Blog

  • ফেনীতে রূপালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও!

    ফেনীতে রূপালী ব্যাংক থেকে গ্রাহকের ১৯ লাখ টাকা উধাও!

    ডেস্ক নিউজঃ

    ফেনীর সোনাগাজীতে রূপালী ব্যাংকের একই পরিবারের তিন গ্রাহকের হিসাব থেকে তাঁদের অজান্তে ১৯ লাখ ৩৩ হাজার টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই টাকা ভিন্ন কয়েকটি ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়। রূপালী ব্যাংকের সোনাগাজীর আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখা থেকে এই টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনার দুই সপ্তাহের বেশি সময় পার হলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গ্রাহককে টাকা ফেরত দিতে পারেনি। ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা ব্যাংকের ফটকে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন।ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রূপালী ব্যাংকের সোনাগাজীর আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখার গ্রাহক আবুল বশরের হিসাব থেকে ৩৩ হাজার টাকা, তাঁর বড় ছেলে মনসুর আলমের হিসাব থেকে ১৮ লাখ ৫ হাজার টাকা ও ছোট ছেলে ইফতেখার আলমের হিসাব থেকে ৯৫ হাজার টাকা ইসলামী ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকের কয়েকটি শাখার বিভিন্ন হিসাবে স্থানান্তর (ট্রান্সফার) করা হয়।ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক আবুল বশর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার চার ছেলে মালয়েশিয়াপ্রবাসী। আমার একটি ও আমার দুই ছেলের আরও দুটি অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে তিনটি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরানোর ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের যোগসাজশ থাকতে পারে। ব্যাংক ম্যানেজার আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছেন, লুট হওয়া ছয় লাখ টাকা ফেরত আনা হয়েছে, যা আদৌ সত্য নয়। আমাকে বিগত এক মাস টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে হয়রানি করা হচ্ছে।’রূপালী ব্যাংক আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখার ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) দিদারুল আলম বলেন, ‘তিনটি অ্যাকাউন্ট থেকে ট্রান্সফার হওয়া টাকাগুলো অ্যাপসের মাধ্যমে ট্রান্সফার করা হয়েছে। অ্যাপসের লেনদেন হেড অফিস সরাসরি তদারকি করে। এই লেনদেনে আমি বা আমার শাখার কারও দায় নেই। বিষয়টি তদন্তের পর্যায়ে আছে। আমরা থানা-পুলিশকেও এ বিষয়ে সহযোগিতা করছি।’ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকেরা সোনাগাজী মডেল থানায় গতকাল রাতে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানান। তবে আজ বুধবার দুপুরে সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, তাঁরা কোনো জিডি পাননি। তবে প্রতিবেদকের হাতে থাকা জিডির কপিতে সোনাগাজী মডেল থানার ডিউটি অফিসার পদুমুত্তর বড়ুয়ার স্বাক্ষর রয়েছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল আলম বলেন, রূপালী ব্যাংক আমির উদ্দিন মুন্সিরহাট শাখায় গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক থানায় অভিযোগ দিতে এসেছিলেন। তাঁকে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি জমা দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এম কে

  • মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

    মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

    ডেস্ক নিউজঃ

    বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বাইশারী শাহ নুরুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার সুপার নুরুল হাকিমের (৫৬) বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধনে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে অভিযুক্ত সুপার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাইশারী বাজার থেকে মাদ্রাসার দিকে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটি মিছিলে হামলা চালানো হয়। এতে ৪-৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।এই ঘটনায় গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) আহত এক শিক্ষার্থীর মা রাবেয়া আক্তার বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদ্রাসার নবম ও দশম শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রীকে সুপার নুরুল হাকিম বিভিন্ন অজুহাতে শরীরে স্পর্শ করতেন। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীরা বাসায় এসে অভিভাবকদের জানালে মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির কাছে অভিযোগ করা হয়, তবে সেখানে সন্তোষজনক বিচার পাওয়া যায়নি। এরই ধারাবাহিকতায় মানববন্ধনে যাওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে।বাদী রাবেয়া আক্তার বলেন, আমরা ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমার সন্তান ছেলে, তাই যৌন হয়রানির বিষয়টি সরাসরি জানি না। তবে হামলার বিচার চাই।তবে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার নুরুল হাকিম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বয়স প্রায় ৬০। ৩০ বছরের শিক্ষকতা জীবনে কখনো এমন অভিযোগ ওঠেনি। এই প্রতিষ্ঠানে ২৫ বছর ধরে সেবা দিয়ে তিলে তিলে এটিকে বড় করেছি। এখন একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে ষড়যন্ত্র করছে।এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহাবুব উল ইলাহিকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।তদন্ত কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির কিছু ছাত্রী হাতে মেহেদি দিয়ে আসলে সুপার তাদের হাত ধরে শাসন করতেন, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে যৌন হয়রানির অভিযোগের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন জানান, হামলার ঘটনায় একটি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা এখনো প্রতিবেদন জমা দেয়নি। হামলার বিষয়টিও আলাদাভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পর আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

    এম কে

  • বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দাগনভূঞায় বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দাগনভূঞায় বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    ডেস্ক নিউজঃ

    ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে দাগনভূঞার জায়লস্কর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গন ও আশপাশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করে জায়লস্কর ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। শুক্রবার সকালে ফেনী জেলা ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক ও ৮নং জায়লষ্কর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক এমদাদ হোসেন মিলনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জায়লস্কর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বাবুল মেম্বার, কামরুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন কিরন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য জাহিদুল ইসলাম জাহেদ, জেলা ছাত্রদলের সদস্য শরিফুল ইসলাম শরিফ, ইউনিয়ন যুবদল সম্মেলন কমিটির সদ্য সাবেক সদস্য মো: হাসান, অনিক, মামুন, এমাম, জুয়েল, অন্তর, খুরশিদ,হান্নানসহ বিএনপি অঙ্গ সংগঠন নেতৃবৃন্দ।এমদাদ হোসেন মিলন বলেন, ফেনী-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আকবর হোসেন এর নির্দেশনায় বিপ্লব দিবসে আমাদের এই কার্যক্রম। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন মাটি ও মানুষের নেতা তারই ধারাবাহিকতায় আমরা এটি করেছি।তাছাড়া এখন দাগনভূঞায় ডেঙ্গু উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে তাই ময়লা আবর্জনা মুক্ত রাখতে এটি ভূমিকা রাখবে।

    এম কে

  • সোনাগাজীতে শিশুর হাতে বন্দুক—ফেসবুকে ছবি

    সোনাগাজীতে শিশুর হাতে বন্দুক—ফেসবুকে ছবি

    ডেস্ক নিউজ

    ফেনীর সোনাগাজীতে এক শিশুর হাতে বন্দুক নিয়ে নাড়াচাড়ার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধমে ছড়িয়ে পড়েছে। শিশুটির সৌদিপ্রবাসী মামা তাঁর ফেসবুক আইডিতে বন্দুক হাতে ভাগনের ছবি পোস্ট করেন। তিনি ক্যাপশনে লেখেন—‘এটা আমার বড় বাগিনা (ভাগনে), ওর হাতে…এ বয়সে খেলনার পিস্তল থাকার কথা, আর অথচ ওর হাতে এখন অরজিনিয়াল পিস্তল’।

    সামাজিক মাধ্যমে বন্দুক হাতে শিশুর ছবি প্রকাশ হলে শুরু হয় তোলপাড়। কয়েক ঘণ্টা পর ফেসবুকের ওই পোস্ট আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে অনেকে ছবি ও স্ক্রিনশট রেখে দেন।

    ঘটনা জানতে শিশুর বাবাকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান তার নানার বাড়ি থাকতে কে বা কারা তার হাতে বন্দুক দিয়ে ছবি ধারণ করলেও সেটি জানা ছিল না। তার মামা পোস্ট করার পর বিষয়টি জানতে পারি। আমার শ্যালকের কাছে ফোন করলেও সে ধরেনি।’

    শিশুটির বাবা আরও বলেন, ‘আমার সন্তানের হাতে বন্দুক তুলে দিয়ে সেটি ফেসবুকে প্রচার করে তার স্বাভাবিক জীবন হুমকির মধ্যে ফেলেছে।’

  • সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন, সর্বস্ব হারাল শতাধিক গ্রাহক

    সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন, সর্বস্ব হারাল শতাধিক গ্রাহক

    ডেস্ক নিউজ

    ফেনীর ছাগলনাইয়ায় সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অন্তত শতাধিক মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে একটি প্রতারক চক্র। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঋণ বিতরণের কথা থাকলেও দুপুর গড়াতেই এনজিওটির কর্মীদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। ফলে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে উপস্থিত অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’। তবে এ ধরনের কোনো সংস্থার বৈধ অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সংস্থাটি সাধারণ মানুষের হাতে যে সঞ্চয় বইগুলো দিয়েছেন তাতে প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা রয়েছে প্রধান কার্যালয় ঢাকার ডি-ব্লক মিরপুর-২, ১২১৬ ।

    ভুক্তভোগীরা জানান, গত দুই দিন ধরে একদল লোক এনজিও পরিচয়ে এলাকায় ঘুরে ঘুরে সদস্য সংগ্রহ করছিল। মাত্র ২০০ টাকার বিনিময়ে, পাশাপাশি ১১ হাজার টাকা জমা দিলে ১ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছিল। শর্ত ছিল এই ঋণ দুই বছরের মধ্যে সহজ কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে।

    ভুক্তভোগী পৌরসভার বাঁশপাড়া গ্রামের রত্না বেগম বলেন, ১৬ লাখ টাকা ঋণ দেবে বলে ৫৩ হাজার টাকা নিয়ে যায় আমার কাছ থেকে। রাধানগর ইউনিয়নের মো. টিপু বলেন, আমার কাছ থেকে ২২ হাজার, জেসমিন জাহানের থেকে ২২ হাজার, হিছাছরার আনজুম আরার ৬০ হাজার টাকাসহ আরও শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা নিয়ে থানা পাড়া সামছুল হক ম্যানশনে তাদের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল ৪টার সময় শতাধিক জনকে ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গিয়ে দেখি অফিস তালাবদ্ধ, কেউ নেই।

    একই এলাকার সুমন বলেন, এ প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে আমি এখন দিশাহারা। এদিকে গ্রাহকরা এনজিওটির ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরগুলোতে একাধিকবার ফোন দিলেও সব নম্বরই বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে ভুক্তভোগীদের পক্ষে আনজুম আরা বেগম বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

    ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল বাশার বলেন, ভুয়া এনজিও খুলে অনেক মানুষ থেকে টাকা হাতে নিয়েছে বলে এক ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।

  • অভয়নগরে ফেনসিডিলসহ নারী আটক

    অভয়নগরে ফেনসিডিলসহ নারী আটক

    ডেস্ক নিউজ

    যশোরের অভয়নগর উপজেলায় সেনা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
    আটককৃতের নাম তরি বেগম ওরফে নাজমা বেগম (৩৫)। তিনি ওই এলাকার হাবিবুর শেখের স্ত্রী। অভিযান শেষে সেনা ও পুলিশ সদস্যরা তাকে ফেনসিডিলসহ অভয়নগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
    অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম রবিউল ইসলাম জানান, “বাঘুটিয়ার বিভাগদী এলাকা থেকে নাজমা বেগম নামে এক নারীকে ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”

  • জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে : সরওয়ার ছিদ্দিকী

    জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে : সরওয়ার ছিদ্দিকী

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ড. ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে। ঘুষের কারণে নাগরিকরা কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পায় না। আমরা মাদকমুক্ত ও ন্যায় ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করব।

    তিনি বলেন, ইসলামী রাষ্ট্রে ভিন্ন ধর্মের মানুষ আমানত। ইসলামী রাষ্ট্রে সকল নাগরিক সমান সুযোগ পাবেন।

    সম্প্রতি লাকসাম পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব লাকসাম এলাকায় আয়োজিত উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

    সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেন, আমি নির্বাচিত হলে চুরি করব না, সম্পদের ন্যায্য বণ্টন করা হবে। পুরো সিস্টেম ঢেলে সাজাব। অনেকে ভুল ফতোয়া দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। এদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

    পূর্ব লাকসাম মৈশান বাড়ি ইউনিট জামায়াত ইসলামীর আমির মু. জাকির হোসেন আজমের সভাপতিত্বে ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড নায়েবে আমির আলম আদম সফিউল্লাহর পরিচালনায় উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা-৯ আসনের নির্বাচন পরিচালক ও লাকসাম পৌরসভা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী ও সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা শহিদ উল্যাহ।

    এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ড আমির মু. আব্দুল জলিল, মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারী, মাওলানা বিল্লাল হোসেন মালেকী, অধ্যাপক জাকির হোসেন, পূর্ব লাকসাম কালীবাড়ি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুপন সাহা, লাকসাম কেন্দ্রীয় মহাশশ্মানের সভাপতি দীপংকর সাহা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ মো. জামাল উদ্দিন ছিদ্দিকী ও সৈয়দ মো. ফরিদ উদ্দিন ছিদ্দিকী।

    এআর/এনই

  • ঔষধি গুণের ফাঁদ!  বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি!

    ঔষধি গুণের ফাঁদ! বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়ালের মাংস বিক্রি!

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার বরুড়ায় প্রকাশ্যে শিয়াল জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সর্বশেষ গত শনিবার (৩১ মার্চ) দুপুরে শামীম হোসেন (২৮) নামের এক ব্যক্তি উপজেলার আড্ডা বাজারে শিয়ালের মাংস বিক্রি করেন। এ সময় বিক্রেতারা শিয়ালের মাংসের নানা উপকারিতার কথা উল্লেখ করে প্রতি কেজি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেন।

    মাংস বিক্রেতা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজঘাট ব্রিজ সংলগ্ন আড্ডা বাজারে শিয়ালটি জবাই করে নিজেরাই। জবাই করার পর এই বাজারে নিয়ে এলে ২ কেজির মতো বিক্রি করতে পারেন। বাকি মাংস পাশের বাগমারা বাজারে নিয়ে যান।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাংস ক্রয় করা ব্যক্তিরা জানান, মাংস বিক্রেতারা বলেছিলেন বাত-ব্যথা কিংবা কঠিন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে শিয়ালের মাংস রান্না করে খাওয়ার বিকল্প নেই। এ সব ক্ষেত্রে শিয়ালের মাংসই অব্যর্থ ওষুধ। তাদের এসব কথা বিশ্বাস করে মাংস ক্রয় করেন তারা।

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে প্রায়ই শিয়ালের মাংস বিক্রি করা হয়। বিক্রেতা নির্দিষ্ট থাকে না। একেক সময় একেকজন এসে বিক্রি করছে।

    আড্ডা ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন বাদল বলেন, ইউপি অফিস বাজারের সঙ্গেই। কিন্তু কখনোই আমার চোখে পড়েনি শিয়ালের মাংস বিক্রি করছে। আমার কাছে কেউ কোনো দিন অভিযোগ করেনি।

    এআর/এনই

  • ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ নাঙ্গলকোটের দশ বছরের শিশু মুনতাসির

    ১১ মাসে কোরআনের হাফেজ নাঙ্গলকোটের দশ বছরের শিশু মুনতাসির

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজ হয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে আবদুল্লাহ আল মুনতাসির নামে দশ বছর বয়সী এক শিশু। এ বয়সে অনেকেরই ত্রিশ পারা কোরআন মুখস্থ করা অসম্ভব হলেও মুনতাসিরের পক্ষে তা সম্ভব হয়েছে।

    এতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাকে ফুলের মালা ও পাগড়ি পরিয়ে দেয়। এছাড়াও তার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদকে পুরস্কৃত করা হয়।

    শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পিপড্ডা গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী মুহাম্মদ খুরশীদ আলমের ছেলে। খুরশীদ আলমের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে মুনতাসির সবার ছোট।

    দেড় বছর আগে নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা শুরু করে মুনতাসির। ৭৫ জনের মধ্যে নাজেরা শেষ করে ১১ মাসে পুরো ৩০ পারা কোরআন শরিফ মুখস্থ করে হাফেজ হয় সে।

    শিশু হাফেজ আবদুল্লাহ আল মুনতাসির জানায়, বিশ্ব বিখ্যাত আলেম হয়ে ইসলামের খেদমত করা, মা-বাবা ও প্রিয় শিক্ষকদের নাম যেন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া যায় এটা এখন তার স্বপ্ন। সবার কাছে দোয়া চায় এই শিশু হাফেজ।

    হাফেজ মুনতাসিরের মা কামরুজ্জাহান রুমি জানান, তার ছোট সন্তান আবদুল্লাহ আল মুনতাসির মাত্র ১১ মাসে ৩০ পারা কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে। ভবিষ্যতে তার স্বপ্ন সন্তানকে অনেক বড় আলেম বানানোর। তাই দেশবাসীসহ সবার কাছে দোয়া চান মা।

    চারিজানিয়া নেছারিয়া হামীদীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষক হাফেজ ক্বারি ফয়সাল মাহমুদ কালবেলাকে বলেন, আবদুল্লাহ আল মুনতাসির কোরআনে হাফেজ হওয়ার পেছনে তার অনেক চেষ্টা ও মেহনত থাকায় হাফেজ হওয়া সম্ভব হয়েছে। এতে শিক্ষকদেরও মেহনত রয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কবুল করায় ১১ মাসে হাফেজ হতে পেরেছে মুনতাসির। সূত্রঃকালবেলা

    এআর/এনই

  • ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : ড. খন্দকার মোশাররফ

    ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : ড. খন্দকার মোশাররফ

    বিডিটাইমস ডেস্কঃ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও কুমিল্লা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বহু কেন্দ্রে শতভাগ ভোট নৌকার পক্ষে পড়েছে, যা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমাকে ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় নিয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ‎

    গত শনিবার ‎আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার মেঘনায় গণমিছিল শেষে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    উপজেলার রাধানগর থেকে শুরু হয়ে গণমিছিলটি উপজেলার বাস কাউন্টার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মানিকারচর লাল মিয়া সরকার লতিফ মুন্সী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গণমিছিল শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

    এ সময় তিনি বলেন, মেঘনায় দীর্ঘদিন পর এলাম। এর আগে এখান থেকে আমি নির্বাচন করেছি। আমি ও এমকে আনোয়ার সাহেব মিলে এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন করেছি।

    তিনি আরও বলেন, যেসব এসপি-ডিসি এসব কাজে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে এখন ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। বিগত নির্বাচনগুলোতে দিনের ভোট রাতে হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন এবং ধানের শীর্ষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

    সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। গণমিছিলে সভাপতিত্ব করেন মেঘনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক রমিজ উদ্দিন লন্ডনি এবং সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক এমএম মিজানুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী দিলারা শিরিন, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সরকার, সাবেক যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান চেয়ারম্যানসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

    এআর/নিই