ক্যাটাগরি রাজনীতি

  • শিরোনামহীন পোস্ট 1038

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ছেড়ে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।

    বুধবার বিকেল ৫টায় উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগ দেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামী বগুড়া জেলা শাখার সেক্রেটারি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম রাজু।

    বিএনপি থেকে জামায়াতে যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন— ভাটগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ফারুক হোসেন, ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম, বিএনপি নেতা গোলাম রব্বানী, আলম রেজা, ইউসুফ আলী, মো. বদিউজ্জামান, আতাউর রহমান, মোরশেদুল ইসলাম, শাকিল আহমেদ, আনোয়ার হোসেন, গোলাম মোস্তফা, সেকেন্দার আলী, আব্দুল হাকিম, শাহিন হাসান, আব্দুল আলিম, খোরশেদ মোস্তাকসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী।

    অনুষ্ঠানে ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ নতুন যোগদানকারী নেতাকর্মীদের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দলে বরণ করে নেন।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ বলেন, ৫২-৫৩ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। তাদের যোগদানের মাধ্যমে নন্দীগ্রামে ইসলামী আন্দোলনের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হলো।

    নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার বলেন, যাদের নিয়ে প্রচার হচ্ছে, তারা বিএনপির কেউ নয়। ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম একসময় খাসি জবাই করে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছিল, এখন আবার জামায়াতে গেছে। এসব লোক বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এ যোগদান নন্দীগ্রাম এলাকায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

    এআর/নিই

  • স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা  শেরপুরে মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

    স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা শেরপুরে মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা

    বিডটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ায় একটি হিমাগারের পলাতক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্বাক্ষর জাল করে ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টার অভিযোগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

    বগুড়ার শেরপুরের খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মিল্লাত হোসেন সম্প্রতি বগুড়ার অবকাশকালীন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এ মামলা করেন।

    বিচারক সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির মামলাটি আমলে নিয়ে নথিপত্র ও প্রাথমিক তথ্য পর্যালোচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়কে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব ও দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    মামলার আসামিরা হলেন- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান ড. এম জুবায়দুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান, প্রধান কার্যালয়ের ইনচার্জ মাহমুদ হোসেন খান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সৈয়দ উল্লাহ, বগুড়ার জোনাল শাখার ইনচার্জ সিকদার শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (বিআরপিডি) ও সদস্য সচিব, নীতি সহায়তা প্রদান বাছাই কমিটি বায়েজিদ সরকার এবং বগুড়ার শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না (সভাপতি নাগরিক ঐক্য)।

    মামলায় কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও পরিচালক তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুসহ পাঁচজনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

    বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামিরা জালিয়াতি ও প্রতারণাকারী এবং আইন পরিপন্থি কাজের সঙ্গে জড়িত। তার সঙ্গে ২নং সাক্ষী এবিএম নাজমুল কাদির চৌধুরী ও ৩নং সাক্ষী ইসমত আরা লাইজুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিনামা সম্পাদক হয়। চুক্তিনামা অনুযায়ী এরা দুজন ও ৭নং আসামি মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ কোটি টাকা নির্ধারণ করে তা বিক্রির জন্য চুক্তি হয়। চুক্তির দিন সাক্ষী ১০ কোটি টাকা বুঝিয়ে দেন এবং অবশিষ্ট ১৫ কোটি টাকা ঋণ পরিশোধের সময় পরিশোধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়েও সম্মতি প্রকাশ করেন।

    পরে দেখা যায়, সাক্ষী এবিএম নাজমুল১ কাদির শাহজাহান চৌধুরী ও তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজু গত বছরের ১৯ আগস্ট আমেরিকা চলে যান। পলাতক অবস্থায় তাদের অনুপস্থিতিতে আসামি মাহমুদুর রহমান মান্না ওই দম্পতির স্বাক্ষর জাল করে ১ ডিসেম্বর বোর্ড সভার ভুয়া রেজুলেশন তৈরি করেন। যেখানে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    আসামিরা এই জাল রেজুলেশনকে বৈধ রূপ দিয়ে তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংকে দাখিল করে ঋণ পুনঃতফশিলের আবেদন করেন। পরে তারা পরস্পর যোগসাজশে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা লঙ্ঘন করে, নিয়ম বহির্ভূতভাবে মিথ্যা কাগজপত্রের মাধ্যমে ঋণ পুনঃতফশিলের অনুমোদন আদায়ের চেষ্টা করেন।

    গত ১১ ডিসেম্বর দাখিল করা ওই মামলায় আরও বলা হয়, ইসলামী ব্যাংক বগুড়ার বড়গোলা শাখা থেকে খেলাপি ৩৮ কোটি চার লাখ ৭৬ হাজার টাকা ঋণ পরিশোধের জন্য আসামিদের ‘কল ব্যাক নোটিশ’ দেওয়া হয়।

    ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। এরপরও আসামিরা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে পুনঃতফশিলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে বাদীপক্ষের আইনজীবী আবদুল ওহাব বলেন, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শিবগঞ্জের কিচক বাজারে আফাকু কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম নাজমুল কাদির শাহজাহান চৌধুরী, তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এরপরও তাদের উপস্থিত দেখিয়ে ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে ৩৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফশিলের চেষ্টা করায় এ মামলা হয়েছে।

    দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাহফুজ ইকবাল জানান, আদালতের আদেশের কপি বুধবার হাতে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার আদেশের অনুলিপিসহ নথিপত্র দুদক ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সূত্রঃ যুগান্তর

    এআর/নিই

  • দুপচাঁচিয়ায় আ.লীগ নেতা জিল্লুর গ্রেপ্তার

    দুপচাঁচিয়ায় আ.লীগ নেতা জিল্লুর গ্রেপ্তার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা জিল্লুর রহমানকে (৪৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    তিনি দুপচাঁচিয়া উপজেলার পশ্চিম আলোহালী গ্রামের মৃত হাসেন আলী আকন্দের ছেলে।

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জিল্লুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

    তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণসহ জুলাই যোদ্ধা শহীদ মনির হত্যার মামলার আসামি হিসেবে অভিযোগ রয়েছে।

    দুপচাঁচিয়া থানার ওসি আফজাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত জিল্লুর রহমানকে বগুড়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    এআর/নিই

  • সারিয়াকান্দিতে বিএনপির মনোনয়ন: আ.লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে মিছিল, যুবদলের দুই নেতাকে অব্যাহতি

    সারিয়াকান্দিতে বিএনপির মনোনয়ন: আ.লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে মিছিল, যুবদলের দুই নেতাকে অব্যাহতি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যায়িত করে তাঁকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে মিছিল সমাবেশ করার অভিযোগে সোনাতলা উপজেলায় দুই যুবদল নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    যাঁদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শামিম হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।

    জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সোনাতলা উপজেলার বালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শামিম হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সালামকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা দলীয় সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন।

    জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান বলেন, ৮ নভেম্বর বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) আসনে বিএনপি থেকে ঘোষিত সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্লোগান ও মিছিল সমাবেশ করা হয় শামিম হোসেন ও আব্দুস সালামের নেতৃত্বে। এ বিষয়ে প্রমাণসহ অভিযোগ উঠলে তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    জানতে চাইলে অব্যাহতি পাওয়া যুবদল নেতা শামিম হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ কী, সে বিষয়ে কিছু জানি না। আমাকে অব্যাহতি দেওয়ার আগে কৈফিয়ত তলব করা হয়নি।’

    শামিম আরও বলেন, ‘আমার নামে ১২ থেকে ১৪টি মামলা। গত বছরের পাঁচ আগস্টের পর বিএনপিতে নতুন নতুন নেতার আবির্ভাব হয়েছে। আমাকে যুবদল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও আমি ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক পদে আছি। এ কারণে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাধা নেই।’

    এআর/নিই

  • বগুড়ার গাবতলী-শাহাজানপুরের সাবেক এমপি বাবলু ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

    বগুড়ার গাবতলী-শাহাজানপুরের সাবেক এমপি বাবলু ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের সাবেক স্বতন্ত্র (রাতের ভোটের) সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলু ও তার স্ত্রী বিউটি খাতুনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

    তথ্য গোপন করে জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল।

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রধান কার্যালয় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের অনুমতি দেয়।

    বুধবার (২৪ডিসেম্বর) বিকালে তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম জানান, আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

    দুদক বগুড়া সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সূত্র জানায়, বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের সাবেক স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য (২০১৮ সালের রাতের ভোটের) রেজাউল করিম বাবলু ও তার স্ত্রী বিউটি খাতুনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে। এর প্রেক্ষিতে প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে দুদক বগুড়া সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে ওই দম্পতিকে পৃথক নোটিশে তাদের সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়।

    ওই নোটিশ পাওয়ার পর রেজাউল করিম বাবলু ও তার স্ত্রী বিউটি খাতুন গত ২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বগুড়া কার্যালয়ে পৃথকভাবে তাদের সম্পদ বিবরণী জমা দেন। সম্পদ বিবরণী দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে যাচাই ও অনুসন্ধান করা হয়। তদন্তে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে অসঙ্গতি পাওয়া যায়। এরপর প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে দুদক বগুড়া কার্যালয়ের তৎকালীন উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম ওই দম্পতির বিরুদ্ধে নিজ কার্যালয়ে মামলা করেন।

    তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়, সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলামকে। তদন্ত করে তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে এক কোটি দুই লাখ ছয় হাজার ২৯৩ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পান। এরপর দুদক প্রধান কার্যালয় থেকে সাবেক এমপি রেজাউল করিম বাবলু ও তার স্ত্রী বিউটি খাতুনের বিরুদ্ধে দুদক আইনের বিভিন্ন ধারায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এর প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক সম্প্রতি আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

    বিডি/এআর/নিই

  • নির্বাচনের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানের পদ ছাড়লেন বিএনপি প্রার্থী ফারজানা

    নির্বাচনের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানের পদ ছাড়লেন বিএনপি প্রার্থী ফারজানা

    ডেস্ক নিউজ:

    নির্বাচনের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানের পদ ছেড়েছেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমিন (পুতুল)। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।গণপ্রতিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি সরকারি কোনো লাভজনক পদে থাকেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

    জানা গেছে, ফারজানা শারমিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা, ক্যাপিটাল ল কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি, গ্রিন ডেল্টা লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড ও ঢাকা ইলেকট্রিক পাওয়ার সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) স্বাধীন পরিচালকের পদ ছেড়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে তিনি এসব পদ থেকে সরে এসেছেন।

    ফারজানা শারমিন বলেন, আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন। এ ছাড়া তিনি নির্বাচনী ব্যস্ততার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো সময়ও দিতে পারছিলেন না।

  • ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে জামায়াত নেতার মৃত্যু

    ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে জামায়াত নেতার মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    নওগাঁর সাপাহারে ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাপাহার উপজেলা শাখার সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ হিল কাফির মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার  দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    নিহত জামায়াত নেতা সাপাহার উপজেলার কাওয়াভাসা গ্রামের মাওলানা আব্দুর রহিমের ছেলে।

    সাপাহার থানার ওসি পলাশ চন্দ্র দেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি জানান, শুক্রবার রাতে দলীয় কার্যালয় থেকে মিটিং শেষে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন নিহত আব্দুল্লাহ হিল কাফি। পথে উপজেলার সাপাহার-জবই বিল সড়কের সৈয়দপুর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত তার গাড়ি থামিয়ে দেয়। এরপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট শুরু করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। কিছু পরে দলীয় কিছু লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।

  • পাবনা-১ আসনে নিজামীর ছেলের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    পাবনা-১ আসনে নিজামীর ছেলের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    পাবনা-১ আসনে নিজামীর ছেলের মনোনয়নপত্র সংগ্র
    নিউজ ডেস্ক
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-১ (সাঁথিয়া) আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন
    জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী দলটির সাবেক আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে
    ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন।

    বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) তার পক্ষে সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী
    অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রিজু তামান্নার কাছ থেকে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন
    জামায়াত নেতারা।

    মনোনয়নপত্র গ্রহণের সময় উপস্থিত ছিলেন- সাঁথিয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা
    মোখলেসুর রহমান, সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক আনিসুর রহমান, সাঁথিয়া পৌর আমির হাফেজ
    আব্দুল গফুর, পৌর কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মালেক, উপজেলা শ্রমিক
    কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মোস্তফা কামাল মানিক, সাবেক উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু
    তালেব, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য সহকারী অধ্যাপক আবুল বাশারসহ অন্যরা।
    এ/আর

  • শিরোনামহীন পোস্ট 1100

    চুয়াডাঙ্গা -১ ও ২ আসনে জামায়াত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

     

    জেলা প্রতিনিধি,চুয়াডাঙ্গা

    চুয়াডাঙ্গা-১ ও ২  আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

    ২৪ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকও  জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেলের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি ও যুগ্ম নির্বাচন পরিচালক কাইমু উদ্দিন হিরোক।

    এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের অর্থ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, নির্বাচন পরিচালক নূর মোহাম্মদ হোসেন টিপু, আইন বিষয়ক সম্পাদক দারুস সালাম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সরকারি কলেজ সভাপতি পারভেজ আলম, আলমডাঙ্গা পৌর জামায়াতের আমীর মাহের আলী, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা আমীর হাসিবুল ইসলাম আলমডাঙ্গা উপজেলা সেক্রেটারী মামুন রেজা, সদর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী শাহেন উজ্জামান ও পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাহবুব আশিক প্রমুখ।

    অন্যদিকে বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর আমিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও চুয়াডাঙ্গা -২ আসনের নির্বাচন পরিচালক মাওলানা আজিজুর রহমান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারী আসাদুজ্জামান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর আহমেদ,দর্শনা থানা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম, জীবননগর উপজেলা সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমান ও জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মহিউদ্দিন প্রমুখ। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার মশিউর রহমান জানান, চুয়াডাঙ্গা-১ ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে ইতোমধ্যে একাধিক প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অন্যান্য আগ্রহী প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র উত্তোলন করতে পারবেন।

     

  • পাবনা-৫ (সদর) আসন শিমুল বিশ্বাস ও হাবিবের মনোনয়ন ফরম উত্তোলন

    পাবনা-৫ (সদর) আসন শিমুল বিশ্বাস ও হাবিবের মনোনয়ন ফরম উত্তোলন

    পাবনা-৫ (সদর) আসন
    শিমুল বিশ্বাস ও হাবিবের মনোনয়ন ফরম উত্তোল
    ডেস্ক নিউজ
    পাবনা-৫ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহŸায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব নিজ নিজ মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন।
    বৃহ¯পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় তিনি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদ মোস্তফার কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেন অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
    মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিগত নির্বাচনে ভোটাধিকার নিশ্চিত হয়নি। এবার একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করছে বিএনপি। তিনি দুর্নীতিমুক্ত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহŸান জানান এবং বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মির্জা আজিজুর রহমান, যুগ্ম আহŸায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খোন্দকার, জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান, কেএম মুসা, তৌফিক হাবিব, সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক, নুর মাসুম বগা, রেহানুল ইসলাম বুলাল, জেলা যুবদলের আহŸায়ক হিমেল রানা, সাবেক দপ্তর স¤পাদক জহুরুল ইসলাম প্রমুখ।
    এদিকে বৃহ¯পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের প্রার্থী হিসেবে হাবিবুর রহমান হাবিবের পক্ষে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন নেতাকর্মীরা।
    ঈশ্বরদী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) আসাদুজ্জামান সরকার ও উপজেলা নির্বাচন অফিসার শামসুন্নাহার ভ‚ঁইয়ার হাত থেকে হাবিবের পক্ষে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদার, সাবেক সদস্য সচিব প্রভাষক আজমল হোসেন সুজন, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক স¤পাদক আজমল হোসেন ডাবলু, ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ স¤পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ স¤পাদক শরিফুল ইসলাম তুহিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আতিয়ার রহমান, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রকি, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম শাহীন প্রমুখ।
    এ/আর