ক্যাটাগরি রাজনীতি

  • মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে : ড. মোবারক

    মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে : ড. মোবারক

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কুমিল্লা-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ড. মোবারক হোসাইন বলেছেন, মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে। আর সে লক্ষ্যে আমাদের প্রতি মানুষের যে আস্থা, যে ভালোবাসা তা চোখে পড়ার মতো।

    গত রোববার বিকেলে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদরে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    মোবারক হোসাইন বলেন, আমরা সমাজকে মাদকমুক্ত সমাজে পরিণত করতে চাই। মানুষ মনে করছেন সমাজ থেকে যদি মাদক নির্মূল করতে হয় তাহলে জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প কেউ নেই। আগামী দিনে নৈতিক শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে জ্বালাতে হলে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার বিকল্প নেই।

    তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জরিপে আসছে জামায়াতে ইসলামী আগামী দিনে ২০০ আসনের বেশি পেয়ে ক্ষমতায় আসবে। আজকে পথে প্রান্তরে যেখানেই আমরা যাই সেখানেই মানুষ দল বেঁধে ছুটে আসেন। যে জায়গাগুলোতে আমরা চিন্তাও করতাম না, সেসব জায়গাগুলোতে আজকে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসছেন। আমাদের সাধুবাদ জানাচ্ছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

    ছাত্রশিবিরের সাবেক এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যেভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমাদের স্বাগত জানাচ্ছেন, তা আমাদের অনেক বড় প্রাপ্তি। তারা মনে করছেন আগামী দিনে সমাজকে পরিবর্তন করতে গেলে দাঁড়িপাল্লার কোন বিকল্প নেই। মানুষের এই যে আবেগ-অনুভূতি তাতে মনে হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী এখন কোনো একক সংগঠন নয়, পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখা মানুষের সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

    মোবারক বলেন, আজকে এই দেশের ইতিহাসে ইসলামী দলগুলো একই জায়গায়, একই বাক্সে পরিণত হওয়ায় বাংলাদেশে একটি নজির স্থাপন হয়েছে। বিভিন্ন লক্ষণ ও বিভিন্ন অবস্থান থেকে মানুষ এখন ধরে নিয়েছে ইসলামের নব সূর্যোদয় হয়ে গেছে।

    নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে ও সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাঈন উদ্দিন সাঈদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের নির্বাচনী পরিচালক অধ্যাপক আলমগীর সরকার, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মিজানুর রহমান আতিকী।

    এ সময় কুমিল্লা উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, বুড়িচং উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল আলম, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আনিছুর রহমানসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এআর/নিই
  • পাথর মেরে হত্যার রাজনীতি আর চলবে না: শিবির সভাপতি

    পাথর মেরে হত্যার রাজনীতি আর চলবে না: শিবির সভাপতি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে পাথর মেরে হত্যার রাজনীতি আর চলবে না। ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়া ও গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বড় পরিবর্তন হয়েছে। শুধু তাই নয়, একটি জেনারেশনের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা পুরোনো ধাপের রাজনীতিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রত্যাখ্যান করে গঠনমূলক শ্রদ্ধাবোধ রাজনীতির দিকে ধাবিত হয়েছে। দেশের ছাত্র-জনতা পাথর মেরে মানুষ হত্যা করার রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করেছে।

    তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ভেবেছিলাম দেশের রাজনীতি সংস্কৃতির কিছুটা আমূল পরিবর্তন হবে। তবে দেশের কিছু কিছু ব্যক্তি, দল, গোষ্ঠীর মাঝে সেই পরিবর্তনটি লক্ষণীয় না, বরং খুনি হাসিনা যে কাজগুলো করে যেতে পারেনি- সেসব গোষ্ঠী দল-ব্যক্তিরা সেই কাজগুলো নিজেরা হাতে তুলে নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে খুন, ঘুম, পাথর মেরে মানুষ হত্যার রাজনীতি আর রাজনীতি চলবে না। দেশে কোনো প্রকার হামলা, দুর্নীতির রাজনীতি চলবে না। দেশে গঠনমূলক সহনশীলতার রাজনীতি চলবে। যারা আবু সাঈদ হয়ে নিজের জীবনের রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদকে বিতাড়িত করেছে তারাই এ বাংলাদেশ গড়বে।

    ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের পক্ষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনি প্রচারণা মিছিলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক আব্দুস সাত্তার, মহানগরীর সেক্রেটারি মাওলানা মাহবুবুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন, সাবেক উপজেলা আমির ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগরীর সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, সাবেক উপজেলা আমির ভিপি শাহাব উদ্দিন, উজিরপুর ইউনিয়ন আমির মাওলানা আবুল হাশেমসহ অন্যরা।

    এআর/নিই

  • ১২৫ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল এনসিপি

    ১২৫ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল এনসিপি

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে দলের প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

    তিনি বলেন, আমরা মনোনয়ন পত্র বিতরণের কাজ শেষ করেছি। আজকে প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করব। আজ যাদের নাম প্রকাশ করবো তাদের বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ থাকে, সেটা তদন্ত করে প্রার্থিতা বাতিল করব।

    কোন আসনে এনসিপি প্রার্থী কে-

    পঞ্চগড়-১ আসনে মো. সারজিস আলম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মো. রবিউল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে, মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম, দিনাজপুর-৩ আসনে আ হ ম শামসুল মুকতাদির, দিনাজপুর-৫ আসনে ডা. মো. আব্দুল আহাদ, নীলফামারী-২ আসনে ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন, নীলফামারী-৩ আসনে মো. আবু সায়েদ লিয়ন, লালমনিরহাট-২ আসনে রাসেল আহমেদ ও লালমনিরহাট-৩ আসনে মো. রকিবুল হাসান জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    রংপুর-১ আসনে মো. আল মামুন, রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনে মো. মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-২ আসনে ড. আতিক মুজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনি, গাইবান্ধা-৩ আসনে মো. নাজমুল হাসান সোহাগ, গাইবান্ধা-৫ আসনে ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান, জয়পুরহাট-১ আসনে গোলাম কিবরিয়া, জয়পুরহাট-২ আসনে আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল, বগুড়া-৬ আসনে আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান) এনসিপির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    এছাড়া নওগাঁ-১ আসনে কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, নওগাঁ-২ আসনে মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরী, নওগাঁ-৩ আসনে পরিমল চন্দ্র (উরাও), নওগাঁ-৪ আসনে মো. আব্দুল হামিদ, নওগাঁ-৫ আসনে মনিরা শারমিন, নাটোর-২ আসনে আব্দুল মান্নাফ, নাটোর-৩ আসনে অধ্যাপক এস. এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মনজুর কাদের ও সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

     

    এআর/এনই

  • বিতর্কিতদের নিয়ে এনসিপির কমিটি

    বিতর্কিতদের নিয়ে এনসিপির কমিটি

    ফেনীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটিকে ঘিরে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফেনী প্রেসক্লাবে কমিটি ঘোষণার এক দিনের মাথায় সংবাদ সম্মেলন করেন কমিটিতে স্থান পাওয়া একাংশের নেতারা।

    এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটিতে যুগ্ম সদস্য সচিব পদ পাওয়া আবদুল কাইয়ুম সোহাগ। এসময় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জোবায়ের, ফজলে এলাহী সায়েমসহ অন্যরা।সংবাদ সম্মেলনে আবদুল কাইয়ুম সোহাগ অভিযোগ করে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভাবনা ও সাংগঠনিক বিধি উপেক্ষা করে জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি গঠনে তৃণমূলের মতামত নেওয়া হয়নি। আন্দোলনের অগ্রভাগে থাকা অনেককে বাদ দিয়ে নতুন মুখ দিয়ে কমিটি করা হয়েছে। এমনকি চাঁদা ও ঘুষ সংক্রান্ত অভিযোগ থাকা দুই ব্যক্তিকেও কমিটিতে রাখা হয়েছে, যা জুলাই চেতনার পরিপন্থী। বিষয়টি কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের জানালেও কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হোক।আরেক যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জোবায়ের বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ও ৫ আগস্ট পরবর্তী এনসিপির কার্যক্রমে অগ্রভাগে থাকা সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল আজিজ ও সক্রিয় সদস্য তাহমিদুল ইসলামকে কমিটিতে না রাখায় আমরা ক্ষুব্ধ। এনসিপির কার্যক্রম মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হলে প্রকৃত আন্দোলনকারীদের জায়গা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় নেতারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করি।প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে আহ্বায়ক করা হয় জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্য সচিব করা হয়।

    এম কে

  • ফ্যাসিবাদি সরকার পালিয়ে গেলেও দেশ ফাসিবাদমুক্ত হয়নি : শফিকুর রহমান

    ফ্যাসিবাদি সরকার পালিয়ে গেলেও দেশ ফাসিবাদমুক্ত হয়নি : শফিকুর রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ২টায় ৮ দলের উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গাড়ি দিয়ে পালানোর সাহস বিগত ফ্যাসিবাদি সরকার হারিয়ে ফেলেছিল। এজন্য তারা আকাশপথে পালিয়েছে। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবিকেও এই অপকর্মে ব্যবহারের অপচেষ্টা করেছিল। দেশের সবকিছু তারা ধ্বংস করেছে। ফ্যাসিবাদ বিদায় নিলেও দেশ এখনো ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি। ফ্যাসিবাদকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে দেয়া হবে না।’ ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে জানিয়ে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অব্যাহত আছে। ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।’

    প্রয়োজনে আবারো ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

    শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ২টায় ৮ দলের উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা: শফিকুর রহমান আরো বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার নিজেদের উন্নয়ন করেছিল। রাস্তাঘাট তৈরি করেছিল রডের বদলে বাঁশ দিয়ে। বাংলাদেশের টাকা লুট করে সিঙ্গাপুরে গিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে। শাপলা চত্বরে অসংখ্য আলেমকে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর কুখ্যাত প্রধানমন্ত্রী বলেছিল রঙ দিয়ে শুয়েছিল। তারা রক্তাক্ত হাতে ক্ষমতায় এসেছিল রক্তাক্ত হাতেই বিদায় নিয়েছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ৮ দলের বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। সেই আকাঙ্ক্ষার বিজয় হবে কোরআনের মাধ্যমে। চট্টগ্রাম থেকে ইসলামের বিজয়ের বাঁশি বাজানো হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে কোরআনের বাংলাদেশ।’

    ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে মন্তব্য করে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অব্যাহত আছে। ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।’

    আন্দোলনরত ৮ দলের ৫ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই অব্যাহত থাকবে ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘ইসলামী দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই ঐক্য আমাদেরকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে।’

    ‘প্রয়োজনে আবারো ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে,’ হুঁশিয়ার করেন তিনি।

    সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ গরীব-দুঃখী-মেহনতি মানুষের রক্তে গড়া। বনেদিদের বাংলাদেশ আর থাকবে না। অনেক দল থেকে আসন সমঝোতার অফার দেয়া হয়েছিল। আমরা বাংলাদেশের অধিকার মালিকানা কায়েম করতে চাই। ইসলামের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। পুঁজিবাদি অর্থব্যবস্থার কবর রচনা করে আল্লাহর আইনের ব্যবস্থা রচনা করা হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এবার ইসলামী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলার মাটিতে জেগে উঠেছে। সকল চক্রান্ত, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্যদিয়ে জনতার বিজয় হবে।’

    বাংলার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ উল্লেখ করে মামুনুল হক বলেন, “দলীয় প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের বাক্স ভরতে হবে। নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা দেখা দিলে সরকারকে তার দায় নিতে হবে।”

    তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

    সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘ব্রিটিশ এই দেশ থেকে চলে গেলেও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধেও বৈষম্য দূর হয়নি। সেই থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যারা শাসক ছিল তারা বৈষম্য থেকে মুক্তি দিতে পারেনি। তাই ৫ আগস্টের আন্দোলনে হাজার হাজার জীবনের বিনিময়েও মানুষ মুক্তি পায়নি। আগামীতে আবারো চাঁদাবাজ, জালেমদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে বৈষম্য থাকবে না। কেউ দশ তলায় কেউ নিচতলায় থাকবে সেটা আর হবে না।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা ইসলামের পক্ষে, বাংলাদেশের পক্ষে থাকতে চাই। ইসলামকে বিজয় করার জন্য চেষ্টা করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে ইসলাম আগামীতে ক্ষমতায় যাবে ইনশাআল্লাহ। যথাসময়ে নির্বাচন দিতে হবে। কোনো ষড়যন্ত্র দেশের মানুষ মানবে না। হুমকি-ধমকি চলবে না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।’

    জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আসুন আমরা ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে চট্টগ্রামকে ইসলামের ঘাঁটি বানাই। চট্টগ্রামের মাটি ইসলামের ঘাঁটি। ৮ দলের এই শক্তি ক্ষমতায় গেলে আপনারাই দেশ শাসন করবেন। কারো দাদার শক্তিতে এ দেশ আর চলবে না।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদশ এমন পর্যায়ে দাঁড়াবে বিদেশীরা এখানে পড়ালেখা করতে আসবে, আমাদের দেশে কাজ করতে আসবে। আসুন আমরা সবাই মিলে সেই দেশ গড়ি।’

    ৮ দলের প্রধানদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।

    সমাবেশে ৮ দলের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মুন্সি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আলাউল্লাহ আমিন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব আল্লামা মুফতি মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আলী উসমান, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, খেলাফত মজসিলের যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসানুল্লাহ ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, ইসলামী

    আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি রেজাউল করিম আববার, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরী আমির মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরী সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মোতালেব, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আবু মুজাফফর মোহাম্মদ আনাছ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা এমদাদ উল্লাহ সোহাইল, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি অধ্যাপক খুরশিদ আলম ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা জিয়াউল হোসাইন।

    আরো বক্তব্য রাখেন- জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমির মুহাম্মদ আলাউদ্দীন সিকদার, দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহম্মদ আনোয়ারী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মোহাম্মদ উল্লাহ ও মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোবায়ের মাহমুদ প্রমুখ।

    সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম জামায়াতের অঞ্চল টিম সদস্য মুহাম্মদ জাফর সাদেক, অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল আমিন চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান জেলা আমির মাওলানা আবদুস সালাম আজাদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি আল মুহাম্মদ ইকবাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা রিদোয়ানুল ওয়াহেদ, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা জালাল উদ্দীন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ার হোসেন রব্বানী, জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, কক্সবাজার জেলা সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ নোমান ও মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সাল, নগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: এ কে এম ফজলুল হক, ডা: ছিদ্দিকুর রহমান, এস এম লুৎফর রহমান, শ্রমিক নেতা মুহাম্মদ ইসহাক, হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহসভাপতি নুর উদ্দিন, জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল ফারুক ও অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান প্রমুখ।

    ওইদিন সকাল থেকে নগরীর ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে মিছিলে মিছিলে জড়ো হতে থাকেন ৮ দলের নেতাকর্মী ও নগরবাসী। দুপুর পৌনে ২টা থেকে শুরু হয় সমাবেশের মূল কার্যক্রম। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

    বক্তাদের বক্তব্যের সময় নেতাকর্মীরা পাঁচদফা দাবি নিয়ে স্লোগান দেন।

  • মেহেরপুরে বিএনপির মনোনয়ন দ্বন্দ্বে পাল্টাপাল্টি হামলা

    মেহেরপুরে বিএনপির মনোনয়ন দ্বন্দ্বে পাল্টাপাল্টি হামলা

    ডেস্ক নিউজঃ

    মেহেরপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেনের মনোনয়ন পাওয়ায় বঞ্চিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।মঙ্গলবার দুপুরে গাংনী বাজারে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।এ সময় গাংনী উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থকরা। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে অন্তত ২০টি মোটরসাইকেল ও কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও গাংনী বাজারজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।আমজাদ হোসেনের সমর্থকরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমজাদ হোসেন নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাসস্ট্যান্ড দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন পক্ষের সমর্থকরা অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে আমজাদ হোসেন তার কার্যালয়ে আশ্রয় নিলে মিল্টনপন্থীরা গাংনী উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং কার্যালয়ের সামনে থাকা অন্তত ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।এদিকে হামলার খবর পেয়ে হাসপাতাল বাজার থেকে গাংনী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলুর নেতৃত্বে আমজাদ হোসেন পক্ষের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে গাংনী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আসে। এ সময় আমজাদ হোসেনপন্থী উত্তেজিত নেতাকর্মীরা জাবেদ মাসুদ মিল্টনের অফিসে হামলা চালায়। অবস্থা বেগতিক দেখে মিল্টনপন্থীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এতে গাংনী বাজারজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এরপরও আবার হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে; শেষ পর্যন্ত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।চলমান এই ঘটনায় আমজাদ হোসেনের সমর্থকরা দুপুর ৩টার দিকে গাংনী বাজারে অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গাংনী উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ করে তারা।এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনাটি দুঃখজনক। বিষয়টি আমি পরে জেনেছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বনি ইসরাইল বলেন, গাংনী শহরজুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

    এম কে

  • জীবননগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন

    জীবননগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন

    ডেস্ক নিউজঃ

    চুয়াডাঙ্গা-২ (জীবননগর-দামুড়হুদা) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন রোববার দুপুরে জীবননগরে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    জীবননগর উপজেলা জামাতের এই মতবিনিময় সভায় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার, উন্নয়ন ভাবনা এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
    অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন বলেন, জনগণের কল্যানে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যলয়, চ্যাংখালী স্থলবন্দর, জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে, তিনি কাজ করতে চান। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের ভূমিকা ও সহযোগিতার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জীবননগর উপজেলা জামাতের সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমান, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থীত ছিলেন জেলা জামাতের নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমানসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ, সমর্থক ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম কে

  • জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে বেকার থাকবেনা – এটিএম আজহার

    জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে বেকার থাকবেনা – এটিএম আজহার

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াত দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে তার সরকার সর্বপ্রথম দেশ থেকে দুর্নীতি মুক্ত করার চেষ্টা করবে। তিনি বলেন,  এ দেশটা গরীব দেশ না, সম্পদশালী দেশ। এ দেশে চরিত্রবান নেতাদের অভাব। সে কারনে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।
    রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে যশোরের চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে বিশাল জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
    চৌগাছা সরকারি শাহাদৎ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় উপজেলা জামায়াতের আমীর মাও.গোলাম মোরশেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি আরো বলেন,  আমি ফ্যাসিষ্ট সরকারের মিথ্যা মামালায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ছিলাম। একটি না তিনটি মিথ্যা মামলায় আমাকে ফাঁসি রায় দেওয়া হয়। ২৪শের আন্দোলনে, অনেকে বলেন ২য় স্বাধীনতা। সেই আন্দোলনের পরে আমি মুক্ত হয়েছি। তিনি বলেন, অনেকেই বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আপনারা দুর্নীতি করবে না তার প্রমাণ কি? আমাদের দুই মন্ত্রী তিনটি মন্ত্রণালয় চালিয়েছে সেখানে সবাই খুঁজে কোন দুর্নীতির প্রমাণ করতে পারে নাই। তিনি বলেন আমরা ক্ষমতায় গেলে ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বেকারত্ব দূর করবো। দেশে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা যাকাত আদায় করা সম্ভব। যাকাত ভিত্তিক অর্থনীতির মাধ্যমে সেই টাকা দিয়ে দেশের উন্নয়ন করা হবে।
    তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, আমরা অমুসলিমদের মুসলমান বানাবো। আপনারা দেখেছেন আওয়ামীলীগের আমলে মন্দিরে হামলা করে জামায়াত শিবিরকে দায়ী করা হয়েছে। অথচ গত দুই বছরে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা মন্দির পাহারা দিয়েছে। নিরাপদে সনাতনী ভাইয়েরা তাদের পূজা সম্পন্ন করেছেন।

    এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, অনেক নেতা বিদেশে আছেন। তারা দেশে আসার সাহস পাচ্ছেন না। কারন তারা ইংল্যান্ডের নাগরিকত্ব লাভ করেছেন। নাগরিকত্ব ছেড়ে দিয়ে দেশে আসতে হবে। ভয় পাচ্ছেন, নাগরিকত্ব ছেড়ে দিলাম। দেশে এসে নিরাপদ প্রধানমন্ত্রী হইতে না পারলাম। আমার একূল-ওকূল দুই কূলই গেলো। আসার সাহস পাচ্ছে না। কিন্তু আমাদের এই ভাই (যশোর-২ আসনের প্রার্থী মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ) অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ত্রিশ বছর ধরে এত সুন্দর জীবন-যাপন করছিলেন। তার  আরও উপার্জন করার সুযোগ ছিলো। আন্ত র্জাতিকভাবে উঁচু যায়গায় যাওয়ার সুযোগ ছিলো। কিন্তু আমীরে জামায়াতের কথা শুনে আনুগত্য করে দুনিয়ার সমস্ত সুখ শান্তি ছেড়ে দিয়ে আপনাদের পাশে এসে দাড়িয়েছেন। আপনারা কি তার পাশে দাড়াতে পারেন না?

    তিনি বলেন, সারাদেশে দাড়িপাল্লার জোয়ার উঠেছে। এটা জোয়ারে ভীত হয়ে আমাদের উপর হামলা করার চেষ্টা করছে। আমরা পরিস্কার বলতে চাই আমরা কারও উপর হামলা করবো না। তবে কেউ হামলা করতে আসলে আমাদের কর্মীরাও তাদের ছেড়ে দেবেনা।
    জনসভায় যশোর-২, (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি শিশুহৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ প্রধান বক্তার বক্তৃতা করেন।
    উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সহকারী অধ্যাপক নূরজ্জামান আল মামুন, সহকারী সেক্রেটারী মাস্টার কামাল আহমেদ বিশ্বাস ও মাওলানা গিয়াস উদ্দীনের যৌথ সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোবারক হুসাইন। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
    বক্তৃতায় মোবারক হোসেন বলেন, ইসলামই পারে এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে।
    ড. শফিুল ইসলাম মাসুদ বলেন, যে দলের কর্মীরা নামাজ চলমান অবস্থায় নিজ দলের কর্মীকে হত্যা করে। তাদের তো রাজনীতিই করার যোগ্যতা নেই। স্বাধীনতার পর ৫৪ বছর পার হয়েছে। ৫৪ বছরে দলের পর দল, প্রতীকের পর প্রতীক দেখতে দেখতে আমরা ক্লান্ত। এবার আওয়াজ তুলতে হবে জমিন যার, আইন তার। সব দল দেখা শেষ, ইসলামের বাংলাদেশ। সব দেখেছি বারবার, ইসলাম এইবার। ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের ৫ঘন্টা কাজ করে ৮ঘন্টার বেতন দেবে। সরকার ভূর্তকী দেবে। তিনি বলেন আমরা চাঁদাবাজ মুক্ত দেশ গড়বো।

    জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যশোর আদ্ দ্বীন হাসপাতালের পরিচালক ডা. ইমদাদুল হক, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও যশের-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক যশোর-১ (শার্শা) আসনের এমপি প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, যশোর জেলা আমীর ও যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া) আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রসুল, জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, যশোর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা আবু তালেব, শার্শা উপজেলা আমীর উপাধ্যক্ষ ফারুক হাসান, ঝিকরগাছা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল আলীম, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শূরা সদস্য মাওলানা হাফিজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নূরুল ইসলাম, চৌগাছা কামিল মাদরাসা মসজিদের খতিব মাওলানা আলী আকবার, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাস্টার রহিদুল ইসলাম খান, চৌগাছা পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল খালেক, চৌগাছা আদর্শ সাথী শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. আবু সাঈদ প্রমুখ।

  • খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত, বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি : রিজভী

    খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত, বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি : রিজভী

    ডেস্ক নিউজঃ

    বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মেডিক্যাল বোর্ড এখনো কোনো পরামর্শ দেয়নি। বোর্ডের পরামর্শ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয়।

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। তিনি এখনো জটিল অবস্থায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।আজ রোববার রাজধানীর নয়া পল্টনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে মেডিক্যাল বোর্ড এখনো কোনো পরামর্শ দেয়নি। বোর্ডের পরামর্শ ছাড়া এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব নয়।তিনি জানান, খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতার কারণে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের সব কর্মসূচি স্থগিত করেছে বিএনপি। দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    হাসপাতালের সামনে বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড়ের বিষয়ে রিজভী বলেন, হাসপাতালে অতিরিক্ত ভিড় সৃষ্টি হলে চিকিৎসা কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। এজন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে হাসপাতালের সামনে ভিড় না করতে। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দোয়া করবেন।দলের নেতাদের সাথে নিয়মিতভাবে চিকিৎসকদের যোগাযোগ হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সার্বিক শারীরিক খোঁজ-খবর মেডিক্যাল বোর্ডই দিচ্ছে।

    এম কে

  • দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয় : তারেক রহমান

    দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয় : তারেক রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমানে সিসিইউতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহস্পর্শ লাভের তীব্র আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে তিনি বলেছেন, তার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তার একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

    তারেক রহমান ফেসবুকে লেখেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দল-মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।তিনি বলেন, ‘দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মতো তাদের উচ্চমানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধু-প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে।তারেক রহমান উল্লেখ করে, সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।

    এম কে