Blog

  • মধ্যপ্রাচ্যে সাড়ে ৮ বিলিয়নের অস্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের

    মধ্যপ্রাচ্যে সাড়ে ৮ বিলিয়নের অস্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের কাছে ৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসব অস্ত্র বিক্রি করতে যাচ্ছে দেশটি।

    শুক্রবার (০১ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের কাছে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ শুরুর ৯ সপ্তাহ পর এ সিদ্ধান্ত এসেছে। এছাড়া বর্তমানে কার্যকর নাজুক যুদ্ধবিরতির তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় পেরিয়েছে।

    পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ এসব দেশের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে অস্ত্র বিক্রি প্রয়োজন। এজন্য কংগ্রেসের পর্যালোচনার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    ঘোষণায় বলা হয়, কাতারের কাছে ৪ দশমিক ০১ বিলিয়ন ডলারের প্যাট্রিয়ট বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ সেবা এবং ৯৯২ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলারের অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেমস (এপিকেডব্লিউএস) বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কুয়েতের কাছে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের সমন্বিত যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ইসরায়েলের কাছে ৯৯২ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলারের এপিকেডব্লিউএস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ১৪৭ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলারের এপিকেডব্লিউএস বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা এবং লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

    পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, কাতার, ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে এপিকেডব্লিউএস বিক্রির প্রধান ঠিকাদার ছিল বিএই সিস্টেমস। অন্যদিকে কুয়েতের কাছে সমন্বিত যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং কাতারের কাছে প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ সেবার ক্ষেত্রে প্রধান ঠিকাদার ছিল আরটিএক্স করপোরেশন ও লকহেড মার্টিন। এছাড়া কুয়েতের চুক্তিতে নর্থরপ গ্রুমানও একটি প্রধান ঠিকাদার হিসেবে যুক্ত ছিল।

    বছরের পর বছর ধরে কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক নিয়ে ওয়াশিংটন সমালোচনার মুখে পড়েছে। মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ, এসব দেশে সংখ্যালঘু, সাংবাদিক, ভিন্নমতাবলম্বী, এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায় ও শ্রমিকদের ওপর নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা ও নির্যাতন রয়েছে। তবে এসব দেশ নিজেদের বিরুদ্ধে আনা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। বিশেষ করে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের কারণে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। এতে কয়েক দশ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে এবং কিছু গবেষক ও জাতিসংঘের একটি তদন্তে এটিকে গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ইসরায়েল বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাস-নেতৃত্বাধীন হামলায় ১,২০০ মানুষ নিহত হওয়ার পর তারা আত্মরক্ষার জন্যই এই পদক্ষেপ নিয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।

  • ইঁদুরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ অস্ট্রেলিয়া

    ইঁদুরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ অস্ট্রেলিয়া

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ইঁদুরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার সরকার শনিবার জানিয়েছে, ইঁদুরের উৎপাত প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর প্রভাব খাদ্য উৎপাদনে পরতে পারে। সংকট মোকাবিলায় তারা খামারগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে চেয়েছে।

    সিডনি থেকে টেলিভিশনে দেওয়া এক মন্তব্যে জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস বোয়েন বলেন, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় ইঁদুরের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা স্পষ্টতই উদ্বিগ্ন। এপ্রিল মাসে অস্ট্রেলিয়ার গম কাটার মৌসুম শুরু হয়। এ সময়ে ইঁদুরের উৎপাতও বৃদ্ধি পায়। প্রচুর ফসল নষ্ট করে ফেলে ইঁদুরে। অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের ৪র্থ গম উৎপাদনকারী দেশ।

    এর আগে ১৯৯৩ সালে তারা ইঁদুরের ভয়াবহ আক্রমণের শিকার হয়। ইঁদুরগুলো ফসলের পাশাপাশি শূকর, মুরগি এমনকি মানুষকেও আক্রমণ করতে শুরু করে। উৎপাত বাড়ায় সরকারের পক্ষ থেকে খামারিদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ইঁদুর নিধনে আরো শক্তিশালী পদ্ধতি ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে রয়টার্স।

    সরকার উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, ইঁদুরের মহামারী সরকারের জন্য, কৃষকের জন্য এবং পুরো শিল্পের জন্য পরিস্থিতি কঠিন করে তুলেছে।

  • জার্মানি থেকে ৫০০০ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র: পেন্টাগন

    জার্মানি থেকে ৫০০০ মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র: পেন্টাগন

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ন্যাটো মিত্র জার্মানি থেকে ৫০০০ সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার এ ঘোষণা দিয়েছে পেন্টাগন। ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ইউরোপের মধ্যে মতবিরোধ তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে আরও বলা হয়, এ সপ্তাহের শুরুতে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিক মের্ৎসের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার পর সেনা কমানোর হুমকি দেন ট্রাম্প। মের্ৎস বলেন, ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ‘অপমানিত’ হচ্ছে এবং ওয়াশিংটনের কোনো স্পষ্ট প্রস্থান কৌশল তিনি দেখছেন না।

    পেন্টাগনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জার্মানির সাম্প্রতিক মন্তব্যকে অযৌক্তিক ও অপ্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট এই ধরনের প্রতিকূল মন্তব্যের যথাযথ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। পেন্টাগন জানায়, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে এই সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হবে। বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৩৫,০০০ সক্রিয় মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে- যা ইউরোপে সর্বোচ্চ। এই পদক্ষেপের ফলে ইউরোপে মার্কিন সেনার সংখ্যা ২০২২ সালের আগের স্তরে ফিরে যাবে। ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সেনা সংখ্যা বাড়িয়েছিলেন।

    একই কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন চায় ইউরোপ নিজেই তার নিরাপত্তার প্রধান দায়িত্ব নিক। তবে এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই ট্রাম্পের সেই প্রবণতার অংশ হিসেবে দেখছেন, যেখানে তিনি মিত্রদের অবিশ্বস্ততা মনে করলে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখান। গত সপ্তাহে রয়টার্স এক অভ্যন্তরীণ পেন্টাগন ইমেইলের খবর প্রকাশ করে, যেখানে ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে যথেষ্ট সমর্থন না দেয়ায় ন্যাটো মিত্রদের শাস্তি দেয়ার বিভিন্ন বিকল্প উল্লেখ ছিল। এর মধ্যে স্পেনকে ন্যাটো থেকে স্থগিত করা এবং ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বৃটেনের দাবির বিষয়ে মার্কিন অবস্থান পুনর্বিবেচনার কথাও ছিল।

    আরও সেনা প্রত্যাহার হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেন, ইতালি ও স্পেন থেকেও সেনা সরানোর বিষয়টি তিনি সম্ভবত বিবেচনা করছেন। গত মাসে তিনি স্পেনের ওপর পূর্ণ বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার হুমকিও দেন, কারণ দেশটি তাদের ঘাঁটি ও আকাশসীমা ইরানে হামলার জন্য ব্যবহার করতে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। স্পেনে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দুটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। তা হলো রোটা নৌঘাঁটি এবং মোরন বিমানঘাঁটি।

    ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গেও ট্রাম্পের বিরোধ তৈরি হয়েছে। একসময় তার সমর্থক হলেও ট্রাম্প বলেন, মেলোনির সাহসের অভাব রয়েছে এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে হতাশ করেছেন। ট্রাম্প ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করেছেন। কারণ তারা হরমুজ প্রণালিতে নৌবাহিনী পাঠিয়ে সহায়তা করছে না। হরমুজ প্রণালি বিশ্বব্যাপী তেল পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ, যা ইরান সংঘাতের কারণে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

    পেন্টাগনের ওই কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্ট মিত্রদের বক্তব্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে সহায়তা না করার বিষয়ে তার হতাশা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। চ্যান্সেলর মের্ৎস বলেছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যখন ইরানে হামলা শুরু করে, তখন জার্মানি ও ইউরোপকে আগে থেকে জানানো হয়নি। পরে তিনি ট্রাম্পকে সরাসরি তার সংশয় জানিয়ে দেন। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই জার্মানিতে মার্কিন সেনা উপস্থিতি কমাতে চান।

    জার্মান সামরিক কর্মকর্তারা জানান, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত তাদের জন্য বিস্ময়কর। কারণ একই দিনে পেন্টাগনে তাদের সঙ্গে গঠনমূলক বৈঠক হয়েছিল। তাদের মতে, ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করতে জার্মানি অন্যান্য মিত্রদের তুলনায় বেশি ভূমিকা রেখেছে, যেমন ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি এবং আকাশপথ ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া। জার্মানিতে ল্যান্ডস্টুলে একটি বড় সামরিক হাসপাতালও রয়েছে। এদিকে ২০২৭ সালের বাজেটে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর পরিকল্পনাও অনুমোদন করেছে জার্মান সরকার।##

  • অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে আইআরজিসির ১৪ সদস্য নিহত

    অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করতে গিয়ে আইআরজিসির ১৪ সদস্য নিহত

    আর্ন্তজাতিক নিউজ যডস্ক:

    উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জানজান প্রদেশে অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ বিস্ফোরণে আইআরজিসির ১৪ সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দু’জন। বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে,, নিহতরা একটি বিশেষায়িত ইউনিটের সদস্য। তাদের দায়িত্ব ছিল ওই এলাকায় ছড়িয়ে থাকা অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ অপসারণ করা। সংস্থাটি জানায়, এসব অবিস্ফোরিত অস্ত্রের কারণে প্রায় ১২০০ হেক্টর কৃষিজমি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

  • আমতলীতে খাল খনন কাজের উদ্ধোধন করলেন এমপি অলি

    আমতলীতে খাল খনন কাজের উদ্ধোধন করলেন এমপি অলি

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    ‘অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খনন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দু’টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার কৃষক উপকৃত হবেন।’

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচির আওতায় বরগুনার আমতলীতে দু’টি খান খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২ মে) ওই খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মো: মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরী, আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো: হাসনাইন পারভেজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মাসুম, কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো: জালাল উদ্দিন ফকির, সদস্য সচিব তুহিন মৃধা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আমতলী শাখার সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক জেহাদী, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো: কবির ফকির প্রমুখ।

    সংসদ সদস্য মাওলানা মো: মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ বলেন, ‘অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খনন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দু’টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার কৃষক উপকৃত হবেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠির উন্নয়নেই প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন।’

    উল্লেখ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর ৪ এপ্রিল কুকুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া খালের তিন কিলোমিটার খননের জন্য ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা এবং হলদিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া খালের দুই কিলোমিটার খননের জন্য ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ দেয়।

    খাল খননে ৩৯৭ জন হতদরিদ্র উপকারভোগী কাজ করবেন। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন উন্নয়ন বাস্তবায়ন কমিটি এ খাল খননে সহায়তা করবেন।

    এ,আর

  • সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ রোববার

    সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ রোববার

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জন সংসদ সদস্যের নাম ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান রোববার (৩ মে) রাত ৯টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে (পূর্ব ব্লক, লেভেল-১) অনুষ্ঠিত হবে।

    আজ শনিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জন সংসদ সদস্যের নাম ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনগুলোতে রাজনৈতিক দল ও জোটের অনুকূলে বণ্টনকৃত আসনের ভিত্তিতে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের জোট থেকে ৩৬ জন নির্বাচিত হয়েছেন।

    পাশাপাশি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট থেকে ১২ জন এবং ৬ জন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত জোট থেকে একজন নারী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

    বিএনপি জোট থেকে নির্বাচিতরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোসা: ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জিবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবীবা, মোসা: সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মোসা: সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, মোসা: সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

    জামায়াত জোট থেকে নির্বাচিতরা হলেন- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার, মোসা: নাজমুন নাহার, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও মাহবুবা হাকিম।

    এ ছাড়া স্বতন্ত্র জোট থেকে সুলতানা জেসমিন নির্বাচিত হয়েছেন।

    অপর দিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়নপত্র আজ বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    এ, আর

  • ‘কুমির কীভাবে বাংলাদেশি, ভারতীয়কে আলাদা করবে?’

    ‘কুমির কীভাবে বাংলাদেশি, ভারতীয়কে আলাদা করবে?’

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    সীমান্তের নদীবেষ্টিত এলাকাগুলো দিয়ে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে এক বিতর্কিত পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার যেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়, সেখানে কুমির ও বিষধর সাপের মতো হিংস্র প্রাণী ছেড়ে দেওয়া হবে। যেটিকে ‘প্রাকৃতিক বাধা’ তৈরির পদক্ষেপ বলা হচ্ছে।

    শরণার্থী ও অভিবাসীদের ঠেকাতে ভারত সরকারের এমন পরিকল্পনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষক ও অধিকার কর্মীরা। উত্তর-পূর্ব এবং পূর্ব ভারতের সীমান্ত রাজ্যগুলো নিয়ে গবেষণা করছেন অংশুমান চৌধুরী। তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। ধরা যাক, বিষধর সাপ বা কুমির ছেড়ে দেওয়া হলো। কিন্তু কে বাংলাদেশি আর কে ভারতীয়- সে পার্থক্য এই প্রাণীগুলো কীভাবে করবে?

    অংশুমান চৌধুরীর মতে, নথিপত্রহীন অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এটি চরম নিষ্ঠুরতা। এটি মূলত মানুষের বিরুদ্ধে প্রকৃতি ও প্রাণীকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার একটি নতুন পদ্ধতি। যেটিকে ‘বায়োপলিটিক্যাল’ সহিংসতা বলা যেতে পারে। আলজাজিরাকে অংশুমান চৌধুরী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দুর্বল জায়গা হলো নদী। মূলত নদীপথে স্থায়ী বেড়া দেওয়া প্রায় অসম্ভব। বিএসএফ-এর এই পুরনো উপলব্ধি থেকেই এমন পরিকল্পনা সামনে এসেছে।

    বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের কিছু অংশ অত্যন্ত দুর্গম এলাকায়। নয়াদিল্লির দাবি, এই দীর্ঘ সীমান্তের বেশ কিছু এলাকায় স্থায়ী বেড়া নির্মাণ করা প্রায় অসম্ভব। গত ২৬ মার্চ ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এক অভ্যন্তরীণ বার্তায় পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ফ্রন্টের সদর দপ্তরগুলোকে একটি নির্দেশ দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়েছে, সীমান্তের যেসব নদীপথ বেড়াহীন, সেখানে ‘সরীসৃপ মোতায়েনের সম্ভাব্যতা’ যাচাই করতে হবে।

    কিন্তু এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে সীমান্তের দুই পাশের স্থানীয় বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। নদী ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষের প্রাণহানির শঙ্কা আছে। এছাড়া কৃত্রিমভাবে একটি নির্দিষ্ট এলাকায় বড় শিকারি প্রাণী ছেড়ে দিলে তাতে বাস্তুসংস্থান ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ারও ঝুঁকি আছে।

     

    ‘কুমিরের মুখে ঠেলে দেওয়ার মানে নেই’
    ওয়াইল্ডলাইফ ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার কৌশল ও লিয়াজোঁ প্রধান রথীন বর্মন আলজাজিরাকে বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নদীবেষ্টিত এলাকাগুলোতে কুমির বাস করে না। এই প্রাণীগুলোকে যদি সীমান্তে নিয়ে আসা হয়, তবে সেগুলো টিকে থাকতে পারবে না।

    রথীন বর্মন বলেন, ‘প্রথমত, এই প্রাণীগুলো দ্রুত মারা যাবে। তথাকথিত বিষধর সাপের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।’ সীমান্তের জলাভূমিগুলো প্রায়ই প্লাবিত হয়। ফলে এসব বিষধর সাপ লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ারও শঙ্কা আছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, বিশেষ করে যারা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন তারা প্রাণের ঝুঁকিতে পড়বেন।

    ভারতের মানবাধিকার কর্মী হর্ষ মান্দার বলছেন, এ ধরণের নীতি ভারতীয় রাষ্ট্রের নিষ্ঠুরতাকেই প্রতিফলিত করে। নদীতে থাকা একজন অভিবাসীকে কুমির, সাপ বা বন্দুকের মুখে ঠেলে দেওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ থাকতে পারে না।

    পরিকল্পনার নেপথ্যে কী?
    ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকাগুলো পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয় ও মিজোরাম রাজ্যের পাশ দিয়ে গেছে। নয়াদিল্লি ইতোমধ্যে প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে। বাকি অংশগুলো মূলত জলাভূমি ও নদীবেষ্টিত এলাকা। সেখানে সীমান্তের উভয় পাশে জনবসতি আছে।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে, নথিপত্রহীন অভিবাসীরা ভারতের জন্য এক বড় হুমকি। তাদের দাবি, এই অভিবাসীদের কারণে ভারতের জনতাত্ত্বিক কাঠামো বদলে যাচ্ছে।

    মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের মতে, মোদি সরকার এই বয়ানকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভারতের ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে দেশটির পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাঙালি মুসলমানদের হয়রানি করছে। বিভিন্ন সময়ে বিএসএফ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বন্দুকের মুখে ভারতীয় মুসলমানদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার খবর প্রকাশ পেয়েছে।

    ভারতে বর্তমানে নথিপত্রহীন অভিবাসীর সংখ্যা কত, সেটির আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান নেই। মানবাধিকার কর্মী হর্ষ মান্দার বলছেন, নথিপত্রহীন অভিবাসীর সংখ্যা যদি বেড়েও থাকে, তবে ভারতের উচিত ছিল বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করা। কিন্তু ভারত এখন তাদের মোকাবিলায় ‘বিচারবহির্ভূত পদ্ধতি’ বেছে নিয়েছে।

    অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, ভারত সরকার সাধারণ সংখ্যালঘুদেরকে (বিশেষ করে মুসলিমদের) অভিবাসীর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে; তাদের ওপর অন্যায় আচরণ করার অজুহাত হিসেবে এই নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

    বিশ্বের কোথাও নজির আছে?
    আন্তর্জাতিক সীমানা পাহারা দেওয়ার জন্য প্রাকৃতিক শিকারি প্রাণী মোতায়েন করার কোনো আধুনিক নজির বিশ্বে নেই। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম দফায় প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প এ জাতীয় ধারণা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন বলে জানা যায়।

    তখন বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ট্রাম্প সীমান্তে সাপ বা অ্যালিগেটর (কুমির সদৃশ প্রাণী) ভর্তি পরিখা খননের মতো পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তবে ট্রাম্প এসব প্রতিবেদন অস্বীকার করে বিষয়টিকে ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘আমি সীমান্ত সুরক্ষার বিষয়ে কঠোর হতে পারি, কিন্তু এতটা কঠোর নই।’

  • অং সান সু চি আবার গৃহবন্দী

    অং সান সু চি আবার গৃহবন্দী

    আর্ন্তজাাতিক নিউজ ডেস্ক:

    মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চিকে কারাগার থেকে গৃহবন্দী হিসেবে স্থানান্তর করা হয়েছে।  শুক্রবার সু চির আইনজীবী বলেছিলেন, মিয়ানমার সরকার তার মক্কেলের সাজার মেয়াদ ছয় ভাগের এক ভাগ কমিয়েছে। তবে সু চি তার বাকি সাজা গৃহবন্দী অবস্থায় ভোগ করতে পারবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ২০২১ সালে মিন অং হ্লাইং এক সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। ৮০ বছর বয়সী এই নেত্রী রাজধানী নেপিডোর একটি সামরিক কারাগারে বন্দী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। ওই সময় থেকে জান্তা সরকারকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন মিন অং হ্লাইং। ৩ এপ্রিল তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।মিন অং হ্লাইং এক বিবৃতিতে বলেন, সু চির অবশিষ্ট সাজা ‘নির্ধারিত বাসস্থানে’ কাটানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দুজন সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে তার একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই ঘোষণায় আশ্বস্ত হতে পারছেন না সু চির ছেলে কিম অ্যারিস। তিনি বলেন, মা বেঁচে আছেন কি না, তারও কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। প্রকাশিত ছবিটিকে তিনি ‘অর্থহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। কারণ, এটি ২০২২ সালে তোলা।

  • ১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা ভারতের

    ১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা ভারতের

    আর্ন্তজাতিক নিউজ ডেস্ক:

    প্রতিবেশী ১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে ভারত। চলতি মাসে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে এ মহড়া চালাবে দেশগুলো।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনী মেঘালয়ের উমরোইতে অবস্থিত ফরেন ট্রেনিং নোডে প্রথমবারের মতো বহুজাতিক সামরিক মহড়া ‘প্রগতি’ আয়োজন করতে যাচ্ছে। আগামী ১৮ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এ মহড়া চলবে। এতে ১১টি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের সামরিক প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এই মহড়ার লক্ষ্য হলো প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা, পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধি করা এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে আস্থা গড়ে তোলা।

    ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এই উদ্যোগ যৌথ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রতি সবার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (জনসংযোগ) বিভাগ জানিয়েছে, এই মহড়া আঞ্চলিক বাহিনীগুলোর মধ্যে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে।

    টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, এই মহড়ায় লাওস, মিয়ানমার, সিশেলস, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, নেপাল, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ভুটান অংশ নিচ্ছে। মহড়ার মূল লক্ষ্য বিদ্রোহ দমন এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম। এতে যৌথ প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা কূটনীতির ওপর জোর দেওয়া হবে। এটি প্রতিবেশী দেশ ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির অংশ, যেখানে সক্ষমতা উন্নয়ন ও যৌথ কার্যক্রম পরিচালনার দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মহড়ার মাধ্যমে ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্বিপাক্ষিক প্রশিক্ষণ থেকে সরে এসে বহুপাক্ষিক বা কনসোর্টিয়ামভিত্তিক অংশগ্রহণের দিকে এগোচ্ছে। ওয়ারগেমের পাশাপাশি এই আয়োজনে দুই দিনের শিল্প প্রদর্শনী করা হবে। এতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা তুলে ধরা হবে এবং আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে শিল্প খাতে অংশীদারিত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।

  • ইরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়, আইনি জটিলতার মুখে ট্রাম্প

    ইরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়, আইনি জটিলতার মুখে ট্রাম্প

    আর্ন্তজাতিকনিউজ যডস্ক:

    ইরানে হামলা শুরুর দুই মাস পেরিয়ে গেছে। অস্ত্রবিরতি চললেও যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়নি। এ অবস্থায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত সাংবিধানিক নিয়মের মুখোমুখি হতে হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে।

    যুদ্ধের উদ্দেশে একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর নির্বাহী ক্ষমতায় সর্বোচ্চ ৬০ দিন সেনা মোতায়েন রাখতে পারেন। এই সময় শেষ হলে সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এই সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা। তবে এখনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি।

    কংগ্রেসের বেঁধে দেওয়া এই সময়সীমার তোয়াক্কা না করার ইঙ্গিত দিয়েছে হোয়াইট হাউস। ফলে নতুন করে হামলার শঙ্কায় বৃহস্পতিবার শেষ রাতের দিকে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছিল ইরান।

    আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা তাসনিম ও ফার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী তেহরানের কিছু এলাকায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শব্দ শোনা গেছে। প্রায় ২০ মিনিট ধরে ‘ছোট বিমান ও নজরদারি ড্রোন’ লক্ষ্য করে এই ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা হয়েছিল। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপে ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সময়ে প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধের মেয়াদ বৃদ্ধির অনুমোদন নেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন এবং কংগ্রেসের মধ্যে এক ধরনের সাংবিধানিক বিরোধের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

    গত মার্চের শুরুতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলার বিষয়টি কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিলেন। তখন থেকেই আইন অনুযায়ী ৬০ দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হয়। নিয়ম অনুযায়ী, আইনপ্রণেতারা অতিরিক্ত সময়ের অনুমোদন না দিলে প্রশাসনকে হামলা বা যুদ্ধ বন্ধ করতে হয়।

    ডেমোক্র্যাটদের দাবি, প্রেসিডেন্ট ইতোমধ্যে নড়বড়ে আইনি অবস্থানের ওপর দাঁড়িয়ে আছেন। এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে তিনি আইনত অপরাধী সাব্যস্ত হবেন। সিনেটে ডেমোক্র্যাটিক দলের নেতা চাক শুমার রিপাবলিকানদের প্রতি যুদ্ধ বন্ধে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ৬০ দিনের এই সময়সীমা পার হওয়ার পর ট্রাম্প ‘ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট’ লঙ্ঘন করছেন বলে গণ্য করা হবে।

    তবে ট্রাম্প প্রশাসন এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ। তাদের যুক্তি, যেহেতু গত ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে এবং কোনো হামলাও হয়নি, সুতরাং ওইদিনই ৬০ দিনের সময়সীমা গণনা বন্ধ হয়ে গেছে। এএফপিকে প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘ওয়ার পাওয়ার রেজোলিউশন’ অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত যুদ্ধবিরতি কার্যকরের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আর কোনো গোলাগুলি বা হামলা হয়নি।