Blog

  • আবার ট্রাম্পের হুমকি  ইরানকে ‘পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে’

    আবার ট্রাম্পের হুমকি ইরানকে ‘পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে’

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

     

    ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে হামলা চালায় তবে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটিকে ‘পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে’ বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনায় দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে।

    পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে শত্রুতা শুরু হয়েছে। এদিন ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালিয়েছে আর ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের সাতটি ছোট নৌকা গুলি করে ডুবিয়ে দিয়েছে।  ট্রাম্প ওয়াশিংটনের সামরিক শক্তির কথা তুলে ধরে ফের ইরানকে হুমকি দিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, ‘আগে যা ছিল তার তুলনায় আমাদের কাছে অনেক বেশি আর অনেক উন্নত মানের অস্ত্র ও গোলাবারুদ আছে। আমাদের কাছে সেরা সরঞ্জাম আছে। সারা বিশ্বজুড়ে আমাদের সামগ্রী রয়েছে। বিশ্বজুড়ে আমাদের ঘাঁটি আছে। সবগুলোতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মজুদ করা আছে। আমরা ওই সব সামগ্রী ব্যবহার করতে পারবো আর যদি দরকার হয় করবো।’ এদিকে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনার দেওয়া উদ্ধৃতিতে এক সামরিক সূত্র বলেছে, ‘বেশ কয়েকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার মার্কিন দাবি মিথ্যা

  • যুদ্ধের কারনে আত্মহত্যায় ঝুকছে ইসরাইলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩.৮ শতাংশ শিক্ষার্থী

    যুদ্ধের কারনে আত্মহত্যায় ঝুকছে ইসরাইলি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩.৮ শতাংশ শিক্ষার্থী

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ইসরাইলের ভেতরেই এখন ভয়াবহ অস্থিরতা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যুদ্ধের প্রভাবে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাত শতাধিক শিক্ষার্থীর ওপর চালানো এই গবেষণায় উঠে এসেছে যে এদের মধ্যে ৩৩ দশমিক ৮ শতাংশ শিক্ষার্থীই এখন আত্মহত্যার কথা ভাবছে। মূলত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের এই অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। ইসরাইলি সংবাদপত্র ‘ইসরাইল হাইয়োম’ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে।

    এই পরিস্থিতির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর রিজার্ভ ডিউটি বা সংরক্ষিত সেনাদের দীর্ঘকালীন দায়িত্ব পালনকে। শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে দীর্ঘ সময় ধরে পরিবার ও বন্ধুদের থেকে দূরে রেখে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠিয়েছে দেশটির সরকার। যুদ্ধের ময়দানে ভয়াবহ সব দৃশ্য দেখা, নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা এবং সরকার তাদের ‘ভুলে গেছে’- এমন বোধ থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র মানসিক যন্ত্রণা তৈরি হয়েছে। ফলে তারা বিষণ্ণতা ও একাকীত্বে ভুগছেন। অনেক শিক্ষার্থী মনে করছেন, তাদের স্বাভাবিক জীবন পুরোপুরি তছনছ হয়ে গেছে।

    ইসরাইলে আত্মহত্যার ওপর আয়োজিত বার্ষিক এক বিজ্ঞান সম্মেলনে এই গবেষণার তথ্যগুলো উপস্থাপনের কথা রয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ৩৯ দশমিক ৪ শতাংশ শিক্ষার্থী তীব্র বিষণ্ণতায় ভুগছেন। এই হার সারা বিশ্বের গড় হারের তুলনায় অনেক বেশি। সাধারণত বিশ্বের অন্যান্য দেশে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিষণ্ণতা এবং ১৮ থেকে ২৪ শতাংশের মধ্যে আত্মহত্যার চিন্তা দেখা যায়। কিন্তু ইসরাইলি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাগুলো আশঙ্কাজনকভাবে বেশি।

    গবেষকরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং নিরাপত্তাহীনতা শিক্ষার্থীদের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। এর সাথে যোগ হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্ধ সমর্থন ও উসকানি, যা যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছে এবং পরোক্ষভাবে এই তরুণ প্রজন্মের জীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ৭ অক্টোবরের আগে ও পরের পরিস্থিতি তুলনা করে দেখা গেছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা কয়েক গুণ বেড়েছে। সামরিক ও রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষের বলি হয়ে ইসরাইলের শিক্ষিত সমাজ এখন এক গভীর সঙ্কটের মুখোমুখি

  • পশ্চিমবঙ্গের পটপরিবর্তনে সীমান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

    পশ্চিমবঙ্গের পটপরিবর্তনে সীমান্তে বাড়ছে উদ্বেগ

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে ঘিরে উদ্ভূত উত্তেজনা বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করেছে। নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জয়ের নিশ্চিত আভাসে রাজ্যজুড়ে সহিংসতা, সঙ্ঘাত এবং বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের আশঙ্কা জোরালো হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ‘অনুপ্রবেশ’ বা জোরপূর্বক ‘পুশইন’-এর ঝুঁকি মাথায় রেখে বাংলাদেশের সীমান্তে সতর্কতা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও উত্তর দিনাজপুর জেলার সাথে বাংলাদেশের দিনাজপুর, নওগাঁ, জয়পুরহাট ও রাজশাহী অঞ্চলের সরাসরি সীমান্ত সংযোগ থাকায় এসব এলাকায় ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। হিলি স্থলবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গ শুধু ভারতের একটি রাজ্য নয়; বরং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি কৌশলগত সংযোগস্থল। ভাষা, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতার কারণে এই অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশেও প্রতিফলিত হতে পারে। ফলে নির্বাচনের ফলাফল ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনা সীমান্ত পরিস্থিতিকে আরো স্পর্শকাতর করে তুলছে।

    নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ‘অনুপ্রবেশ’ ইস্যু এবং ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রায় ৯১ লাখ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, যাদের একটি বড় অংশ মুসলিম। এ বিষয়টি নির্বাচনপূর্ব সময় থেকেই সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে। বিজেপি তাদের নির্বাচনী প্রচারণায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর পদক্ষেপের অঙ্গীকার করেছে। এ প্রেক্ষাপটে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বক্তব্য- নির্বাচনের পর ‘অনুপ্রবেশকারীদের’ খুঁজে বের করে বহিষ্কার করা হবে- সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরো বাড়িয়েছে।

    Politics

    নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব:) আশরাফুজ্জামান খান বলেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়া এবং তাদের অধিকাংশ মুসলিম হওয়ায় মানবিক ও নিরাপত্তাজনিত সঙ্কট তৈরি হতে পারে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এসব মানুষকে ‘পুশইন’ করে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা হতে পারে, যা রোহিঙ্গা সঙ্কটের মতো আরেকটি জটিল পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে। এ অবস্থায় সীমান্তে বিজিবি, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বিত নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বিজিবি সূত্র জানায়, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি যাতে সীমান্তে উত্তেজনা সৃষ্টি না করে, সে জন্য আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সীমান্তে টহল জোরদার, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া বিপুল সংখ্যক মানুষের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়লে সীমান্তবর্তী এলাকায় মানবিক সঙ্কট তৈরি হতে পারে। অতীতে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কিছু মানুষকে জোরপূর্বক সীমান্তের দিকে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সমালোচনার জন্ম দেয়। নির্বাচনের ফল বিজেপির পক্ষে গেলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।

    ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত রুটগুলো

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও উত্তর দিনাজপুর থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুট রয়েছে। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদের লালগোলা হয়ে জলপথে রাজশাহীর সাথে সংযোগ, জলঙ্গী থেকে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সীমান্ত, মালদহের মহাদিপুর হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর এবং উত্তর দিনাজপুরের রাধিকাপুর ও হিলি সীমান্ত উল্লেখযোগ্য। এসব রুটে বৈধ যাতায়াতের পাশাপাশি অনিয়মিত পারাপারের ঝুঁকিও বিদ্যমান, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বাড়াতে পারে।

    গোয়েন্দা সূত্র জানায়, পশ্চিমবঙ্গে ‘অবৈধ মুসলিম ভোটার’ বিষয়ে নির্দিষ্ট সরকারি পরিসংখ্যান না থাকলেও ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯০ লাখের বেশি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। বিভিন্ন বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে, বাদ পড়াদের একটি বড় অংশ মুসলিম, যদিও এ বিষয়ে ভিন্নমতও রয়েছে।

    জনসংখ্যাগত প্রবণতা বিশ্লেষণে দেখা যায়, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে মুসলিম জনসংখ্যার হার গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মুর্শিদাবাদ, মালদহ, উত্তর দিনাজপুরসহ কয়েকটি জেলায় মুসলিম জনসংখ্যা ৫০ শতাংশের বেশি, যা রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। এসব জেলায় ভোটার তালিকা পর্যালোচনার আওতায় থাকা কেসের সংখ্যাও বেশি।

    এ বিষয়ে মেজর জেনারেল (অব:) রোকন উদ্দিন বলেন, প্রায় চার হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য-নদী, জলাভূমি ও দুর্গম এলাকা-সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে জটিল করে তোলে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে মানবিক ও আন্তর্জাতিক নীতিমালা উপেক্ষা করা হলে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় থাকলে সীমান্তে শান্তিশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব।

    সার্বিকভাবে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন শুধু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত নিরাপত্তা, মানবিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।

  • কক্সবাজার থেকে খুলনায় ইয়াবা নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

    কক্সবাজার থেকে খুলনায় ইয়াবা নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    কক্সবাজার থেকে সংগ্রহ করা ইয়াবা খুলনায় নিয়ে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। তাঁর নাম আশিকুল ইসলাম। তিনি খুলনা জেলা পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।

    আজ মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার শাহ আমানত সেতু এলাকার শহীদ বশরুজ্জামান গোলচত্বরের সামনে থেকে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ তাঁকে গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা–পুলিশ। আশিকুল গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বাবর আলী মুন্সীর ছেলে।

    বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান  বলেন, গোলচত্বর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে আশিকুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    জানতে চাইলে খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) আনিসুজ্জামান আজ বিকেলে  বলেন, ‘ইয়াবাসহ এক পুলিশ সদস্য চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জেনেছি। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’ এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, কনস্টেবল আশিকুল ছুটিতে ছিলেন নাকি দায়িত্বরত থাকাকালে চট্টগ্রাম এসেছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    এ, আর

  • কোন কোন মুসলিম প্রার্থী জিতল পশ্চিমবঙ্গে

    কোন কোন মুসলিম প্রার্থী জিতল পশ্চিমবঙ্গে

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে একাধিক মুসলিম প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। বিশেষ করে কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগণা, মালদা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন আসনে মুসলিম প্রার্থীদের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরাই বেশি সংখ্যক বিজয়ী হয়েছেন। পাশাপাশি আইএসএফ, কংগ্রেস, সিপিএম এবং এজেইউপির কয়েকজন প্রার্থীও জয় পেয়েছেন।

    রাজধানী কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র কসবা বিধানসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী, বিদায়ী বিধায়ক ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জাভেদ খান আবারও জয় ধরে রেখেছেন। তিনি ২০ হাজার ৯৭৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। কলকাতার আরেক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিম ৫৬ হাজার ৪৯০ ভোটে জয়লাভ করেন। মেটিয়াব্রুজ কেন্দ্রেও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী আবদুল খালেক মোল্লা; তিনি ৮৭ হাজার ৮৭৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।

    মুর্শিদাবাদ জেলায় মুসলিম প্রার্থীদের মধ্যে তৃণমূলের শক্তিশালী উপস্থিতি দেখা গেছে। জলঙ্গী কেন্দ্র থেকে বাবর আলি, হরিহরপাড়া থেকে নিয়ামত সেখ, শামশেরগঞ্জ থেকে মুহাম্মদ নূর আলম, ভরতপুর থেকে মুস্তাফিজুর রহমান এবং সাগরদিঘি থেকে বায়রন বিশ্বাস জয়ী হয়েছেন। একই জেলার রেজিনগর ও নওদা কেন্দ্র থেকে এজেইউপি প্রার্থী হুমায়ুন কবীরও বিজয় অর্জন করেছেন।

    উত্তর ২৪ পরগণায় তৃণমূলের আনিসুর রহমান বিদেশ দেগঙ্গা কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছেন। হাড়োয়া থেকে আবদুল মাতিন এবং বসিরহাট উত্তর থেকে তৌসিফুর রহমানও তৃণমূলের হয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বসিরহাট কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছেন বুরহানুল মুকাদ্দিম লিটন।

    দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড় কেন্দ্র থেকে আইএসএফের নওসাদ সিদ্দিকী জয়লাভ করে আলোচনায় রয়েছেন। ক্যানিং পূর্বে বাহারুল ইসলাম এবং মগরাহাট পশ্চিমে শামীম আহমেদ তৃণমূলের হয়ে জয় পেয়েছেন।

    মালদার সুজাপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সাবিনা ইয়াসমিন এবং বীরভূমের হাসন কেন্দ্র থেকে কাজল শেখ বিজয়ী হয়েছেন।

    অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোর মধ্যেও কয়েকজন মুসলিম প্রার্থী সাফল্য পেয়েছেন। মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের মাহাতাব শেখ, রাণীনগর থেকে কংগ্রেসের জুলফিকার আলি এবং ডোমকল কেন্দ্র থেকে সিপিএমের মোস্তাফিজুর রহমান রানা জয়লাভ করেছেন। এছাড়াও রেয়াত হোসেন সরকার (তৃণমূল, ভগবানগোলা), ডা. আবদুল আজিজ (তৃণমূল, লালগোলা), ঈমানি বিশ্বাস (তৃণমূল, সুতি), আখরুজ্জামান (তৃণমূল) এবং নজরুল ইসলাম তৃণমূল-মোথাবাড়ি থেকে জয়লাভ করেছেন।

    সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মুসলিম অধ্যুষিত ও সংখ্যালঘু ভোটপ্রবণ আসনগুলোতে তৃণমূল কংগ্রেস বড় ধরনের প্রভাব বজায় রাখলেও, কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে আইএসএফ, কংগ্রেস, সিপিএম ও এজেইউপির উপস্থিতিও চোখে পড়েছে।

  • জবি শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টা মামলায় আফজাল নাছের ৩ দিনের রিমান্ডে

    জবি শিক্ষার্থী হত্যাচেষ্টা মামলায় আফজাল নাছের ৩ দিনের রিমান্ডে

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর কোতোয়ালি থানা এলাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী অনিক কুমার দাসকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্তকৃত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: আফজাল নাছেরের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

    মঙ্গলবার (৫ মে) তাকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের একটি বাসা থেকে আফজাল নাছেরকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মিছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পার হয়ে মহানগর দায়রা জজ কোর্টের সামনে আসলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অতর্কিত গুলিতে আহত হন জবি শিক্ষার্থী অনিক। এরপর অনিককে প্রথমে ন্যাশনাল মেডিক্যালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর ভুক্তভোগী অনিক নিজে ২৫৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।

    এ,আর

  • রাবিপ্রবির ভিসির কার্যালয়ে তালা

    রাবিপ্রবির ভিসির কার্যালয়ে তালা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম-স্বজনপ্রীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে (ভিসি) অপসারণের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে ভিসি কার্যালয়ে তালা দিয়েছে ছাত্রদল।

    মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে ক্যাম্পাসে ভিসি কার্যালয়ের সমানে সংবাদ সম্মেলন থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির আহ্বায়ক নাছির উদ্দিন অর্ণব। এসময় সদস্যসচিব জিশান আহম্মেদ, শরিফ উদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিসি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আইন না মেনে নিজের খেয়াল খুশি মত নিজের পছন্দের লোককে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা নয় বরং দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে জামায়াতিকরণ করেছেন। পাশাপাশি আওয়ামী শিক্ষকদের বিভিন্ন পদে পদায়নও করেছেন।

    এসব অভিযোগে ভিসির পদত্যাগে আন্দোলনের আল্টিমেটাম দিয়েছে ছাত্রদল।

    বি/ এ

  • হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

    হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

    স্বাস্থ্য ডেস্ক:

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশু ও নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে এমন শিশুর সংখ্যা ১ হাজার ৪৪৫ জন।

    আজ (মঙ্গলবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে সারা দেশে ৩১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৫৪ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ২৬৩ জন।

    প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫ হাজার ৭২৬ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৪২ হাজার ৯৭৯ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৩৬০ জন।

    বি/ এ

  • চৌগাছায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

    চৌগাছায় আওয়ামীলীগ নেতাসহ ৫ জন আটক

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের মাশিলা গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন (৬২)। নারায়ণপুর ইউনিয়নের হাজরাখানা খাল পাড়ার শওকত আলীর ছেলে গাঁজা ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন (৫৮)। সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের আড়সিংড়ি পুকুরিয়া গ্রামের মৃত লুৎফর মন্ডলের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী রোকন উদ্দিন (৩৮)। হাকিমপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের তোরাপ হোসেনের ছেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামী জালাল উদ্দিন (৫৭)এবং ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ভাদড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে দুখুকে (২৭) চোর সন্দেহে আটক করেছে পুলিশ।

    চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    বি/ এ

  • পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজয়ী হলেন ২৫ জন মুসলিম প্রার্থী

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজয়ী হলেন ২৫ জন মুসলিম প্রার্থী

    নিউজ ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে একাধিক মুসলিম প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। বিশেষ করে কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগণা, মালদা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন আসনে মুসলিম প্রার্থীদের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরাই বেশি সংখ্যক বিজয়ী হয়েছেন। পাশাপাশি আইএসএফ, কংগ্রেস, সিপিএম এবং এজেইউপির কয়েকজন প্রার্থীও জয় পেয়েছেন। রাজধানী কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র কসবা বিধানসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী, বিদায়ী বিধায়ক ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জাভেদ খান আবারও জয় ধরে রেখেছেন। তিনি ২০ হাজার ৯৭৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। কলকাতার আরেক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিম ৫৬ হাজার ৪৯০ ভোটে জয়লাভ করেন। মেটিয়াব্রুজ কেন্দ্রেও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী আবদুল খালেক মোল্লা; তিনি ৮৭ হাজার ৮৭৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।

    মুর্শিদাবাদ জেলায় মুসলিম প্রার্থীদের মধ্যে তৃণমূলের শক্তিশালী উপস্থিতি দেখা গেছে। জলঙ্গী কেন্দ্র থেকে বাবর আলি, হরিহরপাড়া থেকে নিয়ামত সেখ, শামশেরগঞ্জ থেকে মুহাম্মদ নূর আলম, ভরতপুর থেকে মুস্তাফিজুর রহমান এবং সাগরদিঘি থেকে বায়রন বিশ্বাস জয়ী হয়েছেন। একই জেলার রেজিনগর ও নওদা কেন্দ্র থেকে এজেইউপি প্রার্থী হুমায়ুন কবীরও বিজয় অর্জন করেছেন।
    উত্তর ২৪ পরগণায় তৃণমূলের আনিসুর রহমান বিদেশ দেগঙ্গা কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছেন। হাড়োয়া থেকে আবদুল মাতিন এবং বসিরহাট উত্তর থেকে তৌসিফুর রহমানও তৃণমূলের হয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বসিরহাট কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছেন বুরহানুল মুকাদ্দিম লিটন।

    দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড় কেন্দ্র থেকে আইএসএফের নওসাদ সিদ্দিকী জয়লাভ করে আলোচনায় রয়েছেন। ক্যানিং পূর্বে বাহারুল ইসলাম এবং মগরাহাট পশ্চিমে শামীম আহমেদ তৃণমূলের হয়ে জয় পেয়েছেন।

    মালদার সুজাপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সাবিনা ইয়াসমিন এবং বীরভূমের হাসন কেন্দ্র থেকে কাজল শেখ বিজয়ী হয়েছেন।

    অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোর মধ্যেও কয়েকজন মুসলিম প্রার্থী সাফল্য পেয়েছেন। মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের মাহাতাব শেখ, রাণীনগর থেকে কংগ্রেসের জুলফিকার আলি এবং ডোমকল কেন্দ্র থেকে সিপিএমের মোস্তাফিজুর রহমান রানা জয়লাভ করেছেন। এছাড়াও রেয়াত হোসেন সরকার (তৃণমূল, ভগবানগোলা), ডা. আবদুল আজিজ (তৃণমূল, লালগোলা), ঈমানি বিশ্বাস (তৃণমূল, সুতি), আখরুজ্জামান (তৃণমূল) এবং নজরুল ইসলাম তৃণমূল-মোথাবাড়ি থেকে জয়লাভ করেছেন।

    সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মুসলিম অধ্যুষিত ও সংখ্যালঘু ভোটপ্রবণ আসনগুলোতে তৃণমূল কংগ্রেস বড় ধরনের প্রভাব বজায় রাখলেও, কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে আইএসএফ, কংগ্রেস, সিপিএম ও এজেইউপির উপস্থিতিও চোখে পড়েছে।

    আর আই খান