ক্যাটাগরি রাজনীতি

  • তৃতীয়বারের মতো জামায়াতের আমির হিসেবে শপথ নিলেন ডাঃ শফিকুর রহমান

    তৃতীয়বারের মতো জামায়াতের আমির হিসেবে শপথ নিলেন ডাঃ শফিকুর রহমান

    ডেস্ক নিউজঃ

    ৯ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশের সদস্যদের (রুকনদের) কাছ থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়। এতে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হন ডা: শফিকুর রহমান।

    শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এর আগে, ৯ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশের সদস্যদের (রুকনদের) কাছ থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়। ভোটগ্রহণের কার্যক্রম শেষে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত টিম ভোট গণনা শেষ করেন।পরে ১ নভেম্বর রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংগঠনের আমির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হন ডা: শফিকুর রহমান।

    এম কে

  • তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো হবে

    তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো হবে

    ডেস্ক নিউজঃ

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক নয়। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পরিস্থিতি ভালো হবে। নির্বাচনে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আলাদা আলাদা ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    বুধবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিজিবি সদর দফতরে দলের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ও মহড়া পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।সিইসি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচনে তাদের দায়িত্ব পালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাই ভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করে সুষ্টু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারব।

    এম কে

  • পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান -সিইসির

    পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান -সিইসির

    ডেস্ক নিউজঃ

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক সংস্থাকে সহযোগী হিসেবে চায় কমিশন। পর্যবেক্ষক সংস্থার দায়িত্ব নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা। নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে দেশি ৮১টি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।

    সিইসি বলেন, ইসির এজেন্ডা একটাই জাতিকে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়া। পর্যবেক্ষক সংস্থার দায়িত্ব ভোটের অনিয়ম তুলে ধরা। রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া নয়।তিনি আরও বলেন, আমরা জাতিকে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চাই। অতীতের ভুল-ভ্রান্তি ভুলে, সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • রাঙ্গুনিয়ায় শ্রমিক দল নেতাকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা

    রাঙ্গুনিয়ায় শ্রমিক দল নেতাকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা

    ডে স্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে শ্রমিক দলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর নাম আবদুল মান্নান (৪০)। তিনি উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি।

    গতকাল  রাত ১১টার দিকে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মধ্যম সরফভাটা বুলইন্যা বাপেরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, রাতে রাস্তার পাশে নির্জন এলাকায় গুলিবিদ্ধ আবদুল মান্নানকে পথচারীরা দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ছিল। তবে কারা, কী কারণে তাঁকে গুলি করেছে, তা জানা যায়নি।

    প্রবাসফেরত আবদুল মান্নান বালুসহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের।

    নিহত আবদুল মান্নানের শরীরে চারটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি তাঁর বাঁ চোখের কাছে, একটি বাঁ হাতে ও দুটি পেটের ডান পাশে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম  বলেন, কেন, কী কারণে মান্নানকে গুলি করা হয়েছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    বি/এ

  • চিকেনস নেক ঘিরে ভারতের উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক

    চিকেনস নেক ঘিরে ভারতের উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক

    ডেস্ক নিউজঃ

    রাশিদুল ইসলাম : ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেক’ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তঃবাহিনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- ভারতীয় সেনাবাহিনী, আর্মি ইন্টেলিজেন্স, ভারতীয় বিমানবাহিনী (আইএএফ), বিএসএফ, এসএসবি, সিআইএসএফ, আইটিবিপি, আরপিএফ, জিআরপি, রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা, কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য স্তরের একাধিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল- চিকেনস নেক অঞ্চলের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, সীমান্ত নজরদারি, অবৈধ অনুপ্রবেশ, সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ এবং আন্তঃসংস্থাগত গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করা।

    দিল্লির বিস্ফোরণ ও আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বৈঠকের তাৎপর্য : ভারতের সংবাদমাধ্যম ইটিভি ভারতের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লির লাল কেল্লার নিকটে গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনার পর উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই করিডোর অঞ্চল নতুন করে নিরাপত্তা দৃষ্টিকোণে চলে এসেছে। পাশাপাশি, প্রতিবেশী দেশগুলো- বিশেষ করে বাংলাদেশ ও নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতার আবহ, এবং ভুটান-চীন সীমান্ত পরিস্থিতির সংশ্লিষ্টতা এই বৈঠককে নতুন গুরুত্ব দিয়েছে।

    যদিও শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর এই বৈঠককে ‘রুটিন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠকের বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলা সম্ভব নয়- এটি আমাদের নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ।’ তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এই বৈঠক প্রতীকীভাবে রুটিনের চেয়েও অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।

    রেল, সড়ক ও বিমান নিরাপত্তায় বিশেষ সতর্কতা : বৈঠক শেষে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে : বাগডোগরা বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে; কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে যাত্রী তথ্য যাচাই ও আচরণগত স্ক্রিনিং শুরু করা হয়েছে; এনজেপি, শিলিগুড়ি জংশন, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার স্টেশনে বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে; রাজধানী এক্সপ্রেস ও বন্দে ভারতসহ গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলোতে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে এবং জাতীয় মহাসড়ক ও এশিয়ান হাইওয়েতে অতিরিক্ত পুলিশ টহল শুরু করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ-নেপাল-ভুটান সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি : ভারত সরকার একইসাথে তিনটি সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- ভারত-নেপাল সীমান্ত, ভারত-ভুটান সীমান্ত ও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। বিশেষভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে স্বয়ংক্রিয় নম্বর প্লেট রিডার (এএনপিআর) মেশিন স্থাপন কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, যা সীমান্ত দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের তথ্য রিয়েল টাইমে সংগ্রহে সহায়তা করবে।

    রাফাল বিমান ও আধুনিক যুদ্ধসজ্জার বার্তা : বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, চিকেনস নেক-সংলগ্ন বিমান ঘাঁটিতে রাফাল যুদ্ধবিমানসহ অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ও নজরদারি ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা শুধু অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং একটি স্পষ্ট ভূরাজনৈতিক প্রতীকী বার্তা-বিশেষ করে চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর প্রতি।

    চিকেনস নেক কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ : চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডোর মাত্র ২২ কিলোমিটার চওড়া একটি ভূখণ্ড, যা উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যকে মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত করে। এই সঙ্কীর্ণ করিডোরের চারপাশে রয়েছে- পশ্চিমে নেপাল, দক্ষিণে বাংলাদেশ এবং উত্তরে ভুটান ও চীন সীমান্ত। ফলে, এই একটি করিডোরের নিয়ন্ত্রণ বা নিরাপত্তা ভারতের জাতীয় সংহতি ও সামরিক নিরাপত্তার জন্য জীবনরক্ষাকারী ধমনীস্বরূপ।

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভারতীয় উদ্বেগ : বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠকের পেছনে একটি বড় অপ্রকাশ্য প্রেক্ষাপট রয়েছে- বাংলাদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতা বিরোধি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড বিষয়ক ঘোষণা, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের উত্তাপ এবং সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা। এসব বিষয় ভারতের দৃষ্টিতে চিকেনস নেক অঞ্চলের নিরাপত্তাকে আরো স্পর্শকাতর করে তুলেছে।

    নিছক রুটিন, নাকি কৌশলগত প্রস্তুতি : সরকারি ভাষ্যে এটি ‘রুটিন বৈঠক’ হলেও বাস্তবতা ভিন্ন বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা ও ভূরাজনীতি বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এটি দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন নিরাপত্তা ভারসাম্যের প্রস্তুতি, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে ভারতের কৌশলগত বার্তা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভবিষ্যৎ সামরিক প্রস্তুতির রূপরেখা হতে পারে।

    ভূরাজনীতিবিদদের মতে- চিকেনস নেক এখন কেবল একটি ভূগোল নয়- এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ শক্তি-সমীকরণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

    ভারত চিকেন নেককে বাংলাদেশের ভূখণ্ড দখলে নিয়ে গণ্ডারের ঘাড়ে পরিণত করতে চায় : ড. শাহীদুজ্জামান

    আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক এম শাহীদুজ্জামান বলেন, এটা স্পষ্ট যে চিকেনস নেক এখন আঞ্চলিক উত্তেজনা ও দক্ষিণ এশীয় ভূরাজনীতিতে নতুন বার্তা দিতে শুরু করেছে। লালমনিরহাটে বাংলাদেশে যে বিমানঘাঁটি উন্নয়ন করছে, মিলিটারি কনস্ট্রাকশন হচ্ছে, হ্যাঙ্গার তৈরি হচ্ছে, চীন কিংবা পাকিস্তান থেকে যুদ্ধবিমান ক্রয়ের পর সেখানে মোতায়েনের কথা শোনা যাচ্ছে, নিশ্চিতভাবে বলা যায় লালমনিরহাট এখন বড় ধরনের সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হচ্ছে। চীন সেখানে ইনভলভড হবে কিন্তু এটা ভারত কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না। ভারতের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, যেটাকে ওরা চিকেন নেক বলে যা ২২ কিলোমিটার চওড়া সেটাকে তারা গণ্ডারের ঘাড় বা রাইনো নেকে পরিণত করতে চায়। ভারত আন্তর্জাতিক রীতিনীতি উপেক্ষা করে বাংলাদেশের রংপুরের ভূখণ্ডের বেশ কিছুটা ভেতরে ঢুকে যেতে চাচ্ছে। চিকেন নেকের ২২ কিলোমিটার অংশকে তারা কমপক্ষে ৫০ কিলোমিটারে বর্ধিত করতে চায়। সেখানে যে ভারত কৌশলগতভাবে তিনটি গ্যারিসন স্থাপন করেছে, সেনা মোতায়েন করেছে এসব পরিকল্পনা মাথায় রেখেই। তারা সমর বিন্যাস এমনভাবে করছে, সেনা মোতায়েন এমনভাবে করছে যে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যেন চিকেন নেক দখলে নিয়ে নিতে পারে। চীনভীতি ও বাংলাদেশের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়াতেই ভারত এসব করছে।

    এম শাহীদুজ্জামান বলেন, ভারতের আভাস থেকে সুস্পষ্ট যে চিকেন নেক দখল বা সেখানকার পরিধি বাড়াতে তারা বাংলাদেশের ভূমি প্রয়োজনে দখলে নেবে। এ কারণেই তিনটি গ্যারিসনে সেনা মোতায়েন করছে তারা। ভারত যদি চূড়ান্তভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইনসহ অন্যান্য আইন ভাঙতে চায় তাহলে তারা সেটাই করবে। স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশের ওপর ভারত চাপ সৃষ্টি করছে বলে আমরা মনে করছি। কিন্তু ভারত যদি তা করতে চায় তাহলে বাংলাদেশে আঘাত করেই চিকেন নেকের সম্প্রসারণ ঘটাবে। ভারত বাংলাদেশের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করছে লালমনিরহাট বিমানবন্দর উন্নয়নকাজ বন্ধ করার জন্যই।

    চীনভীতি থেকে এই তৎপরতা

    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) রোকন উদ্দিন বলেন, ভারত চিকেন নেকের আশেপাশে যে তিনটি সেনাঘাঁটি করেছে বা সম্প্রতি বিষয়টি একাধিক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করছে, মূলত দেশটি এসব করছে চীনভীতি থেকে। চীন যেকোনো সময় চিকেন নেকের আশেপাশে এলাকা দখল করে নিতে পারে এমন ভীতি কাজ করছে ভারতের মধ্যে। এ কারণেই চিকেন নেক ঘিরে তাদের সামরিক ও বেসামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপের অংশ হিসেবেও ভারত এ ধরনের আচরণ করছে। যেমন- লালমনিরহাটের উল্টা পাশে ভারত রাফায়েল বিমান ও সেনা মোতায়েন করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে।

    তিনি বলেন, চীনের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব শক্তিশালী হচ্ছে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ছে। পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত হচ্ছে। তিব্বত সীমান্তে ভারতের সাথে চীনের বৈরিতা দীর্ঘদিনের। এ ছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারত পুশইন করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ভারত উসকানি দেয়ায় তারা ফের তৎপর হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টির অংশ হিসেবেই ভারত এসব করছে। বিশেষ করে কেএনএফকে ভারত টোপ দিয়ে ও দীর্ঘদিন থেকে সন্তু লারমার সমর্থিত গোষ্ঠীকে ভারত পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে তোলার জন্য ব্যবহার করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এ সময়ে ভারতের এ ধরনের অপতৎপরতা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে যেকোনো সরকারই আসুক ভারত সে সরকারকে চাপে রাখতে চায় বলে পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি প্রেশার পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করছে। ( সুত্র : নয়াদিগন্ত)

    আর আই খান

  • ধানের শীষের বাইরে কেন্দ্রে কেউ এজেন্ট দিতে পারবে না, বললেন বিএনপি নেতা

    ধানের শীষের বাইরে কেন্দ্রে কেউ এজেন্ট দিতে পারবে না, বললেন বিএনপি নেতা

    ডেস্ক নিউজঃ

    আমরা ধানের শীষের বাইরের কেউ না। ধানের শীষের বাইরে যদি কেউ নির্বাচন করার চিন্তা করে তাহলে ভাঙ্গুড়ার কোনো কেন্দ্রে তারা কেউ এজেন্ট দিতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর-মুজাহিদ স্বপন।

    শনিবার সন্ধ্যায় পাবনা- ৩ আসনের (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে বিশাল গণমিছিল শেষে চাটমোহর বালুচর খেলার মাঠে সমাবেশ থেকে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।ভাঙ্গুড়ার বিএনপির আহ্বায়ক স্বপনের এমন বক্তব্যের পর চাটমোহর উপজেলাসহ পাবনা- ৩ এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। মুহূর্তে তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।গণমিছিলে হাসান জাফির তুহিন ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিএনপি, কৃষক দল, জেলা বিএনপি, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, পাবনা-৩ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসান জাফির তুহিনকে। তবে তাকে ‘বহিরাগত’ উল্লেখ করে স্থানীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কেএম আনারুল ইসলাম এবং চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হাসাদুল ইসলাম হীরার নেতৃত্বে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা।

    তুহিনের মনোনয়ন বাতিল করে স্থানীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া না হলে সাবেক এমপি কে এম আনোয়ারুল ইসলাম ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাসাদুল ইসলাম হীরা তাদের মধ্যে থেকে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন বলে শুক্রবার এক মশাল মিছিল থেকে ঘোষণা দিয়েছেন। এ নিয়ে দলের মধ্যে ও বাইরে চলছে চাপা উত্তেজনা। চলছে পাল্টাপাল্টি সভা সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি।

    এম কে

  • ‘শিক্ষককে অস্ত্র ঠেকিয়ে ব্যালটে সিল মারতে বাধ্য করা হয়েছিল’

    ‘শিক্ষককে অস্ত্র ঠেকিয়ে ব্যালটে সিল মারতে বাধ্য করা হয়েছিল’

    ডেস্ক নিউজঃ

    বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ‘শিক্ষা শুধু সনদ বা ডিগ্রি নয়, এটি জাতি গঠনের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীই রাষ্ট্রের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তারা গণতন্ত্রকে সুসংহত করে এবং সমাজে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করে।’

    জাতি গঠনে মানসম্মত শিক্ষার বিকল্প নেই। এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বর্তমান প্রেক্ষাপট বিষয়ে বিশেষ শিক্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে মোরেলগঞ্জ রওশ-আরা স্মৃতি মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘যে দেশ যত বেশি শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ করবে, সেই দেশ তত বেশি অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী এবং সচেতন নাগরিক তৈরি করতে সক্ষম হবে। সুশিক্ষিত মানুষই প্রকৃত জাতির সম্পদ। শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-অভিভাবক ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।’তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৭ বছরে শিক্ষকদের মূল্যায়ন করা হয়নি। শিক্ষককে অস্ত্র ঠেকিয়ে ব্যালটে সিল মারতে বাধ্য করা হয়েছিল। দিনের ভোট রাতে নিয়ে ব্যালট বক্স ভর্তি করতে বাধ্য করা হয়েছিল শিক্ষকদের। সেই দিন আর বাংলাদেশে ফিরে আসবে না।’অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, সৃজনশীল চিন্তা এবং মূল্যবোধ নির্ভর শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। অফিস ও সমাজে নয়, চরিত্র নির্মাণেই শিক্ষার আসল লক্ষ্য হওয়া উচিত।সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন – কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম আজাদ। তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতন উদ্যোগের মাধ্যমেই শিক্ষার গুণগত পরিবর্তন সম্ভব।’সমাবেশে রওশ-আরা স্মৃতি মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষকবৃন্দ, উপজেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    এম কে

  • নবাবগঞ্জে ৭০০ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    নবাবগঞ্জে ৭০০ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    ডেস্ক নিউজঃ

    দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে শীতার্ত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগ। রিনাইসেন্স ডিজাইন লিমিটেডের সহযোগিতায় শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ৯টায় হালুয়াঘাট মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার মোট ৭০০ শিক্ষার্থীর হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়, যা পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের ঝলক ফুটে ওঠেশীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি সেলিম রেজা, বিনোদনগর ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি আরিফুল ইসলাম, এবং রিনাইসেন্স ডিজাইন লিমিটেডের প্রতিনিধিরা।

    আর আই খান

  • নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে: জামায়াত আমির

    নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে: জামায়াত আমির

    ডেস্ক নিউজঃ

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে।

    শনিবার (২২ নভেম্বর) বেলা ১১টায় ঝালকাঠির নেছারাবাদ মাদ্রাসা ময়দানে মুছলিহিনের জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, বিগত দিনের মতো যদি কেউ ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং বা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে, তবে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

    জামায়াতের আমির আরও বলেন, সব জুলুম, ফ্যাসিবাদ ও জাতিকে বিভক্ত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে। কারো রক্তচক্ষু তোয়াক্কা না করেই ইসলামের পক্ষে সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    সম্মেলনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

    তিনি বলেন, ইসলামী দলগুলো এক হতে পারলে এবং আগামী নির্বাচনে সম্মিলিতভাবে ভোটের বাক্স দিলে পারলে দেশে নতুন ইতিহাস রচিত হবে।

    এছাড়া বক্তব্য দেন— খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিদ আজাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামালসহ আরও অনেকে।

    বক্তারা বলেন,  ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করা সম্ভব। একই সঙ্গে তারা দাবি করেন, দেশ কোন পথে এগোবে, সেটি নির্ধারণ করবে জনগণ এবং ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী শক্তিগুলো।

    নেছারাবাদী হুজুর মুছলিহিনের আমির মাওলানা খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।

    আর আই খান

     

  • প্রবাসী ভোটার: তিন দিনে নিবন্ধন ৮৫৮৪

    প্রবাসী ভোটার: তিন দিনে নিবন্ধন ৮৫৮৪

    ডেস্ক নিউজ:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন অ্যাপটি উদ্বোধন করেন। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

    পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে তিন দিনে ৮ হাজার ৫৮৪ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৯৩৩ জন ও নারী ৬৫১ জন।

    শনিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে পোস্টাল ভোট বিডি নিবন্ধন অ্যাপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    নির্বাচনে ভোট দিতে আগ্রহীরা গত তিনদিনে ২৯ দেশ থেকে নিবন্ধন করেছেন। নিবন্ধিতদের প্রায় অর্ধেকই দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী। সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার ৩ হাজার ৯৬৮ জন। এছাড়া দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জাপানের এক হাজার ৯৮৪ জন। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এক হাজার ২৩ জন নিবন্ধন করেছেন।
    নিবন্ধিতরাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঁচ দিন করে নিবন্ধনের সময় বেঁধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    প্রবাসীরা প্রথমবারের মতো ভোট দেবেন যে পদ্ধতিতে
    এ বিষয়ে আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সালীম আহমাদ খান জানান, প্রথম পর্বে ১৯ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর নিবন্ধন করতে পারবেন পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকা অঞ্চলের ৫২ দেশের প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটাররা। ২৩ নভেম্বর এ পর্বের পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে।

    বাকি দেশগুলোতে থাকা প্রবাসী ভোটাররা ধাপে ধাপে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন। প্রতিটি অঞ্চলের জন্যই পাঁচদিন করে নিবন্ধনের সময় দেওয়া হবে।

    পাশাপাশি দেশের ভেতরে থাকা তিন ধরনের ব্যক্তিদের নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। ১৯ ডিসেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে তারা নিবন্ধন করতে পারবেন। বাদ পড়া প্রবাসীরাও এসময় নিবন্ধন করতে পারবেন।

    আর আই খান