Blog

  • সাংবাদিক ইমরানকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন জামায়াত নেতা

    সাংবাদিক ইমরানকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন জামায়াত নেতা

    নিউজ ডেস্ক: সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বেশ কিছুদিন ধরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আমার দেশের রিপোর্টার ইমরান হোসেন।

    তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে সোমবার দুপুরে হাসপাতালটিতে যান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। এ সময় তিনি সাংবাদিক ইমরান হোসেনের চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া ও মোনাজাত করেন।

    আর আই খান

  • শাহজালাল বিমান বন্দরের নিরাপত্তা জোরদার

    শাহজালাল বিমান বন্দরের নিরাপত্তা জোরদার

    নিউজ ডেস্ক : দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার গোয়েন্দা সতর্কতার পর রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে শাহজালাল বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সোমবার বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জারি করা সতর্কবার্তার পরিপ্রেক্ষিতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করে। এরই অংশ হিসেবে বিমানবন্দরে কর্মরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব ইউনিটকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে ও বাইরে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। পোশাকধারী ও সাদাপোশাকের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আগমন (অ্যারাইভাল) ও প্রস্থান (ডিপারচার) উভয় ক্ষেত্রেই যাত্রী ও মালামালের তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে।

    বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি শনাক্ত না হলেও আগাম সতর্কতা হিসেবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিয়মিতভাবেই এমন ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তা আরও জোরদার করা হয়েছে।’

    সংসদ ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশসংসদ ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

    কর্মকর্তা আরও জানান, যেসব বিমানবন্দরে রাতে ফ্লাইট পরিচালনা হয় না, সেসব স্থানেও রাতের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশি ব্যবস্থায় যেন কোনো ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়েও কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    সরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: সিটিটিসি জানাল, ইন্টেলিজেন্স টিম কাজ করছেসরকারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা: সিটিটিসি জানাল, ইন্টেলিজেন্স টিম কাজ করছে।

    প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় সম্প্রতি গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করে বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (কনফিডেনশিয়াল) স্বাক্ষরিত একটি দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে গত ২৩ এপ্রিল এ সতর্কতা জারি করা হয়।

    আর আই খান

  • নেতানিয়াহুকে হঠাতে একজোট বিরোধীরা

     

    ডেক্স নিউজ :

    দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘ রাজনৈতিক আধিপত্য এবার বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে। তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে জোট বেঁধেছেন দেশটির দুই হেভিওয়েট রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী—সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট এবং ইয়াইর লাপিদ। ডানন্থি ও মধ্যপন্থিদের এ ‘সুপার কোয়ালিশন’ গঠনের ঘোষণা চলতি বছরের শেষ নাগাদ অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বিশ্লেষকরা এ জোটকে হাঙ্গেরির সেই জোটের সঙ্গে তুলনা করছেন, যা কট্টরপন্থি ভিক্টর অরবানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়েছিল। বেনেটের দল ‘বেনেট ২০২৬’ এবং লাপিদের মধ্যপন্থী দল ‘ইয়েশ আতিদ’ একীভূত হয়ে নতুন এ জোট গঠন করেছে।

    রাজনৈতিক এ নাটকীয় মোড় এমন এক সময়ে এল যখন নেতানিয়াহু তার প্রস্টেট থেকে একটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমার অপসারণের খবর প্রকাশ করেছেন। এ অসুস্থতার খবর প্রকাশের সময় এবং বিস্তারিত তথ্যের অস্পষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা আসন্ন নির্বাচনে একটি বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    গত রোববার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে লাপিদ বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য আমরা আজ এক হয়েছি। ইসরাইল রাষ্ট্রের বর্তমান গতিপথ পরিবর্তন করা এখন সময়ের দাবি’।তার পাশেই দাঁড়িয়ে বেনেট ঘোষণা করেন, তাদের নতুন দলের নাম হবে ‘টুগেদার’ (একত্রে) এবং তিনি নিজেই এ দলের নেতৃত্ব দেবেন। বেনেট বলেন, ‘দীর্ঘ ৩০ বছর পর এখন নেতানিয়াহুকে বিদায় জানিয়ে ইসরাইলের জন্য নতুন এক অধ্যায় শুরু করার সময় এসেছে’।

    বেনেট সাবেক সেনাপ্রধান এবং ‘ইয়াশার’ পার্টির নেতা গাদি আইজেনকোটকেও এ জোটে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। জনমত জরিপ বলছে, এই তিন নেতা এক হলে তা নেসেটে (ইসরাইলি পার্লামেন্ট) বৃহত্তম শক্তিতে পরিণত হবে। আইজেনকোট আনুষ্ঠানিকভাবে জোটে যোগ দেওয়ার ঘোষণা না দিলেও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

    সম্প্রতি ইসরাইলি সংবাদপত্র ‘মারিভ’-এর এক জরিপে দেখা গেছে, বেনেটের দল একাই নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির সমান ২৪টি আসন পেতে পারে। পাশাপাশি আইজেনকোটের ১২টি এবং লাপিদের ৭টি আসন যুক্ত হলে তা নেতানিয়াহুর জন্য অপরাজিত থাকা অসম্ভব করে তুলবে।

    তবে ইসরাইলের জোট রাজনীতির মারপ্যাঁচে বেনেটের জন্য ঝুঁকিও আছে। লাপিদের মতো মধ্যপন্থির সঙ্গে হাত মেলালে বেনেট তার কট্টর লিকুদপন্থি সমর্থকদের একাংশকে হারাতে পারেন।

    মুক্ত

  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত, রাশিয়া সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি

    যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত, রাশিয়া সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি

    নিউজ ডেস্ক:
    
    পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা বাতিল হওয়ার পর রাশিয়া সফর করছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি৷ আজ সোমবার তিনি রাশিয়ায় পৌঁছোন৷ 
    সেখানে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার সমর্থন চাইবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে৷
    মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সংঘাত নিয়ে আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও ওমান সফরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে শান্তি প্রচেষ্টা অগ্রসর না হওয়ায় রাশিয়া সফরে গেলেন আরাঘচি ৷
    রাশিয়া ও ইরান ঘনিষ্ঠ কৌশলগত মিত্র৷ তবে ইউক্রেনে আগ্রাসন অব্যাহত রাখায় মস্কো এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে জড়ায়নি৷ 
    এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, পাকিস্তান সফরের সময় এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন আরাঘচি৷ শনিবার তিনি বলেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত দাবির কারণে আগের দফার আলোচনায় অগ্রগতি হওয়া সত্ত্বেও তার লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে৷’’ তিনি আরো বলেন, ‘‘হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বিষয়৷’’ তার মতে, সংঘাতের কারণে প্রণালীটি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে৷
  • ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: মাঝখানে কেন ‘ইকবাল’?

    ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: মাঝখানে কেন ‘ইকবাল’?

    নিউজ ডেস্ক:

    ইরানের মূল সমস্যাটা ঠিক কোথায়? দেশটি এখন রীতিমতো ‘ফেরাউনি’ তর্জন-গর্জনের মুখে দাঁড়িয়ে। হুমকি দেওয়া হচ্ছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা না করলে ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। কিন্তু ইরানি নেতৃত্ব ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনো হুমকিকেই তোয়াক্কা করছে না। ইরানিরা না মরণকে ভয় পায়, না হার মানাকে। ইরানের সাফ কথা—আগে হরমুজ প্রণালীর অবরোধ তুলে নাও, তারপর আলোচনা; আর তা না হলে আমরা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এ অনমনীয় অবস্থানে কিছুটা নমনীয়তা আনতে পাকিস্তান অনেক চেষ্টা করেছে। লক্ষ্য ছিল দুই পক্ষকে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় মুখোমুখি বসানো। কিন্তু নৌ-অবরোধ বহাল রেখে মার্কিনিদের সঙ্গে বসতে অস্বীকার করেছে তেহরান। ফলে মার্কিন প্রতিনিধি দলের পাকিস্তান সফর পিছিয়ে গেছে। মার্কিনিরা অবাক—একটি সুপারপাওয়ারের সঙ্গে লড়তে ইরান কেন এতটা মরিয়া?

    গত রাতে এক মার্কিন সাংবাদিক এক ইরানি সাংবাদিককে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তোমাদের সমস্যাটা আসলে কী?’ ইরানি সাংবাদিক মুচকি হেসে জবাব দিলেন, ‘আমাদের সমস্যা হলো ইকবাল!’ এ উত্তর মার্কিন সাংবাদিকের মাথার ওপর দিয়ে গেল। তিনি অবাক হয়ে জানতে চাইলেন, ‘এই ইকবাল আবার কে?’ উত্তর এল, ‘ইকবাল পাকিস্তানের জাতীয় কবি।’ মার্কিন সাংবাদিকের বিস্ময় কাটে না, ‘ইকবাল কি তোমাদের মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কথা বলতে নিষেধ করেছেন? দুই সপ্তাহ আগে যখন ইসলামাবাদে আলোচনা হলো, তখন ইকবাল কোথায় ছিলেন?’

    ইরানি সাংবাদিক আর কথা না বাড়িয়ে ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। কৌতূহলী মার্কিন সাংবাদিক খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন, পাকিস্তানে তিনি ‘আল্লামা ইকবাল’ আর ইরানে ‘ইকবাল লাহোরি’ নামে বিখ্যাত। এরপর সেই সাংবাদিক আমার (কলামিস্টের) কাছে এসে হাজির। আমি তাকে গুগলে সার্চ করতে বললাম। তিনি ল্যাপটপ খুলে দেখালেন যে, অনেক খুঁজেও তিনি মেলাতে পারছেন না—যে মানুষ ১৯৩৮ সালে মারা গেছেন, তার কারণে ২০২৬ সালে এসে ইরানিরা আমেরিকার সঙ্গে লড়তে চাইছে কেন?

    আমি তাকে বললাম, মার্কিন প্রতিনিধি দল যখন আসবে তখন বুঝিয়ে দেব। কিন্তু তিনি নাছোড়বান্দা। তিনি এখন ইরান ও ইকবালের সম্পর্কের ওপর স্টোরি লিখতে চান। বাধ্য হয়ে তাকে পাঁচ মিনিট সময় দিলাম। তাকে জানালাম, কদিন আগেই লাহোরে ইকবালের মৃত্যুবার্ষিকীতে এক বিশাল সমাবেশ হয়েছে। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন লাহোরে নিযুক্ত ইরানের কনসাল জেনারেল মেহরান মোয়াহেদ ফার। তিনি তার বক্তৃতায় স্পষ্ট বলেছেন, ‘ইকবাল ইরানিদের যে সাহস ও প্রেরণা দিয়েছেন, তা দিয়েই আমরা আমেরিকাকে পরাজিত করেছি।’

    মার্কিন সাংবাদিক নোট নিচ্ছিলেন। আমি তাকে আরও বললাম, ‘আপনি হয়তো জানেন না, এমনকি ট্রাম্পও জানেন না, কিন্তু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বহু বছর আগে আল্লামা ইকবালের ওপর একটি আস্ত বই লিখেছিলেন। ইরানের বিপ্লবে ইকবালের কবিতা জ্বালানি হিসেবে কাজ করেছিল।’

    সাংবাদিক প্রশ্ন করলেন, ‘ইকবাল যদি পাকিস্তানি ও ইরানিদের যৌথ নায়ক হন, তবে পাকিস্তান কীভাবে নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী হবে?’ আমি হেসে বললাম, ‘ইকবাল সাধারণ পাকিস্তানিদের নায়ক, কিন্তু সেই শাসকগোষ্ঠীর নয় যারা মরণকে ভয় পায়।’

    আসলে ট্রাম্পকে কে বোঝাবে যে, ইকবাল ফারসিতে লিখেছিলেন:

    ‘আল্লাহ ছাড়া মুসলমান অন্য কারও দাস নয়,

    কোনো ফেরাউনের সামনে তার মাথা নত হয় না।’

    ট্রাম্পকে ‘ফেরাউনি’ ভঙ্গি ছাড়তে হবে, হুমকি বন্ধ করতে হবে। ইরানি হোক বা পাকিস্তানি—খাঁটি মুসলমানদের জন্য দাম্ভিক শাসকের আনুগত্য করা কঠিন। এমনকি ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু পোপ লিও-ও এখন ইরানের অবস্থানের সমর্থন দিতে শুরু করেছেন। হয়তো তিনিও ইকবালের দর্শনে প্রভাবিত!

    আসল কথা হলো, ইরানিরা ইকবালের চিন্তা দ্বারা অনুপ্রাণিত। আর ইকবালের চিন্তা মানেই ফেরাউন ও ইয়াজিদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ। ট্রাম্পের পক্ষে এটা বোঝা কঠিন যে— ‘প্রকৃতপক্ষে হোসেনের (রা.) শাহাদাতই হলো ইয়াজিদের মৃত্যু।’ ইয়াজিদ জিতেও আসলে চিরকাল হেরে যায়।

  • মার্কিন নৌ অবরোধ সত্ত্বেও অব্যাহত ইরানের তেল রপ্তানি

    মার্কিন নৌ অবরোধ সত্ত্বেও অব্যাহত ইরানের তেল রপ্তানি

    নিউজ ডেস্ক:

     

    ইরান তাদের রপ্তানি টার্মিনালগুলোতে প্রায় ৪.৬ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল লোড করেছে বলে জানিয়েছে সামুদ্রিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স।  এতে বোঝা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের মধ্যেও দেশটি তেল রপ্তানি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    এই তথ্য স্যাটেলাইট চিত্রের ভিত্তিতে সংগ্রহ করা হয়েছে, যেখানে তেলবাহী জাহাজের চলাচল এবং বন্দর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

    প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, এই তেল লোড করার প্রক্রিয়ার ফলে ইরান কয়েক দিনের অতিরিক্ত সংরক্ষণ সক্ষমতা পাচ্ছে, যা তাদের রপ্তানি ব্যবস্থার ওপর তাৎক্ষণিক চাপ কিছুটা কমাচ্ছে।

    এই প্রতিবেদন এমন সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি সীমিত করতে এবং অঞ্চলে সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।

  • মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল চীন

    মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল চীন

    চীনা কোম্পানিগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার তীব্র সমালোচনা করে এর কড়া জবাব দিয়েছে বেইজিং। সোমবার (২৭ এপ্রিল) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘অবৈধ’ বলে আখ্যায়িত করেছে এবং নিজ দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বেইজিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে যুক্তরাষ্ট্র যে একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে, চীন সব সময়ই তার বিরোধিতা করে। তিনি ওয়াশিংটনকে এই ধরনের ‘নিপীড়নমূলক’ আচরণ এবং অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করার আহ্বান জানান।

    মূলত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ইরান-সংশ্লিষ্ট নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করে, যার কবলে পড়েছে চীনের অন্যতম বড় শোধনাগার ‘হেংলি পেট্রোকেমিক্যাল’সহ প্রায় ৪০টি প্রতিষ্ঠান।

    যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের অবৈধ তেল বাণিজ্য রুখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব চীনের শানডং প্রদেশে অবস্থিত স্বতন্ত্র শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করে এই বিধিনিষেধ দেওয়া হয়।

    এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় লিন জিয়ান স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। চীন সরকার তাদের কোম্পানিগুলোর আইনি অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

  • সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০ এপ্রিলের পর সারা দেশে জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান

    ডেক্স নিউজ : আগামী ৩০ এপ্রিলের পর থেকে সারা দেশে অনলাইনে জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান চালানো হবে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকালে সংসদ অধিবেশনে এক নোটিশের জবাবে এমনটা জানান তিনি।  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যুবসমাজকে সুরক্ষিত রাখতে আগামী ৩০ এপ্রিলের পর থেকে অনলাইন জুয়া ও মাদক এবং সিসা লাউঞ্জের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। যুব সমাজকে রক্ষায় এর কোনো বিকল্প নেই।

    তিনি বলেন, অবৈধ সিসা লাউঞ্জগুলো যাতে নাম-ঠিকানা বদলে আবারও কার্যক্রম শুরু করতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

    এ সময় যুবসমাজকে রক্ষায় দেশে জুয়া, অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথাও উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

    মুক্ত

  • বড় ধাক্কা খেলেন নেতানিয়াহু!

    বড় ধাক্কা খেলেন নেতানিয়াহু!

    নিউজ ডেস্ক:

    দখলদার ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা খেলেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এবার হাত মেলালেন দেশটির দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ও ইয়াইর লাপিদ। নিজেদের রাজনৈতিক দলগুলোকে একীভূত করে নতুন এক নির্বাচনী জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

    মূলত ২০২৬ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন বর্তমান জোট সরকারকে পরাজিত করাই এ নতুন ঐক্যের মূল লক্ষ্য।

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট জানিয়েছেন, নতুন এই রাজনৈতিক দলের নাম হবে ‘টুগেদার’ (একত্রে)। বেনেট নিজেই এ জোটের নেতৃত্ব দেবেন বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

    নেতানিয়াহুর দীর্ঘ শাসনকালের সমালোচনা করে বেনেট বলেন, ‘দীর্ঘ ৩০ বছর পর এখন সময় এসেছে নেতানিয়াহুর থেকে আলাদা হওয়ার। ইসরাইলকে তার বর্তমান পথ পরিবর্তন করতে হবে’।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজা যুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ বিচার বিভাগীয় সংস্কার নিয়ে এমনিতেই চাপে থাকা নেতানিয়াহুর জন্য বেনেট-লাপিদ জোট এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। এ নতুন জোট বিরোধী জনমতকে একীভূত করতে পারলে আগামী নির্বাচনে নেতানিয়াহুর বিদায় ঘণ্টা বেজে যেতে পারে।

  • ইরান ধারণার চেয়েও বেশি শক্তিশালী: জার্মান চ্যান্সেলর

    ইরান ধারণার চেয়েও বেশি শক্তিশালী: জার্মান চ্যান্সেলর

    নিউজ ডেস্ক:

    জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। উত্তর রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যে শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপকালে তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মতো একটি শক্তিশালী দেশ ইরান সরকারের কাছে অপমানিত হচ্ছে।

    মার্জ মনে করেন, এই যুদ্ধে আমেরিকার আসলে সুনির্দিষ্ট কোনো ‘এক্সিট স্ট্র্যাটেজি’ বা যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা নেই।

    জার্মান চ্যান্সেলর আরও বলেন, ইরান সরকার বর্তমানে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে তাদের দরকষাকষি চালিয়ে যাচ্ছে। তার মতে, ইরান যতটা দুর্বল হবে বলে ভাবা হয়েছিল, বাস্তবে তারা তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং দক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

    রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, মার্জের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কৌশল নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ইরান সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থান তাকে হতাশ করেছে এবং তিনি এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কোনো সহজ পথ দেখছেন না।