ক্যাটাগরি Uncategorized

  • ছাত্রদলের কমিটিতে ছাত্রলীগ; তৃণমূলে অন্তোষ

    ছাত্রদলের কমিটিতে ছাত্রলীগ; তৃণমূলে অন্তোষ

    ডেস্ক নিউজ:

    আগামী দিনের মাঠের কর্মসূচি বেগবান এবং তৃণমূলকে আরো সক্রিয় করার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এরই অংশ হিসেবে চলতি সপ্তাহে একযোগে ৪৫টি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে নতুন ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে সংগঠনটি। তবে সেসব কমিটি নিয়ে একের পর এক বিতর্ক সামনে আসছে। এগুলো নিয়ে সংগঠনের মধ্যে রীতিমতো তুলকালাম চলছে।

    কমিটি নিয়ে গুরুতর

    অভিযোগের মধ্যে রয়েছে—নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা, অছাত্র ও বিবাহিতরা পদ পেয়েছেন। অন্যদিকে জুলাই বিপ্লবসহ বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকা এবং ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের নিপীড়ন, হামলা-মামলায় জর্জরিত নেতাকর্মীদের বঞ্চনা সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের আন্তরিকতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। এ নিয়ে বিভিন্ন জেলায় সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। কোথাও সড়ক অবরোধ, কোথাও ঝাড়ু মিছিল করেছেন পদবঞ্চিতরা। ঘটেছে সংঘর্ষ ও আহত হওয়ার ঘটনা। সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে রাঙামাটিতে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। এছাড়া পদবঞ্চিতদের একটি বিরাট অংশ নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছে।

    পদবঞ্চিত নেতারা বলছেন, দীর্ঘদিন পর কমিটি ঘোষণার ফলে যেখানে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হওয়ার কথা ছিল, সেখানে বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে শুরু হয় তীব্র ক্ষোভ ও বিতর্ক। পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়ায় অভিমানে দল ছাড়ার ঘোষণাও দিয়েছেন কেউ কেউ। শুধু তাই নয়, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ‘নিষ্ক্রিয়’ এবং সুবিধাবাদীদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ায় ছাত্রদলের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অন্তর্কোন্দলে সংগঠনের ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে পড়ার অবস্থা।

    পদবঞ্চিত নেতাদের দাবি, আগামী দিনে বিরোধী দলের মাঠের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যেতে পারে। সেসব কর্মসূচিতে এ অভ্যন্তরীণ কোন্দল ছাত্রদলের শক্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের কেন্দ্র ও তৃণমূলের একাধিক নেতা বলেছেন, আগামী দিনে ছাত্রদলের কাউন্সিল হওয়ার সম্ভাবনা মাথায় রেখে এমন অনেককে কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে, যাদের রাজপথে কখনো দেখা যায়নি। আবার নিষিদ্ধ ও বৈরী ছাত্র সংগঠনের অনেককেও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—যাদের মাধ্যমে সংগঠনের শৃঙ্খলা হুমকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর বিপরীতে রাজপথে ভূমিকা রাখা, জেল-জুলুমের শিকার অনেক নেতা পদবঞ্চিত হয়েছেন। কীসের ভিত্তিতে কমিটিতে এমন পদায়ন হয়েছে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক, বিএনপির চেয়ার‌ম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

    তবে দীর্ঘদিন ধরে কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে সোচ্চার একটি অংশ ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা—কমিটি নিয়ে অসন্তোষের বিষয়টি দ্রুত সুরাহা না হলে সংগঠনের ‘চেইন অব কমান্ড’ ভেঙে পড়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

    একযোগে ৪৫ ইউনিটের কমিটি

    ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতি মর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির দুই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৫টি ইউনিটের কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। তার মধ্যে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে ২২ ইউনিটে। সেগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স), বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রদল, ভোলা, ঝালকাঠি, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী মহানগর, নওগাঁ, জয়পুরহাট, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, চাঁদপুর, যশোর, বান্দরবান, নোয়াখালী, রাঙামাটি, সুনামগঞ্জ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদল।

    এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমসহ ২৩টি ইউনিটে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি কমিটিগুলো হলো— কুমিল্লা মহানগর, ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহ উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, জামালপুর, নেত্রকোনা, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, হবিগঞ্জ, খাগড়াছড়ি, কুমিল্লা মহানগর, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর মেডিকেল কলেজ, সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ।

    ক্ষোভ ও বিতর্কের নেপথ্যে

    বিভিন্ন ইউনিটে কমিটি ঘোষণার পরপরই প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পরে রাজপথে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। একাধিক এলাকার নেতাদের অভিযোগ—অনেক ইউনিটে নিয়মিত ছাত্রদের বাদ দিয়ে অছাত্র, ব্যবসায়ী ও বিবাহিতদের পদ দেওয়া হয়েছে। পাশপাশি কোথাও কোথাও ত্যাগীরা অবমূল্যায়িত হ

    য়েছেন। এমন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কয়েকটি জেলা ও মহানগরে নবগঠিত কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদের নেতারা পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। অনেক জায়গায় পদবঞ্চিত কর্মীরা ঝাড়ু মিছিল ও কেন্দ্রীয় নেতাদের কুশপুতুল পুড়িয়েছেন। অনেকে ফেসবুক লাইভে অতীত আন্দোলন-সংগ্রামের বর্ণনা দিয়ে অঝোরে কেঁদেছেন। কেউ কেউ অভিমানে ছাত্রদলের রাজনীতি ছাড়ারও ঘোষণা দিয়েছেন।

    কমিটি নিয়ে তুলকালাম

    ছাত্রদল ঘোষিত জেলা ও মহানগর কমিটিতে ঠাঁই পেয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা, অছাত্র, ছাত্রশিবির, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে বিভিন্ন জেলায় সংঘাত ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। কোথাও সড়ক অবরোধ, কোথাও ঝাড়ু মিছিল করেছেন পদবঞ্চিতরা। বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া সংঘর্ষ থামাতে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়েছে প্রশাসনকে।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ

    ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ চার ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পদবঞ্চিতদের একটি বিরাট অংশ গত রোববার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ—কমিটিতে অছাত্র, ব্যবসায়ী এবং নব্যদেরও পদায়ন করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে পদ বিক্রি করা হয়েছে। সেখানে বিগত দিনের ত্যাগী, নির্যাতিত অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে।

    রাঙামাটিতে সংঘর্ষ, ১৪৪ ধারা

    জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাঙামাটিতে নবনির্বাচিত কমিটি ও পদবঞ্চিতদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করেছেন পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

    নিজ জেলায় অবাঞ্ছিত ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক

    সদ্য ঘোষিত নোয়াখালী জেলা ও পৌর ছাত্রদলের কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠনের দাবিতে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও সমাবেশ করেছেন সংগঠনের বঞ্চিত নেতাকর্মীরা। এ সময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হয়। সেই সঙ্গে তারা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিনকে নোয়াখালীতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, নাছির ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে অনুগতদের দিয়ে কমিটি গঠন করেছেন। কমিটির ১৮ জনই বিবাহিত।

    মমেকের কমিটিতে ৮ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) ২২ সদস্যের কমিটিতে আটজন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পদধারী সাবেক নেতা রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন পদবঞ্চিতরা। তাদের অভিযোগ, মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের কমিটিতে দুঃসময়ের ত্যাগী কর্মীদের পদ না দেওয়া হলেও ছাত্রলীগের নেতাদের পদ দেওয়া হয়েছে।

    কক্সবাজার ও বরিশালে সড়ক অবরোধ

    দীর্ঘ দুই বছর পর ঘোষিত কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটিতে যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের স্থান হয়নি দাবি করে রোববার রাতে শহরের প্রধান সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা। একই অভিযোগে সোমবার সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর আমতলার মোড়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা।

    ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটির বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকের এক পোস্টে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেলের অভিযোগ, তার সহযোদ্ধাদের দেখে দেখে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটাকে অপরাজনীতি আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই প্রকৃতি কাউকে ক্ষমা করে না।

    এছাড়া ঢাকা মহানগর পূর্বের ৪০০ সদস্যের কমিটিতে জায়গা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাবিবুল্লাহ বাহার ইউনিভার্সিটি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। দিনাজপুরেও একতরফা কমিটি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন পদবঞ্চিতরা। এছাড়া ভোলায় বিএনপি কর্মীদের ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতার ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের পদ পাওয়া নিয়েও ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

    সার্বিক বিষয়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির  বলেন, জেলা কমিটিগুলো গঠনের ক্ষেত্রে শীর্ষ দুজন ছাড়া বাকিদের মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিএনপি ও অন্যান্য সংগঠনের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়। বিগত দিনের কর্মকাণ্ড এবং আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা বিবেচনায় নিয়েই কমিটি ঘোষণা হয়েছে। তবে বাস্তবে সংগঠনের পদ এবং প্রত্যাশীদের সংখ্যার মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেককে কাঙ্ক্ষিত পদায়ন সম্ভব হয়নি। এ কারণে অনেকের সংক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা।

    ময়মনসিংহ মেডিকেলের বিষয়ে নাছির বলেন, সেখানে ছাত্রলীগ গণহারে অনেককে পদ দিয়ে দিয়েছে। যে কারণে এমন অনেকের নাম এসেছে, যারা আসলে এ বিষয়ে জানেও না।

    আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ নাকচ করে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ রকম কোনো বিষয় নেই। আর এমন অভিযোগ কাম্য নয়।

    বি/ এ

  • নিত্যপণ্যের বাজারে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, সবজি থেকে এলাচ—সবখানেই বাড়তি দাম

    ডেক্স নিউজ : ঢাকার বাজারে ফের ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে নিত্যপণ্যের মূল্য। বেশিরভাগ সবজিই এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকার ওপরে। অন্যদিকে, সপ্তাহ ব্যবধানে সোনালি মুরগির মূল্য স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ডিমের দাম।
    আজ শুক্রবার (৮ মে) ঢাকার কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
    সপ্তাহ ব্যবধানে অস্থির ঢাকার ডিমের বাজার। সপ্তাহ ব্যবধানে ডজনে ১০ টাকা বেড়ে লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায় ও সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।
    বিক্রেতারা বলছেন, ‘সরবরাহ সংকটের কারণেই দাম বেড়েছে।’
    ডিম বিক্রেতা মোহাম্মদ শামীম বলেন, ‘বাজারে ডিমের সরবরাহ কমে গেছে। সেই কারণে পাইকারিতেই দাম বাড়তি রয়েছে। আমরা বাধ্য হয়েই খুচরায় বেশি দামে বিক্রি করছি।’
    মুরগির বাজারে অবশ্য সোনালি মুরগির দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে অন্যান্য জাতের মুরগি। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকায়, দেশি মুরগি কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ৭৮০ টাকায়, সোনালি মুরগি ৩৫০ টাকায় ও লেয়ার মুরগি ২০ টাকা বেড়ে ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    তবে গরু ও খাসির মাংসের বাজারে স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৮০০ টাকায় এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
    সবজির বাজারেও চাপ অব্যাহত রয়েছে। বেশিরভাগ সবজিই এখন ৬০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি পটোল ৬০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৫০ টাকা, পেঁপে ১০০ টাকা, বেগুন ৮০-১০০ টাকা, টমেটো ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ ৭০-৮০ টাকা এবং প্রতি হালি লেবু ২০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
    সবজি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বাজারে সরবরাহ কম। গ্রামাঞ্চল থেকে ঠিকমতো সবজি আসছে না। আবার পরিবহন খরচও বেড়েছে। তাই দামের চাপটা আমাদের ওপরও আছে। আমরা ইচ্ছা করে দাম বাড়াই না, বাজারের অবস্থাই এমন।’

    অন্যদিকে নিত্যপণ্যের অন্যান্য বাজারেও দেখা দিয়েছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। খোলা আটা ও ময়দার দামও কেজিতে ৫-১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা আটা ৫৫ টাকা এবং খোলা ময়দা ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
    এছাড়া কেজিতে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে এলাচের দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৪৮০০-৫৪০০ টাকায়, যা আগে ছিল ৪৫০০-৫০০০ হাজার টাকা।
    ক্রেতারা বলছেন, ‘বাজারে সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়ায় দৈনন্দিন খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।’
    রাকিব হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘একদিকে আয় বাড়ছে না, অন্যদিকে প্রতিদিনই কোনো না কোনো জিনিসের দাম বাড়ছে। এভাবে চললে সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে যাবে।’
    A M
  • মনজুর আলমকে টানতে পারল না এনসিপি, দুদিন ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    ডেক্স নিউজ : চট্টগ্রামে সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমকে শেষপর্যন্ত  টানতে পারল না জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তাকে নগর শাখার আহ্বায়ক করা এবং পরবর্তীতে দলের পক্ষ থেকে মেয়র হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

    এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি স্বয়ং চট্টগ্রাম এসে তার বাসভবনে গিয়ে এ প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তার ওপর ভরসা করে এনসিপি চট্টগ্রামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বৃহস্পতিবার।

    চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, অনুষ্ঠানের দুই দিন আগে থেকেই মনজুর আলমের সঙ্গে এনসিপির পক্ষ থেকে নানাভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তাদের বিরক্তির যন্ত্রণায় মনজুর আলম প্রথমে নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকেন। একপর্যায়ে উত্তর কাট্টলীর বাসা থেকেই তিনি সরে যান। পরে পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার লোকজন বাসায় গিয়েও মনজুর আলমকে খুঁজে পাননি এবং তার অবস্থান শনাক্ত করতে পারেননি।

    শেষপর্যন্ত মনজুর আলমকে ছাড়াই এনসিপির যোগদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। কেবল মনজুর আলমই নন; ওই অনুষ্ঠানে বিএনপি-জামায়াত বা অন্য কোনো দলের উল্লেখযোগ্য কোনো নেতাকর্মীকেও যোগ দিতে দেখা যায়নি।

    বেশ কিছু লোককে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করা হলেও এদের কেউই পরিচিত মুখ নন। ফলে চট্টগ্রামে এনসিপির এই যোগদান অনুষ্ঠানটিই এক ধরনের হতাশায় ভরা ও ফ্লপ ছিল বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

    শুক্রবার বিকালেও মনজুর আলমের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে ফোন করেন এই প্রতিবেদক। তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার পরিবারের একজন সদস্য জানান, মনজুর আলম এনসিপির বিরক্তির যন্ত্রণায় ফোন বন্ধ রেখেছেন। বাসা থেকেও সরেছিলেন। ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে তো কেউ কাউকে কোনো দলে ভেড়াতে পারেন না।

    আরেকটি পক্ষ মনজুর আলমকে এনসিপিতে ঠেলে দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চান বলেও দাবি করেন মনজুর পরিবারের ওই সদস্য।

    এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি গত পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) এম মনজুর আলমের উত্তর কাট্টলীর বাসভবনে এসেছিলেন। তাকে এনসিপির নগর কমিটির আহ্বায়ক হওয়া এবং সিটি করপোরেশনে নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে তাকে মেয়র পদে মনোনয়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়; কিন্তু ওই প্রস্তাবে তিনি তখনও রাজি হননি। যদিও দুইপক্ষই হাসনাত আবদুল্লাহর ওই সফরকে ব্যক্তিগত সফর এবং কোনো ধরনের রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেন তখন; কিন্তু সেই সফরটি যে রাজনৈতিক এবং মনজুরকে দলে টানা সংক্রান্ত ছিল- সেটি এখন এসে অনেকটাই স্পষ্ট হয়েছে।

    ওই সময় মনজুর আলমের বাসায় এসে বিএনপি নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন হাসনাত আবদুল্লাহ। ‘আওয়ামী লীগ নেতা’ ও ‘ফ্যাসিস্টের পৃষ্ঠপোষক’ মনজুর আলমের বাসায় এসে হাসনাত আবদুল্লাহ জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করছেন বলে অভিযোগ তোলেন তারা।

    পরে বিএনপির অপর একটি পক্ষ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বিমানবন্দরে পৌঁছার ব্যবস্থা করে দেন। স্বয়ং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনও মনজুর আলমের বাসায় হাসনাত আবদুল্লাহর গমন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ‘সংসদে বড় বড় কথা বললেও হাসনাতরা ফ্যাসিস্টদেরই পৃষ্ঠপোষকতা করছেন’ বলে মন্তব্য করেন মেয়র শাহাদাত।

    সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও নাগরিকদের জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠান’ এর আয়োজন করে সংগঠনের চট্টগ্রাম মহানগর শাখা। এ অনুষ্ঠানের কয়েক দিন আগে থেকেই মনজুর আলমের সঙ্গে এনসিপির পক্ষ থেকে নানাভাবে যোগাযোগ করা হয়। মনজুর আলম ফোন বন্ধ করে দিলে তার আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

    কেবল এনসিপি নয়; যোগদান অনুষ্ঠানের একদিন আগে পুলিশ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনও তাকে হন্যে হয়ে বাসা-বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকেন। মূলত তাকে এনসিপির অনুষ্ঠানে উপস্থিত করানো এবং এনসিপিতে যোগ দেওয়ানোর জন্যই এমন তৎপরতা ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

    মনজুর আলম চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আওয়ামী লীগের এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর শিষ্য ও অনুসারী ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড থেকে তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। মহিউদ্দিন চৌধুরীর আনুকূল্যে বহুবার প্যানেল মেয়র ছিলেন। ভারপ্রাপ্ত মেয়র ছিলেন ওয়ান ইলেভেনের প্রায় দুই বছর। ওয়ান ইলেভেনে মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রেফতার হওয়ার পর তার পরিবারের সঙ্গে মনজুর আলমের দূরত্ব তৈরি হয়। সেই দূরত্বের সুযোগ নেয় বিএনপি।

    ২০১০ সালে বিএনপির দুঃসময়ে প্রার্থী সংকটের মুহূর্তে মনজুর আলমকে বেছে নেওয়া হয়। বিএনিপর প্রয়াত মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান ও বর্তমান অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তাকে টেনে নেন এবং বিএনপি থেকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

    বিএনপির মনোনয়নে মনজুর আলম তার গুরু মহিউদ্দিন চৌধুরীকে বিপুল ভোটে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। এর পর স্বতন্ত্র থেকে ২০১৮ ও ২০২৪ সালে  দুইবার এমপি নির্বাচন করেন মনজুর আলম। তবে দুটি নির্বাচনেই তিনি হেরে যান।

    ৫ আগস্টের পর এনসিপির ইফতার মাহফিলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্পন্সর করেন মনজুর আলম। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে সীতাকুণ্ডে বিএনপি প্রার্থী লায়ন আসলাম চৌধুরীসহ বিএনপির বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে সরব ছিলেন।  ক্ষমতা বা কোনো পদ-পদবিতে না থাকলেও সবসময় আলোচনায় ছিলেন মনজুর আলম।

    চট্টগ্রামের আদি ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হিসেবে রাজনৈতিক প্লাটফর্ম না থাকলেও পারিবারিক বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন তিনি। তার মতো একজন আলোচিত ও ধনাঢ্য ব্যক্তিকে দলে টেনে নিয়ে চমক দেখাবে এনসিপি- এমন ইচ্ছা বা আশা ছিল। সেই লক্ষ্যে তাকে অনুষ্ঠানে হাজির করাতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করেছে এনসিপি।

    কিন্তু সেই ‘আশায় গুঁড়েবালি’ দিয়ে মনজুর আলম যোগদান অনুষ্ঠানের দুই দিন আগে থেকে নিজেকেই আড়াল করে ফেলেন। তার এই অঘোষিত প্রস্থান আবারও আলোচনার জন্ম দেয়।

    তবে এনসিপি চট্টগ্রাম মহানগর সমন্বয়কারী ও মিডিয়া সেলের প্রধান রিদুয়ান হৃদয় বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলম এনসিপিতে যোগদান করবেন বা করার কথা ছিল- এমন কোনো খবর আমার জানা নেই। তিনি যোগদান না করায় আমরা হতাশও নই।তবে তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এনসিপিতে যোগদান করেছেন। এদের মধ্যে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইউনূসের একজন কাজিনও রয়েছেন। ড. মালেকা আফরোজ নামে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকও যোগ দিয়েছেন। এছাড়া লাভ বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠনের বেশ কিছু নেতাকর্মী যোগদান করেছেন। আমাদের অনুষ্ঠান সফল হয়েছে।

    A M

  • শসা খোসাসহ খাবেন? নাকি ছাড়িয়ে

    শসা খোসাসহ খাবেন? নাকি ছাড়িয়ে

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

     

    ওজন কমাতে বা গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে শসা অনেকেরই প্রিয় খাবার। তবে শসা খাওয়ার একটি সাধারণ অভ্যাস খোসা ছাড়িয়ে ফেলা। কিন্তু আসলে তা কতটা সঠিক, এ নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। অনেকেই ভাবেন খোসা বাদ দিলে শসা বেশি নিরাপদ বা সুস্বাদু হয়, কিন্তু এতে কি পুষ্টিগুণ কমে যায়?

    সম্প্রতি এক পুষ্টিবিদ জানিয়েছেন, শসার প্রকৃত উপকারিতা পেতে হলে এটি খোসাসহ খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। তার মতে, শসার খোসাতেই থাকে এর গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানের বড় অংশ যেমন ফাইবার, সিলিকা, ভিটামিন কে এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। খোসা ছাড়িয়ে ফেললে এই পুষ্টিগুলো অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়, ফলে শসা মূলত পানিসমৃদ্ধ একটি খাদ্যে পরিণত হয়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শসার খোসায় থাকা ইনসলিউবল ফাইবার হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। এছাড়া এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

    তবে খোসাসহ শসা খাওয়ার আগে একটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। আগে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া উচিত। এক্ষেত্রে গরম পানি ও ব্রাশ ব্যবহার করে পরিষ্কার করা যেতে পারে। সম্ভব হলে ভালো শসা বেছে নেওয়াই উত্তম।

    পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী, শসা খাওয়ার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো খোসাসহ খাওয়া। এর সঙ্গে সামান্য লবণ যোগ করলে শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা বিশেষ করে গরমে শরীরকে সতেজ ও হাইড্রেটেড রাখতে উপকারী।

    বি/ এ

  • চূড়ান্ত সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ

    চূড়ান্ত সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর অবশেষে যুদ্ধের অবসানের সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (মেমোরেন্ডাম) চূড়ান্ত করার খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে মধ্যস্থতায় জড়িত একটি পাকিস্তানি সূত্র।

    সূত্রটির দাবি, প্রস্তাবিত এই চুক্তিটি একটি এক পাতার নথি হলেও এতে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংঘাত শুরুর পর থেকে এটাই দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রসর পর্যায়ের সমঝোতা উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সম্ভাব্য এই চুক্তিতে থাকতে পারে: ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল, হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ, আগামী সপ্তাহগুলোতে আরো বিস্তৃত আলোচনার কাঠামো নির্ধারণ।

    এই পুরো প্রক্রিয়ায় পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করেছে বলে জানা গেছে। দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন ও আলোচনার অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দেশটি নীরবে কাজ করে যাচ্ছে।

    তবে এখনো কিছু জটিলতা রয়ে গেছে। বিশেষ করে পারমাণবিক কর্মসূচির সময়সীমা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। তবুও সাম্প্রতিক অগ্রগতি এবং কূটনৈতিক তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি সম্ভাবনাময়।

  • পরবর্তী ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ  আরও তীব্র হতে পারে

    পরবর্তী ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ আরও তীব্র হতে পারে

     ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ, নইলে তা পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারত। তবে এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় নয়াদিল্লি, যারা বরাবরই এই বিরোধকে দ্বিপাক্ষিক বিষয় হিসেবে দেখে।

    ২০২৫ সালের ওই সংঘর্ষ ছিল সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র লড়াই। চার দিনব্যাপী এই সংঘাতে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ভারী গোলাবর্ষণের মাধ্যমে সামরিক ঘাঁটি ও শহরাঞ্চল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।

    এই সংঘর্ষের পর উভয় দেশই তাদের সামরিক কৌশল পুনর্বিন্যাস করছে। ভবিষ্যতের যুদ্ধে দ্রুত, দূরপাল্লার এবং অধিক শক্তিশালী আঘাত হানার সক্ষমতা অর্জনে মনোযোগ দিচ্ছে তারা। উন্নত অস্ত্র সংগ্রহ, নিজস্ব প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং সামরিক কাঠামোগত সংস্কার চলছে জোরেশোরে।

    ভারত “নিউ নরমাল” নীতি গ্রহণ করে জানিয়েছে, তারা নির্ভুল ও কঠোর আঘাত হানবে এবং পারমাণবিক হুমকিকে গুরুত্ব দেবে না। অন্যদিকে পাকিস্তানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তারা ভারতের গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম।

    বিশ্লেষকদের মতে, উভয় দেশই এখন মনে করছে যে তীব্র প্রচলিত যুদ্ধ পারমাণবিক সংঘাতে গড়াবে না। কিন্তু নতুন প্রযুক্তি, দ্রুতগতির যুদ্ধ এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে ভুল হিসাবের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। এতে অনিচ্ছাকৃত পারমাণবিক সংঘর্ষের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    একটি সম্ভাব্য পরিস্থিতিতে দেখা যেতে পারে—সীমান্তে সামরিক মহড়া, ভুল বোঝাবুঝি, বিমান ভূপাতিত হওয়া এবং পাল্টাপাল্টি হামলার মাধ্যমে দ্রুত সংঘাত ছড়িয়ে পড়ছে। এতে সামরিক ঘাঁটি, এমনকি পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পন্ন স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

    সামাজিক মাধ্যমে ভুয়া খবর ও প্রচারণা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করতে পারে। ধর্মীয় স্থানে হামলার অভিযোগ, পানির প্রবাহ বন্ধের হুমকি এবং সমুদ্রপথে সংঘর্ষ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

    এই ধরনের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ বড় শক্তিগুলোর সরাসরি বা পরোক্ষ জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে কূটনৈতিক সমাধান আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতের সংঘাত ঠেকাতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে গোপন সংলাপ, আস্থা বৃদ্ধিমূলক উদ্যোগ এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের একটি সুসংগঠিত সংকট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা তৈরি করা দরকার, যাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সংঘাত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

    ২০২৫ সালের সংঘর্ষ পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেনি, কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক ভিত্তি তৈরি করে গেছে। পরবর্তী সংঘাত আরও দ্রুত, আরও তীব্র এবং আরও অনিয়ন্ত্রিত হতে পারে। এখনই যথাযথ প্রস্তুতি না নিলে সেই আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

  • নেতানিয়াহুকে হঠাতে একজোট বিরোধীরা

     

    ডেক্স নিউজ :

    দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘ রাজনৈতিক আধিপত্য এবার বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে জোট বেঁধেছেন দেশটির দুই হেভিওয়েট রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী—সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট এবং ইয়াইর লাপিদ। ডানন্থি ও মধ্যপন্থিদের এ ‘সুপার কোয়ালিশন’ গঠনের ঘোষণা চলতি বছরের শেষ নাগাদ অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্লেষকরা এ জোটকে হাঙ্গেরির সেই জোটের সঙ্গে তুলনা করছেন, যা কট্টরপন্থি ভিক্টর অরবানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়েছিল। বেনেটের দল ‘বেনেট ২০২৬’ এবং লাপিদের মধ্যপন্থী দল ‘ইয়েশ আতিদ’ একীভূত হয়ে নতুন এ জোট গঠন করেছে।

    রাজনৈতিক এ নাটকীয় মোড় এমন এক সময়ে এল যখন নেতানিয়াহু তার প্রস্টেট থেকে একটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমার অপসারণের খবর প্রকাশ করেছেন। এ অসুস্থতার খবর প্রকাশের সময় এবং বিস্তারিত তথ্যের অস্পষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা আসন্ন নির্বাচনে একটি বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    গত রোববার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে লাপিদ বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য আমরা আজ এক হয়েছি। ইসরাইল রাষ্ট্রের বর্তমান গতিপথ পরিবর্তন করা এখন সময়ের দাবি’।তার পাশেই দাঁড়িয়ে বেনেট ঘোষণা করেন, তাদের নতুন দলের নাম হবে ‘টুগেদার’ (একত্রে) এবং তিনি নিজেই এ দলের নেতৃত্ব দেবেন। বেনেট বলেন, ‘দীর্ঘ ৩০ বছর পর এখন নেতানিয়াহুকে বিদায় জানিয়ে ইসরাইলের জন্য নতুন এক অধ্যায় শুরু করার সময় এসেছে’।

    বেনেট সাবেক সেনাপ্রধান এবং ‘ইয়াশার’ পার্টির নেতা গাদি আইজেনকোটকেও এ জোটে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। জনমত জরিপ বলছে, এই তিন নেতা এক হলে তা নেসেটে (ইসরাইলি পার্লামেন্ট) বৃহত্তম শক্তিতে পরিণত হবে। আইজেনকোট আনুষ্ঠানিকভাবে জোটে যোগ দেওয়ার ঘোষণা না দিলেও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

    সম্প্রতি ইসরাইলি সংবাদপত্র ‘মারিভ’-এর এক জরিপে দেখা গেছে, বেনেটের দল একাই নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির সমান ২৪টি আসন পেতে পারে। পাশাপাশি আইজেনকোটের ১২টি এবং লাপিদের ৭টি আসন যুক্ত হলে তা নেতানিয়াহুর জন্য অপরাজিত থাকা অসম্ভব করে তুলবে।

    তবে ইসরাইলের জোট রাজনীতির মারপ্যাঁচে বেনেটের জন্য ঝুঁকিও আছে। লাপিদের মতো মধ্যপন্থির সঙ্গে হাত মেলালে বেনেট তার কট্টর লিকুদপন্থি সমর্থকদের একাংশকে হারাতে পারেন।

    মুক্ত

  • সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান

    ডেক্স নিউজ : আগামী ৩০ এপ্রিলের পর থেকে সারা দেশে অনলাইনে জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান চালানো হবে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকালে সংসদ অধিবেশনে এক নোটিশের জবাবে এমনটা জানান তিনি।  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুবসমাজকে সুরক্ষিত রাখতে আগামী ৩০ এপ্রিলের পর থেকে অনলাইন জুয়া ও মাদক এবং সিসা লাউঞ্জের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। যুব সমাজকে রক্ষায় এর কোনো বিকল্প নেই।

    তিনি বলেন, অবৈধ সিসা লাউঞ্জগুলো যাতে নাম-ঠিকানা বদলে আবারও কার্যক্রম শুরু করতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

    এ সময় যুবসমাজকে রক্ষায় দেশে জুয়া, অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথাও উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

    মুক্ত

  • বজ্রপাতে ১৪ জনের মৃত্যু

    বজ্রপাতে ১৪ জনের মৃত্যু

    ডেক্স নিউজ : বজ্রপাতের ঘটনায় সারা দেশে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

    এর মধ্যে গাইবান্ধায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ২ জন, নাটোরের সিংড়ায় ১ জন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় ১ ও পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সব ঘটনায় অনেকে আহত হয়েছে।

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া, সুন্দরগঞ্জের ধোপাডাংগা ও ফুলছড়িতে বজ্রপাতে দুই শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে পৃথক বজ্রপাতে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন- সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শিশু ফুয়াদ, তার চাচাতো ভাই শিশু রাফি, সাদুল্লাপুর উপজেলার আলী আকবর। অন্যজনের নাম জানা যায়নি।

    সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাংগা ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান মণ্ডল জানান, রোববার দুপুরে দক্ষিণ ধোপাডাংডার বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সুজা চৌধুরীর বাড়ির বারান্দায় খেলা করছিল সুজা চৌধুরীর শিশু পুত্র ফুয়াদ ও মুজাহিদের শিশুসন্তান রাফি। দুপুরে বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ বজ্রপাত হলে বারান্দায় অবস্থানরত ফুয়াদ ও তার চাচাতো ভাই রাফি গুরুতর আহত হয়। পরিবারের লোকজন দুজনকে নিয়ে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

    সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধোপাডাংগায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।

    সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়ায় জমিতে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হয় মিজানুর রহমান নামের এক যুবক। তাকে গাইবান্ধা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বুলবুলির চরে আলী আকবর নামে একজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

    এদিকে সাঘাটা উপজেলায় নম্বর আলী ও ফুলছড়ি উপজেলায় অজ্ঞাত একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

    এছাড়া সিরাজগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ২ জন, নাটোরের সিংড়ায় ১ জন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় ১ ও পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    মুক্ত

  • বিদেশিদের হাতে যাচ্ছে না চট্টগ্রাম বন্দর

    ডেক্স নিউজ : চট্টগ্রাম বন্দর কোনো বিদেশি অপারেটরের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে সংসদে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

    বুধবার সংসদে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেনের টেবিলে উত্থাপিত তারকাচিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী বলেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটি (পিপিপিএ) অথবা সরকার কর্তৃক জারিকৃত অথবা অনুমোদনকৃত ক্ষেত্রে শুধু বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার লক্ষ্যে অপারেটর নিয়োগ করা হয়। এক্ষেত্রে দেশি এবং বিদেশি উভয় ধরনের অপারেটর বিবেচনা যোগ্য। তিনি বলেন, বর্তমানে বন্দরের আধুনিকায়ন এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের অব্যাহত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি অপারেটর দ্বারা বন্দরের বিভিন্ন টার্মিনাল পরিচালনা করা হচ্ছে। যেমন, বন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) বিদেশি অপারেটর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।এছাড়া কর্ণফুলি নদীর ডান তীরে লালদিয়া চর নামক স্থানে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য পিপিপি পদ্ধতিতে ডেনমার্কস্থ মার্কস গ্রুপের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস বিভির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

    মুক্ত