Blog

  • লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ৯, আহত ১৩

    লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ৯, আহত ১৩

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় কমপক্ষে নয়জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরো ১৩ জন। যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দক্ষিণ লেবাননের বেশ কয়েকটি শহরে ইসরাইলি বিমান হামলায় কমপক্ষে নয়জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরো ১৩ জন। দেশটির গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ অ্যাজেন্সি জানিয়েছে, জিবচিত শহরে এক হামলায় তিনজন নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন এবং একটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে ।

    তুল শহরে চারজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন এবং আরো একটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়েছে।

    সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে, হারুফ শহরে ইসরাইলি বিমান হামলায় একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলে আরো দু’জন নিহত হন।

    ইসরাইলি যুদ্ধবিমান সুলতানিয়েহ শহরেও হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে জাওতার আল-শারকিয়া ও মিফাদৌনের উপকণ্ঠে কামানের গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে ইসরাইল লেবাননের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে, এতে কমপক্ষে দুই হাজার ৫৩৪ জন নিহত হয়েছেন এবং সাত হাজার ৮৬৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ১৬ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যা দেশটির জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।

    গত ১৭ এপ্রিল শুরু হওয়া ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানো হলেও ইসরাইল প্রতিদিন তা লঙ্ঘন করছে।

    এ,আর

  • অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ১২ কর্মকর্তাকে বদলি

    অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ১২ কর্মকর্তাকে বদলি

    ডেস্ক নিউজ:

    বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপি পদমর্যাদার ১২ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সাতক্ষীরার ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার) মকবুল হোসেনকে একই পদে কুষ্টিয়ায় বদলি করা হয়েছে। ঢাকা এপিবিএন-১২’র অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. ইকবালকে ঢাকা এপিবিএন-৫’র অধিনায়ক করা হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনামুল কবিরকে ঢাকা এপিবিএন-১২’র অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া ঢাকা এপিবিএন-১৩’র অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিহাব কায়সার খানকে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি পদে বদলি করা হয়েছে। র‌্যাবের পরিচালক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং মো. খালিদুল হক হাওলাদারকে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ভূইয়াকে নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার করা হয়েছে। এপিবিএন’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি পুলিশ সুপার) নুসরাত জাহান মুক্তাকে এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে বদলি করা হয়েছে।

    আরেক প্রজ্ঞাপনে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার করা হয়েছে। পুলিশ অধিদফতরের পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনকে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরীকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে এবং ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদারকে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

    বি/ এ

  • চৌগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছা উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার চৌগাছা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
    উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ উদ্যোগে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। টুর্নামেন্টে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (বালক-বালিকা) ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করে। খেলা শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের মাঝে ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
    টুর্নামেন্টে বালিকা দলে সলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে পুড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়। বালক দলে পাতিবিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে ইছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়।
    বালিকা দলের মধ্যে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছে পুড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকা ফুটবল টিমের লাইমা খাতুন। বালক দলের মধ্যে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছে ইছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বালক ফুটবল টিমের দলের রাফিন হাসান।
    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্তে¡ প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি নেতৃত্বগুণাবলী বৃদ্ধি পায়।
    অন্যান্যেদর মধ্যে বক্তৃতা করেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম, সহ-সভাপতি ও পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যাপক নুরুজ্জামান, সহকারি সেক্রেটারী কামাল আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়র, উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আজাহারুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    বি/ এ

  • আমিরাত ওপেক ছাড়ায় তেলের দাম কেন কমতে পারে

    আমিরাত ওপেক ছাড়ায় তেলের দাম কেন কমতে পারে

    নিউজ ডেস্ক:

    সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এরপর থেকেই ওপেক নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।

    পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশের সংস্থা (ওপেক) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে। এর লক্ষ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর তেল নীতি সমন্বয় করা এবং বাজার স্থিতিশীল রাখা। যাতে ভোক্তারা নিয়মিত, সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্নভাবে তেল পায়।

    শুরুর দিকে সদস্য ছিল মাত্র পাঁচটি দেশ- ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনেজুয়েলা। পরে সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১২ টিতে দাঁড়ায়। বর্তমানে বিশ্বে উৎপাদিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৩৬ দশমিক ১৭ শতাংশ সরবরাহ করে এই দেশগুলো। আর বৈশ্বিক তেল মজুতের প্রায় ৭৯ দশমিক ২২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে ওপেক সদস্যরা। ইউএই ১৯৬৭ সালে এই জোটে যোগ দেয়।

    ওপেকের পাশাপাশি আরেকটি নাম নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। সেটি হলো ওপেক প্লাস। এটি আরও বড় একটি জোট। এতে ওপেক সদস্যদের পাশাপাশি রাশিয়াসহ অন্যান্য তেল উৎপাদনকারী দেশও আছে।

    ওপেকের কাজ কী
    সদস্য দেশগুলো নিয়মিত বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এরপর তারা যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেয়- তেলের উৎপাদন বাড়ানো হবে, না কমানো হবে। এর মাধ্যমে তারা সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করে।

    তেলের উৎপাদন কমালে বাজারে সরবরাহ কমে যায়, ফলে দাম বাড়ে। আবার উৎপাদন বাড়ালে সরবরাহ বেড়ে যায়, তখন দাম কমার প্রবণতা দেখা যায়। এই সিদ্ধান্তগুলো সাধারণত সর্বসম্মতভাবে নিতে হয়। ফলে ওপেকের সিদ্ধান্ত বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও দামের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

    আমিরাতের জোট ছাড়ার প্রভাব
    ইউএই চায় ওপেকের উৎপাদন কোটা বাড়ানো হোক। কারণ, বর্তমানে যতটা তেল উৎপাদনের অনুমতি আছে, তার চেয়ে তাদের উৎপাদনের সক্ষমতা অনেক বেশি। ইউএই জানিয়েছে, তারা জোট থেকে বেরিয়ে আগামী ১ মে থেকে নিজেদের মতো করে উৎপাদনের মাত্রা নির্ধারণ করবে।

    ওপেক সদস্য দেশগুলোর তেল ও জ্বালানিমন্ত্রীরা সাধারণত বছরে দুইবার বৈঠক করেন। সেখানে জোটের মোট উৎপাদনমাত্রা ঠিক করা হয়। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত জরুরি বৈঠকও হয়।

    আমিরাতের ওপেক ছাড়ার খবরে তেলের দামে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, আমিরাতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্ববাজারে সরবরাহ বাড়বে, ফলে দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনা আছে।

    এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন, বাজারে সরবরাহ সীমিত রেখে ওপেক তেলের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়াচ্ছে।

    বাণিজ্যের ধরনে বদল
    সংযুক্ত আরব আমিরাত ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের তেলের দাম কৃত্রিমভাবে বেশি রাখার সক্ষমতায় বড় ধাক্কা লেগেছে। ওপেকের প্রভাব কমে যাওয়া দীর্ঘমেয়াদে ভোক্তাদের জন্য ভালো হতে পারে। ইউএই অঞ্চলটির দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক। ফলে তারা বাজারে নতুন বড় প্রতিযোগী হিসেবে আসবে এবং ওপেকের নির্ধারিত সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তেল উৎপাদন করতে পারবে।

    এ ঘটনায় আরও বোঝা যাচ্ছে, ইরান যুদ্ধ বিশ্ব বাণিজ্যের ধরনে স্থায়ী পরিবর্তন আনছে এবং নতুন সরবরাহ শৃঙ্খল তৈরি করছে। তবে বাজারে যে পরিবর্তনগুলো আসছে, সেটির প্রভাব এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। এটি কেবল শুরু।

    আমিরাতের সিদ্ধান্তের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের তেল উৎপাদকদের জন্য অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও পুরোপুরি নয়। তারা যতটা তেল ব্যবহার করে, তার চেয়ে বেশি উৎপাদন করে ঠিকই, কিন্তু চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এখনো আমদানি করতে হয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে যে হালকা ও নিম্ন-সালফারযুক্ত অপরিশোধিত তেল উৎপাদিত হয়, তা ভারী জ্বালানি ও অন্যান্য পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য তৈরিতে কম উপযোগী। ফলে কিছু তেলের জন্য এখনো মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভর করে ওয়াশিংটন

  • যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশগুলোর জন্য ওপেকের ১৫০০ কোটি ডলার সহায়তা ঘোষণা

    যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশগুলোর জন্য ওপেকের ১৫০০ কোটি ডলার সহায়তা ঘোষণা

    নিউজ ডেস্ক:

    ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি ও বাণিজ্যিক সংকট মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ১৫০ কোটি মার্কিন ডলারের (প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা) সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ।

    ভিয়েনাভিত্তিক এই সংস্থাটি জানিয়েছে, এই বিশাল অংকের অর্থ এখন থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে বিতরণ করা হবে। মূলত উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিতে এই ‘চাহিদা-ভিত্তিক’ তহবিল গঠন করা হয়েছে।

    ওপেক ফান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধের ফলে খাদ্য, জ্বালানি এবং সারের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে এবং দাম কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। এই তহবিল উন্নয়নশীল দেশগুলোর সরকারকে বাড়তি খরচ মেটাতে এবং নিরবচ্ছিন্ন পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।

    সংস্থাটি আরো জানায়, বিশ্ববাজারে যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব ও বাণিজ্যে স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে এই প্যাকেজটি দেশগুলোকে বিশেষ সুরক্ষা দেবে। এর আগেও বিভিন্ন বৈশ্বিক সংকটে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে এসেছে এই আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাটি।

  • ৩ দিনে মার্কিন অবরোধ ভেঙে হরমুজ পাড়ি দিল ৫২টি ইরানি জাহাজ

    ৩ দিনে মার্কিন অবরোধ ভেঙে হরমুজ পাড়ি দিল ৫২টি ইরানি জাহাজ

    নিউজ ডেস্ক:

    গত ৩ দিনে ইরানের ৫২টি জাহাজ মার্কিন অবরোধ ভেঙ্গে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি। স্থানীয় সময় গত সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত আগের তিন দিনের স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং তথ্যের বরাত দিয়ে এ খবর জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, পাড়ি দেওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে ৩১টি তেলবাহী ট্যাংকার ও ২১টি পণ্যবাহী জাহাজ ছিল। এসব জাহাজ কোনো রকম বাঁধা না পেয়েই প্রণালি পাড়ি দেয়। যদিও এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনী কোনো মন্তব্য করেনি।

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর ২ মার্চ ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ঘোষণা দেয়, হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনায় কোনো চুক্তি হয়নি। এরপরই ১৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজে পাল্টা নৌ অবরোধ দেয়। যদিও ২১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত রয়েছে।

  • ইসলামী ব্যাংক থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে মানববন্ধন

    ইসলামী ব্যাংক থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে মানববন্ধন

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    ইসলামী ব্যাংক সমূহ থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ব্যাংকের গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডাররা।ইসলামী ব্যাংক সমূহ থেকে পাচারকৃত টাকা ফেরত আনার দাবিতে ভুক্তভোগী গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে ব্যাংকের গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডাররা।বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সহস্রাধিক শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহক অংশগ্রহণ করেন।

    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী গ্রাহক যথাক্রমে অধ্যাপক নুর নবী মানিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আব্দুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোতাছিম বিল্লাহ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবু ইউসুফ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান পলাশ প্রমুখ।

    বক্তরা বলেন, ব্যাংক লুটেরাদের পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ দিতে যে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন আইন ২০২৬’ করা হয়েছে, তা বাতিল করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ব্যাংক লুটেরা এস আলমের হাতে ইসলামী তুলে দেয়া যাবে না। ব্যাংক লুটেরা এস আলম ও সকল শীর্ষ লুটেরাকে গ্রেফতার এবং দেশীয় সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে একই সাথে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে বক্তরা সরকারের কাছে দাবি জানান।

    এ সময় উপস্থিত শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকেরা ‘ইসলামী ব্যাংক দখলের পায়তারা বন্ধ করো’, ‘ব্যাংক দখলের কালো আইন বাতিল করো’, ‘এস আলম নো মোর’ – সহ বিভিন্ন ব্যানার প্রদর্শন করেন।

    মানববন্ধন শেষে, ভুক্তভোগী শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের পক্ষে এক প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে।স্মারকলিপিতে ‘এস আলম ও তার সহযোগী অপরাধী গোষ্ঠীর পুনঃপ্রবেশ প্রতিরোধ’, ‘পাচারকৃত ও আত্মসাৎকৃত অর্থ পুনরুদ্ধার’, ‘ব্যাংক লুটেরাদের দৃষ্টাস্তমূলক ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ’, ‘ন্যায্য ও বৈধ মালিকানা পুনঃপ্রতিষ্ঠা’, এবং বিতর্কিত আইনগত সুবিধা বাতিল’- করার ৫ দফা দাবি জানানো হয়।

    এ,আর

  • পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে প্রথম ৮ ঘন্টায় ৭৮.৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে প্রথম ৮ ঘন্টায় ৭৮.৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে

    নিউজ ডেস্ক:

    পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হারে সমস্ত নজিরকে ছাপিয়ে গিয়েছে এ বারের ভোট। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে ১৪২টি আসনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ৮৯.৯৯ শতাংশ। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়েছিল ৮৯.৯৩ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে। ভোটগ্রহণ শেষ হতে এখনও এক ঘণ্টা বাকি। সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হবে ভোটগ্রহণ। ফলে এই হার নিঃসন্দেহে আরও বাড়বে।

    বুধবার সকাল থেকে মানুষ বৃষ্টি মাথা নিয়ে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন। নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল সমানে সমানে। বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র থেকে ইভিএমে ত্রুটি থাকায় ভোট দেরিতে শুরু হয়। প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও মোটের উপর নির্বিঘ্নেই ভোট হচ্ছে। বিকেল ৫টে পর্যন্ত ১৪২টি আসনের কোথাও কোনও বড় রকমের অশান্তির খবর মেলেনি। বিক্ষিপ্ত যে সব অশান্তি, গোলমাল হয়েছে তা কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের চেষ্টায় কিছু ক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিকও হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের দিনটিকে গণতন্ত্রের উৎসবের এক গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে ব্যাখ্যা করেন । বুধবারের ভোটপর্ব নিয়ে মোদী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিপুল ভোটদানের খবর আসছে। প্রথম দফার মতোই বহু সংখ্যক জনতা ভোটদানের জন্য বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন। লম্বা লম্বা লাইনের ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। গত ছয়-সাত দশকে যা হয়নি, যা কল্পনাও করা যেত না— এ বার সেটাই হচ্ছে। ভয়মুক্ত বাতাবরণে পশ্চিমবঙ্গে ভোট হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভয়মুক্ত হয়ে ভোট দিচ্ছেন।

    তবে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অথ্যাচার নিয়ে সরব হয়েছেন। এদিন দুপুরে ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে মমতা বলেন, অবাধ ভোটের নামে দিনভর অত্যাচার চলেছে। তার অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের এজেন্টদের বার করে দেওয়া হয়েছে। মারধর করা হয়েছে মহিলা এবং শিশুদের। নির্বাচন কমিশনের নাম না-করে মমতা বলেন, এটা কি অবাধ শন্তিপূর্ণ নির্বাচন ? তার কথায়, জীবনে এমন দেখিনি। তা সত্ত্বেও বলছি তৃণমূলই জিতবে। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জিতব

  • ইরান যুদ্ধ আর আকাশছোঁয়া জীবনযাত্রার ব্যয়ে বিপাকে হোয়াইট হাউস

    ইরান যুদ্ধ আর আকাশছোঁয়া জীবনযাত্রার ব্যয়ে বিপাকে হোয়াইট হাউস

    নিউজ ডেস্ক:

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন খাদের কিনারায় এসে ঠেকেছে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তার জনসমর্থন এবারই সবচেয়ে নিচে নেমেছে। রয়টার্স ও ইপসোসের করা নতুন এক জরিপে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র ৩৪ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট, যা গত ১৫ থেকে ২০ এপ্রিলের জরিপে ছিল ৩৬ শতাংশ

    মূলত ইরানের সাথে জনপ্রিয়তাহীন যুদ্ধ এবং পরিণামে অসহনীয় হয়ে ওঠা জীবনযাত্রার ব্যয় মার্কিন সাধারণ মানুষকে ট্রাম্পের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করছে। গত সোমবার শেষ হওয়া চার দিনের এই জরিপটি এমন এক সময়ে প্রকাশ পেল যখন মার্কিনবাসীরা তাদের দৈনন্দিন খরচ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে।

    মঙ্গলবার পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন এই খবরটি প্রকাশ করেছে।

    জরিপের বেশিভাগ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে গত শনিবার রাতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডিনারে ঘটে যাওয়া সেই ভয়াবহ গোলাগুলির আগে। সেই রাতে ট্রাম্পের বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল। এক বন্দুকধারী অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকে ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।

    ফেডারেল প্রসিকিউটররা ওই বন্দুকধারীর বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্টকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনেছেন। এই ঘটনার পর ট্রাম্পের প্রতি মানুষের সহানুভূতি বা দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বর্তমান চিত্র বলছে, ক্ষমতা গ্রহণের শুরুতে যেখানে ৪৭ শতাংশ মানুষের সমর্থন তার সাথে ছিল, সেখান থেকে গ্রাফটা এখন শুধুই নিচের দিকে নামছে।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে বিনা উসকানিতে এক তরফা যুদ্ধ শুরু করার পর থেকেই ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস নামতে শুরু করে। এই যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের পকেটে, বিশেষ করে গ্যাসোলিন বা জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

    জরিপে দেখা গেছে, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ভূমিকায় মাত্র ২২ শতাংশ মানুষ ভরসা রাখতে পারছেন, যা আগের জরিপের তুলনায় আরো তিন শতাংশ কমেছে। যুদ্ধের উত্তাপে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সাধারণ মার্কিনীদের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধছে।

    ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আকস্মিক হামলার পর থেকে দেশটিতে গ্যাসোলিনের দাম ৪০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে গেছে। বর্তমানে এক গ্যালন তেলের জন্য মানুষকে গুনতে হচ্ছে প্রায় ৪.১৮ ডলার। ওই হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পারস্য উপসাগরের তেল বাণিজ্যের এক-পঞ্চমাংশ বন্ধ হয়ে গেছে। তেলের এই অগ্নিমূল্য মার্কিন পরিবারগুলোর ওপর বিশাল চাপের সৃষ্টি করেছে।

    এই পরিস্থিতি কেবল সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে না, বরং ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। আসন্ন নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে তারা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে বলে দলের ভেতরেই গুঞ্জন শুরু হয়েছে

  • নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

    নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

    বিডি ডেস্ক নিউজ,

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নানিয়ারচর জোন (১৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট)।বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে নানিয়ারচর জোন কার্যালয়ে এই ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মশিউর রহ

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    সম্প্রীতি ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাঙ্গামাটির নানিয়ারচরে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নানিয়ারচর জোন (১৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট)।

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে নানিয়ারচর জোন কার্যালয়ে এই ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মশিউর রহমান।

    নানিয়ারচর জোন কমান্ডার এ সময় উপজেলার বুড়িঘাট ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি মো: রফিকুল ইসলামের হাতে ক্রিকেট ব্যাট, থাই প্যাড, হেলমেট, ক্রিকেট বল, ব্যাটিং গ্লাভস ও কিট ব্যাগসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দেন।

    এ বিষয়ে নানিয়ারচর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মশিউর রহমান জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহিত করা এবং সুস্থ ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতেই এসব ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    এ সময় নানিয়ারচর জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শেখ মোহাম্মদ নাঈমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    এ,আর