Blog

  • আরও ৩,৭৩৬ শিক্ষক পাচ্ছেন এমপিও স্বীকৃতি

    আরও ৩,৭৩৬ শিক্ষক পাচ্ছেন এমপিও স্বীকৃতি

    শিক্ষা ডেস্ক:

     

    বিভিন্ন বেসরকারি স্কুল-কলেজে নতুন নিয়োগ পাওয়া তিন হাজার ৭৩৬ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও কমিটি। তাদের মধ্যে স্কুলের দুই হাজার ৮২১ জন এবং কলেজের ৯১৫ জন শিক্ষক রয়েছেন। এছাড়াও বিএড স্কেল দেয়া হচ্ছে ৬৫৬ জনকে এবং উচ্চতর স্কেল দুই হাজার এক জনকে।

    গতকাল শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মার্চ মাসের এমপিও (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পদাধিকার বলে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, মাউশি অধিদপ্তরের নয়জন করে আঞ্চলিক পরিচালক ও উপপরিচালক অংশ নেন।

    কোন অঞ্চলের কতোজন এমপিওভুক্ত: সভায় অংশ নেয়া একাধিক কর্মকর্তা দৈনিক আমাদের বার্তাকে জানান, স্কুলের দুই হাজার ৮২১ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ২৮২, চট্টগ্রামের ২৯৭, কুমিল্লার ২৪০, ঢাকার ৩৬৭, খুলনার ৩৯৯, ময়মনসিংহের ২৮০, রাজশাহীর ৪৬৩, রংপুরের এক হাজার ৩৮৩ এবং সিলেটের ১১০ জন।

    কলেজের ৯১৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে বরিশাল অঞ্চলের ৬৮, চট্টগ্রামের ৩৬, কুমিল্লার ৭২, ঢাকার ৯১, খুলনার ১৫১, ময়মনসিংহের ৬৮, রাজশাহীর ১৬৯, রংপুরের ২২৯ এবং সিলেটের ৩১ জন রয়েছেন।

    বি/ এ

     

  • হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

    স্বাস্থ ডেস্ক:

     

    হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে আরও ১ হাজার ৯৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকাতেই ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট ২৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে সারাদেশে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৬ হাজার ৯১১ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ২৩ হাজার ২২৫ জন শিশু।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন করে ৭২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার ২৪ জন শিশুর মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ৩৯ হাজার ৩২৫ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ৫ হাজার ২১৮ জন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে।

    বি / এ

  • এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়।

    রুটিন অনুযায়ী, ২ জুলাই সকাল ১০টায় ‘বাংলা প্রথম পত্র’ (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে। আর শেষ হবে ৮ আগস্ট ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে।এবারের পরীক্ষা নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলবে।

    আবার দ্বিতীয় শিফটে বিকেল ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষার্থীদের আসন গ্রহণ করতে হবে।পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল, রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।এদিকে ব্যবহারিক বিষয় সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।

  • আলিম পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

    আলিম পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

    শিক্ষা ডেস্ক

    চলতি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। ২ জুলাই এ পরীক্ষা শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টায় শেষ হবে।

    শনিবার মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়।

    প্রথম দিনে কুরআন মাজিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর লিখিত পরীক্ষার শেষ দিন ৮ আগস্ট উচচ্তর গণিত ২য়পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ৯ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর বোর্ডে পাঠাতে হবে।

    পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশাবলিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট, ব্যবহারিক বিষয় সম্বলিত পরী

    ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) অংশের জন্য সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) অংশের জন্য সময় ২ ঘন্টা ৩৫ মিনিট। পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় পর্যন্ত চলবে। এমসিকিউ এবং সিকিউ উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোন বিরতি থাকবে না।

    পরীক্ষা কক্ষে প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র বিতরণ: সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ৯টায় অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ। সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ। সকাল সাড়ে ১০টায় বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ (২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ১০.২৫ মিনিট এবং ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় সাড়ে ১০টা)।

    পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ মাদরাসা প্রধানের কাছ থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কমপক্ষে ৭ দিন আগে সংগ্রহ করবেন। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত মূল উত্তরপত্র এবং এমসিকিউ ওএমআর ফরমে তার পরীক্ষার রোলনম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয়কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে কালো কালির বলপয়েন্ট কলম দিয়ে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনোভাবেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোন প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

    ব্যবহারিক সম্বলিত বিষয়ে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লিখিত বিষয়, বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না। ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা স্ব-স্ব কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। তবে কেন্দ্রস্থিত মাদরাসায় বিজ্ঞান বিভাগ না থাকলে বিজ্ঞান বিভাগ আছে এমন নিকটস্থ মাদরাসায় ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সাইন্টিফিক ক্যালকুলেটর (Non-Programmable) ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

    ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে ও ব্যবহার করতে পারবেন না। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যোগাযোগের প্রয়োজনে সাধারণ (নন-এনড্রয়েড) মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। তত্ত্বীয়/সৃজনশীল/বহুনির্বাচনি, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় একই স্বাক্ষরলিপি ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষার্থীর স্বাক্ষরলিপি পরীক্ষায় তার উপস্থিতির নির্ভরযোগ্য দলিল হিসাবে বিবেচিত হবে। মুজাব্বিদ মাহির বিভাগের কিরআতে তারতিল (বিষয় কোড-২৩৪) ও কিরআতে হাদর (বিষয় কোড-২৩৫) এর মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বোর্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তরপত্র পুন:নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

  • প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন, গ্রেফতার ৩

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুন, গ্রেফতার ৩

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আগুনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতারের তথ্য দিয়ে পুলিশ বলছে, স্টোর রুমে রাখা ল্যাপটপসহ মালামালের ক্ষতি করতে ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে’ আগুন দেওয়া হয়েছিল।

    আসমাউল ইসলাম নামে একজন পুরুষ পরিচ্ছন্নতাকর্মী বোরকা পরে সেখানে আগুন দেয়। ওই আগুন দিতে তার সঙ্গে ৫ লাখ টাকার চুক্তির তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ।

    শনিবার (২ মে) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসে পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মো. মোস্তাক সরকার এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতারসহ এসব তথ্য দেন।

    গ্রেফতার আসমাউল মাস্টাররোলে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে অধিদপ্তরে কাজ করতেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার বাকি দুজন হলেন- স্টোর ইনচার্জ জিনাত আলী বিশ্বাস ও মাস্টাররোলে স্টোর কিপার হিসেবে কর্মরত হুয়ামুন কবীর খান।

    গতকাল শুক্রবার ভোরে অধিদপ্তরের দ্বিতীয় তলার স্টোর রুমে আগুন লাগে। সেখানে ৭৩৫টি ল্যাপটপ ছিল, যেগুলো মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য রাখা হয়েছিল।

    সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ বলছে, আগুনে ১৪০টি ল্যাপটপ পুরোপুরি পুড়ে যায়। ২৯টির বেশির ভাগ অংশ এবং ৩৩টি ল্যাপটপ আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। আর ৪৫০টি ল্যাপটপ অক্ষত ছিল।

    হিসাব অনুযায়ী বাকি ৮৩টি ল্যাপটপের ‘হদিস মেলেনি’ বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    সংবাদ সম্মেলনে উপকমিশনার মোস্তাক বলেন, ‘আগুন দেওয়া’ আসমাউলের সঙ্গে সেখানে কর্মরত আরো দুইজনসহ অন্তত তিনজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে।

    “স্টোররুমে রক্ষিত ল্যাপটপ ও মালামালের ক্ষতি করতে আগুন দেওয়া হয়েছিল। আগুনে প্রায় ২-৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।”

    ঘটনার পরপরই কাজ শুরুর ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে চিহ্নিত করে পুলিশ।

    মোস্তাক সরকার বলেন, “চিহ্নিত করার পর আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখি, আসলে সে প্রকৃত জড়িত কি না। নিশ্চিত হওয়ার পরে তাকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হয়।”

    এরপর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আসমাউল তার সঙ্গে জড়িতদের আরো তিনজনের বিষয়ে তথ্য দেয়- যাদের মধ্যে দুইজনকে গ্রেফতারের কথা বলেন তিনি।

    “যে তথ্য পেয়েছি, হৃদয় নামে আরেকজন শনাক্ত হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের কার্যক্রম চলমান আছে।”

    পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, “আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। মূল যে মোটিভ এবং পরিকল্পনায় তাদের বাইরে আর কেউ আছে কি না সেগুলো বের করতে কাজ করছি। তাদেরকে হেফাজতে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করব, আশা করি মূল মোটিভ উদ্ধার করতে সক্ষম হব।”

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “তারা কিছু জিনিস বলেছে, এটা আরও যাচাই করতে হবে। অনেকগুলো বিষয় সামনে আছে। এটা একটা সরকারি ভবন, মাঠপর্যায়ে বিতরণের জন্য ল্যাপটপগুলো রাখা ছিল, এই সময়ে কেন আগুন দেওয়া হল।

    “যে আগুন দিয়েছে সে ওখানেই চাকরি করে। অন্যান্য যারা আছে, তাদের উদ্দেশ্য কী? জানতে পেরেছি, যে আগুন দিয়েছে তাকে আর্থিক প্রলোভন দেওয়া হয়েছিল। ৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল এ কাজটা করে দেওয়ার জন্য। এরমধ্যে নগদ ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে সে বিভিন্ন জিনিস কিনেছে। এ তথ্যগুলো আছে, জিনিসগুলো উদ্ধারসহ অন্যান্য কাজগুলো করতে একটু সময় লাগবে।”

    তার ভাষ্য, “যেহেতু তদন্ত চলমান, সবগুলো বিষয় খোলাসা করে বলা যাবে না। তাতে তদন্তকাজ বাধাগ্রস্থ হতে পারে।”

    ৮৩টি ল্যাপটপের হদিস না মিললেও সিসিটিভি ভিডিয়োতে সেখান থেকে কোনোকিছু সরানোর প্রমাণ পায়নি পুলিশ।

    কার সঙ্গে ৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আপাতত জানতে পেরেছি এ বিষয়ে তাদের নিজেদের মধ্যেই কথাবার্তা হয়েছে।

    বি / এ

  • তরুণ প্রজন্মই নতুন বিশ্ব দেখাবে; শিক্ষামন্ত্রী

    তরুণ প্রজন্মই নতুন বিশ্ব দেখাবে; শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমরা চাই বছরজুড়ে আমাদের ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা ও পড়ালেখায় ব্যস্ত থাকুক। এর ফলে তাদের মেধা ও মননের সংস্কার হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নতুন জাতি হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে আমাদেরকে তুলে ধরবে এই বিশ্বাস আমাদের রয়েছে।

    শনিবার (২ মে) বিকেলে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নতুন কুঁড়ির মাধ্যমে এভাবে সারা দেশে অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন। সেখান থেকে অনেক প্রতিভা বের হয়ে আসছিল। তারই জ্যেষ্ঠপুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে মেধাবীদের খুঁজে বের করছেন। বিশ্বের খেলাধুলার ন্যায্য হিস্যা আমরা পাইনি। সে জায়গায় যেন আগামী দিনে আমাদের হিস্যা বুঝে পাই, আমাদের সন্তানেরা যাতে বিশ্বের মানের খেলাধুলায় অংশ নিতে পারে, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে তিনি এই অনুষ্ঠান শুরু করেছেন।তিনি বলেন, আমরা দেখেছি বিগত দিনে সামাজিকভাবে আমাদের তরুণ প্রজন্মের অবক্ষয় ঘটেছিল। তারা মাদকাসক্ত হয়েছিল। ফ্যাসিস্ট সরকার এ বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন আনন্দের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা

    অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) নাজমুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান ও চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মমিনুল হক।

    বক্তব্য শেষে মন্ত্রী বেলুন উড়িয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বি / এ

  • মতপ্রকাশে দমন-পীড়ন আর নয়; প্রধানমন্ত্রী

    মতপ্রকাশে দমন-পীড়ন আর নয়; প্রধানমন্ত্রী

    বিডি ডেস্ক:

    কথা বললেই পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে এমনটি আর চলবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মানুষ যদি কোন সমস্যায় পড়ে তবে যেনো তার সমস্যার কথা বলতে পারে। অনেক হয়েছে মতপ্রকাশে দমন-পীড়ন চলতে দেওয়া যাবেনা। মানুষের স্বাধীণতা থাকতে হবে।

    শনিবার সন্ধ্যায় সিলেট শিল্পকলা একডেমিতে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, একটা কথা বললো, আর পুলিশ এসে ধরে নিয়ে গেলো। ‘নো’- মানুষ এটা চায় না। কেউ যদি কোনো অপরাধ করে তবে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেটা অন্য ব্যাপার।

    তিনি বলেন, আজকে এই রাস্তায় এতো মানুষ ভিড় করলো, তারা তো সবাই বিএনপি করে না, তবু কেনো রাস্তায় নেমে এলো, কারণ মানুষ মনে করে, বিএনপি এখনো সঠিক পথে আছে। তাই মানুষ রাস্তায় নেমে তার সমর্থন জানিয়েছে। কিন্তু এই সমর্থন ধরে রাখতে পরিশ্রম করতে হবে। ছাড় দিতে হবে।

    ছাড় দেওয়ার উদাহরণ টেনে তিনি নেতা-কর্মীদের বলেন, আপনি ক্ষমতাসীন দলে কর্মী এই জিনিসটা মাথায় আনা যাবে না। এটি মাথায় আনলেই বরবাদ হয়ে যাবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সে নির্বাচনে সব জায়গায় একজন ক্যান্ডিডেট দিতে হবে। তার আগে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেতা-কর্মীদের আচরণে জনগন যাতে অসন্তুষ্ট না হয় সেদিকে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে। সবাইকে দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলারও নির্দেশ দেন তিনি।

    সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

    মতবিনিময় সভায় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী শহিদ উদ্দন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংসদের হুইপ জিকে গৌছ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, মিফতাহ সিদ্দিকীসহ সিলেটে বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যগণ, সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    বি/ এ

  • চকরিয়ায় খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে বন্য হাতি, পাকা ধান নিয়ে চিন্তায় কৃষক

    চকরিয়ায় খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে বন্য হাতি, পাকা ধান নিয়ে চিন্তায় কৃষক

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পাকা ধান রক্ষায় রাত জেগে পাহারা দেন। পাহারা দিতে গিয়ে অনেক সময় বন্য হাতির আক্রমণে অনেক জায়গায় কৃষকদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। গত এক সপ্তাহ ধরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পাহাড়িয়া এলাকায় খাদ্যের সন্ধানে পাহাড় থেকে নেমে আসছে বন্য হাতি। এরা কখনো দলবেঁধে আবার কখনো দলছুট হয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। এতে এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পাকা ধান নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

    শনিবার (২ মে) বিকেল ৪টার দিকে দলছুট হয়ে ডুলহাজারা পূর্ব মাইজপাড়া এলাকার লোকালয়ে ঢুকে পড়ে একটি বন্য হাতি। তবে ধানের কোনো ধরনের ক্ষতি করার আগেই হাতিটিকে তাড়াতে সক্ষম হয় এলাকাবাসী।

    স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর বোরো ধান কাটার মৌসুমে চকরিয়া উপজেলার পাহাড়িয়া, সুরাজপুর, মানিকপুর, ডুলাহাজারা, ফাঁসিয়াখালী, বরইতলী ও হারবাং ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় থেকে বন্য হাতি নেমে আসে। হাতিগুলো পাকা ধান পায়ে পিষ্ট করে ও খেয়ে নষ্ট করে। এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পাকা ধান রক্ষায় রাত জেগে পাহারা দেন। পাহারা দিতে গিয়ে অনেক সময় বন্য হাতির আক্রমণে অনেক জায়গায় কৃষকদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।

    আবার কৃষকরাও বন্য হাতির আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে ফসলি জমির চারদিকে কাঁটাতারে ঘেরা, বিদ্যুতায়িত করে রাখাসহ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে গিয়ে অনেক বন্য হাতিরও মৃত্যু হয়। আবার সেই বিদ্যুতায়িত তারে আটকা পড়ে অনেক কৃষকের মৃত্যুর ঘটনাও রয়েছে।

    পার্শ্ববর্তী বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা ও আলীকদম উপজেলায় এক শ্রেণির অবৈধ ব্যবসায়ী বনের গাছপালা কেটে ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করছেন। তারা বনবিভাগের কর্মীদের সহায়তায় অবাধে বন ধ্বংস করছেন। ফলে বন্য হাতির আবাসস্থল নষ্ট হচ্ছে। আর এ কারণেই বন্য হাতি বসবাসের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় ও খাদ্যের অভাবে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে বলে জানান অভিজ্ঞ মহল।

    ডুলাহাজারার স্থানীয় সংবাদকর্মী মোহাম্মদ শাহ আলম জানান, ডুলাহাজারার পূর্ব মাইজপাড়া এলাকার লোকালয়ে আজ (শনিবার) বিকেল ৪টার দিকে দলছুট একটি বন্য হাতি ঢুকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন কৌশলে হাতিটিকে তাড়াতে সক্ষম হয়। এ সময় হাতিটি এলাকায় তেমন ক্ষয়-ক্ষতি করেনি।

    এ,আর

  • ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ১৬ মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত

    ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ১৬ মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত

    ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে অবস্থিত অন্তত ১৬টি মার্কিন ঘাঁটি সামরিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী আগ্রাসনের জবাবে ইরানের পাল্টা হামলায় এসব স্থাপনা তছনছ হয়ে যায়।

    স্যাটেলাইট চিত্র, ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন এবং মার্কিন ও উপসাগরীয় সূত্রের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ কয়েকটি স্থাপনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে কিছু সম্পূর্ণ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মূল্যায়ন রয়েছে। কিছু স্থাপনা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে বন্ধ করার মতো অবস্থায়, আবার কিছু কৌশলগত কারণে মেরামতের উপযোগী।  ইরানি হামলাগুলো প্রধানত উন্নত রাডার সিস্টেম, যোগাযোগ অবকাঠামো, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সামরিক বিমানকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।

    জর্ডানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার থাড (THAAD)-এর সঙ্গে যুক্ত রাডার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ঘাঁটির রাডার স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া সৌদি আরবের একটি বিমান ঘাঁটিতে হামলায় একটি মার্কিন বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি (E-3 Sentry) নজরদারি বিমান ধ্বংস হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    পেন্টাগনের ঘোষিত ব্যয়ের তুলনায় যুদ্ধের প্রকৃত খরচ অনেক বেশি হতে পারে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত কম্পট্রোলার জুলস হার্স্ট তৃতীয় আইনপ্রণেতাদের জানান, ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত মার্কিন করদাতাদের ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। তবে সূত্রগুলো বলছে, ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং সরঞ্জাম প্রতিস্থাপন যোগ করলে মোট ব্যয় ৪০ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

    কংগ্রেসের একজন কর্মকর্তা নিউ ইয়র্ক টাইমসকে জানান, শুধু যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর মেরামতেই প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে।

    মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ কংগ্রেসে শুনানির সময় স্পষ্ট করেননি যে অবকাঠামো মেরামতের খরচ সরকারি হিসাবের অন্তর্ভুক্ত কি না। পরে হার্স্ট স্বীকার করেন, বিদেশে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, পুনর্গঠনের সম্ভাব্য ব্যয় ২০২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

    যুদ্ধের প্রথম ছয় দিনেই প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ এই সংঘাত সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত ২০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বাজেট চেয়েছে।

    যুদ্ধের প্রভাব জ্বালানি বাজারেও পড়েছে। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং ইরানের বন্দর অবরোধের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু এলাকায় গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালন ৮ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।#

  • ইরানের জন্য স্থল পথ খুললো পাকিস্তান

    ইরানের জন্য স্থল পথ খুললো পাকিস্তান

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌ-অবরোধ এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর বিধিনিষেধের ফলে করাচি বন্দরে আটকা পড়া হাজার হাজার কন্টেইনার গন্তব্যে পৌঁছাতে ছয়টি স্থল ট্রানজিট রুট খুলে দিয়েছে পাকিস্তান।

    গত ২৫ এপ্রিল পাকিস্তানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পণ্য ট্রানজিট আদেশ-২০২৬ জারি করেছে, যা অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে। এই আদেশ অনুযায়ী, তৃতীয় দেশ থেকে আসা পণ্য পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে সড়কপথে পরিবহন করে ইরানে পৌঁছে দেয়া যাবে।

    ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধের মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার এটি সর্বশেষ সংযোজন। এই পদক্ষেপ নিয়ে ইরান প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি এবং ইসলামাবাদে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস থেকেও তথ্য পাওয়া যায়নি।

    এর মধ্যে গোয়াদর-গাবদ করিডোরটি সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত, যার মাধ্যমে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে ইরানের সীমান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে, যেখানে করাচি বন্দর থেকে ইরানের সীমান্তে পৌঁছাতে ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা সময় লাগত। কর্মকর্তাদের মতে, করাচি বন্দরের খরচের তুলনায় গোয়াদার-গাবদ রুটটি ৪৫ থেকে ৫৫ শতাংশ পরিবহন খরচ কমাতে পারে।