয়ে নয়, এখন থেকে কম খরচে কুমিল্লাতেই ডায়াবেটিকসহ যেকোনো রোগের উন্নত সেবা পাবেন রোগীরা।’হাসপাতালটি নির্মাণ করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি। কুমিল্লার বাসিন্দা জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব প্রয়াত এ টি এম শামসুল হক এই প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য ১ দশমিক ২৫ একর) সম্পত্তি বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতিকে দান করেছেন।

     হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অথিতির বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।

    বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মহাসচিব মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্ক (এনএইচএন) বোর্ড অব অ্যাডভাইজার্সের চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজওয়ানুল কবির, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ বি এম মশিউজ্জামান, জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন রেজা মো. সারোয়ার আকবর, অধ্যাপক হাজেরা মাহাতাব, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত এটিএম শামসুল হকে সহধর্মিণী রাবেয়া হক, ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. এম এ সামাদ প্রমুখ।

     

  • বিনিয়োগের নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা!

    বিনিয়োগের নামে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা!

    বিনিয়োগ ডেস্ক:

    দেশজুড়ে বিনিয়োগের নামে চলছে একের পর এক ভয়াবহ প্রতারণা। অনলাইন কিংবা অফলাইনে, অ্যাপসভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে সব জায়গায়ই লোভনীয় মুনাফার প্রতিশ্রুতিতে প্রলুব্ধ হয়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কেউ ব্যাংকে, কেউ শেয়ারবাজারে হচ্ছেন নিঃস্ব। অথচ প্রতারক চক্রের বেশির ভাগই এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।গত সরকারের পুরো শাসনামলে দুর্নীতিবাজ আর লুটপাটকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল দেশের আর্থিক খাত। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সাধারণ মানুষের পুঁজি লুট করা হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার যোগসাজশে ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার ধ্বংস করে লুটপাট, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মহোৎসবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ফলে নিঃস্ব হয়েছেন দেশের সাধারণ মানুষ। আর তাদের সম্পদ লুট করে দেশ-বিদেশে প্রাচুর্যের পাহাড় গড়েছে আওয়ামী রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, আমলাসহ বিভিন্ন লুটেরা গোষ্ঠী।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বল্পপুঁজিতে অল্প সময়ে অধিক লাভের প্রলোভনই এ প্রতারণার প্রধান অস্ত্র। শুরুতে অল্প অঙ্কের বিনিয়োগে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লভ্যাংশ দেওয়া হয়, এতে আস্থা পেয়ে বিনিয়োগকারীরা আরো বড় অঙ্কের অর্থ ঢালেন। শুধু নিজে নয়, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনকেও বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করেন তারা। কিন্তু একসময় প্রতারক চক্র গা-ঢাকা দেয়, আর বিনিয়োগকারীরা হয়ে যান সর্বস্বান্ত।

     কৌশল ব্যবহার হচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সি জগতে। বিটকয়েন, ইথেরিয়াম, বাইন্যান্স কয়েনের নামে কোনো নিয়ন্ত্রণ বা বাস্তব ঠিকানা ছাড়াই এসব প্ল্যাটফর্মে মানুষকে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। ফলে বিপুল অর্থ হারানোর পর অভিযোগ জানানোর পথও থাকে না তাদের সামনে।

    ‘সুদবিহীন শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ’—স্লোগানে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে ফাঁদে ফেলছে প্রতারকরা। পিরোজপুরের এহসান গ্রুপের প্রতারণা এর বড় উদাহরণ, যেখানে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ হয়েছে বলে অভিযোগ। দেশের নানা প্রান্তে ‘হালাল মার্চেন্টিং’, ‘শরিয়াহ কমপ্লায়েন্ট ফার্মিং’ ইত্যাদি নামে একই রকম প্রতারণা চলছে। শুরুতে কিছুদিন নিয়মিত লভ্যাংশ দিলেও একসময় বন্ধ হয়ে যায় সব, বিপুল অর্থ নিয়ে হারিয়ে যায় সংগঠকরা।

    প্রতারণার আরো পথ

    বাংলাদেশে আলোচিত প্রতারক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ই-ভ্যালি, ডেসটিনি, ইউনিপে টু ইউ ও যুবক অন্যতম। এরা উচ্চ মুনাফার লোভ দেখিয়ে হাজার হাজার মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। ডেসটিনি বিভিন্ন প্রকল্পের নামে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা, ই-ভ্যালি গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ও পণ্য মিলিয়ে প্রায় ৩৪০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। বিভিন্ন সময়ে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার হয়েছেন। কিন্তু ভুক্তভোগীরা আজও তাদের অর্থ ফেরত পাননি।

    ক্ষুদ্রঋণ ও সমবায়ের নামে গ্রামীণ প্রতারণা

    গ্রামের সহজ-সরল মানুষ, বিশেষ করে নারীরা, প্রতারকদের সহজ লক্ষ্যবস্তু। মাসিক ভিত্তিতে অল্প অল্প চাঁদা সংগ্রহ করার মাধ্যমে প্রথমে তাদের সদস্য বানানো হয়। পরে বড় কোনো রিটার্ন, কিংবা বাড়ি-গাড়ি, বিদেশ ভ্রমণের লোভ দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা আদায় করা হয়। এভাবে বিপুল অর্থ হাতে এলে হাওয়া হয়ে যায় প্রতারক চক্র। এমনি একটি সংস্থা বগুড়ার শেরপুরের ‘আশার আলো মালটিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইট’। গ্রামীণ দরিদ্র নারীদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। শুধু এক ‘আশার আলো’ নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতারণা চলছে বিরামহীনভাবে।

    হাসিনা আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় লুটপাট

    অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশে লুটপাট, দুর্নীতি একটি অতি সাধারণ ঘটনা হলেও শেখ হাসিনার আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় যেভাবে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, তা বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীন। শেখ হাসিনার আমলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি ও লুটপাটের এমন মাত্রায় পৌঁছায়, যা দেশের আর্থিক খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। ইসলামী ব্যাংকসহ একাধিক শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে পড়েছে, বিনিয়োগকারীরা পাচ্ছেন না কোনো লভ্যাংশও।

    লুটপাটের শিকার হওয়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে এখন একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    শেয়ারবাজারে কারসাজি, বীমা খাতে প্রতারণা

    লোকসানি প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক মদতে তালিকাভুক্ত করা, ভুয়া লেনদেন, বিনিয়োগকারীদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাৎÑসব মিলিয়ে আস্থার চরম সংকটে শেয়ারবাজার। শেয়ারবাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নিলেও বহু কোম্পানি বছরের পর বছর কোনো লভ্যাংশ দিচ্ছে না। অন্যদিকে সেকেন্ডারি মার্কেটে কারসাজির মাধ্যমে বিভিন্ন চক্র সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ফাঁদে ফেলে তাদের পুঁজি লুটে নিয়েছে। মশিউর সিকিউরিটিজ একটি প্রতিষ্ঠান একাই দেড় হাজার বিনিয়োগকারীর ৪০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন।

    অন্যদিকে বীমা খাতে প্রতারণা এখন নিত্যদিনের ঘটনা। ২০২৩ সালেই ভুয়া এজেন্ট, গোপন শর্ত, মিথ্যা প্রতিশ্রুতির ৫০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাছে। বর্তমানে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার দাবির অর্থ আটকে আছে বিভিন্ন কোম্পানিতে। এসব অর্থ বীমা কোম্পানিগুলো লুটপাট করে হাতিয়ে নিয়েছে। এসব অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

    সর্বগ্রাসী দুর্নীতিই মূল কারণ

    বিশ্বব্যাংকের সাবেক অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, দুর্নীতি এখন সিস্টেমিক রূপ নিয়েছে। ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, প্রশাসন, আদালত সর্বত্রই দুর্নীতি। সর্বগ্রাসী দুর্নীতির কারণে নানাভাবে সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে প্রতারক চক্র। তাদের থামাতে না পারলে এসব প্রতারণা বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

    সব মিলিয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ এখন আর আয়ের নিশ্চয়তা নয়—বরং এক অনিশ্চিত ঝুঁকি। যখন রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি প্রতারণাকে প্রশ্রয় দেয়, তখন সাধারণ মানুষের সঞ্চয় হয়ে ওঠে লুটেরাদের হাতিয়ার।

    দৈনিক আমার দেশ

  • লক্ষীপুরে অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান

    লক্ষীপুরে অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    লক্ষ্মীপুরে অর্ধশতাধিক কর্মী–সমর্থক নিয়ে বিএনপি নেতা হোসেন আহমেদ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাতে সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের নবীগঞ্জ বাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি জামায়াতে যোগ দেন।

    হোসেন আহমেদ চররুহিতা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে চররুহিতা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ওমর ফারুক, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুল ইসলামসহ  স্থানীয় জামায়াত নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    জামায়াত নেতা ওমর ফারুক বলেন, ‘হোসেন আহমেদ অর্ধশতাধিক কর্মী–সমর্থক নিয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছেন।’

    নতুন সদস্য হোসেন আহমেদ বলেন, ‘শেখ হাসিনার পতনের পরও আমি বিএনপি করতাম। পরে বুঝেছি, বিএনপির সঙ্গে ইসলামী আদর্শের কোনো সম্পর্ক নেই। একজন মুসলিম হিসিবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য  জামায়াতে যোগ দিয়েছি।

    সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক ১৮/২৫

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৩০

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৩০

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পুকুরে গোসলকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাতে ছোট দেওয়ানপাড়া ও হাওলাপাড়া গ্রামের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।

    স্থানীয়রা জানান, দুপুরে হাওলাপাড়া গ্রামের তাইম কয়েকজন বন্ধু নিয়ে ছোট দেওয়ানপাড়া গ্রামের একটি পুকুরে গোসল করতে যান। এ সময় ছোট দেওয়ানপাড়ার শাকিল ও শিপনসহ কয়েকজন হাওলাপাড়ার তরুণদের মারধর করে। এরপর রাতের আঁধারে দুই গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্র, বল্লম ও টেঁটা ব্যবহার করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা টর্চ লাইট জ্বালিয়ে একে অপরের উপর হামলা চালায়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিনত হয়।

    সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসাইন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনে। ফের সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

     

  • জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করার কারণ জানােলা এনসিপি

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

     

    ঐতিহাসিক জুলাই সনদে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে  অংশ নেয়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর কারণ জানিয়েছেন দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন।

    শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিবিসি বাংলার সঙ্গে আলাপকালে অংশ না নেওয়ার কারণ জানান তিনি।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদের বেশ অনেকগুলো দিক নিয়ে স্বাক্ষরের আগেই সরকারের দিক থেকে নিশ্চিত হতে চাইলেও সনদ ‘বাস্তবায়নের পথটাই’ অনুল্লেখ থেকে যায়। সনদে ধোঁয়াশা থাকলে আমাদের সব অর্জন বিফলে যাবে। এজন্য আমরা আজকের সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছি।

    আখতার হোসেন বলেন, সনদের বিষয়ে অমীমাংসিত দিকগুলোর সমাধান না হলে ‘জনগণকে সাথে নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত’ নেওয়া হবে। সনদ ঘিরে সক্রিয় ভূমিকা থাকলেও এখন যেসব অর্জন রয়েছে, সেগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে তার বিস্তারিত যেন জনগণের সামনে প্রকাশ করা হয় বলেও দাবি জানান তিনি।

    তিনি বলেন, আমরা যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছি, সনদে যতটুকু অর্জিত হয়েছে সেটাকে টেকসইভাবে বাস্তবায়ন, সনদের ড্রাফট আদেশের প্রাপ্তি, গণভোটের বিষয়ে ফয়সালা, নোট অফ ডিসেন্টের (আপত্তি) জায়গাগুলো পরিষ্কার করা– এসব বিষয়ে কমিশনের সঙ্গে আলাপ অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে জনগণকে সাথে নিয়ে আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করব।

    এর আগে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) না থাকাকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এনসিপির বিচক্ষণতার অভাব রয়েছে।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের সঙ্গে আলোচনায়, ঐকমত্য কমিশনে যে আলোচনা হয়েছে, তারা প্রায় সব ব্যাপারে পজিটিভ ছিল। যে ব্যাপারটাতে সমস্যা আছে সেটা আলোচনার মাধ্যমে… পরেও তারা এ ব্যাপারে আলোচনা করতে পারত… সেটা নিয়ে আমরা পরে আরও বসতে পারতাম, কথা বলতে পারতাম। আমি মনে করি যে, এটা বিচক্ষণতার অভাবে হয়েছে। নাহলে তারা অবশ্যই এটা আজকে সই করত।

    মির্জা ফখরুল বলেন, এটা বিভক্তি নয়। তারা ভুল বুঝতে পারবে এবং সঠিক জায়গায় এসে পৌঁছাবে। বিতর্কের জায়গা রয়ে গেল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা কখনো কোনো দেশেই, কোনো কালেই পিছু ছাড়বে না। আর দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের স্বভাব হচ্ছে যে, আমরা বিতর্ক করতে খুব পছন্দ করি। তবে সবকিছুর মধ্যেই যা হয়েছে, তা ‘গ্রেট এচিভমেন্ট’ বা বড় অর্জন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

  • নারী টি-টোয়েন্টিতে ৩৪ বলে সেঞ্চুরি!

    নারী টি-টোয়েন্টিতে ৩৪ বলে সেঞ্চুরি!

    ক্রীড়া ডেস্ক:

     

    স্বীকৃত নারী টি–টোয়েন্টিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন কিরন নাবগিরে। আজ ভারতের সিনিয়র উইমেন্স টি–টোয়েন্টি ট্রফিতে ৩৪ বলে সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। বিশ্ব রেকর্ড গড়ার পথে নাবগিরে ভেঙেছেন সোফি ডিভাইনের ৩৬ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড।

    ১৭ সেপ্টম্বর নাবগিরে শুধু নতুন রেকর্ডই গড়েননি, পাঞ্জাব উইমেন্সের বিপক্ষে ১১০ রান তাড়ায় মহারাষ্ট্রের হয়ে একাই করেছেন ১০৬ রান। তাঁর ৩৫ বলের ইনিংসে ছিল ১৪টি চার ও ৭টি ছক্কা।

    ১০৩ রানের অবিচ্ছিন্ন দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মুক্তার অবদান ১০ বলে ৬ রান। অন্য প্রান্তে রীতিমতো ঝড় তুলেছেন নাবগিরে। ৩৪ বলে তিন অঙ্ক স্পর্শ করে গড়ে ফেলেন বিশ্ব রেকর্ডই। এর আগে ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ড জাতীয় নারী দলের অধিনায়ক ডিভাইন ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় ওয়েলিংটনের হয়ে ওটাগোর বিপক্ষে ৩৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন।

    নাবগিরে ব্যাট করেছেন ৩০২.৮৬ স্ট্রাইক রেটে। নারী ক্রিকেটে ৩০০‍+ স্ট্রাইক রেটে সেঞ্চুরির প্রথম কীর্তি এটি।

  • জুলাই সনদ স্বাক্ষর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মির্জা ফখরুল

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মির্জা ফখরুল

    বিডি নিউজ ডেস্ক:

    জুলাই সনদ স্বাক্ষর বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই সনদ স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকার যে কমিশনগুলো গঠন করেছিলেন সেগুলো প্রায় দীর্ঘ ৮ মাস পরিশ্রম করে আজকে এই সনদ (জুলাই সনদ) স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।

    তিনি এজন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, রাজনৈতিক দল এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদসহ সব দলের সদস্যদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।