ক্যাটাগরি গাইবান্ধা

Gaibandha district

  • গুটি বসন্তে শিক্ষকের মৃত্যু

    গুটি বসন্তে শিক্ষকের মৃত্যু

    শিক্ষা ডেস্ক:

    গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গুটি বসন্ত (পক্স) রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিশ চন্দ্র দাস (৪৫) নামে এক স্কুলশিক্ষক মৃত্যু হয়েছে।  ৪ এপ্রিল সোমবার রাত ১ টার দিকে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    ইতিশ চন্দ্র সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের বোডঘর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।  তিনি খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত দুই সপ্তাহ আগে ইতিশ চন্দ্রের ছেলে ঢাকা থেকে এসে গুটি বসন্তে আক্রান্ত হন। এরপর গত মঙ্গলবার থেকে একে একে ইতিশ চন্দ্র দাস সহ তার স্ত্রী ও আরেক ছেলেও গুটি বসন্তে আক্রান্ত হন।

    আক্রান্ত হওয়ার পর পাশের গ্রামের এক কবিরাজের কাছ থেকে শিক্ষক ইতিশ চন্দ্র চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তবে গত রাতে হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান।

    বি/ এ

     

  • ব্লেন্ডার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল চা দোকানির

    ব্লেন্ডার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল চা দোকানির

    ডেস্ক নিউজঃ

    গাইবান্ধার সাঘাটায় ব্লেন্ডার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক চা দোকানির মৃত্যু হয়েছে। আহত অবস্থায় তাকে সকালে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

    ‎শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবুব আলম। একইদিন সকালে উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মথরপাড়া পচাবস্তা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    ৩২ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম জ্যোতিষ চন্দ্র বর্মন (মনা)। মনা ওই গ্রামের সুরেন্দ্র বর্মনের ছেলে। তিনি মথরপাড়া বটতলা বাজারে চা-দোকানি ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার নিজ বাড়িতে ব্লেন্ডার মেশিন মেরামত করার চেষ্টা করছিলেন মনা। এসময়  হঠাৎ বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট হলে তিনি বিদ্যুতায়িত হন। পরে পরিবারের সদস্য টের পেলে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তার মৃত্যু হয়।

    নিহতের ফুফাতো ভাই সুমন রায় জানান, মনা ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। মনার বাবা-মা দুজনই দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিস রোগী। সকালে ব্লেন্ডার ঠিক করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান।

    ‎‎সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম স্থানীয়দের বরাতে বলেন, বাড়ির ব্লেন্ডার ঠিক করার সময় মথর পাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর হয়েছে। তিনি চা দোকানি ছিলেন।

    এম কে

  • মাকে বাঁচাতে আকুতি ঢাবি শিক্ষার্থী সজলের

    মাকে বাঁচাতে আকুতি ঢাবি শিক্ষার্থী সজলের

    ডেস্ক নিউজঃ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থী সজল কুমার রায়। বেড়ে ওঠা প্রত্যন্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র পরিবারে। যাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় মেধাবী স্বজল এখন দেশের সেরা বিদ্যাপিঠের শিক্ষার্থী। বাড়িতে ভালো পোশাক কিংবা বেশিরভাগ সময় জোটেনি তিনবেলা খাবার। ঢাবিতে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই টিউশনি করে পড়াশুনার খরচ চালাচ্ছেন সংগ্রামী সজল। তবে, এই সংগ্রামী জীবনে সজলকে নতুন করে যুদ্ধ করতে হচ্ছে তার ৪৬ বছর বয়সী মা স্বপ্না রানীর শরীরে বাঁধা অদৃশ্য এক শত্রুর সঙ্গে।

    জটিল ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত সজলের মা স্বপ্না রানী। বাবা কাঠ মিস্ত্রি ও সজলের টিউশনির আয়ের সমন্বয়ে চলা সংসারের পাশাপাশি চলতো মায়ের চিকিৎসা। রোগটি ধরা পড়ার পর গেল দুই বছরে শেষ সম্বল হিসেবে থাকা নিজেদের ১০ শতক জমি, তিনটি গরুসহ সহায়-সম্বল সবই বিক্রি করতে হয়েছে চিকিৎসার খরচে।

    তবে দীর্ঘ সময়েও দেশের চিকিৎসায় আশানুরূপ ফল মেলেনি। ফলে এখন যতদ্রুত সম্ভব দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    সজল কুমার রায়ের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামে। বাবা মোহননাল চন্দ্র রায় পেশায় কাঠ মিস্ত্রি, মা গৃহিণী। চার ভাইয়ের মধ্যে সজল দ্বিতীয়। পরিবারে বাবা-মা, ভাই-ভাবি ও তাদের এক কন্যা সন্তানসহ সজলের ছোট আরও দুই ভাই রয়েছে। তারা স্থানীয় স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগে দশম শ্রেণিতে পড়ে। বড় ভাই টেক্সটাইলের ডে লেবার হিসেবে কাজ করেন।

    সজলের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে প্রথমে রংপুরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষায় মা স্বপ্না রানীর ক্যান্সার ধরা পড়ে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় রোগটির নাম ‘সিএআরটি ব্রেস্ট, আইডিসিসি, জি-২’। বেশকিছু দিন সেখানকার চিকিৎসায় আশানুরুপ ফল না পেয়ে পরে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা করানো হয়। সেখানেও চিকিৎসার উন্নতি না হয়ে সর্বশেষ গত ২৩ এপ্রিল ঢাকার আহসানউল্লাহ মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু করেন স্বপ্না রানীর। সেখানে মেডিকেল ইকোলজি ও সিনিয়র কনসালটেন্ট ড. পারভিন শাহিদা আখতারের তত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে।

    পরিবার জানায়, ২০২৪ সালে সজলের মায়ের ক্যান্সার ধরা পরলেও সমেস্যা দেখা দিয়েছিল আরও দুই বছর আগে। কিন্তু অর্থনৈতিক সংকট আর সিদ্ধান্তহীনতার কারণে ভালো চিকিৎসা কিংবা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করা যায়নি। প্রথম দুই বছর হোমিও চিকিৎসা করা হয় স্বপ্না রানীর। পরে পরিস্থিতি জটিল হতে থাকলে তাকে রংপুরে চিকিৎসা শুরু করা হয়।

    সজল বলেন, আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি বিশেষ করে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয়। মায়ের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা জরুরি। মাকে বাঁচাতে হলে অতি দ্রুত ১৫ লাখ টাকার প্রয়োজন। যা আমাদের সংগ্রহ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। যা ছিল সম্বল আগেই বিক্রি করে দিয়েছি।

    তিনি বলেন, শেষ চারমাস ধরে প্রতিমাসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ বাবদ ৩০ থেকে ৩৫ হাজার করে টাকা যাচ্ছে। এতে আমরা হাঁপিয়ে উঠছি। সামনে হয়তো আর সম্ভব হবে না।

    সজল জানান, সর্বশেষ গত (২৩ মার্চ) আহসানিয়া মিশন এন্ড ক্যান্সার জেনারেল হাসপাতালে মাকে দেখানো হয়েছে। সেখানকার চিকিৎসক প্রথম দিন কোনো ডিসিশন (সিদ্ধান্ত) দিতে পারেননি, তারা সময় নিয়েছেন। আগামী মঙ্গলবার তারা ডেকেছেন। সেদিন হয়তো চিকিৎসা বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন। জানি না তারা কি জানান! গত এক বছর যাবত টানা চিকিৎসা চলছে কিন্তু বাংলাদেশের চিকিৎসায় কোনো রেজাল্ট হচ্ছে না।

    দেশের বাইরে জটিল এই রোগের জন্য চিকিৎসায় ব্যয় হবে প্রায় ১৫ লাখ টাকা। যা সজলের পরিবারের জন্য জোগার করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এমন পরিস্থিতিতে মাকে বাঁচাতে দেশের সরকার ও বিত্তবানসহ সরকারি-বেসরকারি দানশীল প্রতিষ্ঠানের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী।

    স্বজল কুমার রায়ের নম্বর ০১৬১২০২৩৮৮৬ (বিকাশ, নগদ, রকেট)। এ ছাড়া, ব্র্যাক ব্যাংক, নাম: Shojol Kumar, অ্যাকাউন্ট নম্বর: 1066367030001, শাখা: এলিফ্যান্ট রোড, রাউটিং নম্বর: 060261339। ইসলামী ব্যাংক, নাম: Shojol Kumar, অ্যাকাউন্ট নম্বর: 20502156700186003, শাখা: এলিফ্যান্ট রোড, রাউটিং নম্বর: 125261337।

    শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আজাহারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার মাধ্যমে প্রথম শুনলাম। সমাজসেবাসহ বিভিন্ন সেক্টরে চিকিৎসা-সংক্রান্ত সহযোগিতা করা হয়। তারা যোগাযোগ করলে বা খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

    এম কে

  • একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকার পর এবার প্রেমিকের মৃত্যু

    একসঙ্গে বিষপান, প্রেমিকার পর এবার প্রেমিকের মৃত্যু

    ডেস্ক নিউজঃ

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে একসঙ্গে বিষপানে প্রেমিকা মীম আক্তারের মৃত্যুর ৬ দিন পর মারা গেলেন প্রেমিক মোরছালিন হাসান পরশও। শুক্রবার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরশের মৃত্যু হয়।

    শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম।

    নিহত পরশ (২৫) উপজেলার জয়েনপুর গ্রামের হামিদ মিয়ার ছেলে ও মীম (১৯) একই গ্রামের শফিউল ইসলামের মেয়ে। তারা একে অপরের প্রতিবেশী ।

    এর আগে গত ১৯ এপ্রিল সকালে ওই গ্রামে মীম ও পরশ একসঙ্গে বিষপান করেন। পরে তাদের উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন স্বজনরা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন বিকেলেই মীমের মৃত্যু হয় এবং পরশের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মোরছালিন হাসান পরশ ও মীম আক্তারের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে বিষয়টি পারিবারিকভাবে জানাজানি হলে তারা দুজনই নিজেদের পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে উভয়ের পরিবার রাজি না হওয়ায় সম্প্রতি মীমকে অন্যত্র বিয়ে দেয় তার পরিবার। এরমধ্যে মীম স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এলে উভয়ের মধ্যে অভিমানের সৃষ্টি হয়। পরে সেই অভিমান থেকেই পরশ ও মীম ১৯ এপ্রিল সকালে একসঙ্গে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

    সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) একেএম হাবিবুল ইসলাম বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আজ সকালে পরশের মৃত্যু হয়েছে। আমরা রিপোর্ট দিয়ে দিয়েছি। সেখানেই (রমেকে) মরদেহের ময়নাতদন্ত হবে। এরপর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    এম কে

  • বজ্রপাতে ১৪ জনের মৃত্যু

    বজ্রপাতে ১৪ জনের মৃত্যু

    ডেক্স নিউজ : বজ্রপাতের ঘটনায় সারা দেশে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

    এর মধ্যে গাইবান্ধায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ২ জন, নাটোরের সিংড়ায় ১ জন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় ১ ও পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সব ঘটনায় অনেকে আহত হয়েছে।

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া, সুন্দরগঞ্জের ধোপাডাংগা ও ফুলছড়িতে বজ্রপাতে দুই শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে পৃথক বজ্রপাতে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন- সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শিশু ফুয়াদ, তার চাচাতো ভাই শিশু রাফি, সাদুল্লাপুর উপজেলার আলী আকবর। অন্যজনের নাম জানা যায়নি।

    সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাংগা ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান মণ্ডল জানান, রোববার দুপুরে দক্ষিণ ধোপাডাংডার বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুজা চৌধুরীর বাড়ির বারান্দায় খেলা করছিল সুজা চৌধুরীর শিশু পুত্র ফুয়াদ ও মুজাহিদের শিশুসন্তান রাফি। দুপুরে বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ বজ্রপাত হলে বারান্দায় অবস্থানরত ফুয়াদ ও তার চাচাতো ভাই রাফি গুরুতর আহত হয়। পরিবারের লোকজন দুজনকে নিয়ে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

    সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধোপাডাংগায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।

    সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়ায় জমিতে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয় মিজানুর রহমান নামের এক যুবক। তাকে গাইবান্ধা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বুলবুলির চরে আলী আকবর নামে একজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

    এদিকে সাঘাটা উপজেলায় নম্বর আলী ও ফুলছড়ি উপজেলায় অজ্ঞাত একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এছাড়া সিরাজগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ২ জন, নাটোরের সিংড়ায় ১ জন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় ১ ও পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    মুক্ত

  • গাইবান্ধায় দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা আটক

    গাইবান্ধায় দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা আটক

    ডেস্ক নিউজঃ

    গাইবান্ধার ফুলছড়িতে যৌথ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির এক নেতাকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ফুলছড়ি উপজেলার বালাশীঘাট এলাকার রসুলপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    আটক ব্যক্তি হলেন, মিলন মিয়া (৪৪)। তিনি কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি। তিনি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রসুলপুর গ্রামের মৃত মেছের উদ্দিন সরকারের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে যৌথবাহিনীর সদস্যরা মিলন মিয়ার নিজ বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তাকে আটক করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে চারটি রাম দা, একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি বড় ছুরি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলো জব্দ করা হয়েছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সহিংসতা, ভয়ভীতি ও নাশকতা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনি এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে যৌথ বাহিনী নিয়মিত তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করছে।

    ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম জয় বলেছেন, আটক মিলন মিয়া কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি। তার বিরুদ্ধে আমরা দলীয় সিদ্ধান্ত নেবো।

    ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, যৌথ অভিযানে উদ্ধারকৃত দেশীয় অস্ত্রগুলো ইতোমধ্যে জব্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হবে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় বাড়িতে লুকানো ৭২ বস্তা ভিজিএফের চাল জব্দ

    গাইবান্ধায় বাড়িতে লুকানো ৭২ বস্তা ভিজিএফের চাল জব্দ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ভিজিএফের প্রায় চার টন চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    সোমবার  রাতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ভিজিএফের প্রায় চার টন চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই দিন দুপুরে কমিটি গঠন করা হয়।

    প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের মো. আবদুল মজিদ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বাড়ির একটি ঘর থেকে অবৈধভাবে মজুত রাখা ভিজিএফের ৭২ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। পরে উদ্ধার করা চাল স্থানীয় সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. বিলকিস বেগমের জিম্মায় রাখা হয়।

    ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। কমিটির প্রধান করা হয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার দে এবং উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি বলেন, উদ্ধার হওয়া চালের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় ঝড়ে ৩ শতাধিক বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড

    গাইবান্ধায় ঝড়ে ৩ শতাধিক বাড়িঘর লণ্ডভণ্ড

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়েছে তিন শতাধিক বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভেঙে গেছে বিদ্যুতের খুঁটি, হেলে পড়েছে আরও কয়েকটি। এতে তিন থেকে চার শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় বিদ্যালয়ে।

    ডেস্ক নিউজঃ

    সোমবার  সন্ধ্যায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়েছে তিন শতাধিক বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে শুরু হওয়া ঝড়ে ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের সময় প্রবল বাতাসে অন্তত তিন শতাধিক বাড়িঘর ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। অনেক বাড়ির টিনের চালা উড়ে গিয়ে দূরের আবাদি জমিতে পড়ে। ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। কোথাও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে, কোথাও আবার হেলে পড়েছে। ফলে রোববার রাত থেকেই ওই এলাকার কয়েকশ পরিবার বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে।

    রাজাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, রাতের ঝড়ে ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রায় তিন থেকে চার শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবারের থাকার ঘর না থাকায় তারা অস্থায়ীভাবে বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

    ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে তার ওয়ার্ডে অন্তত তিন শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মানুষের বসতঘর, রান্নাঘর ও গোয়ালঘর ভেঙে গেছে। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় পুরো এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে আছে।

    তিনি আরও জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন। যাদের থাকার জায়গা নেই। তাদের জন্য দুটি বিদ্যালয়কে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে।

    ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য বুলু মিয়া বলেন, ঝড়ের সময় তার ওয়ার্ডের শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা স্কুল টেকনিক্যাল অ্যান্ড কলেজের নির্মাণাধীন ইটের দেয়ালও ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠানটির চালা, কাঠ ও বাঁশ ছিটকে পড়ে আছে জমিতে।

    গোবিন্দগঞ্জ জোনের পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার রাশেদ আব্দুল্লাহ জানান, ঝড়ে রাজাহার ইউনিয়ন এলাকায় আমাদের দুটি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে এবং সাত থেকে আটটি খুঁটি হেলে পড়েছে। এতে গতকাল ঝড়ের সময় হতে তিন থেকে চার শতাধিক পরিবার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

    তিনি বলের, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইনের দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে এবং যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি আমরা।

    এ বিষয়ে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়া গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানাকে।

    গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা মোবাইল ফোনে বলেন, গতকাল রাতের ঝড়ে গোবিন্দগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউএনও। ক্ষতিগ্রস্ত ১৪২টি পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ৪. ২৬০ মেট্রিকটন চাল এবং ৪ লাখ ২৬ হাজার সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া তাদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হচ্ছে, পরবর্তীতে তাদেরকে কৃষিসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় আগুনে গরুসহ গোয়ালঘর পুড়ে ছাই

    গাইবান্ধায় আগুনে গরুসহ গোয়ালঘর পুড়ে ছাই

    গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি গোয়ালঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে দুটি উন্নত জাতের বিদেশি গরু দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আগুনে গরুসহ গোয়ালঘরের বিভিন্ন মালামাল পুড়ে প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

    ডেস্ক নিউজঃ

    বৃহস্পতিবার  দিবাগত রাতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের পবনতাইড় গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পবনতাইড় গ্রামের সিনতউল্লার ছেলে আসাদুল ইসলাম প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে হঠাৎ তার গোয়ালঘর থেকে আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীরা চিৎকার শুরু করেন। পরে ঘর থেকে বের হয়ে আসাদুল ইসলাম দেখেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

    স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঘরের ভেতরে থাকা দুটি বিদেশি জাতের গরু দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পাশাপাশি গোয়ালঘরে থাকা আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আসাদুল ইসলাম বলেন, এই গরু দুটিই ছিল আমার পরিবারের আয়ের প্রধান সম্বল। আগুনে সবকিছু হারিয়ে আমি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছি। প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সকালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঘুড়িদহ ইউনিয়ন সেক্রেটারি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামাল পাশা মণ্ডলসহ স্থানীয় নেতারা। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দেন।

    এ সময় কামাল পাশা মণ্ডল ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

    এম কে

  • গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে ভাড়া বাসা থেকে ববিতা খাতুন (৩০) নামের এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    ডেস্ক নিউজঃ

    রোববার (২৯ মার্চ) ভোররাত ৪টার দিকে তাকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান।

    গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা এলাকার আমালাগছি এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা বেগমের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে কেটে ফেলা একটি পুরুষাঙ্গ পায় পুলিশ ।

    পুলিশ জানায়, পুরুষাঙ্গটি ববিতার স্বামী হারুন মিয়ার। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছে , স্বামী স্ত্রীর ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে ববিতা তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। পরে হারুন তার স্ত্রীকে হত্যা করে আহত অবস্থায় পালিয়ে যান। পরে আজ ভোররাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হারুনকে গ্রেপ্তার করেন তারা।

    এ ঘটনায় আজ রোববার হত্যার শিকার ববিতা বেগমের মা হাসনা বেগম বাদি হয়ে হারুনকে প্রধান আসামি করে ৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জনের বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামালা দায়ের করেন।

    পলাশবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) সারোয়ারে আলম খান বলেন, গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ববিতা বেগমের পলাতক স্বামী হারুন মিয়াকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়া রুমে পাওয়া পুরুষাঙ্গটি হারুন মিয়ার।

    ওসি আরও জানান, হারুন মিয়া শঙ্কামুক্ত হলেও রক্তস্বল্পতা জনিত কারণে তার শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে। তিনি কোনো কথাই বলছেন না। সুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

    এসময় তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনসহ সার্বিক বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    এম কে