ক্যাটাগরি রাজশাহী

Rajshahi district

  • হাম উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ৫২৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে রাজশাহী বিভাগে ২ জন ছাড়াও বরিশাল, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে একজন করে মোট ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

    এদিকে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৮৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২৩৮ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৪৫ হাজার ৪৯৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে এই সময়ে মোট ৬ হাজার ২০৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩১ হাজার ৯১২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ২৮ হাজার ২৩৮ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

    বি/ এ

  • নামাজ শেষে বাড়ি ফেরা হলো না খাদেমের

     

    ডেক্স নিউজ : পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মসজিদে এশার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় মন্টু মিয়া (৮০) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পৌরসভার কলেজপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ও স্থানীয় বাইতুন নুর জামে মসজিদের খাদেম।সোমবার (৩০ মার্চ) রাত সোয়া ৯টার দিকে পৌর শহরের কলেজপাড়া মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা বলেন, এশার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কলেজপাড়া মোড়ে একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে সোমবার রাত ৪টার দিকে চিকিৎসাধীন মন্টু মিয়ার মৃত্যু হয়।

    মসজিদ কমিটির সভাপতি ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বুরুজ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ভাঙ্গুড়া থানার ওসি এসএম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ট্রাকটি জব্দ করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    m

  • নগরবাড়ী নদীবন্দরে আধুনিক টার্মিনালের উদ্বোধন

    ডেক্স নিউজ : পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার নগরবাড়ী নদীবন্দরে আধুনিক টার্মিনাল কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেছেন নৌপরিবহণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদীবন্দর নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই টার্মিনাল কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করা হয়।বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম; জেলা পরিষদ মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম।নগরবাড়ীতে আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদীবন্দর নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর উত্তরবঙ্গের সঙ্গে নৌপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নে নগরবাড়ী এলাকায় উন্নত ও আধুনিক বন্দর অবকাঠামো সুবিধাদি নির্মাণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ২০ জুন অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই বছরের ১ জুলাই নির্মাণকাজ শুরু হয়, যা শেষ হয় ২০২৫ সালের ৩০ জুনে। এ প্রকল্পে মোট হয়েছে ৫৫৬.৯০৭ কোটি টাকা।    যমুনা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত নগরবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী ঘাটে দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে নৌপথে মূলত সার, সিমেন্ট, পাথর, বালি, কয়লাসহ অন্যান্য মালামাল উঠানামা করে সড়কপথে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় পরিবাহিত হয়ে থাকে। ঘাটটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আরিচা নদীবন্দর দ্বারা পরিচালিত হতো। ১৯৯৮ সালে যমুনা সেতু প্রতিষ্ঠিত হবার পূর্বে বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা, পদ্মা নদীর দ্বারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আরিচা-দৌলতদিয়া এবং আরিচা-নগরবাড়ী নামে ফেরিঘাট ২টি যথাক্রমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নৌ চলাচলে আরিচা নদীবন্দরের আওতায় পরিচালিত হতো।

    m

  • মারা যাওয়ার ২৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি

    মারা যাওয়ার ২৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি

    নিউজ ডেস্ক

    রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন বলেছেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চলতি বছরে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ শিশু মারা গেছে। এদের মধ্যে একজনের পরীক্ষার পর হাম শনাক্ত করা গেছে। বাকি ২৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি।

    সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭০ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এদের মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ বছর হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ শিশু মারা গেছে। এদের মধ্যে পজিটিভ আছে একজন। বাকি ২৯ জনের নমুনা টেস্ট করে হাম পজিটিভ পাওয়া যায়নি।

    অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন বলেন, আক্রান্তদের জন্য নির্ধারিত কর্নার এবং সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুটি ওয়ার্ডের কর্নারে আলাদা করে আইসোলেশন করে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রোগী বাড়লে আমার সেটি দেখব।

    আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ছয় মাসের নিচে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এটি চিকিৎসকদের জন্য উদ্বেগজনক। তবে এক বছরের ওপরে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা খুবই কম।

    রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকেএম মাসুদ-উল-ইসলাম জানান, ১ হাজার ২শ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন আড়াই হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

  • ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে জামায়াত নেতার মৃত্যু

    ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে জামায়াত নেতার মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    নওগাঁর সাপাহারে ছিনতাইকারীর লাঠির আঘাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাপাহার উপজেলা শাখার সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ হিল কাফির মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার  দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    নিহত জামায়াত নেতা সাপাহার উপজেলার কাওয়াভাসা গ্রামের মাওলানা আব্দুর রহিমের ছেলে।

    সাপাহার থানার ওসি পলাশ চন্দ্র দেব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি জানান, শুক্রবার রাতে দলীয় কার্যালয় থেকে মিটিং শেষে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন নিহত আব্দুল্লাহ হিল কাফি। পথে উপজেলার সাপাহার-জবই বিল সড়কের সৈয়দপুর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে একদল দুর্বৃত্ত তার গাড়ি থামিয়ে দেয়। এরপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারপিট শুরু করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। কিছু পরে দলীয় কিছু লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।

  • পাবনার আটঘরিয়ায় শিক্ষকের পিটনিতে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।

    পাবনার আটঘরিয়ায় শিক্ষকের পিটনিতে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।

    পাবনার আটঘরিয়ায় শিক্ষকের পিটনিতে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে

    নিউজ ডেস্ক
    অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে সোমবার বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি খিদিরপুর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে পদত্যাগ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।
    মৃত জেসমিন উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে। সে খিদিরপুর শহীদ আব্দুল খালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    অভিযোগে জানা গেছে, গত ২ নভেম্বর একটি বাটন মোবাইল ফোন নিয়ে ক্লাশে প্রবেশ করে জেমি। এ সময় ক্লাশ শিক্ষিকা মিনোয়ারা খাতুন শিক্ষার্থী জেমি খাতুনের কাছে মোবাইল ফোন দেখে ক্লাশরুমে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও অপমান করেন। পরে খন্ডকালীন শিক্ষিকা সালমা খাতুন শিক্ষার্থী জেমি খাতুনকে ক্লাশরুম থেকে ডেকে কমনরুমে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে বেত দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে জেমির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। অপমান অপদস্থ করে স্কুল থেকে বের করে দেন।

    শিক্ষিকার এই বেধড়ক মারপিট ও অপমান সহ্য করতে না পেরে শিক্ষার্থী জেমি ঘটনার দিন বিকালে দাদির বাড়িতে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে জেমির পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে প্রথমে জেমিকে আটঘরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থা অবনতি ঘটলে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে নেওয়া হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ নভেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার সময় জেসমিন মারা যায়।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মিনোয়ারা ও সালমা খাতুনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।
    আটঘরিয়া থানার ওসি বলেন, অভিযোগ পেয়েছি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    এ/আর

  • গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

    গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজ:

    রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় নারিকেল গাছ থেকে পড়ে  কাজল (২৭) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ঝলমলিয়া পুরাতন ডাকবাংলো এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    নিহত কাজল উপজেলার ঝলমলিয়া এলাকার মো. কামালের ছেলে।

    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নিহত কাজল সব সময় নেশা করেন। নেশার টাকার জন্য মানুষের গাছ থেকে বিভিন্ন ফল চুরি করে বিক্রি করে তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় রাতে বা ভোরের কোনো এক সময় ডাকবাংলোর ডাব গাছে উঠেন তিনি। এ সময় হঠাৎ ডাব গাছ থেকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এ বিষয়ে পুঠিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ডাব গাছ থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • মোহনপুর কোল্ড ইনজুরিতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের পান

    মোহনপুর কোল্ড ইনজুরিতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের পান

    ডেস্ক নিউজ:

    শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকের পানের বরজে কোল্ড ইনজুরিসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ফলে পানপাতা লালচে, হলুদবর্ণ ছাড়াও শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। এ অবস্থায় রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পানের বরজগুলোতে। 

    জানা গেছে, রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় এবছর পান চাষ হয়েছে ১ হাজার ৩১৭ হেক্টর জমিতে। অর্থকরী এই ফসলটি কেনাবেচায় স্থানীয়ভাবে গড়ে উঠেছে হাট-বাজার। ফলে চাষিদের পান কেনাবেচায় দূরের কোথাও যেতে হয় না।

    মোহনপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে পানপাতায় কোল্ড ইনজুরি দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে কোনো কোনো পানের বরজে কোল্ড ইনজুরিতে গোড়া পচন রোগ দেখা দিয়েছে। ফলে পানপাতা লালচে, হলুদবর্ণ ধারণ করছে। আবার কিছু কিছু পানের পাতা শুকিয়ে যাচ্ছে।

    চাষিরা জানান, প্রথম পান লালচে ও হলুদবর্ণের হয়ে যাচ্ছে। এরপরে পাতার নিচের অংশে শুকাতে শুরু করছে। একপর্যায়ে পুরো পানপাতা শুকিয়ে ঝড়ে যাচ্ছে। এতে করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। তারা বলছেন, বছরের এই সময়ে তুলনামূলক পানের দাম বেশি থাকে। তাই তাদের লোকসানটাও বেশি হচ্ছে।

    কেশরহাটের কীটনাশক দোকানি কোবাদ আলী বলেন, ঠান্ডায় পান ঝরেপড়া বন্ধের জন্য সঠিকভাবে কোনো কীটনাশক কাজে আসে না। তবে কৃষকরা রিপকর্ড কনফিডর, সালকক্স, চিলেটেড জিংক ও রুট শক্তি এই জাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করে থাকেন।

    এ বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মোসা. মোস্তাকিমা খাতুন বলেন, কোল্ড ইনজুরি থেকে রক্ষার জন্য চাষিদের পলিথিন ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। এছাড়া কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    বি/এ

  • ৩৬ বিঘা পানের বরজ পুড়ে ছাই

    ৩৬ বিঘা পানের বরজ পুড়ে ছাই

    ডেস্ক নিউজ:

    মাত্র আধাঘণ্টায় ৩৬ বিঘা জমির পানের বরজ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার খোদাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৬০ জন পানচাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

    ফায়ার সার্ভিস বলছে, ধারণা করা হচ্ছে- বিড়ি বা সিগারেট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনে কৃষকের ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খোদাপুর সরদারপাড়া বিলের পান বরজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। জুমার নামাজের সময় হওয়ায় পানের বরজে কোনো লোকজন ছিল না। ওই বিলের পান বরজের দক্ষিণ পাশে আগুন জ্বলতে দেখে পান বরজের কয়েকজন কৃষক। তারা চিৎকার শুরু করলে গ্রামের আশপাশের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরে  ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজন মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করে। অবশেষে দুটি ইউনিটের দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    খোদাপুর গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইমান আলী জানান, তখন জুমার নামাজের সময়। হঠাৎ বিলের পান বরজের দক্ষিণ পাশে আগুন দেখা যায়। মুহূর্তেই বড় আকার ধারণ করে ভয়াবহ রূপ নেয়। স্থানীয় কৃষক ও ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু তার আগেই আমাদের ২০ বিঘা জমির পান বরজ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ৬০ জন পানচাষির ৩৬ বিঘা জমির পানের বরজ পুড়েছে। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

    তবে বাগমারা ফায়ার সার্ভিসের সাব অফিসার মিজানুর রহমান বলেন,  ধারণা করা হচ্ছে- বিড়ি-সিগারেটের আগুন থেকে ঘটনার সূত্রপাত।

    এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি  মর্মান্তিক। কৃষি অফিসারের মাধ্যমে ভিজিট করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে।

    বি/এ

  • জেলের জালে ৭৬ কেজির বাঘাইড়!

    জেলের জালে ৭৬ কেজির বাঘাইড়!

    ডেস্ক নিউজ

    রাজশাহীর পদ্মায় জেলের জালে ধরা পড়েছে ৭৬ কেজি ওজনের বাঘাইড় মাছ। শুক্রবার (১০ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার হরিশংকরপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে জেলে মো. মাসুমের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

    শনিবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জেলে মো. মাসুম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার সন্ধ্যায় মাছ ধরতে পদ্মা নদীতে যাই। আমরা ৪ জন ছিলাম। কয়েক ঘণ্টা চেষ্টার পর গভীর রাতে মাছটি আমাদের জালে উঠে।

    পরে ওজন দিয়ে দেখি মাছটি ৭৬ কেজি। আমি ১৮ বছর ধরে মাছ ধরছি। কিন্তু আগে কখনো এতবড় মাছ পাইনি। এবারই প্রথম এতবড় মাছ আমার জালে উঠেছে। মাছটি ৮০০ টাকা কেজি দরে স্থানীয় বাজারে কেটে বিক্রি করেছি। মাছটি বিক্রি করে মোট ৮০ হাজার টাকা পেয়েছি।

    জেলে মো. মাসুম বলেন, বিশাল মাছটি পেয়ে আমরা খুবই খুশি। শনিবার দুপুরে মাছটি বিক্রি শেষ হয়। বড় পাটি না পাওয়ায় কেটে বিক্রি করতে হয়েছে। দামও পেয়েছি তুলনামূলক কম। অন্য সময়ে ১২০০-১৩০০ টাকা কেজি দাম হত, কিন্তু এখন মাত্র ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হলো। তবুও আমি অনেক খুশি।

    এদিকে, বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছটি দেখতে হরিশংকরপুর বাজার এলাকায় ভীড় জমান আশপাশের এলাকার শত শত মানুষ। উৎসুক জনতার অনেকে মাছটির সাথে সেলফিও তোলেন।