ক্যাটাগরি Uncategorized

  • ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস

    ডেক্স নিউজ : আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, ঢাকাসহ ৫ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকালে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বিকাল ৪টা থেকে রাত ১টার মধ্যে ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসময় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কাও রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের বাকি অংশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    m

  • সালথায় ঘোড় দৌড় অনুষ্ঠিত ‍উল্লসিত এলাকাবাসি

    সালথায় ঘোড় দৌড় অনুষ্ঠিত ‍উল্লসিত এলাকাবাসি

    সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : গ্রামীণ জীবনের ঐতিহ্য ধরে রাখতে দীর্ঘ ১৫ বছর পর ফরিদপুরের সালথায় ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয়দের আয়োজনে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের চিতাইলার বিল থেকে নিশাতলা পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় ছোট-বড় মোট ৯টি ঘোড়া অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার হিসেবে জসিম মোল্লার ঘোড়া ২৬ ইঞ্চি এলইডি টিভি, দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে নুরুল ইসলামের ঘোড়া ৮ হাজার টাকা, তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে বিলায়েত হোসেনের ঘোড়া নগদ ৬ হাজার টাকা পুরস্কার জিতে নেয়। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বয়সের প্রায় লক্ষাধিক দর্শক উপস্থিত হয়ে আনন্দ উপভোগ করে।

    স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর এই প্রতিযোগিতা ফিরে আসায় এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকরাও ভবিষ্যতে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। ‎

    ১ম স্থান অর্জনকারী ঘোড়ার মালিক জসিম মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিন পর অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত। ভবিষ্যতেও নিয়মিত অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। নুরুল ইসলাম মাতুব্বর বলেন, এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে।

    ‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও ইউনিয়ন রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ইউপি চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    আর আই খান

  • স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত একাই লড়বে

    স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত একাই লড়বে

    ডেস্ক নিউজ : জাতীয় সংসদের পর এবার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এ নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। যদিও ১১ সিটি করপোরেশন ও ৪২ জেলা পরিষদে বর্তমান সরকারদলীয় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় ক্ষোভের পাশাপাশি এ নির্বাচন নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মাঝে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয় নির্বাচনের দাবি জোরদারের পাশাপাশি প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে নিচ্ছে জামায়াত।

    ১১ দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলেও এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে এককভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। জোটের আরো কয়েকটি দলের একই ধরনের প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারের প্রায় সব পদে জামায়াতের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের এলাকায় সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডসহ নানাভাবে গণসংযোগ চালাচ্ছেন। সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত না হলেও সম্ভাব্যরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    সূত্রমতে, চব্বিশের জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিশূন্যতা বিরাজ করছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে। তাই জাতীয় নির্বাচনের আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি ছিল জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের। তবে বিএনপির বিরোধিতায় অন্তর্বর্তী সরকার সে দাবি আমলে নেয়নি। স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার দ্রুত স্থানীয় নির্বাচন দেবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন পদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় সে আশাও ভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টির কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকার গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত করে দলীয়করণের মাধ্যমে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। এটা সংবিধানবিরোধী বলে মন্তব্য করে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে দলটি।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এখন একক দলগতভাবে প্রার্থী ঠিক করা হবে। পরে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হলে সে অনুযায়ী পরিবর্তন করা হবে।

    তিনি আরো জানান, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তীতে আমরা জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলাম। সেভাবে আমাদের প্রস্তুতিও নেওয়া শুরু হয়েছিল। সে প্রস্তুতির সঙ্গে যোগ-বিয়োগ করে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

    সূত্রমতে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য করে অংশ নেয় জামায়াতে ইসলামী। এতে জামায়াতের ৬৮টি, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে বিজয়ী হয়। নির্বাচন-পরবর্তী ৭৭টি আসন নিয়ে জোটগতভাবে সংসদে বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জামায়াত।

    জামায়াতের মতো জোটের আরো কয়েকটি দল তাদের মতো করে স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। ইতোমধ্যে এনসিপির পক্ষ থেকে পাঁচ মেয়রপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, স্থানীয় নির্বাচন জোটগতভাবে করার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে এ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

    স্থানীয় নির্বাচনকে দ্বিতীয় লড়াই হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ঈদের আগে সিলেটে দলীয় অনুষ্ঠানে নেতাকর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের প্রথম লড়াই ছিল জাতীয় নির্বাচন আর দ্বিতীয় লড়াই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। এ লড়াইয়ে একটি জায়গাও যেন আমাদের খালি না থাকে। গত ২৫ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভায় তিনি সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের তীব্র সমালোচনা করে নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    সূত্রমতে, স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির ধারাবাহিকতায় গত ১ মার্চ অনুষ্ঠিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়। তখন এ নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুতি নিতে দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী কাজ চালাচ্ছেন তারা।

    জামায়াতের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, তৃণমূলের মতামত নিয়ে নির্ধারিত নিয়মানুযায়ী জনপ্রিয় প্রার্থীকে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে। এক্ষেত্রে মেয়র প্রার্থী ঠিক করবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। উপজেলা পরিষদের জন্য প্রার্থী ঠিক করবেন দলের আঞ্চলিক দায়িত্বশীলরা। ইউনিয়ন পর্যায়ের জন্য জেলা শাখা থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

    ঢাকার দুই সিটিতে কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত

    ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে জামায়াত। ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের সংরক্ষিত মহিলাসহ প্রায় সব কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি। তারা নিজ নিজ এলাকায় শুভেচ্ছা পোস্টারিংসহ বিভিন্ন তৎপরতাও চালাচ্ছেন। তবে মেয়র পদে এখনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। তবে সম্ভাব্যরা তাদের মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কবে হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য জামায়াত প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭৫টির মধ্যে ৭০ জনের মতো কাউন্সিলর প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কাজ চালাচ্ছেন। তবে মেয়র পদে কেন্দ্র থেকে এখনো কাউকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। এই সিটি এলাকার সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে কেউ প্রার্থী হতে পারেন বলে কেউ কেউ মনে করছেন।

    একই ধরনের মন্তব্য করে ঢাকা উত্তর জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মুসা জানান, এই সিটির অধিকাংশ কাউন্সিলর প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। তারা ঈদের আগে পোস্টার ছাপিয়ে জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। মেয়র পদে এখনো প্রার্থী ঘোষণা না করা হলেও আগের প্রার্থী হিসেবে মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ইতোমধ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকায় জনসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এর আগে ২০১৮ সালেও উত্তর সিটির মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি।

    আর আই খান

  • সালিশ বৈঠকে পুলিশের সামনেই বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

    সালিশ বৈঠকে পুলিশের সামনেই বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

    রোববার (২২ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার চরহোগলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

    ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, কয়েকজন ব্যক্তি মিলে খোরশেদ সিকদারকে চেয়ার ও লাঠি দিয়ে মারধর করছে। কাছেই অবস্থান করা পুলিশ সদস্যরা হামলা থামানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন।

    এ ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত হিসেবে মেহেন্দিগঞ্জ পৌর বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদারকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ রিয়াজ শাহিন লিটন ও সদস্য সচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী দিনু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    পুলিশ জানায়, ঘর নির্মাণের মজুরি সংক্রান্ত প্রায় ৫০ হাজার টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। রোববার বিকেলে বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক বসে। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি থেকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

    মেহেন্দিগঞ্জ থানার এসআই বশির আহমেদ জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

  • নকল প্রসাধনীতে বিদেশি লেবেল লাগিয়ে বিক্রি

    নকল প্রসাধনীতে বিদেশি লেবেল লাগিয়ে বিক্রি

    মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের নতুল্লাবাদ এলাকার শাহপরাণ সড়কে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার চকবাজার থেকে সংগ্রহ করা আমদানি-নিষিদ্ধ পাকিস্তানি স্কিনকেয়ার পণ্য, বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন প্রসাধনী, নকল সিল-স্টিকারযুক্ত বিভিন্ন পণ্য এবং শিশুদের স্কিন কেয়ার সামগ্রী প্রস্তুত করে বরিশালের বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করে আসছিল। একই সঙ্গে এসব পণ্যের দামও ইচ্ছেমতো নির্ধারণ করা হচ্ছিল।

    গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এনএসআই সদস্যরা বিষয়টি যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেন। পরে জেলা প্রশাসন ও বিএসটিআইয়ের যৌথ অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. ছানাউল্লাহর অনুপস্থিতিতে তার ভাই মো. রাকিবউল্লাহকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ নকল ও অবৈধ প্রসাধনী জব্দ করে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ-হেল-মাফি। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআই বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. ইয়াছির আরাফাত এবং এনএসআই বরিশাল জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

  • বরিশাল বিভাগে হামে আক্রান্ত ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৭

    বরিশাল বিভাগে হামে আক্রান্ত ৭ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৭

    বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ছয় জেলার মধ্যে ভোলা জেলায় টিকার সংকট থাকলেও বাকি পাঁচ জেলায় হামের টিকা পর্যাপ্ত রয়েছে। তবে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।

    রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালগুলোতে অব্যবস্থাপনা ও চাপের মধ্যে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বরিশাল নগরীর হরিণাফুলিয়া এলাকার বাসিন্দা রাশিদা বেগম তার দুই বছরের শিশুকে নিয়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি জানান, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত তার শিশুকে হামে আক্রান্ত আরেক শিশুর পাশে রাখা হয়েছে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

    হাম আক্রান্ত এক শিশুর মা জানান, হাসপাতালে বেড সংকট তীব্র। শুরুতে বেড না পেয়ে পরে নানা চেষ্টা করে ব্যবস্থা করতে হয়েছে। পৃথক ইউনিট না থাকায় রোগীদের কষ্ট আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ১৩০ জন হাম আক্রান্ত শিশু এখানে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে শুধু মার্চ মাসেই ভর্তি হয়েছে ৮৯ জন। এখন পর্যন্ত এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, শিশু ওয়ার্ডে বর্তমানে ২৬ জন হাম আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছে।

    হাসপাতালটিতে শিশুদের জন্য নির্ধারিত শয্যা সংখ্যা ৪১টি হলেও বাস্তবে প্রায় ৪০০ শিশুকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল জানান, বিভাগে এ পর্যন্ত ২০৬ জন হাম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, আতঙ্কিত না হয়ে সচেতনতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়মতো টিকা প্রদান, সংক্রমিতদের পৃথক রাখা এবং হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

  • বরিশাল নগরীর ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ

    বরিশাল নগরীর ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ

    বরিশাল নগরীর ফুটপাত, সড়ক ও জনসাধারণের ব্যবহার্য স্থান থেকে অবৈধ স্থাপনা সরাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। এ লক্ষ্যে আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে সব অবৈধ দোকান ও স্থাপনা নিজ দায়িত্বে অপসারণের নির্দেশ দিয়ে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে।

    নোটিশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

    সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, নগরীর অধিকাংশ ফুটপাত দখল হয়ে থাকায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ স্বেচ্ছায় স্থাপনা না সরালে কঠোর উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।

    এদিকে নগরবাসীর বিভিন্ন সমস্যা, অভিযোগ ও পরামর্শ সরাসরি জানাতে দুটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর (০১৬১৬১৬৪৬৯৬ ও ০১৭৩০৪৪১৩৩৫) চালু করেছে সিটি কর্পোরেশন। এতে ছবি ও ভিডিওসহ তথ্য পাঠাতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • কালাবদর নদীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে জেলেদের হামলা

    কালাবদর নদীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে জেলেদের হামলা

    বরিশালের কালাবদর নদীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে জেলেদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার বিকেলে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও ভোলা সদর উপজেলার সীমানাঘেঁষা কালাবদর নদীসংলগ্ন একটি খালের মধ্যে হামলাটি হয়। মৎস্য অধিদপ্তর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানায়, অধিদপ্তরকে না জানিয়ে কোস্ট গার্ড নিয়মবহির্ভূতভাবে অভিযানে গিয়ে হামলার মুখে পড়ে।

    মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানি বলেন, কোস্ট গার্ডের ওপর হামলার ৭ মিনিটের একটি ভিডিও আজ মঙ্গলবার ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিও দেখার পর তিনি এই অভিযানের বিষয়ে জানতে পেরেছেন। পরে খোঁজ নিয়ে জেনেছেন, ভোলা কোস্ট গার্ডের একটি দল দুটি স্পিডবোটে অভিযানে নেমেছিল। এ সময় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ আহরণের জেলে নৌকা ধাওয়া করে তারা। নৌকাগুলো মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়ন-সংলগ্ন তিন নদীর মোহনায় বরিশালের জলসীমার মধ্যে ঢুকে পড়ে। তারা একটি খালের মধ্যে আশ্রয় নেয়। কোস্ট গার্ডের স্পিডবোট খালের মধ্যে ঢুকলে জেলেরা সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালান।

    ভোলা সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদি হাসান একই তথ্য জানিয়ে বলেন, তিনিও শুনেছেন ভোলা কোস্ট গার্ড অভিযানে গিয়েছিল। কিন্তু ভোলা মৎস্য অধিদপ্তর এ বিষয়ে কিছু জানে না।

    এ ব্যাপারে বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মো. হাদিউজ্জামান জানান, তাঁকে স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তা বিষয়টি অবহিত করেছেন। কোস্ট গার্ড নাকি ভোলা সদর থেকে এসে মেহেন্দীগঞ্জে অভিযান করেছে। কিন্তু এটা তারা পারে না। এমনকি অভিযান করলেও মৎস্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে করতে হবে।

  • ইতালির স্বপ্নে লিবিয়ায় জিম্মি বরিশালের আগৈলঝাড়ার ৯ যুবক

    ইতালির স্বপ্নে লিবিয়ায় জিম্মি বরিশালের আগৈলঝাড়ার ৯ যুবক

    বরিশালের আগৈলঝাড়ার একদল যুবক ইতালিতে কাজের আশায় জমি বিক্রি, ঋণ ও ধারদেনা করে বিপুল অর্থ দিয়েছিলেন দালালদের হাতে। কিন্তু ইউরোপে পৌঁছার আগেই তাঁদের স্বপ্ন থেমে গেছে লিবিয়ায়। চাকরির প্রলোভনে দালাল চক্রের মাধ্যমে সেখানে গিয়ে উল্টো জিম্মিদশায় নির্যাতনের শিকার হতে হয় তাঁদের। এর মধ্যে মুক্তিপণ দিয়ে কয়েকজন দেশে ফিরলেও এখনো জিম্মি অবস্থায় রয়েছেন ৯ জন।

    এ ঘটনায় ইতালিতে পাঠানোর নামে লিবিয়ায় পাচার, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩৪ জনকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে। আসামিরা হলেন উপজেলার পশ্চিম ডুমুরিয়া গ্রামের মৃত আইউব আলীর ছেলে জামাল মোল্লা, তাঁর ইতালিপ্রবাসী দুই ছেলে জাকির মোল্লা ও সাকিব মোল্লা, জামাল মোল্লার দুই শ্যালক পূর্ব ডুমুরিয়া গ্রামের মৃত বুদাই ব্যাপারীর ছেলে বাবুল ব্যাপারী ও হাবুল বেপারী ওরফে হাবুল মেম্বার।

    উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট ডুমুরিয়া গ্রামের মেহেদী হাসান খান বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে এসব মামলা করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে মামলার নির্দেশ দেন।

    আসামি জামাল মোল্লা ও তাঁর দুই শ্যালক বাবুল ব্যাপারী এবং হাবুল ব্যাপারী বর্তমানে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। তবে জামালের দুই ছেলে ইতালিতে অবস্থান করায় মামলার তদন্ত কিছুটা ধীরগতিতে চলছে বলে জানা গেছে।

    উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট ডুমুরিয়া গ্রামের মেহেদী হাসান খান বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে এসব মামলা করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে আগৈলঝাড়া থানার ওসিকে মামলার নির্দেশ দেন।

    আসামি জামাল মোল্লা ও তাঁর দুই শ্যালক বাবুল ব্যাপারী এবং হাবুল ব্যাপারী বর্তমানে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। তবে জামালের দুই ছেলে ইতালিতে অবস্থান করায় মামলার তদন্ত কিছুটা ধীরগতিতে চলছে বলে জানা গেছে।

  • আগৈলঝাড়ায় এক দিনের ব্যবধানে এলপি গ্যাসের দাম বাড়ল ৪০০ টাকা

    আগৈলঝাড়ায় এক দিনের ব্যবধানে এলপি গ্যাসের দাম বাড়ল ৪০০ টাকা

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় এক দিনের ব্যবধানে ভোক্তাপর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ল ৪০০ টাকা। খুচরা বিক্রেতারা যে গ্যাস গতকাল বুধবার সারা দিন ১ হাজার ৫৮০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি করেছেন, এক দিনের ব্যবধানে তাঁরাই আজ বৃহস্পতিবার সেই গ্যাস ২ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন।

    উপজেলার গৈলা বাজারের ডেলটা গ্যাসের ডিলার জাকির হোসেন মানিক মোল্লা বলেন, ‘আমরা আগে ১২ কেজির সিলিন্ডারের গ্যাস কিনেছি ১ হাজার ৩৮০ টাকায়। সেই গ্যাস আজ ১ হাজার ৭৩০ টাকায় কোম্পানির কাছ থেকে আমাদের কিনতে হচ্ছে। কিন্তু খুচরা বাজারে কিছু বিক্রেতা অধিক মুনাফার লোভে ২ হাজার টাকায় বিক্রি করছে।’

    গ্যাস কিনতে আসা ক্রেতা হাবিবুর রহমান বলেন, সরকার গ্যাসের দাম না বাড়ালেও ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

    উপজেলা বাজারের ব্যবসায়ী মজনু মিয়া বলেন, ‘কোম্পানিগুলো হঠাৎ গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে আমাদেরও দাম বাড়িয়ে গ্যাস বিক্রি করতে হচ্ছে।’

    উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল দাস গুপ্ত বলেন, যেসব ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।