ক্যাটাগরি সিলেট বিভাগ

  • চুনারুঘাটে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু

    চুনারুঘাটে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান শুরু

    বিডিডেস্ক নিউজ,

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট পৌর শহরে রাস্তার দুই পাশে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১১টা থেকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ারের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

    অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা অংশ নেন। অভিযান চলাকালে রাস্তার পাশে স্থাপিত অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে দেয়া হয় এবং দখলদারদের সতর্ক করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শফিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ ফারুক উদ্দিন চৌধুরী, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত মিয়া প্রমুখ।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ার বলেন, ‘আজ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। সরকারি আইন অমান্য করে কেউ সরকারি জায়গা দখল করলে পরবর্তীতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

    এ,আর

  • পানিতে তলিয়ে গেছে ধান, ঋণে জর্জরিত হাওরের কৃষকেরা

    পানিতে তলিয়ে গেছে ধান, ঋণে জর্জরিত হাওরের কৃষকেরা

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    সোমবার দুপুরে রোদ উঠতেই হাওরপারের গ্রামগুলো কিছুটা চাঙা হয়ে ওঠে। গ্রামীণ পাকা–কাঁচা সড়ক, উঁচু ফাঁকা জায়গা যেখানে সুযোগ মিলেছে, সেখানেই রোদে ধান শুকানোর ধুম পড়ে যায়। কেউ সড়কের ওপর, কেউ পলিথিন বা চটের চাটাইয়ে, আবার কেউ খলায় ধান মেলে দিয়েছেন। তবে ধান শুকাতে দিলেও কারও মনে স্বস্তি নেই।

    কৃষকেরা জানান, পানিতে তলিয়ে যাওয়া খেত থেকে যা ধান তোলা গেছে, তা খুবই সামান্য। তোলা ধানের অনেকটাই সময়মতো শুকাতে না পারায় নষ্ট হয়ে গেছে। ধানের দিকে তাকালেই তাঁদের বুক কষ্টে ভরে ওঠে। যেখানে ৩০০ থেকে ৪০০ মণ ধান পাওয়ার কথা, সেখানে এখন খলায় আছে মাত্র ১০–২০ মণ। অনেকেই ধান দিয়ে শোধ করার শর্তে আগাম ঋণ নিয়ে চাষ করেছিলেন। এখন সেই ঋণের বোঝা আরও ভারী হয়ে উঠেছে। এতে ঋণ শোধ তো দূরের কথা, বছরের খোরাকিও জুটবে না।

    মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারের অন্তেহরি গ্রামের চিত্র সবচেয়ে বেশি খারাপ। পাকা ধানের খেত পানির নিচে, কেটে আনা ধানও রোদ না থাকায় শুকানো যায়নি। অনেক ধান পচে গেছে, কোথাও আবার অঙ্কুর গজিয়েছে। গতকাল বিকেলে অন্তেহরি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জুমাপুর সড়ক থেকে অন্তেহরি বাজার পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ধান ও খড় বিছানো। গ্রামে ফাঁকা জায়গা বলতে কিছু নেই—সবখানেই ভেজা ধান ও খড় শুকানো হচ্ছে। কোথাও যন্ত্রে ধান মাড়াই চলছে। হাওরের দিকে নারী–পুরুষ ছড়িয়ে কাজ করছেন। ধান শুকাতে ব্যস্ত সবাই।

    একটি খলার পাশে দাঁড়িয়ে সুমি রানি দাস বলছিলেন, ‘খলায় এ সময় চাইরবায় (চারপাশে) ধানর গিলা (স্তূপ) থাকে। এখন ধানই নাই।’ তাঁর সঙ্গে থাকা তপন দাস বলেন, ‘খলায় এখন ২০-২৫ মণ ধান আছে। এবার ধান অইছিল খেতে। ২০-২২ মণ ধান অইলোনে কিয়ারও (১ কিয়ার=৩০ শতাংশ)। ২২ কিয়ার করছিলাম। যদি দিন দেয়, তাইলে সাত কিয়ার তোলা যাইব। বড় খলা করছিলাম, ৭০ মণ ধান আটে। ৪০০ থাকি সাড়ে ৪০০ মণ ধান পাওয়ার কথা। ১০০ মণ পাইমু কি না সন্দেহ আছে।’

    স্থানীয় লোকজন জানান, দুশ্চিন্তা শুধু ফলনহানিই নয়, ঋণ শোধ নিয়েও। অনেক কৃষক ৮০০ টাকা মণ দরে ধান দেওয়ার শর্তে আগাম টাকা নিয়েছিলেন। দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সুদ বা দাদন ছাড়া ঋণের সুযোগ নেই বললেই চলে। ফলে বাধ্য হয়েই এ ধরনের শর্তে ঋণ নিতে হয়। অন্তেহরি গ্রামের সুখেন দাস বলেন, ‘তার চেয়ে রুজি করতাম, ভালা থাকতাম। যেদিন ধান কাটার পরিকল্পনা করছি, শ্রমিক জোগার করছি। অউদিনই এক রাইতে খেতর মধ্যে কোমরসমান পানি।’ এক নারী বলেন, ‘এলাকায় সুদ ছাড়া কেউ টাকা ধার দেয় না।’

    রনি চক্রবর্তী বলেন, ‘চাইর আনাও ধান কাটা অইছে না। ঋণের জ্বালায় প্রায় জনরই বাড়িঘর ছাড়া লাগব। ১৫ বছরর মাঝে এত ক্ষতি অইছে না।’ সুমন দাস আধা পচা ধানের আঁটি মাথায় নিয়ে স্তূপ করছিলেন, আর গান গাইছিলেন। তিনি বলেন, ‘আনন্দে নায় ভাই, মনের জ্বালায় গান গাইরাম। এক লাখ টাকা ঋণ আছে। ভাবছিলাম ২০০ মণ ধান পাইমু। ১০০ মণে ঋণ দিমু। ১০০ মণ থাকব। এখন ধান, খেড় সব গেছে।…এখন গরু বাঁচব, না মানুষ বাঁচব।’

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজারের উপপরিচালক মো. জালাল উদ্দিন আজ মঙ্গলবার বলেন, জেলার হাওরাঞ্চলে ৩ হাজার ৬৩৮ হেক্টর জমির ধান সম্পূর্ণ ক্ষতি হয়েছে। কাউয়াদীঘি হাওরে ৪০০ হেক্টরের মতো হতে পারে। হাওরে পানি সামান্য বাড়ছে। এক দফা কৃষকের ক্ষতি হয়ে গেছে।

    এ, আর

  • মতপ্রকাশে দমন-পীড়ন আর নয়; প্রধানমন্ত্রী

    মতপ্রকাশে দমন-পীড়ন আর নয়; প্রধানমন্ত্রী

    বিডি ডেস্ক:

    কথা বললেই পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে এমনটি আর চলবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মানুষ যদি কোন সমস্যায় পড়ে তবে যেনো তার সমস্যার কথা বলতে পারে। অনেক হয়েছে মতপ্রকাশে দমন-পীড়ন চলতে দেওয়া যাবেনা। মানুষের স্বাধীণতা থাকতে হবে।

    শনিবার সন্ধ্যায় সিলেট শিল্পকলা একডেমিতে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, একটা কথা বললো, আর পুলিশ এসে ধরে নিয়ে গেলো। ‘নো’- মানুষ এটা চায় না। কেউ যদি কোনো অপরাধ করে তবে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেটা অন্য ব্যাপার।

    তিনি বলেন, আজকে এই রাস্তায় এতো মানুষ ভিড় করলো, তারা তো সবাই বিএনপি করে না, তবু কেনো রাস্তায় নেমে এলো, কারণ মানুষ মনে করে, বিএনপি এখনো সঠিক পথে আছে। তাই মানুষ রাস্তায় নেমে তার সমর্থন জানিয়েছে। কিন্তু এই সমর্থন ধরে রাখতে পরিশ্রম করতে হবে। ছাড় দিতে হবে।

    ছাড় দেওয়ার উদাহরণ টেনে তিনি নেতা-কর্মীদের বলেন, আপনি ক্ষমতাসীন দলে কর্মী এই জিনিসটা মাথায় আনা যাবে না। এটি মাথায় আনলেই বরবাদ হয়ে যাবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সে নির্বাচনে সব জায়গায় একজন ক্যান্ডিডেট দিতে হবে। তার আগে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেতা-কর্মীদের আচরণে জনগন যাতে অসন্তুষ্ট না হয় সেদিকে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে। সবাইকে দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলারও নির্দেশ দেন তিনি।

    সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

    মতবিনিময় সভায় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শহিদ উদ্দন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংসদের হুইপ জিকে গৌছ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, মিফতাহ সিদ্দিকীসহ সিলেটে বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যগণ, সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    বি/ এ

  • বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টিতে হুমকির মুখে ধানের ফলন

    বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টিতে হুমকির মুখে ধানের ফলন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    গ্রীষ্মকাল ধান কাটার মৌসুম৷ এ সময়ে অতি বর্ষণ ও ভারত থেকে আসা পানি বিস্তীর্ণ এলাকাকে বন্যার ঝুঁকিতে ফেলেছে৷

    অবিরাম বৃষ্টি, প্রবল বাতাস এবং বজ্রসহ ঝড় ও বৃষ্টি সত্ত্বেও কৃষকরা তাই ফসল রক্ষার জন্য ছুটে যাচ্ছেন ক্ষেতে৷ হাঁটু-সমান পানিতে হেঁটে আংশিকভাবে ডুবে যাওয়া ফসল কাটছেন তারা৷

    সুনামগঞ্জের এক কৃষক মোহাম্মদ আল আমিন ফসল রক্ষার এ লড়াইয়ের বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘‘এখনও যতটুকু দাঁড়িয়ে আছে, সেইটুকুই বাঁচানোর চেষ্টা করছি আমরা৷”

    দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান৷ হাওর অববাহিকায় বোরো ধান পাকতে শুরু করেছে৷ বন্যা পরিস্থিতি হাওরসহ আরো কিছু এলাকার গ্রামীণ জীবনযাত্রা এবং জাতীয় খাদ্য সরবরাহকে প্রভাবিত করতে পারে৷

    কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির সঙ্গে ভারতের মেঘালয় ও আসাম অঞ্চল থেকে আসা পানির প্রবাহ বাংলাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে আকস্মিকভাবে বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷

    স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, সুনামগঞ্জ, সিলেট, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের অনেক এলাকার ফসলের ক্ষেত পানির নীচে তলিয়ে গেছে৷ বেশ কিছু জায়গায় পানির স্রোতে বাঁধ দুর্বল হয়ে গেছে বা বাঁধ উপচে বন্যার পানি ফসলের জমিতে ঢুকে পড়েছে৷ শাকসবজিসহ অনেক ধরনের ফসলের ক্ষতি করেছে ভারী বৃষ্টি৷ এতে খাদ্যের সরবরাহে ঘাটতির আশঙ্কা বেড়েছে৷

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েক দিন আরো বৃষ্টি হতে পারে৷ কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, উজানের অতিরিক্ত পানির প্রবাহ হাওর অববাহিকা জুড়ে আরো ব্যাপক বন্যার শঙ্কা বাড়াতে পারে৷ কৃষি কর্মকর্তারা মনে করেন, এই পর্যায়ে অল্প সময়ের জন্য জলমগ্ন থাকলেও ধানের ফলন অনেক কমতে পারে৷

    ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রাজধানী ঢাকা ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে৷ রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে, দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও ব্যাহত হয়েছে৷

    বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ প্রায় নিয়মিতই বন্যার ঝুঁকিতে থাকে৷ ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ইনস্টিটিউটের ২০১৫ সালের এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এ দেশে বছরে প্রায় ৩৫ লক্ষ মানুষ নদীর পানি বাড়ায় বন্যার ঝুঁকিতে পড়ে৷

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম চাল উৎপাদনকারী দেশটিতে উৎপাদিত চালের বেশিরভাগই অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটায়৷ বন্যা বা খরার কারণে ঘাটতি দেখা দিলে সেই ঘাটতি ধান আমদানিও করে বাংলাদেশ৷

     

  • কুলাউড়ায় ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত

    কুলাউড়ায় ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রাম প্লাবিত

     

    বিডি ডেস্ক নিউজ.

    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের গাজিপুর নামক স্থানে গোগালীছড়া ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ওই এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের গাজিপুর নামক স্থানে গোগালীছড়া ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ওই এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) গভীর রাতে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে ফসল রক্ষা বাঁধে এ ভাঙন দেখা দেয়।

    এ সময় পাহাড়ী ঢলে গোগালীছড়ার বাঁধ ভেঙে প্রবল বেগে পানি প্রবেশ করায় সদর ইউনিয়নের বাগাজুরা, হাসনপুর, শ্রীপুর, করেরগ্রাম, মিনারমহল, সৈয়দপুর, গাজিপুর, পুরন্দপুর, হরিপুর, বড়কাপন গ্রামে প্রায় ১০০ বিঘা আউশক্ষেত, বোরো ধান, আউশের বীজ তলাসহ শতাধিক ফিশারি তলিয়ে যায়

    সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নাদিম মাহমুদ রাজু জানান, বাঁধ ভেঙে সদর ইউনিয়নের গাজিপুরসহ ১৫ গ্রামের বোরো ধান নষ্ট হয়েছে।

    ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুশ শহীদ জানান, বাঁধ ভেঙে ১৫ গ্রামের ফসল ও মৎস্য খামারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মহিউদ্দিন জানান, কুলাউড়া ও জয়চণ্ডি ইউনিয়নে পাহাড়ী ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেছি। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরি করছে।

    এ,আর

  • রাত ৯টার মধ্যে ১৬ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস

    রাত ৯টার মধ্যে ১৬ জেলায় কালবৈশাখীর আভাস

    আবহাওয়া ডেস্ক:

    দেশের ১৬ জেলায় রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর থেকে রাত ৯টার মধ্যে কালবৈশাখী হতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, রোববার রাত ৯টার মধ্যে মৌলভীবাজার, সিলেট, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, যশোর, নড়াইল, গোপালগঞ্জ, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি/বৃষ্টি হতে পারে। এসময় ঘরের বাইরে না যেতে বলা হয়েছে।

    এর আগে এক বার্তায় জানানো হয়, এই মুহূর্তে দেশের কেন্দ্রীয় অঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বজ্রপাত সংঘটিত হচ্ছে। যা পরবর্তীতে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বি/ এ

  • যাদুকাটা নদীতে গোসল করতে নেমে মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ

    যাদুকাটা নদীতে গোসল করতে নেমে মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ

    বিডি ডেস্ক নিউজ হ

    আবু সাঈদের সাথে থাকা অন্য ছাত্ররা সাঁতার কেটে টিলার পাড়ে উঠতে পারলেও আবু সাঈদ পানিতে তলিয়ে ন

     

    আবু সাঈদের সাথে থাকা অন্য ছাত্ররা সাঁতার কেটে টিলার পাড়ে উঠতে পারলেও আবু সাঈদ পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়।

    ‎সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্ত নদী যাদুকাটায় গোসল করতে নেমে আবু সাঈদ (১২) নামে এক মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের লাউড়েরগড় বিজিবি ক্যাম্পের উত্তরে যাদুকাটা নদীর শাহিদাবাদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    ‎এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য (মেম্বার) আব্দুর রশিদ।

     

    নিখোঁজ আবু সাঈদ উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের শাহিদাবাদ গ্রামের রবি মিয়ার ছেলে।

    নিখোঁজ আবু সাঈদের চাচা শহিদ মিয়া জানান, দুপুরের দিকে শাহ আরেফিন শাহিদাবাদ এতিমখানা ও মাদরাসা থেকে সমবয়সী চার-পাঁচজন ছাত্র গোসল করতে মাদরাসার পেছনে যাদুকাটা নদীতে যায়। এ সময় যাদুকাটা নদীর উৎস মুখে পূর্ব পাড়ে থাকা ছোট একটি নালা পাড় হয়ে নদীর পশ্চিম পাড় বারিক্কার টিলা সংলগ্ন বাঘের মুখ নামক নালায় গিয়ে গোসল করতে নামে সবাই।

    তবে, আবু সাঈদের সাথে থাকা অন্য ছাত্ররা সাঁতার কেটে টিলার পাড়ে উঠতে পারলেও আবু সাঈদ পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়। এ সময় তার সাথে থাকা ছাত্ররা মাদরাসা ও আবু সাঈদের বাড়িতে তার নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ জানায়। পরে পরিবারের লোকজনসহ স্থানীয় এলাকাবাসী বিকেল থেকে যাদুকাটা নদীতে নিখোঁজ আবু সাঈদকে উদ্ধারের চেষ্টা চালায়। তবে তাকে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

    এ,আর

     

  • প্রাণ গেল দুই কর্মচারীর

    সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে প্রাইভেট কারে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে দুজন নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার জয়কলস এলাকায় সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তিরা হলেন দোয়ারাবাজার উপজেলার সাউদেরগাঁও আমবাড়ি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহিদের ছেলে ছমিরুল হক জুয়েল (৩৮) ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার হাছননগর এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে ছব্দর আলী (৩৭)। তাঁরা সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জারিকারক পদে কর্মরত ছিলেন। সরকারি ডাকপত্র নিয়ে জগন্নাথপুর যাওয়ার পথে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের চালক জুয়েল ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাঁর সঙ্গে থাকা ছব্দর আলী গুরুতর আহত হন। আহত ব্যক্তিকে প্রথমে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্মরত চিকিৎসক তাঁকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। কিন্তু সিলেটে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রফিকুল ইসলাম বলেন, একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন, অপরজনকে গুরুতর অবস্থায় সিলেটে পাঠানো হলে তিনিও পথিমধ্যে মারা যান।

    জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

    সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহীনুর রহমান বলেন, নিহত দুজনই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জারিকারক পদে কর্মরত ছিলেন। তাঁরা সরকারি ডাকপত্র নিয়ে জগন্নাথপুর যাওয়ার পথে এ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। পরিবারের লোকদের খবর পাঠানো হয়েছে।

  • স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত একাই লড়বে

    স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত একাই লড়বে

    ডেস্ক নিউজ : জাতীয় সংসদের পর এবার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এ নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। যদিও ১১ সিটি করপোরেশন ও ৪২ জেলা পরিষদে বর্তমান সরকারদলীয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় ক্ষোভের পাশাপাশি এ নির্বাচন নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মাঝে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয় নির্বাচনের দাবি জোরদারের পাশাপাশি প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে নিচ্ছে জামায়াত।

    ১১ দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলেও এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে এককভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। জোটের আরো কয়েকটি দলের একই ধরনের প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারের প্রায় সব পদে জামায়াতের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের এলাকায় সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডসহ নানাভাবে গণসংযোগ চালাচ্ছেন। সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত না হলেও সম্ভাব্যরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    সূত্রমতে, চব্বিশের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিশূন্যতা বিরাজ করছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে। তাই জাতীয় নির্বাচনের আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি ছিল জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের। তবে বিএনপির বিরোধিতায় অন্তর্বর্তী সরকার সে দাবি আমলে নেয়নি। স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার দ্রুত স্থানীয় নির্বাচন দেবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন পদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় সে আশাও ভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টির কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকার গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত করে দলীয়করণের মাধ্যমে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। এটা সংবিধানবিরোধী বলে মন্তব্য করে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে দলটি।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এখন একক দলগতভাবে প্রার্থী ঠিক করা হবে। পরে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হলে সে অনুযায়ী পরিবর্তন করা হবে।

    তিনি আরো জানান, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তীতে আমরা জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলাম। সেভাবে আমাদের প্রস্তুতিও নেওয়া শুরু হয়েছিল। সে প্রস্তুতির সঙ্গে যোগ-বিয়োগ করে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

    সূত্রমতে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য করে অংশ নেয় জামায়াতে ইসলামী। এতে জামায়াতের ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে বিজয়ী হয়। নির্বাচন-পরবর্তী ৭৭টি আসন নিয়ে জোটগতভাবে সংসদে বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জামায়াত।

    জামায়াতের মতো জোটের আরো কয়েকটি দল তাদের মতো করে স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। ইতোমধ্যে এনসিপির পক্ষ থেকে পাঁচ মেয়রপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, স্থানীয় নির্বাচন জোটগতভাবে করার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

    স্থানীয় নির্বাচনকে দ্বিতীয় লড়াই হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ঈদের আগে সিলেটে দলীয় অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের প্রথম লড়াই ছিল জাতীয় নির্বাচন আর দ্বিতীয় লড়াই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। এ লড়াইয়ে একটি জায়গাও যেন আমাদের খালি না থাকে। গত ২৫ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভায় তিনি সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের তীব্র সমালোচনা করে নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    সূত্রমতে, স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির ধারাবাহিকতায় গত ১ মার্চ অনুষ্ঠিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়। তখন এ নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুতি নিতে দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী কাজ চালাচ্ছেন তারা।

    জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, তৃণমূলের মতামত নিয়ে নির্ধারিত নিয়মানুযায়ী জনপ্রিয় প্রার্থীকে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে। এক্ষেত্রে মেয়র প্রার্থী ঠিক করবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। উপজেলা পরিষদের জন্য প্রার্থী ঠিক করবেন দলের আঞ্চলিক দায়িত্বশীলরা। ইউনিয়ন পর্যায়ের জন্য জেলা শাখা থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

    ঢাকার দুই সিটিতে কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত

    ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে জামায়াত। ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের সংরক্ষিত মহিলাসহ প্রায় সব কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি। তারা নিজ নিজ এলাকায় শুভেচ্ছা পোস্টারিংসহ বিভিন্ন তৎপরতাও চালাচ্ছেন। তবে মেয়র পদে এখনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। তবে সম্ভাব্যরা তাদের মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কবে হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য জামায়াত প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭৫টির মধ্যে ৭০ জনের মতো কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কাজ চালাচ্ছেন। তবে মেয়র পদে কেন্দ্র থেকে এখনো কাউকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। এই সিটি এলাকার সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে কেউ প্রার্থী হতে পারেন বলে কেউ কেউ মনে করছেন।

    একই ধরনের মন্তব্য করে ঢাকা উত্তর জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা জানান, এই সিটির অধিকাংশ কাউন্সিলর প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। তারা ঈদের আগে পোস্টার ছাপিয়ে জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। মেয়র পদে এখনো প্রার্থী ঘোষণা না করা হলেও আগের প্রার্থী হিসেবে মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইতোমধ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকায় জনসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এর আগে ২০১৮ সালেও উত্তর সিটির মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি।

    আর আই খান

  • শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল-ভাঙচুরের অভিযোগ

    শান্তিগঞ্জে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল-ভাঙচুরের অভিযোগ

    বিডি ডেস্ক নিউজ

    সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মমিনের বিরুদ্ধে যাত্রী ছাউনি দখল ও ছাউনি ভেঙে ব্যক্তিগত মার্কেটের রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন পাথারিয়া এলাকার পথচারী, যাত্রীসহ স্থানীয় সুরমা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন পাথারিয়া বাজারের ব্যবসায়ী আঙ্গুর মিয়া।

    অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন,পাথারিয়া এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি আব্দুল মমিন তার বাড়ির সামনের পূর্বদিকে বড় মার্কেটে যাতায়াতের রাস্তার জন্য পাথারিয়া বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকার পথচারী ও শিক্ষার্থীদের একমাত্র আশ্রয়স্থল যাত্রী ছাউনি গত ডিসেম্বর থেকে দখলে নিয়েছেন। ছাউনি দখলের পর পর্যায়ক্রমে ছাউনি  ভেঙে তার ব্যক্তিগত মার্কেটের রাস্তা নির্মাণ করেন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পাথারিয়া এলাকার শিক্ষার্থী, পথচারী ও যাত্রীরা। এই ঘটনায় পাথারিয়া বাজারের অনেকেই বাধা আপত্তি দিলেও তার তোয়াক্কা করেননি আব্দুল মমিন। ফলে রোদ-বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেওয়া এবং গাড়ীতে উঠার জন্য অপেক্ষা করা যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের বসার জায়গার সংকট দেখা দিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন পথচারী, যাত্রী ও শিক্ষার্থীরা।

    এই অবস্থায় ঘটনাস্থল সরজমিন পরিদর্শন করে যাত্রী ছাউনি পুনরুদ্ধার করে সেটি জনগণের জন্য পুনরায় স্থাপনের অনুরোধ জানান অভিযোগকারী আঙ্গুর মিয়া।

    স্থানীয় পাথারিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য নুর মিয়া বলেন, ‘পাথারিয়া বাসস্ট্যান্ডে সরকারী যাত্রী ছাউনি ছিল। সেখানে এলাকার শিক্ষার্থী, পথচারী, দুরপথের যাত্রী বসে সেখানে বসতেন। কিন্তু মমিন মিয়া সেটি দখল করে ভেঙ্গে শেষ করে দিয়েছেন।

    গাজীনগর গ্রামের জিয়াউদ্দিন তুহিন বলেন, ‘পাথারিয়া বাজারের একমাত্র যাত্রী ছাউনি বাজারের যাত্রী, পথচারী ও সুরমা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। জনগুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনা দখলমুক্ত করে পুনরায় নির্মান করা জরুরী।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আব্দুল মমিন। তিনি বলেন, ‘যাত্রী ছাউনি ভাঙার বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। যাত্রী ছাউনি সরকারীভাবে স্থাপন করা হলেও জায়গাটি আমার নিজের। কে বা কারা ছাউনিটি ভেঙেছে তা আমি জানি না। দীর্ঘদিন ধরে এটি পরিত্যক্ত ছিল।’

    এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর এসিল্যান্ডের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এ/আর