ক্যাটাগরি রাজনীতি

  • চৌগাছায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ডেস্ক নিউজ

    চৌগাছায় জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
    যশোরের চৌগাছায় জামায়াতের আয়োজনে এক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর শহরের মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
    এতে সভাপতিত্ব করেন ৫ নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমির মাওলানা আজাদ হুসাইন। প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোর্শেদ। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক পৌর প্যানেল মেয়র মাস্টার কামাল আহমেদ বিশ্বাস, মাস্টার আইনাল হক, মাওলানা আব্দুল আলিম, মাস্টার মনিনুর রহমান, মাস্টার আনিচুর রহমান প্রমুখ।

    এ আর ১২/০৩/২০২৬

  • শেরপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

    শেরপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

    ডেস্ক নিউজঃ

    জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

    এর আগে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন আমিনুল ইসলাম বাদশা। এতে শেরপুর-৩ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের একক প্রার্থীসহ মোট ৪ জন বৈধ প্রার্থী রইলেন।

    বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের (মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান। আগামী ১৫ মার্চ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর হতে প্রচারণায় নামবেন প্রার্থীরা।

    এর আগে বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম বাদশা বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে ৯ মার্চ আমিনুল ইসলাম বাদশার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

    জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা নির্বাচন অফিস।

    এম কে

  • এনসিপির ইফতারে যুবশক্তির নেতাদের পেটাল ছাত্রশক্তির নেতারা, আহত ৫

    এনসিপির ইফতারে যুবশক্তির নেতাদের পেটাল ছাত্রশক্তির নেতারা, আহত ৫

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে রংপুরে জাতীয় যুবশক্তির রংপুর মহানগর ও জেলা নেতাদের ওপর মহানগর ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতা হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যুবশক্তির নেতাদের দাবি, তাদের পাঁচ নেতাকর্মী হামলার শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজন বেসরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া আরও দুইজন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

    বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়ামে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

    ইফতার মাহফিলে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী, রংপুর বিভাগীয়আসাংগঠনিক সম্পাদক আতিক মুজাহিদ এমপি, জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি তারিকুল ইসলামসহ এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    রংপুরের এনসিপি, যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই ইফতার মাহফিলে স্টেডিয়াম প্রবেশ ফটকে অভ্যর্থনার দায়িত্বে ছিলেন রংপুর মহানগর ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা।

    এনসিপির রংপুর মহানগর কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আলমগীর নয়ন অভিযোগ করেন, কাউনিয়া-পীরগাছার যুবশক্তির পাঁচকর্মী এসেছিলেন। তাদের হাতে দাওয়াত কার্ড ছিল না। ছাত্রশক্তির নেতারা তাদের স্টেডিয়ামের ভেতরে ঢুকতে না দেওয়ায় তিনি তাদের ঢোকাতে যান। তখন ছাত্রশক্তির নেতারা সেখানে হট্টগোল শুরু করেন।

    রংপুরের এনসিপি, যুবশক্তি ও ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই ইফতার মাহফিলে স্টেডিয়াম প্রবেশ ফটকে অভ্যর্থনার দায়িত্বে ছিলেন রংপুর মহানগর ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা।

    এনসিপির রংপুর মহানগর কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আলমগীর নয়ন অভিযোগ করেন, কাউনিয়া-পীরগাছার যুবশক্তির পাঁচকর্মী এসেছিলেন। তাদের হাতে দাওয়াত কার্ড ছিল না। ছাত্রশক্তির নেতারা তাদের স্টেডিয়ামের ভেতরে ঢুকতে না দেওয়ায় তিনি তাদের ঢোকাতে যান। তখন ছাত্রশক্তির নেতারা সেখানে হট্টগোল শুরু করেন।

     

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রশক্তির মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ফারহান তানভীর ফাহিম বলেন, আমাদের রাজনৈতিক প্রোগ্রাম ছিল। এটা নিয়ে আমাদের হাউসে মিটিং হচ্ছে। এটা নিয়ে স্টেটমেন্ট (বক্তব্য) দেওয়ার কিছু নেই। তেমন কিছু হয়নি ওখানে। মারামারি দুই পক্ষের হয়েছে।

     

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আতিক মুজাহিদ বলেন, বিষয়টা নিয়ে আমরা বসেছি। যারা অন্যায় করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • মুন্সীগঞ্জ-৩ আসন  ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে

    মুন্সীগঞ্জ-৩ আসন ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে জসিম উদ্দিন নামে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আবদুল্লাহ গ্রামে বাড়িতে ঢুকে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে নিহতের পরিবারের দাবি।

    নিহত জসিম উদ্দিন (৩০) নায়েব চর আবদুল্লাহ গ্রামের মাফিক নায়েবের ছেলে। তিনি নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনের ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক ছিলেন।

    উপজেলার আধারা ইউনিয়নের চর আবদুল্লাহ গ্রামে জসিম উদ্দিন (৩০) নামের ওই যুবককে তার বাড়িতে ঢুকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

    অভিযুক্তরা হলেন- ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক ওই গ্রামের নাসির দেওয়ান ও তার ছেলে শাকিল দেওয়ান। শাকিল সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত জসিম উদ্দিন ও তার পরিবারের লোকজন ফুটবল প্রতীকের সমর্থক ছিলেন। ওই গ্রামের ধানের শীষের সমর্থক ছিলেন নাসির দেওয়ান ও তার ছেলে শাকিল। শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে নাসির, শাকিলসহ ৫০-৬০ জন বাড়িতে ঢুকে জসিম উদ্দিন, তার বাবা মাফিক নায়েব, ভাই মোখলেস নায়েব ও মহসিন নায়েবকে পিটিয়ে আহত করেন। পরে গুরুতর অবস্থায় দুই ভাই জসিম ও মোখলেস এবং বাবা মাফিক নায়েবকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় জসিম মারা যান।

    নিহত ব্যক্তির বড় ভাই মসিউর নায়েব গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ফুটবলের (প্রতীক) নির্বাচন করেছিলাম। এটাই আমাদের একমাত্র দোষ ছিল। আমরা কখনো কারো সঙ্গে অন্যায় করিনি। কারো সঙ্গে কোনো শত্রুতাও ছিল না। নাসির ডাক্তার ও তার ছেলে শাকিলরা আমার ভাইকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

    এ বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শাকিল মোবাইল ফোনে বলেন, সকালে জসিম উদ্দিনদের লোকজন আমাদের সমর্থকদের ওপর হামলা করেন। পরে আমি এ ঘটনায় অভিযোগ করতে থানায় যাই। তখন জসিম ও তার লোকজন এলাকা থেকে বের হয়ে যেতে পুনরায় আক্রমণের প্রস্তুতি নেন। পরে এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে জসিমদের মারধর করেছেন । আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না।

    মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি মমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্ববিরোধ এবং নির্বাচনি দ্বন্দ্বের জেরে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে মারা হয়েছে বলে শুনেছি। ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

    মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান। দলের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল) হন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন। পরে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

  • গজারিয়া বিএনপির সদস্য সচিবসহ ২২ নেতাকর্মীর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ

    গজারিয়া বিএনপির সদস্য সচিবসহ ২২ নেতাকর্মীর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় তৃণমূল নেতাদের মতামত উপেক্ষা এবং জনপ্রিয় নেতাদের বহিষ্কারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন গজারিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ ২২ জন নেতাকর্মী।

    গত শুক্রবার উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের রসূলপুর খেয়াঘাটসংলগ্ন বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন গজারিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহমান শফিক। তিনি বলেন, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের (সদর, শহর, গজারিয়া ও মীরকাদিম পৌরসভা) ৭৮ জন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে ৭৪ জনই মহিউদ্দিন আহমেদকে সমর্থন প্রদান করেন; কিন্তু তৃণমূল নেতাদের সেই মতামত উপেক্ষা করে অন্য একজন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

    তিনি আরও বলেন, এর পাশাপাশি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির একজন গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় নেতা মহিউদ্দিন আহমেদ এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মজিবুর রহমানসহ ১৩ জন নেতাকে বহিষ্কার করার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। এসব সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আমরা স্বেচ্ছায় বিএনপির সব পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং এই মুহূর্ত থেকেই আমাদের পদত্যাগ কার্যকর হলো।

    সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী অন্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

  • ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    তারেক রহমান শপথ অনুষ্ঠানে ৩টা ৫৫ মিনিটে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান ও একমাত্র সন্তান ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

    প্রধানমন্ত্রীর পর পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আওয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ (টেকনোক্র্যাট) আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন, দিপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম।

    অপরদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম।

    এম কে

  • যশোর-২ ধানের শীষের প্রার্থীকে শোকজ

    যশোর-২ ধানের শীষের প্রার্থীকে শোকজ

    চৌগাছা প্রতিনিধি
     যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির  সভাপতি সাবিরা সুলতানা মুন্নীকে পৃথক দুটি শোকজ করেছেন নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।
    মঙ্গলবার (২৭জানুয়ারী) কমিটির প্রধান গোলাম রসুল স্বাক্ষরিত শোকজে আগামী ২৯ জানুয়ারী স্বশরীরে অথবা উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
    চৌগাছা ও ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রার্থীকে কারন দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন কমিটির কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
    নির্বাচনি অভিযোগ নং- ০১/২০২৬ এ বলা হয়েছে, যশোর-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ-এর প্রেস সেক্রেটারি জনাব তারিকুল ইসলাম তারেক কর্তৃক দাখিলকৃত লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখে দুপুরের দিকে ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে সাধারণ নারী ভোটারদের নিকট ভোট প্রার্থনার সময় প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনপূর্বক নারী ভোট কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা নারী কর্মীদের শরীরে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে, তাদের লাঞ্ছিত করে এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভাঙচুর করে। ভাঙচুরকৃত মোবাইল ফোনসমূহ হামলাকারীরা সঙ্গে করে নিয়ে যায়। এছাড়াও নারী কর্মীদের সাথে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাই করা হয়, যেখানে নগদ অর্থ, কাগজপত্র ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিল। এ সময় তাদের অশ্লীল ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং পরবর্তীতে পুনরায় ভোট চাইতে এলে প্রাণনাশের হমকি প্রদান করা হয়। উক্ত ঘটনায় আহত নারী নেতা-কর্মীরা হলেন-রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস, জোসনা প্রমুখসহ মোট ১০ (দশ) জন। তারা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, হামলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যুবদল নেতা আরাফাত রহমান কল্লোল, সবুজ, আহনাত, সোহাগসহ ১০-১৫ জনের একটি দল জড়িত ছিল। লিখিত অভিযোগে বর্ণিত উক্ত ঘটনাসমূহ “সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫” এর বিধি ১৫(গ) ও ১৫(ঘ) এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এমতাবস্থায়, উপরোক্ত লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব মোছাঃ সাবিরা সুলতানা-এর বিরুদ্ধে কেন সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ১৫(গ) ও ১৫(ঘ) লঙ্ঘনের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না-সে বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। এ বিষয়ে আগামী ২৯/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে (যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত অভয়নগর সিভিল জজ আদালত) স্বয়ং অথবা আপনার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ব্যর্থতায় অত্র কমিটি আপনাকে শুনানী ব্যতিরেকে বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য অফিসার ইনচার্জ, ঝিকরগাছা থানা, যশোরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।

    নির্বাচনি অভিযোগ নং- ০২/২০২৬ এ বলা হয়েছে, আপনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর জেলাধীন নির্বাচনি এলাকা নং-৮৬, যশোর-২ থেকে রাজনৈতিক দল “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল” কর্তৃক মনোনীত একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী। আমি সরজমিনে চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন কালে বহু স্থানে আপনার নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত রঙ্গিন ফেসটুন, ব্যানার ও পোস্টার দেয়ালে সাথে সাঁটানো অবস্থায় দেখতে পাই (নমুনা ছবি সংযুক্ত) যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর ৭(গ) (ঙ) বিধির লঙ্ঘন।

    এমতাবস্থায়, উপরোক্ত আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের ভিত্তিতে আপনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জনাব মোছাঃ সাবিরা সুলতানা-এর বিরুদ্ধে কেন সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ৭(গ) (ঙ) লঙ্ঘনের দায়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না-সে বিষয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। এ বিষয়ে আগামী ২৯/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে (যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত অভয়নগর সিভিল জজ আদালত) স্বয়ং অথবা আপনার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। ব্যর্থতায় অত্র কমিটি আপনাকে শুনানী ব্যতিরেকে বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। অত্র কারণ দর্শানোর নোটিশ সত্বর জারিপূর্বক জারির প্রতিবেদন নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য অফিসার ইনচার্জ, চৌগাছা থানা, যশোরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।

  • ৫৩ কোটি টাকার সম্পদের মালিক দুলু, আয় বেশি কৃষি খাতে

    ৫৩ কোটি টাকার সম্পদের মালিক দুলু, আয় বেশি কৃষি খাতে

    ডেস্ক নিউজঃ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রংপুর বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু। তার বার্ষিক আয়ের প্রধান উৎস কৃষি। তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৫৩ কোটি টাকা। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া তার হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

    হলফনামা অনুযায়ী, এক সময়ের কলেজ অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বর্তমানে তার পেশা হিসেবে ‘কৃষি ও ব্যবসা’ উল্লেখ করেছেন।  তার স্ত্রী লায়লা হাবিব পেশায় একজন ব্যবসায়ী, বিশেষ করে পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ​দুলুর দুই সন্তানের মধ্যে আহনাফ হাবিব ইনতেসার বর্তমানে বেসরকারি চাকরিতে নিয়োজিত এবং ছোট ছেলে আহমিক হাবিব ইয়ারদান ছাত্র। দুই ছেলের নামে কোনো সম্পদ বা ব্যাংক জমার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ নেই।

    ​আসাদুল হাবিব দুলুর বার্ষিক আয়ের বড় অংশ আসে কৃষি খাত থেকে। ​কৃষি খাতে বাৎসরিক আয় ১ কোটি ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭০ টাকা। ​বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান ভাড়া থেকে ১৪ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। ​ব্যবসা থেকে ৫ লাখ ২৩ হাজার ৩৫৫ টাকা। ​অন্যান্য উৎস থেকে ৬ লাখ ৭২ হাজার ৭০২ টাকা। ​শেয়ার ও ব্যাংক আমানত রয়েছে ৪৬ হাজার ৪৩৪ টাকা।

    নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য খোলা নতুন অ্যাকাউন্টে ১০ লাখ ৮২ হাজার ৮২০ টাকাসহ তার হাতে ও বিভিন্ন ব্যাংকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নগদ অর্থ রয়েছে ১৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ​সোনালী ব্যাংকে ৮ লাখ ৫৫ হাজার ৬৮৬ টাকা এবং ৩৮ হাজার ৭৬৯ টাকা (দুটি পৃথক হিসাব)। ব্যাংক এশিয়ায় ২৬ হাজার ৬৭৭ টাকা, এবি ব্যাংকে ৪৭ হাজার ৬৭৭ টাকা, প্রাইম ব্যাংকে ৩৫ হাজার ৬০৬ টাকা , ডাচ-বাংলা ব্যাংক ৩৮ হাজার ৭৬৯ টাকা, সিটি ব্যাংকে ২ হাজার ১৫৬ টাকা এবং ইসলামী ব্যাংকে নামমাত্র স্থিতি ২৬ টাকা রয়েছে।

    বিনিয়োগ ও বাহন হিসেবে দুলুর রয়েছে তালিকাভুক্ত নয়- এমন কোল্ড স্টোরেজ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার এবং  ব্যাংকের শেয়ার, যার ক্রয়মূল্য ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪০ টাকা।  ​যানবাহন হিসেবে তার মালিকানায় রয়েছে দুটি মাইক্রোবাস, দুটি বাস, একটি ট্রাক এবং একটি নতুন গাড়ি। এর মধ্যে মাইক্রোবাস দুটির বর্তমান বাজারমূল্য ৬২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা এবং বাস দুটির বর্তমান মূল্য প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। ​ইলেকট্রনিক্স পণ্য, আসবাবপত্র ও একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ অন্যান্য অস্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৪৬ লাখ ৯৯ হাজার ১২০ টাকা।

    আসাদুল হাবিব দুলুর স্থাবর সম্পদের মধ্যে জমির পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। ​এর মধ্যে কৃষি জমি ৩৬.৫১২ একর (সরকারি গড় মূল্য ২২ কোটি ৮৭ লাখ ১২ হাজার ৮৫৯ টাকা)। ​অকৃষি জমি ৪.৫৮৫৭ একর (সরকারি গড় মূল্য ২২ কোটি ৯৫ লাখ ৭৫ হাজার ৫৯১ টাকা)। ​ঢাকার বনানীতে ৩ কোটি টাকা মূল্যের একটি ভবন, লালমনিরহাটে ২০ লাখ ৬৪ হাজার টাকার সম্পদ এবং চা বাগান, রাবার বাগান ও মৎস্য খামার বাবদ ৩ কোটি ৭২ লাখ ৬০ হাজার ৫০ টাকার সম্পদ রয়েছে। ​সব মিলিয়ে তার স্থাবর

    স্ত্রী লায়লা হাবিবের নামে পরিবহন ব্যবসা, টিনশেড বাড়ি ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। তার মোট সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য দেখানো হয়েছে ৮৭ লাখ ৪১ হাজার ৭৮৭ টাকা।

    আসাদুল হাবিব দুলু ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন তিনি লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর বাঁধ নির্মাণ, আন্তঃনগর ট্রেন চালু, টিটিসি ও যুব উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন এবং ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের মতো উল্লেখযোগ্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।

    এম কে

  • লালমনিরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ২০

    লালমনিরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ২০

    ডেস্ক নিউজঃ

    লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় নির্বাচনি প্রচারণা ও গণসংযোগককে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একে অপরকে দোষারোপ করেছে দুই দল।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে হাতীবান্ধা উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেডিকেল মোড়-সংলগ্ন কসাইটারী এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান রাজীব প্রধান। একই আসনে রোববার বিকেলে ওই এলাকায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের পৃথক গণসংযোগ চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হন।জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল ইসলাম রাজু।

    এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু জানান, সংঘর্ষের কারণ এবং আহতদের সংখ্যা সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানেন না। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের ঘটনাস্থল থেকে তথ্য সংগ্রহ করার অনুরোধ জানান।

    সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

    জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, নির্বাচনি প্রচারণার সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি নির্বাচনি আচরণবিধির আওতায় পড়ায় আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে ভোটের প্রচারণা শুরু বিএনপি নেতার

    শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে ভোটের প্রচারণা শুরু বিএনপি নেতার

    ডেস্ক নিউজঃ

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের ভেতরে ঢুকে কবর জিয়ারত করতে পারেননি গোপালগঞ্জ-৩ আসনের (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) স্বতন্ত্র প্রার্থী বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব। পরে সমাধিসৌধের গেটে দাঁড়িয়ে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করেন। এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন এই প্রার্থী।

    বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শেখ মুজিবের সমাধিসৌধের ৩ নম্বর গেটে এমন ঘটনা ঘটে। সেখান থেকেই তার নির্বাচনি প্রতীক ফুটবল মার্কার প্রচার শুরু করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিব। পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ডে গণসংযোগ এবং প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট ও সমর্থন চান।

    এর আগে গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন হাবিব।

    স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘গোপালগঞ্জ-৩ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনের মাটিতেই শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। এই দুই মহামানবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখেই আমি আমার নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছি। আর প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের ভেতরে গিয়ে তার কবর জিয়ারত করতে পারিনি। তাই গেটের বাইরে দাঁড়িয়েই বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করেছি।’

    হাবিব বলেন, ‘একসময় আমি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। টুঙ্গিপাড়া ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি এবং জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলাম। তবে আমি অনেক আগেই বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি।’

    দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে হাবিব বলেন, ‘আমাকে এখন বহিষ্কার করার বিষয়টি হাস্যকর, কারণ আমি দলে নেই। ৫ আগস্টের পর থেকে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ মামলা ও গ্রেফতারের আতঙ্কে রয়েছেন। হয়রানির শিকার হয়ে অনেকেই এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। যারা রাজনীতি করেন, তাদের অনেকেই সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। কেবল নিজের স্বার্থে নির্বাচনে অংশ নেন। আমি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চাই, তাদের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চাই।’

    এম কে