Blog

  • কামাল জামান মোল্লার মনোনয়ন স্থগিত

    কামাল জামান মোল্লার মনোনয়ন স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ

     

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল সোমবার গুলশানস্থ বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে, ঘোষণার একদিন পরই একটি আসনের মনোনয়ন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানালো দলটি।

    মঙ্গলবার বিকেলে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল সংবাদ সম্মেলনে ২৩৭টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাদারীপুর-০১ (শিবচর উপজেলা) আসনেও মনোনয়নপ্রাপ্ত কামাল জামান মোল্লার নাম ঘোষণা করা হয়। অনিবার্য কারণবশত: ঘোষিত মাদারীপুর-১ (শিবচর উপজেলা) আসন ও দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম স্থগিত রাখা হলো।

    আমার দেশ

  • কোনো উল্লাস নয়, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করেত হবে- শরীফুজ্জামান 

    কোনো উল্লাস নয়, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করেত হবে- শরীফুজ্জামান 

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধ
    চুয়াডাঙ্গা-১  আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফের নাম ঘোষণার পরেই চুয়াডাঙ্গার রাজনীতিতে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।
    চূড়ান্ত মনোনয়নের খবর পেয়ে শরীফুজ্জামান শরীফ সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনেতা তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এরপরই তিনি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেত নফল নামাজ আদায়ের পর দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তাঁর প্রয়াত পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করেন।
    সেখান থেকে তিনি চুয়াডাঙ্গা শহরের নিজ বাড়িতে ফিরে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি সকলের উদ্দেশ্যে বলেন যে, তিনি শহীদ জিয়া আদর্শে ও তারেক রহমানের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করার প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। এখন থেকে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য—বিভেদ ভুলে সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা। এসময় তিনি উপিস্থত নেত-কর্মীদের বলেন, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সকলকেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
  • চৌগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তরুণের মৃত্যু

    চৌগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তরুণের মৃত্যু

    1.  যশোরের চৌগাছায় গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেল ধাক্কা লেগে সাগর (১৭) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) চৌগাছা-যশোর সড়কের তারিনিবাস মাঝের পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাগর উপজেলার মাশিলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।

     

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে সাগর হেলমেট পরিহিত অবস্থায় নিজ বাড়ি থেকে  মোটরসাইকেলে যশোরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারিনিবাস মাঝের পাড়া এলাকায় পৌঁছালে এপাচি আরটিআর মোটরসাইকেলটি (নম্বর: যশোর-ল-১২-২৮০৮) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি কাঁঠাল গাছে ধাক্কা খায়। এতে সাগর গুরুতর আহত হন।

     

    স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা সরকারি মডেল হাসপাতালে  নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে নেওয়ার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

     

     

  • লাখো মানুষের ভিড়ে জমজমাট লালন উৎসব

    লাখো মানুষের ভিড়ে জমজমাট লালন উৎসব

    ডেস্ক নিউজ:

     

    লাখো মানুষের উপস্থিতি আর বাউল সাধুদের মিলন মেলায় মুখর ছেঁউড়িয়ায় লালন সাঁইজির আখড়াবাড়ি। দেশ-বিদেশ থেকে ছুটে এসেছেন লালন অনুসারী সাধু-গুরুরা। তারা গাইছেন, সত্য বল দু-পথে চল ওরে আমার মন।

    লালন সাঁইজির ১৩৫তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে এবার জাতীয়ভাবে পালিত হচ্ছে লালন স্মরণ উৎসব। তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী দিনে শুক্রবার লালন সাঁইজির ওপর আলোচনায় অংশ নেন দেশ-বিদেশের সাহিত্য সমালোচক ও তাত্ত্বিকরা।

    অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক ছিলেন গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক। গায়ত্রী চক্রবর্তী তার বক্তব্যে লালনকে বহুমাত্রিকভাবে উপস্থাপন করেন তার গানে গানে।

    অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজার ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার প্রমুখ।

    সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী উপস্থিত না হতে পারলেও পাঠান ভিডিও বক্তব্য। আলোচনা সভা শেষে প্রয়াত লালন সংগীত শিল্পী ফরিদা পারভিনের স্মরণে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    তিন দিনের অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং লালন সংগীতের আসর। প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত চলবে লালন গান।

    তিন দিনব্যাপী এ আয়োজনে আগেভাগেই ছেঁউড়িয়ায় জড়ো হয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লাখো মানুষ। এমন জনস্রোত আগে কখনো হয়নি বলে জানান বাউল-সাধুরা।

    কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও লালন একাডেমির সভাপতি আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন জানান, উৎসবকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

  • চিতলমারীতে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

    চিতলমারীতে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

    ডেস্ক নিউজ

    জেলার চিতলমারী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে রবি মৌসুমে গম, মুগ, সরিষা, সূর্যমুখী (ওপি ও হাইব্রিড) এবং খেসারি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে আয়োজনে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমানসহ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তাবৃন্দ।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মো. সিফাত আল মারুফ জানান, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৮৭০ জন কৃষকদের মধ্যে গম ২০জনকে, সরিষা ৩৫০ জন, সূর্যমুখী (ওপি) ৩০জন, সূর্যমুখী হাইব্রিড ২০০জন, খেসারি ৭০ জন এবং মুগ ২০০জনকে দেয়া হয়েছে।

  • ‘দুর্যোগ প্রস্তুতি ও মাল্টি-হ্যাজার্ড ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

    ‘দুর্যোগ প্রস্তুতি ও মাল্টি-হ্যাজার্ড ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

    ডেস্ক নিউজ:

     

    যে কোনো দুর্যোগে শিল্প কারখানার উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে মোংলা ইপিজেডে শুরু হয়েছে ‘দুর্যোগ প্রস্তুতি, ব্যবসায়িক ধারাবাহিকতা এবং বহু-বিপদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি । প্রশিক্ষণে মোংলা ইপিজেডের শিল্প-কারখানা হতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অংশগ্রহণ করেন।

    সোমবার (৩ নভেম্বর, ২০২৫) সকালে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন মোংলা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক কালাম মো. আবুল বাশার।

    দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এর সেইফটি কাউন্সিল এবং মোংলা ইপিজেডের যৌথ উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
     
    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আবুল বাশার বলেন, দুর্যোগের প্রস্তুতি ও দুর্যোগকালে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে শিল্পকারখানার ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। পাশাপাশি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শিল্পের উৎপাদনশীলতা অব্যাহত রাখা সম্ভব।
     
    এ সময়, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নয়ন ও ঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে এফবিসিসিআইয়ের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।
    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোংলা ইপিজেডের অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক ওয়াহেদুজ্জামান।
     
    তিনি জানান বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ প্রিপেয়ার্ডনেস পার্টনারশিপ (বিপিপি) প্রকল্পের আওতায় এফবিসিসিআই দেশের শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
     

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোংলা ইপিজেডের পরিচালক (প্রশাসন) মো. কাউসার হোসেন, ইপিজেড জোন অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং এফবিসিসিআই সেইফটি কাউন্সিলের কর্মকর্তাগণ।

  • বারান্দায় মাশরুম চাষে স্বাবলম্বী সবুজ

    বারান্দায় মাশরুম চাষে স্বাবলম্বী সবুজ

    ডেস্ক নিউজ:

    বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার পানবাড়িয়া গ্রামের যুবক সবুজ শিকদার (৩৪)। জীবিকার খোঁজে ১৭ বছর গ্রামের বাইরে ছিলেন। গত বছর নিজ গ্রামে ফেরেন তিনি। মাত্র ১০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে নিজ ঘরের বারান্দায় শুরু করেন মাশরুম চাষ। এখন সেই মাশরুমই তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা আয় করছেন তিনি।

    বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নের পানবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ইছহাক আলী শিকদারের ছেলে সবুজ শিকদার। ২০০৭ সালে জীবিকার খোঁজে বাড়ি ছেড়েছিলেন। দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে কাটিয়েছেন।

    এক সময় ওষুধের ব্যবসা করলেও, গত বছর তিনি নতুন কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন। সবুজ সাভারের মাশরুম ইনস্টিটিউট থেকে ১২ দিনের একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে মাশরুম চাষ শুরু করেন। নিজের ঘরের বারান্দার মাত্র ১২ হাত জায়গায় তিনি ‘মেসার্স সাইবা পিও-টি জাতের মাশরুম’ প্রকল্প চালু করেন। বর্তমানে তিনি একসঙ্গে ৬২২টি মাশরুম ব্যাগে চাষ করছেন এবং প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে তিন কেজি মাশরুম উৎপাদন করতে সক্ষম।

    সবুজ স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি মাশরুম ৪০০ টাকায় বিক্রি করেন, আর মাশরুম গুঁড়া বিক্রি করেন প্রতি কেজি ৩ হাজার টাকা দরে। তিনি দারাজ, পাঠাও, স্কুট এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাশরুম সরবরাহ করছেন। এছাড়াও ৫০০ গ্রাম ইস্পন প্যাক ২৫ টাকায়, ১ কেজি ৫০ টাকায় এবং ২ কেজির প্যাকেট ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন।

    পানবাড়িয়া গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন, সবুজ ভাই আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। আগে কেউ ভাবেনি যে ঘরের বারান্দায় বসেই এত কিছু করা যায়। এখন গ্রামের অনেক যুবকই মাশরুম চাষে আগ্রহী হচ্ছে।

    স্থানীয় নারী উদ্যোক্তা শিরিন বেগম বলেন, মাশরুম চাষ করে সবুজ এখন ভালো আয় করছেন। এমন উদ্যোগে যদি সরকারি প্রশিক্ষণ ও সহায়তা পাওয়া যায়, তাহলে আরও অনেকেই এগিয়ে আসবেন এবং স্বাবলম্বী হবে।

    সবুজ শিকদার বলেন, প্রথমে মাত্র ১০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করেছিলাম। এখন প্রতি মাসে গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে। যদি সরকারি সহযোগিতা পাই, তাহলে আরও বড় আকারে চাষ করতে পারব। আমার স্বপ্ন অনেক বড়। এই বারান্দার ছোট পরিসর থেকে শুরু করে একদিন আমি এই মাশরুম চাষকে অনেক বড় একটি শিল্পে পরিণত করতে চাই।

    তিনি বলেন, আমি চাই আমার মতো আরও অনেক বেকার যুবক এই মাশরুম চাষে আগ্রহী হোক এবং স্বাবলম্বী হোক। সরকারি সহযোগিতা পেলে এই চাষকে আমি দেশের প্রতিটি ঘরে ছড়িয়ে দিতে চাই।

    কচুয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা শেখ নাইমুর রশিদ লিখন বলেন, মাশরুম চাষ এখন একটি লাভজনক কৃষি উদ্যোগ। খুব অল্প জায়গায়, অল্প খরচে এটি চাষ করা যায়। সবুজ যা করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা চাই আরও যুবক তার মতো উদ্যোগ গ্রহণ করুক। কৃষি অফিস থেকে আমরা সব সময় তাদের পাশে আছি।  মাশরুম পুষ্টিকর হওয়ায় বাজারে এর

    চাহিদাও হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে। সবুজের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অন্যদের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

    তিনি আরও বলেন, সবুজের মতো কেউ যদি এই উদ্যোগ শুরু করতে চায়,  তাহলে  প্রশিক্ষণ, পরামর্শ বা যে কোনো সহযোগিতায় আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

  • মোড়লগঞ্জে চাচাত ভাইকে পিটিয়ে হত্যা

    মোড়লগঞ্জে চাচাত ভাইকে পিটিয়ে হত্যা

    ডেস্ক নিউজ:

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে মো. কালাম খান (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে চোর তকমা দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে তাঁর চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে। গতকাল  রাত ৯টার দিকে মোরেলগঞ্জ উপজেলার চিংড়িখালী ইউনিয়নের ছোট জামুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কালাম খান ওই ইউনিয়নের ঢেপুয়ারপাড়

    গ্রামের ওয়াজেদ আলী খানের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন,  জমিজমা নিয়ে কালাম খান ও একই বংশের সোহেল খানের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে আদালতে মামলা পর্যন্ত গড়িয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় স্থানীয় বাজার থেকে ফেরার পথে সোহেল খান তাঁর লোকজন দিয়ে কালাম খান ও তাঁর বড় ভাই লুৎফর খানকে ধরে নিয়ে চুরির অভিযোগে হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে কালাম খান অচেতন হয়ে পড়লে তাঁকে রাস্তায় এনে ফেলে পুলিশে দেন। পরে পুলিশ তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় দুই ভাইকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কালাম খানকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর বড় ভাই লুৎফর খানের অবস্থায়ও সংকটাপন্ন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    বাগেরহাটের পুলিশ সুপার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে। এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

    সুত্র: প্রথম আলো

  • সুযোগ পেলে মানবতার কল্যাণে কাজ করবো

    সুযোগ পেলে মানবতার কল্যাণে কাজ করবো

     

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    নির্বাচিত হলে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন চূয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী অ্যাড. মাসুদ পারভেজ। তিনি বলেন, জামায়াত খলদারিত্ব এবং চাঁদাবাজির রাজনীতি করেনা। জামায়াত একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সততার গ্যারান্টি দিতে পারে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে একটি আত্মনির্ভরশীল দূর্নীতিমুক্ত কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করবে।

    ২ আক্টোবর রোববার চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে মানুষের অধিকার বাস্তবায়ন করবে। জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই বলে তিনি ঘোষণা দেন।
    তিনি আরো বলেছেন, জামায়াত মানুষের পাশে থাকতে চাই। জামায়াতে ইসলামী নেতারা দলকানা জনপ্রতিনিধি হতে চাইনা । আমরা জনপ্রতিনিধিদের কে জনগেণের নিকট জবাবদিহিতার কালচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

    আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাজারো আঘাতেও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরা রাজপথে দাঁড়িয়ে ছিল। জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাসিঁ, দিয়েও থামানো যায়নি এ দলের জানবাজ কর্মীদের। ভবিষ্যতেও কোনো হুমকি ধামকিতে কাজ হবেনা বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন, দাড়িপাল্লায় ভোট দিলে জিতে যাবে জনগন। এসময় তিনি উপস্থিত জনগণের কাছে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহবান করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা পৌর আমীর অ্যাড. হাসিবুল ইসলাম, নায়েবে আমীর মাহবুব আসিক শফি ও আনোয়ার হোসেন, পৌর সেক্রেটারী মোস্তফা কামাল, সহকারী সেক্রেটারী ইমরান হোসেন, অফিস সম্পাদক আবু যায়েদ আনসারী, পৌর উলামা ও মসজিদ মিশন সভাপতি হাফেজ মাওলানা আঃ শুকুর মালিক, পৌর যুব বিভাগের সভাপতি শাহ আলম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের পৌর সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান, অফিস সম্পাদক সেলিম উল্লাহ মাসুমসহ পৌর নেতৃবৃন্দ।

     

  • জীবননগরে পেয়ারা গাছের সাথে শত্রুতা!

    জীবননগরে পেয়ারা গাছের সাথে শত্রুতা!

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে শত্রুতার জেরে জালাল উদ্দিন নামের কৃষকের প্রায় ৩০০টি উচ্চ ফলনশীল জাতের পেয়ারা গাছ কেটে ফেলেছে  দুর্বৃত্তরা । রোববার দিনগত রাতে উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের মাঠে ঘটনাটি ঘটেছে ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরিহরনগর গ্রামের মৃত মহিউদ্দিন মোল্লার ছেলে জালাল উদ্দিনের ২৫ কাঠা জমিতে  ৩০০টি পেয়ারার চারা রোপণ করেন এবং গত দুই বছর ধরে নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে বাগানটিকে ফল ধরা শুরু হয়।  রাতের আঁধারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা বাগানের সমস্ত গাছ কেটে ফেলে যায়।

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জালাল উদ্দিন জানান, প্রায় দেড়  লাখ টাকা খরচ করে তিনি এই পেয়ারা বাগান তৈরি করেছিলেন। গাছে ফুল ও ফল ধরায় তিনি লাভের আশা করছিলেন। এই বছর তিনি প্রায় তিন লক্ষ টাকার ফল বিক্রি করতে পারতেন। তিনি বলেন, হরিহার নগর গ্রামের মৃত মহিউদ্দিন মোল্লার ছেলে আলমগীর হঠাৎ করে আমার এই জমি তার বলে দাবি করে। এই নিয়ে কয়েকবার তার সাথে আমার ঝামেলা হয়েছে সে বিভিন্নভাবে আমাকে হুমকি দেয় এবং আমার ছেলের গলায় হেসো ধরে। এর আগেও সে একবার আমার জমির নেটের বেড়া কেটে দেয়। আমরা এই জমিতে ৫৩ বছর চাষাবাদ করছি আমার দাদার কেনা জমি আজ হঠাৎ করে তারা এই জমি তাদের বলে দাবি করছে এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা দেখিয়ে আমাদের বারবার হুমকি দিচ্ছে। দুর্বৃত্তরা আমার সব গাছ কেটে দিল। আমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। কয়েক লাখ টাকার ফল উৎপাদনের স্বপ্ন ভেঙে গেল। এই ঘটনায় দোষীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

    জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মামুন হোসেন বিশ্বাস জানান,অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তিনি বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”