Blog

  • সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেছনে রেখে পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, পাকিস্তান শুধু ভারতের কোনো সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানতে ব্যর্থই হয়নি, যদি তাদের মাটি থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে থাকে, তাহলে তাদের নিশ্চিহ্ন করা হবে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশে এটিই ছিল নরেন্দ্র মোদির প্রথম ভাষণ। তিনি চার দিনের অভিযানে নয়টি ‘সন্ত্রাসী ঘাঁটি’ ধ্বংস এবং পাকিস্তানের আটটি সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানায় সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    প্রায় ২৭ মিনিট দীর্ঘ ওই ভাষণে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আপনারা যা করেছেন, তা অভূতপূর্ব, অকল্পনীয় ও বিস্ময়কর।’ তাঁর এই বক্তব্যে কার্যত সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া মোদির ভাষণের বার্তাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

    তবে মোদির এই ভাষণের তাৎপর্য অনেক। ভাষণটি পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে দেওয়া হয়। এটি পাকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ–ব্যবস্থাসহ ঘাঁটিটি ধ্বংস করেছে। ভারত এসব দাবি সরাসরি উড়িয়ে দেয়।

    নরেন্দ্র মোদি বলেন, অপারেশন সিঁদুর এখন পাকিস্তানের জন্য একটি স্পষ্ট ‘লক্ষ্মণরেখা (চূড়ান্তসীমা)’ টেনে দিয়েছে। পূর্বঘোষণা ছাড়াই মঙ্গলবার ভোরে তিনি বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান এবং ইউনিফর্মে থাকা বিমানবাহিনীর সেনাদের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সেনারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন।

    সেনাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর নরেন্দ্র মোদি ভাষণ দেন। এ সময় পেছনে দৃশ্যমান ছিল এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা আর তাঁর মাথায় ছিল ‘ত্রিশূল’ চিহ্ন–সংবলিত দেশটির বিমান বাহিনীর ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের টুপি।

    সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রতি সম্মান জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকরা এখন বুঝে গেছে, ভারতের দিকে দৃষ্টি দেওয়া মানেই তাদের নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।’

    উল্লেখ্য, আদমপুর ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানঘাঁটি। এখানে রাফাল ও মিগ-২৯ স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে। ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে এই বিমানঘাঁটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    সেই আদমপুর বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে মোদি, পাকিস্তানের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি

    এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পেছনে রেখে পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, পাকিস্তান শুধু ভারতের কোনো সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানতে ব্যর্থই হয়নি, যদি তাদের মাটি থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে থাকে, তাহলে তাদের নিশ্চিহ্ন করা হবে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর সশস্ত্র বাহিনীর উদ্দেশে এটিই ছিল নরেন্দ্র মোদির প্রথম ভাষণ। তিনি চার দিনের অভিযানে নয়টি ‘সন্ত্রাসী ঘাঁটি’ ধ্বংস এবং পাকিস্তানের আটটি সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানায় সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    প্রায় ২৭ মিনিট দীর্ঘ ওই ভাষণে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আপনারা যা করেছেন, তা অভূতপূর্ব, অকল্পনীয় ও বিস্ময়কর।’ তাঁর এই বক্তব্যে কার্যত সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া মোদির ভাষণের বার্তাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

    তবে মোদির এই ভাষণের তাৎপর্য অনেক। ভাষণটি পাঞ্জাবের আদমপুর বিমানঘাঁটি থেকে দেওয়া হয়। এটি পাকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ–ব্যবস্থাসহ ঘাঁটিটি ধ্বংস করেছে। ভারত এসব দাবি সরাসরি উড়িয়ে দেয়।

    নরেন্দ্র মোদি বলেন, অপারেশন সিঁদুর এখন পাকিস্তানের জন্য একটি স্পষ্ট ‘লক্ষ্মণরেখা (চূড়ান্তসীমা)’ টেনে দিয়েছে। পূর্বঘোষণা ছাড়াই মঙ্গলবার ভোরে তিনি বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান এবং ইউনিফর্মে থাকা বিমানবাহিনীর সেনাদের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সেনারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন।

    সেনাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর নরেন্দ্র মোদি ভাষণ দেন। এ সময় পেছনে দৃশ্যমান ছিল এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা আর তাঁর মাথায় ছিল ‘ত্রিশূল’ চিহ্ন–সংবলিত দেশটির বিমান বাহিনীর ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডের টুপি।

    সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রতি সম্মান জানিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষকরা এখন বুঝে গেছে, ভারতের দিকে দৃষ্টি দেওয়া মানেই তাদের নিজের ধ্বংস ডেকে আনা।’

    উল্লেখ্য, আদমপুর ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানঘাঁটি। এখানে রাফাল ও মিগ-২৯ স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে। ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে এই বিমানঘাঁটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • জিপিও ভবন ‘সচিবালয়ে যুক্ত করার প্রস্তাবের’ প্রতিবাদ

    জিপিও ভবন ‘সচিবালয়ে যুক্ত করার প্রস্তাবের’ প্রতিবাদ

    রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত জেনারেল পোস্ট অফিস (জিপিও) ভবন ও ডাক বিভাগের সাবেক প্রধান কার্যালয়কে পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত উল্লেখ করে তা সচিবালয়ের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তার প্রতিবাদ করেছেন বিভাগের কর্মীরা। পাশাপাশি এই প্রস্তাব বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    সম্প্রতি বিসিএস পোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক ও ডাক বিভাগের (ডাক জীবন বীমা, পূর্বাঞ্চল, ঢাকা) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আতিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ‘জিপিও ভবন পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত’ দাবি করে তা সচিবালয়ের এক্সটেনশন হিসেবে সচিবালয়ের মাস্টারপ্ল্যানে অন্তর্ভুক্তি ও হস্তান্তরের প্রস্তাব দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    এ প্রস্তাবে উল্লিখিত তথ্যকে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে সংস্থাটি জানিয়েছে, জিপিও কম্পাউন্ড সরকারঘোষিত একটি কেপিআইভুক্ত স্থাপনা। এখানে ডাক বিভাগের ১৪টি অপারেশনাল অফিস সক্রিয়ভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখান থেকে ডাকসেবা গ্রহণ করছে। ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়ার এই কেন্দ্র কখনোই পরিত্যক্ত ছিল না।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ডাক ভবনে স্থানান্তরিত হলেও অন্যান্য অপারেশনাল অফিস আগের মতো জিপিও কম্পাউন্ডেই চলমান।

    ডাক বিভাগের মতামত ছাড়াই এ ধরনের চিঠি দেওয়া এবং তা প্রধান উপদেষ্টার কাছে উপস্থাপন করায় নিন্দা জানিয়ে বিসিএস পোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, জিপিও ভবন শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি ডাক বিভাগের প্রায় ৪০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রাণের জায়গা, তাদের গর্ব ও ঐতিহ্যের প্রতীক। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই ভবন কেড়ে নেওয়ার যেকোনো উদ্যোগকে তারা সরাসরি দেশের ডাকসেবার ওপর আঘাত হিসেবেই বিবেচনা করে।

  • সাবেক সংসদ সদস্য রুবিনা আক্তার ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের পৃথক মামলা

    সাবেক সংসদ সদস্য রুবিনা আক্তার ও তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের পৃথক মামলা

    জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তার মীরার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই অভিযোগে তাঁর স্বামী মো. মোশারফ হোসাইন সরদারের বিরুদ্ধেও পৃথক মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের উপপরিচালক রেজাউল করিম বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন।

    রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সৈয়দা রুবিনা আক্তার মীরা নিজের নামে ১ কোটি ৫৭ লাখ ১৮ হাজার ৪৪ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করেছেন, যার বৈধ কোনো উৎস তিনি দেখাতে পারেননি। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তাঁর নামে থাকা ১০টি ব্যাংক হিসাবে ১৩৯ কোটি ৩৫ লাখ ৮২ হাজার ৯৬৪ টাকা জমা এবং ১৩৯ কোটি ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ৬৬৮ টাকা উত্তোলন করেছেন তিনি। এতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৭৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

    দুদক জানায়, এসব লেনদেন সন্দেহজনক এবং তা মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে।

    একই ধরনের অভিযোগে সৈয়দা রুবিনা আক্তারের স্বামী মো. মোশারফ হোসাইন সরদারের বিরুদ্ধেও একটি মামলা হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তিনি নিজের নামে ১ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৫০৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁর নামে থাকা তিনটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ১৮৪ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ৪০৪ টাকা এবং উত্তোলন হয়েছে ১৮২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৬ হাজার ৩৬৮ টাকা। এ হিসাবে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৬৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

    এ মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন। মো. মোশারফ হোসাইন সরদারের বিরুদ্ধেও দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, স্ত্রী রুবিনা আক্তারের সহায়তায় তিনি এসব করেছেন।

  • চুয়াডাঙ্গায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ২১টি স্বর্ণের বারসহ একজন আটক

    চুয়াডাঙ্গায় ৩ কোটি ৬০ লাখ ২১টি স্বর্ণের বারসহ একজন আটক

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
    ভারতে পাচারের আগেই চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ টাকা মূল্যের ২ কেজি ৪৪৯ গ্রাম ওজনের ২১টি অবৈধ স্বর্ণের বারসহ এক চোরাকারবারীকে আটক করেছে বিজিবি।
    বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত পৌঁনে ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক হায়দার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যে জানতে পারেন যে, চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাকারবারীরা ভারতে স্বর্ণ পাচার করবে।
    সংবাদের ভিত্তিতে অধিনায়কের দিকনির্দেশনায় তারই নেতৃত্বে বিজিবির একটি সশস্ত্র দল সীমান্ত পিলার নম্বর ৭৫/৩-এস হতে আনুমানিক ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দর্শনা পৌর এলাকার ইশ্বরচন্দ্রপুর রাস্তার ওপর এ্যাম্বুশ করে। এদিন আনুমানিক বেলা ১২ টা ২০ মিনিটে বিজিবি’র দলটি একটি মোটরসাইকেলযোগে ২জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে সীমান্তের দিকে যেতে দেখে। ওই সময় তাদের থামার সংকেত দিলে মোটরসাইকেল আরোহীদের ১জন মোটরসাইকেল চালিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও অন্যজন নেমে পাশের একটি ছোট পুকুরে ঝাঁপ দেয়। পরবর্তীতে টহলদল পানিতে নেমে জেলার জীবননগর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের আনার আলীর ছেলে আবদিন মিয়াকে আটক করে। আটকের সময় সে তার হেফাজতে থাকা ১টি প্যাকেট সদৃশ বস্তু পুকুরে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। বিজিবি তার দেহ তল্লাশীর সময় অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ১টি প্যাকেট উদ্ধার করে। পরবর্তীতে বিজিবি দলের সদস্যগণ পুকুর থেকে চোরাকারবারীর ফেলে দেওয়া অপর প্যাকেটটিও উদ্ধার করে। উদ্ধারকরা ২টি প্যাকেট হতে ২১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আটক ব্যক্তির ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন সেট এবং নগদ ২০২ টাকা জব্দ করা হয়। উদ্ধারকরা স্বর্ণের বারগুলোর ওজন ২ কেজি ৪৪৯ গ্রাম। উদ্ধার করা স্বর্ণের তালিকা মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ৮৯০ টাকা।
    ঘটনার ব্যাপারে নায়েক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় মামলা করে আটক ব্যক্তিকে থানায় হস্তান্তর করেছে। উদ্ধারকরা স্বর্ণের বারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
    বিডি/ এআর
  • লোহাগড়ায় দুর্নীতি বিরোধী শপথ শিক্ষার্থীদের

    লোহাগড়ায় দুর্নীতি বিরোধী শপথ শিক্ষার্থীদের

    নড়াইল প্রতিনিধি

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের হাফেজ আব্দুল করিম একাডেমির শিক্ষার্থীরা দুর্নীতি বিরোধী শপথ গ্রহণ করেছে।

    ‘নিজেরা দুর্নীতি করব না, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিব না’-এই স্লোগানে বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে বিদ্যালয়ের চার শতাধিক শিক্ষার্থীর শপথ অনুষ্ঠিত হয়।

    শপথ বাক্য পাঠ করান লোহাগড়া উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির (দুপ্রক) নির্বাহী সদস্য শারমিন ইসলাম। লোহাগড়া উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও দুর্নীতি দমন কমিশনের দেয়া শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন-দুদকের যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক তৌহিদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন দুপ্রক লোহাগড়া উপজেলা কমিটির নির্বাহী সদস্য কোহিনুর পারভিন।

    এছাড়া বক্তব্য দেন-লোহাগড়া উপজেলা কৃষি অফিসার ফারজানা আক্তার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অহিদুজ্জামান, দুপ্রক লোহাগড়া উপজেলা কমিটির সাবেক সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম ও সাবেক সহ-সভাপতি শেখ কবির হোসেনসহ অনেকে।

    বিডি/ এআর

  • নড়াইলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে আ’লীগের মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল 

    নড়াইলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে আ’লীগের মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল 

    নড়াইল প্রতিনিধি

    নড়াইলের কালিয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা ইউসুফ, পৌর কৃষকদলের আহবায়ক গোলাম রসুল মান্দার, পৌর ছাত্রদল নেতা মিকাইল শেখসহ দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত চাঁদাবাজির মামলা দায়েরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল এবং সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    কালিয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে বুধবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় কালিয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    এর আগে ছোটকালিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ নেতাকর্মীরা। কালিয়া পৌর শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম লিকুর ভাবী রহিমা খানম বাদি গত ৫ আগস্ট কালিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। আওয়ামী লীগের দখলকৃত দোকান বুঝে নেয়ায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এ ষড়যন্ত্রমূলক মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ বিএনপি নেতারা।

    কালিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরদার আনোয়ার হোসেনসহ ভুক্তভোগীরা বলেন, কালিয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা ইউসুফের ফুপাতো ভাই সরফরাজ আহম্মেদ বাদশা ২০১৫ সালে জেলা পরিষদ থেকে তার বাড়ির সামনের জায়গা বন্দোবস্ত নেন। সরকারি নিয়মে বন্দোবস্ত আনার পর উপজেলা শ্রমিকলীগ নেতা আকিজ শেখ ও তার ভাই পৌর শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম লিকু নিজেদের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন সময়ে ওই জায়গাটি দখল করে পাকাঘর নির্মাণ করেন। এরপর আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিএনপি নেতা সেলিম রেজা ইউসুফের ফুপাতো ভাই সরফরাজ আহম্মেদ বাদশা জেলা পরিষদ থেকে বন্দোবস্তকৃত জায়গাটি বুঝে নেয়ার পর প্রায় এক বছর পরে এসে তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চাঁদাবাজি মামলা দেয়া হয়েছে।

    এ মামলা দায়েরের তীব্র প্র্রতিবাদসহ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন-কালিয়া পৌর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, কালিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া মিঠু, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক ইকরাম রেজা, জেলা কৃষকদলের সাবেক সভাপতি এম রেজাউল ইসলাম, জেলা শ্রমিকদলের সিনিয়র যুগ্মআহবায়ক মোল্যা বখতিয়ার হোসেন, পৌর বিএনপির সহসভাপতি শফিকুর রহমান, সালামাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খান খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সরদার শাহিনুল আলম, বড়নাল-ইলিয়াসাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খায়রুজ্জামান, যুবদল নেতা গোলাম মশরুর পল্টু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মাহিনুল ইসলাম মাহি, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর জুয়েল সরদার, কালিয়া পৌর যুবদলের যুগ্মআহবায়ক গোবিন্দ বর্মণ, তাঁতীদলের উপজেলা সভাপতি সরদার তৌহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা ওয়ালিউল্লাহ জনি, বিএনপি নেতা কুদ্দুস বিশ্বাসসহ অনেকে।

    কালিয়া থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বিডি/ এআর

  • সাবেক ভিসি নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহ গ্রেফতার

    সাবেক ভিসি নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহ গ্রেফতার

     

    নিউজ ডেস্ক:

    বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য (ভিসি) নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) চাহিদাপত্রের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

    বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার (ডিবি-দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।

    তিনি বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে দুদক কর্তৃক তদন্তাধীন একটি মামলায় দুদকের রিকোজিশন ছিলো। সেটির ভিত্তিতে গোয়েন্দা কার্যক্রমে পরিচালনার মাধ্যমে মোহাম্মদপুরে নিজ বাসা থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক ভিসি নাজমুল হাসান কলিমুল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুদকের কাছে তাকে হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

  • গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইগ্রেশনের সুযোগ

    গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইগ্রেশনের সুযোগ

    নিউজ ডেস্ক:

    ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত ১৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম আজ বৃহস্পতিবার শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আবারও মাইগ্রেশনের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। আগামী রোববার (১০ আগস্ট) গুচ্ছের উপাচার্যদের সভায় এ বিষয়টি চূড়ান্ত করা হতে পারে।

    এ তথ্য জানান গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির আহবায়ক এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ।

    তিনি বলেন, আমাদের কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো আসন ফাঁকা রয়েছে। যদিও ফাঁকা আসনের সংখ্যা কম, তবুও আমরা আরেকটি মাইগ্রেশন দেওয়ার বিষয়ে ভাবছি। আগামী ১০ আগস্ট গুচ্ছের কোর কমিটির সভা রয়েয়েছ। ওই সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ আরও বলেন, মাইগ্রেশন চললেও আগামী ১১ আগস্ট থেকে গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস শুরু হবে। ক্লাস শুরুর তারিখে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। মাইগ্রেশন এবং ক্লাস একই সাথে চলবে।

    গুচ্ছভুক্ত ১৯ বিশ্ববিদ্যালয় হলো- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

  • আজ প্রমথ চৌধুরীর জন্মদিন

    আজ প্রমথ চৌধুরীর জন্মদিন

     

    প্রখ্যাত সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরীর জন্মদিন আজ। ১৮৬৮ খ্রিষ্টাব্দের এ দিনে তিনি যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন চাটমোহরের হরিপুর গ্রামের জমিদার বংশের সন্তান। প্রমথ চৌধুরী স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করছে। প্রমথ চৌধুরী নদীয়ার কৃষ্ণনগরে শৈশব ও কৈশর কাটলেও তিনি মাঝে মাঝে আসতেন পৈত্রিক নিবাস হরিপুরে।

    তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুল থেকে এন্ট্রাস, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে এফএ, প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএ (অনার্স) দর্শন ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা, আইন কলেজে ও ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা ও ঠাকুর এস্টেটের ব্যবস্থাপক পদে কাজ করেন তিনি। এরই মাঝে সাহিত্য চর্চায় মনোনিবেশ করেন তিনি। সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরী চলিত ভাষাকে সম্মানের আসনে বসিয়েছেন। তার সমসাময়িক সময়ে তার মতো প্রখর রুচিশীল লেখক খুব একটা ছিল না।

    তার উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ হলো বীরবলের হালখাতা, তেল নুন লাকড়ী, নানা কথা, আমাদের শিক্ষা, রায়তের কথা, নানাচর্চা ও প্রবন্ধ সংগ্রহ। বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন তিনি। বাংলা সাহিত্যের জন্য কাজ করে গেছেন নিরলসভাবে। প্রমথ চৌধুরী স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি প্রভাষক ইকবাল কবীর জানান, প্রমথ চৌধুরীর পৈত্রিকনিবাস ৩ বছর আন্দোলনের পর তিন একর জমি দখলমুক্ত করে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় পাঠাগার গড়ে তোলা হয়েছে।

    সাহিত্য ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর প্রধান খ্যাতি মননশীল প্রবন্ধলেখক হিসেবে। তবে তিনি উচ্চমানের গল্প ও কবিতাও রচনা করেছেন। বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। বুদ্ধিদীপ্ত তির্যকভঙ্গি তার গদ্য-পদ্য সব রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য। শাণিত যুক্তি ও আলঙ্কারিক ভাষা প্রয়োগেও তিনি দক্ষ ছিলেন। তিনি ইংরেজি ও ফরাসি সাহিত্যে সুপন্ডিত ছিলেন। ফরাসি সনেটরীতি ট্রিয়লেট, তের্জারিমা ইত্যাদি বিদেশি কাব্যবন্ধ বাংলা কাব্যে তিনিই প্রবর্তন করেন। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: তেল-নুন-লাকড়ি (১৯০৬), সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩), চার-ইয়ারি কথা (১৯১৬), বীরবলের হালখাতা (১৯১৬), The Story of Bengali Literature (১৯১৭), পদচারণ (১৯১৯), রায়তের কথা (১৯২৬), নীললোহিত (১৯৩২) ও আত্মকথা (১৯৪৬)।

    প্রমথ চৌধুরী ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে কৃষ্ণনগরে অনুষ্ঠিত একবিংশ বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিরিশচন্দ্র ঘোষ-বক্তারূপে বঙ্গ সাহিত্যের পরিচয় তুলে ধরেন। ১৯৪১ খ্রিষ্টাব্দে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জগত্তারিণী স্বর্ণপদকে ভূষিত হন। ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দের ২ ডিসেম্বর শান্তিনিকেতনে তার মৃত্যু হয়।