ক্যাটাগরি রাজনীতি

  • খুব কাছ থেকে গুলি করা হয় এরশাদ উল্লাহকে

    খুব কাছ থেকে গুলি করা হয় এরশাদ উল্লাহকে

    ডেস্ক নিউজ :

    চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর গুলি চালানো হয় তার নির্বাচনি প্রচারণার সময়। বুধবার সন্ধ্যায় বায়েজিদ থানার চাইল্লাতলী এলাকায় এ হামলায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার সঙ্গে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী সরওয়ার হোসেন বাবলা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনটি মোটরসাইকেলে করে আসা আটজন যুবক এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গণসংযোগের সময় দুই হাত দূর থেকে বিএনপির প্রার্থীর দিকে পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়া হয়।

    ঘটনাস্থলে রক্তে ভিজে পড়ে থাকা প্রচারণার ব্যানার ও ছেঁড়া প্যাডফ্লেক্স- যেন সহিংস নির্বাচনের ভয়াবহ এক পূর্বাভাস।

    বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হামজারবাগ চাইল্লাতলী এলাকায় বিএনপি প্রার্থী ও নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে উঠান বৈঠক করেন। পরে গণসংযোগ করে সবার সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন। হঠাৎ গলির দিক থেকে মোটরসাইকেলের শব্দ শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই একটির পর একটি গুলি। সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। এরশাদের পায়ে গুলি লাগে বলে জানিয়েছেন তার সহযোগীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    ‘আমরা বুঝে ওঠার আগেই গুলির শব্দে চারদিক কেঁপে ওঠে,’ বলেন প্রত্যক্ষদর্শী মো. হুমায়ান নামে এক দোকানদার। ‘তিনটা মোটরসাইকেলে অন্তত আটজন ছিল। তারা হেলমেট পরা, মুখ ঢেকে এসেছিল।’ আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, প্রায় সবারই কাছে পিস্তল ছিল। গুলির শব্দ শোনার পরপরই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করি।

    ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দোকানে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এই সময় তার দিকে দুই হাত দূর থেকে পিস্তল বের করেন একজন। তারপর তিন রাউন্ড গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী  বলেন, নির্বাচন বানচাল করতেই এই হামলা। প্রশাসনকে দ্রুত সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানাই।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (উত্তর) উপ-পুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম বলেন, এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সরোয়ার বাবলা নামে এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, পরে তিনি মারা যান।

    ঘটনার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ভিড় করেন। দলটির পক্ষ থেকে হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়।

    চট্টগ্রামের পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ বলেন, অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের ধরতে পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

    সুত্র আমার দেশ

    বি/ এ

  • মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বে মেহেরপুরে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা

    মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বে মেহেরপুরে বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন সমর্থকদের মধ্যে এ হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আমজাদ হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে মিল্টন পক্ষের বিরুদ্ধে। পরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে বিএনপির দুই কার্যালয় ঘিরে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ, অফিস ভাঙচুরের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভেঙে ফেলা হয়। এ সময় দুই পক্ষ অফিসের ভেতরের আসবাবপত্র বের করে আগুন দেয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী। ভাঙচুর করা হয়েছে অন্তত ১২টি মোটরসাইকেল।

    মেহেরপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন বলেছেন, মনোনয়ন বঞ্চিত মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থক গাংনী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়ালসহ তার ক্যাডার বাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। হামলায় বিএনপির অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

    সাবেক সাবেক এমপি আমজাদ হোসেনের বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুরের পর হামলার পাল্টা জবাবে বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টনের অফিস ভাঙচুর করেন আমজাদ হোসেনের  সমর্থকরা। তবে ্দুই গ্রুপের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা ছিল নিষ্ক্রিয়।

    আমজাদ হোসেনের সমর্থকরা দাবি করেছেন প্রথমে মিল্টনের সমর্থকরা একতরফাভাবে হামলা করে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।

    এদিকে মিল্টনের সমর্থক গাংনী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলফাজ উদ্দিন কালু জানিয়েছেন আমজাদ হোসেনের লোকজন তাদের অফিস ভাঙচুর করেছে।

    গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর গাংনীতে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

    উল্লেখ্য, গতকাল রাতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মেহেরপুর-২ আসনে এমপি প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে মিল্টনের সমর্থকরা সোমবার রাতেই শহরে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।

  • বিএনপির কাছে ২২২ আসনই চায় মিত্ররা

    বিএনপির কাছে ২২২ আসনই চায় মিত্ররা

    ডেস্ক নিউজ:

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩৭ আসনে প্রাথমিক প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। এর মধ্যে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন-সংগ্রামে দীর্ঘদিনের মিত্রদের নাম অনুপস্থিত থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, বাকি ৬৩ আসন জোট ও শরিকদের জন্য খালি রাখা হয়েছে।

    বিএনপির শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, ৬৩ আসনের সবকটি জোটের জন্য নয়; বরং কিছু আসনে একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী থাকায় সেগুলো অমীমাংসিত রয়েছে। তবে শরিকদের আসন ছাড়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন নেতারা।

    এদিকে নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা আরপিও (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা এবার ধানের শীষ প্রতীক পাবেন না, নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে।

    এ পরিস্থিতিতে চার-পাঁচজন নেতা ছাড়া শরিকদের বেশিরভাগেরই দলগত ও নিজস্ব কোনো ভোটব্যাংক না থাকায় তাদের জয়ের সম্ভাবনা কমে যেতে পারে। ফলে অমীমাংসিত আসনগুলোয় বিএনপির অন্য কারো কপাল খুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে ৫০টির বেশি দল একসঙ্গে যুক্ত ছিল। এসব দলের প্রার্থীদের এলাকায় অবস্থান ও জনপ্রিয়তা যাচাই-বাছাই শেষে তাদের জন্য ২৫ থেকে ৩০টি আসন ছাড়া হতে পারে। পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপির সঙ্গে জোট হলে তাদের জন্য আরো প্রায় ১০টি আসন ছাড়া হতে পারে।

    মিত্রদের আসন ছাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে থাকা দলগুলোকে সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করা হবে। তাদের কে কোথায় নির্বাচন করবেন, তার আলোচনা চলছে। দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।

    তবে বিএনপি এখনো জোটের জন্য কত আসন ছাড়বে তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২৫-৩০টি আসন পেতে পারে বিএনপির আন্দোলনের শরিকরা।

    অন্যদিকে গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ ছয় নেতা কে কোথায় নির্বাচন করবেন, তা জানতে চেয়েছিল বিএনপি। পরে গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে তখন শীর্ষ নেতাদের প্রার্থিতার বিষয়ে বিএনপিকে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুগপৎ আন্দোলনে থাকা ১২ নেতাকে ইতোমধ্যে তাদের নির্বাচনি এলাকায় কাজ করার জন্য বলা হয়েছে। তারা হলেন পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ঢাকা-১৭ আসনে

    বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা। বাকিরা হলেন ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক, কুমিল্লা-৭ আসনে দলটির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, নড়াইল-২ আসনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং ঝিনাইদহ-২ আসনে দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।এনসিপির সঙ্গে জোট হলে প্রায় ১০টি আসন ছাড়তে পারে বিএনপি। এনসিপি সূত্রে জানা গেছে, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১, সদস্য সচিব আখতার হোসেন রংপুর-৪, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম পঞ্চগড়-১, দক্ষিণের হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা-৪, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা-১৮, তাসনিম জারা ঢাকা-৯, সারোয়ার তুষার নরসিংদী-২, হান্নান মাসউদ নোয়াখালী-৬, আদিবুল ইসলাম আদীব ঢাকা-১৪ থেকে নির্বাচন করতে পারেন।

    সুত্র: আমার দেশ

    বি/এ

  • গণসংযোগকালে গুলিবিদ্ধ বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ

    গণসংযোগকালে গুলিবিদ্ধ বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ

    ডেস্ক নিউজ

    চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার হামজারবাগ এলাকায় নির্বাচনি প্রচারে বের হয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ। তিনি চট্টগ্রাম–৮ (বাকলিয়া–বোয়ালখালী) আসনের প্রার্থী। বুধবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এরশাদ উল্লাহকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে এরশাদ উল্লাহ তার নির্বাচনি কার্যালয় থেকে কর্মীদের সঙ্গে প্রচারণায় বের হন। হামজারবাগ এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ অজ্ঞাত ব্যক্তিরা গুলি চালায়। এতে এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হন। এই ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে নিহতের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।

    চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (উত্তর) উপ-পুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই ঘটনায় একজন নিহতের খবর শোনা গেছে, তবে এখনো নিশ্চিত নই।

    এভারকেয়ার হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, এরশাদ উল্লাহর বুকের বাঁ পাশে গুলির আঘাত লেগেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার পর বিএনপি নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ভিড় করেন। দলটির পক্ষ থেকে হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি তোলা হয়েছে।

  • যশোরে পাঁচটি আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা, নতুন মুখ শ্রাবণ

    যশোরে পাঁচটি আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা, নতুন মুখ শ্রাবণ

    ডেস্ক নিউজ:

     

    যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫টিতে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। অপর আসনটি শরীক দলের জন্য ছাড় দেয়া হতে পারে বলে মনে করছেন জেলা বিএনপির নেতারা। নতুন মুখ হিসেবে প্রার্থী তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, যেসব আসনে প্রার্থী দেয়া হয়নি সেগুলো পরে ঘোষণা করা হবে। এর বাইরে কিছু আসন শরিকদের ছাড়া হবে।

    ঘোষণা অনুযায়ী, যশোরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যশোর-৩ সদর আসনে প্রার্থী হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নাম ঘোষণা করা হয়। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য, সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগমের সন্তান। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এর আগে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যেহেতু যশোরের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করেন প্রয়াত তরিকুল ইসলামের স্ত্রী নার্গিস বেগম ও তার ছেলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। ফলে আসনটিতে দলের অন্য কেউ প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেয়নি। ফলে অনেক আগে থেকেই অমিত মনোনয়ন পাবেন সেটা নেতাকর্মীরা অনুমান করেছিলেন।

    এছাড়া যশোর-১ (শার্শা) আসনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বিএনপির সাবেক দফতর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তির নাম। তিনি এ আসন থেকে আগেও বিএনপির হয়ে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তৃপ্তি। এই আসনে তৃপ্তি ছাড়া মনোনয়ন দৌঁড়ে ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি হাসান জহির।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে প্রার্থী হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবিরা নাজমুলের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তার স্বামী প্রয়াত নাজমুল ইসলাম যশোর জেলা বিএনপির অর্থবিষয়ক সম্পাদক ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। বিগত আওয়ামী লীগ সময়কালে গুমের পর হত্যা করা হয় তার স্বামীকে। স্বামীর মৃত্যুর পর গৃহিনী থেকে একেবারে নতুন মুখ হিসাবে রাজনীতিতে নামেন। ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেন। যদিও চেয়ারম্যান দায়িত্বপালনকালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় তাকে ছয় বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। রায়ে মুন্নির এক কোটি ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করেন আদালত। ফলে সাবিরা নাজমুলকে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রাণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ। মনোনয়ন দৌড়ে ছিলেন জেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যশোর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান। যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুবকে। তিনি কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি এর আগেও বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মতে, এ আসনটি শরীক দলের প্রার্থীকে ছেড়ে দেয়া হতে পারে। যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে নতুন মুখ হিসেবে প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। তিনি বর্তমানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণের দীর্ঘ রাজনৈতিক পটভূমি থাকলেও তার পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে। তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তার পরিবার তাকে তাজ্য ঘোষণা করেছিলেন। এখনও পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। তবে যশোর-৬ আসনে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে।

    যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, ‘ছয়টি আসনে প্রায় ৩৫ জন নেতাকর্মী দলীয় মনোনয়ন পাবার জন্য তৃণমূলে কাজ করেছে। সম্ভাব্য মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মনোনয়ন নেয়ার দৌঁড়ে প্রার্থীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রতিযোগিতা ছিলো। তবে দল যাকে মনোনয়ন দিয়েছে; তার পক্ষে সবাই কাজ করবেন। দ্বন্দ্ব গ্রুপিং থাকলেও আস্তে আস্তে সেটা সমাধান হবে শুধুমাত্র দলের জন্য।’

  • কামাল জামান মোল্লার মনোনয়ন স্থগিত

    কামাল জামান মোল্লার মনোনয়ন স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ

     

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল সোমবার গুলশানস্থ বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে, ঘোষণার একদিন পরই একটি আসনের মনোনয়ন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানালো দলটি।

    মঙ্গলবার বিকেলে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল সংবাদ সম্মেলনে ২৩৭টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাদারীপুর-০১ (শিবচর উপজেলা) আসনেও মনোনয়নপ্রাপ্ত কামাল জামান মোল্লার নাম ঘোষণা করা হয়। অনিবার্য কারণবশত: ঘোষিত মাদারীপুর-১ (শিবচর উপজেলা) আসন ও দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম স্থগিত রাখা হলো।

    আমার দেশ

  • কোনো উল্লাস নয়, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করেত হবে- শরীফুজ্জামান 

    কোনো উল্লাস নয়, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করেত হবে- শরীফুজ্জামান 

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধ
    চুয়াডাঙ্গা-১  আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের নাম ঘোষণার পরেই চুয়াডাঙ্গার রাজনীতিতে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।
    চূড়ান্ত মনোনয়নের খবর পেয়ে শরীফুজ্জামান শরীফ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনেতা তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এরপরই তিনি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেত নফল নামাজ আদায়ের পর দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তাঁর প্রয়াত পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করেন।
    সেখান থেকে তিনি চুয়াডাঙ্গা শহরের নিজ বাড়িতে ফিরে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন যে, তিনি শহীদ জিয়া আদর্শে ও তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করার প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। এখন থেকে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য—বিভেদ ভুলে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা। এসময় তিনি উপিস্থত নেত-কর্মীদের বলেন, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সকলকেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
  • সুযোগ পেলে মানবতার কল্যাণে কাজ করবো

    সুযোগ পেলে মানবতার কল্যাণে কাজ করবো

     

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    নির্বাচিত হলে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন চূয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী অ্যাড. মাসুদ পারভেজ। তিনি বলেন, জামায়াত খলদারিত্ব এবং চাঁদাবাজির রাজনীতি করেনা। জামায়াত একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সততার গ্যারান্টি দিতে পারে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে একটি আত্মনির্ভরশীল দূর্নীতিমুক্ত কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করবে।

    ২ আক্টোবর রোববার চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে মানুষের অধিকার বাস্তবায়ন করবে। জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই বলে তিনি ঘোষণা দেন।
    তিনি আরো বলেছেন, জামায়াত মানুষের পাশে থাকতে চাই। জামায়াতে ইসলামী নেতারা দলকানা জনপ্রতিনিধি হতে চাইনা । আমরা জনপ্রতিনিধিদের কে জনগেণের নিকট জবাবদিহিতার কালচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

    আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাজারো আঘাতেও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা রাজপথে দাঁড়িয়ে ছিল। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাসিঁ, দিয়েও থামানো যায়নি এ দলের জানবাজ কর্মীদের। ভবিষ্যতেও কোনো হুমকি ধামকিতে কাজ হবেনা বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, দাড়িপাল্লায় ভোট দিলে জিতে যাবে জনগন। এসময় তিনি উপস্থিত জনগণের কাছে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহবান করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা পৌর আমীর অ্যাড. হাসিবুল ইসলাম, নায়েবে আমীর মাহবুব আসিক শফি ও আনোয়ার হোসেন, পৌর সেক্রেটারী মোস্তফা কামাল, সহকারী সেক্রেটারী ইমরান হোসেন, অফিস সম্পাদক আবু যায়েদ আনসারী, পৌর উলামা ও মসজিদ মিশন সভাপতি হাফেজ মাওলানা আঃ শুকুর মালিক, পৌর যুব বিভাগের সভাপতি শাহ আলম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের পৌর সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান, অফিস সম্পাদক সেলিম উল্লাহ মাসুমসহ পৌর নেতৃবৃন্দ।

     

  • নির্বাচন কমিশন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

    নির্বাচন কমিশন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

    ডেস্ক নিউজ :

     

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, শাপলা প্রতীক কেন দেবে না তার ব্যাখ্যা দেয়নি নির্বাচন কমিশন। যার ফলে এই নির্বাচন কমিশন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

    রোববার (২ নভেম্বর) বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এনসিপির জেলা ও মহানগর সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারী করতে হবে এবং সেটা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকেই দিতে হবে। এখন এই আদেশ যদি চুপ্পুর কাছ থেকে নিতে হয় তাহলে তা বিপ্লবের কফিনে শেষ হবে।

    তিনি বলেন, তিনশ আসনেই সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা যেন একটা গুণগত, কাঠামোগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে একটা গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে যেতে পারি, তার বড় দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর।

    সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় সংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন।

    সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী আবু সাঈদ মুসা।

    সুত্র: ঢাকামেইল

  • খুলনায় বিএনপি অফিসে হামলা-গুলি, স্কুল শিক্ষক নিহত

    খুলনায় বিএনপি অফিসে হামলা-গুলি, স্কুল শিক্ষক নিহত

    ডেস্ক নিউজ :

     

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) আইটি গেট সংলগ্ন স্থানীয় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গুলি ও বোমা হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা । এতে গুলিতে স্কুল শিক্ষক ইমাদুল হক (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বছিতলা নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। এর আগে তিনি ইউসুফ স্কুলে শিক্ষকতা করতেন।

    এছাড়া যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মামুন শেখসহ (৪৫) আরো দুই জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত অন্যরা হলেন—বেল্লাল খান (৫৫) ও মিজানুর রহমান (৫৮)। তাদের চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    জানা যায়, রোববার রাত ৯টার দিকে বিএনপি নেতা মামুন শেখ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অফিসে বসেছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা হঠাৎ অফিস লক্ষ্য করে পরপর দুটি বোমা ও চার রাউন্ড গুলি ছুড়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক ইমাদুল হক, মামুন, বিল্লাল ও মিজানুর রহমান গুরুতর আহত হন৷ পরে তাদেরকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমাদুল হক মারা যান। তিনি এশার নামাজের পর ওই বিএনপির অফিসে ওয়াজ মাহফিলের টাকা কালেকশন করার জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    কেএমপির এসি (মিডিয়া) মো. শফিকুল ইসলাম জানান—সন্ত্রাসীদের গুলিতে ও বোমা হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে বলে জানতে পেরেছি ৷ পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। অভিযুক্তদের এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ কাজ করছে।

    সুত্র: দৈনিক আমার দেশ