Blog

  • রামপালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড

    রামপালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে রেকর্ড

    ডেস্ক নিউজ:

     

    বাগেরহাটে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে নতুন রেকর্ড হয়েছে। আগস্ট মাসে কেন্দ্রটি ৭৭১.৭০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের (১০ হাজার ১০০ মিলিয়ন ইউনিট) ৭.১৫ শতাংশ।

    গত তিন মাস ধরে প্ল্যান্টটি ধারাবাহিকভাবে প্রতি মাসে ৬০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যার মোট উৎপাদন দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৩৬.৪ মিলিয়ন ইউনিট।
    মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম।

  • মোল্লার হাটে ধলেশ্বরী নদীতে সেতু নির্মানের দাবি

    মোল্লার হাটে ধলেশ্বরী নদীতে সেতু নির্মানের দাবি

    ডেস্ক নিউজ:

    বাগের হাট জেলার মোল্ল­ার হাটে ধলেশ্বরী নদীর ওপর সেতু নির্মাণ এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি। প্রতিদিন স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীসহ হাজার হাজার মানুষ শ্যালো নৌকাযোগে ধলেশ্বরী নদী পার হচ্ছে। সেতুটি নির্মাণ হলে এলাকার  সাধারণ মানুষের চলা চলে সুবিধা হবে।

    সেতু নির্মানের জন্য সরকারের দৃষ্ট করেছে মোল্লাহাটের স্কুল কলেজ, এলাকার সাধারণ মানুষ।

  • নতুন জাতের ধান চাষে লাভবান

    নতুন জাতের ধান চাষে লাভবান

    ডেস্ক নিউজ:

    চলতি বোরো মৌসুমে চাষি মোস্তফা হাসান চার বিঘা জমিতে মাত্র ২১ কেজি বীজ লাগিয়ে ২২১ মণ ধান উৎপাদন করেছেন। যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা! বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় প্রথমবারের মতো চাষ হয়েছে সোনালি বর্ণের এই ধান।

    বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউটের সর্বশেষ ও সর্বাধুনিক জাত ব্রি-১০৮ ধান চাষে এ অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছেন উপজেলার শৌখিন এই চাষি।

    ইউটিউবের মাধ্যমে খোঁজ পেয়ে সম্পূর্ণ ব্যক্তি উদ্যোগে কৃষক মোস্তফা হাসান শেরপুর থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে ২১ কেজি বীজ ধান সংগ্রহ করেন। চার বিঘা জমিতে কিষান খরচ, জমি চাষ, সার ওষুধ ও সেচ খরচ মিলে তার প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। অধিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ও খরা সহিষ্ণু হওয়ায় বীজতলা থেকে শুরু করে ধান পাকা পর্যন্ত তার এই খরচ হয়েছে বলে জানান। সার ব্যবস্থাপনা কম লাগায় ও বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় অধিক লাভের আশা প্রকাশ করেন। জানুয়ারিতে রোপণ করা ধান ইতোমধ্যে পেকে গেছে। এক শতক জমির ধান নমুনা কর্তনে ৪৫ কেজি ধান পেয়েছেন। মাঠপর্যায়ে প্রতি মণ ধানের মূল্য ১ হাজার ৬০০ টাকা বলে তিনি জানান। ২/১ দিনের মধ্যে বাকি ধান কাটা হবে বলে জানান মোস্তফা হাসান।

    ইতোমধ্যে ফকিরহাট উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে বীজের জন্য ২০ মণ ধানের চাহিদার কথা জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শেখ সাখাওয়াত হোসেন।

    রোববার  সকালে উপজেলার বাহিরদিয়া ব্লকে কৃষক মোস্তফা হাসানের ধানক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, আশেপাশের অনেক কৃষক আগ্রহ নিয়ে ধান দেখতে এসেছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তাসহ কৃষি বিভাগের লোকজন কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন।

    উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা নয়ন সেন বলেন, সোনালি রঙের ব্রি-১০৮ জাতের ধানটি এই উপজেলায় প্রথম চাষ হয়েছে। সম্ভবত জেলায়ও প্রথম হবে। এ ধানের চাল মাঝারি লম্বা ও চিকন। ভাত ঝরঝরে ও সুস্বাদু হওয়ায় উচ্চ মূল্যের জিরা ধানের বিকল্প হিসেবে উদ্ভাবন করা হয়েছে। একদিকে উৎপাদন খরচ কম, অন্যদিকে অধিক দামের কারণে ইতোমধ্যে ধানটির প্রতি ব্যাপক চাহিদার সৃষ্টি হয়েছে।

    কৃষক মোস্তফা হাসান ও ক্ষেত মজুর রহমত ফকির জানান, ৪ বিঘা ৫ শতক জমিতে ব্রি-১০৮ ধান চাষের সব খরচ বাদ দিয়ে প্রায় তিন লাখ টাকা লাভ হবে। এ অঞ্চলে প্রথম চাষেই সাফল্য পাওয়ায় অনেক চাষি এটি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তাদের সহযোগিতা করতে চান তিনি। কৃষি বিভাগ থেকে নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতা পাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শেখ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ব্রি-১০৮ হলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের আবিষ্কৃত সর্বাধুনিক জাতের ধান। এ ধানটি অন্যান্য জাতের তুলনায় বেশি উৎপাদন হয়। প্রতি গোছায় গড় কুশির সংখ্যা ১৬/১৭টি। দানার পুষ্টতা শতকরা ৮৮.৬ ভাগ। চালে প্রটিনের পরিমাণ ৮.৮ ভাগ যা অন্যান্য চালের তুলনায় বেশি স্বাস্থ্য সম্মত।

    উপজেলার অন্যান্য কৃষকদের মাঝে ধানটি ছড়িতে দিতে এই ক্ষেত থেকে সরকারিভাবে বীজ সংগ্রহের পরিকল্পনার কথা জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।

  • নারকেলের ছোবড়ায় সাবলম্বী ৮০ টি পরিবার

    নারকেলের ছোবড়ায় সাবলম্বী ৮০ টি পরিবার

    ডেস্ক নিউজ :

     

    বাগেরহাটের সদর উপজেলার বাসাবাটি এলাকায় নারীদের হাতে তৈরি অর্গানিক পণ্য এখন শুধু ঘরের সাজসজ্জা নয়, তাদের জীবিকা ও স্বপ্নের উৎস। নারকেলের ছোবড়া, কাঠ, কাপড় ও সুতা দিয়ে তাদের হাতে তৈরি পাখির বাসা, বিড়ালের খেলনা, দোলনা, জুতাসহ নানা ধরনের পণ্য বাজারে বিক্রি হয়। জার্মান, জাপান, বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয় এগুলো। রোজী আহমেদের উদ্যোগে নারীবান্ধব এই কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন ৮০ জন নারী। এই শ্রম শুধু নারীদের আয়ের পথই খুলে দেয়নি, জুগিয়েছে তাদের আত্মবিশ্বাস।

    সরেজমিনে দেখা যায়, রোজী আহমেদের ফ্যাক্টরিতে, বাড়ির উঠানে এবং পাশের দুটি একতলা ভবনে তৈরি হচ্ছে ৫০-৬০ প্রকারের অর্গানিক পণ্য। নারকেলের ছোবড়া ও আঁশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে পাখির বাসা, দোলনা, নারকেলের জুতা। কাঠ, কাপড় ও সুতো দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিড়ালের খেলনা, চপিং বোর্ড, দোলনা, কাপড়ের ব্যাগ। প্রতিটি পণ্যে নারীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়া স্পষ্ট। প্রতিটি পণ্য নকশা অনুযায়ী সজ্জিত করা হয়, পরিশোধন করা হয়, এবং বিদেশে পাঠানোর জন্য নিখুঁতভাবে প্যাক করা হয়। জার্মান, জাপান, বেলজিয়ামসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এই উদ্যোগে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারীরা প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করছেন। প্রতিটি পণ্যে তাদের শ্রম ও সৃজনশীলতার ছোঁয়া রয়েছে।

    রোজী আহমেদের তিনতলা বসতবাড়ি ও পাশের দুটি একতলা ভবন মিলিয়ে গড়ে উঠেছে অর্গানিক প্রোডাক্টস ফ্যাক্টরি। এখানে কমপক্ষে ৮০ জন নারীকর্মী কাজ করছেন। তারা প্রত্যেকে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা আয় করছেন। নিরিবিলি পরিবেশে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নারীরা অত্যন্ত খুশি।

    করোনার সময় যখন সমস্ত মিল-ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল, তখনই রোজী আহমেদ ফেসবুকে নিজের হাতে তৈরি নারকেলের মাজুনি বিক্রি শুরু করেন। কিছুদিনের মধ্যে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর উদ্দিপন নামের একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আঁশের তৈরি পাখির বাসার তৈরির অর্ডার দেন। এরপর একের পর এক নতুন পণ্য তৈরি শুরু হয় এবং দেশের পাশাপাশি বিদেশে বিক্রি করা শুরু হয়।

    বিসিক, বাগেরহাট উপ-ব্যবস্থাপক শরীফ সরদার বলেন, রোজী আহমেদের উদ্যোগ নারীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। অর্গানিক পণ্য তৈরির মাধ্যমে দেশেও বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে। এটি অন্যান্য নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। রোজী আহমেদ ‘বাংলাদেশ ব্যাংক নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা-২০২৪’ পেয়েছেন।

    বাগেরহাটের এই উদ্যোগ শুধু নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে না, দেশেও বৈদেশিক মুদ্রা আনার পথ খুলছে। প্রতিটি নারী শ্রমিকের প্রতিদিনের শ্রম, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায় অর্গানিক পণ্যকে দেশের এবং বিদেশের বাজারে পরিচিতি দিয়েছে। রোজী আহমেদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ অসহায় নারীদের জীবনে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছে।

    নারীরা প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছে, নতুন কিছু তৈরি করছে, এবং প্রতিটি পণ্যের সঙ্গে তাদের জীবনের গল্প ও স্বপ্ন মিশে আছে। এই উদ্যোগ অন্য নারীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস এবং এটি প্রমাণ করছে, উদ্যোক্তা নারীর উদ্যোগে একদম ছোট উপকরণ থেকেও বিশাল অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব তৈরি করা সম্ভব।

  • সুন্দরবনে হরিণ শিকারের প্রস্তুতিকালে ৭ শিকারি আটক

    সুন্দরবনে হরিণ শিকারের প্রস্তুতিকালে ৭ শিকারি আটক

    ডেস্ক নিউজ :

     

    রাতের আঁধারে সুন্দরবনে ফাঁদ পেতে হরিণ শিকারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন একদল শিকারি। তবে বন বিভাগের তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত ধরা পড়ে পুরো চক্রটি।

    শনিবার (২ নভেম্বর) গভীর রাতে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের কোকিলমনি টহল ফাঁড়ির হোন্দল এলাকা থেকে সাত শিকারিকে আটক করে বন বিভাগের স্মার্ট টিম–১ এর সদস্যরা।

    বন বিভাগ জানায়, অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে বন বিভাগের পতাকাসহ দুটি ট্রলার, ১০০টি হরিণ শিকারের হাটা ফাঁদ, একটি মই জাল, একটি করাত, ২০টি কন্টেইনার, দুটি ড্রাম, একটি নোঙর, তিনটি ত্রিপল, দুটি পাতিল ও দুটি ককসিট জব্দ করা হয়।

    আটকরা হলেন- বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার শগুনা গ্রামের মনোজ পাল (৪২), বাইনতলা গ্রামের মুজিবুর রহমান (৫৬), চাঁনপুর গ্রামের মুনাফ আলী মোল্লা (২২), মোজাম্মেল শেখ (৫২), বারইপাড়া গ্রামের খান তামিম (২০), ওহিদ মল্লিক (৩৬) এবং মোংলার জয়মনি গ্রামের আলী হোসেন (৪৫)।

    বন আইনে মামলা দায়েরের পর রোববার (৩ নভেম্বর) দুপুরে আটক সাতজনকে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

    সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, গভীর রাতে হোন্দল এলাকায় হরিণ শিকারের ফাঁদ পেতে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন একটি চক্র। আমাদের স্মার্ট টিম দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। সুন্দরবনের বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    বি/এ

  • দামুড়হুদায় তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    দামুড়হুদায় তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    ডেস্ক নিউজ

    ডিমের ক্রয় বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা, পণ্যের মুল্য তালিকা প্রদর্শন না করা, মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয়সহ নানা অপরাধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন জেলা টাস্কফোর্স কমিটি ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

    রোববার দুপুরে দামুড়হুদা উপজেলার ডুগডুগি বাজার ও দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিম, পেয়াজ, মাছ-মাংশ, সবজি ও মুদিদোকানসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠানে তদারকি করার সময় এ জরিমানা করা হয়।

    অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মোহা. সজল আহম্মেদ জানান, অভিযানে ডুগডুগি বাজারে মেসার্স রাজিব স্টোর নামক প্রতিষ্ঠানে ডিমের ক্রয় বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মুল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক রাজিব হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৮ ও ৫১ ধারায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এরপর মেসার্স শামিম ট্রেডার্স নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক শামিম হোসেনকে মেয়াদ উত্তীর্ণ কীটনাশক বিক্রয়, সারের মুল্যতালিকা না থাকা, দাম বেশি নেওয়া ও ভাউচার প্রদান না করার অপরাধে একই ধারায় ৫ হাজার টাকা, এবং অপর একটি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কৌশিক স্টোরের মালিক সুদেব হালদারকে একই ধারায় ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন- জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান, ছাত্র প্রতিনিধি মুশফিকুর রহিম, বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি টিম।

  • নির্বাচন কমিশন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

    নির্বাচন কমিশন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

    ডেস্ক নিউজ :

     

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, শাপলা প্রতীক কেন দেবে না তার ব্যাখ্যা দেয়নি নির্বাচন কমিশন। যার ফলে এই নির্বাচন কমিশন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

    রোববার (২ নভেম্বর) বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এনসিপির জেলা ও মহানগর সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারী করতে হবে এবং সেটা ড. মুহাম্মদ ইউনুসকেই দিতে হবে। এখন এই আদেশ যদি চুপ্পুর কাছ থেকে নিতে হয় তাহলে তা বিপ্লবের কফিনে শেষ হবে।

    তিনি বলেন, তিনশ আসনেই সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা যেন একটা গুণগত, কাঠামোগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে একটা গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দিকে যেতে পারি, তার বড় দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর।

    সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় সংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন।

    সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী আবু সাঈদ মুসা।

    সুত্র: ঢাকামেইল

  • খুলনায় বিএনপি অফিসে হামলা-গুলি, স্কুল শিক্ষক নিহত

    খুলনায় বিএনপি অফিসে হামলা-গুলি, স্কুল শিক্ষক নিহত

    ডেস্ক নিউজ :

     

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) আইটি গেট সংলগ্ন স্থানীয় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গুলি ও বোমা হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা । এতে গুলিতে স্কুল শিক্ষক ইমাদুল হক (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি বছিতলা নুরানি হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। এর আগে তিনি ইউসুফ স্কুলে শিক্ষকতা করতেন।

    এছাড়া যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য মামুন শেখসহ (৪৫) আরো দুই জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত অন্যরা হলেন—বেল্লাল খান (৫৫) ও মিজানুর রহমান (৫৮)। তাদের চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    জানা যায়, রোববার রাত ৯টার দিকে বিএনপি নেতা মামুন শেখ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অফিসে বসেছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা হঠাৎ অফিস লক্ষ্য করে পরপর দুটি বোমা ও চার রাউন্ড গুলি ছুড়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক ইমাদুল হক, মামুন, বিল্লাল ও মিজানুর রহমান গুরুতর আহত হন৷ পরে তাদেরকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমাদুল হক মারা যান। তিনি এশার নামাজের পর ওই বিএনপির অফিসে ওয়াজ মাহফিলের টাকা কালেকশন করার জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    কেএমপির এসি (মিডিয়া) মো. শফিকুল ইসলাম জানান—সন্ত্রাসীদের গুলিতে ও বোমা হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে বলে জানতে পেরেছি ৷ পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। অভিযুক্তদের এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ কাজ করছে।

    সুত্র: দৈনিক আমার দেশ

  • দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও সফল মঙ্গল মিয়া

    দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়েও সফল মঙ্গল মিয়া

    ডেস্ক নিউজ:

    বর্তমান সমাজে অনেকেই প্রতিবন্ধকতাকে জীবনের বোঝা মনে করে ভিক্ষাবৃত্তি বা নির্ভরশীলতার পথ বেছে নেন। কিন্তু চুয়াডাঙ্গার মঙ্গল মিয়া সেসব মানুষের জন্য অনন্য উদাহরণ। দুই চোখ অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও তিনি নিজ পরিশ্রমে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং প্রতিটি মুহূর্তে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন স্বাবলম্বী হয়ে।

    চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার আইলহাঁস ইউনিয়নের পুড়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মঙ্গল মিয়া প্রায় ৩৫ বছর ধরে দৃষ্টিহীন। তবু তার কথা বলা, চলাফেরা ও কাজের ধরন দেখে বোঝার উপায় নেই যে, তিনি চোখে দেখতে পান না।

    প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে মঙ্গল মিয়া হাতে একটি লাঠি নিয়ে বের হন। কোনো সহযোগিতা ছাড়াই তিনি খুলেন নিজের ছোট্ট দোকান। সেখানে তিনি বাইসাইকেল, পানির পাম্প, স্যালো মেশিন এমনকি পাওয়ার টিলার পর্যন্ত মেরামতের কাজ করেন।

    অন্ধত্ব সত্ত্বেও তার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস দেখে এলাকাবাসী বিস্মিত হন। আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ তাদের স্যালো মেশিন, টিউবওয়েল বা পাওয়ার টিলার মেরামতের জন্য একমাত্র মঙ্গল মিয়ার ওপর নির্ভর করেন। শুধু তাই নয়, তিনি হাতের স্পর্শেই টাকার পরিমাণ বুঝতে পারেন এবং একবার শোনা ফোন নম্বর মুখস্থ রাখতে পারেন নিখুঁতভাবে।

    স্থানীয়রা জানান, মঙ্গল মিয়া একজন পরিশ্রমী ও দক্ষ মেকানিক। অন্ধত্ব কখনোই তাকে থামাতে পারেনি। বহু দূর থেকেও মানুষ তার কাছে মেশিন মেরামত করাতে আসেন।

    নিজের জীবনের গল্প বলতে গিয়ে মঙ্গল মিয়া বলেন, ‘প্রায় ৩৫ বছর হলো আমি চোখে দেখি না। ছোটবেলায় সাইকেল সারানোর কাজ শিখেছিলাম। পরে স্যালো মেশিন ও পাওয়ার টিলার মেরামত শিখি। এমনকি একসময় বিদ্যুতের কাজও করেছি। একা একাই সব করি। এখন পর্যন্ত আনুমানিক এক লাখেরও বেশি টিউবওয়েল স্থাপন করেছি।’

    চোখে না দেখেও জীবন ও পরিশ্রমের আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন মঙ্গল মিয়া। তার অদম্য সাহস ও পরিশ্রম প্রমাণ করে- ইচ্ছা থাকলে অন্ধত্বও কোনো বাধা নয়, বরং প্রেরণার উৎস হতে পারে।

  • মাগুরা সদরের ‍কৃষি অফিসার স্ট্যান্ড রিলিজ

    মাগুরা সদরের ‍কৃষি অফিসার স্ট্যান্ড রিলিজ

    ডেস্ক নিউজ:

    নানা অনিয়ম দূর্ণীতিতে অভিযুক্ত মাগুরা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ তোজাম্মেল হককে শাস্তিমূলক বদলী করা হয়েছে।

    দীর্ঘ চার বছর একই উপজেলায় কর্মরত থাকার পর পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে তিনি একই কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়মত দূর্ণীতিতে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে।

    মাঠ পর্যায়ের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং কৃষকদের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাগুরা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ তোজাম্মেল হক (পরিচিতি নং–৩৬৯৮, বিসিএস ব্যাচ–৩৬) এর বিরুদ্ধে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে (স্মারক নং–৯৮৯) প্রথম শোকজ নোটিশ জারি করেন। পরে ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে (স্মারক নং–৯০৫) সরকারি তথ্য (PDS) সঠিকভাবে না দেওয়ার অভিযোগে আরেকটি শোকজ নোটিশ প্রদান করা হয়। এরপর যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আলমগীর বিশ্বাস ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে (স্মারক নং–১৭০৪) তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন এবং পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। নির্দেশ অনুযায়ী ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে উপপরিচালক তাজুল ইসলাম মাঠ পর্যায়ে তদন্ত শুরু করেন। তদন্ত শেষে ১২০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন দাখিল করেন উপপরিচালক তাজুল ইসলাম।

    নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ওই প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, তোজাম্মেল হককে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি সংশোধন হননি। তার এই গাফিলতির কারণে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে, সরকারি অর্থের অপচয় ঘটছে এবং কৃষকদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হচ্ছে।

    সুত্র: কালবেলা