ক্যাটাগরি রাজনীতি

  • দক্ষিণ সুরমা‌য় বিএনপি নেতা কোহিনুর বহিষ্কার

    দক্ষিণ সুরমা‌য় বিএনপি নেতা কোহিনুর বহিষ্কার

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর আহমেদকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    গত ১১ জুন বিএনপির সহদফতর সম্পাদক মো. মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সিলেট জেলাধীন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কোহিনুর আহমেদকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, কোহিনুর আহমেদের বিরুদ্ধে সীমান্তপথে চিনি চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও গ্যাং পরিচালনাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

  • একটি দল পাকিস্তানপন্থি হয়ে এখন বাংলাদেশ গড়তে চায় : মির্জা ফখরুল

    একটি দল পাকিস্তানপন্থি হয়ে এখন বাংলাদেশ গড়তে চায় : মির্জা ফখরুল

    বিডিটাইমস ডেস্ক

    একটি দল পাকিস্তানপন্থি হয়ে এখন বাংলাদেশ গড়তে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তারা বিএনপির বিরুদ্ধে, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারা কি ভোট পাবে? তাদের কি জনগন ভোট দিবে?

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সিলেটের ঐতিহাসিক আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির ধানের শীষের প্রথম জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৫ বছর এদেশের জনগণ গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছে, কিন্তু মাথা নত করেনি। আমাদের নেতা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করে আমরা একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। এ যাত্রা বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার যাত্রা। এ কাজে আমরা আপনাদের সহযোগিতা চাই।

    তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে একটি বিশেষ দলের ব্যাপারে। যারা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, যারা স্বাধীনতার বিরোধী ছিল। তারা আমাদের নামে কুৎসা রটাচ্ছে। এমনকি আমাদের নেতা তারেক রহমান সম্পর্কেও কুৎসা রটাচ্ছে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

    সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি পরিচালনা করেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

    সূত্রঃ কালবেলা

  • হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাব : শিশির মনির

    হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাব : শিশির মনির

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জ–২ (দিরাই–শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শিশির মনির বলেছেন, নির্বাচনে তিনি হারলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাসায় একটি বড় ফুলের তোড়া নিয়ে যাবেন। একইভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হারলে যেন তার বাড়িতেও ফুলের তোড়া নিয়ে আসেন, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে শিশির মনির বলেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে যিনি বিজয়ী হবেন, তাকেই তিনি অভিনন্দন জানাবেন। বর্তমান বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে না পারলে পুরোনো পথেই হাঁটা হবে, এতে কোনো উপকার হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, আমি হেরে গেলেও বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আবার আমি জিতলেও অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে আমার কোনো আপত্তি নেই। জনগণ যে রায় দেবে, আমরা তা সাদরে গ্রহণ করবো।

    নির্বাচনে গালিগালাজ ও বকাবকির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিশির মনির বলেন, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মার শান্তির জন্যও একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি জরুরি।

    এদিকে,  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের মোট ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টা থেকে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সুনামগঞ্জের সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। পাঁচটি আসনে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, ঈগল, হাতপাখাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় আচরণবিধি প্রতিপালন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে কয়েকজন প্রার্থী অভিযোগ তুললেও রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনে সমান সুযোগ বজায় রাখা হচ্ছে।

    বি/এ

  • প্রার্থিতা প্রত্যাহারে কর্মীদের বাধা

    প্রার্থিতা প্রত্যাহারে কর্মীদের বাধা

    ডেস্ক নিউজ:

    কর্মীদের বাধায় প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারেননি সুনামগঞ্জ-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির তোফায়েল আহমেদ খান। জামায়াতের কার্যালয়ে তালা দিয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ৬ ঘণ্টা পর তাকে মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অবরুদ্ধ প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খান।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর ২টায়  সুনামগঞ্জ শহরের হাছননগরে জামায়াতে ইসলামীর জেলা কার্যালয়ের ভেতরে সুনামগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ খানকে ভেতরে রেখে কার্যালয়ের প্রধান ফটক ও ভেতরে তালা দেন তার সর্মথক ও কর্মীরা। রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।

    এ সময় জামায়াতের কর্মীরা জানান, এই আসনের জামায়েতের কর্মীরা কেবল নয়, সাধারণ ভোটারও তোফায়েল খানকেই প্রার্থী চায়। জোটের পক্ষ থেকে যাকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে, তাকে চেনেন না কেউ।

    জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল্লাহ্ বললেন, সুনামগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির তোফায়েল আহমদকে নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য রওয়ানা দেওয়ার সময় সাধারণ কর্মী-সমর্থকরা ঘিরে রাখে, তারা দরজা বাইরে থেকে তালা দিয়ে রাখে তোফায়েল আহমদসহ নেতৃবৃন্দকে। এ কারণে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়নি।

    ১০ দলীয় জোট এই আসনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মাওলানা মুজাম্মিল হক তালুকদারকে (বই প্রতীক) প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। তার বাড়ি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের স্বরস্বতীপুর গ্রামে।

    সুনামগঞ্জ-১ আসনে নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা প্রার্থী মুজাম্মিল হক তালুকদার  জানান, তিনি নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা, সিলেট মহানগরের আমির, সুনামগঞ্জেরও আহ্বায়ক। তাকে এই আসনে ১০ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়েছে। জামায়েতের জেলা আমির মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন না কেন- এটা তার সিদ্ধান্ত।

    তিনি আরও বলেন, আমরা যেহেতু জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোটে আছি তাই এই বিষয়ে তোফায়েল আহমেদ খান ও তার কেন্দ্রীয় নেতারা বুঝবেন। আমার এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য নেই।

     

  • বরগুনায় জামায়াতসহ ২ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    বরগুনায় জামায়াতসহ ২ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

    ডেস্ক নিউজ :

    বরগুনার দুটি আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং খেলাফত মজলিসের দুই প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। ১০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রার্থীরা।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন তারা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন: বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিব্বুল্যাহ এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
    মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিব্বুল্যাহ বলেন, ‘১০ দলীয় জোট হওয়ায় এ আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন নির্বাচনে অংশ নিতে জোর দাবি জানিয়েছেন। এ কারণে দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে প্রার্থী দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফ পূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।’
    বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেয়া হয়েছে। এবং বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।’

    এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, ‘বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দু’জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে। বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আস থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।’
  • ভোলা-২ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি জামায়াত

    ভোলা-২ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি জামায়াত

    ডেস্ক নিউজ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় নির্বাচনী জোট ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন- দৌলতখান) আসন নিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপিকে দিলেও সেখান থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় নির্বাচনী জোট ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন- দৌলতখান) আসন নিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপিকে দিলেও সেখান থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী।

    তবে ওই জোটের অন্য শরীক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. আব্দুস সালাম মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তার মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন। ফলে বহুল আলোচিত এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাফিজ ইব্রাহিমের সাথে নির্বাচনী লড়াইয় করবেন একই জোটের (১০ দলীয় জোটের) দুই প্রার্থী। তারা হলে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফজলুল করিম ও এলডিপির মোকফার উদ্দিন চৌধুরী। 

  • ভোলায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

    ভোলায় সংঘর্ষ, আহত ৩০

    ডেস্ক নিউজ

    ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে দুই দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দোষারোপ করছে।

    সোমবার  দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চকবাজার এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে জিন্নাগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চলছিল। এ সময় স্থানীয় বিএনপির একদল নেতাকর্মীর সঙ্গে জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। আহত জামায়াত কর্মীদের অ্যাম্বুলেন্সযোগে হাসপাতালে নেওয়ার সময় আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভোলা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা কাজী হারুনুর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, আমাদের কর্মী জামাল উদ্দিন জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ভোট চেয়ে প্রচারণা করছিলেন। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রথমে জামাল উদ্দিনের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। পরে খবর পেয়ে আমাদের অন্যান্য কর্মীরা পুলিশকে জানিয়ে আহতকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার পথে বিএনপি নেতাকর্মীরা আবারও হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমাদের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, এই হামলার ঘটনায় প্রশাসন কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

    চরফ্যাশন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মালতিয়া এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে চরফ্যাশন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি বর্তমানে আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

     

  • নুরের পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির দুই উপজেলা কমিটি বিলুপ্ত

    নুরের পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির দুই উপজেলা কমিটি বিলুপ্ত

    ডেস্ক নিউজঃ

    পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের পক্ষে নির্বাচনি কাজ না করায় গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

    শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশ সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটনের কাছে এ বিষয়ক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি নিজস্ব কোনো প্রার্থী না দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুরকে সমর্থন দেয়। তবে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির একটি অংশ দলীয় এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অনীহা প্রকাশ করে ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেনি। বরং তারা বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (সদ্য বহিষ্কৃত) স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের পক্ষে কাজ করছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

    এ প্রেক্ষাপটে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপি গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে।

    এর আগে বিএনপির বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করে নুরুল হক নুরের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান।

    এ বিষয়ে বিএনপির একজন দায়িত্বশীল নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ যদি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও নির্বাচনি কৌশলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তাহলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকে না। স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

    অন্যদিকে গলাচিপা উপজেলা বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘যে ব্যক্তি দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন, সেখানে কর্মীদেরও বহিষ্কৃত হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়েছে। আমাদের অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার সুযোগ নেই, আমরা হাসান মামুনের সাথেই আছি।’পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান টোটন বলেন, দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা বিএনপির কমিটির বিলুপ্তির কাগজ পেয়েছি। আপাতত এটুকুই বলতে পারি।

    এম কে

  • পটুয়াখালী-২ আসনের বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করায় দলের আহ্বায়ককে অব্যাহতি

    পটুয়াখালী-২ আসনের বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করায় দলের আহ্বায়ককে অব্যাহতি

    ডেস্ক নিউজঃ

    পটুয়াখালী-২ আসনের বিএনপির দলীয় প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদারের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে বাউফল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল জব্বার মৃধাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অব্যাহতির বিষয়টি জানানো হয়েছে।জেলা বিএনপির সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ আয়োজন করেন আব্দুল জব্বার মৃধা। এসব সভায় তিনি মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা একাধিক লিখিত অভিযোগও করেন। পরে এসব অভিযোগের বিষয়ে গত ১৪ জানুয়ারি তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। দুই দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হলেও তার জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন।

    এম কে

  • ঝালকাঠিতে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর জামায়াতে যোগদান

    ঝালকাঠিতে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর জামায়াতে যোগদান

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঝালকাঠির কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সুজিত ঘরামীর নেতৃত্বে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।

    ঝালকাঠি জেলা বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদেরকে স্বাগত জানানো হয়।অনুষ্ঠানে নবাগত সদস্যদের ফুল ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেন ঝালকাঠি জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি সদর-নলছিটি আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিমসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    ঝালকাঠি জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যোগদান প্রমাণ করে জামায়াতে ইসলামী একটি গণমানুষের রাজনৈতিক সংগঠন। ন্যায়, সততা ও সুশাসনের রাজনীতির প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে। জামায়াতে যোগদানকারী কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা সুজিত ঘরামী বলেন, জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ, শৃঙ্খলা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। দেশের কল্যাণ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবদান রাখতেই আমি জামায়াতে যোগ দিয়েছি।

    এম কে