Blog

  • সুনামগঞ্জে দূর্ঘটনায় নিহত ২

    সুনামগঞ্জে দূর্ঘটনায় নিহত ২

    ডেস্ক নিউজ

    শনিবার বেলা ১১টার দিকে শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহী মৃত আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে জুয়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তার সঙ্গে থাকা ময়না মিয়ার ছেলে শব্দর আলী গুরুতর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেটে প্রেরণ করেন এবং সিলেটে যাওয়ার পথেই তিনি মারা যান। নিহত দুজন সুনামগঞ্জ পৌরশহরের বাসিন্দা।

    য়কলস হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন।

     

  • ৪৯তম বিসিএসে সুনামগঞ্জের তরুণ-তরুণীর বাজিমাত

    ৪৯তম বিসিএসে সুনামগঞ্জের তরুণ-তরুণীর বাজিমাত

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় বইছে উৎসবের আমেজ। ৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে উপজেলার দুই মেধাবী তরুণ-তরুণী বাজিমাত করেছেন। একজন হয়েছেন দেশের সর্বকনিষ্ঠ ক্যাডার, আরেকজন গণিত ক্যাডারে সারাদেশে অর্জন করেছেন প্রথম স্থান।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার এবার দেশের সর্বকনিষ্ঠ ক্যাডার হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। অনার্সের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের আগেই বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি নজির স্থাপন করেছেন।

    খাদিজা মধ্যনগর উপজেলার মধ্যনগর গ্রামের মরহুম আব্দুল আজিজ ও হাজেরা বেগম দম্পতির একমাত্র কন্যা। স্থানীয় মধ্যনগর বিশ্বেশ্বরী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন তিনি। এরপর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে খাদিজা আক্তার বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, এই অর্জন আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমার এই সাফল্যের পেছনে ছিল মায়ের দোয়া। আজকের এই আনন্দঘন সময়ে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে বাবাকে। আমার মা, ভাই, শিক্ষক ও বন্ধুদের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না। আমি আমাদের পিছিয়ে পড়া এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। এজন্য সবার দোয়া চাই।

    অন্যদিকে, গণিত ক্যাডারে সারাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মধ্যনগরেরই আরেক কৃতি শিক্ষার্থী মো. অলি উল্লাহ। তিনি উপজেলার বংশীকুন্ডা গ্রামের মো. আব্দুল হেকিম ও হাজেরা খাতুন দম্পতির একমাত্র ছেলে।

    দুই তরুণের এই সাফল্যে পুরো মধ্যনগরজুড়ে বইছে আনন্দের ঢেউ। শুভাকাঙ্ক্ষী, শিক্ষক ও এলাকাবাসী উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দন বার্তা ও শুভেচ্ছায় ভাসছে মধ্যনগর।

     

  • হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাব : শিশির মনির

    হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাব : শিশির মনির

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জ–২ (দিরাই–শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শিশির মনির বলেছেন, নির্বাচনে তিনি হারলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাসায় একটি বড় ফুলের তোড়া নিয়ে যাবেন। একইভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হারলে যেন তার বাড়িতেও ফুলের তোড়া নিয়ে আসেন, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে শিশির মনির বলেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে যিনি বিজয়ী হবেন, তাকেই তিনি অভিনন্দন জানাবেন। বর্তমান বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে না পারলে পুরোনো পথেই হাঁটা হবে, এতে কোনো উপকার হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, আমি হেরে গেলেও বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। আবার আমি জিতলেও অন্য প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে আমার কোনো আপত্তি নেই। জনগণ যে রায় দেবে, আমরা তা সাদরে গ্রহণ করবো।

    নির্বাচনে গালিগালাজ ও বকাবকির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিশির মনির বলেন, যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের আত্মার শান্তির জন্যও একটি সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি জরুরি।

    এদিকে,  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনের মোট ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টা থেকে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সুনামগঞ্জের সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। পাঁচটি আসনে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, ঈগল, হাতপাখাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতীক বরাদ্দের সময় আচরণবিধি প্রতিপালন ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে কয়েকজন প্রার্থী অভিযোগ তুললেও রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনে সমান সুযোগ বজায় রাখা হচ্ছে।

    বি/এ

  • সুনামগঞ্জে ১৫ লাখ টাকার গাঁজাসহ আটক ৩

    সুনামগঞ্জে ১৫ লাখ টাকার গাঁজাসহ আটক ৩

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় বিশেষ অভিযানে ৪৬ কেজি গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে বুধবার ভোররাত পর্যন্ত ধারাবাহিক এই অভিযান পরিচালিত হয়।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪৫ কেজি গাঁজাসহ উজানগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নাছের ছেলে জহিরুল ইসলামকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর একই রাত সাড়ে ৩টায় পৃথক আরেকটি অভিযানে দৌলতপুর গ্রামের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী উজ্জলা বেগম (৩৭) এবং রূপ মিয়া ওরফে রুইক্কাকে (৫০) ১ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়।

    স্থানীয়দের মতে, শাল্লায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারিরা সক্রিয় থাকলেও এতো বড় চালান একসঙ্গে ধরা পড়া বিরল ঘটনা। পুলিশি তৎপরতায় এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

    শাল্লা থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গাঁজার একটি বড় চালান শাল্লায় আসছে—এমন সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। দুটি পৃথক অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের গাঁজাসহ  তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • জামালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

    জামালগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

    সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেজাউল ইসলাম কালা মিয়া (৩৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন। তিনি লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে।

    শুক্রবার  দুপুরে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম ও আব্দুল মতিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ইতোপূর্বে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ সকালে সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিলে গ্রামবাসী সালিসে মীমাংসা করেন। কিন্তু দুপুরে আবারও দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ধারালে সুলফির আঘাতে সেজাউল ইসলাম কালা মিয়া গুরুতর আহত হয়। এরপর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। আহত অন্যদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    জামালগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) জয়নাল হোসেন বলেন, দীর্ঘদিনের পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে গ্রামের পরিবেশ শান্ত আছে।

  • সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৪ ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার

    সুনামগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৪ ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে বিস্ফোরক জাতীয় ২৪টি ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় নাশকতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (২৮ বিজিবি) শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার চারাগাঁও বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় সীমান্ত পিলার ১১৯৫/১-এস-এর নিকট থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রায় ৩০ গজ ভেতরে মাইজহাটি নামক স্থানে পলিথিনে মোড়ানো ও গাছের ডালপালা দিয়ে আচ্ছাদিত অবস্থায় ২৪টি ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করা হয়।

    বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত এসব ডেটনেটর ব্যবহার করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তৈরি করা সম্ভব, যা জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠতে পারত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দেশের বিদ্যমান স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যেই এসব বিস্ফোরক চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল। উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক দ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • ভাতিজার হাতে চাচি খুন

    ভাতিজার হাতে চাচি খুন

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের ভয়াবহ পরিণতিতে প্রাণ হারিয়েছেন এক গৃহবধূ। অশালীন আচরণের প্রতিবাদ করায় আপন ভাতিজার হাতে গতকাল রাতে নির্মমভাবে খুন হন চাচি রুকশানা বেগম (৩৫)।

    রুকশানা বেগম দোহালিয়া ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. ফিরিজ আলীর স্ত্রী।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত ওয়ারিছ আলীর ছেলে জসিম উদ্দিন (২৬) দীর্ঘদিন ধরেই চাচি রুকশানা বেগমের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে কয়েকবার গ্রাম্য সালিশ হলেও জসিমের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

    এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে রুকশানা বেগম বারান্দায় বের হলে, জসিম উদ্দিন তার দেখে অশালীন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন করে। চাচি এর প্রতিবাদ করলে, উত্তেজিত হয়ে জসিম ঘর থেকে বটি এনে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ঘাতক জসিম পালিয়ে যায়।

    এরপর স্থানীয়দের সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় রুকশানাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক জানান, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ তৎক্ষনাৎ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পলাতক ঘাতক ভাতিজাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

  • সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

    সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত টমটম গাড়ির স্ট্যান্ড ও ভাড়া নির্ধারণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

    শনিবার  দুপুরে দিকে উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের স্বজনশ্রী ও বাউধরন গ্রামের লোকজনের মধ্যে খাড়ারপার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, প্রায় ১৫ দিন আগে রানীগঞ্জ পশ্চিম বাজার গাড়ি স্ট্যান্ড কর্তৃপক্ষ রানীগঞ্জ থেকে বাউধরন রোডের টমটম ভাড়া ৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা নির্ধারণ করে। এতে বাউধরন ও স্বজনশ্রী গ্রামের লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। পরে চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের সদস্য বাউধরন গ্রামের সালেহ উদ্দিন আহমদ পুনরায় ভাড়া ৩০ টাকা নির্ধারণ করেন। এতে উভয় গ্রামের টমটম চালকদের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়।

    এর জেরে শুক্রবার বিকেলে বাউধরন গ্রামের মুজিব মার্কেট এলাকার গাড়ি স্ট্যান্ড থেকে স্বজনশ্রী গ্রামের টমটমগুলো বের করে দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার সকালে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    সংঘর্ষে আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক বদরুদ্দোজা জানান, আহত ৩০ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • বেড়িবাঁধ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    বেড়িবাঁধ রক্ষায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধোপাজান (চলতি) নদীর পাড়ে পেয়ারপুল ডালা নামক বেড়িবাঁধ রক্ষায় মানববন্ধন করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতা।

    সোমবার  দুপুরে ‘আমাদের নদী, আমাদের জীবন : সুস্থ ধারার সুরক্ষা, ক্ষতিগ্রস্ত নদীর পুনর্জাগরণ’ এই স্লোগানে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে এসো কাজ করি মহিলা উন্নয়ন সমিতি। আর এতে সহযোগিতায় করেছে এলআরডি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণেই ধোপাজান নদীর পাড়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে কৃষিজমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ১৫টি গ্রামজুড়ে আতঙ্কে দিন কাটছে মানুষের, আর ধোপাজানের তীরে প্রতিনিয়ত শোনা যাচ্ছে হাহাকারের শব্দ।

    এসো কাজ করি সমিতির সভাপতি জাহানারা বেগমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রতারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. মুহসীন আহমদ ইয়াসিন, শিক্ষক হাবিবুর রহমান, আবদুল হালিম, আবুল মনসুর, বদরুল আলম, সোহাগ হোসেন, আব্দুল খালেক, কামাল উদ্দিন, রহমত আলী, সাজেদা বেগম, পারুল বেগম, এবং শিক্ষার্থী নাঈম ও আশরাফুল।

    এসো কাজ করি মহিলা উন্নয়ন সমিতি’র সভাপতি জাহানারা বেগম বলেন, পানির স্তর কম থাকলেও ভাঙন থামছে না। বর্ষায় পানি বাড়লে বাঁধ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই জরুরি ভিত্তিতে টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে হবে।

  • সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপের সংঘর্ষে চালক নিহত

    সুনামগঞ্জে বাস-পিকআপের সংঘর্ষে চালক নিহত

    ডেস্ক নিউজ:

    সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে এনা পরিবহনের একটি বাস ও পিকআপ ভ্যনের সংঘর্ষে ভ্যানচালক নিহত এবং অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

    শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ ঘোড়ারগাঁও এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়কের পাশের একটি ছোট খালে পড়ে যায় এবং পিকআপটি সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে আসা এনা পরিবহনের একটি বাস সুনামগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপের চালক মারা যান।

    দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে সাত থেকে আটজন বিভিন্নভাবে আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুইজনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে এনা বাসের চালকও রয়েছেন।

    দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত বাসের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেয়।

    জয়কলস হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করেছেন।