ক্যাটাগরি Uncategorized

  • নগরবাড়ী নদীবন্দরে আধুনিক টার্মিনালের উদ্বোধন

    ডেক্স নিউজ : পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার নগরবাড়ী নদীবন্দরে আধুনিক টার্মিনাল কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেছেন নৌপরিবহণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদীবন্দর নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত এই টার্মিনাল কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করা হয়।বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ারা বেগম; জেলা পরিষদ মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম।নগরবাড়ীতে আনুষঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদীবন্দর নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত বৃহত্তর উত্তরবঙ্গের সঙ্গে নৌপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নে নগরবাড়ী এলাকায় উন্নত ও আধুনিক বন্দর অবকাঠামো সুবিধাদি নির্মাণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ২০ জুন অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই বছরের ১ জুলাই নির্মাণকাজ শুরু হয়, যা শেষ হয় ২০২৫ সালের ৩০ জুনে। এ প্রকল্পে মোট হয়েছে ৫৫৬.৯০৭ কোটি টাকা।    যমুনা নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত নগরবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী ঘাটে দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে নৌপথে মূলত সার, সিমেন্ট, পাথর, বালি, কয়লাসহ অন্যান্য মালামাল উঠানামা করে সড়কপথে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় পরিবাহিত হয়ে থাকে। ঘাটটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আরিচা নদীবন্দর দ্বারা পরিচালিত হতো। ১৯৯৮ সালে যমুনা সেতু প্রতিষ্ঠিত হবার পূর্বে বাংলাদেশে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা, পদ্মা নদীর দ্বারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে আরিচা-দৌলতদিয়া এবং আরিচা-নগরবাড়ী নামে ফেরিঘাট ২টি যথাক্রমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নৌ চলাচলে আরিচা নদীবন্দরের আওতায় পরিচালিত হতো।

    m

  • পাবনায় ‘ময়েজ বাহিনীর’ অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান

    ডেক্স নিউজ : পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার প্রত্যন্ত চতরা বিলে সন্ত্রাসী ময়েজ বাহিনীর আস্তানায় অস্ত্র তৈরি কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মঙ্গলবার ভোরে ওই আস্তানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, আতাইকুলা থানার অন্তর্গত আটঘরিয়া উপজেলার প্রত্যন্ত  চতরা বিলে সন্ত্রাসী ময়েজ বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি ও আতাইকুলা থানা পুলিশ মঙ্গলবার ভোরে ওই বিলে ময়েজ বাহিনীর আস্তানায় বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় বিলের মধ্যে লুকানো ঘাঁটি থেকে অস্ত্র তৈরির ছাঁচ, কাটিং মেশিন, ড্রিল মেশিন, লোহার পাত, গানপাউডারের মতো উপকরণসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা করা হয়।

    m

  • নারীসহ পুলিশ পাহারায় রাত কাটাতে চেয়ে ধরা ভুয়া জজ

    ডেক্স নিউজ : যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পরিচয় দিয়ে রাতে থানায় হাজির হন এক ব্যক্তি। ওসির কাছে বিশ্রামের জন্য রেস্ট হাউজের একটি রুম ও ট্রেন টিকেটের সুবিধা চান তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না তার। ভুয়া পরিচয় দেওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে ঈশ্বরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জামাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে পাবনার ঈশ্বরদীতে এ ঘটনা ঘটে।

    গ্রেফতার ব্যক্তির নাম সৈয়দ জিয়া পীর মোহাম্মদ আলী। তিনি যশোরের কোতোয়ালী থানার বাগমারা গ্রামের মৃত আব্দুল আলীমের ছেলে।

    পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তি যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পরিচয়ে বিশেষ সুবিধা আদায়ে থানায় এসেছিলেন। আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি তিনি যশোরে একটি নিম্নপদে চাকরি করতেন। বর্তমানে তার কোনো চাকরি নেই।

    পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি এক নারীসহ ঈশ্বরদী থানার ওসির কক্ষে উপস্থিত হয়ে নিজেকে ঝিনাইদহ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পরিচয় দেন। এ সময় তিনি পুলিশি সহযোগিতায় রেস্ট হাউজে কক্ষ বরাদ্দ নিয়ে বিশ্রামের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। একইসঙ্গে ট্রেনে যশোর যাওয়ার জন্য টিকিট সুবিধা প্রত্যাশা করেন। তবে কথাবার্তা ও আচরণে অসঙ্গতি লক্ষ্য করে সন্দেহ হলে তার পরিচয় যাচাই-বাছাই শুরু করে পুলিশ। যাচাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি কোনো বিচারক নন, বরং ভুয়া পরিচয় দিয়ে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

    এদিকে ঘটনার আকস্মিকতায় তার সঙ্গে থাকা নারী পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত সটকে পড়েন। পরে তাকে আটক করে তদন্তের পর মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

    ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান জানান, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে ভুয়া জজ পরিচয় দেওয়ায় গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।

    m

  • বিএনপি নেতা আবু দাউদ : আওয়ামী লীগ অফিসের তালা খুলে দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল করা উদ্দেশ্যমূলক

    বিএনপি নেতা আবু দাউদ : আওয়ামী লীগ অফিসের তালা খুলে দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল করা উদ্দেশ্যমূলক

    পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ অফিসের তালা খুলে দেওয়ার ঘটনার ভাইরাল ভিডিও নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান। শুক্রবার রাতে জেলা শহরের মিডিয়া হাউসে তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে এই বিএনপি নেতা বলেন, ‌‘একটি গোডাউন ঘরকে ঘিরে আমাকে বিতর্কিত করার জন্য এ ধরনের ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। আমার পাশে থেকে কে কি বক্তব্য দিয়েছেন, জানি না।’

    এর আগে শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিস বিএনপি নেতা আবু দাউদ প্রধান খুলে দিয়েছেন উল্লেখ করে তার পাশে দাঁড়িয়ে চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বুলেটকে বলতে শোনা যায়, ‘সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান প্রথমে যে কাজটি করেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথা আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রাণের সংগঠন চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে তিনি আজ তালামুক্ত অবমুক্ত করেছেন’। আওয়ামী লীগ নেতার এই ভিডিও বক্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে পড়লে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন ভাবে মন্তব্যের ঝড় উঠে।

  • গ্রামপুলিশে নিয়োগ: পরীক্ষা জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় ৩৮ পরীক্ষার্থীর সবাই বাদ

    গ্রামপুলিশে নিয়োগ: পরীক্ষা জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় ৩৮ পরীক্ষার্থীর সবাই বাদ

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় চারটি ইউনিয়নে গ্রামপুলিশের (মহল্লাদার) শূন্য পদে নিয়োগ দিতে বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এতে অংশ নেওয়া ৩৮ জন প্রার্থীর একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। লিখিত পরীক্ষায় শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় প্রার্থীদের সবাই বাদ পড়েছেন বলে জানা গেছে।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে নিয়োগে বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা প্রশাসন জানায়, তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট, তেঁতুলিয়া সদর, শালবাহান ও দেবনগর ইউনিয়ন পরিষদে পাঁচটি মহল্লাদার পদে গ্রামপুলিশ নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়। কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি পাস যোগ্যতার ওই পদে নিয়োগ পেতে আগ্রহী ৩৮ জন আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষার শুরুতে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে মেধা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে প্রার্থীদের জাতীয় সংগীত লিখতে দেওয়া হয়। এজন্য সময় নির্ধারণ করা হয় ১৫ মিনিট। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই সম্পূর্ণ ও শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে পারেননি। শুদ্ধভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে না পারায় তাদের সবাইকে বাদ দেওয়া হয়।

    নিয়োগ বাছাই কমিটিতে তেঁতুলিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আকাশ, তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান এবং উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

    তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নিয়োগ কমিটির সভাপতি আফরোজ শাহীন খসরু বলেন, শারীরিক যোগ্যতা যাচাই শেষে নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থীদের মেধা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, কোনো প্রার্থীই আমাদের জাতীয় সংগীত সঠিকভাবে লিখতে পারেননি। চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞান ও দেশপ্রেমের প্রাথমিক ধারণা থাকা আবশ্যক। জাতীয় সংগীতের মতো মৌলিক বিষয়ে প্রার্থীদের এমন অজ্ঞতা উপস্থিত কর্মকর্তাদের হতবাক করেছে। দ্রুততম সময়ে পুনরায় ওই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

  • জিয়াউর রহমানের খনন করা পাথেরাজ নদী আজ যেন মরা খাল

    জিয়াউর রহমানের খনন করা পাথেরাজ নদী আজ যেন মরা খাল

    সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রয়াত জিয়াউর রহমান একসময় নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটেছিলেন। শ্রমিকের মাথায় সেই মাটির ডালি তুলে দিয়ে খনন কাজের উদ্বোধন করেছিলেন পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা সদরের ঐতিহাসিক পাথেরাজ নদী। কিন্তু কালের পরিক্রমায় এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে সেই প্রমত্তা পাথেরাজ নদী।

    সেই সময় জনপ্রিয় খালখনন কর্মসূচির আওতায় খননের পর প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর ছিল পাথরাজ। মাছেও ভরপুর হয়ে উঠেছিল এই নদী। নদীর পানি হয়ে উঠেছিল শুষ্ক মৌসুমে স্থানীয়দের কৃষিপণ্য উৎপাদনে সেচের একমাত্র উৎস।

    স্থানীয়রা জানান, ১৯৮০ সালের দিকে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রয়াত জিয়াউর রহমান ঐতিহাসিক নদী ও খালখনন কর্মসূচির সময় হেলিকপ্টারে করে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় এসেছিলেন। এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাথেরাজ নদীতে কোদাল হাতে খনন কাজের উদ্বোধন করেছিলেন। বেঁচে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকেই সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগী হয়ে ওঠেন। খননের পর নদীর পানি দিয়ে তারা গোসল, কাপড় কাচাসহ বাড়ির দৈনন্দিন কাজ করতেন। কৃষকরা ফসল উৎপাদনে সেচ দিতেন। পাথেরাজ নদী শুধু একটি জলধারা নয়, এটি বোদা উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জীবিকারও অংশ ছিল। কয়েক দশক আগেও বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে নদীতে বেশ পানিপ্রবাহ ছিল। নদীটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এলাকাবাসীর জীবনে।

    সেই নদীই আজ মরা খালে পরিণত হয়েছে। নদী ভরাট ও পানিশূন্যতায় নদীটির এখন অস্তিত্বই সংকটাপন্ন। সময়ের ব্যবধানে মাটি ভরাট, পলি জমাসহ নানান কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে অধিকাংশ স্থানে হাঁটুপানিও নেই। কোথাও কোথাও শুকিয়ে গেছে সম্পূর্ণ। নদীর বুক চিরে জেগে উঠেছে বিশালাকার ধানক্ষেত। তবে নদীটি শুকিয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এলাকার কৃষকরা। আগে নদীর পানি ব্যবহার করে শুষ্ক মৌসুমে সেচের মাধ্যমে উৎপাদন করা হতো নানান কৃষিপণ্য। নদীতে পানি প্রবাহ না থাকায় এখন গভীর নলকূপের ওপর নির্ভরশীলতা বেড়েছে তাদের। ফলে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েকগুণ। অন্যদিকে মাছের প্রজনন ক্ষেত্র নষ্ট হওয়ায় বিলুপ্ত হয়েছে অনেক দেশীয় প্রজাতির মাছ।

    এলাকার প্রবীণ বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই নদীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি। সেই সময়ে নদী ও খাল পুনঃখননের বিশেষ কর্মসূচিতে গুরুত্ব দেওয়া হলে এই নদীও নজরে আসে জিয়াউর রহমানের। এরই ধারাবাহিকতায় পাথেরাজ নদী সচল হয়ে উঠেছিল। তাই নদীটির পুনর্জাগরণকে শুধু পরিবেশগত কারণ নয়, ঐতিহাসিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবেও দেখছেন স্থানীয়রা। নবনির্বাচিত স্থানীয় সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় আশায় বুক বেঁধেছেন এলাকার নবীন-প্রবীণরা। তাদের আশা, প্রতিমন্ত্রী আজাদের হাত ধরে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাথেরাজ খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ নিবেন, আবার পুনরুজ্জীবিত হবে স্মৃতিবিজড়িত পাথেরাজ নদী।

    বোদা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শাহাজান আলী বলেন, এটা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত একটা জায়গা। ১৯৮০ সালের দিকে তিনি এখানে খাল খননের উদ্বোধন করেছিলেন। দীর্ঘদিন পরিচর্যার অভাবে খালটি ভরাট হয়ে গেছে। যেখানে পানি থাকার কথা, মাছ থাকার কথা, সেখানে ধান আবাদ হচ্ছে। আমি মাননীয় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব ফরহাদ হোসেন আজাদকে বিনীতভাবে অনুরোধ করব, আপনার মাধ্যমে পাথেরাজ খালটি পুনঃখনন করা হোক। আমরা যাতে প্রাণ খুলে বলতে পারি যে, এখানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান খাল খননের উদ্বোধন করেছিলেন।

  • সারজিস আলম : জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি

    সারজিস আলম : জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বিএনপি

    বিএনপি জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বরে মেধাবৃত্তি বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সারজিস আলম বলেন, বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিএনপি ভালো বার্তা দিচ্ছে না। জুলাই সনদ অনুযায়ী স্পিকার সরকারি দলের হলেও ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে বিএনপির কায়সার কামালকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়িয়েছেন ফ্যাসিস্ট সরকারের রাষ্ট্রপতি। এর মাধ্যমে বিএনপি স্বৈরাচার সরকারের লেজ ধরে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা আমাদের মর্মাহত করেছে।

    বর্তমান সরকারের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, জনগণ ও বিএনপি কর্মীরাও গণভোটে ‘হ্যাঁ’-র পক্ষে রায় দিয়েছে যেন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণহত্যার বিচার ও সংস্কার সম্পন্ন হয়। এসব উপেক্ষা করে জনগণের বিপক্ষে গিয়ে রাজনীতি করলে সংসদ স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারবে না।

    সারজিস আলম বলেন, আমরা প্রথম অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতির অভিশংসন চেয়েছি। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ এবং শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার যত দ্রুত হবে, সরকারের জন্য ততই মঙ্গল।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ তুলে সারজিস আলম বলেন, জাতীয় নির্বাচনে টার্গেটেড কিছু আসনে কারচুপি করা হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের কার্ড নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ফলাফল প্রভাবিত করেছে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমরা এ ধরনের কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং হতে দেব না। ১১ দলীয় জোট এবার যে কোনো ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।

    এর আগে কিশোরকণ্ঠ পাঠক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে চতুর্থ থেকে দশম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ, বাইসাইকেল ও সনদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসাইন ও ছাত্রশিবির সভাপতি রাশেদ ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • গাছে ধাক্কা লেগে উল্টে গেলো যাত্রীবাহী বাস

    গাছে ধাক্কা লেগে উল্টে গেলো যাত্রীবাহী বাস

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী একটি বাস সড়কের পাশে আমগাছে ধাক্কা খেয়ে উল্টে গেছে। এতে দুই যাত্রী আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার সুন্দরদিঘী ইউনিয়নের লক্ষ্মীনারায়ণী ফুলতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নীলফামারীর ডোমার উপজেলা শহর থেকে দিনাজপুরগামী শাহী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি আমগাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে উল্টে যায়। এতে দুই যাত্রী আহত হন। বাসটিতে ৩০-৩৫ যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

    দেবীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. মনজুরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলটি দূরবর্তী স্থানে। খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ছুটে যাই। আমরা যাওয়ার আগেই যাত্রীরা নিজ উদ্যোগে সেখান থেকে চলে যান।

    এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মালিক বলেন, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুর্ঘটনাটি নিয়ে অতিরঞ্জিত তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন। যাত্রীদের মালামাল নিরাপদ রাখতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।।

  • পূর্বধলায় শহীদ মিনারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ

    পূর্বধলায় শহীদ মিনারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ

    ডেক্স নিউজ :নেত্রকোনার পূর্বধলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ পূর্বধলা উপজেলা আওয়ামী লীগ রাত ১২টা ১ মিনিটে জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় পূর্বধলা উপজেলার তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা অমানুর রশিদ খান জুয়েল সমর্থিত আওয়ামী লীগ (একাংশ) ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পূর্বধলা জগত পানি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারকে বেছে নেয় এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মীকে প্রকাশ্যে দলীয় ব্যানার নিয়ে আসতে দেখা না গেলেও, রাতের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারের বেদীতে দলটির নামে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে দেখা যায়। এটি নিয়ে উপস্থিত সাধারণ মানুষ এবং অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

    এ ঘটনার পর পূর্বধলা সদরের প্রধান সড়কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।

    m

  • ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ‘ত্যাজ্য’ করলেন বাবা!

    ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ‘ত্যাজ্য’ করলেন বাবা!

    ডেক্স নিউজ : নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতি করায় অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে ছেলেকে ‘ত্যাজ্য’ ঘোষণা করেছেন মীর মো. আব্দুল মালেক নামে এক ব্যক্তি। তার বাড়ি নেত্রকোনা সদর উপজেলার সাতপাই এলাকায়। ছেলে মীর মো. সাজেদুর রহমান ছোটন কৈশোর থেকে পারিবারিক নীতি বিচ্যুত হয়ে ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। সর্বশেষ তিনি জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

    গত ৬ মার্চ নেত্রকোনা জেলা নোটারি পাবলিকের কার্যালয়ে ছোটনকে ত্যাজ্য করে আব্দুল মালেক একটি অ্যাফিডেভিট করেন; যার নাম্বার ৩১০।

    পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের অধিকাংশ বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক মতবিরোধ এবং বিভিন্ন সময়ে তার দাবি- দাওয়া আদায়ে অসদাচারণের কারণে তার সঙ্গে দীর্ঘকাল ধরে তিক্ততার সম্পর্ক চলমান রয়েছে। এসব কারণে ছেলেকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেছেন বলে অ্যাফিডেভিটে উল্লেখ করেছেন আব্দুল মালেক।

    নেত্রকোনা জেলা জজ আদালতের আইনজীবী মো. আজিজুল হকের মাধ্যমে এ অ্যাফিডেভিট করেন মীর মো. আব্দুল মালেক।

    অ্যাফিডেভিটে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও ছেলে ছোটন তার নিষেধ উপেক্ষা করে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকেছেন। এ ঘটনা জানার পর তিনি তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। ভবিষ্যতে ছেলে কোনো বেআইনি কাজে জড়িত থাকলে তার দায়-দায়িত্ব তিনি নেবেন না।

    m