Blog

  • উপসচিব পদে ২৬২ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি

    উপসচিব পদে ২৬২ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি

    নিউজ ডেস্ক

    উপসচিব পদে ২৬২ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    এতে বলা হয়, এই কর্মকর্তাদের উপসচিব পদে পদোন্নতি প্রদানপূর্বক জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (উপসচিব) নিয়োগ করা হলো। পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল হতে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম/ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

    পরে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বরাবর অথবা অনলাইনে (email : sa1@mopa.gov.bd) দাখিল করতে পারবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • সুদানে ভূমিধসে নিশ্চিহ্ন পুরো গ্রাম

    সুদানে ভূমিধসে নিশ্চিহ্ন পুরো গ্রাম

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    পশ্চিম সুদানের প্রত্যন্ত মারারা পর্বতমালায় ভূমিধসে কমপক্ষে এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে রোববার ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। ভূমিধসে ধ্বংস হয়ে গেছে তারাসিন গ্রাম। পুরো গ্রামে মাত্র একজন মানুষ বেঁচে আছেন। সুদান লিবারেশন মুভমেন্ট/আর্মি এক বিবৃতিতে এসব কথা জানিয়েছে। খবর বিবিসির।সংগঠনটির নেতা আবদেলওয়াহিদ মোহাম্মদ নূর জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশুরা রয়েছেন এবং তাদের মরদেহ উদ্ধারে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোর জরুরি সহযোগিতা প্রয়োজন।

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ভূমিধসে গ্রামটি সম্পূর্ণভাবে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে।

    সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের মধ্যে যুদ্ধের পর উত্তর দারফুর রাজ্যের অনেক বাসিন্দা মারা পর্বতমালা অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ওই এলাকায় খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট বিরাজ করছে।

    প্রায় দুই বছর ধরে চলমান এ গৃহযুদ্ধে সুদানের অর্ধেকের বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে ভুগছে। কোটি মানুষের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং উত্তর দারফুরের রাজধানী আল-ফাশির বর্তমানে গোলাবর্ষণের কবলে রয়েছে।

    ২০২৩ সালের এপ্রিলে সুদানের সেনাবাহিনী এবং আরএসএফের মধ্যে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ দেশটিকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সেইসঙ্গে পশ্চিম দারফুর অঞ্চলে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে।

    গত বছর একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, ২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এক লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন।

  • মানুষের অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে কাজ করছে জামায়াত; ডা. ফরিদ

    মানুষের অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে কাজ করছে জামায়াত; ডা. ফরিদ

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ক্ষুধা, দারিদ্র ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সে ধারাবাহিকতায় আমরা সীমিত সামর্থ নিয়ে চৌগাছা-ঝিকরগাছার মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। দুই উপজেলার মানুষের জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, রাস্তা সংস্কারসহ বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করার চেষ্টা করছি। এতে কেউ ন্যূনতম উপকৃত হলে আমাদের শ্রম স্বার্থক হয়েছে বলে মনে করব।

    ৩০ আগষ্ট শনিবার চৌগাছা উপজেলার নারায়াণপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী সমাবেশ  যশোর-২ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্ী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, আর্ত-মানবতার কল্যাণ ও মুক্তিই জামায়াতের রাজনৈতিক দর্শন। মূলত প্রত্যেক নাগরিকের দুর্দশা লাঘবসহ সকল সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু দেশে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না থাকায় জনগণ রাষ্ট্রের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। কিন্তু  রাষ্ট্রের শূন্যতা ব্যক্তি ও সাংগঠনিক পর্যায়ে সমাধান করা সম্ভব নয়। আমাদের সাধ অনেক হলেও সাধ্য খুবই সীমিত। তবুও আমরা আমাদের সীমিত সামর্থ নিয়ে বিপন্ন মানুষের কল্যাণে সাথে থাকার সাধ্যমত চেষ্টা করছি।

    তিনি বলেন, দেশে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রীয়ভাবেই মানুষের সকল সমস্যার সমাধান করা হবে। লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষের কাছে হাত পাততে হবে না। তাই গণমানুষের সকল সমস্যার সমাধান ও অধিকার নিশ্চিত করার জন্য দেশকে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার কোনও বিকল্প নেই। তিনি সেই স্বপ্নের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে জামায়াতের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, জামায়াত একটি গণমুখী ও আদর্শবাধী রাজনৈতিক সংগঠন। আমরা দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে মানুষের অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা এমন এক সমাজ কায়েম করতে চাই যেখানে মানুষে মানুষে কোনও ভেদাভেদ থাকবে না। সে সমাজে উঁচু-নিচু, ধনী-গরিব, জাত-পাত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কাউকে লাঞ্ছিত বা অপমানিত করা হবে না। সর্বোপরি ইসলাম মানুষের যেসব মৌলিক অধিকার দিয়েছে সেগুলোও যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হবে। ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি-পেশা, নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ নির্বিশেষ সকলেই তাদের অধিকারের নিশ্চয়তা পাবেন। তিনি একটি আদর্শিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ময়দানে কাজ করার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির সুলাইমান হোসেন।

    ইউনিয়ন সেক্রেটারী মাষ্টার তৌহিদুল ইসলামের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন, উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. গোলাম মোরশেদ, নায়েবে আমির মাও. নুরুল ইসলাম, সেক্রেটারী নুরুজ্জামান, সহকারী সেক্রেটারী কামাল আহমেদ, মাও. গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা শ্রমিক বিভাগের নেতা নারায়াণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্ী তুনিহিনুর রহমান প্রমুখ।

     

  • ভারত সীমান্তে ৩ স্থলবন্দর বন্ধ, ১টির কার্যক্রম স্থগিত

    ভারত সীমান্তে ৩ স্থলবন্দর বন্ধ, ১টির কার্যক্রম স্থগিত

    ডেস্ক নিউজ

    বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের তিনটি স্থলবন্দরকে বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। অপর একটি স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে স্থলবন্দর সংক্রান্ত এসব সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বন্ধ করে দেওয়া স্থলবন্দর তিনটি হচ্ছে – নীলফামারীর চিলাহাটি, চুয়াডাঙ্গার দৌলতগঞ্জ এবং রাঙামাটির তেগামুখ স্থলবন্দর। এছাড়া, হবিগঞ্জের বাল্লা স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখা হচ্ছে।

    ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলাম জানান, স্থলবন্দরগুলো নিয়ে একটি ক্যাবিনেট কমিটি কাজ করেছে।

    ‘অনেক স্থলবন্দর আছে, সেখানে কোনো কাজ হয় না, অবকাঠামো নেই,’ উল্লেখ করে আলম বলেন, ‘যেগুলোতে আসলে কোনো কাজই হচ্ছে না।’

    তিনি বলেন, ‘কর্মকর্তাদের পদায়ন করতে হয়, পরিচালনায় অনেক অর্থব্যয় করতে হয়। কিন্তু কোনো কাজে আসে না। সেসব স্থলবন্দরই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’

  • সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশনা দেয়নি সরকার: আইএসপিআর

    সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশনা দেয়নি সরকার: আইএসপিআর

    নিউজ ডেস্ক

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    এতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত বিবিধ সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে যা সেনাবাহিনীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে এ সকল নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা প্রদান করা হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো দায়িত্বে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মনে করে, বিদ্যমান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে।’

  • দুই শিবির নেতার পায়ে গুলি; চৌগাছায়  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত টিম

    দুই শিবির নেতার পায়ে গুলি; চৌগাছায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত টিম

     

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে ইস্রাফিল ও রুহুল আমিন নামের দুই শিবির নেতার পায়ে পুলিশের গুলি করার ঘটনায় তদন্তে করছেন আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

    বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) দুপুরে এ তদন্ত হয়। এসময় ঘটনাস্থল বুন্দুলিতলা, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স এবং থানায় গিয়ে তদন্তকাজ করেন তদন্ত টিম।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের তদন্তকারী কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

    পুলিশের গুলিতে পাহারানো দুই শিবির নেতা জানান, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট সাংগঠনিক কাজ শেষে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় চৌগাছা থানার এসআই মাজেদ এবং মখলেছুর রহমান তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যান। হ্যান্ডকাপ পরিয়ে সারা রাত এসআই মাজেদ এবং ওসি এম মশিউর রহমান নির্যাতন চালায় তাদের উপরে। ৪ আগস্ট সকালে তাদের ডিবি কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সেখানে সারাদিন নির্যাতন করে।  সেখান থেকে চৌগাছা থানায় নিয়ে আসার পথে কয়ারপাড়া এলাকায় দুজনেরই দুই হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে চোখ বেঁধে ফেলে পুলিশ।

    এরপরে রাত আনুমানিক ২ টার দিকে তাদের বন্দুলিতলার নির্জন মাঠে নেয়। সেখানে নিয়ে দুজনের হাঁটুতে পুলিশ গুলি করে পা ঝাঁঝরা করে দেয়। উপর্যপুরি ক্ষতস্থানে বালু দিয়ে বেধে দেয় এস আই আকিকুল ইসলাম। তারা জানায় গুলি করার পরে চোখ খুলে দেয়। এসময় তারা দেখতে পায় এসআই আকিক, এসআই মখলেছুর, মাজেদ এবং ওসি এম মশিউরকে।

    সেখান থেকে তাদের উপজেলা হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই তাদের রেফার করা হয় যশোর সদর হাসপাতলে। সেখানে দুদিন চিকিৎসার পর কোনো উন্নতি না হওয়ায় তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতলে পাঠানো হয়। ভর্তির সাতদিন পর চিকিৎসক পা কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত দেন। এরই মধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার করা হয় বন্ধুকযুদ্ধে দুই শিবির নেতা আহত হওয়ার ঘটনা।

    এসময় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কমিটি উপজেলার গণমাধ্যম কর্মী ও এলাকাবাসির  স্বাক্ষী গ্রহণে করেন।

    তদন্তকারী কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম বলেন, প্রত্যেকটা মানুষের ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এটা একটা লোমহর্ষক ঘটনা! এই ঘটনার বিচার হওয়া প্রয়োজন। তানাহলে অপরাধিরা বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে থাকবে।

     

    এঘটনায় ৫ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে ভুক্তভোগী শিবির নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চেয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

     

  • ডিএমপির ডিবিপ্রধান হলেন শফিকুল ইসলাম

    ডিএমপির ডিবিপ্রধান হলেন শফিকুল ইসলাম

    ডেস্ক নিউজ

    অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলামকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার প্রধান করা হয়েছে।

    বুধবার (২৭ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে পদায়ন করা হয়েছে।

    শফিকুল ইসলাম পুলিশের ১৮তম বিসিএস ব্যাচের সদস্য। এর আগে তিনি ডিআইজি হিসেবে হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

    সাড়ে চার মাস ধরে ডিবিপ্রধানের পদটি শূন্য ছিল। গত ১২ এপ্রিল ডিবির তৎকালীন প্রধান রেজাউল করিম মল্লিককে সরিয়ে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি করা হয়েছিল। এরপর থেকে একজন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার কর্মকর্তা এই ইউনিটের দায়িত্বে ছিলেন।

    শফিকুল ইসলামের বাড়ি বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায়। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে যোগদান করে পেশাগত জীবন শুরু করেন।

    কর্মজীবনের শুরুতে তিনি লক্ষ্মীপুরে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হন।

  • আগামীকাল জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা: ইসি সচিব

    আগামীকাল জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা: ইসি সচিব

    নিউজ ডেস্ক

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

    বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে সচিব সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা যে কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) করেছি, সে কর্মপরিকল্পনাটা আপনাদের জানাবো। আমি ঢাকার বাইরে থাকায় একটু পিছিয়ে পড়েছি। এটা আমার টেবিলে এখন আছে। আগামীকাল পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করেন।’

    এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব আজ এক বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) অনুমোদন করেছে কমিশন।

    এখন যেকোনো সময় নির্বাচনের এই রোডম্যাপ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হতে পারে বলে ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘কর্মপরিকল্পনার সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে গেছে। অনুমোদন হয়েছে, এখন শুধু টাইপিং চলছে।’

    উল্লেখ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে দল নিবন্ধন, সীমানা নির্ধারণ, নির্বাচন পর্যবেক্ষক, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংস্কার, বিধিমালা ও নীতিমালা জারি, প্রবাসীদের জন্য আইটি সাপোর্টেড নিবন্ধন ও পোষ্টাল ব্যালট পদ্ধতি ও নির্বাচনী সরঞ্জাম কেনাকাটা বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে রোডম্যাপে।

  • বেড়েছে স্বর্ণের দাম

    বেড়েছে স্বর্ণের দাম

    নিউজ ডেস্ক

    দেশের বাজারে এক মাস পর আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৫০ টাকা, যা আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে। এর আগে এই দাম ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ টাকা।

    মঙ্গলবার বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দামে পরিবর্তন আসায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৫১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪১ হাজার ২৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এরআগে গত ২৪ জুলাই ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৬০১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪০ হাজার ৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৬ হাজার ১২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    স্বর্ণের দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত আছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটে প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ৫৭৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম দুই হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম দুই হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এক হাজার ৫৮৬ টাকা।

  • বেসরকারি খাতে যাবে নগদ: গভর্নর

    বেসরকারি খাতে যাবে নগদ: গভর্নর

    ডাক অধিদপ্তরের মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) নগদকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতিষ্ঠানটির জন্য বিনিয়োগকারী খুঁজতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

     ২৭ আগষ্ট বুধবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে আইসিএমএবি ও মাস্টারকার্ডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিট ২০২৫ ’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এ তথ্য জানান।

    আহসান এইচ মনসুর বলেন, এমএফএস নিয়ে বলতে গেলে বলতে হয়, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের হাতে এখনো কেবল একটি বড় প্রতিষ্ঠানই আছে। এই খাতে আরও কার্যক্রম, প্রতিযোগিতা ও নতুন বিনিয়োগ তৈরি করতে হবে। সে জন্য নগদকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার এবং বিনিয়োগ আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নগদকে ডাক বিভাগের নিয়ন্ত্রণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানান গভর্নর। তিনি বলেন, বর্তমানে তাদের এ সেবা পরিচালনার সক্ষমতা নেই। নগদে একটি প্রযুক্তি কোম্পানিকে প্রধান শেয়ারহোল্ডার হিসেবে আনতে হবে।

    গভর্নর আরও জানান, ইতিমধ্যে নগদে বড় ধরনের সংশোধন আনা হয়েছে। আগের মালিকদের কারণে ইওসি-সংক্রান্ত নানা অনিয়মের যে সমস্যাগুলো ছিল, তা সমাধান করা হয়েছে। প্রায় দেড় কোটি ভুয়া কিংবা অকার্যকর হিসাব বাদ দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি পুনর্গঠনের পথে রয়েছে।

    বে প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের জন্য কৌশলগত বিনিয়োগকারী প্রয়োজন উল্লেখ করে আহসান এইচ মনসুর বলেন, এখন এমন একটি প্রতিষ্ঠান দরকার, যেমন বিকাশের মতো যারা ধাপে ধাপে, শেয়ার ধরে ধরে নগদে বিনিয়োগ করতে পারবেন। আশা করছি, নগদকে যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে।

    নগদকে যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পুনরুজ্জীবিত করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদার, সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসরুর আরেফিন।